১।।
রাত্রি জাগার গল্প শুনে কেউ বলেনি ভাববো
তাই তো আমার লিখতে হলো বৃষ্টিঝরার কাব্য
মেঘকে নিয়ে যত্ন করে আমার লেখা পদ্য
মিল-অমিলের শরীর নিয়ে হলো যে সব গদ্য
বৃষ্টি ঝরুক যেমন খুশি রাত্রি এবং দিনে
কারো যদি পয়সা থাকে বৃষ্টি রাখুক কিনে
আমার কোনো আপত্তি নেই বরং আছি মতে
স্বাধীন পায়ে এগিয়ে যাব বৃষ্টিমাখা পথে।
২।।
আষাঢ়ে বালিকা
দিয়েছে তালিকা
হৃদয়ে ভাসাতে
কিছু কিছু ভুল;
শ্রাবণে বালিকা
দিয়েছে তালিকা
দুহাতে কুড়াতে
কিছু কিছু ফুল;
বালিকা জানে না
বালিকা জানে না
বালিকা জানে না!
সেই ভুল, সেই ফুল
ভাসিয়েছে সঙ্গোপনে
জীবনের দুই কূল।
৩।।
শীতে আমার জন্ম হলেও
প্রথম হাঁটি আষাঢ়ে
দৌড় আমার মাঘে হলেও
শ্রাবণে পাই ভাষারে
কথা বলার শ্রাবণ আমার
হেঁটে যাবার আষাঢ় আমার
আজও ডাকে চাষা রে।
৪।।
বৃষ্টি চোখে, বৃষ্টি বুকে
বৃষ্টি নামে সৃষ্টিসুখে
মন থেকে সব মনে
বৃষ্টি চোখে, বৃষ্টি হাতে
বৃষ্টি নামে সন্ধ্যারাতে
অনেক সঙ্গোপনে।
বৃষ্টি কাঁদে, বৃষ্টি হাসে
বৃষ্টি নামে সবুজ ঘাসে
কদম পাতার ফাঁকে
বৃষ্টি নামে বৃষ্টি থামে
সুখ-দুঃখের চিঠির খামে
জীবননদীর বাঁকে।
৫।।
বৃষ্টি হবে, বৃষ্টি হবে
তোমার চোখে সৃষ্টি হবে
স্বপ্ন দেখো স্বপ্ন আঁকো
বৃষ্টি দিয়ে স্বপ্ন ঢাকো
স্বপ্ন দেখো ক্লন্তি ঢেকে
স্বপ্ন দেখো বৃষ্টি এঁকে।
৬।।
নিজের ঘরে ভাল্লাগে না মেঘের বাড়ি যাবো
জলের কলস থাক না পড়ে মেঘের পানি খাবো
ওদের নাকি তাঁতে বোনা হৃদয়ছোঁয়া পাটি আছে
কাদামাটির আস্তরণে জল থৈথৈ বাটি আছে
গুরুগুরু সুরে বাঁধা ধ্রুবগানের মাত্রা আছে
অচিন দেশে যাবার জন্যে মুক্তভিসায় যাত্রা আছে।
তাদের ঘরে দাঁড়াও যদি বৃষ্টিধারায় পা ভেজে না
ছত্রীবিহীন ঘর তবু তো ঘুমিয়ে থাকো, গা ভেজে না
ওদের কিন্তু রাজারাণী মন্ত্রী-আমলা কিছুই নেই
দেশদ্রোহী দূরের কথা, রাজাকারের শিশুই নেই
ফাগবাঁধা বুলেটপ্রুফ গাড়ির কোনো বহর নেই
জ্যামেভরা ধুলোমাখা কালো ধোঁয়ার শহর নেই
ওদের কিন্তু নিজের কাজে আদৌ কোনো ঋণ লাগে না
হামবড়া ভাব পেটাতে যে গরুমার্কা টিন লাগে না।
নিজের ঘরে ভাল্লাগে না মেঘের বাড়ি যাব
ভেজালভরা খাবার ফেলে মেঘের পানি খাব
একটি রাত ঘুমাতে চাই ভালোলাগা মেঘের সাথে
নষ্ট সময় তুলে দেব সঙ্গোপনে মেঘের হাতে
এই বরষায় প্রেমিক হবো এই বরষায় বাধবো ঘর
