somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

[sbকৌতুক কালেকশন!!

২৮ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমেরিকায় এক ধরণের বিলাস বহুল বাথরুম আছে।
সেই বাথরুমের ভিতরে ৭টি সুইচ আছে
১ম সুইচ টিপলে জামা কাপড় খুলে দেয়
২য় সুইচ টিপলে সাবান মেখে দেয়
৩য় সুইচ টিপলে গোসল করিয়ে দেয়
৪র্থ সুইচ টিপলে জামাকাপড় পড়িয়ে দেয়
৫ম সুইচ টিপলে চুল আচঁড়িয়ে দেয়
৬ষ্ঠ সুইচ টিপলে সেন্ট লোশন মেখে দেয়
৭ম সুইচ টিপলে লাথি দিয়ে বের করে দেয়
এক অলস বাংলাদেশী সেই রকম একটি বাথরুমে ঢুকে অলসতার কারণে ১ম সুইচ টিপে ৭ম সুইচ টিপল।
কেউ বুঝতে পেরেছেন তার কি হয়েছে?
না বুঝতে পারলে যোগাযোগ করু
B-)আমেরিকান, জাপানি ও বাঙ্গালি তিনজনে এক স্থানে গিয়ে জিম্মি হওয়ায় তারা বলল যে, তোমাদের চামরা দিয়ে নৌকা বানানো হবে। তোমরা কে কিভাবে মরতে চাও? আমেরিকান বলল যে, ফাসিতে, জাপানি বলল যে গুলি করে। বাঙ্গালি বলল যে, আগে আমাকে একটা চামচ দাও । পরে তাকে চামচ দিলে সে চামচ দিয়ে পেটে ফুটা করে বললো যে এবার তোরা আমাকে যেভাবে মারো মর । তোরা নাকি আমার চামরা দিয়ে নৌকা বানাবি বানা। :P:-/:

B-) বাসর রাতে বিড়াল মারার কাহিনী

বাবা মৃত্যুশয্যায়। পুত্রকে ডেকে পাঠালেন।
—বাবা, ডেকেছ?
—হ্যাঁ, আমার ডাক এসে গেছে, যাওয়ার আগে একটা শেষ উপদেশ দিতে চাই।
—বাবা, সারা জীবন তোমার উপদেশ শুনে এসেছি। শেষ বেলায় এসে আর বিয়ে করতে নিষেধ কোরো না। মলিকে আমি কথা দিয়ে ফেলেছি।
—না না, আমি এতটা অবিবেচক বাবা নই। আমি আধুনিক যুগের বাবা, তবে... তবে একটা অনাধুনিক উপদেশ দিতে চাই...।
—কী?
—আগের যুগে সবাই বাসর রাতে বিড়াল বধ করত... এ কাজটা আমি না করে বিরাট ভুল করেছিলাম...।
—করোনি কেন?
—আসলে করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে বিড়ালটি ছুটে পালিয়ে যায়। সেই জন্য বলছিলাম, অন্তত দুইটা বিড়াল রাখবে। একটা ছুটে গেলে আরেকটা... এটাই আমার শেষ উপদেশ... আশা করি তাহলে বাকি জীবন সুখে থাকতে পারবে! বলে বাবা চোখ বুজলেন। পুত্র একবার ভাবল, পিতার শেষ নিঃশ্বাস পতনে হাউমাউ খাউ করে কেঁদে উঠবে, তা না করে পকেট থেকে মোবাইল বের করে মলিকে ফোন দিল।
আমাদের গল্পের সদ্য পিতৃহারা পুত্রের নাম ধরা যাক জগলুল, জগলুল হায়দার। সে পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র। ইচ্ছে ছিল ভালো রেজাল্ট করে বড় বিজ্ঞানী হবে, সে সম্ভাবনার চিটাগুড়ে কক্সবাজার সি বিচের বালি ফেলে সে এখন একটা প্রাইভেট ব্যাংকের ক্যাশিয়ার। বন্ধুরা তাকে তার চাকরি নিয়ে ঠাট্টা করে বলে, ‘তুই একটা অপদার্থ, নইলে পদার্থবিজ্ঞান পড়ে ব্যাংকের ক্যাশিয়ার? এর চেয়ে বাপের হোটেলে বেকার ম্যাসিয়ার ছিলি, সেটাই বরং ভালো ছিল!’ বন্ধুদের ঠাট্টা-তামাশায় কান না দিয়ে সদ্য পিতৃহারা পুত্র জগলুল এবার সংসারের দিকে মন দিল। মলিকে বিয়ে করল। তবে বাবার শেষ উপদেশ পালনের সিদ্ধান্তও নিল। যদিও মলির সঙ্গে তার টানা চার বছরের ক্রমিক প্রেম!
