আমার প্রিয় পোস্ট

ভদ্র ভাষায় মন্তব্য কাম্য।

স্রষ্টার অস্তিত্বের স্বপক্ষে তিনটি স্বতন্ত্র প্রমাণ

১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০

শেয়ারঃ
0 7 0

প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স সম্ভবত সমসাময়িক সময়ের সবচেয়ে জ্ঞানী ও যুক্তিবাদী নাস্তিক – নিদেনপক্ষে তার অনুসারীদের তেমনই ধারণা। সাদা চামড়ার বৃটিশ ও অক্সফোর্ড প্রফেসর হওয়ার সুবাদে তার বাণীকে কোন রকম সংশয়-সন্দেহ ছাড়া গডের বাণীর মতই বিশ্বাস করা হয়। অথচ তার লেখাতে এখন পর্যন্তও এমন কিছু উপস্থাপন করা হয়নি যার দ্বারা প্রমাণ হয় যে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা বলে কিছু নাই বা থাকতে পারে না। যদিও এই পৃথিবীর যে কোন মানুষের কাছে থেকে এমন কিছু আশা করাটা আমাদের দৃষ্টিতে নিতান্তই হাস্যকর শুনায় তথাপি তার অন্ধ অনুসারীরা তো আর সেভাবে ভাবেন না। তার অন্ধ অনুসারীদের বিশ্বাস অনুযায়ী প্রফেসর ডকিন্স সত্যি সত্যি এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার অনস্তিত্ব প্রমাণ করেছেন! নইলে তার বাণীকে সত্য ধরে নিয়ে ধর্মের মতো করে প্রচার করা হবে কেন। যাহোক, এই মহাবিশ্বের যে একজন অদৃশ্য স্রষ্টা আছে তার স্বপক্ষে তিনটি অখণ্ডনীয় যুক্তি এই লেখাতে উপস্থাপন করা হবে।

প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব: সাধারণ বোধ অনুযায়ী ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন গ্রহ-নক্ষত্র ও মিলিয়ন মিলিয়ন প্রজাতি তথা প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব এমনি এমনি সৃষ্টি হতে পারে না। শূন্য থেকে তো দূরে থাক এমনকি সবকিছু ব্যবহার করেও এই মহাবিশ্বের মতো ক্ষুদ্র একটি মডেলও কেউ তৈরী করে দেখাতে পারবে না। নাস্তিকরা নিদেনপক্ষে এই মহাবিশ্বের ক্ষুদ্র একটি মডেল তৈরী করে দেখাতে পারলেও শুরু করার মতো তাদের কিছু একটা থাকতে পারতো, যদিও তাতে প্রমাণ হবে না যে এই মহাবিশ্বের কোন স্রষ্টা নাই। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সেটাও তারা পারবেন না। ফলে যারা বিশ্বাস করেন যে, তারা নিজেরা সহ এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব এমনি এমনি সৃষ্টি হয়েছে তারাই হচ্ছে প্রকৃত অন্ধ-বিশ্বাসী। এই ধরণের অন্ধ-বিশ্বাসের আসলে কোন তুলনাই হয় না। মোদ্দা কথা হচ্ছে প্রাণীজগত ও উদ্ভিদজগত সহ এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্ব যেহেতু এমনি এমনি সৃষ্ট হতে পারে না সেহেতু এই মহাবিশ্বের একজন স্রষ্টা থাকতেই হবে। এটি একটি অখণ্ডনীয় যুক্তি। আর সংজ্ঞা অনুযায়ী স্রষ্টার যেহেতু স্রষ্টা থাকতে পারে না সেহেতু “স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করেছে?” প্রশ্নটি একেবারেই অবান্তর শুনায়।

অসংখ্য নবী-রাসূল: মানব জাতির ইতিহাসে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব নিজেদেরকে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার মেসেঞ্জার তথা নবী-রাসূল বলে দাবি করেছেন। স্রষ্টা বলে কিছুই না থাকলে কেউ স্রষ্টা থেকে মেসেজ পাওয়ারও দাবি করতে পারেন না। এটি স্রেফ কোন উটকো দাবিও নয়। যেমন মুহাম্মদ (সাঃ) দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর পূর্বের মেসেঞ্জাররাও একই পথ অনুসরণ করেছেন। তাঁদের দাবি থেকে মাত্র দুটি উপসংহারে পৌঁছা যেতে পারে: (ক) তাঁরা সবাই মিথ্যাবাদী ছিলেন যেটা বিশ্বাস করা প্রায় অসম্ভব। বরঞ্চ তাঁদের সবাইকে মিথ্যাবাদী হিসেবে বিশ্বাস করাটাই হচ্ছে একটি অন্ধ-বিশ্বাস ও আত্মপ্রতারণা। (খ) তাঁদের মধ্যে একজনও যদি সত্যবাদী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে এই মহাবিশ্বের যে একজন স্রষ্টা আছে তাতে সংশয়-সন্দেহের কোনই অবকাশ নেই।

আল-কুরআন: কুরআন নামক গ্রন্থটি যে কোন মানুষের নিজস্ব বাণী হতে পারে না – তার স্বপক্ষে বেশ কিছু যুক্তি-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে। যে কেউ নিরপেক্ষ মন-মানসিকতা নিয়ে কুরআন অধ্যয়ন করলে এই সিদ্ধান্তে উপণীত হওয়া উচিত যে, কুরআনের মতো একটি গ্রন্থ লিখা মানুষের পক্ষে সত্যি সত্যি অসম্ভব। এমনকি কুরআনের ভাষা ও বাচনভঙ্গিও অন্য যে কোন গ্রন্থ থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। তাছাড়া কুরআনের মধ্যে যে তথ্য আছে তার সঠিক ব্যাখ্যা এখন পর্যন্তও কেউ দিতে পারেনি। কেউ বলে কুরআন হচ্ছে মুহাম্মদের বাণী। কেউ বলে ইহুদী রাবাইদের বাণী। কেউ বলে খ্রীষ্টান পাদ্রীদের বাণী। কেউ বলে স্যাটানের বাণী। কেউ বলে মৃগী রোগীর বাণী। কেউ বা আবার বলে মুহাম্মদের কোন এক সেক্রেটারির বাণী। তার মানে কুরআন বিরোধীরাই এখন পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে ঐক্যমতে পৌঁছতে সক্ষম হয়নি। সকালবেলা কুরআনকে মুহাম্মদের বাণী বলে দাবি করা হয়। ভাল কথা। কিন্তু দুপুর হতে না হতে মত পাল্টে যায়! তখন কুরআন হয়ে যায় ইহুদী রাবাইদের বাণী। বিকালবেলা হয় খ্রীষ্টান পাদ্রীদের বাণী। ডিনারের সময় হয় স্যাটানের বাণী। মাঝরাতে আবার হয়ে যায় মৃগী রোগীর বাণী। এ নিয়ে সারারাত জেগে কোন কুল-কিনারা না পেয়ে ভোরবেলা হতাস হয়ে হয়ত বলা হয় কুরআন আসলে উপরোল্লেখিত সবারই বাণী! প্রকৃত মৃগী রোগী যে কে বা কারা তা সাধারণ বোধসম্পন্ন যে কারো বোঝার কথা। দশজন কুরআন বিরোধীকে যদি আলাদাভাবে মন্তব্য করতে বলা হয় সেক্ষেত্রে তারা হয়ত দশ রকম উপসংহারে পৌঁছবে। মানব জাতির ইতিহাসে দ্বিতীয় কোন গ্রন্থ সম্পর্কে এরকম অদ্ভুত ও বিক্ষিপ্ত মতামত নেই। কুরআন বিরোধীরাই আসলে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে, কুরআন কোন মানুষের বাণী নয়। কিন্তু একই কথা কুরআনে বিশ্বাসীরা বলতে গেলেই দোষ!

এবার ট্রিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হচ্ছে এই মহাবিশ্বের যে স্রষ্টা নাই তার স্বপক্ষে নাস্তিকদের কাছে অখণ্ডনীয় কোন যুক্তি বা প্রমাণ আছে কিনা? ওয়েল, তাদের কাছে প্রমাণ থাকার প্রশ্নই ওঠে না। আর এ কারণেই তারা বিজ্ঞানের মধ্যে মাথা গোঁজা শুরু করেছেন। বিজ্ঞান-ই হচ্ছে তাদের গড! বর্তমান যুগের শিশুদের কাছে যেটি নিছকই একটি টুল, অক্সফোর্ড প্রফেসর ডকিন্সের মতো নাস্তিকদের কাছেও সেটিই হচ্ছে গড! অধিকন্তু, বিজ্ঞান যেহেতু একটি পরিবর্তনশীল বিষয়, বিশেষ করে প্রোবাবিলিস্টিক ক্ষেত্রে, সেহেতু বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে দর্শনভিত্তিক কোন বিষয়ে অখণ্ডনীয় কোন তত্ত্ব দাঁড় করাতে যাওয়াটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় অপবিজ্ঞান।

স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে যারা প্রমাণ চায়…

আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে যে কেউ স্বীকার করতে বাধ্য যে, এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা সম্পর্কীত প্রশ্নটি (স্রষ্টা আছে কি নেই) যেমন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তেমনি আবার এই প্রশ্নের উত্তরও সবেচেয়ে জটিল। আর তা-ই যদি হয় তাহলে একই সাথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে সহজ-সরল ও প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা অতি আবশ্যক। অন্যথায় সারা জীবন চড়কীর মতো ঘুরপাক খেতে হবে।

যাদের ভিডিও গেমস খেলার অভিজ্ঞতা আছে তারা নিশ্চয় অবগত যে, কিছু কিছু গেমসে খুব সহজ লেভেল থেকে শুরু করে একাধিক লেভেল থাকে। প্রথম লেভেল অতিক্রম করতে না পারলে দ্বিতীয় লেভেলে যাওয়া যায় না। লেভেল যতই বাড়তে থাকে ততই কঠিন হয়। এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার ব্যাপারটাও কিছুটা মাল্টি-লেভেল গেমসের মতো – যেখানে স্রষ্টা সম্পর্কীত প্রশ্নটি হচ্ছে সর্বশেষ লেভেল। ফলে যারা স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে ‘প্রমাণ’ চায় তাদেরকে আগে প্রাথমিক তিনটি লেভেল অতিক্রম করা উচিত-

লেভেল-১: স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে ‘প্রমাণ’ বলতে আসলে কী বুঝানো হয়? কী ধরণের ‘প্রমাণ’ দেখালে তারা স্রষ্টার অস্তিত্বকে মেনে নেবেন এবং কেন?

