আমার প্রিয় পোস্ট

আমরা স্বর্গ বা বেহেস্তের জন্য কতই না আগ্রহী কিন্তু তা অনিশ্চিত; অথচ আমরা এই পৃথিবীকেই স্বর্গ বানাতে পারি যদি আমরা চাই, আর এটা নিশ্চিত।

আসুন হরতালকে "না" বলি।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৪৬

শেয়ারঃ
0 1 0


গুজরাটী শব্দ "হরতাল" কে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো যেভাবে ব্যবহার করেছেন তা বোধ হয় বিশ্বের কোন দেশই করতে পারেন নি। এজন্য অবশ্যই বাংলাদেশের দলগুলো সাধুবাধ পাবার যোগ্যতা রাখেন! অথবা হরতালের উপর ভিত্তি করে যদি কোন পুরুষ্কার দেয়া হতো তাহলে বাংলাদেশের বাইরে কোন দেশই বুঝি তা পাবার সুযোগ পেতো না।

আর হরতালের আভিধানিক অর্থ যা ই থাকুক না কেন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে হরতালের সংজ্ঞা হচ্ছে- এদেশ আমার বাপ-দাদার, চাইলেই বন্ধ করে দেব সবকিছু।

বাংলাদেশের মানুষেরও আত্মার সাথে মিশে গেছে হরতাল। হরতাল আমাদের সংস্কৃতির ও একটা অংশ।
হরতালের তারিখ নির্ধারণ মানেই হচ্ছে- আজকে আমার দোকানটা বন্ধ থাকবে, না হয় লুট হবে। আজকে আমার কষ্টার্জিত উপার্জনে কেনা সখের গাড়িটা ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হবে। হরতাল মানেই হচ্ছে আজকে আমার কাজে যাওয়া হবে না। বড় কর্তার বকুনি। নয়তো ছেলেমেয়ে নিয়ে না খেয়ে থাকা। নয়তো রিক্সাঅলার হাত ভেঙে সরকারের ঘারে ঝুলিয়ে দেয়া।

এসবই পুরনো কথা। দীর্ঘ প্রায় আড়াই তিন বছর পর আবার শুরু হচ্ছে হরতাল। এ আড়াই তিন বছরে বাংলাদেশের জনগন বোধহয় ভুলেই গিয়েছিলেন হরতাল শব্দটি। এরই ফলে তারা হয়তো আর হরতাল চায় না। কিন্তু তারা না চাইলেই কি হবে, নেতারা তো চান! আর নেতারা তো আমাদের পীর বাবাজি।

এখন কথা হলো এই যে তিন বছর হরতাল ছিলনা বা হয়নি তাতে কি দেশ গোল্লায় গেছে? 4U (মইন উদ্দিন, ফখরুদ্দিন, ইয়াজউদ্দিন, মাসুদউদ্দিন) অথবা IMF ( ইয়াজউদ্দিন, মইনউদ্দিন, ফখরুদ্দিন) কে যে যেভাবেই গালিগালাজ করেন না কেন তারা কিন্তু এমন অনেকগুলো কাজ করে গেছেন তার জন্য অন্ততপক্ষে একটা ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। তবে হ্যা তাদের শেষমূর্হুতে ক্ষমতালোভ, অনেক কাজে একসাথে হাত দেয়ায় সফলতাগুলো চোখে পড়ে না। কিন্তু এ কথা সত্যি যে তারা যা করতে পেরেছেন তা কোন সরকার করতে পারেন নি। তারাই পেরেছেন নেতাদের ছেরা ক্ষেতার স্বাদ বুঝাতে। তারা বুঝাতে সক্ষম হয়েছেন ’নেতা তোমারও ভুল আছে, তুমিও শাস্তি পেতে পারো, তুমি সাধু নও, দূর্নিতীবাজ।
যাক এসব আমার বলার বিষয় নয়।

আমার বলার বিষয় হচ্ছে ২৭ জুনের হরতালটি কেন করা হচ্ছে? এতে লাভ কার? ক্ষতি কার?
আমাদের সম্মানিত বিরোধী দল যে ইস্যুতে হরতাল করছেন তা কি যৌক্তিক? তাদের মতে দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাবিতে হরতাল করছেন। কিন্তু আমার মতো হাজারো জনতার প্রশ্ন আপনারা তো ৫বছর ক্ষমতায় ছিলেন, তারপর দুই বছর ব্যতিক্রমী সরকার। তারা সাত বছরে যা করতে পারেনি তা এ সরকারের ১৮ মাসে কি করে আশা করেন? তাহলে তো বলতে হয় এ হরতাল বিরোধী দল তাদের নিজেদেরই বিরুদ্ধে করছে।
আর যদি এমনটা মনে করেন যে হরতাল করে সরকার পতন করবেন তাহলে একটা প্রশ্নের জবাব অন্তত দিতে হবে যে, কখনো কি হরতাল করে কোন সরকারের পতন ঘটানো সম্ভব হয়েছে? বিগত আওয়ামীলীগ কি হরতাল করে আপনাদের ক্ষমতাচ্যুত করতে পেরেছে? তাহলে আপনারা পারবেন কি করে?
অবশ্য এ বিষয়টা বিরোধীদলীয় নেত্রী পরিষ্কার করেছেন যে, এ হরতাল সরকার পতনের আন্দোলন নয়। তাহলে কেন? গ্যাসের দাবী? এটা তো আপনারাও পারেন নি? বিদ্যুতের দাবী? এটার ব্যর্থতাও তো আপনাদের উপর অনেকাংশে বর্তাবে।

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী কি ভেবে দেখেছেন, হরতাল হলে দেশর একদিনে ক্ষতি কত হবে? কত মানুষের ভোগান্তি হবে? অবশ্য এসব আপনাদের ভাববার কথা নয়, কারণ আপনারা জনগন দিয়ে রাজনীতি করেন জনগণের জন্য নয়। তাই জনগনের কি ক্ষতি হলো তা ভাববার মতো সময় আপনার কোথায়?

