আমার প্রিয় পোস্ট
- মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (MRP) - এখুনি করিয়ে নিন! - ডিসকো বান্দর
- বাংলাতে উইন্ডোজ এক্সপি - শরীফ মরকার
- ইউএসবি/পেন ড্রাইভ থেকে ইনস্টল করুন উইন্ডোজ সেভেন/ ভিস্তা - জর্জিস
- PDFZILLA ডাউনলোড করুন করুন ফ্রী তে, সময় সীমিত। PDF থেকে কনভার্ট করুন ঝামেলা ছাড়াই…. - অলি উর রহমান
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা: GRE নিয়ে আরেকটু টুকটাক টিপস
(পর্ব-৩)
- মেঘলা মানুষ
- চলেন এইবার নেট থেকে কিভাবে ফ্রী কল করা যায় সেইটা হ্যাক করি - হাসান জোবায়ের
- ডিজিটাল ক্যামেরা ও ফটোগ্রাফি বিষয়ক পোস্টগুলোর সংকলন - টি. জাহান চৌধুরী
- গ্রামীন মডেম দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দারুন প্লাগইনস - হা...হা...হা...
- ( বিলম্বিত ) রিভিউ - গ্রহচারী , সায়েন্স ফিকশান সংকলন - বোহেমিয়ান কথকতা
- হুমায়ুন আহমেদের ১৪৮ টি বইয়ের বিশাল সমগ্র [রিপোস্ট] লিংকসহ ঠিক করে দিলাম - বখতিয়ার হোসেন
- দ্বিতীয় বিপ্লব বা বাকশাল : শুনুন বঙ্গবন্ধূর মুখেই - অমি রহমান পিয়াল
- ~ উইন্ডোজ সেভেন এক্টিভেশন ক্র্যাক (আর.সি. সাপোর্টেড) ~ - পাপী
- সামুর জন্য ইমেইজ আপলোডার - কমেন্টে ছবি আপলোড!
[আপডেট ১.৫] - আমড়া কাঠের ঢেকি
- রিভিউ অথবা ওভারভিউ : : গ্রহচারী # মুহম্মদ জায়েদুল আলম - হিমালয়৭৭৭
- লেখা দিন : সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় সাহিত্য-২০১১ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- সেকেন্ডারিতে যারা শেয়ার ব্যাবসা করতে চান , তাদের জন্য লিখা। **নবীন শেয়ার ব্যাবসায়ীদের বলছি। - কগচডড
- ফটোগ্রাফীর টুকিটাকি (রাতের ছবি) -১ - কালপুরুষ
- ভালবাসার গল্প সঙ্কলন ২০১০ - লেখা আহবান - ~স্বপ্নজয়~
- বৈজ্ঞানিক কল্পগল্প সংকলন - ২০০৯ (একটি রিভিউ ও কিছু কথা) - কঁাকন
- পিডিএফ(Pdf)তৈরী-ওয়ার্ডে রূপান্তর,ইউটিউব ভিডিও ডাউনলোড-আপলোড,ওয়েব পেজের স্ক্রিনশর্ট,ইউনিকোড কনভার্ট,হট কী,আইকন পরিবর্তন - মাসুদ চৌধুরী
- কমিকস গুলো নিয়ে গেলো ছোট বেলায়
- হাসান তারেক
- নবীন লেখকলেখিকাদের জন্য :: কীভাবে বই বের করবেন - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- পবিত্র কাবা শরীফ এর ভিতরের বিরল দৃশ্য। - নীলপদ্দ
- কল্পনায় অনধিকার চর্চা - শ।মসীর
- ২০৫৯ : পৃথিবীর শেষ সাই-ফাই... ( ইহা কোন কল্প গল্প নয়, ইহা স্রেফ সাই-ফাই সিজার কে উৎসর্গকৃত