লেভেল-২: বিশ্ববাসীর কাছে তারা নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারবেন কিনা?

লেভেল-৩: এখানে আর এইখানে একজনকে দেখিয়ে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা বলে দাবি করা হয়েছে। স্বচক্ষে দেখেও তাকে স্রষ্টা হিসেবে মেনে না নেওয়ার পেছনে যৌক্তিক ও নৈব্যক্তিক কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে।

এই তিনটি লেভেল অতিক্রম না করে ইসলামে বিশ্বাসীদের কাছে স্রষ্টার অস্তিত্বের পক্ষে প্রমাণ চাওয়া আর মাল্টি-লেভেল গেমসের ক্ষেত্রে প্রাথমিক লেভেল অতিক্রম না করে সর্বশেষ লেভেলে যাওয়ার চেষ্টা করা একই কথা। এমনকি অসততাও বটে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): স্রষ্টাসৃষ্টিকর্তা ;
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৪৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৬

লেখক বলেছেন: তাই তো! উইকিপিডিয়াতেও ক্রিয়েটরের অস্তিত্ব থাকতে নাস্তিকরা 'প্রমাণ নাই' 'প্রমাণ নাই' করে চিল্লা-ফাল্লা করে কেন!?!

২. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

নাস্তিক মোল্লা রিচার্ড ডকিন্স ক্রিয়েসনিষ্ট প্রশ্ন শুনে বেকুব বনে যান, কি বলবেন ভেবে পান না।
৩. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
সত্যান্বেষী বলেছেন: মোহাম্মদ (সা) এর কথায় যদি ঈশ্বরে বিশ্বাস করা যায় তাহলে ডকিন্সের কথায় কেন তাকে অবিশ্বাস করা যাবে না। সবই তো 'কথায়'!


জানিনা 'আজে বাজে' হলো কিনা।
১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: না, এই ধরণের মন্তব্যকে কোনভাবেই আজে-বাজে বলা যেতে পারে না। তবে তুলনাটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও ভুল। কারণ আব্রাহাম, মোজেস, জিসাস, ও মুহাম্মদ (Peace be upon them) সহ অনেক গ্রেট হিউম্যান নিজেদেরকে এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটরের মেসেঞ্জার বলে দাবি করেছেন। এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর না থাকলে নিজেকে তো কেউ ক্রিয়েটরের মেসেঞ্জার হিসেবে দাবি করতে পারে না! ইট ডাজ নট মেক সেন্স! আপনি যখন নিজেকে কারো মেসেঞ্জার বলে দাবি করবেন তখন অবশ্যই তার অস্তিত্ব থাকতে হবে। ঠিক কি না?

অন্যদিকে প্রফেসর ডকিন্স যা বলেন তা নিজে থেকে বলেন। এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর কি তাঁকে বলেছেন, "আমার কোন অস্তিত্ব নাই"!?!

৫. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০
দুরের পাখি বলেছেন: কোরানে পরোক্ষ উক্তিতে লেখা কিছু জায়গা আছে ।
৬. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ সত্যান্বেষী থুক্কু শঠ্যান্বেষী ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। :)
৭. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ সত্যান্বেষী থুক্কু শঠ্যান্বেষী ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না


উল্ঠে খেটে ঝান্তে ছাই।
৮. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:


মোল্লা রিচার্ড ডকিন্সের গড ডিলুশান পড়ে মনে হলো এটা রিচার্ড ডিলুশান।
খোদা কেন নাই?এটার উত্তরের চেয়ে খোদা কেন না থাকা উচিত তাই নিয়ে এই বই।
৯. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
মারুফ হোসেন বলেছেন: ভাইরে, রিলিজিয়ন নিয়ে ছানাছানি বন্ধ করা যায় না? যার ধর্ম তার কাছে, এত প্যাঁচান কেন?
১০. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬
ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: "লেট দ্য স্লিপিং ডগ স্লিপ অর বার্কিং ডগ বার্ক" এই কথাটা আমি আগে নাস্তিক/আস্তিক উভয়ের ক্ষেত্রে ব্যবহার করতাম। এখন থেকে কথাটা শুধু নাস্তিকদের জন্য।

@সত্যান্বেষী, আপনি ভালই তুলনা করতে জানেন। সত্যের অন্বেষণ যেহেতু করে যাচ্ছেন, সত্যের দেখা একদিন পেতেও পারেন। সেই সত্যটা (ঈশ্বর/আল্লাহ্‌ আছেন বা নাই) পেলে জানিয়ে দেবেন ব্লগের মাধ্যমে। তুলনা করায় আপনার জুড়ি নাই। কার কথা বিশ্বাস করবেন আর কার কথা বিশ্বাস করবেন না সেটা বোঝার মত জ্ঞান-বুদ্ধি যে আপনার হয় নাই তা আপনার তুলনা দেখেই বোঝা যায়।
১১. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান বলেছেন:

নাস্তিক মোল্লা রিচার্ড ডকিন্সের আরো একটি সাক্ষাৎকার বিবিসির হার্ড টকে। হাসতেই আছি। আপনারাও দেখেন।

১২. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: @ঝর্ণা চৌধূরীঃ সত্যান্বেষী যে বলেছেন কথা বিশ্বাস করা না করা সেটাও আসলে নির্ভর করে ব্যক্তিগত বিশ্বাস অবিশ্বাসের উপর। আপনি যদি আস্তিক হন তাহলে মুহাম্মদের কথাই আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ন আর নাস্তিক হলে ঠিক তার উল্টোও হতে পারে। তাই কোন কথার উপর আস্থাশীল না হয়ে বর্তমান প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক যুক্তির উপর ভর করে পথ চলাই প্রগতিশীরতার লক্ষণ। আর এর বিপরীত হলেই পশ্চাদপদতা।
১৩. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
সত্যান্বেষী বলেছেন: ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: @সত্যান্বেষী,... কার কথা বিশ্বাস করবেন আর কার কথা বিশ্বাস করবেন না সেটা বোঝার মত জ্ঞান-বুদ্ধি যে আপনার হয় নাই তা আপনার তুলনা দেখেই বোঝা যায়।


বুদ্ধিমানদের উচিৎ বুদ্ধিহীন/স্বল্পবুদ্ধিদেরকে একটু সাহায্য করা। প্লিজ হেল্প।
১৪. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ শঠ্যান্বেষী, ধরি মাছ না ছুই পানির মতন আচরণ করছেন কেন? নাকি বলব গাধা ঘোলা করে পানি পান করে। :)
১৫. ১১ ই মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮
সত্যান্বেষী বলেছেন: এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর না থাকলে নিজেকে তো কেউ ক্রিয়েটরের মেসেঞ্জার হিসেবে দাবি করতে পারে না!


ধরে নেই 'কটতপফবভং' নামের কোন মানব শিশু দুনিয়াতে নেই। আমি যদি 'কটতপফবভং' র বাবা হিসাবে নিজেকে দাবী করি, আদালত কি এই বলে আমাকে তার বাবা ঘোষনা করবে- 'কটতপফবভং' না থাকলে তো তিনি তার বাবাত্ব দাবী করতেন না?
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১০

লেখক বলেছেন:
>>ধরে নেই 'কটতপফবভং' নামের কোন মানব শিশু দুনিয়াতে নেই।

'কটতপফবভং' নামের কোন মানব শিশু দুনিয়াতে নেই ধরে নিয়ে আবার তার বাবা হিসেবে দাবি করাটা কী চরম বোকামীর মধ্যে পড়ে না! 'নাই' ধরে নিয়ে আবার 'আছে' ধরা যায় কীভাবে! আব্রাহাম, মোজেস, জিসাস, ও মুহাম্মদ কি 'ক্রিয়েটর নাই' ধরে নিয়ে নিজেদেরকে ক্রিয়েটরের মেসেঞ্জার বলে দাবি করেছেন? লোল!

>>আমি যদি 'কটতপফবভং' র বাবা হিসাবে নিজেকে দাবী করি, আদালত কি এই বলে আমাকে তার বাবা ঘোষনা করবে- 'কটতপফবভং' না থাকলে তো তিনি তার বাবাত্ব দাবী করতেন না?

হ্য, শুধু শুধু মুখে বলে কোন লাভ নাই। নিজেকে 'কটতপফবভং' নামের মানব শিশুর বাবা হিসেবে দাবী করে আদালতের সামনে হাজির হয়ে দেখান। তারপর দেখা যাবে কতদূর এগোতে পারেন!

১৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০০
সত্যান্বেষী বলেছেন: @বাংলাদেশ জিন্দাবাদ: ঘোলা করে আপনাকে কানে ধরে সেই পানি খাওয়াতে চাই।
১৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০১
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, আপনি জানেন কি বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক ধ্রুব সত্য হাজার হাজার ধরে বিদ্যমান? যা এখনও কেউ ভুল প্রমাণ করতে পারেনি। ঠিক তার চেয়েও বেশী ইসলাম ও কোরআন আমাদের তথা মুসলমানদের কাছে পরম ধ্রুব সত্য। কাজেই এটা স্রেফ নাস্তিকদের প্রোপাগান্ডা যে ইসলাম পশ্চাতপদ। এমন কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই বা ভবিষ্যতে হবেও না আল্লাহর অস্তিত্ব কে মিথ্যা প্রমাণ করে।
১৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:০৭
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ শঠ্যান্বেষী, শুধু শুধু নিজেকে মিথ্যা সান্তনা দিয়ে কি লাভ? আপনি জীবনে কোনদিনও আমার নাগাল পাবেন না। তাই মালয় দ্বীপের বেকুব শেয়ালের মতন দেয়ালে মুরগী একে চেটে খেয়ে বৃথাই সময় নষ্ট। কি বলেন?

