৪৯) কাছের মানুষের জন্য ভালোবাসা
শব্দের গতির চেয়ে
কথার গতি বেশী।
ইথারে ভেসে আসা কথারা যতবার
আমার কানের মধ্যে কলতান তোলে
এই কথা মনে হয়।
ভালোবাসার অমল আলোতে মেখে
অনেকদিন বলোনি ,ভালোবাসা ভালোবাসি।
শুধু প্রয়োজন।
গৃহস্হালী প্রয়োজনের তালিকা।
চাল,ডাল,লবন।
ভালোবাসা এমন মুদির দোকানের
তৈজস পত্রের মত কাগজে কলমে এসে যায়
কেউ কি তা জানে কখনো?
সময় পেরুলে অজস্র পুরাতন ফিরে আসে,
জোনাকি পোকার মত আলো জ্বালে।
ধূসর করে দেয় বর্তমানের খেয়ালী খাতা।
অসচেতনতার কাছে এসে পড়ে থাকে
ভালোবাসার হিসাব নিকাশ।
খুব ইচ্ছে করে জানতে কেমন আছো।
নিত্যদিনের সাধারন চাওয়া গুলোকে
আলিঙ্গন করি অভ্যাসে।
ড্রয়ারে জমানো থাকে
শব্দাবলীর সচল প্রকাশ।
কাগজের বুকের
সেই শব্দদের অনুভব ছঁতে চাই বারবার।
যদি বেদনার নীলের মত কিছু ভীর করে থাকে,
মনের সমস্ত উপমায় বেঁধে ফেলি তাকে।
এই সময়গুলোতে জন্মদাত্রী মাকে খুব বেশী মনে হয়,
হয়তোবা জন্মাবার দিনটা খুব কাছে বলেই।
কাঙালের মত একদিন হাঁটুর কাছে বসে
চেয়েছিলে হাতদুটো।
শুধুই হাত দুটো ধরবার প্রার্থণা বারবার।
এবং বলেছিলে চোখ দুটো জমা রেখে গেছো আমার কাছে,
যেনো মনে রাখি।
কলমের আঁচড়ে ভরে যায় হৃদয়ের ভাবাবেগ যত।
ইচ্ছে করে কবি হাসনা হেনার মত দারুন সব কবিতা লিখি।
নিজেকে উজাড় করে দেই সেই কবিতায়।
যতটুকু ইচ্ছা ,যতটুকু অনুভব নিয়ে ধাবিত তোমার প্রতি
সব কথাবলে দেই অকপটে।
সবখানে।ইথারে ইথারে।
কাগজের বুকে।বাতাসের কানে।
অজস্র" না" এ ভরা এই জীবনটা।
একটা বিড়ালের মৃত্যুদিয়ে
শুরু হয়েছিলো হৃদয়ের প্রথম ক্ষত।
এরপর কানের দুল।
পুতির মালা।
প্রথম হাত ঘড়ি।
কবিতার বই।বাহারী কলম।
প্রথম প্রেমের চিঠি।
সবকিছু একটা "না" এর কাছে হার মেনে গেছে।
দুচোখের কান্না ভুলাবার সাধ্যি ছিলোনাতো।
কেঁদে কেঁদে দুখের শাওন।
আমার রাতের আকাশে তারা হয়ে যদি কোনদিন আসো
কিংবা বাতাসের সাথে মিশে চেনা গন্ধের মত।
আমি খুব কাছে এসে দাঁড়াবো একদিন।
ভালোবাসার খেয়ালী পায়রাটা কি করে
প্রতীক্ষায় হারালো সময়।
সে কথার ফুলঝুরিতে নাচবে ময়ূর।
শুধু তুমি যদি আসো একটা দিন।
একটা সকাল,একটা দুপুর আর একটা সন্ধ্যা।
তোমার জন্য দিতে পারি
অজস্র তারাদের বন্ধুতা।
ভালোবাসলে শুধু ভালোবাসলে যে কত কিছু সম্ভব
তোমাকে বলে দিতে পারি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

