somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মাসিক দশদিক--ফেব্রুয়ারী সংখ্যায় প্রকাশিত আমার একটি সাক্ষাতকার।

১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সকাল ৯:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সাহিত্যচর্চা কিংবা লেখালেখি হচ্ছে একজন লেখকের খেয়ালী মনের আয়োজন

-সুফিয়া বেগম

[সুফিয়া বেগমের জন্ম ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার শেরপুর গ্রামে। স্কুলজীবন থেকেই লেখালেখিতে হাতেখড়ি। গল্প, উপন্যাস, কবিতা, ভ্রমণকাহিনী ও শিশুতোষ রচনা মিলিয়ে এ পর্যন্ত প্রকাশিত গন্থের সংখ্যা ১৮টি। বর্তমানে কর্মরত আছেন ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড-এ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে মাস্টার্স ডিগ্রিপ্রাপ্ত এ লেখক ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলমনাই এবং কলকাতাস্থ বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের সদস্য। সাহিত্য সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন ড. আশরাফ সিদ্দিকী ও সাঈদা স্বর্ণপদক। নির্ভৃতচারী এ লেখকের সম্প্রতি মুখোমুখি হয়েছিলেন দশদিক প্রধান প্রতিবেদক সাইফ বরকতুল্লাহ]

প্রশ্নঃ আপনার লেখালেখির হাতেখড়ি কিভাবে ?
উত্তরঃ আমার মনে হয় লেখালেখির ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে হাতেখড়ি হওয়ার সুযোগ অনেকের বেলায়ই হয়না। আর হওয়ারও কথা নয়। এটা স্বতঃস্ফূর্ত একটা বিষয়, যা ভিতর থেকে আপনা আপনি আসে। আমার বেলায়ও এমনটাই হয়েছে। তাছাড়া আমার পরিবারের কেউ সাহিত্যচর্চার সাথে জড়িত নেই যে দেখে উদ্বুদ্ধ হবো। উপরওয়ালার কৃপায় লেখালেখির বিষয়টা নিজ থেকে আমার মধ্যে এসেছে। সেই স্কুল জীবন থেকে আমি প্রচন্ডরকম ভাবাবেগপ্রবণ মানুষ। আমার লেখা যে কোন বাংলা রচনা বা ব্যাখ্যা পড়ে বাংলার স্যার খুব খুশী হতেন। বলতেন, তুই লেখালেখি করতে পারবি। কিন্তু এ বিষয়টা আমাকে তখন তেমনভাবে নাড়া দিত না। স্কুলের পড়ার পাশাপাশি যে কোন সাময়িকী, গল্পের বই কিংবা উপন্যাস নেশার মতো পড়তাম আমি। পড়তে পড়তে মাঝে মাঝে মনে হতো, কি এমন কঠিন একটা লেখা তৈরী করা? ইচ্ছে করলে তো আমিও পারি। সেই পারার তাগিদ থেকে চেষ্টা এবং সেই চেষ্টা থেকে লেখালেখির শুরু।

প্রশ্নঃ লেখার প্রথম দিকের স্মৃতি কি মনে পড়ে ?
উত্তরঃ মাঝে মধ্যেই মনে পড়ে। মনে হয় এ তো সেদিনের কথা। আমি তখন এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে বাসায় অবসর সময় কাটাচ্ছি। থাকি ভৈরবে। মনের খেয়ালে দু’একটি কবিতা লিখি মাঝে মধ্যে। একদিন পত্রিকায় দেখলাম নতুন লেখকদের লেখা নিয়ে ময়মনসিংহ থেকে একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকা বের হবে। কোন কিছু না ভেবে ঠিকানা অনুযায়ী একটি কবিতা পাঠিয়ে দিলাম। কিছুদিন পর দেখি আমার নামে একটি চিঠি এসেছে, সঙ্গে বেশ কয়েক কপি পত্রিকা। দ্রুত হাতে পত্রিকার পাতা উল্টিয়ে দেখি ঝকঝকে অক্ষরে আমার কবিতাখানি। তখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে আমার কবিতা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। তারপর কি করব, কি করা উচিত বুঝতে না পেরে বাসার কাউকে না দেখিয়ে সবগুলো কপি লুকিয়ে ফেললাম। কিছুদিন মনের ভিতর একটু যেন কেমন কেমন লাগছিল। তারপর সব ভুলে গেলাম। কলেজে ভর্তি হলাম। কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি। এসবের মধ্যে লেখালেখির বিষয়টা কেমন করে যেন দূরে সরে গেল। কিন্তু রোকেয়া হল সংসদ কর্তৃক যখন একটি ম্যাগাজিন বের করার তোড়জোড় চলল তখন অনেকের সাথে আমিও একটি কবিতা জমা দিলাম। শ্বেত কপোত নামের ঐ ম্যাগাজিনে আমার কবিতাটি ছাপা হলো। কবিতাটির নাম ছিল ‘সেই দিনের সেই ছেলেটি’। মুক্তিযুদ্ধের সময় জন্ম নেয়া একটি ছেলের বর্তমান চিন্তা-চেতনা কবিতাটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল। এরপর থেকে আমি বিরতিহীনভাবে লিখছি।