তুমি না হয় কষ্ট করে বুকেই রেখো বৃষ্টিজ্বর।
৭।।
টুপটুপ ঝরছে বৃষ্টি
রিমঝিম ঝরছে বৃষ্টি
আমরাও ঝরে পড়ি এসো আজ
এসো আজ মন থেকে খুলি ভাঁজ।
ঝমঝম পড়ছে বৃষ্টি
টিপটিপ ঝরছে বৃষ্টি
দেখো দেখো আহ্ কি-যে মিষ্টি
এসো হই আমরাও বৃষ্টি।
৮।।
মনে আগুন, বনে আগুন, আগুন আশেপাশে
বাদল দিনের অঝোরধারা এ সব দেখে হাসে
শুরু হবার কথা যখন স্বপ্ন দেখার পালা
মানুষ তখন বুকের ভেতর পুষছে আগুনজ্বালা।
রবীন্দ্রনাথ থাকত বেঁচে এমন দিনে যদি
নিলাম করে দিতেন তিনি পদ্মা-গড়াই নদী।
৯।।
বৃষ্টিতে ভিজতে পারো, ভেজাতে পারো না অল্প
রুদ্ধ মনের জানালায় ঝুলে থাকা পর্দাগুলো
বৃষ্টিতে ভিজতে পারো, ভেজাতে পারো না-
রুগ্ন মানুষের চিৎকার আর ক্ষুধার্ত পাকস্থলি
বৃষ্টিতে ভিজতে পারো, ভেজাতে পারো না-
দানবের অট্টহাসি আর স্বপ্নরুদ্ধ রাতের গল্প।
১০।।
সাঁতারকাটা গ্রামের পুকুর
বৃষ্টি শেষে টাপুর-টুপুর
একূল ওকূল সাঁতরে যাওয়া
সে সব দিন তো যায় না পাওয়া।
কাদায় মাখা গ্রামের মাঠ
ছিল সবার খেলার হাট
বৃষ্টিকাদায় মাখামাখি
এখন সে সব স্মৃতির পাখি
গরিব ঘরের ছেঁড়া ছাতা
তাকে ধরেও ভিজত মাথা
সেই ভেজাতেই ছিল যে সুখ
কিন্তু এখন সবার অসুখ।
১১।।
বৃষ্টিতে ভিজলে জ্বর হয়
না ভিজলে অসুখ
ভেজা না ভেজার মাঝখানে
কেটেছে দু’যুগ
বৃষ্টিতে ভিজলে শরীর কাঁপে
না ভিজলে অসুখ
ভেজা না ভেজার মাঝখানে
কেটেছে দু’যুগ
বৃষ্টিতে ভিজলে ভয় জাগে
না ভিজলে ভুলি খেলা
ভেজা না ভেজার মাঝখানে
মনে পড়ে কালবেলা।
১২।।
মন ছুঁয়েছে বৃষ্টিমুখর রাত
মন পড়েছে মেঘের ধারাপাত
ভোর হবে না, ভোর হবে না, আজ
কেউ না জানুক জেনেছে যে মন
বৃষ্টি এখন ঝরবে সারাক্ষণ
ভুল হবে না, ভুল হবে না, আজ।
সবাই জানে সকাল হবেই, হবে
এ সব কথা জেনেছি সে-ই কবে
পাল্টে যাবে সে সব নিয়মনীতি?
বৃষ্টিমনে বাজছে বাদলগীতি
সে গান জুড়ে মুগ্ধ আয়োজনে
বৃষ্টি এখন ঝরছে শুধুই মনে
আর কিছু না, আর কিছু না আজ।
১৩।।
কৃষকের তুলিআঁকা বৃষ্টি
ক্যানভাস জুড়ে তার জলরঙ
অভাবের বুকজুড়ে গৃহস্থী আঁচড়
ফোঁটা ফোঁটা স্বপ্নের কারুকাজ;
কান্নার বুকজুড়ে স্বস্তির তেলরং
ধানেক্ষেতে ভরপুর বিস্তর চাষাবাদ
বৃষ্টি- আহা বৃষ্টি- আহা বৃষ্টি!
স্বদেশের বুকে মোহন ক্যানভাস
কৃষকের তুলি এঁকে যায় তাতে
বৃষ্টি- আহা বৃষ্টি- আহা বৃষ্টি!!
