আমার প্রিয় পোস্ট
- কম্যুনিজম কবলিত মধ্যএশিয়ায় নাস্তিকদের ভয়াবহ সেই শাষনামল নিয়ে তিনটি বই (উপন্যাস) - নীল-গোলাপ
- আমাদের ব্রেনওয়াশ যেভাবে করা হয় - ভালো
- মাওলানা মওদুদী সম্পর্কে জানতে হলে ... (আপডেট : amarboi.org এ আরো বই পাবেন) - ভালো
- শিবির যদি ১০ লাখ গাছ লাগায়-আপনারা কি করবেন ? - ক্রসফায়ার
- ওদের উচিত পাকিস্তানে গিয়ে গাছ লাগানো - চুম্বক
- বাংলার পবিত্র মাটি শিবিরবৃক্ষের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে - কৌশিক
- ছাত্রলীগের গান
- বিবেক সত্যি
- শহীদের আম্মুরা : !!!! - স্বর্ণলতা
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপনাকে ভারতীয় সেলাম । - পাগলা বাবু
- আওয়ামীলীগ সাবধান হও, নতুবা পতন স্পষ্ট! - হমপগ্র
- মানুষ মেরে উল্লাস! কিছু পোষ্ট শিবিরের প্রতি মানুষকে সহানুভূতিশীল করবে - শুভ৭৭
- একজন শিবির কর্মীর কথা - হলদে ডানা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে জামায়াত-শিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকান্ড এবং শিবির কর্মীর ধিক্কার
- ভালো
- রগকাটা শিবির - ভোরের সূর্যদয়
- আমি জানতে চাই, নাস্তিকরা কেন জামায়াত-শিবিরের বিরোধিতা করে ? - ভালো
২৮ অক্টোবর : সংঘর্ষের দুটো পক্ষ : কি তাদের বৈশিষ্ট্য !
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২০
২৮ অক্টোবর ২০০৬ ! স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্ম এর চেয়ে ভয়াল হিংস্রতার দিন আর একটিও দেখেনি । হয়তোবা এদেশে এরকম দিন এসেছে আরো..এবং ২০০৬ এর পরেও হয়তোবা এসেছে.. কিন্তু সেদিনের বিভৎস নারকীয়তার টিভি চ্যানেলগুলোতে সরাসরি সম্প্রচার মানুষের হায়েনাত্বকে নতুন মাত্রা দিয়েছিলো ।
মানুষ সৃষ্টির পরিকল্পনা করার সময়ে মহান আল্লাহর কাছে ফেরেসেতাদের সেই আশঙ্কা ..এরা তো পৃথিবীতে রক্তপাত - হানাহানিতে লিপ্ত হবে !... ফেরেশতারা সেদিন আশ্বস্ত হয়েছিলো এমন জবাবে , যুগে যুগে এই মানুষেরা আল্লাহর নিকট হতে জীবন বিধান পাবে , পাবে নবী ও রাসুলগণকে যারা শিখিয়ে দেবেন জীবনের প্রতিটি কর্মকান্ড ও চিন্তাধারা ঠিক কিভাবে হলে পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করা যাবে ...
শয়তান তার কিছুকাল পরে অহংকারের সুরে বলেছিলো, হে আল্লাহ, যেই আদমের জন্য আমাকে তোমার আশ্রয় হতে বিতারিত হতে হলো সেই আদম ও তার সন্তানদের অধিকাংশকেই তুমি তোমার প্রতি অকৃতজ্ঞ হিসেবে পাবে !
কঠোর সতর্কবানী ছিলো মহান স্রষ্টার..সেই সময়ে... .."তুমি ও তোমার অনুসারীদেরকে দিয়ে আমি জাহান্নাম পূর্ণ করবো"..