তবে আশার কথা হলো কোন বিষয়ে আমাদের নেত্রী ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি না থাকলেও এবারের হরতালের বিষয়ে ইতিবাচক দৃষ্টি এসেছে। তিনি বলেছেন এ হরতাল হবে শান্তিপূর্ণ। তবে শান্তিপূর্ণ বলতে তিনি কি বুঝাতে চেয়েছেন তা কিন্তু বলেন নি।

তবে বরাবরের মতো এবার ও সরকার তার একটি পজেটিভ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে, হরতালে বাধা দেয়া হবে না। হরতাল শান্তিপূর্ণ ভাবে করলে তাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু কাউকে কাজে বাধা দিলে, গাড়ি, দোকানপাট ভাংচুর করলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মাননীয় খালেদা জিয়া কি এবার গাড়ি ভাংচুর, জ্বালাও পোড়াও হরতাল করবেন না? যদি না করেন তাহলে আপনার অযৌক্তিক হরতালকেও সাধুবাদ জানাই এ ভেবে যে, আপনার,ভেতর পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির জন্ম হচ্ছে। যে পজেটিভ দৃষ্টিভঙ্গির অভাবে আপনাকে গত নিবার্চনে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে।

গণতন্ত্রে হরতাল, আন্দোলন থাকবে এটাই স্বাভাবিক। নয়তো সরকার স্বৈরাচারি মনোভাব দেখাতে পারে। কিন্তু হরতাল শব্দটির প্রতি যদি সঠিক আচরণ করা যায় তাহলে তার অর্থ হবে- হরতাল মানে যারা মনে করেন সরকারকে অনস্থা জানানো উচিত তারা তাদের কাজ বন্ধ রেখে তা জানাবেন। তিনি তার দোকান না খোলে জানাবেন সরকারের কাজে তিনি সন্তোষ্ট নন, তিনি রাস্তায় গাড়ি বের না করে তিন জানাবেন তিনি সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করছেন।

এখন শান্তিপূর্ণ হরতাল বলতে যদি এটা বোঝায়- আমরা বিরোধী দল গাড়ি ভাংচুর করবো না, কিন্তু কারো গাড়ি রাস্তায় চলতে দেবো না; আমরা চাই কেউ দোকানপাট খোলবে না, ব্যস কেউ খোলতে পারবে না বা আমি চাই অমুক নাগরিক তার কাজে যাবে না, ব্যস যাবে না; তাহলে বিরোধী দল হচ্ছে সবচেয়ে বড় স্বৈরাচার।

তবে একটা বিষয় আমার মাথায় ঢুকে না, বাংলাদেশের মানুষ কি এতটাই অচেতন বা সচেতন যে, তারা নিজের ইচ্ছায় সব কাজ বন্ধ রেখে না খেয়ে থাকবেন? যদি করেন তাহলে ভালো। আর যদি তাদেরকে হাতে ১০০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে বলা হয় আজকে কাজে যাবে না, তাও ভালো।

গত প্রায় বেশ কয়েকদিন আগে ব্রিটিশ কাউন্সিল তার এক জরিপে দেখিয়েছে, এদেশের যুবসম্প্রদায়ের ৮০% ভাগের উপরে মনে করেন দেশ সঠিক পথে এগুচ্ছে এবং তারা সুখি তাহলে বিরোধী দলই শুধু বলছে দেশ রসাতলে যাচ্ছে। তার মানে তারা স্বর্গে নিয়ে গিয়েছিলেন এখন দেশ স্বর্গ থেকে বেরিয়ে নরকে যাচ্ছে আর তাকে উদ্ধার করার দায়িত্ব হচ্ছে তাদের। তাদেরই যদি দায়িত্ব হবে তাহলে তো তারাই ক্ষমতায় থাকতেন?

