১
ওয়াক থু..থু
গেট থেকে বেরিয়েই ইমন কয়েকবার ওয়াক করে থুথু ফেলে।তীব্র ঘৃণায় কিংবা আনন্দে
বিমবিষা কিনা বোঝা গেল না।ছাত্রটা 'ও' লেভেলে পড়ে।সপ্তায় পাঁচদিন পড়াতে
হয়।কয়েকদিন আগে ছাত্রের অনুরোধে কিছু বইয়ের নাম লিখে দিয়েছিল।পথের
পাঁচালী,পদ্মা নদীর মাঝি....।তাকে কয়েকটি বইয়ের উপর বুক রিভিউ লিখতে
হবে।আজকে হঠাৎ করে ছাত্র বলছে ,স্যার এসব কি বইয়ের নাম লিখে দিয়েছেন সব
ছোট লোক,ভিখারীটাইপ মানুষের কথা?একটু অন্যটাইপের বইয়ের নাম বলেন
প্লীজ!ইমন এমনিতেই রাশভারী স্বভাবের লোক।সাহিত্যের প্রতি তার একটা
ভালোবাসা আছে।কথাটি শুনার পর থেকে পাথরের মত বসে থাকে।একবার ভাবে ঠিকইতো
পথের পাঁচালীতো গরিব মানুষেরই জীবন গাঁথা।তবে ছোট অথচ তীক্ষ্ণ একটা
প্রতিবাদ করে।বলে এই যে তুমি বললে,সবছোট লোক আর ভিখারীটাইপ মানুষের
কথা?এর মধ্যে একটা বড় ভুল আছে তুমি তাদেরকে ছোট লোক বলতে পার না।ভিখারী?
হ্যা এটা ঠিক আছে।ভিখারী কিংবা গরীব।তবে ছোট লোক নয়।ছোট লোক মানে নীচ
প্রকৃতির ।আর এই নীচ প্রকৃতির মানুষ ধনী গরীব সবার মধ্যেই থাকে।স্যার তবে
যে আমরা জানি বড়লোক মানে ধনী আর ছোটলোক মানেতো এতদিন গরীবলোকই জানতাম
আর গরীবলোকেরাতো অনেকটা নীচই হয় নাকি স্যার ?ইউ সাট আপ।পৃথিবীতে একদিন
ধনী গরীব বলে কোন ডিভিজন ছিলনা।আজকে যে ধনী গরীব বিভাজন দেখছো তা যুগে
যুগে কিছু লোভী ,নীচ এবং পাশবিক মানুষ তৈরী করে গিয়েছে।
অনেকটা উত্তেজিত হয়ে পড়েছিল।সাধারণত ইমন এতটা রাগান্বিত সহজে হয় না।
মাথা ধরার কথা বলে বেরিয়ে আসে।
২
ইমন আজকে নদীর পাড়ে এসে বসেছে।অনেক অনেক দিন পর এখানে আসা।এ নদীর কাছে সে
নিজেকে সবসময় ঋণী ভাবে।এখানের কত সুন্দর স্মৃতি !কত অবিনশ্বর স্মৃতি গাঁথা
হয়ে আছে।
নদীর জল নদীর বাতাস তাকে উন্মণা করে এখনো।
রুম্পার কথা মনে পড়ে।হায় রুম্পা!