নবুওয়্যাতের ধারার সমাপ্তকারী , রাসুল মুহাম্মাদ সা: এর মাধ্যমে আল্লাহ তার ওয়াদা পূর্ণ করলেন । মানুষের জন্য এলো সবশেষ ও পূর্বে আগত সকল আসমানী বইয়ের পরিপূর্ণতা দানকারী বই , আল-কুরআনুল কারীম । যে বইটি এসেছিলো পৃথিবীর শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত পৃথিবী তথা মহাবিশ্ব ও মানবজাতিকে সব ধরনের অন্ধতা, অজ্ঞতা ও অন্ধকার হতে মুক্তি দিয়ে শান্তিময় জীবনব্যবস্থার পরিপূর্ণ ফর্মুলা নিয়ে ।
শেষ নবীর মৃত্যুর পরে, তার অনুসারীগন পেলেন এক অনন্য মর্যাদা । যে মর্যাদা পান নি মানবজাতির আর কোন সময়ে বিচরণকারী সদস্যগণ । যে সুমহান দায়িত্ব অর্থাৎ আল্লাহর নির্দেশাবলী জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করে মানবজাতি ও সৃষ্টিকে সু-শৃংখল রাখার কাজ...যা এতদিন ধরে করতেন শুধুমাত্র আল্লাহর নবী ও রাসুলগণ... সেই দায়িত্বের দায়িত্বশীল হলেন একেবারে সাধারণ মানুষেরা - যারা মুহাম্মদ সা: এর উম্মাত ! কেননা, আর কোন নবী আসবেন না...
এককালের মর্যাদাশীল জ্বীন-জাতি সদস্য ইবলিশ, যে তার অহমের আতিশয্যে বিদ্রোহী হয়ে গিয়ে চিড় অভিশপ্ত হয়ে গেলো , তাকে সুষ্পষ্টভাবে ঘোষণা করা হয়েছিলো, এই মানবজাতির জন্য এক চিড়ন্তন পরীক্ষা হিসেবে । মানবজাতি যখন ই আল্লাহর বিধি-বিধানকে প্রতিস্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছে, সেখানেই বাগড়া দিয়েছে ইবলিশ.. আল্লাহর ই দেয়া কিছু বিশেষ গুণাবলী ব্যবহার করে সে যুগে যুগে তার অনুসারী বানিয়ে নিয়েছে স্বাধীন চেতনা ও বিবেকের অধিকারী অথচ অজ্ঞ কিছু মানুষকে । কাজে লাগিয়েছে তাদেরকে সর্বশক্তি দিয়ে... বাঁধা দিয়েছে, বিঘ্নিত করেছে আল্লাহর নির্দেশাবলী মেনে চলা ও সবাইকে মেনে নেবার আহবানকারী সম্মানিত মানুষদেরকে !
ইসলামী আন্দোলনের এর কন্টকময় পথচলার , এই প্রাগৈতিহাসিক রক্তাক্ত ঘটনাপন্জীর , আল্লাহর নির্দেশাবলীকে সবচেয়ে সুউচ্চে তুলে রাখার জীবনবাজী প্রতিজ্ঞার চিড়ায়ত ধারাবাহিকতার একটিমাত্র দিন হলো ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৬ ইশায়ী সন । এ দিনটি নতুন কিছু না.. এ দিনের আত্মত্যাগ আর শাহাদাতের নজরানার ঘটনাও বিচ্ছিন্ন কোন ঐকিকতার পরিচায়ক না !
কিছু সহজ কথা ....
১. ওরা প্রত্যেকে ছিলো শিক্ষিত..
২. ওদের আচরণ ছিলো ভদ্রতা, নম্রতা আর সম্ভ্রমে পূর্ণ..
৩. ওরা ভালোবাসতো ওদের সহপাঠীদের , ওদের সহপাঠীরা ভালোবাসতো ওদেরকে..
৪. ওদেরকে কোন ব্যাপারে দোষারোপ করতে পারতো না পরিচিত কেউ !
৫. ওরা অন্যায় করতো না এবং কাউকে করতে দেখলেও নিষেধ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করতো..
৬. ওরা মিথ্যা কথা বলতো না..ওরা নোংরা-বাজে কথা বলতো না.. শুনতো ও না..
৭. ওদের পোশাক থাকতো পরিচ্ছন্ন আর মার্জিত..
৮. ওরা ছিলো নামাজী .. ফজরের ওয়াক্তে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম এদেশের যে ১৫ থেকে ২০ ভাগ তরুন শুনতে পায়, ওরা তাদের অন্তর্ভক্ত ছিলো..
৯. ওরা কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতো শুদ্ধভাবে , কুরআনের অর্থ পড়তো..এবং বিস্তারিত তাফসীর ও পড়তো..
১০. ওরা জানতো.. নবীদের জীবনী, মুহাম্মাদ সা: এর জীবনের প্রতিটি মুহুর্ত, সাহাবীগণের অসাধারণ জীবনগাঁথা..
১১. ওরা পড়তো ওদের পাঠ্যবই, আরো পড়তো শতশত বই যা ইশকুল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীতে ছিলোনা.. অথচ পৃথিবীকে গড়তে হলে যেগুলো পড়া খুব বেশি দরকার !
