আমার প্রিয় পোস্ট
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- চ্যাট করুন ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই - তারকে
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
যারা ফটোগ্রাফি ভালোবাসেন, কোটেশনগুলো তাদের জন্য
১৩ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৩৩
ছবিটি সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালির চর এলাকায় তোলা।
নতুন একটি ফটোগ্রাফির বই পেয়েছি পড়ার জন্য। লেখক সূচিপত্রের পরপরই বিখ্যাত কয়েকজন ফটোগ্রাফারের কোটেশন দিয়েছেন। বিষয়টি আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে। এতে করে একদিকে ওই ফটোগ্রাফারদের প্রতি যেমন সম্মান দেখানো হচ্ছে, অন্যদিকে তাদের সঙ্গে পাঠকের একটি সুক্ষ্ণ সম্পর্কও তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। আর কিছু না হোক নামগুলো তো পাঠক পড়ছেন। হয়তো পরে কোথাও এ নামগুলো দেখলে মনে হতে পারে নামটি কোথায় যেনো দেখেছিলাম...
যা হোক, বিষয়টি মনে ধরেছে বলে ব্লগের কন্ধুদের সঙ্গে, বিশেষ করে যারা ফটোগ্রাফিতে আগ্রহী তাদের জন্য বাংলায় অনুবাদ করে দিলাম।
বইটির নাম মেকিং পিকচার্স, লেখক জুলিয়ান ক্যালডার।
ইনডিয়ান ফটোগ্রাফার রঘুবীর সিং খুব ভালো একটি কথা বলেছেন ফটোগ্রাফির বিগিনার এবং হতাশ ফটোগ্রাফারদের জন্য। তিনি যে কথাটি বলেছেন তার বাংলা এরকম -
ফটোগ্রাফি অনেকটা খনি এলাকায় সোনা খোঁজার মতো। বার বার আপনি খুঁজতে থাকবেন এবং কখনো হয়তো ছোট এক টুকরা পেতে পারেন।
পোরট্রেইট ফটোগ্রাফি নিয়ে যারা মাথা ঘামাচ্ছেন তাদের অনেকের আইডল কানাডিয়ান ফটোগ্রাফার ইউসুফ কার্শ। এই ভদ্রলোক মাত্র একটি বাক্যেই পোরট্রেইট ফটোগ্রাফির মূল বিষয়টি তুলে এনেছেন। তার বক্তব্যটি এ রকম -
আমি যা জানি তা হলো, প্রতিটি পুরুষ বা নারীর মধ্যেই লুকানো একটি সত্যি (চরিত্রিক বৈশিষ্ট) থাকে। একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে আমার কাজ হলো যদি সম্ভব হয় তাহলে (ফটোর মাধ্যমে) সেই সত্যিটা খুজে বের করে আনা।
এনসেল অ্যাডামস ছিলেন ফটোগ্রাফি অন্তপ্রাণ। এক একটি ফটোর পেছনে তিনি অসীম ধৈর্যের পরিচয় দিয়েছেন। চিন্তা করেছেন একই সাবজেক্টের জন্য সম্ভাব্য অসংখ্য ফ্রেম। হিসেব করে দেখেছেন আলোর প্রকৃতি ও পরিমাণ। বোঝার চেষ্টা করেছেন সেই আলো ফিল্মে এবং স্নাইডে কেমন প্রভাব ফেলবে। ফলে যে ছবি সাদা চোখে আমাদের কাছে আটপৌরে বলে মনে হয় তাই এনসেল অ্যাডমসের হাতে হয়ে ওঠে আর্টিস্টিক। সেই এনসেল বলেছেন -
ফটো আসলে তোলা হয় না, (ভালো) ফটো তৈরি করা হয়।
স্টৃট ফটোগ্রাফি এবং ডিসাইসিভ মোমেন্ট বললে যার নাম অনায়াসে চলে আসে তিনি হলেন হেনরি কার্টিয়ের ব্রেসো। তিনি যে কথা বলেছেন তাতে মনে হতে পারে স্বতঃস্ফূর্ত মুহূর্তের ফটো তোলার কৌশল এ ফরাশী ভদ্রলোক আপনাকে হাতে কলমে শিখিয়ে দিচ্ছেন। যেমনটা তিনি আগেই বলেছেন যে, প্রতিটি ঘটনারই একটি ডিসাইসিভ মোমেন্ট আছে, তেমনি এর পরপরই তিনি বলছেন -