বাসর রাত। দক্ষিণের জানালা হাট করে খোলা। নতুন বাড়ি বলে গ্রিল লাগানো হয়নি এখনো। হু হু করে বাতাস ঢুকছে। আকাশে পূর্ণ চাঁদ। খুবই রোমান্টিক পরিবেশ।
—খাটের নিচে একটা বাক্স দেখছি। নববধূ মলি বলে।
—হুঁ
—কিসের বাক্স? আবার দড়ি দিয়ে বাঁধা।
—ইয়ে মানে ও কিছু না... একটা একটা... জগলুল ইতস্তত করে!
—একটা?
—একটা না দুটা
—দুটা কী?
—দুটা বিড়াল।
—বাক্সের ভেতর দুটা বিড়াল?
—হ্যাঁ, শ্রডিঙ্গারের বিড়াল। এই বাক্সের ভেতর একটা গাইগার আছে, আর আছে সায়ানাইড গ্যাস আর হাতুড়ি... বিড়াল তো আছেই... বাক্সটা না খোলা পর্যন্ত ওই বাক্সে আছে দুটি বিড়াল, একটি মৃত আর একটি জীবিত... (বাবা বলেছিলেন দুটি বিড়াল রাখতে) বিজ্ঞানী শ্রডিঙ্গারের বিখ্যাত সূত্রটা গভীর আবেগে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র জগলুল হায়দার... সে ভুলে যায় যে সে একটা প্রাইভেট ব্যাংকের ক্যাশিয়ার...সদ্য পিতৃহারা পুত্র এবং সদ্য স্বামী, মলির... সে এই মুহূর্তে কোয়ান্টাম মেকানিকসের জনক শ্রডিঙ্গারের ভাবশিষ্য যেন!
তবে খুব বেশিক্ষণ তার বক্তৃতা চালাতে হয় না। মৃদু নাসিকা গর্জনে জগলুল খেয়াল করে, নববধূ ...তার চার বছরের ক্রমিক প্রেমিকা মলি উঁচু বালিশে হেলান দিয়ে দিব্যি ঘুমাচ্ছে। এই সময় ঘরে বাসর রাতের ফুলের গন্ধ অতিক্রম করে কেমন একটা বোটকা গন্ধ টের পায় জগলুল। তবে কি শ্রডিঙ্গারের জীবিত ও মৃত বিড়াল প্রাকৃতিক কাজ সারল বাক্সের ভেতর? সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে জগলুলের চোখজোড়াও নিমীলিত হয়ে আসে... এই সময় বাইরে একটা অস্পষ্ট হাউ-কাউয়ের শব্দ শোনা গেল।
কতক্ষণ তারা ঘুমিয়ে ছিল বলা মুশকিল। তবে মলির ধাক্কায় ঘুম ভাঙল জগলুলের।
—এই? এই?
—কী হলো?
—খাটের নিচে তোমার বিড়াল দুটা মনে হয় বের হয়ে গেছে... খচর-মচর শব্দ করছে। ওদের ঘর থেকে বের করো তো... বোটকা গন্ধও বের হয়েছে!
—বিড়াল তো একটা।
—তুমি যে বললে দুটা?
—সেটা পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায়...জগলুল খাটের নিচে হাত ঢোকায়। হ্যাঁ, মলির কথা হয়তো ঠিকই, বাক্স ছিঁড়ে বিড়াল বের হয়ে গেছে। হতেই পারে, জুতার বাক্স আর কত শক্ত হবে। কিন্তু বিড়ালটা এত বড় কেন? আন্দাজে ঘাড়ের কাছে ধরে (বিড়ালকে ওভাবেই ধরতে হয়) খাটের তলা থেকে বের করে আনে জগলুল। ঘরের লাইট জ্বলাই ছিল। হঠাত্ একটা আর্তচিত্কার দিতে দেখে মলিকে। তার পরই বিছানায় পড়ে জ্ঞান হারায় মলি। এবার নিজের হাতে ধরা বিড়ালটার দিকে তাকায় পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র জগলুল, তার হাতে ধরা একটা মাঝারি সাইজের রয়েল বেঙ্গল টাইগার। ঠিক এই সময় হুড়মুড় করে দরজা ভেঙে কয়েকজন ঢোকে, ‘এই যে, এই যে, এই ঘরে পেয়েছি ব্যাটাকে, খোলা জানালা দিয়ে ঢুকেছে, ভাই শক্ত করে ধরে থাকুন, ব্যাটা চিড়িয়াখানা থেকে পালিয়েছে ... এই জালটা। এদিকে ধরো...।’
বাকি জীবন জগলুল হায়দার সুখে কাটিয়েছে।