১২. ওরা সঙ্ঘবদ্ধ আর সুশৃংখল জীবনে অভ্যস্থ ছিলো, কেননা আল্লাহ বলেছেন এটা করতে..
১৩. ওরা রাতের গভীরে একত্রিত হয়ে আল্লাহর দরবারে হাত তুলে চোখের পানি ফেলতো..
১৪. ওরা চাইতো মনে প্রাণে, চারপাশে একজন ও অভাবী মানুষ না থাকে.. না থাকে একজন ও বঞ্চিত অসহায়..
১৫. ওদের আত্মীয়-স্বজন, বাবা মা, ভাই-বোন ও বন্ধুদের কাছে ওরা খুব প্রিয় ছিলো..
আরো কিছু সহজ কথা..
(..অধিকাংশ অথবা কেউকেউ..)
১. এরা ছিলো কেউ শিক্ষিত, কেউ অশিক্ষিত.. বেশিরভাগ ই ছিলো প্রায় মুর্খ..
২. এরা বেশিরভাগ সময়েই থাকে উগ্র ও বদমেজাজী অবস্থায়..
৩. এরা সিগারেট খায়, নেশা করে, মাদকের রাজ্যে নিয়মিত বিচরণকারী..
৪. এরা গালি দেয়, গালি শুনে এমনকি সাধারণ আড্ডাতেও নোংরা কথা বলা ও শোনাতে এদের যাবতীয় আনন্দ..
৫. এরা নামাজী নয় , নামাজী হলেও নিয়মিত নামাজী নয়..
৬. এদের পরিবারের সদস্যরা ও আত্মীয় স্বজনেরাও বেশিরভাগ সময়ে এদেরকে অভিযুক্ত করে নানান ধরনের অপছন্দনীয় অনিয়মের কারনে..
৭. এরা জানেনা বিধাতার দেয়া কুরআন শরীফ কিভাবে পড়তে হয়.. জানেনা ঐ কুরআনে কি লেখা আছে..
৮. এরা মিথ্যাচার করে , মানুষকে ঠকানোর সামান্যতম সুযোগ ও ছেড়ে দেয়না..
৯. এরা জানেনা, আল্লাহর দেয়া বিধান ও নির্দেশনা না মানলে কি কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে মৃত্যুর পরে এমনকি অশান্তিময় এই পার্থব জীবনেও..
১০. এরা ধর্মনিরপেক্ষতা নামের জীবনব্যবস্থার সমর্থণ করে বসে, যা আল্লাহর দেয়া একমাত্র গ্রহণযোগ্য আদর্শ ইসলামের সাথে বিদ্রোহের সামিল..
১১. এরা কখনো পড়েনি এমন একটা বা দুটা বই, যাতে লেখা আছে মুহাম্মাদ সা: এর জীবনেতিহাস, লেখা আছে সাহাবাগনের কাজের বর্ণনা.. অজ্ঞতার অন্ধকার-মাদকে বেহুশ জীবনযাপন করে..
১২. এরা অত্যাচারী ও পেশীশক্তির অহংকারে অহংকারী.. চাঁদাবাজী আর হুমকি ধমকি দিয়ে এরা একেকটা দিন পার করে..
১৩. এদের নিজস্ব বিবেক-বুদ্ধি, বিচার-বিবেচনার কোনই অবশিষ্ট নেই । সব বিকিয়ে দিয়েছে অনেক ধরনের প্রভুর প্রভুত্বের কাছে..
১৪. এরা সংকীর্ণ মানসিকতা আর খুব ক্ষীণ দৃষ্টি নিয়ে পৃথিবীকে দেখে.. ইসলামী জীবনব্যবস্থার মহাবিশ্বব্যাপী প্রশস্ততা এদের ধারনাতেও নেই..
১৫. ইসলামী জীবনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হোক, তা এরা কিছুতেই চায়না, যার সহজতম অর্থ হলো, আল্লাহর নির্দেশ- ইসলাম তথা তার আদেশ নির্দেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠা করার সংগ্রামের এরা স্পষ্ট বিরোধীপক্ষ!
