ধুম ধাম ধুম।

মেঘদূর বৃষ্টি

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩৮

শেয়ারঃ
0 1 0

সেপ্টেম্বর মাত্র শুরু হল । সূর্য উঠলো না বেশ কদিন । কালো মেঘগুলো আকাশে অলস ভেসে বেড়ালো , কিন্তু বৃষ্টি নামালো না। সূর্য প্রতিদিন সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠলো, নিয়ম করে ঠিক দুপুরে তেলে বেগুনে জ্বলেও সে উঠতো, নিয়ম করে দাঁত ব্রাশ করে সন্ধ্যা বেলা ঘুমুতেও যেত - কিন্তু কালো মেঘের পর্দার জন্য কারো চোখে পড়লো না সে । কালো মেঘগুলো শুষে নিলো সূর্যের সমস্ত উজ্জ্বল রশ্নিগুলো, বুক অব সায়েন্সের চতুর্থ পদাবলী মেনে - ’তথাপি যে কায়া সর্বাপেক্ষা কালো, তারই মাঝে স্থান নেবে আমার স্নিগ্ধ আলো ..’ । মেঘগুলো বুক অব সায়েন্স কখনো খুলে পড়তো না, কিন্তু এর বাইরে ঝুলেও পড়তো না। তাই নিশ্চুপ শস্যক্ষেতগুলোর ওপর দিয়ে যখন সন্ধ্যার এলোমেলো বাতাস হাল্কা হুহু শব্দ করে বয়ে যেতো, তখন কান পাতলে নতুন কুড়িগুলোর শব্দ শুনতে পেতো কৃষকরা - রূপকথা থামিয়ে মাকে জিজ্ঞেস করছে - কে বেশি দরকারি আমাদের জন্য ? সূর্য না বৃষ্টি ? প্রশ্নটা ঘুরে বেড়াতো শস্য ক্ষেতের এ কোণা থেকে ও কোণায় - পাতাগুলো ফিস ফিস করে পাশের গাছের পাতাকে জিজ্ঞেস করত .. তারপর এক শস্য ক্ষেত থেকে অন্য শস্য ক্ষেতে প্রশ্নগুলো সন্ধ্যার ঠান্ডা বাতাসে ভেসে যেত .. অলস ব্যাঙগুলো তাদের গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা জনসমক্ষে তুলে ধরবার জন্য জোরে জোরে গলার উচ্চতম স্বরে কথা বলতে শুরু করত। তাদের চিন্তাগুলোও ছড়িয়ে পড়ত, কেউ শুনতো , কেউ শুনতো না । কখনো রাতজাগা পাখিরা ব্যাঙদের জ্ঞান বিতরণে ক্লান্ত হয়ে চিৎকার দিয়ে প্রতিবাদ জানাতো.. তারপর সবার মন খারাপ হয়ে যেত - কারণ বাতাস যতদূরে প্রশ্ন বইয়ে নিয়ে যেত - ততদূর পর্যন্ত কেউই জানতো না প্রশ্নটার সঠিক উত্তর .. কারণ তাদের কারোরই বুক অব সায়েন্স পড়া নেই ।

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতেও যখন সূর্য উঠলো না, তখন ঘরের সবকিছু তাদের নিজস্ব গন্ধ দিয়ে তাদের অস্তিত্বের কথা প্রচার করা শুরু করলো । গৃহবধুরা বিরক্ত হয়ে নাক কুচকাতো, আর আকাশের চারপাশ চোখ দিয়ে ভালো করে খুঁজে দেখতো, সূর্যটাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় কিনা । তারপর আরো বিরক্ত হয়ে মেঘগুলোর দিকে চেয়ে থাকতো, তারা হুটহাট করে দুচার ফোঁটা বৃষ্টি না নামালেই পারে । বুক অব সায়েন্স মেনে বাতাস শুষে নিতো ভেজা কাপড়গুলোর জলকে । তারপর আর্দ্রতাটুকু তাদের স্বামীর সাদা শার্ট ছেড়ে আকাশে উড়ে বেড়াতো মেঘ হবে বলে । খারাপ কি হত ? কিন্তু মেঘগুলো অলস হয়ে তাদের ছাদের আশে পাশে ঘোরা ফেরা করত । এবং নববধুরা খুব ভয় পেতো মেঘদের - প্রাচীন প্রবাদে লেখা আছে, ’ ধূসর কালো মেঘ এবং নির্মল কালো চোখকে কখনো বিশ্বাস করতে নেই, দুটোই বৃষ্টি ডেকে আনে ’ । তাই সাদা জামাগুলোর জায়গা হতো বেডরুমে, এবং কদিন শহরে প্রচুর লোডশেডিং হল,কারণ সবাই আয়রন করে কাপড় শুকাতে থাকলো ।

