আজ কোন কাব্য নয়-
বরং কষ্টের কথা লিখি,
কষ্টগুলো যদি ভালোবাসা হয়-
ভালোবাসা জেনো।
আজ আর দাঁড়াবো না,
উঠেই দৌঁড়!
তুমিও শুরু করতে পারো
পথেই দেখা হবে নিশ্চিত
কী যে লিখি,
হলো না কিছুই;
না ভাত, না ফুল-
কেউ তো ডাকে না-
না পাখি, না পরাণ।
কেবলই কি সময় গেলো?-
নদীর ভাষায়!
গোধুলি দিলো না
আরেক সূর্যের সামান্য প্রতিশ্রুতি!
তুমিও জানো-
গোলাপ এতোটা সুন্দর ছিলো না আগে!
এই তো সেদিনও ছিলো পিঙ্গল
তোমার খোঁপাও ছিলো
ভীষণ আনাড়ি, এলোমেলো-
ধূসর কোন বৃক্ষের পাতার জীর্ণতায়
যেদিন গোলাপের ছোঁয়া পেয়েছিলো খোঁপা-
সেদিন বৃষ্টি নেমেছিলো
অথচ কদম ফোটেনি
গোলাপের সঙ্গে দ্বন্দ্ব-অভিমানে
তোমার জন্য বৃষ্টি ভেঙেছি,
জোনাকপোকার আলো-আলো রাতে
বুনে দিয়েছি চূড়ান্ত অন্ধকার
তাতে কি?
কিছুই কি হলো সঞ্চয়?
তারচেয়ে চালের মহাজন পেয়েছে
অনেক বেশি সম্বর্ধনা।
তার চেয়ে আলু পটলের কারবারে
জমেছে ধেড় বেশি ভীড়!
আজ কাব্যে মন নেই
ভাবছি-কী হয় কবিতা লিখে?-
কফির পেয়ালাও যখন
খুচরো পয়সার আওয়াজে মচমচে!
কাব্যে মন নেই আজ
বরং চশমা খুলে তাকিয়ে আছি
তোমার দৃষ্টির অস্পষ্ট নিবন্ধে।
ভাবছি-কেবলই কি সময় গেলো?
হলো না কিছুই!
সেই আলুনি বিকেল,
সেই অশতিপর রাত্রি
আজ কোন কাব্য নয়-
তার চেয়ে ভালো, চেয়ে দেখি-
পাখিরা নিজস্ব ডানায় ভেসে
পার হয়ে যাচ্ছে কুমারী-গোলাপসভা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