১. কম্পিউটার অনেকটা মানুষের মতোই। মাত্র একটিই পার্থক্য—এটি নিজের দোষ অন্য কম্পিউটারের ঘাড়ে চাপাতে পারে না।
২. একটি বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় চুরি। আর কয়েকটা বই থেকে নিয়ে লিখলে সেটা হয় গবেষণা।
৩. প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি হলেন তিনি, যাঁর বৃদ্ধি ওপর ও নিচ এ দুই প্রান্ত থেকে থেমে গেছে, কিন্তু পাশে বাড়ছে।
৪. হে প্রভু, আমাকে ধৈর্য দাও। এখনই দাও। এক্ষুনি।
৫. নির্বোধের সঙ্গে তর্কে যেয়ো না। সে তোমাকে নিজের পর্যায়ে নামিয়ে আনবে এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে তোমাকে হারিয়ে দেবে।
৬. মানুষ মাত্রেরই ভুল হয় কিন্তু অফিস মাত্রই তা ক্ষমা করে না।
৭. আমি আমার দাদার মতো ঘুমের মধ্যে শান্তিতে মরতে চাই, তাঁর বাসের যাত্রীদের মতো চিত্কার করতে করতে নয়।
৮. শিশুর সংজ্ঞা হলো—যাদের জন্মের পর প্রথম দুই বছর চলে যায় হাঁটা আর কথা শেখায় এবং তার পরের ১৬ বছরই কেটে যায় তাদের মুখ বন্ধ রাখা আর স্থির হয়ে বসা শেখায়।
৯. আপনার যথেষ্ট পরিমাণ টাকা আছে, শুধু এটা বোঝাতে পারলেই আপনি কোনো ব্যাংক থেকে টাকা ধার পেতে পারেন।
১০. যদি তোমার মনে হয় যে তুমি বেঁচে আছ নাকি মরে গেছ, তা নিয়ে কারও কোনো মাথাব্যথা নেই, তাহলে এক-দুই মাস বাড়ি ভাড়া দেওয়ার কথা ভুলে গিয়ে দেখ।
১১. ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত হয়ে পড়লেই কেবল আমরা উপসংহারে পৌঁছাই।
১২. কখনো কোনো পরিস্থিতিতেই ঘুমের ওষুধ আর জোলাপ একসঙ্গে খাবেন না।
১৩. সন্ধ্যার খবর শুরু করা হয় ‘শুভ সন্ধ্যা’ বলে। এরপর একে একে বলা হয় সন্ধ্যাটি কেন শুভ নয়।
১৪. যদি বলো আকাশে চার বিলিয়ন তারা আছে, তাহলে না গুনেই সবাই সেটা বিশ্বাস করবে। কিন্তু যদি বলা হয়, মাত্র রং করেছি, চেয়ারের রংটা এখনো শুকায়নি, তাহলে সবাই হাত দিয়ে দেখবে।
১৫. লক্ষ্যভেদ করতে চাইলে প্রথমে তীর ছোড়ো, তারপর যেটায় লাগে সেটাকেই লক্ষ্যবস্তু হিসেবে প্রচার করো।
১৬. সময় খুবই ভালো উপশমক, কিন্ত রূপসজ্জাকর হিসেবে খুবই খারাপ।
১৭. আতিথেয়তা এমন একটি গুণ, যার কারণে অতিথিরা ভাবে, যেন তারা নিজের বাড়িতেই আছে।
১৮. আমি কাজ খুব ভালোবাসি। কাজ আমাকে আকৃষ্ট করে। আর তাইতো আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকে কাজের দিকে শুধু তাকিয়েই থাকি।
১৯. একজন সেলসম্যান হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি এমনভাবে আপনাকে নরকে যেতে বলবেন যে আপনি যাত্রার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবেন।
২০. একটি কার্ডের লেখা: তুমি ছাড়া জীবনটা খুবই দুঃসহ। মনে হচ্ছে, তুমি এখনো আমার সঙ্গেই আছ।
২১. সব পুরুষই বোকা, আর আমি তাদের রাজাকে বিয়ে করেছি।
২২. মৃত্যু বংশানুক্রমিক একটা ব্যাপার।
২৩. পুরুষেরা কি ঘরের কাজে সাহায্য করে?
—করে। মেয়েরা যখন ঘর পরিষ্কার করে, তখন তারা পা তুলে বসে।
২৪. পৃথিবীতে তিন ধরনের মানুষ আছে—১. যারা গুনতে পারে। ২. যারা গুনতে পারে না।
২৫. মানুষ যতদিনে বুঝতে পারে যে তার বাবা ঠিক কথাই বলত, ততদিনে তার ছেলে বড় হয়ে তার ভুল ধরতে শুরু করে।
২৬. হে প্রভু, যদি আমার ওজন না-ই কমে, তাহলে আমার বন্ধুদের মোটা বানিয়ে দাও।
২৭. ‘সংক্ষেপকরণ’ শব্দটি নিজে এত লম্বা কেন?
২৮. অনেক ভালোবাস? তাহলে তাজা গোলাপ ২৪ ক্যারেট সোনার ভেতর সিলমোহর করে পাঠাও।
২৯. সেদিন একটি মেয়ে আমাকে ফোন করে বলল, ‘চলে এস, বাড়িতে কেউ নেই।’ তার দেওয়া ঠিকানায় গিয়ে দেখি সেটি একটি পোড়োবাড়ি। সেখানে আসলেই কেউ থাকে না।
৩০. হাই! আমি ভাইরাস। আপনার মস্তিষ্কে ঢুকতে যাচ্ছি। ওয়েট! মস্তিষ্ক খুঁজছি…খুঁজছি…সরি, আপনার কোনো মস্তিষ্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমি চললাম। বাই!
৩১. বান্দরবান ঘুরে আসার পর এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করল, কি রে, বান্দরবানে প্রাকৃতিক দৃশ্য কেমন দেখলি? জবাবে আরেক বন্ধু বলল, ‘আরে দূর, পাহাড়ের জন্য কিছুই দেখতে পারিনি।’
৩২. আলঝেইমার (কিছু মনে না থাকার রোগ) রোগ হওয়ার একটি সুবিধা আছে। রোজই আপনি নতুন নতুন বন্ধু পাবেন।
৩৩. যে লোক দুই কানে তুলা গুঁজে রাখে, তাকে কী বলা যায়?
—তাকে যা ইচ্ছা তাই বলা যায়।
৩৪. মনে করি, A হলো একটি সফল জীবন। A=x+y+z, এখানে x=কাজ, y=খেলা, z=মুখ বন্ধ রাখা।
৩৫. প্লেনে উঠে বিমানবালাকে বললাম, ‘আমার একটি ব্যাগ নিউইয়র্কে, একটি ব্যাগ লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং আরেকটি মায়ামিতে পাঠিয়ে দিন।’ মহিলা বললেন, ‘অসম্ভব’। আমি বললাম, ‘গত সপ্তাহে আপনারা এ কাজটিই করেছেন।’