ইমন শান্ত স্বভাবের ।ভরাট গলা।ক্লাশে বিতর্ক কিংবা কবিতা পাঠ করলে সবাই কেমন একটা ঘোর অনুভব করে।প্রতিটা বিতর্ক প্রতিযোগিতার মধ্যমণি হয়ে থাকে।কথায়, যুক্তি তর্কে ফালাফালা হয়ে যায় প্রতিপক্ষ।বন্ধু বান্ধব খুব বেশি ছিল না।অন্র্তমূখী স্বভাবের ছিল বলে কারও সাথে খুব একটা বন্ধুত্ব গড়ে ওঠেনি।
একদিন শীতের সকালে দরজায় নক করে রুম্পা।শিশির ভেজা পা।গায়ে গরম কাপড়।গলায় মাফলার।ইমন অবাক ।আগে পরিচয় নেই।রুম্পা বলে
-জানেন আমি কত কষ্ট করে আপনার দুয়ারে এসছি?আপনার কবিতা শুনে আমি আপনার ভক্ত হয়ে গেছি।কেন জানিনা, আমার আপনার সাথে আমার একটু পরিচিত হওয়া দরকার মনে হল।আমি আপনার ক্যাম্পাসের বাংলা লিটারেচারের ছাত্রী।ডিবেট ক্লাবের আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে আপনার ঠিকানা উদ্ধার করেছি।
রিনরিনে গলায় একাধারে বলতে থাকে রুম্পা।পাতলা ঠোঁট,মুখে সারল্য,চোখে চঞ্চলতা।ইমন রুম্পাকে রুমে নিয়ে বসতে দেয়।তারপর থেকে শুরু...
ইমন আকাশ আগেও ভালোবাসত ।কিন্ত্ত রুম্পা নতুন করে আকাশ ভালোবাসতে শেখায়।নদী আগেও ভালোবাসত রুম্পা নতুন করে নদীর রুপ দেখায়।বৃষ্টি,বিকেল,সকাল,ফুল পাখি,আলো আঁধারের সৌন্দর্য্য ইমন নতুন করে আবিষ্কার করে।গ্রাম,মেঠোপথ,অরণ্য দিনের পর দিন তাদের যৌথ পদচারণায় মুখরিত হতে থাকে।নদীর তীরে এসে প্রায়ই আড্ডা দেয়।হাতে হাত রেখে বিকেলের করুণ আলো গালে মেখে তারা আবৃত্তি করে চলে-
ঠিক এইভাবেই হাতে হাত রেখে হেঁটে যাব
উদয়াচল থেকে অস্তাচল ঠিক এই পথ ধরে
যতদূর দেখা যায় সামনে সুদূর
অনন্তপথ। ঠিক এইভাবেই পাড়ি দেব
জমাট বিকেল নীল আকাশ মেঘ রোদ্দুর
পাশাপাশি। হাতে হাত রেখে
চারচোখে খুঁজে নেব এক পৃথিবী
রেখে চোখেতে চোখ দেব চা'য়েতে চুমুক
মিষ্টি হাসি রাশি রাশি
এইতো জীবন!!
একবার রুম্পা বন্ধুদের সাথে শাল বন বিহার যায়।ইমনকে ফোন করে বলে শাল বন বিহারে একটা বড় গাছে সে ইমনে নামটা লিখে দিয়েছে আঁচড়ে আঁচড়ে।ইমন কেমন উন্মন হয়ে ছুটে যায় শালবনে অনেক খুঁজে খুঁজে গাছটা বের করে তার নামের নামের পাশে লিখে আসে রুম্পার নাম।আহা!ফায়ারিং স্কোয়ডের নির্জন রাস্তায় কত শত বিকেল হাট ধরে ধরে হেঁটেছে দু'জন।বিকেলের শান্ত আলো গুমোট হয়ে যেত দু'জনের ভালোলাগায়।
একটু সময় পেলেই তারা ছুটে যেত যেদিকে চোখ যায়।অমন সময়গুলো ছাড়া জীবনটা প্রায় শূণ্য মনে হয় ইমনের ।ইমন নিজে থেকেই প্রগতিশীল ছিল।তবুও সরাসরি কোন পার্টির সাথে যোগাযোগ ছিল না।রুম্পা একদিন জোর করে নিয়ে যায় পার্টি অফিসে।পরিচয় হয় অনেকের সাথে যারা একটা সুন্দর পৃথিবী গড়বে বলে দুঃস্বপ্ন দেখে কিংবা একটা স্বপ্ন প্রদীপ জ্বেলে রাখে।