আর আপনি শঠ এ কারণেই যে সামু তে গলাবাজি করেন আর জানে না আজে বাজে মন্তব্য কি জিনিস। কেন সামুর শর্তাবলী কোনদিন দেখেন নি?
১৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১১
ঝাড়ুদার বলেছেন: আরে খাইছে!!! পাবলিকেরতো দেখি বিরাট ধৈর্য্য আছে। লেখতেই আছে........ লেখতেই আছে, আর আমরা দেখতেই আছি........ আমরা দেখতেই আছি........
২০. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৬
সত্যান্বেষী বলেছেন: @বাংলাদেশ জিন্দাবাদ: আপনার পিছনে আমি লাগি নাই। আপনিই শুরু করেছেন। লক্ষ্য করুন:



বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ সত্যান্বেষী থুক্কু শঠ্যান্বেষী ভাজা মাছ উল্টে খেতে জানে না। [কমেন্ট ৮]

প্রতিউত্তর: উল্ঠে খেটে ঝান্তে ছাই।



বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ শঠ্যান্বেষী, ধরি মাছ না ছুই পানির মতন আচরণ করছেন কেন? নাকি বলব গাধা ঘোলা করে পানি পান করে। [কমেন্ট ১৬]

প্রতিউত্তর: ঘোলা করে আপনাকে কানে ধরে সেই পানি খাওয়াতে চাই।
২১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:১৭
খািল িপডাইেত ইচ্ছা করে বলেছেন:
আমরা দেখতেই আছি........ আমরা দেখতেই আছি........
২২. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৮
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: @বাংলাদেশ জিন্দাবাদ: আসলে বিজ্ঞানে ধ্রুব সত্য বরে কিছু নেই। বিজ্ঞান প্রমান করেছে যে সব কিছুই আপেক্ষিক। আর ধ্রুব সত্যের ধারণা অবৈজ্ঞানিক এবং ডগমাটিক।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:১৯

লেখক বলেছেন: বিজ্ঞানীরা 'ধ্রুব সত্য' কথাটা ব্যবহার করেন না ঠিকই কিন্তু আপনি কি পৃথিবীর ঘূর্ণন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে একটি পেপার লিখে বৈজ্ঞানিক জার্নালে পাঠাতে পারবেন? সাহস আছে কি? সবায় কিন্তু বিজ্ঞান বিরোধী পাদ্রী-পুরোহিত-মুল্লা বলে খ্যাপানো শুরু করবে! অতএব সাধু সাবধান!

২৩. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩২
অপরিচিত_আবির বলেছেন: রিচার্ড ডকিন্স আর জাকির নায়েকের মাঝে আমি খুব একটা পার্থক্য খুঁজে পাই না। মুখের কথাই সার দুজনের ক্ষেত্রেই। এবং দুজনেই মূল প্রশ্নগুলো পাশ কাটিয়ে যাওয়ার খেলা ভালোই জানেন বলে মনে হয়।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: জাকির নায়েক কোন্‌ প্রশ্ন পাশ কেটে গেছেন তার দু-একটি নমুনা দেখালে ভাল হতো। অন্যথায় এই ধরণের দাবি আসলে বিভ্রান্তিকর।

২৪. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ শঠ্যান্বেষী, আপনার পিছনে এ জন্যই লেগেছি কারণ আপনি সামুর শর্ত জানার পরও কেন লেখক কে প্রশ্ন করলেন যে আজে বাজের সংজ্ঞা কি? Very funny! লেখার মূল বিষয়ের বাইরে যেয়ে ফায়দা লুটতে আপনি দারুণ ওস্তাদ!
২৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
কেল্টূ দা বলেছেন:
"ওহ্‌ হ্যাঁ, নাস্তিকরা কিন্তু বেশ কয়েকজন গডকে স্বচক্ষে দেখেও বিশ্বাস করে না!"

কইষ্যা মাইনাস ।

সত্যাম্বেষী & নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বাদ্দেন , লাব নাই ।
২৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪০
কেল্টূ দা বলেছেন: "প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স সম্ভবত সমসাময়িক সময়ের সবচেয়ে বড় নাস্তিক।"

লিখক বাইরে জিগাই ডকিনস কি নাস্তিকগো নবী নাকি? কুথাও এরাম ডিক্লেয়ার দিছে ? কুন নাস্তিক এরম ডিক্লেয়ার দিছে হেতে নাস্তিক নবী, সবচেয়ে বড় নাস্তিক কি জিনিষ? ডকিন্স সাব কি এই দাবি করছে ?

আপনাগো যেমন পোপচীফ, মাওলানাচীফ, পাদ্রীচীপ আছে নাস্তিকগো এরাম কিচু আছে? হেডম থাকলে জানায়েন ?
২৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৪৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, পীথারগোরাসের সুত্র এবং আইনষ্টাইনের E=MCC কি ধ্রুব সত্য নয়?
২৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: না। এটা এখন পর্যন্ত প্রমাণিত সত্য। আর আইনষ্টাইনের E=MCC -এ C-কে ধ্রুবক ধরা হয়েছে। এটা পৃথিবী তথা মহাবিশ্বের অবস্থার উপর নির্ভরশীল। এটার পরিবর্তন ঘটলে এই সূত্রেরও কার্যকারিতা থাকবে না। তাই বিজ্ঞন বলে কোন সত্য তার অবস্থিত বর্তমানের উপর নির্ভরশীল। স্থান কাল পাত্র ভেদে সত্যও পরির্বতিত হয়্ । কিন্তু একই সঙ্গে একাধিক সত্য থাকতে পারে না।
২৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:০৩
সত্যান্বেষী বলেছেন: কেল্টূ দা বলেছেন: সত্যাম্বেষী & নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বাদ্দেন , লাব নাই ।


বাদ দিলাম। ধন্যবাদ।
৩০. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:২২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লিখেছেন ..

তবে আরো অনেক শক্ত ভাবে উপস্থাপন করা যেত ..

বিশেষ করে নাস্তিকতার বিপক্ষে যুক্তি খন্ডন - ২ এর
বিতর্ক থেকে ।

বিশ্বাসীদের জন্য দুনিয়াতে যথেষ্ঠ প্রমান আছে।

এগোনিষ্টরা পর্যন্ত ঠিক আছে ।

যারা জোর গলায় বলে গড আসলেই নাই ই - তারা আসলেই অন্ধ । আর অল্প বিদ্যা যে ভয়ংকরী এটাই তার যুক্তিযুক্ত প্রমান।
৩২. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩০
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: পৃথিবী যে ঘুরছে সে বিষয়ে এখন তো সন্দেহ করার অবকাশ নেই। কারণ এথন পর্যন্ত এটাই প্রমাণিত সত্য। তবে এটাও চিরন্তন নয়। কারন সৌরজগত নিজেই তো চিরন্তন নয়।
৩৩. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩২
ভন্ডপির বলেছেন: আগের পোস্টে যে প্রশ্ন করেছিলাম উত্তর দেন নাই। সংক্ষেপে আবার করি:

যুক্তি কি সৃষ্ট একটা ধারনা? যদি হয় তাহলে যুক্তি দিয়ে কিভাবে ক্রিয়েটরকে প্রমান করবেন? তিনি যুক্তি সৃস্টি করেছেন এটা মেনে নিলে তো প্রমানের দরকার পড়ে না, স্বত:সিদ্ধ হয়ে যায়। আর যুক্তি যদি সৃষ্ট না হয় তাহলে আপনিই বলুন এর ফল কি।

১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: সবার কমেন্ট পড়ে তার জবাব দেয়া সব সময় সম্ভব হয়ে ওঠে না।

আমার মতে 'যুক্তি/জ্ঞান' দু-ধরণের :

- মানুষের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ট্রায়াল এন্ড এরর মেথড ব্যবহার করে একটি সিদ্ধান্তে পৌছা। এটি অনেকটাই আপেক্ষিক। সব সময় যে সত্য হবে তাও নয়।

- Revealed logic or knowledge from God, and it's Absolute.

৩৪. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: @দূরের পাখি: শূন্য আরণ্যক এগনোস্টিক গুলিয়ে ফেলেছেন মনে হয়।

http://en.wikipedia.org/wiki/Agonist

হাহাহা
৩৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৩৮
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: পুনশ্চ, লেখককে তালগাছ দিয়ে বিদায় হই।
৩৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪০
দুরের পাখি বলেছেন: সেইটাই, টাইপো হিসাবে একটু কঠিন

এগোনিষ্ট > EgoniSht

এগনোস্টিক > Egnostik

ছয়ছয়টা কিতে ভুল ??
৩৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪১
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: আরেকবার সংশোধন করি - এগনোস্টিক। এগোনিস্টিক না।

Click This Link
৩৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪২
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: @ট্র্যানজিষ্টির টাইপো তে হা হা হা করা ছাড়াও অনেক জ্ঞানের কাজ আছে ।

তালগাছের অস্তিত্ব আছে না নাই
এটা প্রমান করে কই চললেন ?
৪০. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৫
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: গ্রিক gno মূল জ্ঞান নির্দেশ করে। iGNOrant কিছু জানেনা, aGNOstic মনে করে জানা সম্ভব না, aGNOsic সাধারণ জিনিষ চিনতে পারে না... এইরকম।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: অ্যাগনোস্টিকদের বিশ্বাস অনুযায়ী এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর আছে তবে মানুষের পক্ষে তার সম্পর্কে জানা সম্ভব নয়। অর্থাৎ তারা ক্রিয়েটরে বিশ্বাসী।

৪১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৪৬
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: জ্ঞান দিলাম কিছু তাহলে। ক্ষেপেন কেন? এইধরণের টাইপো দেখলে হাসা স্বাভাবিক।

তালগাছবিষয়ক কথা বলতে আপাতত উৎসাহী নই, কাজ আছে। বসে থাকুন :)
৪২. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ক্ষেপি নাই .... জ্ঞান দানের জন্য ধন্যবাদ ..

কি বলতে চেয়েছি এটা তো ঠিকই বুঝেছেন ।

বাংলায় ইংরেজী শব্দ কতটুকু কারেক্ট করবেন ?

ইংরেজীতেও টাইপো হওয়া স্বাভাবিক । এটা যদি হাসার হাসির বিরাট উপাদান হয় তাহলে রস সংক্রান্ত আপনার রুচিতে সন্দেহ হয় ।

যাই হোক আমার আরো বিশাল বিশাল মিসটেক আছে ।
র ছুটে ছুটে যায় । না দিতে খেয়াল থাকে না।

অনেক হাসাহাসির উপাদান পাবেন ।

ইনফ্যাক্ট এটা নিয়ে পোষ্ট দিবো চিন্তা করছি অনেকদিন ধরেই।

কাজ করেন .. আমিও কাজে যাই।
৪৩. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ৯:৫৯
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: আচাছা আপনারা এমন তর্ক শুরূ করেছেন য়ে সৃষ্টিকর্তা থাকা না থাকাটাই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্য্রা যা এখনই দুর না করলেই নয়। এর চেয়েও যে বড় বড় সামাজিক সংকট আছে সে সব নিয়ে ভাবুন।
৪৪. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:০৫
এস. এম. রায়হান বলেছেন: ব্যক্তিগত আক্রমণের কারণে ট্র্যানজিস্টারের একটি কমেন্ট মুছে ফেলা হয়েছে।
৪৫. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:১০
ভন্ডপির বলেছেন: যুক্তি আর জ্ঞান এক করে ফেললেন? পার্থক্যটা জানুন দয়া করে।

আমার প্রশ্নের উত্তর যা দিলেন তা হল : কিছু যুক্তি মনুষ্যসৃষ্ট, কিছু ঐশ্বরিক। মনুষ্যসৃষ্ট যুক্তি কি স্রষ্টার সৃষ্টি?