প্রশ্নঃ আপনিতো গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস- সব বিষয়ে লিখছেন। সমন্বয় করেন কিভাবে ?
উত্তরঃ আপনি নিজেও একজন লেখক। প্রশ্নের উত্তরটা আপনিও জানেন। তবু আমার কাছে যা মনে হয় সেটি হলো সামগ্রিক সাহিত্য ভাবনা। অর্থাৎ সাহিত্য নিয়ে কিছু করা। গল্প, কবিতা, ছড়া, উপন্যাস কিংবা প্রবন্ধ যা-ই বলুন না কেন সবগুলো নিয়েই কিন্তু সাহিত্য। এগুলোর প্রত্যেকটি হচ্ছে সাহিত্যের এক একটি বিচরণ ক্ষেত্র। আপনি জানতে চাচ্ছেন সমন্বয় করি কিভাবে ? আমি মনে করি সমন্বয় করার ব্যাপারটা এখানে বড় নয়। সাহিত্য চর্চা কিংবা লেখালেখি হচ্ছে একজন লেখকের খেয়ালী মনের আয়োজন। গল্প/কবিতা/ছড়া/উপন্যাস, যখন যেটা মনে আসে লিখে ফেলি। হয়তো কাজ করতে করতে একটি কবিতার লাইন গুনগুনিয়ে মনে এলো। লিখে রাখলাম। পরে অবসর সময়ে নিজের ভাব-ভাবনায় এটিকে একটি কবিতার অবয়বে দাঁড় করালাম। তেমনি একটি গল্পের প্লট মনে এলো। অবসর সময়ে এটিকে নিয়ে নড়াচড়া করতে করতে একটি পরিণতির দিকে এগিয়ে যায় সেটি। তখনই লিখে ফেলি। আর উপন্যাসের বেলায় পরিণতিটা শুরুতেই ভাবা যায় না। একটা গল্প নিয়ে এগোতে এগোতে এর ডালপালা বাড়তে থাকে। তখন সেটা আপনা আপনি একটি পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। আমি যেটি বলতে চাচ্ছি সেটি হলো, এখন একটা গল্প লিখব কিংবা এখন একটা কবিতা লিখব এরকম ভেবে লিখতে বসা হয়না।

প্রশ্নঃ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আপনার একটি উপন্যাস ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। উপন্যাসের পটভূমিটা পাঠকদের উদ্দেশ্যে বলবেন কি?
উত্তরঃ বইটির নাম ‘একাত্তর আমার অহংকার’। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়কে নিয়ে বইটি লেখা, যে সময়ে অ-মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়ে নিজেদের সুবিধা আদায়ে ব্যস্ত হযে পড়ে। সংক্ষেপে বই এর কাহিনীটা এরকম: সানাউল্লাহ নামের একই চেহারার দু’জন লোক। দু’জনই সুবিধাবাদী চরিত্রের। এক সানাউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হয়ে কাজ করেছিল, ওর প্রকৃত নাম আরসানান আহমেদ। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে গ্রামের মুক্তিযোদ্ধারা ওকে বিচারের সম্মুখীন করলে সে সেখান থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। শহরে এসে সব হারানো মুক্তিযোদ্ধা সেজে সানাউল্লাহ নাম নিয়ে চাকুরী নেয় মুক্তিযুদ্ধে একমাত্র পুত্রকে হারানো এক পিতার অফিসে। এরপর সেখানেই তার উত্থান। চাকুরীদাতার একমাত্র মেয়েকে বিয়ে করে সবকিছুর মালিক হয়ে জীবনের ঠিকানা গড়ে তুলে সে। সেই শহরেই থাকে সানাউল্লাহ নামে তার মতো দেখতে আর এক ধান্ধাবাজ লোকের বাস। ধান্ধাবাজি করতে করতে সে খুঁজে বের করে ফেলে সানাউল্লাহ ওরফে আরসানান আহমেদ এর বাড়ি-ঘরের ঠিকানা। সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ছাড়ে না সে। নিজের চেহারাকে কাজে লাগিয়ে সানাউল্লাহ ওরফে আরসানান সেজে দখল করে বসে বাড়ি-ঘর-সম্পত্তি সব। মুক্তিযুদ্ধের এত বছর পর গ্রামের কেউ আর সানাউল্লাহর স্বাধীনতাবিরোধী ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে না। কিন্তু গোল বাঁধে তখন, যখন বাড়ি-ঘর-ভূসম্পত্তির সত্যিকার মালিক রাজাকার সানাউল্লাহ ওরফে আরসানান আহমেদ তার পৈত্রিক সম্পত্তির খোঁজে গ্রামে যায়। কাহিনী আরও জমে উঠে যখন এ গ্রামেরই এক মুক্তিযোদ্ধা, যে কিনা বর্তমানে বেঁচে থাকার তাগিদে ধুঁকে ধুঁকে সংগ্রাম করে যাচ্ছে বিরুদ্ধ সময়ের সাথে, সে এসে মুখোমুখি হয় দুই সানাউল্লাহর। সানাউল্লাহ ওরফে আরসানান আহমেদ নিজের পৈত্রিক ভিটা ফেরত পেতে অবশেষে মুক্তিযোদ্ধার কাছে নিজের একাত্তরের ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে।