একদিন সকালে ছাদের ওপর ভেসে বেড়ানো কালো মেঘগুলো বৃষ্টি নামালো .. কেউ আসলে বিশ্বাস করলো না, শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি নামছে - কিন্তু মিনিট বিশেক পরও যখন বৃষ্টি থামলো না তখন ছোট বাচ্চাগুলো খুশিতে লাফাতে থাকলো আর টিভিতে কার্টুন নেটওয়ার্ক খুলে যথেচ্ছা কার্টুন গিলতে থাকলো । ঘরটুকু অন্ধকার হয়ে আসলো, মা ব্যস্ত হয়ে জানালাগুলো শক্ত করে আটকালো, বিরক্ত হয়ে গজগজ করল ’সারা বাড়ির জানালা আটকাচ্ছি! কেউ একটু হাত লাগালেও তো পারে!’ , কিন্তু ছোট্ট বাচ্চাটার হাত আরো শক্ত করে ধরলো রিমোট কন্ট্রোলকে - ভয় পেয়ে ভলিউমটা একটু কমলো, আর টম একটু কম শব্দ করে ধুপুস করে ছাদ থেকে পড়ল । এবং ছোট্ট বাচ্চাটা শব্দ করে হাসলো, কিন্তু মাকে ফিরে তাকাতে দেখে সেই হাসিটা মাঝপথে বিচ্ছিরিভাবে থেমে গেল।

বৃষ্টি অনেকগুলো একা মানুষকে আরো একা করে দিল । তাদের কেউ জানালাটা খুলে কাঁথামুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকলো, তারপর আরামদায়ক আবহাওয়ায় ঘুমিয়ে পড়ল, আর ঘুম ভেঙে পুরোপুরি বৃষ্টিসিক্ত বিছানায় নিজেদের কাকভেজা অবস্থায় খুঁজে পেল তারপর ভয় পেয়ে নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল মারল ’মা!’ বলে চেঁচিয়ে! উদাসী টাইপের একটা মেয়ে তার জানালার পাশে চুপচাপ বসে থাকলো, হাতে বই নিয়ে .. তারপর একফোঁটা বৃষ্টি যখন একটা ইকুয়েশনের উপর টপ করে পথ ভুলে এসে পড়ল তখন তার হঠাৎ মনে পড়ল সে কতদিন বৃষ্টিতে ভেজেনি.. এবং দীর্ঘশ্বাস পড়ল - মা তো ভিজতে দেবে না! সামনে পরীক্ষা! ঠিক তখন ওর ছোট ভাইটা একটা চেয়ার অনেক কষ্ট করে ডাইনিং রুম থেকে ঠেলে ঠেলে এনে ড্রইংরুমের ক্যালেন্ডারটার নিচে এনে থামল । কেউ ওকে কোন প্রশ্ন করেনি - কারণ সারাটা ঘর অন্ধকার - কেউ দেখেনি কাউকে । তারপর সেই চেয়ারটার ওপর নিজেকে উঠিয়ে ছোট্টহাতদুটো দিয়ে টান দিয়ে সে ক্যালেন্ডারের একটা পাতা ছিড়ল - সাৎ করে একটা শব্দ হল - ছেলেটা চুপ করে কান পাতলো, তারপর বুঝলো কেউ শোনেনি।

ঘরে এক কোণায় ওয়ার্কশপে কাগজটাকে ভাঁজ করা হল - এবং আরো কিছুক্ষণ পর একটা সাদা বড় একটা নৌকা দাঁড়িয়ে গেল । ক্যালেন্ডারের মসৃণ শক্ত কাগজটার জন্য নৌকাটাকে ঝকঝকে লাগলো দেখতে । ছোট্ট ছেলেটা মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকলো তার নিজের শিল্পকর্মের দিকে । এর সাথে কিছুরই তুলনা চলে না - রাফ খাতার ছেড়া পাতার নৌকা তো এর পাশে কিছুই না - কি রাজকীয়! কি আশ্চর্য রাজকীয় লাগছে! একছুটে সে নিয়ে আসলো তার প্যাসটেলের বাক্স, নৌকার নিচের অংশে প্যাসটেল দিয়ে ধূসর রঙ করে দিলো - তারপর কি মনে হল - পালটাকে আকাশী নীল করে তারপর নৌকার পেছনটাতে একটা দাঁড় একে দিল । তারপর নৌকার একটা নাম লিখতে যাবে কিন্তু দেখল নৌকাতে লেখা আছে ’সেপ্টেম্বর’ - পালটার ঠিক মাঝ বরাবর - উজ্জ্বল কালো - আকাশী নীল রঙটাও তাকে ঢাকতে পারেনি ।