(সম্ভাব্য) ফটো সম্পর্কে ভাবুন শাটার ক্লিক করার আগে এবং পরে। কখনোই ক্লিক করার সময় নয়। গোপন সূত্রটি হলো - আপনি সময় নিন। দ্রুত কাজটি করে ফেলতে যাবেন না। সময় দিন, সাবজেক্ট যেন অবশ্যই আপনাকে ভুলে যায়। (এইটুকু পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করে) এবার ঝটপট ছবিটি তুলে ফেলুন।
কোনো এক সময় ফাটাফাটি সব অ্যাসাইনমেন্ট করেছেন আর ওই ছবিতে তা দিয়ে সারাটা জীবন কাটানো সম্ভব। কারণ কি? না, আগের ফটোর জন্যই লোকজন আপনাকে মনে রাখবে। হাত জোড় করে এমন চিন্তা থেকে আপনাকে ফিরে আসতে বলছেন ডেভিড বেইলি -
আপনার সর্বশেষ ফটোগ্রাফির সেট যতোটা ভালো, সেটাই ঠিক করে দেবে আপনি কতো ভালো ফটোগ্রাফার।
শেষ কোটেশন ক্যামেরার প্রতি আতিরিক্ত মায়া দেখান যারা তাদের জন্য। এ শ্রেণীকে বড় আঘাত দিয়েছেন ডন ম্যাককালিন। তিনি বলেছেন -
আমি একটা টুথব্রাশকে যেভাবে ব্যবহার করি, সেভাবেই ব্যবহার করি ক্যামেরাকে। এটা কেবল আমার কাজটি করে দেয়।
লেখক বলেছেন: পাওয়ারশট জি নাইন আমিও ব্যবহার করেছি। অল্প সময়ের জন্য। মনে রাখবেন, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের অনেক ফটোগ্রাফারই ক্যানন জি সিক্স থেকে এই সিরিজেন ক্যামেরা সঙ্গে রাখেন ব্যাকআপ হিসেবে। এসএলআর নয় বলে এটা হেলাফেলা করার ক্যামেরা নয়।
এতোক্ষণ শুদ্ধ ভাষায় বললাম, এবার কথ্য ভাষায় বলি, জি নাইন মালডা জোস!
আমি শখের ফটোবাজী করি...সময় দিতে ইচ্ছা করে না
---------------
প্রচারনা: নতুন গ্রুপ সফট প্লানেটে সবাইকে স্বাগতম
http://www.somewhereinblog.net/group/SP
লেখক বলেছেন: একটু সময় দিন ভাই। আপনি যদি একটু একটু করে সময় দেন, তাহলে আমরা যারা ফটোগ্রাফি শুরু করেছি তারা দলে ভারী হই।
লেখক বলেছেন: এ ক্যামেরার ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইটের টোন দেখে আমি "টাসকি খায়া গেছি"।
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
একটা ফিল্ম ক্যামেরা কিনেছিলাম শখের বশে।ফিল্ম ডেভেলপ আর প্রিণ্টের পিছনে টাকা ঢালতে ঢালতে ফকির,তাও যদি বলার মতো কোন ছবি তুলতে পারতাম।ভাবছি একটা ডিজিটাল কিনে ফেলুম ইনিশিয়াল ইনভেষ্টমেন্টের ভয়ে কেনা হইতেছে না;আপাতত মোবাইলই ভরসা।
লেখক বলেছেন: কোনো অসুবিধা নেই। ভালো ছবি তুলতে পারা দিয়ে কথা, আপনার ক্যামেরাটা ফিল্ম, ডিজিটাল নাকি মোবাইল তাতে কি আসে যায়। কেউ কি কখনো জিজ্ঞেস করে রবীঠাকুর বলপেন দিয়ে লিখেছেন নাকি ফাউন্টেন পেন দিয়ে?
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশে দাম আরেকটু বেশি, যারা বিক্রী করে তারা খানিকটা লাভ তো রাখবেই, তার সঙ্গে আছে প্লেনের ভাড়া। ঢাকায় মোটামুটি ১৫০০০+ এ ক্যামেরা পাওয়া যাচ্ছে।
ব্যাকটেরিয়া বলেছেন:
এই পোস্টটা কদিন ধরে লেখা? অনেকদিন লেগেছে বুঝি?
লেখক বলেছেন: কেনরে ভাই, এটা কেন মনে হল?