) - রোহান
- ক্যামেরা কিনবেন কে কে ? - নক্ষত্রের কান্না
- একটি চরম বাটপাড়িমূলক পোষ্ট!!! - জেনুইন করুন আপনার প্রায় সকল প্রকার উইন্ডোজ(উইন্ডোজ এক্সপি, উইন্ডোজ ভিসতা এবং উইন্ডোজ সেভেন)। - নির্ভয় নির্ঝর
- যেসব সিনেমাখোররা অ্যানিমেশন মুভি দেখেন না তাঁদের জন্য একটি প্রেসক্রিপশন - অপরিচিত_আবির
- Craagle দিয়ে খূজে বাহির করুন যেকোন সফটওয়্যারের ক্র্যাক/সিরিয়াল নাম্বার(জটিল জিনিস) - ত্রিকাল
- মেয়েরা কেন চলে যায়? - পদ্ম পুকুর
- সোনালী দিন - আহমেদ রাকিব
- অপেক্ষা কল্প-গল্প - পারভেজ
- ফ্রি মুভি ডাউনলোড - দুঃখবিলাস
- আমার সময়ের ব্যবচ্ছেদ, সাথে প্রার্থনাদ ..আর শুভ নববর্ষ ... - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১): Sadist ! - ম্যাভেরিক
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- ছোট গল্পঃ মৃত্যু ভালোবাসা ছাড়া আর কিছুনাই - আমি ও আমরা
- একটি প্রার্থনা - পারভেজ
- Seven Amazing Holes! - মানুষ পাখি
- জিমেইলের সেরা কিছু ফিচার যার জন্য জি-মেইল ব্যবহার করবেন (আর.এস.এস পড়ুন মেইল বক্স থেকে) - ১ - পাপী
- ভাষা দিবস ও শহীদ মিনার নিয়ে কিছু ঐতিহাসিক উপাত্ত - অমি রহমান পিয়াল
- আপনি কি মনে করেন আপনার ভাগ্য ভালো নাহ? (বাংলা) - গিফার
- জঙ্গলরাজ্যে অমঙ্গল - ফারহান দাউদ
- যুদ্ধবিষয়ক সিনেমা : হৃদয়ে দাগ কেটে যাওয়া ৫ টি মুভি (মহান মার্কিন সেনাদের বোরিং গুণগান বর্জিত) - মেহরাব শাহরিয়ার
- বাংলা বই ডাউনলোড করার জন্য লিঙ্ক চাই - মাহবুব মোর্শেদ
- এসেছে Google Earth 5 - ঘুরে আসুন সাগর তলদেশ, মঙ্গল গ্রহ আর অতীত থেকে - নাফিস ইফতেখার
- সকল ব্লগারের নামের লিস্ট ও লিংক এক জায়গায় জড়ো করা হচ্ছে, আপনারা সহযোগীতা করুন - বহুরূপী মহাজন
- যুদ্ধ অপরাধির বিচারের দাবিতে পোস্টার ডিজাইন চাই - মেঠোজন
- সামহয়ারইন দেখুন আপনার মোবাইল থেকেই!
- দুর্লভ
- প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে... ... আমার মন খারাপের রাতে - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আমার অবাক হওয়ার বাকি - ভাঙ্গা পেন্সিল
- আফ্রিকা মহাদেশের অপার সৌন্দর্য [ছবি] - নামহীনা
- যারা আইবিএ-তে ভর্তি পরীক্ষা দিবেন তাদের জন্য উপদেশনামা!! - নরাধম
...ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাচিয়া,সদাই ভাবনা,
যা কিছু পায়, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা...

