আমার প্রিয় পোস্ট

...ক্ষুদ্র আশা নিয়ে রয়েছে বাচিয়া,সদাই ভাবনা,
যা কিছু পায়, হারায়ে যায়, না মানে স্বান্তনা...

ভুল সময়

০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

শেয়ারঃ
0 0 0


আমার সামনে যিনি বসে আছেন তার নাম এডলফ হিটলার। আমার মেসের ভাঙ্গা চকিতে বসে কুত কুতে চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। মনে হয় বোঝার চেষ্টা করছেন ভুল বশত তিনি কোথায় এসে পড়েছেন। তিনি যে সেই জার্মানির চ্যান্সেলর হিটলার, এই বিষয়ে আমার কোনই সন্দেহ নেই। নাকের নিচে সেই খাটো গোঁফ। পোষাকে আষাকে পুরো সামরিক আমেজ। এমনিতে আমার ইংরেজী জ্ঞান খুবই খারাপ। তার ওপর এই ব্যাটা যেভাবে ইংলিশ বলে সেটা বুঝতে আমার মোটামুটি জান খারাপ হয়ে গেলো। তার সাথে টুক টাক কথা বলে যেটা বুঝতে পারলাম, তিনি ভুল করে আমার মেসে সেধিয়ে গেছেন। তাও একা না, পুরো একটা টাইম মেশিন নিয়ে। সেটা এখন আমার ছোট রুমটার অনেকটাই দখল করে আছে। দেখতে খুবই বিদঘুটে। অনেকটা বাসা বাড়ির পড়ার টেবিলের মতো।

কাহিনী হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একদম গোড়ার দিকে, যখন হিটলার একে একে পোল্যান্ড, ফ্রান্স দখল করছেন তিনি তার পোষা বিজ্ঞানীদের এমন একটা মেশিন আবিষ্কার করে দিতে বলেছিলেন যেটা দিয়ে তিনি ভবিষ্যতে গিয়ে দেখে আসতে পারবেন যে যুদ্ধে তার জয় হবে, না পরাজয় হবে। তার বিজ্ঞানীরা উঠে পড়ে লাগলো এমন একটা টাইম মেশিন বানাতে। এর মধ্যে যুদ্ধে হিটলার হারতে শুরু করলেন। অবশেষে উনিশ শ পয়তাল্লিশের ৩০ শে এপ্রিল যখন তিনি বার্লিনের চ্যান্সেলর হাউজের নিচের বাংকারে লুকিয়ে ছিলেন আর চার দিক থেকে মিত্র বাহিনী বার্লিন দখল করে চ্যান্সেলর হাউজের দিকে এগুচ্ছে, তখন সেই বিজ্ঞানীদের একজন এসে বললো যে টাইম মেশিন আবিষ্কার হয়ে গেছে। তখন আর তিনি টাইম মেশিন দিয়ে কি করবেন? তিনি তো জানেন তিনি হেরে গেছেন। ওদিকে চারদিক থেকে মিত্রবাহিনী এগিয়ে আসছে। শেষে তিনি ঠিক করলেন যে তিনি টাইম মেশিনে করে পালাবেন, আর তার লোকেরা সবাইকে বলবে যে তিনি আত্মহত্যা করেছেন আর তার দেহ পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।বাইরে তখন তুমুল গোলাগুলি।তিনি তার সদ্য বিবাহিত স্ত্রীকে রেখে রওনা দিলেন ভবিষ্যতের পথে দেখতে যে তার এই পরাজয় পৃথিবীকে কিসের পথে এগিয়ে দিলো।আপাতত তিনি আমাকে এটুকুই বলেছেন।

