আমার প্রিয় পোস্ট
- সামুর জন্য ইমেইজ আপলোডার - কমেন্টে ছবি আপলোড!
[আপডেট ১.৫] - আমড়া কাঠের ঢেকি
- রহস্যময় আলুটিলা আর নয়নাভিরাম রিসাং - কাঊসার রুশো
- সাজেক ট্যুর! কিছু ছবি, কিছু তথ্য! - নীল ভোমরা
- আমি আর বউ দুজন মিলে মজা করলাম। দেখুন কেমন হয়েছে। - টিংকু ট্রাভেলার
- মেঘের দেশে পাহাড়ের দেশে (দার্জিলিং) - যেতে চান? - মুহিব
- হোটেল : কোনটাতে থাকবেন? - পিচ্চি
- সামুর সব রেসিপি পোস্ট
[আপডেট * ~ ৫ ~ *] - বাবুনি সুপ্তি
- নাফাখুম...... বাংলাদেশের নায়েগ্রা! - নীল ভোমরা
- শ্রীমঙ্গলের লাউয়াছড়া আর নুরজাহান টি স্টেটের ছবি - ফয়সাল আকরাম
- মুসা ইব্রাহীম- ‘বাংলা ভুতের’ প্রথম স্বাক্ষাতকার!!! - ব কলম
- জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে মুসলমানঃ উত্থান ও পতন পর্ব-৫ - তায়েফ আহমাদ
- দেখুনতো আপনি কালার ব্লাইন্ড কিনা? - পিচ্চি
- সেন্টমার্টিন : যাতায়াত ও থাকা খাওয়ার প্রয়োজনীয় তথ্য। - সাইফুল আলম শাহিন
- শীতের সবজিতে থাই স্যুপ - ভূলু
- ব্যাবিলন - ইমন জুবায়ের
- somewhere in... blog just crossed 3 million monthly pageviews! - আরিল
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- ফিরে দেখা ২০০৯ : বছরজুড়ে সামহোয়্যারইন ব্লগের উল্লেখযোগ্য ঘটনাসমূহ - ফিউশন ফাইভ
- ব্যতিক্রম বিশ্ব ব্যক্তিত্ব ওয়ারেন বাফেট - ভাবসাধক
- ছবি ব্লগ : ঈদ বেড়ানো সুন্দরবনে, পর্ব ৩/ শেষ: কচিখালি ও করমজল - যীশূ
- "আপনার লিখা"র কপি করা মানুষদের খুঁজে বের করার সহজ উপায় - সিউল রায়হান
- কে কত স্পিড পান? [আবজাব পোষ্ট] - বিডি আইডল
- বগালেক কি সত্যি আগ্নেয়গীরি? জানতে চাইলে দেখে আসুন নিজের চোখে? - সৌম্য
- কম্পিউটারের কর্মদক্ষতা বাড়ানোর কয়েকটি টিপস্!!! - মুকুট
- আসুন, গড়ে তুলি জ্ঞানের ভাণ্ডার - রাগিব
- চিম্বুক, নীলগীরি, বগা লেক - নীল ভোমরা
- রাংগামাটি যাবেন ??

- শিবলী
- মৌমাছি—বিস্ময়কর এক ভেক্টর গণিতবিদ ! - ম্যাভেরিক
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- জার্নি টু 'সাজেক' - পাহাড়ের এক রানী । - জেড ইসলাম
- মেমোরি প্রশিক্ষন - কিভাবে সব কিছু মনে রাখবেন - শ্রাবনের ফুল
- সামহোয়্যারইন ব্লগের কোন অপশনের কাজ কি? (১) - ত্রিভুজ
- আল্লাহকে কেন মানব না ? - জুহো.
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্যঃ পর্ব ১ - জুহো.
- বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্য : পর্ব ২ - জুহো.
- বাংলা ফন্ট নিয়ে জটিলতার শেষ কোথায়? - জুহো.