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের শব্দগুলির সাথে আমার পোষ্টের শেষ অংশে লেখা বৈশিষ্ট্যগুলি মিলিয়ে দেখেন । অন্তত ২-৪ এবং ৮ নাম্বার ।
ইমতিয়াজ ১৩ বলেছেন:
কি রহস্য। ওরা মার খাবে কিন্তু কিছু বলতে পারবে না। আরে ভাই দন্ডিত যদি মনুষত্ব থেকে থাকে এ কথা বলতে পারতেন না।
লেখক বলেছেন: ১৩. এদের নিজস্ব বিবেক-বুদ্ধি, বিচার-বিবেচনার কোনই অবশিষ্ট নেই । সব বিকিয়ে দিয়েছে অনেক ধরনের প্রভুর প্রভুত্বের কাছে..
লেখক বলেছেন: এমন লিষ্ট করার দায়িত্ব ছিলো যাদের, তারা তা করতে ব্যর্থ হয়েছে... কারন এটা অবাস্তব ধারনা ছাড়া আর কিছুই না...
সাজিদস্টার বলেছেন:
দারুন লেখা! সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা যেন সেই তরুন যুবকদের উত্তম প্রতিদান দান করেন,
সেই সাথে যারা এই নির্মম বেদনাদায়ক হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত দুনিযার জীবনে তাদের জন্য লাঞ্ছনা আর পরকালে উপযুক্ত শাস্তি কামনা করছি,
যারা প্রকাশ্য দিবালোকে আইন হাতে তুলে নিয়ে রাজপথে নির্লজ্জ সেচ্ছাচারী আদালত আর যমঘর কায়েম করে, সেই সাথে মৃত লাশের উপর উদ্দাম নৃত্য করতে পারে বাংলা ভাইদের সাথে তাদের পার্থক্য কোথায়?
লেখক বলেছেন: সৃষ্টিকর্তার নিকট প্রার্থনা যেন সেই তরুন যুবকদের উত্তম প্রতিদান দান করেন...
পড়লাম।
এখন, কথা হইলো ২৮/১০ খারাপ হইলে...
মানুষ এরে ঘ্বণা করতো... এসোব থেকে বাচতে চাইতো...
কিন্তু এইটা করার পরেও তো আওয়ামি লিগই পাওয়ারে আসলো।
মানে বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ এইটারে সাপোর্ট করছে?
এর মানে কী??
২৮/১০ এর ইনসিডেন্টা মানুষ সমর্থন করছে??
আপনি কী বলেন, ভালো?
লেখক বলেছেন: জনাব আব্দুল জলিলের বোমার কথা মনে করিয়ে দিলেন ।
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন:
আমার এলাকার পরিচিত এক ছোটভাই মারা গিয়েছিলো।খুব ব্রিলিয়ান্ট পরিবারের ছেলে ছিলো।ielts করেছিলো,আমাদের মতো বাড়ীওলা ছিলো।একই স্কুলের ছিলো,ওর ভাই সেভেন্থ স্টান্ড করেছিলো।শুধু ওর রাজনীতি করা আমি পছন্দ করতাম না।রাজনীতির জন্যই মারা গেলো।আশ্চর্যের কথা ওকে মেরেছে এক সবজী বিক্রেতা।
লেখক বলেছেন: ২৮ অক্টোবরের শহীদেরা নিছক রাজনীতির জন্য জীবন দেয়নি । তাদের কাজ, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আরো অনেক অনেক মহান !
সাজিদস্টার বলেছেন:
@দন্ডিত, আপনার বুঝি দাদাগো পা চাটার অভ্যাস দীর্ঘদিনের?আর আপনার ব্যবহারই তো তার উত্তম পবিচয় দিচ্ছে...
লেখক বলেছেন: কোন একদিন বুঝতে পারবে হয়তো...
তমগো নেতা রাজাকার ধর্ষক নিজামী তারে রক্ষা করার জন্য কি কি বয়ান ছাড়ছিলো,সেটা আমরা ভুলে যাই নি।
সাজিদস্টার বলেছেন:
"মারুফ হায়দার নিপু বলেছেন:পড়লাম।
এখন, কথা হইলো ২৮/১০ খারাপ হইলে...
মানুষ এরে ঘ্বণা করতো... এসোব থেকে বাচতে চাইতো...
কিন্তু এইটা করার পরেও তো আওয়ামি লিগই পাওয়ারে আসলো।"
নিপুদা, কইবার পারেন ২৯ ডিসেম্বরের নির্বচন ছাড়া এই বাংলা মুলুকে তো দূরে থাক, পুরা সাব-কন্টিনেন্টের কোন দেশে ৮৭ % ভোট কাস্ট হইছে কি না?
তাইলে মিরাকলের গুনে এই রেজাল্ট সম্ভব হইলো?