সেপ্টেম্বর লেখা বর্ণীল নৌকাটা কিছুক্ষণ পর পানিতে ভাসলো, রাস্তার পাশে .. স্রোত তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল । ছেলেটা অনেকক্ষণ তাকে অনুসরণ করল একটা কালো বড় ডাটওয়ালা ছাতি নিয়ে , পিছল হয়ে যাওয়া মাটিতে বেমক্কা একটা বিশাল আছাড় খাওয়া পর্যন্ত যে মুগ্ধ হয়ে তার নৌকাকে দেখছিল .. তার বড় রাজকীয় নৌকা - রাফখাতার নৌকাগুলো যার পাশে কিচ্ছু না .. ছেলেটা তার কাদামাখা প্যান্ট আর টিশার্টটা নিয়ে ভয়ে ভয়ে বাসায় ফিরে আসলো, আর নৌকাটা ভেসে গেল অনেকদূর.. পানির স্রোত তাকে নিয়ে যাচ্ছিল.. আর জায়গাটাও ছিল হাল্কা ঢালু..

তারপর বৃষ্টি থেমে গেল একটা সময়.. পানির স্রোত থেমে গেল - আর প্যাসটেল রাঙা নৌকাটা চুপচাপ স্থির পানির ওপর স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো.. ততক্ষণ বৃষ্টিতে ভিজে তার পালটুকু ভিজে নরম হয়ে গেছে.. নৌকার বামপাশে একটা বড় ফাটল ধরেছে..

তারপর বৃষ্টি পুরোপুরি থেমে গেল, তারপর একদিন সূর্য উঠলো, নৌকাটাকে এক বেমক্কা বাতাস কাত করে রাস্তায় ফেলে দিল । তার উপর দিয়ে কয়েক ডজন লাল নীল গাড়ি চলে গেল - রিকশা গেল অহরহ .. প্যাস্টেল নৌকাটার রঙগুলো ধীরে ধীরে ওকে একলা ফেলে চলে গেল , তাকে জেকে ধরলো অনেক ধুলো .. আঠালো অবলম্বন পেয়ে .. প্যাস্টেল নৌকাটা চুপচাপ শুয়ে আকাশ দেখতো - নীল মেঘমুক্ত আকাশ - মাঝে মাঝে ভেসে আসতো সাদা মেঘ - উজ্জ্বল - সাদা মেঘগুলো নীল আকাশকে তার পূর্ণ শ্রদ্ধা জানাতো, রোদ কে না আটকে .. যেভাবে চুপচাপ আসতো সেরকম চুপচাপ চলে যেত - প্যাস্টেল নৌকাটা পড়ে থাকতো রাস্তায় .. এবং ক্ষণে ক্ষণে আরো বেশি ধুলো তাকে জেঁকে ধরতো.. স্রষ্টা সবার প্রার্থণা শুনতে পান না, কিন্তু যখন তিনি পান খুব বেশি দেরি করেন না প্রার্থনা সত্য করতে - প্যাস্টেল নৌকাটা একদিন হঠাৎ প্রার্থণা করে বসল - ঝমঝমে বৃষ্টির জন্য। ঝমঝমে বৃষ্টি এবং দমকা বাতাস .. তার স্মৃতিতে গেঁথে থাকা স্রোত এবং ভেসে যাওয়ার আনন্দময় দিনটা তার মনে পড়ল.. বৃষ্টি! বৃষ্টিই তার জন্য নিয়ে আসবে পুরনো সব কিছু.. সব চেতনাগুলো সাদাকালো হয়ে যাবার আগে .. তাই সেদিন দুপুরবেলা, শহরের সবাইকে অবাক করে দিয়ে ঠিক দুপুর বেলা কালো মেঘগুলো ঝড়ের বেগে আকাশকে দখল করে নিলো, অপ্রস্তুত মানুষগুলোকে ইচ্ছেখুশি ভিজিয়ে অনেকগুলো মানুষকে জড়ো করলো জেনারাল স্টোরগুলোর সামনের ছোট্ট বৃষ্টিমুক্ত জায়গায়.. অনাহূত আগন্তুকে ছোট ছোট চায়ের দোকানগুলো নিমিষে ভরে গেল - আফসোস - তারা কেউ চা খেতে চাইলো না ।