- ঢাকা শহর ও বাংলাদেশের কিছু পুরাতন ছবি - রিয়াজুল ইস্লাম
- ইনকা সভ্যতা, পাথর নগর, স্প্যানিশ বর্বরতা ও মাচু পিকচুর সেই সূর্যদেবতার থান ... - ইমন জুবায়ের
- প্রবাল দ্বীপে ভরা পূর্নিমায় বর্ষা যাপন... - রাব্বি !
- আমেরিকান ধর্ম যাজক ইউসুফ এসতেসের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার কাহিনী....... - আব্দুর রহমান
- ফেসবুকে বাংলা অক্ষর ছোট দেখার সমস্যা দূর করে নিন সহজেই.... - সুনীল সমুদ্র
- প্রমিত বাংলা বানান রীতিঃ সচরাচর সমস্যা করে এমন শব্দের একটি সম্ভার! - ম্যাভেরিক
- চলুন সেন্টমার্টিন্স ঘুরে আসি... (এবার যাওয়ার আগে অনেক খুঁজেও কোন তথ্য পাইনি নেটে। সেই হতাশা থেকেই লেখা।) - ক-খ-গ
বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্যঃ পর্ব ১
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২০
বান্দরবান থেকে জানু্যারী মাসেই ঘুরে এলাম। তাই অন্যদেরও জানিয়ে দেই ওখানকান কিছু খবরাখবর। বাংলাদেশের কোন জায়গা সমন্ধেই তো ভাল কোন তথ্য চট করে কোথাও পাওয়া যায় না। উইকিপেডিয়া, উইকিট্রাভেল সব সাইটেই একই অবস্থা। কাজেই নিজেই লিখতে বসে গেলাম। ওগুলোও এডিট করব ভাবছি।
অনেকেই হয়তো আগে গেছেন। কিন্তু যারা যাননি কিম্বা গেলেও অনেক আগে গিয়েছেন তাদের জন্য উপকারী হলেও হতে পারে। কোথাও যাবার আগে সেখানকার নাড়িনক্ষত্র জেনে যাওয়া ভাল। সময়, অর্থতো বাঁচেই, বেশী জায়গাও দেখে ফেলা যায়। আমি অবশ্য আমার অভিজ্ঞতার কথাই বলবো। কারন সব তথ্য যে আমি যে সংগ্রহ করতে পেরেছি এমনও নয়।
কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে সরাসরি যাবার জন্য এ.সি. বাস সৌদিয়া আর নন এ.সি. এস. আলম. ( এবং সম্ভবত ডলফিন) রয়েছে। এস. আলমের সীট সাধারণ মানের মনে হওয়াতে, শীতের মধ্যেও সৌদিয়াতে গেলাম অন্ততঃ আরামদায়ক সীট পাব এই আশাতে। কিসের কি ? এ.সি-ই যা ! বাস এবং সীট কোনটাই খুব একটা আরামদায়ক নয়। তবু এগুলোই সম্বল বাংলাদেশের সবচেয়ে উচুঁ পাহাড়ের জেলা বান্দরবান যেতে হলে ( বিকল্প ব্যবস্থা চট্টগ্রাম থেকে যাওয়া- ২ঘন্টার পথ )। এস. আলমের ভাড়া ৩৫০ ছাড়ে রাত ১১টায় ফকিরাপুল থেকে। সৌদিয়ার ছেড়ে যাবার সময় ফকিরাপুল থেকে রাত ১১:২০ এ, ভাড়া ৪৫০। ৭-৮ ঘন্টার যাত্রা শেষে সকাল ৭-৮ টার দিকেই পৌছে যায় বাস। দিনের কোচও সম্ভবত আছে তবে নতুন জায়গায় রাতে না পৌছে দিনে পৌছানোই তো ভাল।
কোথায় থাকবেনঃ