"আওয়ামি লিগ পাওয়ারে আসলো" কোন দাসখতের গুনে তা পুরা জাতি উপভোগ করিতেছে......
লেখক বলেছেন:
আব্দুল জলিল সমগ্র :
Click This Link
Click This Link
সাজিদস্টার বলেছেন:
@পাপী ০০৭ , পাপ করতে করতে পইচা গেছো তাই পরথম আলুর মতন মিছা কইতে গর্ববোধ করো....
বকুল০৮ বলেছেন:
জামাত-শিবিরের আদর্শ বা কর্মকান্ড কোন হক্ক্বানী আলেমরাই সমর্থন করে না... আমিও না।
৭১ এ এদের অপকর্ম বাংলাদেশের মানুষ চিরকাল ঘৃণা ভরে স্মরণ করবে
অভিশাপ দিবে।
আমিও।
সচেতন দেশপ্রেমিক ধর্মভীরু মানুষ মাত্রই শিবিরকে অবিশ্বাস করে, মাইনাস দেয়।
তাই আমিও...............
লেখক বলেছেন: "আলেম"দের মধ্যে কিছু অংশ চিড়কালই বিপ্লবী পরিবর্তনের বিপরীতে দাড়িয়েছে । ইমাম ইবনে তাইমিয়া কিংবা ইমাম আবু হানিফা সহ চার ইমাম বা উপমহাদেশের শায়খ আহমদ সরহিন্দি কিংবা শাহ ওয়ালিউল্লাহ দেহলবীদের কেউই রেহাই পান নি সমকালীন কিছু কুপমন্ডুক মূর্খ "আলেমদের " আক্রমণ থেকে । এ ধারা চলে এসেছে মুহাম্মাদ সা: এর সময় হতেই.. তখনকার আলেমসমাজ বলে পরিচিত ছিলো মদীনার ইহুদী রাব্বিরা.. কেননা, তারা আসমানী কিতাবের খবর রাখতো..
৭১ এর "অপকর্মের" দায়ে ইসলামী আন্দোলনের এই ধারাকে কোন অবস্থাতেই দায়ী করার সুযোগ নেই । বানানো গল্প উপন্যাস মানুষ বিশ্বাস করেনা বেশিদিন । আর, স্বাধীনতা আন্দোলন নিয়ে রাজনীতি করে এদেশের মানুষের ভাগ্যের যে সামান্যতম পরিবর্তন ও হয়নি, সেটাও মানুষ বুঝতে শিখেছে এতদিনে ।
ধর্মকে ভয় নয়, ধর্মকে ভালোবাসতে শিখুন । কেননা আপনার ধর্ম, আল-ইসলাম, একটি পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা যা আপনার জীবনের প্রতিটি কাজকে বরকতময় করে দিতে পারবে...
সাজিদস্টার বলেছেন:
@স্বপ্নকথক, বস কি ছয় নাম্বারটা?
কানা-বাবা বলেছেন:
সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন: ইহা একটি ছাগু পোস্ট। ছবি নং ১ : আমাগো তিনকুনা ছাগু (উপরে)
ছবি নং ২ : আর এইটা তাদের খাদ্য - দি কাডল পাতা ( নীচে )
লেখক বলেছেন: সামহোয়্যারিন কিডস গ্রুপের সদস্য হন !
ধানসিঁড়ি বলেছেন:
ধন্যবাদ। বিশ্লেষণটা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
উষ্ণ বলেছেন:
ওরা ছিলো নামাজী .. ফজরের ওয়াক্তে আসসালাতু খাইরুম মিনান নাওম এদেশের যে ১৫ থেকে ২০ ভাগ তরুন শুনতে পায়, ওরা তাদের অন্তর্ভক্ত ছিলো..........
লেখক বলেছেন: ওরা আলাদা সবার থেকে.. অনন্য ওরা...