প্রশ্নঃ বিভিন্ন দেশ ঘুরেছেন আপনি, বিভিন্ন দেশের সাহিত্যের সাথেও পরিচিত হয়েছেন। বিদেশী সাহিত্যের সাথে বাংলা সাহিত্যের একটি তুলনামূলক আলোচনা করবেন কি?
উত্তরঃ আপনি নিশ্চই আমার সাথে একমত হবেন যে, বিদেশী সাহিত্য সম্পর্কে জানার জন্য বিদেশে ঘুরতে হবে এমন কোন কথা নেই। এজন্য দরকার মনের দুয়ার খোলে দেয়া। আর সেটা নিজের দেশে এমনকি ঘরে বসেও করা যায়। আজ তো সারা বিশ্ব সবার সামনে উন্মুক্ত। ঘরে বসেই যে কোন দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করা যায়। যে কোন দেশের সাহিত্য সে দেশের কৃষ্টি-সভ্যতা ও জীবন প্রবাহকে অবলম্বন করে গড়ে উঠে। সে হিসেবে দেশভেদে সাহিত্যের কিছু স্বাতন্ত্র তো থাকবেই। যেমন এটা তো অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বাংলাদেশের সাহিত্যের একটা বড় অংশ জুড়ে আছে আমাদের সংগ্রামী জাতিসত্তার ইতিহাস অর্থাৎ স্বাধীকার আন্দোলন থেকে আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস। পৃথিবীর খুব কম দেশে ভাষার জন্য এমন আন্দোলন, স্বাধীনতার জন্য এমন দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়েছে। আর এসব আন্দোলন-সংগ্রাম তো আমাদের সাহিত্যের প্রাণ। সেদিক থেকে অনেক বিদেশী সাহিত্যের সাথে আমাদের সাহিত্যের একটি স্বাতন্ত্র তো আছেই, থাকবেও।

প্রশ্নঃ লেখালেখির পাশাপাশি আপনার সময় কাটে কি করে ?
উত্তরঃ লেখালেখির পাশাপাশি সময় কাটানোর চেয়ে সময় পাওয়াটাই আমার জন্য কঠিন বিষয়। কারণ, আমি একটি বেসরকারী ব্যাংকে চাকুরী করছি। একই সাথে সাংসারিক ব্যস্ততা তো আছেই। এর থেকেই সময় বের করে লেখালেখিটা চালিয়ে যাচ্ছি কেবল নেশার ঘোরে। এরপরও সময় পেলেই আমি বই পড়ি, গান শুনি। মাঝে মাঝে সময় করে বাইরে বেড়াতে যাই। প্রকৃতির কাছাকাছি ঘুরে বেড়াতে আমার খুব ভালো লাগে।