ভুল সময়
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৬
![]()
আমার সামনে যিনি বসে আছেন তার নাম এডলফ হিটলার। আমার মেসের ভাঙ্গা চকিতে বসে কুত কুতে চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। মনে হয় বোঝার চেষ্টা করছেন ভুল বশত তিনি কোথায় এসে পড়েছেন। তিনি যে সেই জার্মানির চ্যান্সেলর হিটলার, এই বিষয়ে আমার কোনই সন্দেহ নেই। নাকের নিচে সেই খাটো গোঁফ। পোষাকে আষাকে পুরো সামরিক আমেজ। এমনিতে আমার ইংরেজী জ্ঞান খুবই খারাপ। তার ওপর এই ব্যাটা যেভাবে ইংলিশ বলে সেটা বুঝতে আমার মোটামুটি জান খারাপ হয়ে গেলো। তার সাথে টুক টাক কথা বলে যেটা বুঝতে পারলাম, তিনি ভুল করে আমার মেসে সেধিয়ে গেছেন। তাও একা না, পুরো একটা টাইম মেশিন নিয়ে। সেটা এখন আমার ছোট রুমটার অনেকটাই দখল করে আছে। দেখতে খুবই বিদঘুটে। অনেকটা বাসা বাড়ির পড়ার টেবিলের মতো।
কাহিনী হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একদম গোড়ার দিকে, যখন হিটলার একে একে পোল্যান্ড, ফ্রান্স দখল করছেন তিনি তার পোষা বিজ্ঞানীদের এমন একটা মেশিন আবিষ্কার করে দিতে বলেছিলেন যেটা দিয়ে তিনি ভবিষ্যতে গিয়ে দেখে আসতে পারবেন যে যুদ্ধে তার জয় হবে, না পরাজয় হবে। তার বিজ্ঞানীরা উঠে পড়ে লাগলো এমন একটা টাইম মেশিন বানাতে। এর মধ্যে যুদ্ধে হিটলার হারতে শুরু করলেন। অবশেষে উনিশ শ পয়তাল্লিশের ৩০ শে এপ্রিল যখন তিনি বার্লিনের চ্যান্সেলর হাউজের নিচের বাংকারে লুকিয়ে ছিলেন আর চার দিক থেকে মিত্র বাহিনী বার্লিন দখল করে চ্যান্সেলর হাউজের দিকে এগুচ্ছে, তখন সেই বিজ্ঞানীদের একজন এসে বললো যে টাইম মেশিন আবিষ্কার হয়ে গেছে। তখন আর তিনি টাইম মেশিন দিয়ে কি করবেন? তিনি তো জানেন তিনি হেরে গেছেন। ওদিকে চারদিক থেকে মিত্রবাহিনী এগিয়ে আসছে। শেষে তিনি ঠিক করলেন যে তিনি টাইম মেশিনে করে পালাবেন, আর তার লোকেরা সবাইকে বলবে যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন আর তার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।বাইরে তখন তুমুল গোলাগুলি।তিনি তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে রেখে রওনা দিলেন ভবিষ্যতের পথে দেখতে যে তার এই পরাজয় পৃথিবীকে কিসের পথে এগিয়ে দিলো।আপাতত তিনি আমাকে এটুকুই বলেছেন।
ভবিষ্যতে যেতে গিয়ে তিনি আমার মেসের রুমে এসে হাজির হয়েছেন, আর আমাকে বিশাল বিপদে ফেলেছেন।আমি থাকি একলা মানুষ। এই মিয়াকে কি খেতে দেই? জার্মানরা কি খায় তাও আমার জানা নেই। আমি কোন রকম একটা ডাবল ডিমের মামলেট বানিয়ে এনে দিলাম তাকে।বেচারার মনে হয় ভালোই খিদে পেয়েছে।যখন টাইম মেশিনে উঠেছে তখন উনিশ শো পয়তাল্লিশ, আর এখন দু হাজার নয়। টানা তিষট্টি বছর না খেয়ে আছে! আমার দেয়া মামলেট টা অর্ধেকটা দ্রুত খেয়ে নিলো।তারপর আবার কুতকুতে চোখে চারিদিকে তাকাতে লাগলো।পেটের খিদে মিটেছে ভেবে আমি তার সাথে একটু আলাপ করার চেষ্টা করলাম।কতদিনের জন্য ঢাকায় এসেছে, কি কি দেখানো যায় ঢাকা শহরের তারও একটা প্ল্যান তো করতে হবে।হাজার হোক বিদেশি অতিথি। সংসদ ভবনটা একবার দেখাতেই হবে, আর নারায়নগঞ্জের দিকে নাকি একটা তাজমহল মতো বানিয়েছে, ওটাও দেখানো যায়। বসুন্ধরা সিটিটাও দেখাতে হবে। এতো বড় মার্কেট জার্মান দেশে আছে কিনা কে জানে।আমি আমার হোচট খাওয়া ইংরেজী দিয়ে আলাপ শুরু করলাম।পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।
-হিটলার সাহেব,আপনি কতদিন থাকবেন?
-থাকবো না।
কেমন যেন উদাস ভঙ্গিতে উত্তর দিলো আমার অতিথি।
-সে কি , আজই চলে যাবেন? আচ্ছা, দেরী করলে ভাবি সাব আবার চিন্তা করতে পারেন।
আমি মনে মনে খুশিই হলাম। থাকতে চাইলে এই ব্যাটাকে ঘুমুতে দিব কোথায়?