ইবনে সালাম বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
সততার আলো বলেছেন:
আজ যারা আবারো লগি বৈঠা নিয়ে ব্লগে মন্তব্যের ঝড় উড়াচ্ছে, তাদের ভাষা উচ্ছৃংখল, তারা গালিতে ভরা মন্তব্য করছে, তাদের বক্তব্যে হিংসা আর লোভ ছাড়া কিছুই নেই। মানুষের যেসব সাধারন গুনাবলী থাকে তার কিছুই পরিলক্ষিত হচ্ছে না। আবার তারাই তাদের প্রয়োজনমত ইসলামের দোহাই দিয়ে নিজেদের পালে বাতাস লাগানোর চেষ্টা করছে। আল্লাহর কাছে এদের জন্যে হেদায়াত প্রার্থনা ছাড়া আর কিছুই আমাদের করার নেই।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ তাদেরকে বুঝবার তৌফিক দিন । তাদের অন্ধতা দূর করে দিন ।
সততার আলো বলেছেন:
২৮ শে অক্টোবরের বীর শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেয়াটা আমাদের স্বার্থপরতার প্রকাশক। যোগ্য এসব মানুষ যারা বেচে থাকলে হতে পারতেন সেরা সব মানুষ, তাদের স্বপ্ন আমরা বৃথা যেতে দেবনা। আমাদের জীবনের শেষ নি:শ্বাস পর্যন্ত দ্বীনের আন্দোলন করে যেতে সৃষ্টিকর্তার সাহায্য চাওয়া উচিত।
লেখক বলেছেন: শাহাদাতের রক্ত কখনো বৃথা যায় না । ২৮ অক্টোবরের দৃশ্যাবলী আরো কত দুর্বল ইমানদারকে শাহাদাতের জন্য পাগলপারা করে দিয়েছিলো..তার সাক্ষী আমি । পার্থিব হিসেব নিকেশ খুব বেশি ভুলে ভরা ।
সিউল রায়হান বলেছেন:
২৮শে অক্টোবর একটি ব্যর্থ দিবস হিসেবে পালন করা উচিত.... কারণ সেদিন শিবিরের সবকয়টা শুয়রের বাচ্চা মরে নাই...
সাপের বাচ্চা বাঁচায় রাখতে নাই কিন্তু বেঁচে আছে কিছু ১৯৭১ এ এই হারামী গুলোকে সমূলে বিনাশ করা হলে আজ চিটাগাং মেডিকেল খোলা থাকত
আল্লাহর কাছে এর ফরিয়াদ জানাই..... তাড়াতাড়ি শিবিরের সবকয়টাকে যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু দান করো....... তাদের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদেরকে লাত্থি দিয়া ফাকিস্তানে পাঠিয়ে দাও.....আমিন
লেখক বলেছেন: শাহাদাতের মৃত্যু মুমিন জীবনের সবচেয়ে বড় আকাংখার বিষয় । শাহাদাতের মৃত্যু সম্পূর্ণভাবে যন্ত্রণাহীন মৃত্যু । শহীদদের মর্যাদা অনেক অনেক বেশি..এদুনিয়ায়-ও..আর ওপাড়ের দুনিয়ায়- ও..
আপনি খেয়াল করেছেন , পোষ্টের শেষের ১৫ বৈশিষ্ট্যের ঠিক কয়টা আপনার ভাষার সাথে মিলে যায় ? গুণে দেখেন ...
সংগ্রামী অলস বলেছেন:
ভাল লিখেছেন। চালিয়ে যান।
শয়তান গুলো লাফালাফি শুরু করে দিয়েছে। সাধারন কথা গুলোর প্রমান দিল তারা।
লেখক বলেছেন: ওদের অনেকেই ভুল বুঝতে পারবে...
সততার আলো বলেছেন:
২৮শে অক্টোবর হলো আমাদের বিজয়ের প্রতীক। সশস্ত্র হায়েনাদের হঠাত আক্রমন নিরস্ত্র দ্বীনের সেননীরা হটিয়ে দিয়েছে। তাদেরকে বুঝিয়ে দিয়েছে, তোমরা যত বড় কৌশলী হওনা কেন, আল্লাহ তার চেয়ে বড় কৌশলী। ২৮শে অক্টোবর আমাদের অনুপ্রেরনা। সেই দিন আর বেশি দিন নয়, যেদিন আল্লাহর অলি আওলিয়ার পবিত্র এ ভূমিতে আবার দ্বীনের পতাকা পতপত করে উড়বে। হায়েনারা সেদিন দলে দলে এসে সে পতাকার নিচে সমবেত হবে। আর দ্বীনের সেনানীরা তাদের ক্ষমা করে দেবে।
লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ.. সেদিন যেন বেশি দূরে না হয়... সব বঞ্চণা, অন্যায় জুলুম অত্যাচার থেকে মানুষেরা মুক্তি পেয়ে যাক খুব শিঘ্রী...