ভবিষ্যতে যেতে গিয়ে তিনি আমার মেসের রুমে এসে হাজির হয়েছেন, আর আমাকে বিশাল বিপদে ফেলেছেন।আমি থাকি একলা মানুষ। এই মিয়াকে কি খেতে দেই? জার্মানরা কি খায় তাও আমার জানা নেই। আমি কোন রকম একটা ডাবল ডিমের মামলেট বানিয়ে এনে দিলাম তাকে।বেচারার মনে হয় ভালোই খিদে পেয়েছে।যখন টাইম মেশিনে উঠেছে তখন উনিশ শো পয়তাল্লিশ, আর এখন দু হাজার নয়। টানা তিষট্টি বছর না খেয়ে আছে! আমার দেয়া মামলেট টা অর্ধেকটা দ্রুত খেয়ে নিলো।তারপর আবার কুতকুতে চোখে চারিদিকে তাকাতে লাগলো।পেটের খিদে মিটেছে ভেবে আমি তার সাথে একটু আলাপ করার চেষ্টা করলাম।কতদিনের জন্য ঢাকায় এসেছে, কি কি দেখানো যায় ঢাকা শহরের তারও একটা প্ল্যান তো করতে হবে।হাজার হোক বিদেশি অতিথি। সংসদ ভবনটা একবার দেখাতেই হবে, আর নারায়নগঞ্জের দিকে নাকি একটা তাজমহল মতো বানিয়েছে, ওটাও দেখানো যায়। বসুন্ধরা সিটিটাও দেখাতে হবে। এতো বড় মার্কেট জার্মান দেশে আছে কিনা কে জানে।আমি আমার হোচট খাওয়া ইংরেজী দিয়ে আলাপ শুরু করলাম।পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।

-হিটলার সাহেব,আপনি কতদিন থাকবেন?
-থাকবো না।
কেমন যেন উদাস ভঙ্গিতে উত্তর দিলো আমার অতিথি।
-সে কি , আজই চলে যাবেন? আচ্ছা, দেরী করলে ভাবি সাব আবার চিন্তা করতে পারেন।
আমি মনে মনে খুশিই হলাম। থাকতে চাইলে এই ব্যাটাকে ঘুমুতে দিব কোথায়?
-আমেরিকার কি অবস্থা?আর বৃটেন?সোভিয়েট?
কথা নাই বার্তা নাই বেমক্কা আমেরিকা নিয়ে আলাপ জুড়ে দিলো দেখে একটু মেজাজটা গরমই হলো আমার। অবশ্য বড় মানুষ, বড় বড় জিনিস নিয়েই তো কথা বলবেন।
-আমেরিকা তো ভাই এখন সুপ্রিম পাওয়ার। তার উপ্রে কেউ নাই। বৃটেনও আমেরিকার পা চাটে। আর সোভিয়েট, সেইটাতো ভাঙছে কবেই।
আমি যতটুকু বুঝি বলে দিলাম।
-সোভিয়েট নাই? হায় হায়? কি বলছো তুমি।
হিটলার আর্তনাদ করে উঠে। আমি বুঝলাম না সোভিয়েট ভাঙছে বলে তার এতো কষ্টের কি আছে। সোভিয়েট তো তার শত্রু ছিলো।
-জ্বি, সোভিয়েট ভাঙছে অনেক আগে। তবে আপনের জার্মানি আছে।
সে তখনো সোভিয়েট ভাঙ্গার দুঃখে কাতর।
-কিভাবে ভাঙলো?ইহুদিরা এখন কোথায় আছে?
আমি আর কি বলবো, তাকে বললাম কিভাবে সোভিয়েট ভাঙলো, কিভাবে ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের জায়গা দখল করে নিলো, কিভাবে আমেরিকা আফগানিস্তান দখল করলো, ইরাকে ধ্বংস যজ্ঞ চালালো সব।অল্প জ্ঞান দিয়ে যতটুকু পারা যায় ঠিক তথ্যটা দেয়ার চেষ্টা করলাম।
সবশুনে মনে হলো হিটলার খুবই কষ্ট পেলো।বিড়বিড় করে বলতে লাগলো ‘তাহলে কি লাভ হলো, আমাকে হারিয়ে, কি লাভ হলো’

-কিসের কি লাভ হলো? আমি জানতে চাইলাম।
-এই যে, আমার এক নায়কত্বের অবসান ঘটাতেই তো আমাকে হারানো হলো।শেষ পর্যন্ত তো সেই এক নায়কই হলো। আমেরিকা কি কার্যত পুরো দুনিয়াকে চালাচ্ছে না? তাহলে আমি চালালে কি দোষ ছিলো? ইহুদিরা কি এখন মুসলমানদের মারছে না? তাহলে আমি ইহুদিদের মারলে কি দোষ ছিলো?
আমি আর কি বলবো। কিছুই বলার খুঁজে পেলাম না।

