আমার প্রিয় পোস্ট

::::: দেখবো এবার জগতটাকে :::::

খাশিয়া পল্লীতে কিছুক্ষণ

১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৬

শেয়ারঃ
0 0 0



জাফলং এ নেমে পিচ্চি পিচ্চি গাইডরা দল বেধে খিচে ধরলো। ঘুরিয়ে দেখাবে। ওদের রেট শুনে মাথা ঘুরে। জাফলং অল্প জায়গা। খুব বেশী ঘোরার কিছু নেই। ওরা চাইলো একশ টাকা। আমার ২০টাকা দেব বলে উত্তরের অপেক্ষায় না থেকে হনহনিয়ে হাঁটা শুরু করলাম।

খেয়া ঘাটের কাছে এসে এক পিচ্চি পাকড়াও করলো। বছর আটেক বয়স। নাম আল-আমীন। সে এই রেটেই দেখাবে। ওপারে রিক্সাওয়ালারা হাকডাক শুরু করলো তাদের ৮০/১০০টাকা দিলে পুরোটা ঘুরিয়ে দেখাবে। টুরিস্টের দল লাফাতে লাফাতে রিক্সায় বা ভটভটিতে উঠছে। আমি টুরিস্ট না। তাই আর এখানে রিক্সা বা ভটভটির দুরত্বে কিছু নাই জানি তাই পায়ে হেটেই রওনা হব শুনে আল-আমিনের চেহারা কালো হয়ে গেল। অনেক রাস্তা। হাটতে কষ্ট।
আমি কোন কথা না বলে ব্যাগপ্যাকটা দুই কাধ থেকে সরিয়ে এক দিকে নিলাম। আল-আমিন কে চ্যাংদোলা করে নিয়ে অন্যকাঁধে নিয়া বললাম আমার কাছে রিক্সাভাড়া নেই তুমি এই কান্ধে বসে থাকে। সে হাচরে পাচরে জোড় করে নেমে গিয়ে আমার দিকে বিষ দৃষ্টিতে তাকাতে থাকে। অবশ্য তার বিরক্তি খুব তারাতারি কেটে যায়। ওর সাথে গল্পে মেতে উঠি। খাশিয়ারা বান্দারবানের ট্রাইবদের মতো মোটেও ফ্রেন্ডলী না। ওদের সাথে গল্পগুজব করাটা সহজ হলো না। তবে পানের বরজ গুলোতে কিছু ফ্রেন্ড পেয়ে গেলাম। যারা অন্যান্যদের চেয়ে অমায়িক।

খাশিয়া জমিদার বাড়িতে কমলা গাছে কমলা দেখলাম। এমনি কমলা বাগানে কিছুই নাই। এটা বৈশাখ মাসের শেষ। কমলা থাকার কথাও না। কিন্তু জমিদার বাড়ির বাগানে দেখলাম একটা পাকা কমলা গাছে দুলছে। দরজায় বড় করে লেখা নো এন্ট্রেন্স।

চারপাশে খালি পানের বরজ। এক দোকান থেকে পান কিনে খেলাম। মজা পেলাম না। এটাই হয়। যেসব জায়গা পানের জন্যে বিখ্যাত সেখানে পান খেয়ে মজা নাই। মহেশখালীর পান কিনে বন্ধুরে খাওয়াইতাম। শেফালী ঘোষের বিখ্যাত গান আছে। কিন্তু মহেশখালীতে বসে মহেশখালীর পান খেয়ে অত্যন্ত নিরাশ হয়েছি। ইতিমধ্যে আল-আমিনের সাথে হেভী দোস্তি হয়ে গেছে। চা বাগানে গিয়ে সে গাই গুই করলো জোকের ভয়ে। আবার তাকে গাইডকে ঘারে করে নিতে হলো।

