নি...
বৃষ্টির বুকে সমুদ্র স্মৃতি
লোনা ঘ্রাণ, ছপাছপ্ বৈঠা ফেলার শব্দ
বৃষ্টি মানে তো
ওড়ার ইতিহাস...
মনে পড়ে নাকি দেবী, বাকলহীন বৃষ্টি স্নানের কথা। সেই যে তুমুল দুপুর তুমি ভিজেছিলে সহৃদয় আমাকে বুকে চেপে। আকাশের বুক চেরা বজ্র বিদ্যুৎ কষাঘাত পিঠে উল্কির মতো পরে নিয়েছি তুমি আমি। আমি তো সেই আমি, দেখো, তোমার মিষ্টি ছোঁয়ার স্মৃতি কপালে। সেই যে পানকৌড়িদের জাগিয়ে সাঁতরে পেরিয়েছি মধ্যপুকুর জোৎস্না রাত্রিতে। শরীরে বুদ্ বুদ জমা কলমী লতার সংসারে বড় সংগোপন তোমার গা ছুঁইয়ে নামা তরল জোৎস্না আকন্ঠ পান করে হয়েছি স্বর্গভ্রষ্টা দেবতা।
মনে পড়ছে না আমায়, দেবী?
মৃগনাভীর গন্ধ ভরা তোমার মায়াবী বুকে মুখ রেখে ঘুমোতাম যে অসহায় বালক, দেখো না সে আমি। পৃথিবী ফিরায়ে দিয়েছে সেই অতীত, সেই প্রস্তরে দেখো প্যাট্রিফায়েড আমাদের মুখচ্ছবি, ভাঁড় ভাঁড় সুরা পিয়ে উদ্দাম সে অরণ্যাভিসার নেবে না আজকের করে? মনে কি আছে ঝরনা জল তুলবার কথা? অকৃত্রিম পতঙ্গগুঞ্জন বুঝি পাওনা শুনতে? সেই যে পায়ে বেঁধা কাঁটা তুলতে ঠোঁট রেখেছি আলতা চরনে, ভুলে কি গেছ শতাব্দী পেরুনো সে মদির তৃষ্ণার কথা? মনে কি পড়েনা চন্দ্রমল্লিকা বনে সমান্তরাল তুমি-আমি নামগোত্রহীন বাক্য বিহীন বিশুদ্ধ কুমার-কুমারী ঢেউ তুলেছি চ্ছলচচ্ছ ঘাসে, পাতায়, উত্তরী বাতাসে - একদিন বেলা পড়ে এলে?
দেবী, দ্বার খোলো।
অবগুন্ঠন খুলে দেখো - আমাদের প্রায়শ্চিত্ত শেষ । অথচ বারংবার ভ্রষ্টনষ্ট প্রায়শ্চিত্ত অভিশাপ ধেয়ে আসবে জেনেও পুনঃ ফিরে এসেছি অবোধ্য প্রেমিক। চোখ তুলে ঘোর বিশ্বাসে বলো - চিনেছ আমায়!
(পরবর্তী এবং শেষ পর্ব: সা...
(ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত )
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা ,প্রথম পর্ব : সা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , দ্বিতীয় পর্ব : রে..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , তৃতীয় পর্ব : গা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , চতূর্থ পর্ব : মা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , পঞ্চম পর্ব : পা..." এখানে
"বাসর নৈবদ্যগুচ্ছ - গদ্যছাঁচে পদ্যলীলা , ষষ্ঠ পর্ব : ধা..." এখানে
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