তবে আমার মনে হয় এবার বেগম জিয়া আরেকটা কাজে বুদ্ধির পরিচয় দিয়েছেন। তা হলো তিনি অসহিংস হরতালের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এ সিদ্ধান্তটা যে তার ১৭ জুনের পর নেয়া এটা কিন্তু বুঝতে কারোই অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। কারণ তিনি হরতালের ঘোষণাটা দিয়েছিলেন প্রায় দেড়মাস আগে। তখন তিনি গতানুগতিক হরতালেরই কথা ভেবেছিলেন। কিন্তু যখন দেখলেন চট্টগ্রামে তার প্রার্থী জয়ী হয়েছেন তখন তিনি হরতালের সাথে শান্তির পতাকাটি লাগিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু নিয়ত যেহেতু করেছেন, তিনি হরতাল করবেন-ই। অথচ তিনি কিন্তু পারতেন হরতাল প্রত্যাহার করতে।
এখন অনেকে প্রশ্ন করবেন তিনি যে ১৭ তারিখের পর সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তা কিভাবে আমি বা আমরা অনুমান করছি? কারণ সোজা, উনার মহামান্য মহাসচিব যেভাবে বলেন- হরতালে যদি বাধা দেয়া হয় বা আমাদের কর্মীদের কিছু করা হয় তাহলে সারা দেশে আগুন জ্বলবে। তার মানে হচ্ছে- দেশটা উনার বাপ-দাদার। আমরা যারা সাধারণ জনগণ তারা সবাই গরু-ছাগল।

তবে এবারও সরকার তাদের বিরুদ্ধে একাধিক গোল করে ফেলেছেন। বাকী আছে আরো কিছু গোল করে পরাজিত করার।

সরকার তাদের একটা উল্লেখযোগ্য যে গোলটা দিয়েছেন তা হচ্ছে, চট্টগ্রামের ফলাফল নিয়ে। তারা হয়তো ধারণা করেছিলেন সরকার এ ফলাফল মানবে না বা সরকার ফলাফল উল্টে দিবে বা সরকার পরাজিত হয়ে নির্বাচন কমিশনারদের পদত্যাগে বাধ্য করবেন। কিন্তু সরকার সেটা না করে বরং নির্বাচন কমিশনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুধু এখানেই শেষ নয় সরকার নির্বাচিত মেয়রকে অভিনন্দন জানিয়ে সব ধরণের সহযোগিতার ঘোষণা দিয়েছেন। এটা কি বেগম জিয়া কখনো কল্পনা করতে পেরেছেন বা পারবেন? একেবারে সুক্ষ্ম গোল।

আরেকটা গোল দিয়েছেন এ হরতালের মাধ্যমে। বিরোধী দল মনে করেছিলেন সরকার তার পুলিশ বাহিনী এবং দলীয় ক্যাডারদের দিয়ে হরতাল ভন্ডুল করবেন এবং মারামারি করবেন। কিন্তু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্টো। হরতালে বিরোধী দলকে সহযোগিতা করবেন যদি না সেটা সহিংস হয়। তারা হরতালে কোন বাধাই দিবে না যদি না তারা জানমালের কোন ক্ষতি করে। তবে হ্যা, বাধা দিতে হবে যদি দেশের জনগণ এবং সম্পদের ক্ষতি কেউ করে। কারণ এটা সরকারের শপথ।

অথচ একটু পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যায়, বিরোধীদল থাকাকালীণ সময়ে আওয়ামীলীগের ডাকা হরতালে বিগত সরকার কি নির্যাতন করেছেন। দোয়েল চত্তর স্মরণীয় হয়ে আছে মতিয়া চৌধুরীকে মেরে রাস্তায় ফেলে রাখার কলঙ্কে। নাসিমের মাথা ফাটিয়েছেন তৎকালীন সরকারের পুলিশ বাহিনী। আসাদুজ্জামান নূরের ঠ্যাং ভেঙ্গে দেয়া। রাস্তায় পুরুষ পুলিশ দিয়ে মেয়েদের কাপড় ছিড়ে উলঙ্গ করা। সাংবাদিকদের পিটিয়ে ক্যামেরা ভেঙ্গে ফেলা। হরতালের আগের শত শত হাজার হাজার নেতা কর্মদের কোমরে দড়ি বেধে হাজতে ঢুকানো। এসব কি ভুলে গেছেন তারা? না কেউ -ই ভুলেন নি। বরং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মহত্ব দেখিয়েছেন। যদিও দলের অনেক নেতাই চান তার প্রতিশোধ নিতে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী যে পরিবর্তন হয়েছেন তা কিন্তু বুঝা যায়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ পরিবর্তনটা ৪ ইউ করতে পারলেও পারেন নি বেগম জিয়ার মনটাকে পরিষ্কার করতে।

মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী হয়তো মনে করছেন তিনি সঠিক পথেই আছেন। কিন্তু তিনি যে সঠিক পথে নেই তা বুঝতে পারছেন এক একটি সিদ্ধান্ত নেয়ার পর।

তার সরকারের সময়ে ২১ আগষ্টের গ্রেনেড হামলা হয়েছিল তো কি হয়েছে? তার উপরও তো এ সরকারের সময় ককটেল হামলা হয়েছে! আর সেটা যে ওনার গুনধর মহসচিবের মহামতী পুত্র হিরো হবার জন্য করেছেন তা যখন দেশবাসি জেনে গেল তখন ওনার নাগে লাগলো কালির আচর।