এক শিক্ষা শিবিরে কমরেড রতনের কথায় সে উদ্দীপ্ত হয় ।কমরেড রতন সুন্দর করে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বলে যান স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখার উপায়।তিনি বলেন মানুষ মরে যাবে বলে যদি আগে থেকেই কবর কিংবা শ্বশানে গিয়ে বসে থাকে তাহলে একটি দিন ও পৃথিবীর সামনে এগুবে না।পতন দেখে আমাদের আপস করলে চলবে না।আমরা সারাজীবন ক্ষীণ হোক তবুও আমাদের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখব।আর যেদিন আমরা যোগ্য হয়ে উঠব সেদিন বাধ ভাঙ্গা জোয়ারে সব ভেসে যাবে।সব ।যা কিছু অসুন্দর।
৩
একদিন রুম্পা ভেজা চোখে ক্ষমা চাইতে আসে।বলে আমি আর পারছি না ইমন।আমি অনেক দূরে চলে যাচ্ছি।আমাকে ক্ষমা করো।ইমন চোখ মুছে দিয়ে বলে, যাবে যদি যাও, তবে হাসি মুখে।আমি, তোমার আমার এ কদিনের যে সময়টা কেটেছে এসময়টাকে মনে করে জীবন জীবন পার করে দিতে পারব রুম্পা।শুধু বলব ভুলে যেও না।যেখানেই যাও শুধু বলব মনে রেখ।ভুলে গেলে পাপ হবে রুম্পা ।অনেক বড় পাপ হবে।
বিয়ের আগে কয়েকদিন শুধু কান্না আর কান্নায় ভেসে যেতে থাকে দু'জন।ফোন এলেই কানে লাগিয়ে নিঃশব্দে কেঁদে চলে দু'জন।একেকবার ভাবে পালিয়ে যাবে।আবার একজনের হিসেব মিলে তো আরেকজনের হিসেব মিলে না।ইমন কবিতা শুনায়-
আমার কষ্টের ভাঁজে ভাঁজে সুখের ছোঁয়া
ধূসর গাঙ্গের চরে, অবাক জ্যোৎস্নাধোয়া
শীতল আগুন বুকে জ্বলে শিখি নষ্ট হওয়া।
তোমার কথা ভেবে শিহরিত হই
যদি তুমি আস ফিরে তাই জেগে রই।
একাকি পথিক হাটি একলা পথে
কেউতো আসেনা আমার হাত ধরে সাথে
কষ্টে পোড়াতে গিয়ে দিলে কত সুখ
সেই সুখে অঝরে ঝরে আমার দু'চোখ।
দখিনা বাতাস বয় মলয় হাওয়া
পথে পথে হলো সখি যা কিছু পাওয়া
তাই আমি ভালোবেসে মুঠোভরে সাথে
গতিময় বয়ে যাব উদাসীন পথে।
নদীর পাড়ে বসে ইমন ভাবতে থাকে এলোমেলো সব ভাবনা।রুম্পা বলত সে নদী হবে।হয়তবা তাই, নদী দেখলেই রুম্পার কথা মনে পড়ে।
৪
ইমন শহর থেকে বাড়ি এসেছে।ইমনদের অনটনের পরিবার।ছোট ভাই পড়ালেখা বাদ দিয়ে একটা চাকরি জুটিয়ে নিয়েছে।ইমন খেয়াল করে মা একটু বেশি বেশি ছোট ছেলের প্রশংসা করে ।পরিবারের যেকোন বিষয়ে আগে ইমনকে জিজ্ঞেস করা হত। আজকাল তাও হয় না।ছোট ছেলে আর বোনেরা মিলে সব সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়। সে জানতে ও পারে না।ইমন কতদিন হলো পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে বসে আছে।