৩৬. ডাক্তার বললেন, আমি আর ছয় মাস বাঁচব। আগামী ছয় মাসে বিলের টাকা দিতে পারব না শুনে বললেন, ছয় মাস নয়, এক বছর বাঁচবেন।
৩৭. ডাক্তার বললেন, ‘আপনি ৬০ বছর বাঁচবেন।’ আমি বললাম, ‘এখনই আমার বয়স ৬০।’ ডাক্তার খুশি হয়ে বললেন, ‘বলেছিলাম না?’
৩৮. ভিখারি বলল, ‘সারা সপ্তাহ খাবারের স্বাদ পাইনি।’ উত্তর এল, ‘চিন্তা কোরো না, খাবারের স্বাদ এখনো আগের মতোই আছে।’
৩৯. ছেলে: বাবা, ইডিয়ট কাকে বলে?
বাবা: ইডিয়ট হলো সেই সব বোকা ব্যক্তি যারা নিজেদের বক্তব্য এত বেশি প্রলম্বিত করে যে কেউ তার কথা বুঝতে পারে না। বুঝতে পেরেছ?
ছেলে: না।
৪০. একজন এসে পুলিশকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘আমি কি এখানে গাড়িটা পার্ক করতে পারি?’
—না
—তাহলে এই গাড়িগুলো এখানে কেন?
—তারা কেউ এখানে গাড়ি পার্ক করতে পারবে কি না জিজ্ঞেস করেনি।
৪১. যে চিন্তাশক্তি দিয়ে সমস্যা সৃষ্টি করা হয়, সেই একই চিন্তাশক্তি দিয়ে তা সমাধান করা যায় না।
৪২. আমি ৪৯ বছর ধরে একজন নারীকেই ভালোবাসছি। আমার স্ত্রী জানতে পারলে অবশ্য আমাকে খুন করবে।
৪৩. আমাদের বিয়েটা টিকে থাকার একটি রহস্য আছে। আমি আর আমার স্ত্রী সপ্তাহে দুই দিন রেস্টুরেন্টে গিয়ে ভালো খাবার খাই আর ওয়াইন পান করি। আমি সোমবারে যাই আর আমার স্ত্রী যায় মঙ্গলবারে।
৪৪. ব্রেকফাস্টের আগে যে জিনিস দুটো কখনোই খাওয়া সম্ভব নয়, সেগুলো হলো লাঞ্চ আর সাপার।
৪৫. তুমি একটা ইলেকট্রিক ব্লেন্ডার, একটা ইলেকট্রিক টোস্টার এবং একটা ইলেকট্রিক ব্রেড মেকার কিনে বললে, ‘ওফ! বাসায় এত জিনিস! আমি বসব কোথায়?’ পরদিন আমি একটা ইলেকট্রিক চেয়ার কিনে আনলাম।
৪৬. এক বিশালদেহী লোক আমাকে বলল, ‘আমি ১০ ডলার বাজি ধরে বলতে পারি যে তুই মারা গেছিস।’ আমি তার সঙ্গে বাজি ধরতে সাহস পেলাম না।
৪৭. হাতুড়ির সবচেয়ে নিরাপদ ব্যবহার হলো, পেরেকটা অন্য কাউকে ধরতে দেওয়া।
৪৮. আমি আমার স্ত্রীকে বললাম, ‘স্বামী হলো ওয়াইনের মতো, যত পুরোনো ততই ভালো।’ পরদিন সে আমাকে সেলারে আটকে রাখল।
৪৯. প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত সমালোচনা আছে।
৫০. বাড়ির কাজ না আনার সবচেয়ে খারাপ অজুহাত হলো—আমি দেখে লেখার মতো কাউকে পাইনি।
৫১. আলোর বেগ তো সবাই জানে। অন্ধকারের বেগ কত?
৫২. যদি প্রথমবারে সফল না হও, তাহলে স্কাইডাইভিং তোমার কর্ম নয়।
৫৩. খবর: আত্মঘাতী এক লোক ভুল করে তার যমজ ভাইকে খুন করে ফেলেছে।
৫৪. স্ত্রীদের সঙ্গে তর্কের দুটি নিয়ম আছে। কোনোটিই কার্যকরী নয়।
৫৫. এক লোক লটারি জিতে টিকিট পেয়ে চীনে বেড়াতে গেছেন। এখন তিনি চীনেই আছেন। আরেকটি লটারির টিকিট জিতে দেশে ফিরতে চান।
৫৬. ধরুন, কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় তাঁর শরীরের বাঁ-পাশ পুরোটাই হারিয়েছেন। এখন তাঁর কী হবে?
—তিনি এখন ‘অল রাইট’।
৫৭. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায়ও কাজ করেন কেন? উত্তর: আরে, উনি তো পি.এম, এ এম নন।
৫৮. স্কুলে একজন বোকাকে কীভাবে চেনা যায়?
—শিক্ষক যখন বোর্ড মোছেন, সে তখন তার সব ক্লাসনোট কেটে দেয়।
৫৯. মা এবং স্ত্রীর মধ্যে পার্থক্য কী?
—একজনের কারণে তুমি কাঁদতে কাঁদতে পৃথিবীতে এসেছিলে, অন্যজনের কারণে তুমি সারা জীবন কাঁদবে।
৬০. স্ত্রী ও চুম্বকের মধ্যে পার্থক্য কী?
—চুম্বকের একটি পজিটিভ দিক আছে।
৬১. জনসংখ্যার বিস্ফোরণ বিষয়ে পড়াতে গিয়ে এক শিক্ষক বললেন, ‘আমাদের দেশে প্রতি ১০ সেকেন্ডে একজন মহিলা একটি করে শিশুর জন্ম দেন।’
এক ছাত্র চিত্কার করে উঠল, ‘জলদি চল, তাঁকে খুঁজে বের করে এক্ষুনি থামাতে হবে।’
৬২. বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে তা জানার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো তার জন্ম পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
৬৩. ৩৫-এর পর আমার কি আর বাচ্চা নেওয়া ঠিক হবে?
—না। ৩৫টা বাচ্চাই যথেষ্ট।
৬৪. পৃথিবীর স্বাস্থ্যক্ষেত্রে একটি পজিটিভ দিক বলুন।
—এইচ আই ভি।
৬৫. দুজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার একসঙ্গে কীভাবে বড়লোক হতে পারে?
—একজন ভাইরাস লিখে, অন্যজন অ্যান্টিভাইরাস লিখে।
৬৬. গণিতের একটা বই আরেকটা বইকে কী বলে?
—তোমার কথা জানি না, কিন্তু আমার ভেতরটা সমস্যায় ভর্তি।
৬৭. আপনার স্ত্রী ড্রাইভিং শিখতে চাইলে তাঁর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবেন না।
৬৮. এক ব্যক্তি মনোচিকিত্সকের কাছে গিয়ে বলল, ‘কেউ আমার কথা শোনে না’। মনোচিকিত্সক সঙ্গে সঙ্গে বললেন, ‘নেক্সট’।