Revealed logic এর কিছু উদাহরন দেখতে চাই।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৩১

লেখক বলেছেন: লজিক হচ্ছে জ্ঞান এর বহিঃপ্রকাশ। জ্ঞান ছাড়া লজিক দাঁড় করানো সম্ভব নয়। একটিকে অপরটির পরিপুরক-ও বলা যেতে পারে। অতএব আমি লজিক ও জ্ঞান এর মধ্যে তেমন কোন পার্থক্য দেখি না।

আলটিমেটলি সবকিছুই স্রষ্টার সৃষ্টি। তবে মানুষকে যেহেতু কিছু জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে সৃষ্টি করা হয়েছে সেহেতু মানুষ তার সীমিত জ্ঞান-বুদ্ধি ইউজ করে সীমিত গণ্ডির মধ্যে কিছু করার ক্ষমতা রাখে।

Revealed logic বা Revealed knowledge এর উদাহরন দেখতে চাওয়ার পূর্ব শর্ত হচ্ছে আপনি এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটরে বিশ্বাস করেন কি-না। হ্যাঁ, এটি কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি কারো অস্তিত্বে বিশ্বাসই না করেন সেক্ষেত্রে তার লজিক বা জ্ঞান দেখতে চাওয়াটা কিন্তু অযৌক্তিক। মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী কোরআন হচ্ছে Revealed logic ও Revealed knowledge এর সমন্বয়ে একটি মহা-গ্রন্থ।

৪৬. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:২৭
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আপ্নের দেয়া ৩নং পয়েন্ট লৈয়া কিছু কৈতাম।
আপ্নে ঐখানে কৈছেন কোরান প্রতক্ষ উক্তিত লেখা হৈছে, তার মাইনে কোরানের সব সুরা আল্লার জবানীত আছে (যদি আমি ভুল না কৈরা থাকি)

তৈলে এই সুরাডির কাহিনী আমারে কন কি কৈবেন


সূরা আল্ ফাতিহা (মক্কায় অবতীর্ণ), আয়াত সংখ্যা:৭


بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ (1

শুরু করছি আল্লাহ্র নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু|
In the Name of Allâh, the Most Beneficent, the Most Merciful

الْحَمْدُ للّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (2

যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ্ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা|
All the praises and thanks be to Allâh, the Lord of the ’Alamîn (mankind, jinns and all that exists).

الرَّحْمـنِ الرَّحِيمِ (3

যিনি নিতান্ত মেহেরবান ও দয়ালু|
The Most Beneficent, the Most Merciful.

مَـالِكِ يَوْمِ الدِّينِ (4

বিচার দিনের মালিক (যে সাইট থেকে নেয়া তাতে বাংলা দেয়া নেই, তাই আমার অনুবাদ)
The Only Owner (and the Only Ruling Judge) of the Day of Recompense (i.e. the Day of Resurrection)

إِيَّاكَ نَعْبُدُ وإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ (5

আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি|
You (Alone) we worship, and You (Alone) we ask for help (for each and everything).

اهدِنَــــا الصِّرَاطَ المُستَقِيمَ (6

আমাদেরকে সরল পথ দেখাও,
Guide us to the Straight Way

صِرَاطَ الَّذِينَ أَنعَمتَ عَلَيهِمْ غَيرِ المَغضُوبِ عَلَيهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ (7

সে সমস্ত লোকের পথ যাদেরকে তুমি নেয়ামত দান করেছ| তাদের পথ নয়, যাদের প্রতি তোমার গজব নাযিল হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট হয়েছে|
The Way of those on whom You have bestowed Your Grace , not (the way) of those who earned Your Anger (such as the Jews), nor of those who went astray (such as the Christians). ,,



কোরান শরীফ অনলাইন
Click This Link


___________________________________________

[1] In the name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

[2] Praise be to Allah, the Cherisher and Sustainer of the worlds;

[3] Most Gracious, Most Merciful;

[4] Master of the Day of Judgment.

[5] Thee do we worship, and Thine aid we seek,

[6] Show us the straight way,

[7] The way of those on whom Thou hast bestowed Thy Grace, those whose (portion) is not wrath, and who go not astray.


আল ইস্লাম
Click This Link

____________________________________________



1. Bismi Allahi alrrahmani alrraheemi

1. In the name of God, Most Gracious, Most Merciful.


--------------------------------------------------------------------------------



2. Alhamdu lillahi rabbi alAAalameena

2. Praise be to God,
The Cherisher and Sustainer of the worlds;


--------------------------------------------------------------------------------



3. Alrrahmani alrraheemi

3. Most Gracious, Most Merciful;


--------------------------------------------------------------------------------



4. Maliki yawmi alddeeni

4. Master of the Day of Judgment.


--------------------------------------------------------------------------------



5. Iyyaka naAAbudu wa-iyyaka nastaAAeenu

5. Thee do we worship,
And Thine aid we seek.


--------------------------------------------------------------------------------



6. Ihdina alssirata almustaqeema

6. Show us the straight way,


--------------------------------------------------------------------------------



7. Sirata allatheena anAAamta AAalayhim ghayri almaghdoobi AAalayhim wala alddalleena

7. The way of those on whom
Thou hast bestowed Thy Grace,
Those whose (portion)
Is not wrath,
And who go not astray.





ইউসুফ আলী
Click This Link

_____________________________________________



এই তিন্টা অনুবাদ দেইখা কি আপ্নের মনে হয় এডি স্বয়ং আল্লার জবানীতে লেখা?
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:২২

লেখক বলেছেন: এত কিছু দেয়ার দরকার ছিল না রে বাবা! যে কোন অনুবাদ থেকে সাতটি আয়াত দিলেই হয়ে যেত।

মুসলিমরা যারা কখনো সম্পূর্ণ কোরান পড়েনি তারাও দিনে কয়েকবার করে সূরা আল্ ফাতিহা পাঠ করে। ফলে আপনি কীভাবে ধরে নিচ্ছেন যে, আমি না জেনেই কোরানকে প্রত্যক্ষ উক্তিতে লেখা বলে দাবি করেছি!

কোরান থেকে বিচ্ছিন্ন দু-একটি আয়াত বা সূরা কোট করলে নিজেই বিভ্রান্তির মধ্যে পড়তে হবে। কোরানকে সার্বিকভাবে বিচার করতে হবে, বিচ্ছিন্নভাবে নয়। কোরানের প্রথম রিভীল্‌ড্‌ সূরা হচ্ছে আল-আলাক (সূরা নাম্বার ৯৬)। সেই সূরা শুরু হয়েছে 'Proclaim/Read' দিয়ে। প্রথম পাঁচটি আয়াত দেখুন :

096.001
YUSUFALI: Proclaim! (or read!) in the name of thy Lord and Cherisher, Who created.
PICKTHAL: Read: In the name of thy Lord Who createth.

096.002
YUSUFALI: Created man, out of a (mere) clot of congealed blood.
PICKTHAL: Createth man from a clot.

096.003
YUSUFALI: Proclaim! And thy Lord is Most Bountiful.
PICKTHAL: Read: And thy Lord is the Most Bounteous.

096.004
YUSUFALI: He Who taught (the use of) the pen.
PICKTHAL: Who teacheth by the pen.

096.005
YUSUFALI: Taught man that which he knew not.
PICKTHAL: Teacheth man that which he knew not.

তারপর কোরানের বিভিন্ন জায়গায় মাঝে-মাঝে 'Proclaim/Read' ব্যবহার করে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, মুহাম্মদ (সাঃ)-কে ডিক্টেট করা হচ্ছে। কোরানের প্রত্যেকটি সূরার প্রত্যেকটি আয়াতের শুরুতে 'Proclaim/Read' বললে কিন্তু কোরানের শ্রুতিমধূরতা নষ্ট হয়ে যেত। আর সূরা আল্ ফাতিহা হচ্ছে একটি প্রেয়ার। এ বিষয়ে বড় বড় স্কলারদের লেখা আছে। সেগুলো পেলে পোস্ট করা হবে।

৪৭. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, M = ভর ধ্রুব। এর কোন পরিবর্তন নাই।

একটি রিমোট কন্ট্রোল বা মোবাইল ফোন যাই বলি না কেন, এদের কাছে কোন শক্তিশালী চুম্বক আনলে এরা আর কাজ করে না অথবা এর ফাংশন নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সেটা হল বিরুপ পরিস্থিতি। তার মানে কিন্তু এই নয় যে মোবাইল বা ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি মিথ্যা হয়ে যাবে। সৌর জগৎ এ বিপর্যয় ঘটলেও বিদ্যমান ধ্রুব সত্যগুলোও যে মিথ্যা হবে তা একেবারেই কাল্পনিক ও যুক্তি বিবর্জিত।

আর নিউটনের শক্তির নিত্যতার সুত্র সমন্ধে কি বলবেন, যে "শক্তির সৃষ্টি বা ধ্বংস নাই"।
৪৮. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৬
ভন্ডপির বলেছেন: যুক্তি তর্ক বিষয়ে আপনার পড়াশোনা করা উচিত। কোনটা কি সেটা থেকে শুরু করাই ভাল। এতে করে সার্কুলার প্রমান থেকে আপনার পাঠকরা রেহাই পাবে, যেমন যুক্তি কাকে বলে এটা বুঝাতে স্রষ্টা আর স্রষ্টাকে প্রমান করতে যুক্তি। আপাত দৃষ্টিতে এরকম বক্তব্য বাহবাযোগ্য হলেও ত্রুটিপূর্ন। যুক্তির ভিত শক্ত হওয়ার পর দর্শন পড়ুন। অনেক কিছু জানতে পারবেন।
১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনি তো মনে হচ্ছে যুক্তি-তর্ক ও দর্শন বিষয়ে বেশ পড়াশোনা করেছেন। আপনিই তাহলে বলুন যুক্তি-তর্ক ও দর্শন কী জিনিস, কোথা থেকে শিখেছেন, আর জ্ঞান এর সাথে যুক্তি-তর্ক ও দর্শনের সম্পর্কই বা কী।

৪৯. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:১৫
রুহুল্লাহ বলেছেন: এ ধরনের কথা বার্তা অনেক হয়েছে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে আগের একটি লেখার কিছু অংশ তুলে দিলাম।
"আশ্চর্যের ব্যাপার হলো, চ্যালেন্জ দিয়েই খালাস। যে কোন লেখাই একেক জনের কাছে একেক রকমভাবে ধরা দেয়। যেমন কোরানের কথাই ধরুন, আপনার কাছে মনে হচ্ছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বই, অথচ একজন নাস্তিকের কাছে কোরান ১৪০০ বছর আগে লেখা একটা বই মাত্র। সুতরাং চ্যালেন্জের পাশাপাশি কোন লেখায় কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে সেই লেখাকে কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত বলা যাবে তা কোরানে অবশ্যই উল্লেখের প্রয়োজন ছিল।

যাই হোক দেখা যাক কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত একটি লেখা পাওয়া যায় কিনা, নীচে সুরা এখলাসের চেয়ে উন্নত লেখা দেয়া হলো:

সুরা এখলাস:
Qul Huwallaahu ahad;
Allahus-swamad;
Lam yalid wa lam yoolad;
Wa lam yakun lahu, kufuwan ahad.
অর্থ: Say: He is God, the one and only;
God, the Eternal, Absolute;
He begetteth not, nor is He begotten;
And there is none like unto Him.