সরকার এ হরতালের বিরোধীতা করে যে কথাটা বলছেন, তা হচ্ছে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বাচাতেই এ হরতাল করছেন। সরকারের এ কথার কোন ভিত্তি আছে কিনা আমি জানি না। তবে এ কথা সত্য যে, যুদ্ধাপরাধ ইস্যু আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় আনতে যেমনি সহযোগিতা করেছেন তেমনি একই ইস্যু বিএনপিকে ক্ষমতা থেকে সরাতে সহায়তা করেছে।
কিন্তু মাননীয় খালেদা জিয়া কি এটা বোঝতে পেরেছেন? যদি বুঝতেন তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের তিনি ছিটকে ফেলে দিতেন। তিনি কিন্তু সেটা করেন নি, বরং তিনি তাদের বুকে টেনে নিয়ে সমবেদনা জানাচ্ছেন- আহা রে বেচারিদের বিচার হয়ে যাবে!
তবে এ সমবেদনা যে তার জন্য আবারও কাল হবে এটা কিন্তু বিএনপিকে বুঝতে হবে। বিএনপিকে বুঝতে হবে জামায়াতের সাথে জোট করে তারা হারিয়েছেন আর জামাত লাভবান হয়েছে। জোটবদ্ধ নিবার্চন না করলে কি জামাত মন্ত্রী হতো পারতো? পারতো এ অবস্থানে আসতে? আর জোটবদ্ধ না হলে বিএনপির কি এ হাল হতো!

এরকম রাজনৈতিক বির্তক করলে আরো অনেক করা যাবো। কিন্তু দরকারটা কি? আমরা সাধারণ জনগণতো দুদলে বিভক্ত হয়ে গেছি। আজকে ডাক্তার দল, ডাক্তার লীগ, শ্রমিক দল, শ্রমিক লীগ, ছাত্র দল, ছাত্রলীগ সবখানেই দল আর লীগ। নিরপেক্ষ কেউ নেই। আমরা জনতা দল আর জনতালীগ।

তাই আসুন যা এতদিনে সমাধান হয়নি তার জন্য আলাদীনের চেরাগ আশা না করে আরো কিছুদিন অপেক্ষা করি এবং হরতালকে "না" বলি।
হরতাল দেশের জন্য ক্ষতিকর। হরতাল আমাদের জন্য ক্ষতিকর, হরতাল উন্নয়নের জন্য, উন্নতির জন্য ক্ষতিকর তা যত শান্তিপূর্ণই হোক না কেন।
আমরা আর হরতাল চাই না।
সরকার নির্যাতন করলে জনগণই রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। এতে কোন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেয়ার দরকার নেই। কারণ আমরা জুলুম নির্যাতন অনেক দেখেছি, সহ্য করেছি অনেক এবং তা প্রতিহত করার অভিজ্ঞতা আমাদের আছে। সরকারের ব্যর্থতা থাকলে মেয়াদ পেরুলেই জনগন তার জবাব দিবে ভোটের মাধ্যমে। যেমনটা দিয়েছে চট্টগ্রাম নির্বাচনে।

আমরা অপেক্ষা করতে চাই।

আসুন হরতালকে "না" বলি।

 

সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: সংঘাতকেও না বলার দায়িত্ব আমাদের। আসুন কালোকে কালো বলি ভালোকে ভালো।
ধন্যবাদ।

৩. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০০
মামুন বিদ্রোহী বলেছেন: ভালো লিখেছেন। সাবই মনে করে তারা নিজেরা ঠিক পথে আছে। এটা আমাদের দূর্ভাগ্য।

হরতালকে না বল্লাম।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৯

লেখক বলেছেন: প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি না বলার জন্য। হ্যা আমরা সবাই রাজা। কিন্তু সবার কি রাজ্য পরিচালনা করার কথা? মোটেই না। তারা যে বেঠিক তা বোঝাতে হবে যুক্ত দিয়ে।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১০

লেখক বলেছেন: "না" কে স্বাগতম, আপনাকে ধন্যবাদ।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আমরা ভালোকে ভালো বলি কালোকে কালো। ধন্যবাদ আপনাকে।

৬. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০২
জিয়াউল বলেছেন: না না না না না না না না না..............................:)
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:০৬
মোস্তাফিক বলেছেন: না না না না না ........................................................................................................................................................................................না


২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ

৯. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১০
সালমা রহমান বলেছেন: না..........না........না.......... আরো..................................ধন্যবাদ আপনাকে।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদের জন্য ধন্যবাদ। না বলার জন্য আবারো ধন্যবাদ

১০. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১১
Esshan বলেছেন: হরতালকে "না" বলি।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

১৩. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৬
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: হরতালকে না বলুন... তবে কি আমরা এই রুপ উন্নয়ন আর গণত্রন্ত্রই চাই..??

হরতাল চাইনা। উন্নয়ন আর গনতন্ত্র চাই। কথা গুলোতে সবাই একমত। কিন্তু তার জন্য আরও বেশী সংশ্লিষ্ট যে শর্ত এবং সূত্র সমূহ প্রযোজ্য তা যখন অনুপস্থিত থাকে.. তখন কি কতর্ব্য?????

হরতাল অবশ্যই ক্ষতিকর। তবে কখন? ক্ষেত্রভেদ বুঝতে হবে।

১৯৭০ এ আমরা যখন প্রতিবাদ করেছি তখন কোন সংবিধান বা আইন দেখে বা মেনে করিনি। আমাদের সামগ্রীক অস্তিত্বের দাবী বা প্রয়োজনেই নির্ণিত হয়েছে কর্ম। আমার বিজয়ী হয়েছি।

আজ দেশের ক্রান্তিকালে আমাদের আবার চরম সিদ্ধান্ত নেবার সময় এসেছে। ১/১১ র ভুত তথা অদ্ভুত ! নির্বাচনে বিজয়ী সরকার যখন টালমাটাল, হিতাহিত জ্ঞানশূণ্য আচরন করছে.. তখন আমরা কি করবো???
পায়ে পচন ধরেছে... পাটা পচন সহ রাখবো নাকি অপারেশনের ঝুকি নেব!!!!!!