৬৯. লোকটি এতই মোটা যে সে ছবি প্রিন্ট করে না, পোস্টার ছাপায়।
৭০. দুজন ড্রাইভার ট্রাক চালাচ্ছিল।
১ম ড্রাইভার: হায়। ব্রিজটা ২ দশমিক ৭ মিটার উঁচু আর আমাদের ট্রাকটা ৩ মিটার।
২য় ড্রাইভার: যা দোস্ত, কোনো সমস্যা নেই। আশপাশে কোনো পুলিশ নেই।
৭১. মেকানিক্যাল আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে পার্থক্য কী?
—মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার অস্ত্র বানায় আর সিভিল ইঞ্জিনিয়ার বানায় অস্ত্রের টার্গেট।
৭২. আমার স্ত্রী গতরাতে বলছিল, আমি নাকি তার কোনো কথাই মন দিয়ে শুনি না…নাকি…এ রকমই কিছু একটা… ঠিক মনে পড়ছে না।
৭৩. গতরাতে স্বপ্নে দেখলাম, আমি ১০ পাউন্ড ওজনের একটা হটডগ খাচ্ছি। সকালে উঠে দেখি আমার কোলবালিশটা নেই।
৭৪. টিচার: তোমার বাবা তোমাকে বাড়ির কাজ করতে সাহায্য করেছেন?
ছাত্র: না। পুরোটাই উনি করেছেন।
৭৫. সব বিয়েই সুখের। পরবর্তী সময়ে একসঙ্গে থাকতে গিয়েই যত ঝামেলা শুরু হয়।
৭৬. অনেকেই চোখের বদলে মাথার ওপর চশমা পরে কেন? উত্তর: যার যেটা নষ্ট সে সেখানেই চশমা পরে।
৭৭. গত সপ্তাহে আমার সাইকিয়াট্রিস্টকে বললাম, ‘আমি আজকাল শুধু আত্মহত্যা করার কথা ভাবি।’ শুনে তিনি বললেন, ‘এখন থেকে অগ্রিম ফি নিয়ে আসবেন।’
৭৮. আমি অনেক বছর ধরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলিনি। আমি তার বক্তব্যে বাধা দিতে চাইনি।
৭৯. ব্যাচেলররা বৈবাহিক জীবন সম্পর্কে বিবাহিতদের চেয়ে বেশি জানে, নইলে তারাও বিবাহিত হতো।
৮০. উড়োজাহাজের পেছনের সারিতে বসার কারণ দুটি। এক. হয় আপনি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। দুই. আপনি আক্রান্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে পরিচিত হতে চান।
৮১. অভিজ্ঞতা যে কোনো কাজে লাগে না তার প্রমাণ হলো, মানুষ একটা প্রেম শেষ হওয়ার পরও আরেকবার প্রেমে পড়ে।
৮২. তিনি খুব অল্প কথার মানুষ। তাই না?
—হ্যাঁ, সারা সকাল ধরে সেই কথাটাই তিনি বোঝালেন।
৮৩. একটি চালাক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিল এভাবে—সে মেয়েটিকে নিয়ে নৌকায় উঠল। নৌকাটি মাঝনদীতে যাওয়ার পর মেয়েটিকে বলল, ‘তুমি যদি আমার প্রস্তাবে রাজি না হও তাহলে এক্ষুনি নৌকা ছেড়ে চলে যাও।’
৮৪. একটি পরিচ্ছন্ন ডেস্ক একটি এলোমেলো ড্রয়ারের প্রতীক।
৮৫. স্বামীর কাছে আরও বেশি স্বাধীনতা দাবি করায় স্বামী মিস্ত্রি ডেকে রান্নাঘরটা বড় করে দিলেন।
৮৬. একটা ফোন এল ৭৭৭৭৭৭৭৭ নম্বরে, ‘হ্যালো, এটা কি ৭৭৭৭৭৭৭৭? প্লিজ, আমাকে একটা ডাক্তার ডেকে দিন না। আমার আঙুল ফোনের ডায়ালে আটকে গেছে।’
৮৭. দোকানদারের কাছে অদৃশ্য কালি চাইতেই দোকানদার বলল, ‘কী রঙের দেব বলুন।’
৮৮. উনি এত কৃপণ যে চিনির কৌটায় কাঁটাচামচ ব্যবহার করেন।
৮৯. পেটে প্যাঁচঅলা এক লোক ভুলে পেরেক খেয়ে ফেলায় সেটি স্ক্রু হয়ে বেরিয়েছিল।
৯০. ভোট অন্যতম নাগরিক অধিকার, যা প্রয়োগে অধিকাংশ সময়েই নাগরিকদের কোনো অধিকার অর্জিত হয় না।
৯১. ছেলে: মা, রূপকথার গল্প সব সময় ‘এক দেশে ছিল এক’ দিয়ে শুরু হয় কেন?
মা: না, সব সময় না। মাঝে-মধ্যে অফিসের কাজে আটকে গেছি, আজ ফিরতে একটু রাত হবে দিয়েও শুরু হয়।
৯২. রেস্তোরাঁর মালিক: ওয়েটার, আজ খদ্দেরদের সঙ্গে একটু ভালো ব্যবহার করবে, কারণ আজকের ভাতের তলা ধরে গেছে, পোড়া গন্ধ।
৯৩. আমি সব সময় ওর হাত ধরে থাকি। কারণ, হাত ছাড়লেই সে কেনাকাটা করতে যায়।
৯৪. আমাদের বাসার রান্নাঘরটা এত ছোট যে ওখানে কনডেন্সড মিল্ক খেতে হয় আমাদের! এমনি দুধ খাওয়া যায় না।
৯৫. এক তরুণ রাস্তায় এক তরুণীর পথ রোধ করে বলল, কিছু মনে করবেন না। আমি একটা টেলিফোন ডিরেক্টরি লিখছি, আপনার নম্বরটা যদি দয়া করে দিতেন…।
৯৬. রাজনীতির প্রথম কথা হচ্ছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।
৯৭. বিশ্বের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো জনৈক নেতা মাত্র চার ঘণ্টার জন্য অনশন পালন করেন। তাঁর অনশন শুরু হয়েছিল সকালে নাশতা খাওয়ার পর এবং অনশন ভাঙেন মধ্যাহ্নভোজনের আগে আগে।
৯৮. আপনার একটি ফোন থাকলে সেটি প্রয়োজনীয়তা, দুটি ফোন থাকলে সেটি বিলাসিতা, আর কোনো ফোনই যদি না থাকে তাহলে আপনি স্বর্গে বসবাস করছেন।
৯৯. নির্বাচন হচ্ছে গণতান্ত্রিক-ব্যবস্থার একটি চমত্কার উদার দিক, যেখানে সবাই মিলে ঠিক করে কে কে তাদের শোষণ করবে।
১০০. কারচুপি একটি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শব্দ, পরাজিত দলের ভাষ্যমতে যা স্থূল ও সূক্ষ্মরূপে জয়ী দল করে থাকে।


