আমার প্রিয় পোস্ট
- পাইছি.....
ডাউনলোড করুন - হা...হা...হা...
- ইনষ্টল করা সফটওয়ারের সিরিয়াল বের করুন সহজেই - এ আর খান
- উইন্ডোজ সেভেনকে জেনুইন করে ফেলুন জেনুইন সিরিয়াল দিয়ে - এ আর খান
- বিনামূল্যে নিন ব্যান্ডউইড মিটার সফটওয়্যার - আরিফ বল্গ
- মেগাআপলোড থেকে আজীবন মুভি ডাউনলোড/স্ট্রিমিং করবেন যেভাবে--(like premium user) - বিডি আইডল
- মুভি পাগলেরা সহায়তা করেন...World War II এর উপর নির্মিত মুভি'র নাম জানতে চাই - লুথা
- এই নির্লজ্জ সাইফুর নিজের মাথা ন্যাড়া করার ছবি জোড়া দিয়েছিস বোধায়। - মেহদী
- ব্লক করা যে কোন সাইটঃ ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি ব্রাউজ করুন সহজে - বিডি আইডল
- আরো কিছু সোভিয়েত্স্কি কৌতুকভ।(প্রায় সবই পলিটিক্যাল) - হাসান মাহবুব
- গ্রামীনফোন মোডেম দিয়ে অন্য অপারেটরের(একটেল, বাংলালিংক,ওয়ারিদ) ইন্টারনেট ব্যাবহার - ফরহাদুল কবির
- Task Manager ডিজাবল হয়ে গেলে তা ফিরিয়ে আনবেন কিভাবে? - আলোকিত পৃথিবী
- কিছু অসাধারন রাশিয়ান প্রশ্নোত্তর। - হাসান মাহবুব
- টুকে লেখা, পড়ে লেখা, জেনে লেখা... (আলী, হাবিব মহাজন। ফাডাররাও পড়তে পারেন) - অঃরঃপিঃ
- একাধিক I.D. দিয়ে Yahoo! মেসেন্জারে লগিন: পার্ট ২ - আমড়া কাঠের ঢেকি
- বঙ্গদেশের ফটু রঙ্গ -২ - কাঙাল মামা
- দেখাদেখি বদলে যাওয়া... তাইলে কী বদলাইল? - ব্রাত্য রাইসু
- রাজাকার প্রতিরোধে উজ্জীবিত করবে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই কবিতাটি - অমাবশ্যার চাঁদ
- ১৮+ কৌতুক প্লিজ ব্যান করবেন না, অথবা করার ইচ্ছা থাকলে ,একটা কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠাবেন।এক্সট্রিমলি ম্যাচিউরডদের জন্য। - বিলাল
- মজার একটা সাইট শেয়ার না করে পারলাম না
- নিঃসঙ্গ
- আলু পাড়ার মড়ক ও সামু বলগের অবস্থান! - ক-খ-গ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- বারাক ওবামা এবং সেই কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিন প্রেসিডেন্টদের গল্প... - যুবােয়র হাসান
- অন্তর্জালে আমি কাদের কাদের পুন মার্তে চাই? - পাগলা গারদের ওয়ার্ডেন
- আজ বিশ্ব শালা-শালি দিবস
- নাফিস ইফতেখার
- ব্লগিং করার সুবিধার্তে সা,ই, এ - দুঃখবিলাস
- অর্থনীতি ব্লগ: আয়কর রিটার্ণ যাদের দিতেই হবে - শওকত হোসেন মাসুম
- টেকি পোস্ট ঃ কমেন্টে ফটো দিবেন কিভাবে ?? - শয়তান
- পরশুরামের কুঠার অথবা জিন্দা লাশের আয়ুষ্কাল - ফারুক ওয়াসিফ
- যেকোন Webpage থেকে বিজ্ঞাপন অপসারন করুন, বিজ্ঞাপনহীন ওয়েবের জগতে আপনাকে স্বাগতম! - নাফিস ইফতেখার
- গুগল বুকস থেকে বই ডাউনলোড করবেন যেভাবে - অনিকেত প্রান্তর
- XP Genuine করুন : Microsoft এর মাথায় কাঁঠাল ভেঙে খান - নাফিস ইফতেখার
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- "এক ক্লিকে দুই সার্চ ইঞ্জিন" Google and Yahoo! Search Result Side by Side - প্রচেত্য
এখন বৃষ্টির দিন, ক্যামেরা ও লেন্সের যত্ন নিন
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৯