-আমেরিকার কি অবস্থা?আর বৃটেন?সোভিয়েট?
কথা নাই বার্তা নাই বেমক্কা আমেরিকা নিয়ে আলাপ জুড়ে দিলো দেখে একটু মেজাজটা গরমই হলো আমার। অবশ্য বড় মানুষ, বড় বড় জিনিস নিয়েই তো কথা বলবেন।
-আমেরিকা তো ভাই এখন সুপ্রিম পাওয়ার। তার উপ্রে কেউ নাই। বৃটেনও আমেরিকার পা চাটে। আর সোভিয়েট, সেইটাতো ভাঙছে কবেই।
আমি যতটুকু বুঝি বলে দিলাম।
-সোভিয়েট নাই? হায় হায়? কি বলছো তুমি।
হিটলার আর্তনাদ করে উঠে। আমি বুঝলাম না সোভিয়েট ভাঙছে বলে তার এতো কষ্টের কি আছে। সোভিয়েট তো তার শত্রু ছিলো।
-জ্বি, সোভিয়েট ভাঙছে অনেক আগে। তবে আপনের জার্মানি আছে।
সে তখনো সোভিয়েট ভাঙ্গার দুঃখে কাতর।
-কিভাবে ভাঙলো?ইহুদিরা এখন কোথায় আছে?
আমি আর কি বলবো, তাকে বললাম কিভাবে সোভিয়েট ভাঙলো, কিভাবে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জায়গা দখল করে নিলো, কিভাবে আমেরিকা আফগানিস্তান দখল করলো, ইরাকে ধ্বংস যজ্ঞ চালালো সব।অল্প জ্ঞান দিয়ে যতটুকু পারা যায় ঠিক তথ্যটা দেয়ার চেষ্টা করলাম।
সবশুনে মনে হলো হিটলার খুবই কষ্ট পেলো।বিড়বিড় করে বলতে লাগলো ‘তাহলে কি লাভ হলো, আমাকে হারিয়ে, কি লাভ হলো’
-কিসের কি লাভ হলো? আমি জানতে চাইলাম।
-এই যে, আমার এক নায়কত্বের অবসান ঘটাতেই তো আমাকে হারানো হলো।শেষ পর্যন্ত তো সেই এক নায়কই হলো। আমেরিকা কি কার্যত পুরো দুনিয়াকে চালাচ্ছে না? তাহলে আমি চালালে কি দোষ ছিলো? ইহুদিরা কি এখন মুসলমানদের মারছে না? তাহলে আমি ইহুদিদের মারলে কি দোষ ছিলো?
আমি আর কি বলবো। কিছুই বলার খুঁজে পেলাম না।
হঠাৎ কি ভেবে সে উঠে দাঁড়ালো। গিয়ে বসলো তার টাইম মেশিনে।
-কি হলো? কি করছেন?