ভাষা পান্জাবি, সময়: ৭ম শতাব্দী
Ik onkar, satnaam,
Kartaa purakh
Nirbhau, nirvair
Akaal murat
Ajuni saibhau
Guru prasad
অর্থ: God is one; God's name is Truth;
God is the immanent Creator;
Without fear, without enmity;
Immortal in form;
Unborn and self existent
(Known by) the grace of the Guru.

ভাষা: তামিল, সময়: ৮ম শতাব্দী
Aanallan, Pennallan,
allaa aliumallan!
Kaanalum aagaan,
ulanallan illai allan!
Penungal penum,
uruvaagum allanum aam!
Konai peridhudaithu
embemmanai koorudhale!
অর্থ: Neither male, nor female,
Nor neuter is He (by gender)!
Neither discernible, nor the existent,
Nor the non-existent is He!
He appears in whatever form conceived,
And remains other than such!
Indentifying the Lord as Narayana (by name),
Is the best of such.

ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৪র্থ শতাব্দী
divyo hy amrutah purusah
sa bahyabhyantaro hy ajah
aprano hy amanah
subhro aksarat
pratah parah
অর্থ: He, the divine, the formless spirit;
He is the outward and the inward;
And He the unborn;
He is beyond life, beyond mind, luminous;
Supreme beyond the immutable!

ভাষা: সংস্কৃত, সময় ৫ম শতাব্দী
na tasya kascit asti loke,
na cesita naiva
ca tasya lingam,
na karanam
karanadhipadhipo
na cesya kasciji janita
na cadhipah.
অর্থ: He hath no master in all this world.
There is none that shall rule over Him.
Nor feature nor distinction hath He;
For He is begetting cause
And Sovran over the lords
of these natural organs;
But himself hath no begetter,
Neither any sovran.

আপনি যদি বলেন এগুলো একটাও কোরানের কোন সুরা থেকে উন্নত কিছু না, তাহলে আমার প্রশ্ন হবে কেন? কোরানকে প্রমান করতে বলুন উপরের একটি লেখাও কেন কোরানের একটা সুরা থেকে উন্নত হবে না? কোরান তো চ্যালেন্জ দিয়েছে যে কোরানের একটা সুরার থেকে উন্নত কোন লেখা মানব সমাজের কেউই প্রসব করতে পারবে না। এই চ্যালেন্জ গ্রহণ করে কেউ যদি উপরের লেখাগুলো দিয়ে বলে এগুলো প্রত্যেকটা কোরানের একটি সুরা থেকে উন্নত, তাহলে কোরান নিজেকে কি বলে defend করবে?

উপরের লেখাগুলোয় কি এমন অনুপস্থিত আছে যা কোরানের প্রত্যেকটি সুরায় উপস্থিত?

কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলেন যে কেন উপরেল্লেখিত চারটি কবিতা সুরে এখলাসের চেয়ে উন্নত হবে না? (বিদ্র: আপনার ব্যাখ্যা নয়, কিংবা কোরান বিশেষজ্ঞের ব্যাখ্যা নয়, কোরানের আয়াত উল্লেখ করে বলুন যে কি এমন কোরানের প্রতিটা সুরায় আছে যা উপরে চারটি কবিতায় নেই)।"


৫০. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫০
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: ...............তার পেছনে অনেকগুলো কারণের মধ্যে একটি হচ্ছে কোরআন লিখা হয়েছে প্রত্যক্ষ উক্তিতে, পরোক্ষ উক্তিতে নয়। অর্থাৎ কোরআনের বক্তা হচ্ছেন স্বয়ং এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর (ক্রিয়েটর দাবিদার), কোন মানুষ নয়........

tahole apner uchit asilo "beshirvag khetre প্রত্যক্ষ উক্তিতে"

ghotona hochche ei surar madhdhome dekha jaitese alla nijei nijer upasonar jonno nijer kachei abedon janaitese? kemneki?

apni ekta vul ke chapa debar jonno aro onek kut torko korte parben, tate kintu vul vuli thakbe, shudhdho hoye jabe na.

jaihouk. tal, aam, jaam, kathal...........sob gach apnere diya dilam. kono dabi rakhlam na. valo thaiken :)
৫১. ১১ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৫৫
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: লেখক ভাই, আপনি এগনোস্টিক মানে জানেন না, লজ্জা ঢাকার জন্য আমার পোস্ট মুছে কী লাভ?

১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চালিয়ে লাভ নাই। লজ্জা ঢাকার জন্য 'ট্র্যানজিস্টার' নিক নিয়ে আমাকে বলছেন আমি নাকি লজ্জা ঢাকার জন্য পোস্ট মুছে দিয়েছি। পোস্ট মুছে দেয়ার কারণ বলা হয়েছে। আমার ব্লগে অসভ্য ভাষাকে প্রমোট করা হবে না। অসভ্য ভাষা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ এই ব্লগেরও পরিপন্থি। ব্লগের নিয়ম-কানুন জেনেন নিন।

বিশ্বাসীদের মধ্যে যেমন অনেক ভেরিয়েশন আছে তেমনি অ্যাগনোস্টিকদের মধ্যেও ভেরিয়েশন আছে। Merriam-Webster Online Dictionary থেকে অ্যাগনোস্টিক এর একটি সজ্ঞা দেখুন :

A person who holds the view that any ultimate reality (as God) is unknown and probably unknowable.

আমি সেটাই বলেছি।

১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আরো দেখুন :

Agnostic theism (also called "religious" or "spiritual agnosticism")

the view of those who do not claim to know of the existence of any deity, but still believe in such an existence. Søren Kierkegaard believed that knowledge of any deity is impossible, and because of that people who want to be theists must believe: "If I am capable of grasping God objectively, I do not believe, but precisely because I cannot do this I must believe."

http://en.wikipedia.org/wiki/Agnosticism

আমি কিন্তু এক্স্যাক্টলি সেটাই বলেছি। অতএব আপনি একজন অজ্ঞ অথবা মিথ্যেবাদী। কার তাহলে লজ্জিত হওয়া উচিত ভেবে দেখুন।

৫২. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:০২
অনিশ্চিত বলেছেন: আপনার লেখায় তো কোনো যুক্তি দেখলাম না। বরং বেশ কিছু ফ্যালাসি দিয়েছেন। আর ক্রিয়েটরের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে তিনটা লাগে না- যেকোনো একটাই ভালো করে দেখান।

এই এক যন্ত্রণা! মানুষজন কী বাল বুঝে কে জানে! যে যেটা জানে না সে সেটা নিয়া পোস্ট দিয়া বসে।
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: আপনার 'অনিশ্চিত' নিক দেখেই তো যে কেউ আপনার সম্পর্কে অনুমান করে নিতে পারবে! যারা 'যুক্তি' ও 'ফ্যালাসি'র আগা-মাথা কিছু বোঝে না তারাই দেখা যায় 'যুক্তি'-'ফ্যালাসি' বলে মুখে ফেনা তোলে!

৫৩. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:১১
শয়তান বলেছেন: ট্র্যানজিস্টার আপনারে মনে হয় বলছিলাম সবই পন্ডশ্রম । বুঝতেসেন এখন ??
১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: শয়তান আর ট্র্যানজিস্টার এক জায়গায় হলে যা হয় আর কি! কথায় বলে, চোরে চোরে মাসতুতু ভাই! ছবকুছ যহন বুইজা ফ্যালাইছেন তহন নাকে তেল দিয়া গুমান গা!

৫৪. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১২:৪০
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: আপনি নিজেই নিজেকে উত্তর দিয়েছেন মোবাইল বা কোন যন্ত্র কোন শর্ত সাপেক্ষে কাজ করে। আর নিউটনের সব সূত্রই এখন আর িনর্ভূল নয়। কারণ তিনি বস্তুর বাহ্যিক গতি নিয়ে কাজ করে ছেন। আর তার বস্তু ছিল দ্বি-মাত্রিক আইনেষ্টাইন পের যা আরো আধুনিক করেছেন।
৫৭. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৫
ট্র্যানজিস্টার বলেছেন: @লেখক:

আপনি নির্লজ্জভাবে অ্যাগনস্টিক থিইজম এবং অ্যাগনোস্টিসিজম গুলিয়ে ফেলেছেন। অ্যাগনস্টিক এথিইজমও কিন্তু আছে।

Agnostic atheism
—the view of those who do not claim to know of the existence of any deity, and do not believe in any.