বহুদিন আগে প্রথম আলোতে একবার ছাপা হয়ে ছিলো আলিয়া রিফাত নান্মী কোন এক লেখক অনুবাদ এবং সংগ্রহ করেছিলো ।


আচ্ছা এ পর্যন্ত থাকুক পরের অংশ চরম ১৮+ তাই আর নিচে নাম বেন না ।

গুলতি পাগলা

এক পাগলের অভ্যাস ছিল গুলতি দিয়ে যে কোন কাঁচের জানালা ভাঙ্গার । তাকে ধরে মানসিক চিকিৎসালয়ে নিয়ে আসা হল । এক বছর চিকিৎসার পর ডাক্তারের ধারনা হল রোগ মুক্তি হয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়া যায় । ছাড়বার আগে শেষ পরীক্ষা করার জন্য ডাক্তারের চেম্বারে তাকে ডাকা হল ।
ডাক্তার : স্যার , আমাদের ধারনা আপনি সম্পূর্ন আরোগ্য হয়েছেন । তাই আপনাকে ছেড়ে দেয়া হবে । এবার আপনি বলুন এখান থেকে ছেড়ে দেয়ার পর আপনি কি করবেন ?
পাগল : আমি ! সত্যি বলব ?
ডাক্তার : বলুন ।
পাগল : প্রথমে ভালো একটা স্যুট কিনব । তারপর সেটা পরে আমি তাজমহল হোটেলে যাবো ডিনার খেতে ।
ডাক্তার : গুড, নর্মাল ব্যাপার, তারপর ?
পাগল : তারপর সেখানে সুন্দরী এক সোসাইটি গার্লকে বলব যে, মে আই হ্যাভ এ ড্যান্স উইথ ইউ ?
ডাক্তার : গুড, নর্মাল, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে ডিনার খাওয়াবো । মদ খাওয়াবো ।
ডাক্তার : ঠিক আছে, তারপর ?
পাগল : তারপর তাকে হোটেলের একটা রুমে নিয়ে আসব । নীল আলো জ্বালিয়ে দেবো । স্লো মিউজিক চালিয়ে দেব ।
ডাক্তার : নর্মাল সবকিছু, তারপর ?
পাগল : তারপর ধীরে ধীরে শাড়ী খুলব, ব্লাউজ খুলব , ব্রা খুলব, পেটিকোটটা খুলে ধীরে ধীরে নামিয়ে আনব পা থেকে ।
ডাক্তার : নাথিং রং, তারপর ?
পাগল : এবার মেয়েটির শরীরে বাকী আছে তার আন্ডারওয়ার । এখন ধীরে ধীরে সেই আন্ডারওয়ারটি খুলে নেব আমি ।
ডাক্তার : তারপর ?
পাগল : তারপর আন্ডারওয়ার থেকে ইলাস্টিকের দড়িটা খুলে নেব আমি । এই ইলস্টিক দিয়ে নতুন গুলতি বানাবো । আর সেই গুলতি দিয়ে শহরের যত কাঁচের জানালা আছে সব ভেঙ্গ চুরমার করে দিব আমি ।
ডাক্তার : নিয়ে যাও পেসেন্টকে । বন্ধ করে রাখ ওকে । হি ইজ এজ সিক এজ বিফোর । নো ইমপ্রুভমেন্ট ।
+:D+এনায়েত স্যাররে বলে
" ঐযে স্যার একটা গান আছে নাহ
আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে
লাউ যে বড় সোহাগী
আমার লাউ এর পিছে লাগছে বৈরাগী " এইগানটাতে আসলে কি বলছে তা বুজতেছি নাহ । গানের আক্ষরিক অর্থ একটু বিস্তারিত বুঝায়ে বলেন "

ব্যস ততক্ষনে ক্লাসের আতেল গুলা বাদে বাকি পোলাপান বুইঝা গেছে শালা কি ইন্ডিকেট করছে। এবং যথারীতি হাসির সুনামি শুরু হয়া গেছে। তবে আমাদের স্যার বলটারে আমাদের দিকে ঠেলার চেষ্টা করলেন। তিনি পাল্টা এনায়েতরে জিগাইলেন "তোমার কি মনে হয় ??"

এনায়েতের জবাব : " স্যার আমারা যদি মাটির গাছ বলতে মানুষের শরীর কে ধরি তাইলে ............।

তখন ক্লাসে যেগুলা বুজার বাদ ছিলো ঐগুলাও বুইঝা গেলো কি কাহিনী চলতাছে। ঐ ঘটনার পরে কলেজে এনায়েতের নাম হয়ে গেছিলো লাউওয়াল