আমি অবাক হয়ে বললাম।
-আমাকে এখন যেতে হবে। আমি আরো আরো ভবিষ্যতে যেতে চাই। আমার ধারনা আমি ভুল সময়ে এসে পড়েছি। আরো ভবিষ্যতে গেলে হয়তো জানতে পারবো আমাকে হারানোর ফলে আসলেই পৃথিবীর কোন লাভ হলো কিনা।আমার বিশ্বাস নিশ্চয়ই লাভ হয়েছে, নিশ্চয়ই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হবে একদিন। আমি সেই দিনটা দেখতে চাই। সে জন্য আমাকে আরো ভবিষ্যতে যেতে হবে। আরো ভবিষ্যতে।
এই বলে সে কি একটা হাতলে চাপ দিলো। টাইম মেশিন বনবন করে ঘুড়তে লাগলো। আর একসময় ঘুড়তে ঘুড়তে বাতাসে মিলিয়ে গেলো। রুমের মাঝে যেখানটায় এতোক্ষন একটা আস্ত টাইম মেশিন ছিলো, সেখানটা এখন ফাঁকা। এডলফ হিটলারের আধ খাওয়া ডাবল ডিমের মামলেট হাতে নিয়ে আমি বোকার মতো দাড়িয়ে রইলাম সেখানে।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞান কল্প কাহিনী ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
সায়েন্স ফিকশনের চাইতে ওয়ার্ল্ড পলিটিকসই বেশি হইয়া গেছে!!লেখক বলেছেন: ইহা একটি পলিটিক্যাল সায়েন্স ফিকশন কিনা... তাই...![]()
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন:
হুমম... ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ।![]()
খুশবু বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: আপনাকে ডাবল +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাক ভুষুন্ডি।
লেখক বলেছেন: ঠিক কইছেন...পলিটিসরে কইসা মাইনাস ![]()
কঁাকন বলেছেন:
ভালো লাগলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: দু'টোই অপরাধ, হিটলার কিন্তু এই গল্পে নিজেই নিজেকে খারাপ বলেছে। কেবলমাত্র তুলনা অর্থে এটা এখানে ব্যাবহার করা হয়েছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু
থ্যাঙ্কু
থ্যাঙ্কু
কঁাকন বলেছেন:
আপনার এই গল্প পড়ে জাফরস্যারের একটা গল্প মনে পড়ছিলো নাম মনেনাই -- এক বিজ্ঞানি কিসব দোষ করে টাইমমেশিনে করে ভবিষ্যতে যায় সে ভাবছিলো ভবিষ্যতের লোকজন তারে খুব সম্মানকরবে কিন্তু ঘটনা ঘটে উল্টা তারা তারকথা বিশ্বাসই করেনা তার আগেনাকি দুইটা আইনস্টাইন আর একটা যীশুখ্রিস্ট আসছিলো এইটাইপপড়ছেন?
লেখক বলেছেন:
গল্পটির নাম 'আহাম্মক'। জাফর স্যারের 'ওমিক্রনিক রুপান্তর' বইয়ের প্রথম গল্প। বিজ্ঞানীর নাম 'রিকি'।পড়েছি।![]()
কঁাকন বলেছেন:
থ্যাংকু তখনথেকে মনে করার চেষ্টা করতেসি গল্পের নামকি মনে করতে পারতেসিলাম না
লেখক বলেছেন: অয়েলকাম।![]()
লেখক বলেছেন: 'ইকারাস' পড়ে আমার জটিল লেগেছে। আমার মতে এটা জাফর স্যারের শ্রেষ্ঠ সায়েন্স ফিকশন গুলোর একটি।
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
খুব ভালো লাগসে
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু। কেমন আছো?
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
ভালো আছি , আপনের খবর কি ??
লেখক বলেছেন: ভালো, মেসেঞ্জারে এলে নক কোরো।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আপনাকে জীবনবোধ সম্পর্কে যেকথাগুলো বলেছি তার নির্যাস আমি এই গল্পে পেয়েছি। অন্যগুলোর চেয়ে এটা বেশি ভাল লেগেছে।এই বাক্যটা বাহুল্য মনে হল। যেমন- "পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।"
ডিম খাওয়া দৃশ্যটা কি অন্য কোন গল্পে ব্যবহার করেছেন? চেনা মনে হল।
লেখক বলেছেন: আমি লেখার ধরন একটু পরিবর্তনের চেষ্টা করছি।চটকদারী লেখা থেকে বের হবার চেষ্টা করছি।" পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।" -এটা আসলেই বাহুল্য হয়ে গেছে।
আর, ডিম খাওয়ার ব্যাপারটা অন্য কোথাও ব্যাবহার করিনি। অন্যকারো গল্পে হয়তো থাকতে পারে। অনেক ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।আপনার নতুন লেখাটা কিন্ত দারুন হয়েছে।
রুমানা বৈশাখী বলেছেন:
ইকারাসটা পড়া হয় নাই.....পড়া দরকার মনে হচ্ছে....অনেক দিনের ব্যবধানে ব্লগে এসে আপনাকে না দেখে যেতে পারলাম না.....কেমন আছেন????
গল্প ভালো লাগলো!!!!
লেখক বলেছেন: ভালো আছি।আপনি?
ইকারাস টা পড়ে দেখতে পারেন। বেশ ভালো হয়েছে।
রোহান বলেছেন:
ভালো হইছে। পলিটিক্যাল সায়েন্স ফিকশন -- টাইটেলটাও জটিল ;-)
লেখক বলেছেন: ![]()
পারলে সময় করে বাকিগুলোও পড়ে দেখো।
অফটপিক: কেমন আছে আমাদের র্যাংসটেল?
