কোথায় যাব?
মাথার উপর ঠাঠা রোদ
চারদিকে দাবদাহ
কেবলি ঝরছে ঘাম!
একদিন আমরা ভরা পূর্ণিমায়
মিলিত হয়েছিলাম একঝাক পাখি
সেখানে এলোমেলো হাওয়া আর থৈথৈ জ্যোৎস্না ছিল
সেই জ্যোৎস্না ছুঁয়ে সেদিন শপথ নিয়েছিলাম
আমরা একদিন প্রেম হব ছায়া হব সবুজ হব
বালিকার লাজের লাল আভা হব তার গালে
হব আজীবন জ্যোৎস্নাক্ষরা মাতাল প্রেমিক......
দিলারার দুয়ার অনেকদিন থেকে বন্ধ
সে আর খিড়কি খোলে না
জানিনা সে ঘরে কতটুকু জ্যোৎস্না আর
কতটুকু বদ্ধ উটকু হাওয়া
আর রুম্পা খাঁচায় বন্দি শান্ত নিরীহ পাখি
মাঝে মাঝে ডানা ঝাপটায় কিন্ত্ত উড়তে পারেনা
সেদিন অন্ধকারে শাহরিয়ারের সাথে দেখা
আহা! আমাদের সেই শাহরিয়ার!
সে বলল-
সিঙ্গার বিল পয়েন্ট দিয়ে মাল পাস হলে-
আখাউড়া রেলজংশন তারপর ঢাকা পৌছলেই----
ফেনাময় মুখ যেন তার করাতদন্ত হাসি
জুবায়ের যার চাঞ্চল্যের কাছে
দুপুরের রোদ সবসময় হার মানতো
এখন তার ডানহাতে প্লাটিনাম
আর বামহাতে ডায়মন্ড জ্বলজ্বল করে
জেরিন তোমায় পড়ছে মনে
আজও কি কবিতা পড়ো
ডাগর ডাগর রক্তচোখে
আজও আমায় ঘায়েল করো?
কতবার যে বলতে চেয়ে
হয়নি বলা সেই কথাটা
কথা আমার আটকে যেত
যেন বিদ্ধ গলায় কাটা
ব্যর্থ অক্ষম যন্ত্রনাতে
দু'চোথ হতো গঙ্গাসাগর
আজকে যদি দেখা হতো
মিটিয়ে নিতাম কষ্টপ্রহর
কাজলাদিদি এখন কোথায় কেউ বলতে পারেনা
তার বিপ্লবী স্লোগান কবে রোদের তাপ হয়ে গেল
সে কথা ভাবলে কোন দিনক্ষণ মনে পড়ে না
কোথায় যাব?
মাথার উপর ঠাঠা রোদ
চারদিকে দাবদাহ
কেবলি ঝরছে ঘাম!
হাঁটছি পথেযাচ্ছি কোথায়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