না না সাইজের ডেসিকেটর, বেছে নিন আপনার প্রয়োজন মতো
এখন বর্ষাকাল। আরো গাছ লাগান। এ কথাটি জনপ্রিয় করেছিলেন কৃষি উন্নয়ন কর্মী শাইখ সিরাজ। ফটোগ্রাফারদের জন্য স্লোগানটি একটু ভিন্ন রকম হবে- এখন বৃষ্টির দিন, ক্যামেরা ও লেন্সের যত্ন নিন।
যারা প্রফেশনালি ফটোগ্রাফি করেন তারা একাধিক ক্যামেরা বডি, বেশ কয়েকটি লেন্স, অনেক ফিল্টার, ফ্ল্যাশগান, রিচার্জেবল ব্যাটারি, ট্রাইপড, ক্যামেরা ব্যাগ- সব কিছু মিলিয়ে রাজ্যের যন্ত্রপাতি নিয়ে বসেন। এতো যন্ত্রপাতির দামও অনেক হয়। ফলে ওইসব যন্ত্র দিয়েই যেহেতু কামাই-রোজগারটিও হয় তাই এগুলোর যত্নও হতে হয় প্রফেশনাল পর্যায়ের।
অপরদিকে যারা শখের ফটোগ্রাফার, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায় তাদের ক্যামেরাটি আলমারির তাকে বা বাসার অন্য কোনো জিনিসপত্রের সঙ্গে মিশে থাকে। আর এই কাজটি করতে গেলেই বিপদ। আপনার সুতি কাপড়টি হয়তো বাতাসের আর্দ্রতাকে কেয়ার করে না, তবে ক্যামেরাটি করে। বদ্ধ ভেজা স্থানে আপনার ক্যাসেট প্লেয়ারটি হয়তো মাইন্ড করবে না, যেমনটা করবে আপনার ক্যামেরার লেন্স।
প্রথমে আপনি এর কিছুই হয়তো বুঝবেন না কিন্তু কয়েকদিন পড়েই খালি চোখে ধরা পড়বে ছত্রাক এসে সংসার শুরু করে দিয়েছে আপনার ক্যামেরার লেন্সের ভেতর। প্রথমদিকে খালি চোখে দেখা ছত্রাক আপনার ফটোর কোয়ালিটির ওপর তেমন একটা প্রভাব হয়তো ফেলবে না কিন্তু ধীরে ধীরে একে আর আপনি এড়াতে পারবেন না। ক্যান্সারের মতো এ ছত্রাক বা ফাঙ্গাস আপনার গোটা লেন্সটি আক্রান্ত করে ফেলবে। শ্রেফ ফেলে দিতে হবে লেন্সটি।
এখন প্রশ্ন হলো এই ছত্রাক বা ফাঙ্গাস এড়ানোর উপায় কি? সোজাসাপ্টা উত্তর হচ্ছে আর্দ্রতা নেই এমন শুকনো স্থানে লেন্সটি রাখা। তেমন স্থান কই? একটি সমাধান হতে পারে সাহারা মরুভূমিতে কোথাও লেন্সটি রেখে দেয়া, দরকার মতো এনে কাজ করে আবার রেখে আসা। এক্ষেত্রে অবশ্য আপনার রক্ষণাক্ষেণ প্লাস পরিবহন খরচ খানিকটা বেশিই হবে, আর সেই টাকায় ডজন ডজন লেন্স কিনে নেয়া সম্ভব।
বিকল্প সমাধান হচ্ছে আপনার বাড়িতেই সাহারা মরুর মতো খটখটে শুকনো পরিবেশ তৈরি করে নেয়া।
আপনিই একমাত্র ফটোগ্রাফার নন, এই সমস্যায় আরো অনেকে নিশ্চয়ই পড়েছেন। ফটোগ্রাফার কেবল নন, সায়েন্টিফিক বিভিন্ন কাজেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে অবশ্যই আর্দ্রতামুক্ত পরিবেশ লাগে। কাজেই চিন্তিত হবেন না। এর সমাধান আছে। কি সেই সমাধান- উত্তর হচ্ছে ডিহিউমিডিফায়ার (dehumidifier) অথবা ডেসিকেটর (desiccator)
ডিহিউমিডিফায়ার হলো এমন এক যন্ত্র যা বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেয়। ফলে আশপাশের বাতাস থাকে শুষ্ক। তাই কোনো ঘরে ডিহিউমিডিফায়ার রেখে দিলে সে ঘরের বাতাস শুকনো থাকবে। এখানে একটি যদি আছে। যদি সে ঘরটি এয়ারটাইট করে (যেমনটি করা হয় এসি লাগানো ঘরে) রাখা যায় তবেই ডিহিউমিডিফায়ারের সুবিধাটুকু পুরোপুরি আপনি পাবেন। মূলত ডিহিউমিডিফায়ার তাদের জন্য ভালো যাদের অনেক যন্ত্রপাতি নিয়ে কাজ করতে হয়। অনেক বলতে এতোটাই যে সেগুলো রাখতে একটা ছোটখাটো ঘর দরকার পড়বে।