হঠাৎ কি ভেবে সে উঠে দাঁড়ালো। গিয়ে বসলো তার টাইম মেশিনে।
-কি হলো? কি করছেন?
আমি অবাক হয়ে বললাম।
-আমাকে এখন যেতে হবে। আমি আরো আরো ভবিষ্যতে যেতে চাই। আমার ধারনা আমি ভুল সময়ে এসে পড়েছি। আরো ভবিষ্যতে গেলে হয়তো জানতে পারবো আমাকে হারানোর ফলে আসলেই পৃথিবীর কোন লাভ হলো কিনা।আমার বিশ্বাস নিশ্চয়ই লাভ হয়েছে, নিশ্চয়ই পৃথিবীটা অনেক সুন্দর হবে একদিন। আমি সেই দিনটা দেখতে চাই। সে জন্য আমাকে আরো ভবিষ্যতে যেতে হবে। আরো ভবিষ্যতে।
এই বলে সে কি একটা হাতলে চাপ দিলো। টাইম মেশিন বনবন করে ঘুড়তে লাগলো। আর একসময় ঘুড়তে ঘুড়তে বাতাসে মিলিয়ে গেলো। রুমের মাঝে যেখানটায় এতোক্ষন একটা আস্ত টাইম মেশিন ছিলো, সেখানটা এখন ফাঁকা। এডলফ হিটলারের আধ খাওয়া ডাবল ডিমের মামলেট হাতে নিয়ে আমি বোকার মতো দাড়িয়ে রইলাম সেখানে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিজ্ঞান কল্প কাহিনী ;
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৮
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: সায়েন্স ফিকশনের চাইতে ওয়ার্ল্ড পলিটিকসই বেশি হইয়া গেছে!!=p~
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০০

লেখক বলেছেন: ইহা একটি পলিটিক্যাল সায়েন্স ফিকশন কিনা... তাই...=p~

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০১

লেখক বলেছেন: হুমম...ধন্যবাদ।:)

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে ডাবল +

৪. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:০৯
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: সুন্দর ফিকশনিয় রিয়্যালিটি।
খুব ভালো লাগছে।
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাক ভুষুন্ডি।

৫. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ২:৪৩
ক-খ-গ বলেছেন:
চারিদিকে খালি পলিটিস আর পলিটিস......... :|

ভাল্লাগছে! :)
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

লেখক বলেছেন: ঠিক কইছেন...পলিটিসরে কইসা মাইনাস :|

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ ভোর ৪:১৭
কঁাকন বলেছেন: তবে ইহুদিরে মুসলিম মারছিলো বলে হিটলারের ইহুদি মারা জায়েজছিলো না
দুটাই অপরাধ
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:১৬

লেখক বলেছেন: দু'টোই অপরাধ, হিটলার কিন্তু এই গল্পে নিজেই নিজেকে খারাপ বলেছে। কেবলমাত্র তুলনা অর্থে এটা এখানে ব্যাবহার করা হয়েছে।

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু :) থ্যাঙ্কু :) থ্যাঙ্কু :)

৯. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
কঁাকন বলেছেন: আপনার এই গল্প পড়ে জাফরস্যারের একটা গল্প মনে পড়ছিলো নাম মনেনাই -- এক বিজ্ঞানি কিসব দোষ করে টাইমমেশিনে করে ভবিষ্যতে যায় সে ভাবছিলো ভবিষ্যতের লোকজন তারে খুব সম্মানকরবে কিন্তু ঘটনা ঘটে উল্টা তারা তারকথা বিশ্বাসই করেনা তার আগেনাকি দুইটা আইনস্টাইন আর একটা যীশুখ্রিস্ট আসছিলো এইটাইপ
পড়ছেন?
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৩

লেখক বলেছেন:
গল্পটির নাম 'আহাম্মক'। জাফর স্যারের 'ওমিক্রনিক রুপান্তর' বইয়ের প্রথম গল্প। বিজ্ঞানীর নাম 'রিকি'।পড়েছি।:)