রেজওয়ান শুভ বলেছেন:
ভাই ইকারাস এর পিডিএফ থাকলে লিঙ্ক দিয়েন তো
লেখক বলেছেন: পিডিএফ পেলাম না ![]()
লেখক বলেছেন: ডিমের বাকিটা এখনো আছে আমার কাছে। আপনের ঠিকানাটা দেন পাঠাইয়া দেই ![]()
পারভেজ বলেছেন:
রম্যের একটা ব্যাপার ভালোই এসেছে, কিন্তু কোথাও একটু বর্ণনা হয়ে গেছে। ধরে নিতে হবে পাঠক কিছু কিছু অনুমান বা কল্পনা শক্তি খাটাবে। এই সংক্ষিপ্ত করার প্রক্রিয়াটা আসলেই দক্ষতার ব্যাপার। সেটা তোমার আছে; একটু দেখে নিলেই হবে লেখক বলেছেন: ব্লগে লেখার সময় সবসময় খেয়াল রাখি লেখাটা যেন বড় আর বোরিং না হয়ে যায়। সেজন্যই মনে হয় এমন হচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
লেখক বলেছেন: তিনি অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহন করেন। জার্মান যেমন জানতেন, তেমন ইংরেজীও খারাপ পারতেন না। আপনি হিটলারের মৃত্যু ইতিহাস টা একটু পড়ে দেখেন আপু। আমার গল্পটা বিশ্বাস হতেও পারে।![]()
হয়তো আসলেই তিনি এখন টাইম মেশিনে করে ঘুরছেন। আমার বাসার মতো আপনার বাসায়ও এসে হাজির হতে পারে কিন্তু।
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন:
আমি কিন্তুক টাইম মেশিনে ব্যাপারে সন্দিহান।
লেখক বলেছেন: টাইম মেশিন থাকলে মনে হয় সবচেয়ে বেশী খুশি হতাম আমি ![]()
আমার একটু বছর খানেক আগে ফেরত যাওয়া দরকার।
ভিয়েনাস বলেছেন:
হিটলার কে নিয়ে বড়দের আলোচনায় একদিন শুনেছিলাম সে নাকি মারা যায়নি,, কোন একদিন ফিরে আসবে । টাইম মেশিনে সত্যি ফিরে এলো আর আপনি ধরে রাখতে পারলেন না। ওমলেট খাওয়ার ফাকে টাইম মেশিনের রিমোর্ট টা নিতে পারলেন না? যদি পারতেন তাহলে ভাবেন কে হতেন আপনি.......................
লেখক বলেছেন: আসল ঘটনাটা হলো, হিটলার উনিশ শ পয়তাল্লিশের ৩০ শে এপ্রিল আত্মহত্যা করেন। তার অনুসারীরা তার দেহটি আগুনে পুড়িয়ে ফেলে। তবে যদি সেটা মিথ্যা হয়, আর সত্যিই টাইম মেশিনে করে চলে আসেন, তাহলে তাকে স্পর্শ করা মোটেও ঠিক হবে না। কেননা সময় আর অবস্থানের সূত্র মতে তখনই কারো পক্ষে ভবিষ্যত বা অতীতে ভ্রমন সম্ভব, যখন সে মূলত ভ্রমন করে অন্য এক সমান্তরাল বিশ্বে চলে যাবে। আর সমান্তরাল বিশ্বের হিটলার তাহলে হবেন এ্যান্টিম্যাটারে তৈরী হিটলার। তাকে স্পর্শ করা মানে নিজেকে ধ্বংস করা, পুরো বিশ্ব ভ্রম্মান্ডকে ধ্বংস করা।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
ভালো লাগলো, এটা কিভাবে মিস করেছিলাম!!
লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস মিস করেছিলেন।![]()
আজম বলেছেন:
ভালো লাগলো.
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেবদূত ভাই। অনেকদিন পড় ব্লগে এসে দেখি আপনি অনেকগুলো কমেন্ট করে গেছেন। অনেক ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