১৪।।
মেঘের বুকে বিজয় গান
বৃষ্টিমুখর সুরের বান
বাজছে শুধু বাজছে
চোখ ভেজাতে সাজছে।
ভোরের আকাশ মেঘের পালে
বৃষ্টি নাচায় নূপুরতালে
বৃষ্টি নাচে বৃষ্টি
মেঘের বুকে সঙ্গোপনে
আকাশ রাখে দৃষ্টি।
১৫।।
শ্রাবণের চেয়ে মানুষ কাঁদে
মানুষ কাঁদে আষাঢ়ের চেয়ে
আকাশের চোখে জল ঝরে পড়ে
মানুষের কষ্টে দু’চোখ বেয়ে।
১৬।।
ঘুম আসে না অন্ধচোখে বধূ জেগে রয়
বৃষ্টি পড়ে টাপুর-টুপুর সারা পাড়াময়
বধূ শুধু শব্দ শোনে পায় না তারে দেখা
সবাই চোখে বৃষ্টি মাখে বধূ থাকে একা
জন্ম থেকে অন্ধ বলে হয় না দেখা তারে
সবার মুখে গল্প শুনে বধূর ব্যথা বাড়ে।
বধূর কাছে বৃষ্টি হলো টিনের চালে টুপ
সবাই বলে বৃষ্টি আসুক বধূ ভীষণ চুপ।
১৭।।
আমারও আষাঢ় আছে
ঝমঝম বৃষ্টির একটানা গান
আমার সে নদীতে জাগে
ভরা বর্ষায় উপচানো বান
আমার সে আকাশ মাখে
ঝকমকে সোনারোদ বৃষ্টি
আমারও ঘাসের বুকে
মুখ তাঁর আহা কি যে মিষ্টি!
আমারও টিনের চালে
বাজে বৃষ্টির একটানা সুর
আমারই কবিতা জুড়ে
উন্মুখ টানে ব্যস্ত দুপুর।
১৮।।
মেঘ জেনেছে হৃদয় দিয়ে
বৃষ্টি হবার গল্প
মানুষ নামটি পেয়েও তারা
জানল না তার অল্প।
১৯।।
মন দুলেছে বধূর মন
হৃদয়জুড়ে অনুরণন
গভীর রাতে বৃষ্টি
সন্ধ্যাবেলার আকাশ দেখে
মেঘ সখারই পরশ মেখে
হয়েছে সে মিষ্টি।
আজকে চোখের জলের ধারা
সঙ্গোপনে কাড়ল তারা
তাই হবে না সৃষ্টি।
২০।।
গভীর রাতে কাঁদছে আকাশ
থামায় তারে সাধ্য কার?
মেঘ সেজেছে ঢোলকবাবু
আকাশভরা বাদ্য তার।
বাদ্য বাজে আকাশ কাঁদে
আমরা পড়ি স্মৃতির ফাঁদে।
২১।।
বৃষ্টি ঝরে- মন গলে না, মন গলে না
ভালোবাসি কেউ বলে না কেউ বলে না
কেউ বসে না দূরে-কাছে পাশাপাশি
বৃষ্টি ঝরে তবুও নেই মুখের হাসি
বৃষ্টি ঝরে- কেউ থাকে না কেউ থাকে না
সত্যিকারের কষ্টগুলো কেউ আঁকে না
বৃষ্টি ঝরে কেউ বোঝে না কেউ বোঝে না
মনের ভেতর বৃষ্টিঝরা কেউ খোঁজে না।
২২।।
মেঘের রাতে জন্ম মেয়ের মেঘ হয়েছে কাল
কেউ খোঁজে না কালো মেয়ের বুকের ভেতর লাল
মেঘ ভেঙে যেই বৃষ্টি নামে মেয়ের কপাল পোড়ে
সবাই বলে ওই মেয়েটা মেঘের সাথেই ঘোরে
দিন যত যায় মেয়ের শরীর হচ্ছে শুধু কালো
আঠারোতে পা দিয়েছে তবু কোথায় আলো?