কালের কলস বলেছেন:
@সিউল রায়হান, কিরে ভাই শিবিরের কারনে চিটাগাং মেডিকেল বন্ধ তাই কি? ছাত্রলীগ তুলসী পাতা??শিবিরের নিয়ন্ত্রণে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সাথে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের একটা তুলনা দেখালে কৃতার্থ হতাম।
শকুনের দোয়ায় কি কখনো গরু মরে??
লেখক বলেছেন: অন্ধ প্রতিহিংসায় বিবেকের দুয়ারে সীল মেরে নিয়েছে...
নাঈম আহমেদ বলেছেন:
++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: এসব লেখার জায়গা এই পোষ্ট কিভাবে হলো ?
আশিক১১৪ বলেছেন:
শিবির আছে শিবির থাকবে.............তোমরা ক্ষয়ে ক্ষয়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছ এবং যেতেই থাকবা.আল্লাহ প্রতিটি প্রাণে বিবেক জাগ্রত করুন
লেখক বলেছেন: আল্লাহ প্রতিটি সঙ্কীর্ণমনার চিন্তা-ভাবনাকে প্রশস্ত করে দিন ... আল্লাহ ওদেরকে একটু স্বাধীন মনে ভাবার তৌফিক দিন.. আল্লাহ ওদেরকে প্রতিহিংসার দাসত্ব থেকে মুক্তি দিন ...
নির্ণয় বলেছেন:
বৃষ্টির মত মার...মরলে শহীদ, বাঁচলে গাজী ভিডিওটার কোন লিংক কি আপনার কাছে আছে? থাকলে একটু দিন প্লিজ। সেই জিহাদী জোশের কাছে 300 নামের হলিউডি মুভির উত্তেজনাও ফেল!
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
লেখককে অশেষ ধন্যবাদ, অসাধারন লেখা, তবে আবু জাহেলের উত্তরসূরী থাকবেই, যেমন ১ আর ৬
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
টিপূ সুলতান বলেছেন:
ধন্যবাদ। বিশ্লেষণটা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
পুসটে সজ্ঞানে মাইনাচ
ওবায়েদ বলেছেন:
সততার আলো বলেছেন: ২৮ শে অক্টোবরের বীর শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেয়াটা আমাদের স্বার্থপরতার প্রকাশক। যোগ্য এসব মানুষ যারা বেচে থাকলে হতে পারতেন সেরা সব মানুষ, তাদের স্বপ্ন আমরা বৃথা যেতে দেবনা। আমাদের জীবনের শেষ নি:শ্বাস পর্যন্ত দ্বীনের আন্দোলন করে যেতে সৃষ্টিকর্তার সাহায্য চাওয়া উচিত।সহমত
লেখক বলেছেন: এই আন্দোলনের গতিশীলতা কোনদিন থমকে যাবেনা... শহীদদের তালিকা ফুরিয়ে যায়নি... আরো লক্ষ-জন শাহাদাতের পেয়ালায় চুমুক দেবার জন্য সার্বক্ষণিকভাবে উদগ্রীব হয়ে আছে...
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমি বুঝলাম না কোরানকে ঢাল কইরা এরা এদের অন্যায়ের লাইসেন্স বা বৈধতা কেমনে নেয়! এরা তো দেখি দজ্জালের চাইতেও বেঈমান শয়তান!
মো: আসাদুজ্জামান মিলন বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
ওবায়েদ বলেছেন:
আল্লাহ , আওয়ামীলীগ নামের পশু গুলাকে মানুষ কর।
লেখক বলেছেন: অনেকেই হয়েছে.. আরো অনেকেই হবে... অনুশোচনার তীরে বিদ্ধ হয়ে ছটফটাচ্ছে আরো অনেকেই.. জানি..
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
শিবিরকে ধুয়ে পাকি-পবিত্র বানানোর চেষ্টায় গদাম লাথিসহ মাইনাস।
লেখক বলেছেন: পুরোটা পড়েছেন , এজন্যই অনেক ধন্যবাদ প্রাপ্য আপনার।
মৌনোতা বলেছেন:
সিউল রায়হান বলেছেন,৮শে অক্টোবর একটি ব্যর্থ দিবস হিসেবে পালন করা উচিত.... কারণ সেদিন শিবিরের সবকয়টা শুয়রের বাচ্চা মরে নাই...
সাপের বাচ্চা বাঁচায় রাখতে নাই কিন্তু বেঁচে আছে কিছু
আল্লাহর কাছে এর ফরিয়াদ জানাই..... তাড়াতাড়ি শিবিরের সবকয়টাকে যন্ত্রনাদায়ক মৃত্যু দান করো....... তাদের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীদেরকে লাত্থি দিয়া ফাকিস্তানে পাঠিয়ে দাও.....