প্রশ্ন হলো, আমরা যারা একটা ক্যামেরা সঙ্গে দু-একটি লেন্স নিয়ে যাত্রা শুরু করেছি তারা তো আর বাসায় দাবি করতে পারবো না যে আমাকে গোটা একটা ঘর ছেড়ে দাও। কেন? না, আমি ডিহিউমিডিফায়ার বসাবো। ভাংচুর করে রাজনৈতিক দাবি আদায় করা সম্ভব বলে কেউ কেউ ভাবতে পারেন, তবে একটা দুটো লেন্সের জন্য গোটা ঘরের চিন্তা না করাই ভালো। এর জন্য যা দরকার তা হচ্ছে ডেসিকেটর।
সোজা ভাষায় ডেসিকেটর হচ্ছে একটি এয়ারটাইট কাচের জার, যার ভেতরে থাকে দুটি চেম্বার। এর একটিতে থাকে এমন কিছু কেমিকাল যার কাজ হচ্ছে বাতাস থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নেয়া। অপর চেম্বারে যাকে জলীয় বাষ্পমুক্ত রাখতে হবে সেই জিনিসটি থাকবে, অর্থাৎ লেন্স। সাধারণত কেমিকাল হিসেবে থাকে সিলিকা জেল।
যারা এতোক্ষণ ধরে লেখাটি পড়েছেন তারা সম্ভবত এখন দুম করে প্রশ্ন করে বসবেন, ঢাকায় কোথায় ডেসিকেটর কিনতে পাওয়া যাবে? উত্তর হচ্ছে সায়েন্টিফিক এক্সপেরিমেন্টের যন্ত্রপাতি পাওয়া যায় এমন দোকানে আপনি ডেসিকেটর পাবেন। ঢাকায় হাটখোলা রোডে অনেক সায়েন্টিফিক ডিভাইসের দোকান আছে, সেখানেও ডেসিকেটর পাওয়া যাবে। আর পাওয়া যাবে ফটোগ্রাফিক ইকুইপমেন্ট বিক্রি করে এমন দোকানে। পল্টন, বায়তুল মোকাররম বা এলিফ্যান্ট রোডের কিছু দোকানে পাওয়া যাবে ডেসিকেটর।
একই দোকানে সিলিকা জেলও পাবেন, তবে সস্তায় পাওয়া যাবে পুরনো ঢাকার মিটফোর্ড রেডের কেমিকাল মার্কেটে। এক কেজি সিলিকা জেলের দাম পড়বে প্রায় চারশ’ টাকা। সিলিকা জেল দুই রকম হয়, একটি পানি শুষে নেয়ার পর রং বদলে ফেলে, অপরটি বদলায় না। স্বাভাবিকভাবেই যে সিলিকা জেল রং বদলে ফেলে সেটি কেনা বুদ্ধিমানের কাজ। এ সিলিকা জেলের রং সাধারণত হয় গাঢ় নীল।
সিলিকা জেল যখন ক্ষমতার শেষ পর্যন্ত পানি শুষে ফেলে তখন এর রঙ সাদা ক্রিস্টালের মতো হয়ে যায়। এ সাদা সিলিকা জেল অল্প আঁচে তাওয়ায় ভেজে নিলে পানি বাষ্প হয়ে উড়ে আবার নীল হয়ে যায় এবং আবারো ব্যবহার করা সম্ভব হয়।
একটা ক্যামেরা বডি আর দুটি লেন্স রাখার জন্য ৯ ইঞ্চি বা ১২ ইঞ্চি ডায়ামিটারের ডেসিকেটরের দাম পড়বে দোকান ভেদে দেড় থেকে দু হাজার টাকা।
এবার একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় খেয়াল রাখুন। দীর্ঘদিনের জন্য ডেসিকেটরে কোনো লেন্স রেখে দেবেন না। তিন-চার দিন লেন্স রেখে দেয়ার পর অন্তত দুই-তিন ঘণ্টার জন্য লেন্সটি বের করে রাখুন। নইলে অতিরিক্ত শুষ্কতার জন্য লেন্সের ভেতরের ইলেকট্রিক সার্কিট উঠে আসতে পারে বেজ থেকে। ফলে যে লেন্সটি ভালো রাখার জন্য এতো কাঠখড় পোড়ালেন, শেষে কেবল ছাইটুকুই জুটতে পারে কপালে।
----------------------------------------------------------------------------
লেখাটি প্রথম ছাপা হয়েছিল যায়যায়দিনের ক্যামেরা পাতায়, আজ বৃষ্টি দেখে মনে হলো এমন দিনেই এ বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়া দরকার।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
হাসিব মাহমুদ বলেছেন:
এন্ট্রি লেভেল ডিএসএলআর কোনটা ভালো কন্তো এক্টু ?