কিন্ত্ত চাকরি হবে হবে করে ও হচ্ছে না।কয়েক জায়গায় চাকরির জন্য পরীক্ষা দিয়ে এলো।ভাবছিলো চাকরিটা বুঝি হয়েই গেল।কিন্ত্ কোথাকার কি।কিছুদিন আগে এক বন্ধু একটা পেকেজ অফার নিয়ে এলো।বলল দোস্ত এদেশে ভালো ভালো পরীক্ষা দিয়ে চাকরি হবে না।আমার কাছে একটা পেকেজ অফার আছে ।চার লাখ টাকা হলেই হয়ে যাবে।ইমনের বড় অশ্লীল লেগেছিল প্রস্তাবটা।সেই বন্ধুটি নাকি এখন জমিয়ে চাকরি করছে।
পরিবারে ইমনের গুরুত্ব কমলেও মা প্রায়ই ছেলেকে নিয়ে গর্ব করে।ছেলে একদিন বড় চাকুরে হবে, দু'হাতে রোজগার করবে ,সে খুশিতে মায়ের চোখ ঝলমল করে।ইমনের চাকরির বয়সটা দিনদিন কমেই আসছে।টাকা পয়সা বেশি থাকলে একটা বিকল্প পথ হয়ত খুঁজে নিত।ছোট খাট একটা ব্যবসায় নিয়ে বসে যেত।মানুষ কত ভাবেই তো বেঁচে থাকে। কিন্ত্ত সে উপায় ও নেই।বাবার যে সম্পদ, তার মধ্যে মাঝারীর সাইজের বাড়িটা আর সামান্য জমি।চাকরির প্রয়োজনে হয়ত বাবা সে সম্পদ খোয়াতেও রাজি হবে।ইমন ভাবতে ভাবতে একটা পথ যেন পেয়ে যায়।পরক্ষণেই এমন অশ্লীল চিন্তার জন্য নিজেকে ধিক্কার দেয়।অনুসূচনায় জর্জরিত হতে থাকে।ভাবতে থাকে সে কী করে এমন নষ্ট চিন্তা করতে পারে আজকাল?মেজাজটা বিগড়ে যায়।মায়ের মুখটাকে ,হাসিটকে মনে হয় হাঙ্গরের মুখ। যেন এখনই দাঁত বের করে আসছে হা করে গিলে ফেলতে।
অনেকটা তড়িঘড়ি করেই ইমন বাড়ি থেকে চলে আসে।একে ঠিক চলে আসা বলা যায় না। যেন পালিয়ে এসেছে।
৫
আজকাল ইমনের মনটা খুবই খারাপ যাচ্ছে ।চারদিক থেকে যেন অন্ধকার ঘিরে ধরছে।ছাত্র পড়াতেও খুব একটা যেতে ইচ্ছে করে না।খাবার দাবার ও ঠিক মত করতে ইচ্ছে করে না।চুল উসকো খুসকো করে বিছানায় পড়ে থাকে।
একদিন টিউশন সেরে এসে দেখে রুমে রুম্পা বসে আছে।বুকের ভেতরটা ধরাক করে উঠে।রুম্পাকে দেখে যেন শরীরে প্রাণ আসে।রুম্পাকে অনেক সুখী মনে হচ্ছে।কিছুটা মোটিয়ে গেছে ।কবে অনেক শান্ত আর ধীর স্থীর ।শরীর থেকে দামি পারফিউম আসছে।ইমনের মাথা ধরে সে গন্ধে।রুম্পাকে অনেক সুখী মনে হতে থাকে।আর অনেক পরিবর্তন।
কথায় কথায় স্বামীর প্রশংসা।রুম্পার নামের পেছনে স্বামীর নাম ও বলতে দ্বিধা করে না।
রুম্পা আঙ্গুল নেড়ে নেড়ে স্বামীর বাড়ির কথা বলতে থাকে,স্বামীর কথা বলতে থাকে ।সে এখন রুম্পা জামিল। তার সাহেব সরকারি চাকুরে ।ইমনের শরীরে জ্বালা ধরে যায়।শরীরটা রি রি করতে থাকে।রুম্পা একটানা বলে যায়।রুম্পার হাতের দশটা আঙগুল তার কাছে অক্টরাপাসের মত মনে হয়।প্রসঙ্গ পাল্টানোর জন্য ইমন বলে-
-তারপর পার্টির কি খবর রুম্পা?যোগাযোগ আছে?
রুম্পা কিছুক্ষণ চুপ মেরে থাকে।অগত্যা বারবার জিজ্ঞাসার পর বলে
-আমি এখন রেডিক্যাল চেইঞ্জ করেছি ইমন।পার্টির সাথে আমার যোগাযোগ নেই ।আর রাখতেও চাই না।আমি জীবনকে বুঝতে শিখেছি ।নাউ আই লার্নড ইনাফ হাউ টু এনজয় ইট।তোমাকেও বলি এমন ছন্নছাড়া জীবনের কোন মানে নেই ।এইসব সেকেলে চিন্তা ভাবনা ছেড়ে দিয়ে জীবনটাকে গুছিয়ে নাও।অনেক সুখী হবে ।বৈধ অবৈধ চিন্তা নিয়ে যারা পড়ে থাকে তারা সারাজীবন পড়েই থাকবে আর উঠে না দাঁড়াতে পারে না।
ইমনের মাথায় যেন বাজ পড়ে।তার সকালে না খাওয়ার কথা মনে পড়ে যায়।মাথার ভেতরটা ভো ভো করতে থাকে।সে উঠে দাঁড়ায়।তার অনেক পিপাসা পায়।কাঁপা হাতে দরজাটা বন্ধ করে।
হাতে একটা ছোরা নিয়ে রুম্পার সামনে দাঁড়ায়।মাতালের মত বলতে থাকে আমি অনেক তৃষ্ণার্ত রুম্পা,অনেক ক্ষুধার্ত।আমার অনেক জল চাই।আমাকে বাধা দিও না।অনেক জঠর জ্বালা।আমি আজ জ্বালা মেটাবো।আমার তৃষ্ণা মিটে গেলে এই ছুরিটা আমি তোমাকে দিয়ে দেব।আমাকে বাধা দিও না।তাহলে পরিণামে রক্তরঙ্গিন হয়ে যাবে।বুনো শুয়োরের মত ইমন এগিয়ে যেতে থাকে রুম্পার দিকে ।রুম্পা বাঁধা দিয়ে আর পারে না।ইমন তৃষ্ণার জলের খুঁজ করতে থাকে রুম্পার শরীরের অজানা ভাজে ভাঁজে।কাঁপা হাত এগিয়ে যেতে থাকে স্পর্শ ইনদ্রিয় থেকে আরেক স্পর্শ ইন্দ্রয়ে।সেই কাঁপনে রুম্পা কেঁপে উঠে।কেঁপে উঠে বিছানা।ইমন গো গো করতে থাকে।আর বলতে থাকে আমিও আমার রেডিক্যাল চেইঞ্জ করেছি রুম্পা।আমি আমার রেডিক্যাল চেইঞ্জ করেছি।আমি এসব সেকেলে চিন্তা সব বের করে দেব শরীরের ঘামের ফোটায় ফোটায়।কামে ক্রোধে ইমন ছিন্নভিন্ন করে চলে অচেনা পথের বাঁধার দেয়াল।একসময় দুটি শরীর নিরব নিথর পড়ে থাকে।ছুরিটা দাঁড়িয়ে থাকে টেবিলের কাঠের উপর।
৬
ইমন জমি বিক্রি করেছে।সে একটা পেকেজ অফার পেয়েছে।এই সুযোগটা সে মিস করতে চায় না।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৮:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