চলুন দেখী অনেকের দাবীকৃত উন্নয়ন আর গণতন্ত্রের চলতি নমুনাদেখী
কিভাবে উন্নয়ন আর গণতন্ত্র দেখতে চান???

১২০০ কোটি টাকা দিয়ে নাম বদলে!!!

নিলজ্র্জ দলীয় করণে!!!!

বিচার ব্যবস্থাকে গলাধ:করণে!!!!

বিনা টেন্ডারে বিদ্যুতের হাজার কোটি টাকার কাজ দল আর আত্মীয়দের দিয়ে ইনডেমনিটি জারি করার মাধ্যমে!!!!

বন্ধু!!! নামের (উঠতিসামাজ্রবাদী শত্রু) দেশকে বিনাশর্তে লজ্জাজনক এবং দেশ স্বার্থবিরোধী চুক্তিতে সই করে দেবার মাধ্যমে!!!!

নিয়ন্ত্রনহীন ছাত্রলীগের কারণে শিক্ষাঙ্গন এবং ছাত্রদের অকাল জীবন দানের এবং প্রধানমন্ত্রীর নিরবতার!! তথা অনুমোদনের মাধ্যমে!!!!

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন স্ফীতির পরও বাচাল ফারুক কে মন্ত্রীসভায় রাখার মাধ্যমে!!!!

একচোখা নীতি, বিশ্ব থেকে ক্রমশ বিচ্যুতির পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে!!!!

শ্রমবাজারে ধ্বসের পরও নির্বকার প্রশাসন আর রাজনৈতিক শক্তির চাপাবাজি আর বাচালতার মাধ্যমে!!!!

বিদ্যুতের কারণে জনজীবনে, কল কারখানায়, উৎপাদনে, রফতানিতে স্থবিরতা নামার পরও শুধু স্বপ্ন দেখার মাধ্যমে!!!

রাতের ঘুম হারাম করা নির্বিকার সরকারের বিদ্যুত খাতের মূল্যবৃদ্ধির পরও নিরবে সমর্থনের মাধ্যমে!!!!!

আরও অসংখ্য উল্লেখ যোগ্য আছে যাতে কলেবরই শুধু বাড়বে...

আমরা কি এভাবেই উন্নয়ন আর গণত্রন্ত্র চাই!!!!!!
>>>
তবে আর কি চলুন.. কবরের নিরবতায় শান্তি আর সূখ খুজি!!!!

অত্যাচারের প্রতিবাদ আর অ্যনায়ের প্রতিরোধ শব্দগুলো ডিকশনারী থেকে মুছে ফেলি। সুশীল পনার নামে বুর্জোয়া আর সাম্রাজ্যবাদের দালালী করি!!!!
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯

লেখক বলেছেন: জনাব বিদ্রোহী ভৃগু আপনার এ লেখাটির জবাব অনেকাংশেই আমি আমার লেখায় দিয়েছি। তারপর আবার জবাব দিতে গেলে সময় লেগে যাবে। আমি বলছি না দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। আমি বলছি না সরকার মতভাগ সঠিক। কিন্তু আপনি যে কথাগুলো তুলে ধরেছেন তার ব্যর্থতা তো সব রাজনৈতিক দলের। ছাত্ররাজনীতির ভন্ডামী কোন ছাত্র সংগঠেনের ছিলনা? আমি মনে করি সরকারের জন্য সবচেয়ে খারাপ দৃষ্টান্ত হচ্ছে ছাত্রলীগের কর্মকান্ড কিন্তু ছাত্রদলের ভন্ডামি কি আমরা ভুলে গেছি? আসলে আমরা ভুলে যাই সব কিছু খুবই কম সময়ে যেমন ভুলে গেছি বিডিআর বিদ্রোহ। মাতামাতি করিনা টিপাইমুখ নিয়ে। অস্তিত্ব নেই বাউল ভাস্কর্য অপসারণ সমাচার। আপনি বিদু্তের কথা বলেছেন- তা কি সরকার তার এ আঠারো মাসে তৈরি করেছেন? নাকি আগে তৈরি করা ছিল? আজ যারা এটাকে ইসু্ করছেন তারা কি এ ১৮ মাসে তা সমাধান করতে পারতেন? তাহলে ৫ বছরে পারলেন না কেন? আমরা কি শনিরআখরার কথা ভুলে গেছি? আমরা কি ফুলবাড়িয়ার কথাও ভুলে গেছি? আর বলেছেন পররাষ্ট্র নীতির কথা। হ্যা তাই যদি বলেন তাহলে দেখুন তো আমাদের পররাষ্ট্র নীতি কিন্তু এখন অনেক শক্তিশালি। আমরা শ্রমবাজার সম্প্রসারণে কি কম চেষ্টা করছি? একটু ভাবুন তো জলবায়ুর ব্যাপারটি নিয়ে। আগের সরকার কি এত লবিং করেছেন এ নিয়ে? দলীয়করণের কথা বলেছেন। এখনও আমলাতন্ত্রের কামলাদের পরখ করে দেখুন প্রশাসনে এখনও জামায়াত বিএনপির অনেক আমলা আছেন। এ নিয়ে কৃষিমন্ত্রী অনেকবার বলেছেন। নাম বদলের কথা বলেছেন। এটা আমাদের একটা স্বভাব। আমরা যারা ক্ষমতায় আসি তারা ৫ বছরের জন্য নাম করে সুখ পাই। কিন্তু এ অপচয় তত দিন চলবে যতদিন আমরা এটাকে ঘৃণা না করবো। কি দরকার বলুন সম্মানিত ব্যক্তিদের সমালোচিত করে? তাদের নামে নাম করণ করলে কি জাতে উঠে যাবন আর না করলে কি কলঙ্কে ভাসবেন? আমরা কি ভুলে গেছি ঢাকা এয়ারপোর্ট থেকে জিয়ার নাম এখন জিয়া থেকে বঙ্গবন্ধু? আমরা কি চন্দ্রিমা উদ্যানের কথা ভুলে গেছি? কদিন পরে দেখবেন পাবলিক টয়লেটের নামও নেতাদের নামে হবে। ওয়েট এন্ড সি। টেন্ডিার বাজির কথা বলছেন? এটা তো সবকালেই ছিল। বর্তমানে অনলাইন ভিত্তিক করে এটাকে বন্ধ করার প্রক্রিয়া চলছে। দ্রব্যমূল্যের পাগলাগতির কথা বলছেন? হা এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। সরকারের উচিত এর লাগাম টেনে ধরা দরকার। সব সরকারেরই কিছু ব্যর্থ মন্ত্রী থাকেন । আমাদের মাননীয় বাণিজ্য মন্ত্রীও ব্যর্থ। তবে এ সমস্যাটা নতুন নয়। আমরা পূর্বপুরুষদের থেকে পেয়েছি।