এই ধরনের মন্তব্য অমানুষ ছাড়া আর কার মুখে মানায়?
লেখক বলেছেন: অন্ধ প্রতিহিংসা আর মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ওদেরকে দিয়ে এমন অমানুষের মত কথা বলাচ্ছে...
লেখক বলেছেন: মানুষকে পড়তে দিন.. জানতে দিন ব্যাপারগুলো... না জেনে অনেকে অনেক ধরনের ভুল ধারনা নিয়ে শত্রু ভেবে বসে আছে তাদের শ্রেষ্ঠ শুভাকাংখীকে...
নতুন স্বপ্ন বলেছেন:
আমরা বলিবো সাম্য শান্তি আর এক আল্লাহ জিন্দাবাদ
লেখক বলেছেন: উহারা চাহুক সঙ্কীর্নতা , পায়রার খোপ, ডোবার ক্লেদ...আমরা চাহিব উদার আকাশ নিত্য আলোক - প্রেম অভেদ..
শয়তান বলেছেন:
খিকজ ।
লেখক বলেছেন: শয়তান ! খুব ভালো নাম আপনার !
মায়া নেকড়ে বলেছেন:
জ্বি ভাইয়া আপনি শিবিরের লোক। আপনাকে ভদ্র ভাবে মাইনাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনার এই পরিবর্তনকে ধরে রাখার তোফিক দিন ।
মৃত৬৬৬ বলেছেন:
আমি, এই আমি শিবিরের খানিকটা চেহারা দেখেছি। ব্রিলিয়ান্ট সব পলিসি। দেখেছি কেমন করে একজনের চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করে ফেলে। আপনি শিবিরের কোন অংশের সাথে ছিলেন জানিনা।
লুৎফুল কাদের বলেছেন:
ওবায়েদ বলেছেন: আল্লাহ , আওয়ামীলীগ নামের পশু গুলাকে মানুষ কর।I also do not like Jamat.
আরি০০৯ বলেছেন:
দারুন একটা পোসট..........।
নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ বলেছেন:
প্লাস
নীজর্ন বলেছেন:
আগ্রহের সহিত + প্রদান করা হল। কিসু আঘাত আসবে তবো পথ চলতে হবে। ভালো লিখেছেন।
নেকটার বলেছেন:
২৮শে অকটোবর কিছু ভাল মানুষ শহীদ হয়েছে ঠিক। কিন্তু সন্ত্রাসীদের কাছে মাথা নত করে নাই সত্যের পতাকা উত্তোলনকারীরা। সন্ত্রাসীরা ভালো মানুষদের হত্যা করে লাশের উপরে উঠে নেচে গেয়ে আনন্দ করেছে। আর সারা বিশ্ব ঐ কুলাংগারদের কাণ্ড থেকে ঘৃণায় মুখ লুকিয়েছে। হে শয়তানের গোষ্ঠীরা জেনো রাখো এই দুনিয়াতের তোমাদেরকে যদি কেউ ধরতে না পারলেও তোমারা অবশ্যই ধরা খেয়ে যাইবা এই বিশাল পৃথিবী একমাত্র স্রষ্টাল আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে। আল্লাহ শহীদের কবুল করুন আর শয়তানদের হয় হেদায়াত দান করুন নয়তো তাদের জন্য জাহান্নামে প্রশস্ত জায়গা দান করুন।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...



















রাজাকারের ছাও, তগো নামে আমি শুকর পালমু, তারাও এরচেয়ে ভালো প্রোডাক্ট হবে।
আশির আর নব্বয়ের দশকের শিবির সন্ত্রাসের কথা, রগ কাটা, জবাই করে মানুষ মারা, চাপাতি দিয়ে হাত পা আলাদা করা, হেন বার্বারিক কাজ নাই যেটা শিবির করে নাই।
তোদের আব্বারা ৭১ এ কি করছে তাকি মনে করাইয়া দিতে হইব?
যা কিছু অমানবিক তার নিন্দা করি, কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে নির্মম এবং দেশের অস্তিত্ববিরোধীদের চ্যালাদের কাছ থেকে নির্মমতার সার্টিফিকেট শুনতে চাই না।
গেট লষ্ট ফ্রম হিয়ার। নিজেদের পাকি আব্বুদের পা চাট গিয়া।