লেখক বলেছেন: এ ক্যাটেগরিতে আমার নিজের পছন্দ ক্যানন ৪০০ডি বা ৪৫০ডি।
কারণ ০১. ক্যানন লো লাইটে ভালো পারফরমেন্স দেয়।
কারণ ০২. ঢাকায় ক্যাননের ডিলার আছে, কাজেই ওয়ারেন্টি পাওয়া যাবে।
রাজামশাই বলেছেন:
মনে হইলো
দূরন্ত বলেছেন:
ইংল্যান্ডের আর্দ্রতা বাংলাদেশের থেকে কম। তবে সারা বছর বৃষ্টি হয়। এখানেও কি ডেসিকেটর লাগবে?আমি কনফিউশনে আছি। শোরুম গুলিতে ইলেক্ট্রনিক্স জিনিসের সাথে সিলিকা জেল রাখে দেখেছি.....
লেখক বলেছেন: জ্বি লাগবে। শো রুমে যেহেতু সিলিকা জেল রাখে, তার মানে হলো আর্দ্রতা বেশি।
েজবীন বলেছেন:
অনেকেই দেখেছি সিলিকন জেল'এর প্যাকেট রাখে ..... অসুবিধা হয় নাকি তাতে?
লেখক বলেছেন: সিলিকা জেলের প্যাকেটে সমস্যা হলো আপনি ঠিক বুঝতে পারবেন না, এটি কর্মক্ষম আছে কি না। মানে শোষণ ক্ষমতার শেষ পর্যন্ত পানি শুষেছে কি না। সে দিক দিয়ে খোলা ও রঙ পরিবর্তনশীল সিলিকা জেলের সুবিধা বেশি। সিলিকা জেল সাদা হয়ে যাচ্ছে, মানে সিলিকা জেল তাওয়ায় ভেজে আবার নীল করে নিতে হবে।
লাল পিপড়া বলেছেন:
কামে লাগবে আমার । পারলে ডেসিকেটরের ফটুক দিতে পারেন ?
লেখক বলেছেন: পোস্টের সঙ্গেই তো দেয়া আছে!!!
লেখক বলেছেন: েজবীন-এরও একই প্রশ্ন ছিলো। সেখান থেকে উত্তরটি দেখে নিতে পারেন।
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
ক্যাননেন একটা ক্যামেরা কেনার খুব শখ। কিন্তু দাম দেখে সাহস করতে পারি না। এখানে ক্যাননের লেটেষ্টটা নিলে £৪৫০-৫০০ গুণতে হবে। তবে, হ্যা আমি খুব শীঘ্রই যেভাবে হোক একটা কিনবোই। আপনার লেখাটি ভালো লাগছে।লেখক বলেছেন: শিগগির কিনে ফেলুন না, ফটোগ্রাফাররা তাহলে দলে ভারী হই।
লেখক বলেছেন: দরকারি ইন্সপিরেশান, আপনাকেও ধন্যবাদ।
কালপুরুষ বলেছেন:
ভাল লাগলো আপনার লেখা। অনেকের কাজে আসবে আপনার সাজেশন। দামী ক্যামেরা ও লেন্স পলিথিনে প্যাক করে মুখ বন্ধ মুড়ি ভর্তি টিনে রেখে দিলে ফাঙ্গাস বা ছত্রাক ধরার কোন সম্ভাবনা থাকেনা। সিলিকা জেল নির্দিষ্ট মেয়াদের বাইরে ভাল কাজ করেনা। আর তাতে ছত্রাক রোধের সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা দেয়া যায়না। বিশেষ করে বর্ষাকালে সিলিকা জেল তেমন কার্যকর নয়। যাদের অতিরিক্ত টাকা আছে তারা ঘরে "ডিহিউমিডিফায়ার" (জ্বলীয় বাষ্পরোধক যন্ত্র) ব্যবহার করতে পারেন, তবে এর দাম এসি কেনার কাছাকাছি।
কালপুরুষ বলেছেন:
তবে স্টীল ক্যাবিনেট বা আলমিরা কাঠের ক্যাবিনেট বা ওয়ারড্রবের চেয়ে অনেক বেশী আদ্রতা রোধক। তাই বর্ষা কালে কখনই কাঠের বাক্সে ক্যামেরা বা লেন্স রাখা নিরাপদ নয়।
লেখক বলেছেন: স্টিল ক্যাবিনেট বা আলমিরাতেও নয়। সামান্য আর্দ্রতার সঙ্গে খানিকটা অন্ধকার থাকলেই ফাঙ্গাসের পোয়াবারো।