আর সবচে সুন্দর কথাটি বলেছেন ১৯৭০ সালের কথা। হ্যা আমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। সেটা পম্চিম পাকিস্তান থেকে পূর্বপাকিস্তাানের দাবী আদায়ে। অন্যায়ের প্রতিবাদে। কিন্তু বাংলাদেশে কিন্তু সেরকম প্রেক্ষাপট এখন নেই। এখন সমস্যা হচ্ছে একজনকে ক্ষমতা থেকে সড়িয়ে আরেকজন ক্ষমতায় বসা। তাহলে এ আন্দোলনটা কি প্রতি বছরই হবে? জনম জনম ধরে? হাসলাম।
আপনার বাদ বাকী কথাগুলোর জবাব দেয়ার ইচ্ছে আমার ছিল। কিন্তু লম্বা হয়ে যাচ্ছে।

১৪. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:১৯
লেবফিউম বলেছেন: হরতাল না দিয়া ছটি দিলে ভালো হয় । :P

কালকে খবর গুলা দেখলে মনে হইব, ইংরেজী মুভির ট্রেইলর দেখতাছি ।

এই একশন গুলা কি হরতাল ছাড়া সম্ভব ?

হরতাল কে "না"
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: পার্থক্যটা হচ্ছে একটা সরকারি আরেকটা বেসরকারি।
ধন্যবাদ আপনাকে।

১৫. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২০
এস বাসার বলেছেন: এবারের হরতালটা ম্যাডামের খায়েশ পূরণের হরতাল । পেপারে দেখেছিলাম ম্যাডামের দলের অনেক নেতাই হরতাল চান নি কিন্তু উনার খায়েশ, অতএব হরতাল একটা হতেই হবে, সেটা যতো নেতিবাচকই হয় না কেন।

পেপারে দেখলাম ম্যাডামের দলের উপরের সারির নেতারা নিজ হাতে হরতালের সমর্থনে লিফলেট বিতরন করছেন , ভালো লেগেছে, এটাই হওয়া উচিৎ। ভাড়া করা লোক না নিয়ে নিজেরা মিছিল নিয়ে তারা রাস্তায় থাকলে অনেক সংঘর্ষ এড়ানো সম্ভব।

তবে ম্যাডামের সহযোগী নিজামী-মোহাজিদরা কি করবেন সেটা আগাম বলা যায়না।

জন গন হরতাল চায়না সেটা ম্যাডাম যেমন জানেন, বুবু জান ও জানেন কিন্তু ওনাদের খায়েশ বলে কথা!!!!
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬

লেখক বলেছেন: খাঁটি কথা। তিনি নিয়ত বেধে ফেলেছেন, কাজটা তো করতেই হবে। তবে এবার সুন্দর যে কাজটা হয়েছে সেটা হলো লিফলেট প্রকাশ। এটা পড়ে জনগন যেমনি দোতলানো কথাগুলো বুঝতে পারবে। তেমনি কেউ কেউ ঠোঙা বানানোর কাগজ পাবেন। কিন্তু অসুন্দর দিকটা হলো নির্বাচন কমিশন যেখানে পোষ্টার ছাপানো এবং সাটানোর ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করেন তেমনি এখানে যে রাস্তাঘাট নোংরা করা হচ্ছে তার জন্য কি কোন নিয়ম নেই? আহারে বেচারি সাদেক হোসেন খোকা। মেয়র মানুষ। পরিষ্কার করার দায়িত্বটা তারই। আর মহত্ব দেখাতে গিয়ে সরকার এখানে রাষ্ট্রের কিছু অপচয় করবে আরকি। কেন ১০০০০ পুলিশ বা আইনী শঙ্খলা বাহিনী থাকবেন? তারা কি খালেদা জিয়ার মেয়ের জামাই? যে পাহাড়া দিতে হবে? দেশকে রক্ষা করতে থাকবেন বুঝলাম, তাহলে ডাকাত আটকানো হচ্ছে না কেন সে জবাবটা কি দেবেন বিরোধীদলীয় মেডাম? ওনাদের দিয়ে যদি কোন ভয় না থাকবে তাহলে এত পুলিশ তাদের পাহাড়া দিবে কেন? নিশ্চয় ভয়ের কিছু আছে?

১৬. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২১
লেবফিউম বলেছেন: আরেকটা কথা মনে হইল, হাম্বা লীগ এর ট্রেইলর গুলাও কিন্তুক বেয়াপক একশন আর মুভি ট্রেইলর কে হার মানায় ।

আর আপ্নের দেয়া ট্রেইলর টা মেবি কোন কুল মুভির? মুভি ডা দেখতাম । B-) :D
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: বাংলা সিনেমার যে হাল তার প্রমাণ আর কি! হা হা হা

১৭. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৩
লেবফিউম বলেছেন: বাসার ভাই বলেছেন,তবে ম্যাডামের সহযোগী নিজামী-মোহাজিদরা কি করবেন সেটা আগাম বলা যায়না।

--> জামাত হরতালে আইলে মজা হইবেক :D :D
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: জ্বি। তবে আপনার আগের কথাগুলো ম্যাডামের যেকোন উপদেষ্টাকে জিজ্ঞেস করুন।

১৮. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:২৭
ইউনুস খান বলেছেন: আসেন বিএনপির হরতালকে না বলি।
আওয়ামীলীগের হরতালকে হ্যাঁ বলি।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: না। কোন দলেরই হরতালকেন হ্যা বলার দরকার নেই। সব হরতালকেই না বলি।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার কথাই ঠিক।

২০. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৩
পূজারোজ বলেছেন: হরতালকে অবশ্যই না..

হরতাল থাকলেও আগামীকাল আমার কাজে যেতে হবে তাও পল্টন দিয়ে-চিন্তায় আছি-এদের কথা আর কাজ তো কখনও মিলে না।

ভালো লিখেছেন বিশেষ করে ঐ জায়গাটার সাথে আমার ভাবনা একদম মিলে যায়-"সরকার নির্যাতন করলে জনগণই রাস্তায় বেরিয়ে আসবে। এতে কোন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্ব দেয়ার দরকার নেই।"

সেই সাথে আর একটু যোগ করতে চাই- জনগন তাদের (বিরোধীদলকে) ভোট দিয়েছ সংসদে গিয়ে কথা বলার জন্য না বাইরে বসে বসে বেতন নেওয়ার জন্য।

সবসময় এক অজুহাত ভালো লাগেনা- "কথা বলতে দেয় না"।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই আপনাকে। আমি সংসদের কথাটি লিখতাম, কিন্তু বড় হয় যায় ভেবে লেখা হয়নি। তারা সংসদে যাক। তারা পরিবেশের কথা বলেন। আমরা তো চেয়ার দিয়ে পিটাপিটিও দেখেছি, দেখেছি ফাইল ছোড়া ছুড়ি। হোকনা তাতে কি? রাজপথে গাড়ি ভাঙার পরিবেশ আছে সংসদে নেই। ওনাদেরকে জনগন রাজপথে থাকার জন্য ভোট দেয়নি বরং সংসদে যাবার জন্যই দিয়েছে। তাহলে তারা যদি সংসদে না যায় তাহলে আগামীতে সংসদে পাঠাবে না বরং রাস্তার মানুষ রাস্তায়ই রাখবে।

২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২২. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৩৯
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: হরতাল যে বাংলাদেশের মানুষ পছন্দ করে না এটা এদেশের সকল রাজনৈতিক দলই বোঝে।

আসলে বিরোধী দলের কর্মীরা (রাজনীতি প্রকৃত পক্ষে যাদের পেশা) তারা অনেক দিন ধরে কাজ না পেয়ে অলস হয়ে যাচ্ছেন, এটা শুধু তাদের গা একটু গরম করার জন্যই, নইলে এখন এই হরতালের কোন যৌক্তিকতাই খুজে পাই না।

সরকারের উচিৎ হবে বিরোধী দলের হরতালে কোন বাধা না দেয়া, যাতে এর উপর কোন ইস্যু তৈরী করে তারা আর কোন হরতাল না ডাকতে পারে। আর বিরোধী দলেরও উচিৎ সময়ের দাবী বুঝে রাজনৈতিক কর্মসূচী দেয়া।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০১

লেখক বলেছেন: ১০০% ঠিক আপনার কথা। অনেক দিনের অভ্যাস। আপনাকে একটা গল্প শোনাই। গ্রামের একলোক বেড়াতে গেলেন এক আত্মীয়ের বাসায়। তখন আত্মীয় স্যান্ডেল এনে দিলেন পা ধুয়ে ঘুমানোর জন্য। কিন্তু তিনি পা ধুয়ে শুলেন ঠিকই, তার ঘুম হলো না। মাঝ রাতে বেড়িয়ে গেলেন। অনেকক্ষণ মাটিতে হাটাহাটি করে এসে বিছানায় শুলেন। ভালো ঘুম হলো। কারণ তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস...

