বরাবরের মতই দুর্গম রাস্তা, সবাই ভয়ে দোয়া দুরুদ পড়তে লাগল।
গাইড বলল, এই রাস্তার পাশ দিয়ে যদি কেউ পড়ে যায়, তাইলে নাকি কেউ আর খুঁজতে যায় না তাকে।
কখনো আমরা মেঘের নীচে, কখনো মেঘ আমাদের নীচে, বড়ই অদ্ভুত
রক গার্ডেনে পৌঁছে যা দেখলাম
এবং মুগ্ধ হইলাম
সুন্দর করে রাস্তা করা পর্যটক দের জন্য
ঝর্নার নীচে গিয়ে দেখি গুহা
ফেরার পথে সবাই একটু চা বাগানে নামলাম
ফেরার পথে দেখলাম খুব সুন্দর একটা স্কুল, "মে হু না" সিনেমার শুটিং নাকি এখানে হইসে, একথা শুনে শাহরুখ ভক্তদের বিশেষ অনুরোধে, আমাদের নামতে হল -
বিকালে গেলাম, ঘুরতে, হলে গিয়ে এক খান হিন্দি ফিলিম দেখলাম। হলের পরিবেশ দেখে অবাক হলাম। এত পরিস্কার এবং শালীন। শালীন শব্দটা ব্যাবহার করলাম, আমাদের হলের অবস্থা বিবেচনা করে।
একটা উপহার সামগ্রির দোকানে ঢুকলাম এবং সাথে সাথে বের হয়ে আসলাম, প্রাইস ট্যাগ দেখে।
পরের দিন রওয়ানা দিলাম "কালিংপং" রাস্তা আরও সঙ্গিন
এক পাশে পাহাড়, আরেক পাশে বহুল আলোচিত তিস্তা, তিস্তার সে কি ভয়ঙ্কর রূপ-
রাস্তার এক জায়গায় গাড়ী থামিয়ে তিস্তায় নামলাম
রাস্তার আরও কিছু ছবি-
কালিংপং এ এক মন্দির দেখতে গেলাম-
রাতে ছিল বুফে ডিনার, দিলাম শর্ট ফালায়া
পরদিন ঘুরে ফিরে গেলাম মিরিক লেক এ। খুব সুন্দর সেই লেক আপনারা গিয়ে দেখে আসবেন তাই ছবি দিলাম না।
অনেক আনন্দের স্মৃতি নিয়ে বিদায় জানালাম দার্জিলিং কে। ভাবছিলাম, আহা আরও কয়টা দিন যদি থাকতে পারতাম। সেই সাথে সব বন্ধুদের ও মনে কষ্ট ছিল, " একসাথে আমাদের ওইটাই শেষ যাত্রা।"
আগের পর্বের লিংক-
Click This Link
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