সচেতনভাবে আপনি এড়িয়ে যান আপনাকে ইনক্রিমিনেট করে এমন মন্তব্য, এবং নিজের নিয়মে খেলতে চান যা ইসলামোফ্যাসিস্ট মনোবৃত্তির ফল। আপনাকে আর কিছু বলার নেই।

অন্যদেরকে:

"লেখক বলেছেন: অ্যাগনোস্টিকদের বিশ্বাস অনুযায়ী এই মহাবিশ্বের ক্রিয়েটর আছে তবে মানুষের পক্ষে তার সম্পর্কে জানা সম্ভব নয়। অর্থাৎ তারা ক্রিয়েটরে বিশ্বাসী।"

লেখকের এই বক্তব্য সর্বৈবভাবে মিথ্যা, অজ্ঞতাপ্রসূত এবং অবিমৃষ্যকারিতা বৈ আর কিছু নয়। অ্যাগনস্টিক মানে অজ্ঞেয়বাদী:

"the philosophical view that the truth value of certain claims — particularly metaphysical claims regarding theology, afterlife or the existence of deities, spiritual-beings, or even ultimate reality — is unknown or, depending on the form of agnosticism, inherently impossible to prove or disprove."
৫৮. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, শর্ত তথা পরিপার্শ্বিক সকল বিষয় বস্তু নিয়েই জগৎ ও বিশ্ব জগৎ। প্রত্যেকেরই স্বাতন্ত্র গুণাগুণ আছে। তাই কোন বিষয় আরেক টি বিষয় হতে শক্তিশালী হলে প্রথম বিষয় মিথ্যে হয়ে যায় না। তাই বিরুপ পরিবেশ হলেই ধ্রুব সত্য টিকে না সেটাও সম্পূর্ণ ভুল। সে জন্যেই পীথারগোরাসের, আইনষ্টাইনের এবং নিউটনের সুত্রের উল্লেখ করেছি। যতই তোলপার হউক এই ধ্রুব সত্যগুলি কখনই পরিবর্তিত হবে না। আমরা মুসলমানগণ বিশ্বাস করি মহাবিশ্বের সকল বিষয়ের আল্লাহই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা এবং ক্ষমতাবান। অর্থাৎ সৃষ্টির সকল বিষয়াদি, শক্তি এবং ক্ষমতা ও সামর্থ্য একমাত্র তারই অথবা তারই আয়ত্তে।
৫৯. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৩৫
স্বাধীন_০৮ বলেছেন:


পোস্ট নিয়া কিছু বলবনা।

আর হা নো রেটিং।
৬০. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৭
স্বাধীন_০৮ বলেছেন: আস্তিক আর নাস্তিক বিতর্ক না থাকলে মনে হয় ব্লগেশ্বর এর হাতে থালা উঠত।

ওফ কি বাচা বেচে গেছে।


মুক্ত চিন্তা আর বাকস্বাধীনার নামে ধর্ম নিয়া আউলা কথাতেই দেখি তাদের বেশিভাগকে ব্যাস্ত থাকতে।দুই একজনকে দেখছি যুক্তি দিতে।

যাই হোক ধর্ম নিয়া লেখায় নো রেটিং।
৬১. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ২:৫২
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, আমি নই আপনিই বিজ্ঞান সমন্ধে সঠিক ভাবে জ্ঞান রাখেন না? তা না হলে বিজ্ঞানে পীথারগোরাস, নিউটন ও আইনষ্টাইনের প্রতিষ্ঠিত ধ্রুব সত্য কে মেনে নিতে এত কষ্ট কেন? আপনার মানসিক সমস্যা আরেকজনের উপর চাপান কেন?
৬২. ১২ ই মে, ২০০৯ ভোর ৬:০৯
ভন্ডপির বলেছেন:
লেখক বলেছেন: শয়তান আর ট্র্যানজিস্টার এক জায়গায় হলে যা হয় আর কি! কথায় বলে, চোরে চোরে মাসতুতু ভাই! ছবকুছ যহন বুইজা ফ্যালাইছেন তহন নাকে তেল দিয়া গুমান গা

"আজে-বাজে" মন্তব্য আর ব্যাক্তিগত আক্রমন না আপনি পছন্দ করেন না? হিপোক্রিসি আর কারে বলে।

ভাই ব্লগিং বাদ দিয়ে পড়াশোনা করেন, নামাজ পড়েন। প্রাপ্তবয়স্ক হলে স্ত্রীর সাথে সময় কাটান, অপ্রাপ্তবয়স্ক হলে খেলাধুলা করুন। ব্লগিং করে কি লাভ?
১২ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১

লেখক বলেছেন: আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে লিখেছেন নিশ্চয়। আর 'চোরে চোরে মাসতুতু ভাই' একটি প্রবাদ বাক্য ছাড়া বেশী কিছু নয়।

৬৩. ১২ ই মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৮
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: না আসলে বিজ্ঞান সর্ম্পকে আর একটু মৌলিক ধারনা নেওয়া দরকার। পীথারগোরাস, নিউটন ও আইনষ্টাইনের প্রতিষ্ঠিত ধ্রুব সত্য বলে কিছু নেই। তাদের অনেক সূত্রই আজ অকার্যকর এ খোজ ভাল করে নিন।
৬৪. ১২ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:০২
দেখা হয়নাই চোখ মেলিয়া বলেছেন: নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: আচাছা আপনারা এমন তর্ক শুরূ করেছেন য়ে সৃষ্টিকর্তা থাকা না থাকাটাই দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সমস্য্রা যা এখনই দুর না করলেই নয়। এর চেয়েও যে বড় বড় সামাজিক সংকট আছে সে সব নিয়ে ভাবুন।
৬৫. ১২ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা, প্রমাণ দেখান যে পীথারগোরাসের, নিউটন(শক্তির নিত্যতার সুত্র) এবং আইনষ্টাইনের তত্ত্ব ভুল? বৈজ্ঞানিক প্রমাণ ছাড়া যেমন কোন কিছু বিশ্বাস করেন না, তেমনি উপযুক্ত রেফারেন্স ছাড়া আমি কিভাবে মানি যে তাদের তত্ত্ব ভুল? কাজেই অন্ধ আবেগের বশে লেখা পরিহার করেন।
৬৬. ১২ ই মে, ২০০৯ রাত ৮:২৮
মাসুদুল হক বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
কমেন্টগু্লোতে প্রসংঙ্গ বহির্ভূত বিষয় নিয়ে খুব বেশি কথা হচ্ছে ।
আজে বাজে মন্তব্য মুছে ফেলবেন এ ঘোষণা দেয়াটা কি খুব জরুরী, এর সূত্র ধরেই অনেক বাজে কথা হচ্ছে না?
৬৭. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:০৪
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন: দেখুন বাজে তর্ক করে সময় নষ্ট করার মানে হয় না। আপনি বিজ্ঞানের অনেক খবর রাখেন না। আর যাও জানেন তা সেকেলে। তার চেয়ে আমার যে লিংক দেওয়া আছে ওখানে মুক্তমনা-তে গিয়ে অভিজিত রায়ের লেখা "আলো হাতে চলিয়াছে আধারের যাত্রী" বইটি পড়ে নিন। আশা করি আপনার অনেক ভুল ভাঙ্গবে।
৬৮. ১৩ ই মে, ২০০৯ রাত ১:৪৮
ঝর্ণা চৌধূরী বলেছেন: নাস্তিকরা বেশি জ্ঞানী, ছেড়ে দেন না ভাই। যার যার তালগাছ নিয়ে সে সে থাকুক।
৬৯. ১৪ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৭
আইকোনাস ক্লাস্টাস বলেছেন: Immanuel Kant... Enlightenment period's most notable philosopher. A theist on a personal level, but had put out the greatest of arguments nullifying the possibility of anyone trying and then succeeding in proving God's existence. It is laid out quite logically and rationally and for everyone to see and think and only then realize the futility of the project that can be titled, "Proving God's Existence."

Deaer Mr. Poster:
1. God or Allah - whatever it is that you prefer, is only an article of faith. Do you believe that? If not, then I will have to ask you to reevaluate your faith in Islam as it is suggested in the Book.

2. When an article of faith is "proved," then it is not an article of faith any more... then it becomes a thing like the laptop in front of me that neither requires a proof nor a faith in its existence since I can see/feel/know its existence quite clearly.

3. With proofs of God, this - among others- are ignored or missed or simply not paid attention to. I believe, the impetus to prove God's existence comes from a need that is "non-religious." It is done by people those who really do not understand religion, of which the very basic is FAITH. This is especially true with Islam!

4. Kant's explanations decidedly show the futility of NOT just proving God's existence, but also the non-existence. Meaning - it is somewhat impossible to prove or disprove God's existence. This is a similar point to that one I mentioned in the beginning where I stated that it is an article of faith.

5. Just to let you all know - I am being entrusted with preparing a formal curriculum for the children (classes III-VIII) on religion. The purpose of this curriculum is to introduce religion (NOT just one single religion or one single religious point of view) as a subject and also introduce ALL the major religions to ALL the children in addition to the religion they belong to. In this curriculum, I am also introducing the children to "Atheism" since I think being a theist and an atheist pretty much the same when it comes to the logical grounds of it. They are both founded on premises that cannot be shown to be either true or false... they are both faithful positions and cannot be argued by its very definition.
৭০. ২৬ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮
প্রজন্ম একুশ বলেছেন: আশাহত। প্রমানের কথা বলে সেই বিশশাসই তো করতে বললেন! তিন্টাতেই।
৭১. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:৪৩
সিংহ বলেছেন: @ভ্রুক্ষেপিত জ্ঞান : Hardtalk , Richard Dawkins er video ta te thik hasi
asar moto kichu pailam na. Apnar hasi asar karon ta thik dhorte parlam na.
৭২. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
জিগ স বলেছেন: মুসলিম ও ইহুদী কিডদের কাছে যিনি একজন মানুষ, খ্রিস্টানদের কাছে তিনিই হচ্ছেন এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তা! সেই সৃষ্টিকর্তা নাকি আবার অন্যের পাপের জন্য মারাও গেছেন! এটি হচ্ছে তাদের একদম মৌলিক বিশ্বাস। জ্ঞান-বিজ্ঞান ও টেকনোলজিতে উন্নতি করে লাভটা তাহলে কী হলো! একেই কি বলে এনলাইটমেন্ট!

ভুল কথা। খৃষ্টান রা বলে নাই যে জীশূ পৃথিবী সৃষ্টি করচেন। তারা বলছে জিশু পৃথিবী'র সৃষ্টিকারী ঈস্বরের পুত্র।
৭৩. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪
ব্রুটাস বলেছেন: ঈশ্বর একটা গোল্লিপ সিকারেট
৭৪. ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১২
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:

ওহ্ হ্যাঁ, নাস্তিকরা কিন্তু বেশ কয়েকজন গডকে স্বচক্ষে দেখেও বিশ্বাস করে না! গডকে স্বচক্ষে দেখেও যদি তারা বিশ্বাস করতে না পারে সেক্ষেত্রে তারা গডের অস্তিত্বের স্বপক্ষে নতুন করে আবার কী ‘প্রমাণ’ যে দেখতে চায়, কে জানে!