পথে খাশিয়া গ্রামে এক জমজমাট ক্যারাম আড্ডা দেখে ঢুকে পড়লাম। আমি ক্যারামে যাচ্ছে তাই। গুটিই চিনি না। আল-আমিন জানালো সে ক্যারামে নাকি ফাটাফাটি। অবশ্য কিছুক্ষনের মধ্যেই দেখলাম সে হারা ছাড়া কিছু পারে না। হারে আর লাজুক হাসি দিয়ে বলে আইজকা আমার কুফা লাগছে। জুত করতে পারতেছি না। অবশ্য আরেক পিচ্চি নিকোলাস কথাই বলে না। যা বলি উত্তরে খালি মিচকি হাসি দেয়। খেলতে গিয়ে দেখা গেল সে বিশাল ক্যারাম প্রতিভা। আল-আমিন আর আমার বারোটা বাজায় দিল। একটু পরে আরেক পিচ্চি আসলো। সে কোন কথাই বলেনা। কিছু জিজ্ঞেস করলে খালি বিজ্ঞের মতো মাথা দুলায় আর ভুরু কুচকে তাকায়। যেনো আমার প্রশ্নের মতো অবান্তর কথা জীবনে সে শুনে নাই ভবিষ্যতে শোনার সম্ভবনাও সামান্য। এর নাম গিবসন। সে নিকোলাসের চেয়েও বড় প্রতিভা। গিবসনের সাথে এসে যোগ দিল আরেকজন শক্ত চেহারার পিচ্চি। জানালো ওর নাম রোনালদো। সে বিশাল ক্যারাম স্টার হিসাবে আবির্ভুত হলো।

পিচ্চিদের দলে আরেকজন ছিল। সে অবশ্য আল-আমিন ঘরানার। অর্থাৎ সারাক্ষন জানাচ্ছিলো সে খুব ভালো ক্যারাম খেলে আসলে হারা ছাড়া আর কিছু দেখাতে পারলো না। ওর নাম রিকি।





ছবিঃ


আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা।


ঝর্নাটা মেঘালয়ে। ছবিটা জিরোপয়েন্ট থেকে তুলছি।


আমার সঙ্গি আল-আমিন।


খাশিয়া পল্লীতে ঢুকার মুখে। পানের বাগান। ছবি তুলছে আল-আমিন। আমারে হ্যান্ড-সাম লাগতেছে তো?


সবুজের ডাক।


বৈশাখের শেষ, জৈষ্ঠ আসতেছে। কিন্তুক গাছে এখনো পাকা কমলা। বাংলা লিঙ্ক ওয়ালারা কই?


কোথা যাও নাচি নাচি।পান খেকো (?) প্রজাপতি।


যদি হয় সুজন। তেতুঁল পাতায় ন-জন। এইখানে অবশ্য ১১জন আছে।


ক্যারাম বোর্ডের অপ্রতিদ্বন্দি চ্যাম্পিয়ান নিকোলাস। আমারে হারায় ভুত বানাইছে ।


নিকোলাসের গর্বিত হাসি আর আল-আমিনের (লাল-টুপি) মিচকা হাসি। খেলার রেজাল্ট বুঝাই যাইতেছে।


আল-আমিন আবার হারতেছে। এইবারে চ্যাম্পিয়ান রোনালদো (সাদা-লাল চেক গেঞ্জি)


নিকোলাস আবার ফাটাইতেছে ।


কঠিন ফাইট হচ্ছে, নিকোলাস বনাম গিবসন (মেরুন গেঞ্জি)।


চল সবাই ইশকুলে যাই ।


গাড়ি (?) চলে না চলে না, চলে না রে।


গুল মরিচের গাছ।


আমার পথ চলা, আমার পথে। যেন বেলা শেষে আনমনে...


ইচ্ছে করে হেটে হেটে যাই অনেক দূর।


আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ঐ।




টিয়া পাখির ট্যারা দৃষ্টি। বার্ডস আই ভিউ।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): খাশিয়া পল্লীবেড়ানো। ;
প্রকাশ করা হয়েছে: পৃথিবীর পাঠশালা।  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৪
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: মনে পড়ে গেল আমাদের ভ্রমণের কথা। সৌম্য ভাই, জৈন্তেশরী রাজবাড়িতে গিয়েছিলেন? ওখানে একটা খুব ইনটারেসটিং জিনিস আছে, রাজবাড়ির একটা বৈঠকখানা, যেখানে নাকি শালিস হত। বিশাল বিশাল পাথরের তৈরি। এটার পাশে নাকি একটা উঁচু চূড়া ছিল যেখান থেকে আগে সিলেট শহর দেখা যেত।

আপনার ভ্রমণ দেখে খুব ঈর্ষা হয় সৌম্য ভাই। ভালো থাকবেন।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৬

লেখক বলেছেন: সাদাত ভাই, শুনছি ঐখানে নাকি নরবলী হইতো। সত্যমিথ্যা জানেন নাকি?

২. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৩
ফারহান দাউদ বলেছেন: ঝর্ণাগুলা দেখলে মেজাজ খারাপ হয়,একটাও কি এইদিকে পড়বার পারলো না? :(
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: চলেন যাই বান্দারবান। ঝর্না কত দেখবেন। যে কোন একটা ঝিরি তে ঢুকে ট্রেক শুরু করেন। মেঘালয়ের চেয়ে সুন্দর। রাইখান ঝর্না যাবার খুব শখ। পুরো রাইখান নদী নাকি পাহাড়ের উপর থেকে পড়তেছে। কাগজ পত্রে এর নাম পাবেন না। বাংলাদেশে জন্ম বাংলাদেশে শেষ সবাই বলে এরকম নদী নাকি খালি সাঙ্গু। রাইখানের নামও কোন কাগজ পত্রে পাই না। খুব শখ দেখার। যে গেছিলো সে অনেক প্রশংসা করছে।

৩. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৪
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

অসাধারণ।
ছবিগুলো অপূর্ব..................................................................+
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ধন্যাপাতা। :)

৪. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৪
তনুজা বলেছেন: সৌম্যকে তো ছবিতে আসলেই হ্যান্ডসাম লাগছে :)

নিয়ে গেলাম পরে পড়ব ভাই
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: লাজুক হাসির ইমোটিন দেয় কেমনে?

৫. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:২৪
জয় সরকার বলেছেন: ব্যাপক পোষ্ট।যাওয়ার খায়েশ জাগতেছে।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জয় ভাই। সুন্দর জায়গা ঘুরে আসেন।

১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: সবুজ ভাল্লাগেনা?

৭. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৩৮
শয়তান বলেছেন: আমারে হ্যান্ড-সাম লাগতেছে তো?


*****হা হা হা
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: :( :(

৮. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৪৪
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: জটিল পোষ্ট হয়েছে ... সাবলীল বর্ননার সাথে সামন্জস্যপূর্ন ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন একসাথেই ঘুরে এলাম খাশিয়া পল্লী .....
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দিগন্ত ভাই। জায়গাটা ছোট কিন্তু সুন্দর। যদিও অনেক বছর পরে এসে পিয়াইন নদীর দুর্দশা আর মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয় দেখে খুব বেশী খারাপ লাগছে।

১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ইমন ভাই।

তবে এটা রাব্বী ভাইয়ের ডিপার্টমেন্ট। আমি ম্যাপ বুঝি না। উনার কাছে বান্দারবানের একটা মজার ম্যাপ দেখছি। ব্রিটিশ গভর্মেন্ট বাংলা তৈরি করছিলো। ১৯৩৫সালের ম্যাপ। সেখানে দেখি সিপ্পি আরসুয়াং (অন্য একটা নামে) এবং সাকা হাফং/ক্ল্যানময় কে মার্ক করছে। উচ্চতাও জিপিএস রিডিং এর সাথে বিষ্ময়কর ভাবে মিলে যায়। অথচ কেওকারাডং মার্ক করা নাই। অথচ বর্তমান বাংলাদেশের যেকোন ম্যাপে কেওকারাডং পাবেন, সিপ্পি বা সাকার নাম গন্ধও দেখবেন না।

১০. ১৩ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
রশীদ বলেছেন: আপনার ভ্রমন বিষয়ক পোষ্ট সবসময় ভালো লাগে।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১০

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ রশীদ ভাই। ভালো থাকবেন।

১১. ১৩ ই মে, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪
বাংলাদেশী সাইকেল ভ্রমণকারী বলেছেন: নরবলির বিষয়টা সত্য। হ্যান্ডসাম? তা তো লাগছেই। আল-আমিন কে ঘাড়ে বসিয়ে ঘুরালেন? বুঝলাম না, কে কারে পেমেন্ট করলো?
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:০৯