:D:|


প্রথম ব্যক্তি : আমি ইচ্চেমত পয়সা গিলে খেতে পারি.
দ্বিতীয় ব্যক্তি : তাহলে সার্কাসে যোগ দিচ্ছিস না কেন ?
প্রথম ব্যক্তি : যোগ দিতে গিয়েছিলাম কিন্তু তারা বললো
ইনকামট্যাক্র অফিসে যোগ দিতে।
-----
2.
প্রথম ব্যক্তি : পল্টুর আঁকা ছবিগুলোর বিষয়বস্তু আগে
কিছুই বোঝা যেত না . ‍আজকাল স্পষ্ট বোঝা যায়।
দ্বিতীয় ব্যক্তি : বাহ্ তার আঁকার মান নিশ্চয়ই ভাল
হয়েছে ?
প্রথম ব্যক্তি : না . কী এঁকেছে তা সে ব্যাখ্যাসহ আজকাল
তার আকার নীচে লিখে দিচ্ছে.
-----
3.
ম্যারেজ কাউন্সিলার : মি: রবার্ট , আপনি যে বলতে
চাচ্ছেন বিবাহিত জীবনে মিসেস রবার্ট এর কোনো
উৎসাহ নেই ? এর প্রমাণ কি ?
রবার্ট : এমনকি ঐ পাখিটাও তার কথাগুলো মুখস্ত করে
ফেলেছে, কাছে গেলেই বলে ওঠে, ‘ আমার মাথা ব্যথা.
এখন নয়’.
-----
4.
উকিল : কি আশ্চর্য্য ! এত কঠিন মামলা চলছে. অথচ
বারো জন জুরির মধ্যে এগারো জনই নাক ডেকে গুমাচ্ছে.
শুধু আপনি একা জেগে আছেন ?
জাগ্রত জুরি : ওরা আগেই মনস্থির করে ফেলেছে কাকে
ফাঁসিতে ঝোলাবে । তাই এখন আরাম করছে.
-----
5.
প্রথম ব্যক্তি : কাজের চাপ কমানোর জন্য জুরি’রা কি ঠিক
করেছে জানো ?
দ্বিতীয় ব্যক্তি : কি ?
প্রথম ব্যক্তি : তারা প্রথমেই চস করে ঠিক করে ফেলবে যে,
কার ফাঁসি হবে , তারপর পুরো মামলার সময়টা তারা
ঘুমাবে, মামলার শেষ মূহুর্তে আসামীর নাম ঘোষনা
করবে
-----
6.
প্রথম ব্যক্তি : ‘আজ যা করতে পারো তা কখনো কালকের জন্য
ফেলে রেখো না ‘ এই প্রবাদটা যে বানিয়েছে তাকে ধরতে
পারলে খুন করে ফেলতাম .
দ্বিতীয় ব্যক্তি : সে কি ! কেন ?
প্রথম ব্যক্তি : আরে গাল টাল ছিলে কেটে কি অবস্থা হয়েছে.
-----
7.
পিটার প্রতিদিন দেরী করে অফিসের পথে রওনা দেয় .
রাস্তায় যানজটের ফলে আরো দেরী হয়ে যায়. একদিন
সে বাসা থেকে বেরই হল অন্য দিনের তুলনায় আরো
এক ঘন্টা দেরীতে . উর্দ্ধশ্বাসে ছোটার সময় একজন
তাকে জিজ্ঞেস করলো-এত তাড়াহুড়া কিসের?
পিটার হাঁপাতে হাঁপাতে বললো-আর বলবেনা, না এক
ঘন্টা দেরী করে জ্যামে পড়তে যাচ্ছি.
-----
8.
প্রথম ব্যক্তি : জনসন অফিসে ওভারটাইম ডিউটি করলে
অন্য সবার চেয়ে তিনগুন বেশী টাকা দেওয়ার নির্দেশ
দিয়েছে অফিসের বস.
দ্বিতীয় ব্যক্তি : বাহ্ জনসন নিশ্চয়ই খুব দক্ষ কর্মচারী !
প্রথম ব্যক্তি : না, সে সময়টা তো মিসেস জনসন বাসায়
একা থাকে কিনা.
----
9.
রোগী : ডা: সাহেব, নিজের নাক ডাকার শব্দে আমার
নিজেরই ঘুম ভেঙে যায়, কি করবো ?
ডাক্তার : পাশের ঘরে ঘুমান।
-----
10.
প্রথম ব্যক্তি : প্রাচীন গুহাচিএটিতে ষাঁড় আঁকা কেন ?
দ্বিতীয় ব্যক্তি : মনে হয় তারা ‘ ষাঁড়’ বানান পারতো না.
----
11.
লোক : ডা: সাহেব, আমার ন্ত্রী হঠাৎ করে কথা বলতে
পরছে না.
ডাক্তার : আমি এখনই আপনা ন্ত্রীর চিকিৎসা শুরু করছি.
লোক : এখন না. বছর দুই তিন পর আসলেও চলবে.
-----
12.
প্রথম ব্যক্তি : রোম তৈরী হয়েছিল এক করতের বেলা.
দ্বিতীয় ব্যক্তি : কি রকম ?
প্রথম ব্যক্তি : সবাই বলে রোম এক দিনে তৈরী হয়নি.
-----
13.
প্রথম বন্ধু : ডা: আমাকে ফুটবল খেলার পরামর্শ দিয়েছে.
দ্বিতীয় বন্ধু : কেন ? এর ফলে তোমার স্বাস্থ্য ভাল হবে বলে ?
প্রথম বন্ধু : না, আমার ক্রিকেট স্কোর অত্যন্ত খারাপ.
-----
14.
রোগী যখন মৃত্যুর দরজায় উপস্থিত হয় তখন ডাক্তারের কাজ
হল কলিংবেল বাজিয়ে দেওয়া
-----
15.
প্রশ্ন : ব্রুটাস ছুরি মারার পর জুলিয়াস সিজার কি বলেছিলেন ?
উত্তর : ওরে বাবা মরে যাচ্ছি.
-----
16.
শিক্ষক : আপনার ছেলে ক্লাসে সবার উপরে থাকে.
বাবা : তার মানে সে বেশ ভাল করছে.
শিক্ষক : না, সে দুষ্টুমি করে ক্লাসের সিলিং ফ্যানে
উঠে বসে থাকে.
-----
17.
অংক শিক্ষক : যদি তোমার বাবা দশ হাজার টাকা আয় করে
আর তার 50 % (পঞ্চাশ শতাংশ) তোমার মায়ের হাতে তুলে
দেয় তাহলে তোম‍ার কি পাবেন ?
ছাএ : হার্ট এটাক.
-----
18.
বাবা-মা : তুমি ফেল করলে অথচ তোমার বন্ধু ভাল রেজাল্ট
করলো, ব্যাপার কি ?
ছেলে : ওর বাব-মা মনে হয় ব্রেইনী ছিল.
-----
19.
প্রথম বন্ধু : আমি একবার চেকোশ্লোভাকিয়া গিয়েছিলাম.
দ্বিতীয় বন্ধু : চেকোশ্লোভাকিয়া বানান করতে পারবে ?
প্রথম বন্ধু : ইয়ে মানে ... আমি চায়না গিয়েছিলাম.
-----
20.
প্রথম নরখাদক জাংলি : বুঝতে পারছিনা আমার ঝগড়া-টে
বউটাকে নিয়ে কি করবো ?
দ্বিতীয় নরখাদক জাংলি : কাবাব কর.
-----
21.
প্রথম জন : একজন নরখাদককে বিপদে পড়তে দেখলে কি