১০. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
কঁাকন বলেছেন: থ্যাংকু তখনথেকে মনে করার চেষ্টা করতেসি গল্পের নামকি মনে করতে পারতেসিলাম না
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:০৩

লেখক বলেছেন: অয়েলকাম।:)

১১. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১০
সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: ভালই হচ্ছে...জাফর স্যারও আজকাল রিয়েলিটি ঘেষা সাই-ফাই লিখছেন (যেমন: ইকারাস)... আপনারটাও অনেকটা সেরকম লাগলো... খটমটে শব্দের সমাহার কম... তাই নির্ঘন্টেরও দরকার নেই..ভাল... :)
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: 'ইকারাস' পড়ে আমার জটিল লেগেছে। আমার মতে এটা জাফর স্যারের শ্রেষ্ঠ সায়েন্স ফিকশন গুলোর একটি।

০৬ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু। কেমন আছো?

১৩. ০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ভালো আছি , আপনের খবর কি ??
০৬ ই মার্চ, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০

লেখক বলেছেন: ভালো, মেসেঞ্জারে এলে নক কোরো।

১৪. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১২:৩০
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আপনাকে জীবনবোধ সম্পর্কে যেকথাগুলো বলেছি তার নির্যাস আমি এই গল্পে পেয়েছি। অন্যগুলোর চেয়ে এটা বেশি ভাল লেগেছে।

এই বাক্যটা বাহুল্য মনে হল। যেমন- "পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।"

ডিম খাওয়া দৃশ্যটা কি অন্য কোন গল্পে ব্যবহার করেছেন? চেনা মনে হল।
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:১৫

লেখক বলেছেন: আমি লেখার ধরন একটু পরিবর্তনের চেষ্টা করছি।চটকদারী লেখা থেকে বের হবার চেষ্টা করছি।" পাঠকদের সুবিধার জন্য আমি বাংলায় লিখছি।" -এটা আসলেই বাহুল্য হয়ে গেছে।
আর, ডিম খাওয়ার ব্যাপারটা অন্য কোথাও ব্যাবহার করিনি। অন্যকারো গল্পে হয়তো থাকতে পারে। অনেক ধন্যবাদ আশরাফ ভাই।আপনার নতুন লেখাটা কিন্ত দারুন হয়েছে।

১৫. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১:২৯
রুমানা বৈশাখী বলেছেন: ইকারাসটা পড়া হয় নাই.....পড়া দরকার মনে হচ্ছে....
অনেক দিনের ব্যবধানে ব্লগে এসে আপনাকে না দেখে যেতে পারলাম না.....কেমন আছেন????
গল্প ভালো লাগলো!!!!
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: ভালো আছি।আপনি?
ইকারাস টা পড়ে দেখতে পারেন। বেশ ভালো হয়েছে।

১৬. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
রোহান বলেছেন: ভালো হইছে। পলিটিক্যাল সায়েন্স ফিকশন -- টাইটেলটাও জটিল ;-)
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: :)
পারলে সময় করে বাকিগুলোও পড়ে দেখো।

অফটপিক: কেমন আছে আমাদের র‌্যাংসটেল?

১৭. ০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:১১
রেজওয়ান শুভ বলেছেন: ভাই ইকারাস এর পিডিএফ থাকলে লিঙ্ক দিয়েন তো
০৭ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: পিডিএফ পেলাম না :(

১৮. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯
মেঘলা মানুষ বলেছেন: মজা পাইছি।

ডিমের বাকিটা আপনি কি করলেন ঝাতি ঝানতে চায় ;)
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ডিমের বাকিটা এখনো আছে আমার কাছে। আপনের ঠিকানাটা দেন পাঠাইয়া দেই :)

১৯. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:২৩
পারভেজ বলেছেন: রম্যের একটা ব্যাপার ভালোই এসেছে, কিন্তু কোথাও একটু বর্ণনা হয়ে গেছে। ধরে নিতে হবে পাঠক কিছু কিছু অনুমান বা কল্পনা শক্তি খাটাবে। এই সংক্ষিপ্ত করার প্রক্রিয়াটা আসলেই দক্ষতার ব্যাপার। সেটা তোমার আছে; একটু দেখে নিলেই হবে :)
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: ব্লগে লেখার সময় সবসময় খেয়াল রাখি লেখাটা যেন বড় আর বোরিং না হয়ে যায়। সেজন্যই মনে হয় এমন হচ্ছে। অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