লাল পিপড়া বলেছেন:
ঐগুলারে স্পিরিট ল্যাম্প মনে করছিলাম ।আচ্ছা আমি ত জানতাম স্টিলের আলমিরারাতে ক্যামেরা রাখা পুরা নিষেধ
লেখক বলেছেন: নিষেধই তো। কালপুরুষের কমেন্টের ওপর আমার উত্তরটি খেয়াল করুন।
কালপুরুষ বলেছেন:
আমি স্টীল বা কাঠের আলমিরার দুটোর কোনটাকেই নিরাপদ বলিনি- তুলনামূলকভাবে কাঠের বাক্সের চেয়ে স্টীল ক্যাবিনেট অপেক্ষাকৃত নিরাপদ সেটাই বুঝাতে চেয়েছি। কারণ বর্ষাকালে কদিন বৃষ্টি হলে এমনিতেই কাঠের দরজা, জানালা, খাট, সোফাতে ছত্রাক দেখা যায়। এমনকি আলমিরার ভেতরে রাখা কাপড়ে পর্যন্ত। তাই বর্ষা চলে গেলে মা-চাচীরা তাদের দামী কাপড়-চোপর রোদে দিতেন ছত্রাক থেকে রক্ষা পেতে।
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তব্য ঠিক আছে, কেবল একটি স্খানে আমি ভিন্ন শব্দ বসাতে চাই।
"তুলনামূলকভাবে কাঠের বাক্সের চেয়ে স্টীল ক্যাবিনেট অপেক্ষাকৃত নিরাপদ" -এ কথাটির বদলে আমি বলতে চাই "তুলনামূলকভাবে কাঠের বাক্সের চেয়ে স্টীল ক্যাবিনেট অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতিকর"
জেমিনি বলেছেন:
খুবই দরকারি একটি পোস্ট। ধন্যবাদ
ছবি তোলার ব্যাপারে কিছু পরামর্শ চাই। আমার ক্যানন ৮ মেগাপ্রিক্সল
অনেক অপশন আছে যা আন্দাজ করে চালাই।
যীশূ বলেছেন:
ভালো জিনিস মনে করিয়েছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। কেমন আছেন?
আকাশ অম্বর বলেছেন:
কাজের পোষ্ট।
কমুক্যা বলেছেন:
ওনো ! মাএ একদিন হইল ক্যামেরাটা কিনলাম......ধন্যবাদ ভাইয়া প্রিয়তে রাখলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ও নতুন ক্যামেরার অভিনন্দন।
রানাকবির বলেছেন:
খুবই দরকারী লেখা। প্রিয়তে রাখলাম।
মার্বেল বলেছেন:
আমার ক্যানন ৪০০ডি আর ট্যামরন লেন্স কাঠের ড্রয়ারে ছিল, আপনার লেখা পড়ে সাথে সাথে বের করে চেক করলাম । এখনো ভালই আছে মনে হয় । কিন্তু সামনের মাসেই ডেসিকেটর কিনবো ঠিক করেছি। ধন্যবাদ তথ্যের জন্য ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও, সচেতন হবার জন্য।
একলোটন বলেছেন:
ভালো একটা এসএলআর ক্যামেরা কিনতে চাই। অ্যামেচার কাজের জন্য। কত দাম পড়বে কোথায় পাবো বলবেন কি?
লেখক বলেছেন: ঢাকায় ক্যাননের ডিলার আছে, জেএএন অ্যাসোসিয়েটস। আইডিবি কম্পিউটার সিটিতে এদের দোকান আছে। নিকনের কোনো ডিলার এখনো ঢাকায় আছে বলে শুনিনি। তবে নিকনও পাবেন আইডবি মার্কেটেই, ভিন্ন দোকানে। দাম মডেলভেদে মোটামুটি ভাবে ৩৫ হাজার থেকে সাড়ে আট লাখ পর্যন্ত।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














.jpg)