করবে ?
দ্বিতীয় জন : সহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবো.
প্রথম জন : দিও, কিন্তু তার আগে তাতে মশলা মাখিয়ে নিও.
-----
22.
নাপিত : কিরকম চুল কাটাবো ?
বাচ্চা : আব্বুর মত উপরের দিকে ফাঁকা রেখে দিবেন.
-----
23.এক বাচ্চাকে আরেক বাচ্চা বলছে : আমার দাদ‍া অনেক বয়স্ত,
যখন সে ছোট ছিলো তখন ‘হিস্ট্রি’ ছিল ‘কারেন্ত ইভেন্ট’।
------
24.
রোগী : ডা: সাহেব, ডা: সাহেব, আমি ক্যামেরার আস্ত একটা ফিল্ম
গিলে ফেলেছি।
ডাক্তার : দেখা যাক কোন লক্ষন ডেভলপ করে কিনা.
-----
25.
শিক্ষক : তোমার দুই হাতে মোট দশটা আঙ্গুলে, যদি দুর্ঘটনায়
তিনটি আঙ্গুল কাটা যায় তবে কি হবে ?
ছাএ : গিটার ক্লাস থেকে আমাকে বের করে দিবে.
-----
26.
প্রথম জন : কে মারা গিয়াছে ?
দ্বিতীয় জন: কফিনের ভেতরের লোকটা.
-----
27.
প্রথম জন : তুমি আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করছো ?
দ্বিতীয় জন: চেষ্টা করা লাগছে না.
-----
28.
রোগী : ডা: সাহেব, ডা: সাহেব আমর পা ফুলে গেছে.
ডাক্তার : চিন্তা নেই নেন এই টেবলেটটা খান.
রোগী : কিন্তু যদি ট্যাবলেবটটা বাম পায়ে নামে ?
-----
29.
অন্যের জায়গায় বিনা অনুমতিতে প্রবেশ করে ঘুরছিল এক
ছেলে কেয়ারটেকার দৌড়ে এসে বললো, ‘ এ্যাই ছেলে, দেখতে
পাও না এই নোটিশ বোর্ডে লেখা আছে ‘ প্রবেশ নিষেধ ?’
ছেলে- নোটিশের উপরে লেখা ‘ব্যক্তিগত’ তাই আর বাকীটা
পড়ার বেয়াদবি করতে চাইনি.
-----
30.
অলস ছাএ টমের খবর নিতে তার বাবা একদিন স্কুলে গিয়েছে.
একটি ছাএকে লোকটি জিজ্ঞেস করলো-টমকে চেন ?
-হ্যা , সে ক্লাশে আমার পাশের বেঞ্চে ঘুমায়.
-----
31.
বাবা (রেগে) : এদিকে আয় হতচ্ছাড়া বদমাশ, বোনের জন্মদিনের
পুরো কেকটা তুই একাই খেয়ে ফেলার শিক্ষা তোকে আজ দেই.
ছেলে : তার আর দরকার নেই বাবা, আমি নিজে নিজেই শিখে
নিয়েছি.
-----
32.
মা : তোমার ছোট ভাইকে মার্বেল খেলতে দিচ্ছোনা কেন ?
ছেলে: ও আর ফেরত দেবেনা তো.
মা : দেবে না কেন ? দেবে.
ছেলে: তাহলে ও ইতিমধ্যেই তিনটা মার্বেল খেয়ে ফেলেছে কেন ?
-----
33.
ছেলে : বাবা , পাশের বাড়ীর ছেলেটা বলেছে আমার চেহারা নাকি
হুবুহু তোমার মত .
বাবা (খুশি হয়ে) : তখন তুই কি বললি ?
ছেলে : কিছুই বললাম না, কারণ ছেলেটা অনেক শক্তিশালী
আর লম্বা চওড়া.
-----
34.
মা : টিচার আসার সময় হয়েছে. একি ! তুমি তো মুখের একদিক
পরিস্কার করেছো অন্যদিকে ময়লাই রেখেছো, ব্যাপার কি ?
ছেলে: ময়লা দিকটা টিচারের দিকে না ফেরালেই তো চলবে.
-----
35.
খামারের মালিক : চরাতে নিয়ে গেলে আঠারোটা গরু, ফেরত
আনলে সতেরোটা গরু কেন ? গুনে নিয়ে আসতে পারো নাই ?
রাখাল : একটা গরু এত জোরে দৌড়ে পালিয়ে গেল যে ওটাকে
গোনার সময়ই পেলামনা.
-----
36.
অলস ব্যক্তি : আমাকে কিছু খাওয়ান.
লোক :অলসদের আমি কিছু খাওয়াই না.
অলস ব্যক্তি :না না আপনাকে খাইয়ে দিতে হবে না, আমি
নিজেই খেয়ে নেবো, শুধু টাকাটা দিলেই চলবে.
-----
37.
বাব : তুমি নিজে নিজেই এই বড় মাছটা ধরেছো ?
বাচ্চ‍া : না, একটা কেঁচো আমাকে সাহায্য করেছে.
-----
38.
ভিক্ষুক : একশো টাকা দিন, চা খাবো.
লোক : চা খাওয়ার জন্য একশো টাকা ??
ভিক্ষুক : বেশ কয়েকজনকে চায়ের দাওয়াত দিয়েছি কিনা.
-----
39.
বাসে করে যাচ্ছে একজন অল্প বয়েসী সুন্দর মহিলা. বাস
কন্ডাক্টর এসে তার কাছে টিকিট চাইল. মহিলা ব্যাগ ট্যাগ
হাতড়ে নিয়ে হেসে বললো, ‘টাকার ব্যাগটা ভুলে বাসায়
রেখে এসছি.
কন্ডাক্টর :তা বল্লে কি হবে ? টিকিট তো লাগবেই ?
মহিলা : ভেবে নিন আমি আপনার মেয়ে.
মহিলার এই কথা শুনে পাশ থেকে একজন লম্বা চওড়া সুদর্শন
লোক মহিলার পাশে এসে বললো, ‘আর আমি আপনার
মেয়ে জামাই.
-----
40.
বাচ্চা : আন্টি , পিন্টু আজ আমার সাথে খেলবে ?
আন্টি : না, সে পড়া করছে.
বাচ্চা : ‍তাহলে তার ফুটবলটা আমার সাথে খেলবে ?
-----
1.এডোবি ফ্লাশ প্রেয়ার ডাউনলোড এর সরাসরি লিংক :
Click This Link

2.
3 in 1 small dictionary (Size=3.9) :
Click This Link

3.
Godgift Alarm Clock :
Click This Link

4.
Bangla Synonym Dictionary (1.3mb) :
Click This Link

5.
Love abacus (size=1.1mb) :
Click This Link

http://www.kawsarbd1.weebly.com
-----Thank-----





সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১০ দুপুর ২:০৮
১৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×