২০. ০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
লীনা দিলরূবা বলেছেন: মিয়া ভাই বেশী কল্পনা করে আমাদের তো কল্পলোকে ভাসিয়ে দিয়েছেন! হিটলার সাব কি ইংরেজিতে কথা বলতো;) তার তো জার্মান বলার কথা!
০৮ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১০:১০

লেখক বলেছেন: তিনি অস্ট্রিয়ায় জন্মগ্রহন করেন। জার্মান যেমন জানতেন, তেমন ইংরেজীও খারাপ পারতেন না। আপনি হিটলারের মৃত্যু ইতিহাস টা একটু পড়ে দেখেন আপু। আমার গল্পটা বিশ্বাস হতেও পারে।;)

হয়তো আসলেই তিনি এখন টাইম মেশিনে করে ঘুরছেন। আমার বাসার মতো আপনার বাসায়ও এসে হাজির হতে পারে কিন্তু। ;)

২১. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৩:৩১
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি কিন্তুক টাইম মেশিনে ব্যাপারে সন্দিহান।
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: টাইম মেশিন থাকলে মনে হয় সবচেয়ে বেশী খুশি হতাম আমি :)
আমার একটু বছর খানেক আগে ফেরত যাওয়া দরকার।

২২. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮
ভিয়েনাস বলেছেন: হিটলার কে নিয়ে বড়দের আলোচনায় একদিন শুনেছিলাম সে নাকি মারা যায়নি,, কোন একদিন ফিরে আসবে । টাইম মেশিনে সত্যি ফিরে এলো আর আপনি ধরে রাখতে পারলেন না। ওমলেট খাওয়ার ফাকে টাইম মেশিনের রিমোর্ট টা নিতে পারলেন না? যদি পারতেন তাহলে ভাবেন কে হতেন আপনি.......................
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: আসল ঘটনাটা হলো, হিটলার উনিশ শ পয়তাল্লিশের ৩০ শে এপ্রিল আত্মহত্যা করেন। তার অনুসারীরা তার দেহটি আগুনে পুড়িয়ে ফেলে। তবে যদি সেটা মিথ্যা হয়, আর সত্যিই টাইম মেশিনে করে চলে আসেন, তাহলে তাকে স্পর্শ করা মোটেও ঠিক হবে না। কেননা সময় আর অবস্থানের সূত্র মতে তখনই কারো পক্ষে ভবিষ্যত বা অতীতে ভ্রমন সম্ভব, যখন সে মূলত ভ্রমন করে অন্য এক সমান্তরাল বিশ্বে চলে যাবে। আর সমান্তরাল বিশ্বের হিটলার তাহলে হবেন এ্যান্টিম্যাটারে তৈরী হিটলার। তাকে স্পর্শ করা মানে নিজেকে ধ্বংস করা, পুরো বিশ্ব ভ্রম্মান্ডকে ধ্বংস করা।

২৩. ০৯ ই মার্চ, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪
ভুতের আড্ডা বলেছেন: ভালো লাগলো, এটা কিভাবে মিস করেছিলাম!!
০৯ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: ভাগ্যিস মিস করেছিলেন।:)

১৬ ই মার্চ, ২০০৯ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

২৫. ০৫ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩
শান্তির দেবদূত বলেছেন: ভালো লাগলো গল্পটা......
গল্পের মেসেজটা খুব পোক্ত....
০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ দেবদূত ভাই। অনেকদিন পড় ব্লগে এসে দেখি আপনি অনেকগুলো কমেন্ট করে গেছেন। অনেক ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৪৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মুহম্মদ জায়েদুল আলম, লোকে আমাকে সিজার বলেই ডাকে।পাঁচিলের উপর বসে মানুষের ভীড় দেখি আর ভাবি, মানুষ না হয়ে চড়ুইপাখি হলেই...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