২৩. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৭
স্বল্পজ্ঞানী বলেছেন: আমার তো লোল পড়ছে। হরতাল ভালা জিনিষ :P
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৩

লেখক বলেছেন: হায়দার হোসেনের একখান গান আছে হরতাল নিয়া। শুইনেন। লোল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে।

২৪. ২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৪:৪৯
সমীর কুমার ঘোষ বলেছেন: আপনার লেখাটা যদিও অনেক বড়, তবুও পড়তে ভালই লাগলো। আপনি যেটা বলেছেন হরতালকে 'না' বলি এটা একটা পুরোনো কথা।


@ এস বাসার আপনার মত টা অনেক ভালো লাগলো।

তবে আমি বলবো গুরুত্বপূর্ন কোনো কারন ছাড়া এই ধরনের হরতালকে আসুন আমাদের স্বাভাবিক জীবন যাত্রার মাধ্যমে হরতালের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করি।
২৬ শে জুন, ২০১০ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: পুরনো কথাই তো আমাদের বারবার বলতে হয়। কারণ ভালোটা গ্রহণ কমই হয়, কিন্তু সেটা বারবার বলেই যেতে হয়। আমরা কি ৭১ এমনেই পেয়েছি? বার বার বলেছি, লড়েছি তার পর পেয়েছি। আর বড় করার ইচ্ছা আমার ছিলনা। কিন্তু যেগুলো না বললেই না তা বলতে হয়েছে। আরো লেখার ছিল কিন্তু বড় হয়ে যাওয়াতেই লেখা হয়নি।
ধন্যবাদ আপনাকে

২৫. ২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩০
বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: আওয়ামী লীগ আগের বার হরতাল করবে না বলে ঘোষনা দিয়েও হরতাল করে ঢাকা অচল বানিয়ে ফেলেছিল...খুব এ কষ্টে ছিলাম ভাইজান...এবারো একি জিনিস হোক কেউ চায়না...কিন্তু সরকারের বাড়াবাড়ি টা একটু বেশি...তারা নমনিও হলে বি এন পির হরতাল এমনি ই বাশ খেয়ে যেত...জনগন এখন আর আজাইরা ঝামেলা পসন্দ করে না...
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন। বিরোধীদল এবার একটু ব্যতিক্রম আনার কথা বলেছেন। সরকারও বলেছেন বাধা দিবেন না। আমরাও চাই বিরোধীদল সহিংস না হোক, সরকারও বাড়াবাড়ি না করুক। কারণ তারা কথা দিয়েছেন। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কে ঠিক থাকে।

২৬. ২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩১
ভিজামন বলেছেন: না.... না... না....

কিন্তু অফিস যেতে হবেনা বলে ভালোও যে লাগছে গো..
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০

লেখক বলেছেন: আপনার ভালো লাগবে না যখন ভাববেন খেটে খাওয়া মানুষের কথা।
ধন্যবাদ আপনাকে।

২৭. ২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৫
সপ্ন পুরন বলেছেন: হরতালকে না ।

কিন্তু না না কইরা মাইনাস দিলো কেডা? =p~
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: যারা মাইনাস দেবার তারা দিবেই। কারো ভালো না লাগলে তো মাইনাস দিবেই। কিন্তু কেউ যদি এখানে না বলে উপরে মাইনাস দেন তাহলে তাকে ভার্চুয়াল মাইনাস।

২৮. ২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২
বঙ্গদর্পণ বলেছেন: বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে বিদ্যুৎ-পানির জন্য সারা দেশে হাহাকারের কিছু নমুনা:

ইত্তেফাক ০৬-০৫-২০০৬

ইত্তেফাক ২৪-০৯-২০০৬
২৬ শে জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। এক অর্থে ভালোই হয়েছে। কারণ বিদু্ৎ পানি সমস্যাই সালাউদ্দিনদের টাইটেল দিয়েছে। না হয় বিপদ হতো। সাকারে ডাকলে ঐ সালাউদ্দিনরে বুঝত। এখন একজনরে চেনে রাজাকার হিসাবে আরেকজন কে চিনে দৌড় সালাউদ্দিন নামো। হা হা হা।

২৯. ২৬ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:০৩
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: এই সমস্যা সমাধান আমাদের হাতে। এই সব দুমুখো সাপ দুর্নীতিবাজদের ভোট দেয়া বন্ধ করতে হবে। কিন্তু সেটা কি আমরা কোন দিনও করব ?
যে অপকর্ম করে এবং সমর্থন করে, তারা উভয়েই অপরাধী। ভোটার হিসেবে আমরাও তাদের ভোট দেয়ার জন্য অপরাধী।
২৭ শে জুন, ২০১০ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: একমত

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৭৫০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
নিজেকে জানা হয়না জীবনের অবহেলায়।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই