আমি একদিন কবিতা লিখতে শুরু করি
রোম্যান আমার বন্ধু কবিতা পড়ে বলে
বাহ তুই দারুণ লিখিসতো! তোর লিখাই উচিত
আমি সাহসী হয়ে উঠি,একে একে লিখে ফেলি
অর্ধ শতক কবিতা তারপর আর পারিনা
ভেতরটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেল যেন
সব কালি ফুরিয়ে কবিতার নদী তখন ধূধূ বালুচর।
রোম্যানকে লিখতে না পারার কথা বলি
বলি আমি আর কিছু খুঁজে পাইনা লিখার
সে অবাক হয়ে বলে খুঁজতে গেলেতো পাবিই না
খুঁজার দরকার নেই শুধু লিখে যাবি।
আমি কিছুটা ভ্রূকুটি করি-
এমন সময় একটা বজ্রপাত হলো
চারদিকে আচমকা আলোর ঝলকানি
তারপর চারদিক অন্ধকার ঘন অন্ধকার
তারপর নিরবতা ভেঙ্গে ভয়ানক শব্দ
কানে তালা লেগে গেল!
চুপচাপ কিছুক্ষণ তারপর রোম্যান বলল
দেখেছিস?আমি বললাম কি?
সে বলল বজ্রপাতের সিকোয়েন্সগুলো
আমি হাসি।সে কিছুটা ক্রোধান্বিত হয়ে বলে
লেখার এত টপিকস দিয়ে কি হবে?
টপিকস খুঁজতে হবে কেনো?
লেখাই টপিকস হয়ে যাবে।
লিখে যা!আমাদের শহরের হাজারো মানুষের কোষ্ঠকাঠিন্যের কথা।
কত শত লোক এতে ভোগছে সেই সব মানুষের কষ্টের কথা লিখে যা।
তারপর থেকে আর টপিকসের অভাব হয়না
লেখাই টপিকস বের করে আনে
ধরুন এই যে এই লেখাটা যেটা আপনারা এতক্ষণ পড়লেন।
যারা এই সমস্যায় ভুগেন তাদের জন্য।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

