৬৩) ভাইরাস
জানালা দিয়ে যতটুকু আকাশ
মেঘগুলো বিষণ্নতায় উড়ছিলো শুধু।
গাছগুলো বৃষ্টিতে ভিজে নতুন।
আসন্ন পাতাদের সম্ভাবনায় কিছুটা আহ্লাদী।
পাখিগুলো রাস্তায় জমে থাকে পানিতে
সারছিলো সমবেত গোসল।
রাস্তায় চলতে থাকা গাড়িগুলো
বারবার চৌরাস্তার লাল এ থামছিলো।
আমার জ্বরাক্রান্ত চোখ কেবলি ছুটে বেড়াচ্ছিল
পাখী থেকে শুরু করে চৌরাস্তায়।
এমনকি
আকাশ থেকে গাছে।
ঝুলানো পর্দার দিকে তাকিয়ে
এলোমেলো ভাবনায়
কতকিছু মনে পড়ে!
জ্বর এলেই এমন
বেহিসাবী নিমপাতা দিন!
কে জানে পৃথিবীর অন্যখানে
বুক ভরা বেদনা নিয়ে
নির্ঘুম রাত কাটে কারো কি?
সেই বেদনাকে ছুঁতে পারিই বা ক'জনা?
জানালা দিয়ে তাকালে আরো দেখা যায়
একটা ছোট্ট মেঘের পথ
বহুদুর বেয়ে গেছে।
মনটাকে বিমর্ষ করে দিয়ে
সেই একলাপথ ঘুরে আসি!
প্রার্থণায় উচ্চারিত হয়
"সুস্থতা চাই।
জ্বরজারি
একলা হওয়া
নির্বাসন যাও।"
আমার জ্বরজারি
অনেকদুরের তাকে ধাবিত করে।
এবং
তার হৃদয়ের তাবৎ কাঁপন ও
আমার দিকে।
এভাবেই পৃথিবীর অনেক নরনারী,
আবালবৃদ্ধবণিতা সকলেই
অজানা এক ভাইরাস এ আক্রান্ত হতে থাকি।
প্রতিদিন!
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১০:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


