বলেন তো দেখি ছবির ভদ্রলোকটা কে?
পারলেন না তো? চেনা চেনা মনে হয়? উহু।
একসময় আমেরিকার পর্দা কাঁপানো এই ভদ্রলোকের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ছিল বাংলাদেশেও। ডলি সায়ন্তনী গান গাইছিলো,
‘রাত জেগে দেখি না ভিসিআর...
আমার দু চোখ শুধু তাকেই খোঁজে, ম্যাকগাইভার।
আরেকটা খুব চালু কৌতুক ছিল। স্যার ছাত্রকে সপ্তাহের সাতদিনের নাম বলতে বলছে, ছাত্র বলতেছে, শনিবার, রবিবার, সোমবার,মঙ্গলবার, ম্যাকগাইভার। বুধবার রাত ৯টায় ম্যাকগাইভার হইতো। তাই বুধবারকে ম্যাকগাইভারবার বলা যেত খুব সহজে। পেশায় স্পাই। মিশন নিয়ে ঘুরে বেড়াতো পৃথিবীর দুর্গম জায়গাগুলোতে। এক টাকলু বস ছিল। বিভিন্নদেশে বদলোকেরা নিরিহ লোকজনকে টর্চার করে, অন্যান্য নায়করা হলে সাথে সাথে এই বদমাইশদের ধরে বেদম মাইর দেবার কথা। কিন্তু ম্যাকগাইভারের ম্যাকগাইভারী বুদ্ধি, সুইস নাইফ, পেন্সিল, কলম, পেপার ক্লিপ এইসব জিনিসপাতি দিয়া ভয়ানক সব অস্ত্র পাতি বানায় ভিলেনদের দফা রফা করে দিত। (এখনো হেভী চাল্লু লোকজনদের কথা প্রসঙ্গে ম্যাকগাইভারী বুদ্ধি বলা হয়)। এখন মাল্টি পারপাস নাইফ গুলা নিউমার্কেটে কিনতে গেলে দোকানীরা ম্যাকগাইভারী ছুরী বলে ডাকে।
ম্যাকগাইভার সিরিজের পরিচালক এত বছর পরে ম্যাকগাইভার পূননির্মান করার চিন্তা করছিলেন। স্টুডিও প্রয়োজনীয় অর্থ যোগান দিতেও রাজী ছিল। ম্যাকগাইভারকে রিটার্ন করাইতে পরিচালক অভিনেতা রিচার্ড ডিন এন্ডারসনকে লাঞ্চে দাওয়াত দিলেন। পরিচালকের বুক ভেঙ্গে গেল যখন পক্ক কেশের উপরের ভদ্রলোক হাজির হলেন। এখন কোনভাবেই মাটিতে লাফ দিয়ে উড়ন্ত হেলিকপ্টারের তলার ডান্ডা ধরে ঝুলা ঝুলি করা সম্ভব না কারন উনার বয়স ৭০।
সে সময়ের ম্যাকগাইভার
আমাদের পিচ্চি কালে এই পোস্টারটা থাকতো সবার ঘরে ঘরে
জ্বী। ইনিই একসময়ের সাড়া জাগানো একশান নায়ক।
বামের পিচ্চিটা ম্যাকগাইভারের মাইয়া আর পাশেরটা মাইয়ার বান্ধুবী।
সময় ম্যাকগাইভারকেও পরাজিত করে খুব সহজেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