লেখক বলেছেন: হি হি হি।
উয়ারি প্ল্যান কতো দুর। জানিয়েন।

১২. ১৩ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৪০
যীশূ বলেছেন: ছবিগুলা ভালো হয়েছে।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীশু ভাই।

১৩. ১৩ ই মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: জ্বী, সৌম্য ভাই, আমিও শুনেছি যে নরবলি হইত। এবং মনে হয় ব্যাপারটা সত্যিই। কারণ নরবলি দেবার জায়গার প্যাটার্ণের সাথে মেলে জায়গাটা। আর আমি শুনেছি এক খাসিয়া ভাইয়ের কাছ থেকেই।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: হুম, ঢাকায় ফিরার পরে আমার বাবার কাছে শুনলাম এই ঘটনা। যাবার আগে কিছুই কয় নাই। আসার পরে বললো। মেজাজটা কেমন লাগে?

১৪. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৩
শয়তান বলেছেন: আরে নাহ । আমি পুরা গিরিন লাভার ।

বাই দ্য ওয়ে ওয়ানস এ জেন্টেলম্যান ক্যাডেট ইজ অলওয়েজ হ্যান্ডসাম । ভুইল্লা গেসেন মনে হয় ।
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: জাহাঙ্গির কোম্পানীতে পরথম যেদিন ঢুকতাছি দেখি বিশাল আয়না। বড় করে লিখা গেট স্মার্ট। পরে সিনিয়রেরা পাঙ্গাইলেই খালি কইতো। ফাকেন নাট ইউ আর টু স্মার্ট। একদিন তো কইয়াই দিলাম স্যার আল্লাহ মেড মি স্মার্ট, হোয়ার ইজ মাই ফল্ট?

১৫. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২২
মনজুরুল হক বলেছেন:

ভীষণ রকম চেনা যায়গা সৌম্য। ওই খাশিয়া পল্লীর আনাচে-কানাচে স্মৃতিরা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। আমার এক আত্মিয়বাড়ি খাশিয়া টিলার খালের এপারে, পাড়াটার নাম নিজপাট। খাশিয়া টিলায় এক বাড়িতে সারাদিন তাম্বাকু সেবনের সে এক মজার ইতিহাস!!

তুমি গোল মরিচের যে গাছটির ছবি তুলেছ সম্ভবত সেই গাছটি যে বাগানে সেখানে অনেক আনারস আছে!

এর পরেরবার গেলে নক করো। পারলে সঙ্গি হব........................................
১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২৭

লেখক বলেছেন: ব্লগার রাব্বী ভাই সম্ভবত এই শুক্রবারের পরের শুক্রবার যাচ্ছেন। তাবু টাবু স্লিপিং ব্যাগ সব নিয়া। পুরা ডিটেইলস ক্যাম্পেইন।
ধন্যবাদ মঞ্জুভাই।

১৬. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৩
শয়তান বলেছেন: মনজু ভাই আমার স্পনসর কে হৈবো ?:(
১৮. ১৪ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৫৯
শয়তান বলেছেন: হৈ হৈ রৈ রৈ । দাওয়াত কবুল করলাম মন্জু ভাই :)
১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

লেখক বলেছেন: আমি কি গাঙ্গের জলে ভাইসা আসছি। আমারে দাওয়াত না দিলে হরতাল।

১৯. ১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:৪২
জানজাবিদ বলেছেন: Shoummo vai is one of the few reasons that I love this blog so much.....(out of dhaka, writing from mobile)
১৫ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

লেখক বলেছেন: জানজাবিদ ভাই। অনেক ধন্যবাদ। অনেক কষ্ট করে ঢাকার বাইরে থেকেও মোবাইলে কমেন্ট করলেন। ব্লগের এই সৌহার্দবোধের জন্যে আমি গর্বিত।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯১৭৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি সাঈদ সৌম্য।
ঘুরা ঘুরি করতে ভাল্লাগে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