পৌছে যাবার পরেই তো চিন্তা থাকবার জায়গা নিয়ে। শহরে ঢুকবারও ৪-৫ কি.মি. আগে মেঘলার কাছাকাছি আছে দুটা সুন্দর থাকবার জায়গা । একটা পর্যটন মোটেল-মেঘলা। সবচেয়ে খোলামেলা, সবচেয়ে ছিমছাম, ফ্যামিলি নিয়ে থাকবার একটা নিশ্চিন্ত ঠিকানা। ভাড়া যে খুব বেশী এমনও নয়। এখানে বেশীর ভাগ রুমই ডাবলস। টুইন বেড অর্থাৎ দুইটা পৃথক বিছানা। ভাড়া পড়বে নন এ.সি. ৮৫০/- , এ.সি. ১৫০০/- । তিন বেডের ও রুম কয়েকটা আছে। গরম পানি,ফোন, টিভি, তো আছেই, সামনের বিশাল বারান্দা এমনকি রুমের সাথেই লাগোয়া পেছনের বারান্দাতে বসেই নিরিবিলি পাহাড়কে উপভোগ করতে পারবেন এখানে ।
ফোনঃ ০১৮১৭৭১৬৯১৬, ০১৫৫৬৫৪৫৭৪৬
![]()
![]()
এখানে না থাকলে আরেকটু এগিয়ে গিয়ে হলিডে ইন রিসোর্টে থাকতে পারেন। এখানে বিভিন্ন কটেজ এমনকি টেন্টও ভাড়া নিতে পারবেন। একটা ডাবলস রুমের কটেজ ১০০০ টাকা পড়বে। স্বাভাবিক ভাবেই এখানে ফোন, টিভি এসব পাবেন না। তবে কটেজের চারপাশটা দেখলেই ভাল লাগবে। লেক, গাছপালার ও কমতি নেই সেখানে।
ফোনঃ ০১৫৫৬৯৮০৪৩২
![]()
![]()
![]()
![]()
এ দুটোই শহর থেকে একটু বাইরে। যাতায়াতের সামান্য কষ্ট মনে হলেও, রাতে বান্দরবান শহরে বেরুবেনই বা কোথায়? দিনের বেলায় সামান্য এগিয়ে মেঘলার সামনে থেকে বেবী ট্যাক্সি, এমনকি জীপও মিলে যাবে।
শহরের বাইরে আরেকটা রিসোর্ট পাওয়া যাবে শৈলপ্রপাত তথা চিম্বুক যাবার রাস্তায়, মিলনছড়িতে। শহর থেকে ৪ কিমি দূরে এই 'হিলসাইড' রিসোর্টটি গাইডটুরস এর। গাইডটুরস নামই বলে দিচ্ছে নান্দিকতার কোন কমতি নেই এতে। কুড়ে ঘরে ঝকঝকে বাথরুম, গরম পানি সব ব্যবস্থাই আছে। রুম যেটাই নিন, ভাড়া একজন থাকলে ১০০০, দুইজন ১২০০, তিনজন ১৫০০ এধরনের হবে। আছে বিশাল দিগন্তজোড়া পাহাড়কে সামনে নিয়ে ঝোলান বারান্দায় খাবার সুবিধা।
ফোনঃ ০১১৯৯২৭৫৬৯
![]()
![]()
এছাড়া আরও কম খরচে থাকতে চাইলে শহরের মধ্যেই পাবেন ফোরস্টার ( ০৩৬১ ৬২৪৬৬) , রয়েল, পূরবী, গ্রীনহিল এরকম আরও কয়েকটা হোটেল। ফোরস্টারের কথা বলতে পারি ছোট্ট রুমেই সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাই এখানে দেওয়া । টিভি, ফোন, এমনকি খুব শীঘ্রিই লিফট আর গরম পানিও পাওয়া যাবে এখানে। ভাড়া- আপাতত একজন ৩০০, ডাবল বেড ৬০০, ট্রিপল বেড ১০০০ ( এইটাই যা অদ্ভুত)। শহরের মধ্যে এসব হোটেলে কম খরচে বেশী সুবিধা পাওয়া যাবে ঠিকই, তবে হোটেলে থাকাকালীন মনেই হবে না বান্দরবানে আছি। হোটেলে আর কতক্ষনই বা থাকা- এটুকু যদি মেনে নিতে পারেন তবে থাকা-খাওয়া দুটোতেই খরচ বাঁচবে।
বান্দরবান সম্পর্কে আগে একটা ধারণা ছিল এখানে বোধহয় শুধু শীতের সময়টাই পর্যটকেরা আসে । বর্ষায় সব খালি। কিন্ত যা শুনলাম এখানে সারা বৎসরেই হোটেলের একই ভাড়া । অর্থাৎ কোন অফসীজন নেই। মূলত বিদেশীরা এখানে আসে এনজিওর কাজে সারা বৎসর জুড়েই। কাজেই আগেভাগে বুকিং দিয়ে আসাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
আজ এটুকুই থাক। দর্শনীয় জায়গাগুলোর কথা আগামীর জন্য রইল। .....