লেখক বলেছেন: নির্দিষ্ট ব্র্যান্ড বলা ঠিক হবে না। কারণ এ দামের মধ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তফাৎ তেমন একটা নেই।
০১. খেয়াল রাখুন অ্যপারচার, শাটার স্পিড, আইএসও এই সেটিংসগুলো ম্যানুয়ালি সেট করা যায় কি না। সেট করা গেলে ভাল।
০২. অপটিকাল জুম অন্তত থ্রি এক্স হলে ভাল হয়। ডিজিটাল জুম যতোই থাকুক, ওটা কোনো কাজের না।
০৩. আর পেন্সিল ব্যাটারি চালিত ক্যামেরা না কেনাই ভাল, মানে রিচার্জেবল লিথিয়াম ব্যাটারিতে চলে এমন ক্যামেরায় অনেক ফটো তোলা যায়। অপর দিকে পেন্সিল ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
মৈথু, ডিয়েসেলার হলো সেইরম জিনিস। দুধের স্বাদ কি আর ঘোলে মেটে!
তবু, শুরু করার জন্য পাওয়ারশট্ চলে..
মোঃ শিহাবুর রহমান বলেছেন:
এক পোস্টে দেখলাম আপনি যাযাদি তে ফটোগ্রাফি নিয়ে লিখতেন ।লেখা গুলো জ়োস লাগছিল সেইসময় ।ফটোগ্রাফির একটা ঝোকও চাপছিল মাথায়
কিন্তু তখন আর শুরু করা হয় নাই।
আমি বেসিক ফটোগ্রাফি কোর্স দিয়ে শুরু করতে চাই । প্লিজ একটা সাজেশন দেন
কি ক্যামেরা ব্যবহার করা উচিত ।কোথায় ভালো শেখা যায় ।
আর এই লেখাটা ভালো লাগছে ।মনে করেন এই লেখা দেখেই এতদিন পর
আবার ইচ্ছাটা জেগে উঠল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আমাকে মনে রাখার জন্য।
আমি নিজে ২ মেগাপিক্সেলের ছোট একটি ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে শুরু করেছিলাম। আমার ব্যক্তিগত ধারণা ডিজিটাল ক্যামেরা ফটোগ্রাফি শেখার জন্য খুবই ভাল। যে কোনো পরীক্ষার রেজাল্ট হাতে হাতে পাওয়া যায়।
একটা উদাহরণ দেই, ধরা যাক আপনি ফিল্মে ছবি তুললেন, ছবিটা একটু আঁধার (ফটোগ্রাফির ভাষায় আন্ডার এক্সপোজড) হয়ে গেল। তারপর সে ফিল্ম দোকানে দিলেন প্রিন্ট করার জন্য। দোকানের লোক করবে কি, সে আঁধারটুকু যতোদূর সম্ভব ব্যালেন্স করে আলো বাড়িয়ে প্রিন্ট করবে যাতে সেটা দেখতে সুন্দর হয়। এখন এ ছবি দেখে আপনি হয়তো বুঝতেই পারেবন না যে, ছবিটা আরেকটু এক্সপোজার বাড়িয়ে তোলা দরকার ছিল। সেজন্যই ডিজিটাল ক্যামেরা আমার কাছে শেখার জন্য ভালো মনে হয়।
কি ক্যামেরা কেনা উচিৎ সেটা জানার জন্য ওপরে ওপেলের প্রশ্নের উত্তরটি দেখে নিতে পারেন। আর বেসিক কোর্সের জন্য যেতে পারেন পাঠশালা (পান্থপথ), বেগার্ট ইনস্টিটিউট অফ ফটোগ্রাফি (এলিফেন্ট রোড), প্রিজম, (ফকিরাপুল)।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
ছবি তোলার আমার খুব শখ। আগে ডিজিটাল ক্যামেরা ছিল না, পুরানো ক্যামেরাতে পারিবারিক ছবি ছাড়া কিছুই তোলা হয় নাই। এরপর খুব কষ্ট করে বছর দুইএক আগে একটা ক্যামেরা কিনলাম। মারকারি ব্রান্ডের, কিনে হতাশ, একেবারে ধরা। দিনের বেলায় আলো একটু কমলেই ছবির মার্কামারা অবস্থা, আর রাতে তো কথাই নাই। ছবি তুলতাম খুব আশা নিয়ে, কিন্তু ছবি দেখবার সময় মন খারাপ হয়ে পড়ত। এখন মোবাইলে তুলতে চেষ্টা করি। আমার সেট sony ericsson K810i এতে আগের চাইতে ভাল ছবি পাই। তবে ইচ্ছে আছে ভাল একটা ক্যামেরা কিনবার ভবিষ্যতে। পোস্টের জন্য অনেক ধন্যবাদ। খুব ভাল লাগল তাই সরাসরি প্রিয়তে। মাঝে মাঝে আমিও ফটোগ্রাফি নিয়ে পোস্ট দেবার দুঃসাহস করেছি।
ফটোগ্রাফির কিছু কথা এবং ফটোব্লগ: আমার তোলা কিছু ছবি
ফটোগ্রাফির উপরে আমার কিছু লেখাপড়া করবার ইচ্ছে আছে। যে বইটা হতে কোটেশন গুলো দিলেন তার নামটা জানাবেন কি? কোথায় পাব বইটি?
