ইন্টার্নী সমাপনি অনুষ্ঠান
সবাই ঠিক করল মেঘের রাজ্য দার্জিলিং যাবে।সব কিছু গোছগাছ করে সত্যি সত্যি একদিন মাহবুব আলী রওয়ানা দিল দার্জিলিং এর উদ্দেশ্যে।বুড়ীমারি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশ বর্ডার অতিক্রম করল কোন এক শুভ ক্ষণে
সীমান্ত ক্রস করার পূর্বে নাস্তা করলাম "বুড়ীর হোটেল" এ
তারপর বাক্স পেটরা নিয়ে সীমান্ত পাড়ি। একটা কথা বলে রাখি, বি এস এফ বিন্দুমাত্র ডিস্টার্ব দিল না, যা দিল সব বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
বন্ধু বান্ধব গান গাইতে গাইতে পৌঁছে গেলাম জলপাইগুড়ি। তারপর শিলি গুরি।
শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং , সে এক মহাকাব্বিক রাস্তা। আঁকা বাঁকা, মুহূর্তে আকাশের দিকে , মুহূর্তে পাতালের দিকে
রাস্তার উপর দিয়ে আবার একটু পর পর ঝরনা বয়ে গেছে। সিরাম দৃশ্য। সন্ধ্যার দিকে আমরা পউছালাম কারশিয়াং। সম্ভবত উত্তম কুমারের কোন মুভিতে কারশিয়াং দেখেছিলাম। পাহাড়ের গায়ে শহর টা অদ্ভুত লাগছিল।সারি সারি বাতি। মনে হচ্ছিল যেন গাছে গাছে আলো জ্বলছে।
দীর্ঘ যাত্রার পর আমরা অবশেষে যখন দার্জিলিং পৌঁছলাম তখন রাত ১০ টা। চারদিক নিরব নিথর।জান্তে পারলাম, এখানে সন্ধ্যার দিকেই সবাই বাড়ী ফেরে।তার উপর আবার গোর্খা আন্দোলন চলছে।
পুরোটা শহরের উপর দিয়ে মেঘ বয়ে যাচ্ছে।একটু পর মেঘের মধ্যে আমরা হারিয়ে গেলাম। সবাই ভিজে গেসে ততক্ষনে।অনুভব করলাম চলে এসেছি মেঘের দেশে, দার্জিলিং।।
[ ছবি অ্যাড করতে খুব ঝামেলা হচ্ছে , তাই এক পর্বে শেষ করতে পারলাম না]

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