বান্দরবানঃ যাবার আগে জেনে নিন দরকারী কিছু তথ্য : পর্ব ২
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বান্দরবান, বাংলাদেশ, ভ্রমন ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ভ্রমন বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১০ রাত ১২:২২ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
অক্ষর বলেছেন:
বান্দরবান কোথায়?
লেখক বলেছেন: ঐ যে বললাম, আপাততঃ থাকবার জায়গার কথা বলা হোল । দেখার জায়গা আগামীতে।
আর বান্দরবানের পাহাড়ের ছবি অনেক জায়গায় পাওয়া যায়। সমস্যা হয় থাকার জায়গা পছন্দ করা নিয়ে। সেগুলো নিয়েই আজকের আলোচনা।
বিডি আইডল বলেছেন:
ভালো পোষ্ট....তবে গরমের সময় ভূলেও কেউ যাবেন না....ভয়াবহ গরম পড়ে..যাতায়াত একটা সমস্যা পাহাড়ী শহরগুলোতে...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। সামনের গুলোও পড়বেন আশাকরি। ২-৪ দিন দেরী হতে পারে। যাতায়াতের জন্য জীপই বেস্ট। এক-দুইজন গেলে খরচের একটা প্রশ্ন থেকে যায়।
গরমের সময়, পায়ে হেটে পাহাড়ে চড়া তো আসলেই কঠিন। কিন্তু উপরে বাতাস পাওয়া যায় না ?
আর তাছাড়া, চিম্বুক আর অন্যান্য জায়গায় যেটা শুনে এসেছিলাম, দার্জিলিং এর মত মেঘ ছুয়ে যায়...এটা শীত কালে পাইলাম কই ?..আফসোস থেকে গেল একটা। এই জন্যই তো, শীত বাদে অন্যান্য সীজনে যেতে চাই। এখন যেভাবে ডর দেখাইতেছেন...!!
আসিফ বলেছেন:
গরমের সময় গেলে অবস্থা টাইট। বর্ষাকালে গেলেও ঘুরাঘুরি করতে পারবেন না। এখনই মনে হয় বেস্ট সময়।
জুহো. বলেছেন:
আসিফ ভাই, আপনি কবে গিয়েছিলেন ? আমি বরং স্থানীয়দের কাছে শুনলাম, বর্ষায় এখন আর সমস্যা নাই। রাস্তা পিচ্ছিল হবার যে ভয় থাকে সেটাও আমলে নিল না। আমি তো মনে মনে নিয়তই করে ফেলেছিলাম, বর্ষাকালে একবার যাব।
লেখক বলেছেন: আপনার মত আন্তর্জাতিক মানের ট্রেকার যখন বলে এই ইনফরমেশন কাজে লাগবে তখন আমি ভাষা হারিয়ে ফেলি....
লেখক বলেছেন: হা: হা:। আপনি ভুল করে স্টার আইকনে চাপ দিয়েছিলেন। তবে করেছেন যখন,ভালই করেছেন।
লেখক বলেছেন: ভবিষ্যতে আরও দেবার চেষ্টা থাকবে ইনশাআল্লাহ।
লেখক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: এডভেঞ্চার প্রিয়। তবে আপাততঃ আপনার পোস্ট দিয়েই দুধের সাধ ঘোলে মিটালাম। ![]()
লেখক বলেছেন: খুজে পেলাম না তো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