প্রশ্নঃ ভবিষ্যতে লেখালেখি নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কি?
উত্তরঃ এখন যা লিখছি তাই লিখব। তবে হ্যাঁ, যা লিখিনি কিন্তু লিখার তাগিদ অনুভব করি- সেটা হচ্ছে আমার শৈশব স্মৃতি- যেখানে উঠে আসবে আমার প্রিয় গ্রাম, গ্রামের মেঠোপথ, পথের দু’ধারে ঘাসফুল। আর সে ঘাসফুল মাড়িয়ে ছুটে চলা নুপুর পরা কতগুলো চঞ্চলা পায়ের শব্দ। আমার ছোটবেলাটা কেটেছে গ্রামে- যে গ্রামটা আজও সত্যিকারের গ্রাম। আমার সে গ্রাম আজও আমাকে ভীষণভাবে টানে। আমি ছুটে ছুটে যাই সেখানে। আমার সে গ্রামকে সেই দিনের মতো করে তুলে আনতে চাই আমার স্মৃতিকথায়।

লেখক পরিচিতি
সুফিয়া বেগম। জন্ম ৩০ সেপ্টেম্বর। ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার শেরপুর গ্রামে। মা মৃত- রাশেদা বেগম, বাবা মৃত- আব্দুল কাদের আকন্দ। স্কুল জীবন থেকে লেখালেখিতে হাতেখড়ি। নান্দাইল জন্মস্থান হলেও এই লেখকের শৈশব ও কৈশোরের বেড়ে উঠার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বন্দর নগরী ভৈরব। বাবার চাকুরীর সুবাদে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন চন্ডিবের হাজী আসমত প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। এর আগে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণী পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন তার গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা লাভ করেন ভৈরব রেলওয়ে হাইস্কুল থেকে। ১৯৮০ সালে এখান থেকে এসএসসি পাশ করার পর ভর্তি হন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহিলা কলেজে (বর্তমানে সরকারী)। এরপর অর্থনীতিতে উচ্চতর ডিগ্রী নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে।
এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৮টি। ছয়টি উপন্যাস, তিনটি ছোটগল্প সংকলন, দু’টি কবিতা সংকলন, একটি কিশোর উপন্যাস, একটি ভ্রমণ কাহিনী, একটি রঙ্গগল্প সংকলন ও চারটি শিশুতোষ রচনা। এছাড়াও যৌথ গ্রন্থ পাঁচটি সাতটি। ইদানীং সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল ছোট গল্প লেখকদের মধ্যে তিনি একজন। লেখালেখির মাধ্যমে সমাজ ও দেশের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতাকে তুলে ধরার জন্য তিনি গল্প-উপন্যাস-কবিতার পাশাপাশি জাতীয় দৈনিকে ও বিভিন্ন মাসিকে নিয়মিত কলাম লিখে আসছেন। তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশান এবং কলকাতাস্থ বিশ্ববঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের আজীবন সদস্য। পেশা জীবনে একজন ব্যাংকার, কর্মরত আছেন ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এর প্রধান কার্যালয়, আন্তর্জাতিক বিভাগে।

প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহ
১) আশরাফ সিদ্দিকী ও সাইদা সিদ্দিকী স্বর্ণপদক।
২) শ্যামল ছায়া সাংস্কৃতিক একাডেমী সম্মাননা।
৩) বঙ্গবীর ওসমানী স্মৃতি পুরস্কার
৪) শেখ রাসেল স্মৃতি পুরস্কার
৫) সত্যজিৎ রায় স্মৃতি পুরস্কার
৬) ঈশা খাঁন স্মৃতি পুরস্কার
৭) অনির্বাণ সাহিত্য পুরস্কার


৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আমি ক্রিকেটার বলে বেঁচে গেলাম” — নাঈম হাসানের কান্না এবং সাধারণ মানুষের প্রশ্ন

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১৯

একজন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার মাঝরাতে বিমানবন্দর থেকে বাসায় ফিরছিলেন। জাতীয় দলের জার্সি পরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন, আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন, অসংখ্য মানুষ তাকে চেনে। অথচ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাকে নিজের পরিচয় প্রমাণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্রাজিলের ম্যাচগুলো কবে কখন কোথায় এবং কার সঙ্গে?

লিখেছেন শিমুল মামুন, ১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪


একনজরে ব্রাজিলের গ্রুপ পর্বের ফিক্সচার (Brazils Group Stage Fixtures at a Glance)
প্রথম ম্যাচ (প্রতিপক্ষ মরক্কো): ১৪ জুন ২০২৬। বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১

কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাগরিকের অপমান ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির সংকট: ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ঘটনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪০

নাগরিকের অপমান ও রাষ্ট্রীয় জবাবদিহির সংকট: ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ঘটনা

ক্রিকেটার নাঈম হাসানের ছবিটি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ক্রিকেটার নাঈম হাসানের সঙ্গে পুলিশের আচরণ নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা কোনো বিচ্ছিন্ন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×