মেঘের রাতে জন্ম মেয়ের মেঘ হয়েছে কাল
কেউ খোঁজে না কালো মেয়ের বুকের ভেতর লাল
এসব জেনে মেঘ করেছে হঠাৎ অভিমান
প্রতিবাদে থামায় হঠাৎ বৃষ্টিঝরার গান
গত বছর খরায় যখন উঠল নাভিশ্বাস
জমিনফাটা কান্নারোলে পুড়ল সবুজ ঘাস
কালো মেয়ে বর চেল যেই মেঘের রাজার কাছে
দেখল সবাই পোড়া জমিন বৃষ্টিখেলায় নাচে।
২৩।।
দাদুর ঘাড়ে চড়ে যেতাম নানার বাড়ি
কাদা ঠেলে যখন দাদু দিতেন পাড়ি
আমি তখন আরাম করে দাদার কাঁধে
মাঝে মাঝে মনে হতো যাচ্ছি চাঁদে
হঠাৎ করে নামত যে মেঘ মাথার ’পর
বলত দাদু- একটু পরেই নামবে ঝড়
ভিজতে হবে, বাঁ-হাত দিয়ে গামছাটা নে
ভালো করে খালি মাথায় বাঁধনটা দে
দাদুর শরীর ভিজত ঠিকই বৃষ্টি-ঝড়ে
বাড়ি ফিরে পড়ত সে তো ভীষণ জ্বরে
এ সব কথা ভাবলে আজও কষ্ট ঝরে
বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যা এলে তারে ভীষণ মনে পড়ে।
২৪।।
স্বপ্ন ছিল দেখব আমি বৃষ্টি ছুঁয়ে
বৃষ্টি ছুঁয়ে স্বপ্ন আমার পড়ল চুয়ে
বৃষ্টি ছুঁতে হয় যে যেতে বৃষ্টিমাখা পথে
নাঙল ধরে ঘুরতে যে হয় ফলারাঙা ক্ষতে
বৃষ্টি ছুঁতে মনের ভেতর গড়তে হবে নদী
ভাসতে হবে ঢেউয়ের সাথে স্রোতে নিরবধি
বৃষ্টি ছুঁতে চিরদিনই লাগবে ভালোবাসা
বুকের ভেতর পুষতে হবে মেঘবালিকার ভাষা।
২৫।।
রুমঝুম রুমঝুম বৃষ্টির খেলা
বৃষ্টির তালে তালে কেটে যায় বেলা
সন্ধ্যায় ধোঁয়া ধোঁয়া কফি আর চায়ে
মেঘ এসে নুয়ে পড়ে আমাদের পায়ে
ঘুম ঘুম ঘুম ঘুম চোখ দুটি ছুঁয়ে
রিমঝিম বৃষ্টি যে পড়ে চুয়ে-চুঁয়ে।
২৬।।
বৃষ্টি পড়ে ভিজব কোথায়?
হাঁটতে নিষেধ খালি দু’পায়
শরীর জুড়ে হরেক ব্যারাম
নিষেধ এখন ডাইনে বাঁয়
মানতে নিষেধ বাধ্য আমি
মেঘের চেয়ে জীবন দামি!
আষাঢ় শ্রাবণ ভাদ্র আমার
বুকের পাশে এ কোন খামার?
জল থৈ থৈ জীবন ফেলে
বসত এখন নিজের জেলে।
২৭।।
আজ সকালে বৃষ্টি নেই
আকাশজুড়ে কান্না নেই
পথের পাশে ঘাসের বুকে
বৃষ্টিঝরা পান্না নেই;
আজ সকালে সূর্য হাসে
মুক্তোবিহীন সবুজ ঘাসে
সবাই আছে যে যার সুখে
তাই তো কিছু সৃষ্টি নেই।
২৮।।
আমার কেবল মনে পড়ে
কিশোরবেলা মনে পড়ে
বৃষ্টি ভিজে বাড়ি ফেরা
লেখার শ্লেট মাথায় দিয়ে
খেলতে গিয়ে ইচ্ছে করে
কাদার ’পরে গড়াগড়ি
মায়ের হাতের পিট্টুনিটা
হাড় কাঁপানো জ্বরের কথা
আমার আজও মনে পড়ে
বৃষ্টি হলেই মনে পড়ে।
আলোচিত ব্লগ
পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?
কর্মসংস্থান? না।
বিনিয়োগ? না।
ডলার সংকট? না।
গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।
ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।
সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
পণ্ডশ্রম

এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,
চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।
কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,
আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।
দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।