কাদা কাদা পা গুলো সব প্যাস্টেল নৌকাকে মাড়িয়ে গেল চায়ের দোকানগুলোতে ঢুকবার জন্য । জেকে বসে থাকা ধুলোগুলোও বিদ্রোহ ঘোষণা করল প্যাস্টেল নৌকার বিরুদ্ধে - যখণ বৃষ্টি তাদেরকে ছুঁয়ে গেল তারা সবাই নিমিষে কাদা হয়ে গেল। এবং অনেকগুলো টায়ারের এবং অনেকগুলো পায়ের ফুট ম্যাসাজে প্যাস্টেল নৌকার বাকি রঙগুলোও ধুয়ে চলে গেল । আঁকড়ে ধরল কাদাদের কিন্তু কাদারা রঙের মূল্য বুঝলো না.. তাই রঙগুলো পানিতে ডুবে মারা গেল - কেউ তাদের খবর রাখলো না । প্যাস্টেল নৌকার ভাঁজগুলো প্রচন্ড ঘষাঘষির কারণে ভিজে ছিড়ে পড়ল .. এবং তার আসল পরিচয় হঠাৎ করে পুরো পৃথিবীর সামনে নির্দয়ভাবে ফাঁস হয়ে গেল - একটা সামান্য ক্যালেন্ডারের পাতা.. চারটুকরো হয়ে পড়ে থাকা.. অনেক কাদার মধ্যেও বড় বড় হরফের কটা শব্দ পড়তে পারা যায় - সেপ্টেম্বর ২০০৭ ।

পরদিন ভোর বেলা সেই ছোট্ট ছেলেটা বাবার হাত ধরে স্কুল যাচ্ছিল । একটা পুরনো নোংরা কাদামাখা কাগজকে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে একটা লাথি মেরে সরিয়ে দিল রাস্তার পাশে - তারপর বাবাকে জিজ্ঞেস করল, ’আজকে অক্টোবরের ক’তারিখ বাবা?’

বুক অব সায়েন্সের শেষ পদাবলীতে তখনো লেখা ছিল ’এবং শক্তির রূপান্তর ঘটিবে শক্তিতে, পড়িয়া থাকিবে নিশ্চুপ সব কায়া, নিশ্চই তাহারা হারিয়ে যাবে সময়ের সাথে, এবং তাহাদের কেউ মনে রাখিবে না.. কারণ তাহারা শক্তি নহে - তাহারা সামান্যই বস্তু!’

 

প্রকাশ করা হয়েছে: ফালতু গল্প  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৩০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:০১
রাগ ইমন বলেছেন: এইটা একটা সত্যিকারের মাস্টার পিস যেটা পড়ে হৃদপিন্ডের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মরে যেতে পারে কেউ । তাও ঠিক আছে । মাস্টারপিস সবার পড়ার জন্য জন্মায় না।
৩. ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১৯
প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: এত্ত সুন্দর লেখা... মারহাবা.. কতদিন এত্ত ভালো লেখা পড়িনি..

কনফার্ম ... বড় হইয়া আমি অনাহুত আগন্তুক হব... কেউ আমারে ঠেকাইয়া রাখতে পারবো না :)
৫. ১১ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ১০:৫৯
কতবতবকতকত বলেছেন: দুদার্ন্ত!!!!

মনে হল বিদেশী কোন লেখকের অনুবাদ পড়লাম।

এরকম পোস্টগুলো বেছে বেছে রেখে ব্লগের বাকী পোস্ট গুলো যদি (আমারগুলা সহ) মুছে দেয়া হত, তাহলে এখান থেকেই কেউ না কেউ একদিন সাহিত্যে নোবেল পেত।

+ এবং প্রিয়তে গেল।
৬. ২০ শে মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৬
জনান্তিক বলেছেন: অপূর্ব! অপূর্ব... আর বাইরে কিই বা বলতে পারি?
৭. ১০ ই এপ্রিল, ২০০৮ রাত ১০:৩৭
জিহাদ বলেছেন: আমাকে সারাদিন উলটা করে গাছে ঝুলিয়ে পিটালেও আমি এরকম লিখতে পারবোনা।দুর্দান্ত লেখা ভাইয়া...
৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৩২
শেরাম চীংখৈ বলেছেন: দারুণ দুস্তো...দারুণ...
৯. ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ৩:২৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: ১ বছর ১ মাস দেরিটে পড়লাম। একটা মেঘ সংকলন করে সেটার উদ্বোধন এই লেখা দিয়ে করা যেত।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৮৪৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
..
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