হাসতেই আছি...:)
২৩ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭৬. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২১
ইমন০০৭েবস্ট বলেছেন: ভাই আমরা তো ইসলাম এর ব্যাপারে কম জানি। তাই বলতে পারিনা। আল্লাহ যে আছেন তার নির্ভুল ব্যাখার অনেক দলিল আছে।এই মুহূর্তে জাকির নায়েক হতে ইচ্ছে করছে। মানুষেরা আল্লাহর অস্তিত্বকে কেন যে অবিস্বাস করে বুঝি না।ভাই ধন্যবাদ আপনাকে আপনার সুন্দর লেখার ব্যাপারে
ইমন
২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

৭৭. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১০
এস. এম. রায়হান বলেছেন: সৃষ্টিকর্তার অনস্তিত্বের স্বপক্ষে নাস্তিকদের তিনটি ‘যুক্তি’ বা ‘প্রমাণ’:

1. Argument from Richard Dawkins: Oxford Prof. Richard Dawkins is a very logical, rational, smart, and intelligent man. He has also authored many books. He says that God doesn’t exist. Therefore, God doesn’t exist! How could it be in the first place when God Himself told an Oxford Professor that He doesn’t exist? Does it make any sense?

2. Argument from explanation: Scientists can explain how a watch was manufactured and how it works. They do not require any data of the maker of the watch to explain all these. Therefore, the maker of the watch doesn’t (?) exist! Similarly, scientists can (hypothetically) explain how the Natural Universe came into existence and how it works. Isn’t it then obvious that the Maker of the Universe doesn’t exist?

3. Argument from Bin Laden: Bin Laden was accused of blowing up WTC. He is a true Muslim and an Islamic terrorist as well. He got his inspiration directly from the Quran. Although dozens of American Scholars and Professors have rejected the 9-11 Official Report based on many facts and logics yet we never had any doubt about it in our mind! Such kind of ‘rationalist’ and ‘freethinker’ we are, you know! Anyway, we firmly believe that the Islamic terrorists were involved with 9-11 event that had direct link with the Quran. Therefore, God doesn’t exist!
৭৯. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
বিপ্লবের_অপেক্ষায় বলেছেন: :) :)

জটিল পোষ্ট। +++++++++


আব্রাহাম, মোজেস, জিসাস, ও মুহাম্মদ (সাঃ) সহ অনেক গ্রেট হিউম্যান নিজেদেরকে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টিকর্তার মেসেঞ্জার বলে দাবি করেছেন। সৃষ্টিকর্তার কোন অস্তিত্বই না থাকলে কেউ নিজেকে যেমন সৃষ্টিকর্তার মেসেঞ্জার বলে দাবি করতে পারেন না তেমনি আবার সৃষ্টিকর্তা থেকে মেসেজ পাওয়ারও দাবি করতে পারেন না। এটি স্রেফ কোন উটকো দাবিও নয়। যেমন মুহাম্মদ (সাঃ) দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও তাঁর দাবিকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন। তাঁর পূর্বের মেসেঞ্জাররাও তা-ই করেছেন। যাহোক, তাঁদের দাবি থেকে মাত্র দুটি উপসংহারে পৌঁছা যেতে পারে।

++++++++
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫১

লেখক বলেছেন: ব্লগে স্বাগতম ও ধন্যবাদ।

৮০. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
পরম-পুরুষ বলেছেন: মজা পেয়েছি। রায়হান ভাইকে ধন্যবাদ।
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: আপনাকেও।

৮১. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮
শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন: আব্রাহাম, মোজেস, জিসাস, ও মুহাম্মদ সবাই গড এর কথা বলেছেন , কাহিনী গুলোতেও মিল আছে। তার মানেই সবাই সত্যবাদী ?
একজন এর পরে আরেকজন গল্প গুলো চুরি করেছেন এই রকম কিছু আপনার উপসংহার এ নেই কেন?

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৭

লেখক বলেছেন: ঐটা আপনার জন্য রাখা হয়েছে।

২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮৩. ২৬ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪০
অগ্রজ বলেছেন: হোয়াট ইজ কলড্ সাইন্স@নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
আপনি নিজেও বিগব্যাং,আপেক্ষিকতাবাদ,মাধ্যাকর্ষণ-অভিকর্ষন,অভিকর্ষজ ত্বরণ,অরিজিন অফ স্পিস নিজে চোখে দেখেন নাই কিন্তু এগুলোর প্রতি মজবুত ইমান আছে। কারণ কি? নিশ্চয় যৌক্তিক কারণ আছে। বিগব্যাং কিভাবে হয়েছে তার জবাবে বলেছেন দিজ ওয়াজ এ ফাস্ট কজ। ঠিক কিন্তু এই ফাস্ট কজ কিভাবে হল এরপর বিজ্ঞানীরা কিছুটা নিরব থেকে বললেন --অতিমানবীয় শক্তি। কে সেই শক্তি?
৮৪. ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩০
শাহরিয়ার নাহিদ বলেছেন: আমার জন্য কী রাখা আছে বুঝলাম না।

একজন দাবি করলো সে গড এর messenger আর অমনি প্রমাণ হল গড আছেন।
কারণ গড না থাকলে messenger হওয়া যায় না।
ডারুন জুকটি...।



২৭ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ২:১৪

লেখক বলেছেন: বড়দের বিষয়ে মাথা ঘামাতে নেই।

৮৫. ০১ লা জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
েদশী বারুদ বলেছেন: আপনাকে ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++.................


চালিয়ে যান.................
৮৭. ২৯ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১২
রুদ্র নীল বলেছেন: বিজ্ঞান যেহেতু একটি পরিবর্তনশীল বিষয়, বিশেষ করে প্রোবাবিলিস্টিক ক্ষেত্রে, সেহেতু বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে দর্শনভিত্তিক কোন বিষয়ে স্বতন্ত্র কোন যুক্তি বা তত্ত্ব দাঁড় করাতে যাওয়াটাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় অপবিজ্ঞান


এক সময় এরিস্ততল সব বিসয়ে বইজ্ঞানিক বেক্ষা দিসিল জার ৯৯% এখন ভুল প্রমানিত।
আর কুরানের বানি দিন দিন সত্য প্রমানিত হইতাসে......


৮৮. ২৩ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১:১৩
অবাঞ্চিত বলেছেন: গড আছে কি নাই সেটা নিয়ে আমার কোন মাথাব্যথা নাই। যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার। মাথাব্যথা আছে ইস্লামের মত ধান্দাবাজি টাইপ ধর্ম নিয়া। যেইসব ধর্ম আপনার টাকা থাকলে চার খানেক বিবয়াহ হইতে, দাসী, যুদ্ধবন্দী সবার সাথে সেক্স জায়েয করে। আর যদি আপনার সেরকম কোন ক্ষমতা না থাকে তাহলে আপনি আপানার ভালোবাসার মানুষের দিকেও মুখ তুলে তাকাতে পারবেন না। জানি না, এটা কিরকম নিয়ম। ইসলাম হইল মোল্লাগো জন্য, তারা সর্বরকমের সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে, ফতোয়া জারি হইতে শুরু করে উদ্দাম যৌনজীবন যাপন, ৬ বছরের বাচ্চা মেয়ে বিয়ে কিছুই তাদের জন্য নিষেধ নাই। আর আমাদের মত আম জনতাদের জন্য হইল রোজা রেখে বসে থাকতে হবে। গড থাকুক সে যদি আমাদের জীবনে ভালো কিছু আনতে পারে তাহলে সেটা থাকুক, মিথ্যা হলেও থাকুক। কিন্তু ইস্লামের মত অমানবিক ধর্ম কিছুতেই সহ্য করা যায় না।

আমি ইসলাম ত্যাগ করেছি। ইসলাম অনুসারে আমাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া উচিত। সেটা কি আপনি সমর্থন করেন? আর যারা ইস্লামে জোর জবরদস্তি বলে কিছু নাই, এটা ভেবে শান্তির ধোয়া তুলছেন, তাদের জন্য
এই লিঙ্কখানা পড়ে দেখবেন দয়া করে। ইসলাম যদি আমার ভালো না লাগে তাহলে আমাকে জোর করে ইস্লামেই থাকতে হবে, নাহলে মৃত্যুদন্ড
২৬ শে এপ্রিল, ২০১১ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: অন্য ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে ইসলাম ত্যাগের প্রশ্ন আসে না।

৮৯. ২২ শে জুন, ২০১১ রাত ১:০৩
এস. এম. রায়হান বলেছেন: কোন কিছুকে স্বচক্ষে দেখে তার অস্তিত্ব মেনে নেয়ার জন্য কোন রকম যুক্তি বা বুদ্ধিমত্তার দরকার পড়ে না। এই কাজ শিশু বাচ্চারাও পারে!

আমরা যা কিছু স্বচক্ষে দেখি তাতে বিশ্বাস করার প্রশ্ন আসে না। কোন কিছুতে বিশ্বাসের প্রশ্ন তখনই আসে যখন তা স্বচক্ষে দেখা যায় না। আমরা অনেক কিছু স্বচক্ষে দেখে সেগুলোর অস্তিত্ব মেনে নিয়েছি, যেগুলোর ক্ষেত্রে যুক্তি বা বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের কোন দরকার পড়েনি। আবার অনেক কিছু আছে যেগুলো আমরা স্বচক্ষে দেখিনি, যাদের মধ্যে কিছু কিছু হয়ত স্রেফ অন্যের কাছে থেকে শুনে মেনে নিয়েছি, কিছু কিছু হয়ত যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মেনে নিয়েছি, এবং কিছু কিছু হয়ত মেনে নেইনি। এই অন্যের কাছে থেকে শুনে যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে মেনে না নেয়ার মধ্যে একটি হচ্ছে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা।

এই লেখাতে স্বচক্ষে না দেখেও স্রষ্টার অস্তিত্বের স্বপক্ষে যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক তিনটি স্বতন্ত্র প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
৯০. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১২:১৫
এস. এম. রায়হান বলেছেন: নাস্তিকদের আত্মঘাতী যুক্তি

যুক্তিবিদ্যার মৌলিক নিয়ম অনুযায়ী কোন কিছুর বিরুদ্ধে এমন কোন যুক্তি দেওয়া যাবে না, যে যুক্তি দিয়ে নিজের বিশ্বাসকেই ভুল প্রমাণ করা যায়। কিন্তু নাস্তিকরা দেখা যায় প্রায়শই যুক্তিবিদ্যার এই মৌলিক নিয়মকে লঙ্ঘন করে আস্তিকদের বিশ্বাসকে ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা করেন। তাদের আত্মঘাতী যুক্তিগুলোর মধ্যে "স্রষ্টার পিতা বা কারিগর" যুক্তিটি অন্যতম। উদাহরণস্বরূপ, আস্তিকরা যেহেতু ঘড়ির কারিগরের যুক্তি দিয়ে এই মহাবিশ্বের একজন মহান কারিগর থাকার কথা বলেন সেহেতু নাস্তিকরা তার পাল্টা যুক্তি দেন এভাবে:

ক) ঘড়ি বানায় ঘড়ির কারিগর। ঘড়ির কারিগরের পিতা আছে।

খ) মহাবিশ্ব বানিয়েছে মহাবিশ্বের কারিগর। মহাবিশ্বের কারিগরেও পিতা থাকতে হবে।

গ) অতএব, ঘড়ির যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয় এবং সে-কারণে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা বলেও কিছু থাকতে পারে না!