লেখক বলেছেন: বইটির নাম কিন্তু পোস্টের দ্বিতীয় প্যারায় ছিল। যাহোক, আবারো বলছি, বইটির নাম মেকিং পিকচার্স, লেখক জুলিয়ান ক্যালডার।
এই বইটি পাওয়া যেতো এটসেটরায়। এখন পাওয়া যায় কিনা জানি না। বইটি দাম অনুসারে (২০০০ টাকা দাম!) তেমন কাজের মনে হয়নি। তাই কিনতে চাইলে দোকানে গিয়ে ভালো করে পাতা উল্টে কয়েক পেজ অন্তত পড়ে নিন।
তবে সূচীপত্রের আগে কোটেশনের ধারণাটি ভালো লেগেছে।
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন:
প্রিয়তে রেখে দিলাম । আমার কোন ফটোগ্রাফির উপর কোর্স নেই । আমি আমার মতো করে ফটো তুলি । জানি ভাল হয় না । কিন্তু অন্যরকম একটা বৈশিষ্ট থাকে । কারণ ব্যাকরণ মোতাবেক সবাই তুলে । সবাই নিয়ম মেনে চললে আমি যদি অনিয়মে চলি তাহলে আমারটা আলাদা একটা স্বত্ত্বা সৃষ্টি হবে । ধন্যবাদ আপনাকে । অনেক কিছু শিখলাম ।
লেখক বলেছেন: অসম্ভব প্রতিভাবান না হলে অনিয়ম থেকে কখনোই "আলাদা সত্তা" তৈরি হয় না।
ফটোগ্রাফির ইতিহাস প্রায় দেড় থেকে দুশ বছরের পুরোনো। এর নন্দনতাত্বিক ব্যকরণের বড় অংশই এসেছে পেইন্টিং থেকে যার ইতিহাস কয়েক হাজার বছরের। এ দীর্ঘ্ সময়ে অনেক প্রতিভাবান পেইন্টার নিজেদের কাজের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক শিল্পকলার (এ টার্মটি স্রেফ দৈর্ঘ আর প্রস্থের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে, শিল্পে এ টার্ম সম্ভবত নেই) ব্যকরণটি দিয়ে গেছেন। এখন আপনি বলুন, আপনার একার পক্ষে কি সম্ভব এ হাজার বছরের ব্যকরণ এড়িয়ে নতুন কিছু করা? নতুন কিছু করা মানে টিকে থাকবে এমন কিছু করা।
পড়ালেখা না করে ফটোগ্রাফার হওয়া যায় না, সে কথা বলছি না, বলছি সচেতনভাবে ব্যকরণ বাদ দিয়ে নতুন টেকশই কিছু করা সম্ভব নয়।
আপনি যে পথে চলছেন, তাতে দুটো বিষয় ঘটতে পারে। এক. ব্যকরণ না পড়ে ছবি তুলতে তুলতে এক সময় হয়তো দেখা যাবে আপনিও যা তুলছেন তা নিজের অজান্তেই হয়তো কোনো না কোনো ভাবে নন্দনতত্বের হিসেবে চলে এসেছে। কারণ যে কয়েক হাজার বছরের সৌন্দর্যচেতনা আমরা বহন করে চলেছি তার বাইরে যাওয়া প্রায় অসম্ভব। এটা ঘটবে যদি আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা থাকে তবেই। তবে এ ক্ষেত্রে আপনার সময় লাগবে অনেক বেশি। যে ধারণাটি আপনি বড় ফটোগ্রাফারদের তোলা ছবি, পেইন্টিং বা বই পড়ে পেতেন সেটি অনেক দেখে শুনে বুঝে নতুন করে আপনার ভেতরে শেকড় গাড়তে হবে।
আর যদি আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা না থাকে তবে স্রেফ আপনি হারিয়ে যাবেন, যেমন হারিয়ে যায় অনেক নতুন শিল্পী বা লেখক।
কবিআব্দুল বলেছেন:
ছবিটা খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।


















