এবারে এক খানা প্রেমিকা জুটিয়াই যাইবে। সবাইকে মোবাইল খানা প্রদর্শন করিয়া এবং নাম্বার দিয়া বেড়ায়।এবং সকলের নিকট মেয়েদের নাম্বার চাহিয়া বেড়ায়।
এক্ষণে বলিয়া রাখি, চঞ্চল রোগা পাতলা এবং আচার আচরনে কিঞ্চিৎ -------- ভাষা পাইতেছি না কি বলিব। কাহিনীটা পড়িবার পর আপনারাই যাহা মনে চায় ভাবিয়া নিবেন।।
একবার ঈদের ছুটিতে চঞ্চলের রুম মেট মমিনুল বাড়িতে গিয়া এক খানা মোবাইল ক্রয় করিল। ফিরিয়া আসিলে সে মজা করিবার উদ্দেশে তাহার নাম্বার খানা কাহাকেও প্রদান করিল না।
রাতে যখন চঞ্চলের মোবাইলএ মিস কল আসিল, তখন সে আনন্দে আত্মহারা। সাথে সাথে কল ব্যাক করিল। পাশের বেড এ শুইয়া মমিনুল তখন মজা নিতেছে।
চঞ্চল যখন ঘুমাইয়া পড়ে প্রায় ঠিক তখনই জোরদার এক খানা মিস কল আসিল। মুহূর্তে চঞ্চলের ঘুম টুটিয়া গেল এবং কল ব্যাক করিয়া চঞ্চল উত্তেজনার চোটে রুম হইতে বাহির হইয়া বারান্দায় গেল।
কিন্তুক হায় এবারও তাহার কল কেউ রিসিভ করিল না। হতাশ হইয়া চঞ্চল আবার বিছানা লইল।
এভাবে চুহা বিল্লি কা খেল আরও কিচ্ছুক্ষন চলিলে মমিনুলের মায়া হইল
এবং মিস কল আসা বন্ধ হইল।
তারপরদিন যখন ক্যান্টিনে বসিয়া মমিনুল গত রাত্তিরের ঘটনা বয়ান করিতেছিল
"দোস্ত, মারাত্তক এক সুন্দরী মাইয়ার নাম্বার আছে আমার কাছে, তোর লাগব??"
আহ্লাদে আটখানা হইয়া চঞ্চল বলিল, " এইডা তুই কি কইলি?? এইডা তুই আমারে জিগাস?? জলদি নাম্বার দে স্লা।"
ইয়াজ কহিল," এমনে এমনে তোমারে নাম্বার দিলে আমার কি লাভ মাম্মা??"
আমি নিজেও তো ফোন কইরা প্রেম করবার পারি।নাকি??"
মুহূর্তে চঞ্চল সিরিয়াস ভঙ্গীতে বলিল," কি চাস মামা? যা চাবি তাই খাওয়ামু,তুই খালি আমারে নাম্বারটা দে মাম্মা।"
ইয়াজ উচ্চস্বরে ঘোষণা করিল, "আজ সবার নাস্তার বিল চঞ্চল দিবে।"
এর সুসাস্থ কামনা করিয়া বৈকালিক নাস্তা সারিল।
ইয়াজ তখন চঞ্চল কে তাহার পিতার নাম্বার দিল (যিনি কিনা হোমরা চোমরা এক জন রাজনৈতিক নেতা)
পরের দিন যখন ক্যান্টিনে চঞ্চল আসিল, তখন ইয়াজ তাহাকে ডাক দিল, বলিল," মাম্মা মাইয়ার লগে তোমার কথা কেমুন হইল?????"
চঞ্চল বলে," যা বেটা যাহ্
যেই পোলায় হের বাপের নাম্বার দেয় , হের লগে কোন কথা নাই
এই বলিয়া চঞ্চল প্রস্থান করিল
আগের পর্বের লিংক
Click This Link
Click This Link
চলবে------------------------------------
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে নভেম্বর, ২০১১ বিকাল ৪:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