এটি নাস্তিকদের একটি আত্মঘাতী যুক্তি। কারণ তারা যেহেতু এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না সেহেতু তাদেরকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, প্রথম জীবের পিতা বা কারিগর কে? উত্তরে তারা বলবেন, প্রথম জীবের পিতা বা কারিগর থাকার দরকার নাই! অর্থাৎ তারা প্রথম জীবকে স্বয়ম্ভূ হিসেবে বিশ্বাস করেন - এমনকি মহাবিশ্বকেও - যদিও আমরা নিশ্চিতভাবেই জানি যে নিজে থেকে কোন জীব সৃষ্টি হতে পারে না!

যাহোক, তাদের এই কু-যুক্তিকে এবার যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে খণ্ডন করা যাক। প্রথমত, আস্তিকরা কখনোই বলেন না যে সবকিছুরই পিতা বা কারিগর বা সৃষ্টিকর্তা থাকতেই হবে। আস্তিকদের বিশ্বাস না বুঝে 'খণ্ডন' করার দাবি করলেই তো আর হবে না! সংজ্ঞা অনুযায়ী স্রষ্টার কোন পিতা-মাতা বা স্রষ্টা থাকতে পারে না। এই ধরণের যুক্তি নিতান্তই শিশুসুলভ ও হাস্যকর শুনায়। যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকেও এটি একটি অসম্ভাব্যতা। কারণ সবকিছুরই পিতা-মাতা বা স্রষ্টা খুঁজতে গেলে অসীম পর্যন্ত যেতে হবে, যেটি বাস্তবে অসম্ভব। দ্বিতীয়ত, সবকিছুরই স্রষ্টা থাকতে হলে এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের কোন অস্তিত্বই থাকতো না। কারণ সেক্ষেত্রে পরের স্রষ্টা তার আগের স্রষ্টার উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তো। যার ফলে কখনোই কিছু সৃষ্টি হতো না। তৃতীয়ত, বিবর্তনবাদ বা যে কোন ধর্মের আলোকে যদি পিতা খুঁজতে খুঁজতে পেছন দিকে যাওয়া হয় তাহলে দেখা যাবে যে প্রথম জীবের পিতা বা মাতা কেউই নেই! প্রথম জীব যদি কোনভাবে একটি ঘড়ি বানাতে সক্ষম হতো তাহলে সেই ঘড়ির কারিগরের কোন পিতা-মাতা থাকতো না। অতএব, নাস্তিকদের এই যুক্তি একদমই ভুল। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে তো বটেই এমনকি বিবর্তনবাদ দৃষ্টিকোণ থেকেও নাস্তিকদের "স্রষ্টার পিতা" যুক্তি কিন্তু সহজেই ধরাশায়ী হচ্ছে। চতুর্থত, নাস্তিকদের বিশ্বাস অনুযায়ী মানুষই যদি স্বয়ম্ভূ (?) হতে পারে তাহলে স্রষ্টার স্বয়ম্ভূ হতে সমস্যা কোথায়! অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, তাদের যুক্তি দিয়েই তাদেরকে খণ্ডন করা যাচ্ছে – যাকে বলে সেলফ-রেফিউটেড।
৯১. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ১২:৫৭
প্রতিবাদীকন্ঠ০০৭ বলেছেন: মেসেঞ্জার দের ব্যাপারে জানি না, তবে স্রষ্টা কেউ আছে কিন, এটা র জন্য তো কোন রেফারেন্সের দরকার নাই, আপনি যদি সত্যি এটার পিছনে চিন্তা করার মত সময় দেন, তাহলেই বুঝবেন স্রষ্টা আছে কি নেই ।
৯২. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ২:৪৩
রিফাত হোসেন বলেছেন: আমি বিশ্বাস করি সুপার ন্যাচারাল খোদা বা সৃষ্টিকারী এলিয়ান আছে যে একক. ও আমাদের সৃষ্টি কর্তা । আল্লাহ ।

কারণ সব কিছুতেই নিয়ন্ত্রণকারী থাকতে হয় । না হলে ভারসাম্য থাকে না । বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় । এটা জীব ও মানব জগতে দেখতে পাই ।

সবচেয়ে রহস্যময় হল মৃত্যু ।

যাই হোক ।

পোষ্টকে প্লাস । আর সৃষ্টিকর্তারও সৃষ্টিকর্তা আছেন । :) এটাও মানি । কিন্তু এটা নিয়ে আমাদের ভাববার বিষয় না । কারণ আমরা তার কাছে কিছুই না । সুতরাং বসের বস নিয়ে না ভাবলেও চলবে ।




৯৩. ২০ শে জুলাই, ২০১১ রাত ৩:৩৩
শুধু প্যচাল বলেছেন: মজার লেখা। জ্ঞানের তেমন কিছুই নেই। আপনার সমস্যা হল-
আপনে অন্ধ বিশ্বাসী।
আপনে যুক্তি বুঝেন এক পক্ষ হয়ে। ইহা শুধু আপনার না বরং সকল আস্তিক নামক মুসলিমদের এই দশা। আপনারা স্রষ্টার প্রমানের জন্য পারলে হিন্দু, খ্রীষ্টান সব একাকার করে দেন, আবার একটু পরেই চোখ উল্টায় বলে বসেন- সবার উপর মুসলমান উপরে-এই জাতীয় কিছু একটা বলে বসেন।

যাইহোক আচ্ছা ওস্তাদ আমার কিছু কুশ্চেন-

স্রষ্টা আছে-ইহা সম্পুর্ন আপনার একার ব্যপার, এই নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঢোল বাজানোর কারনটা কি? আপনার নিজের ভিতরে কি বিশ্বাসের আসলেই অভাব আছে নাকি? যদি থাকে তাহলে প্রশ্ন করে জেনে নিন। জানানোর দরকার নেই।

আচ্ছা মানলাম এই জগতের সব কিছুর সৃষ্টির জন্য আল্লাহ বা স্রষ্টা থাকা দরকার বলে আপনার দাবী। কথা হল এই পৃথিবী, ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতম সৃষ্ট আল্লাহ/স্রষ্টা কি নিজ হাতে সৃষ্টি করেছেন? নাকি তিনি বলছেন আর সৃষ্টি হয়ে হয়ে গেছে? এত গ্রহ নক্ষত্র, ব্যকটেরিয়া, এমিবা এক কোষী প্রানী, এই সকল কিছু তিনি কি নিজ হাতে বানিয়েছেন নাকি বলছেন আর যাদুর মত হয়ে গেছে?

ব্যপারটা হল অনেক প্রশ্ন চলে আসবে এভাবে। কিন্তু আপনারা একটু পরে যেয়ে আর উত্তর দেয়ার সক্ষমতা থাকবেন না। সুতরাং ধর্ম, আল্লাহকে এত ছোট করে প্রকাশ করার কি দরকার?


আপনারা গাছ না লাগিয়ে ফল পেতে চান। এক লাফে দশ তলায় উঠতে চান। কোরান বুঝেন না, না বুঝে ফাল পাড়েন। কোরান নবীর মুখের বানী। এর কোন সন্দেহ আছে?

আপনারা কোরানের বানী,অর্থ, ব্যাখ্যা সব কিছু পরিবর্তন করে ছেন। আল্লাহ এই কোরান সংগ্রহ হেফাজত করবেন, এই রকম ডাহা একটা মিছা কথা বানিয়ে আজ মুসলিম বিশ্বের পাতে ঢালছেন। অথচ এর সরাসরি উত্তর খুজলে দেখা যায় অন্য কিছু লেখা। আবার এইখানে বলছেন আল্লাহ নাকি প্রত্যক্ষ ভাবে সব বলেছেন। আল্লাহ বলছেন তিনি কাফের দ্বারা আবৃত আর আপনারা বানিয়ে দিলেন কাফের গন আল্লাহ দ্বারা আবৃত।

আপনে এবং আপনাদের সবাইকে অনুরোধ, আবেগ, অন্ধ বিশ্বাস ছেড়ে সত্যের পথে আসুন, এইসব গীত গেয়ে নিজেদের হাস্যকর এক প্রানীত বানাছেন, সাথে আল্লাহর সাথে মশকরা করছেন


আপনাদের কাউরে এই কথা বলতে দেখলাম না, মানুষকে ভালবাসলে আল্লাহকে ভালবাসা হয়। মানুষ ও এই সৃষ্টির সাথে তিনি জড়িত। এই সৃষ্টিকে ঘিরেই তিনি। আর আপনারা স্রষ্ঠাকে আলাদা করে তার অস্তিত্ব সাব্যস্ত করছেন। হাস্যকর।
৯৪. ১৫ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:৪৩
গুহাবাসি বলেছেন: লেখক বলেছেন: অন্য ধর্মে বিশ্বাসী হয়ে ইসলাম ত্যাগের প্রশ্ন আসে না। B-))
৯৫. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০১২ রাত ২:১৮
জেবাল বলেছেন: আমি কলা খাই, কলা আমি দেখছি।
আমি সওয়াব খাই, সওয়াবের চেহারাও জানিনা :D
হাস্যকর পোস্ট।
প্রান ভরে হাসালেন।
ধন্যবাদ।
৩১ শে জানুয়ারি, ২০১২ ভোর ৪:১০

লেখক বলেছেন: যত খুশী হাসতে থাকুন। মোটা মাথা থেকে নাকি হাসি ছাড়া অন্য কিছু বেরোয় না!

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৪১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি লেখক নই, নই কোন কবি-সাহিত্যিক কিংবা সাংবাদিক। অবসরে কিছু লেখালেখির চেষ্টা করি মাত্র।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই