আমার প্রিয় পোস্ট

ঘুরে এলাম নায়েগ্রা জলপ্রপাত

১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৫৫

শেয়ার করুন:                   Facebook

এবারের নায়েগ্রা যাওয়াটা অন্যরকম।আসলে প্রথমে টরন্টোর ওয়াটার লু তে বড় ভাইকে রাখতে গেলাম উর্মির কাছে। ওয়াটার লু ইউনিভার্সিটির চারদিক ঘোরা হলো রাতের বেলা। বেশ সুন্দর ছিমছাম শহর।

পরদিন সারাদিন টরন্টো শহরের বেশ কয়েক জায়গা ঘোরা হলো। টরন্টো এত বড় শহর। এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে হিমশিম খেতে হয়। ডাউন টাউনটা খুব সুন্দর। ঘুরতে ঘুরতে ড্যানফোর্থ। বাংলাদেশী দোকানপাট গুলো অনেক এখানে।রাশীক কে নিয়ে সি ডি কিনবো বলে গাড়ি থেকে নামলাম।

একটা দোকানে কবি সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল এর সাথে দেখা। পেপারে উনার ছবি দেখেছিলাম আগে,তাই খুব চেনা লাগছিলো। কথা বলতে বলতে জানলাম উনি কিছুদিন অটোয়াতে ও ছিলেন। কথার মাঝে মিঠু এসে পড়লো। দুলাল ভাইকে বললাম দেশে থাকতে আপনার কবিতা পড়তাম ।উনি গত বইমেলায় দেশে ছিলেন জানালেন।অটোয়া থেকে লুৎফর রহমান রিটন ভাই ও গেছিলেন।

এ টি এন মিউজিক নামে একটা দোকান থেকে সি ডি আর বই কিনলাম।
অনেক বই ছিলো। দেখতে ভালোও লাগছিলো। বেশী সময় থাকলে অনেকক্ষন থাকা যেতো।

আমাদের এক বন্ধুর বাসায় যেতে হবে। তাই তাড়া তো ছিলোই।
ওয়াটার লু ফিরতে মাঝ রাত হয়ে গেলো।রাতের টরন্টো শহর সত্যি দেখবার মত।
রবিবার সকালে বের হলাম। মাঝে টরন্টো কিছুক্ষন থেকে অটোয়া ফিরে যাবো এই রকম ই ইচ্ছা। বড় ভাই এ যাত্রা আর যাচ্ছেন না। মেয়ের কাছে ক'দিন থাকবেন। রাশীক ,রাইয়ান মন খারাপ করলো। রাইয়ান তো সারাক্ষন বড় চাচাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য বললো।

গাড়ি হাইওয়েতে উঠবার একটু আগে ও বললো নায়েগ্রার এত কাছে এসে নায়েগ্রা যাবো না তা কি করে হয়। গাড়ী রাস্তার এক পাশে থামিয়ে টস্‌ করা হলো.......।
টস্‌ আর কি ! মনের টান বলে কথা।
জিপি এস এ নায়েগ্রা লিখে সার্চ দেয়া হলো।



শুরু হলো নায়েগ্রা যাত্রা। গ্রামের একটা পথ দিয়ে যাচ্ছি তো যাচ্ছি।কি যে এক উদাস সময়।এমন সব সময়ে দেশের কথা মনে পড়ে। আসলে যে কোন ভালো লাগা অনুভবের সাথে দেশ কেমন জড়িয়ে থাকে।দেশ ,দেশের মানুষ।
এক সময় আমরা দেখি হ্যামিলটনের ডানডাস শহরে। ওখানে ক্যাকটাস ফেস্টিভ্যাল চলছিলো। ইচ্ছা করছিলো যাই। কিন্তু নায়েগ্রা যেতে দেরী হয়ে যাবে তাই পথে আর থামা হলো না। এত সুন্দর পাহাড়ি পথ দিয়ে শহরটাতে ঢুকলাম। রাংগামাটির কথা মনে পড়ছিলো। খুবই ভালো লাগছিলো।


নতুন একটা শহর। নতুন মানুষ। কেমন যে ভালো লাগা.......চারিদিকে সুন্দর ছড়িয়ে আছে। অদ্ভুত লাগছিলো।কিছু সময় থাকে এমন।
বাতাসে কানে কানে আমার ভালো লাগার কথা জানিয়ে দিলাম।


মেইন ষ্ট্রীট দিয়ে অনেক অনেকক্ষন গাড়ী চালানোর পর আবার গ্রামের পথ শুরু হলো। আমরা ভাবছিলাম বাংলাদেশের মত দোকানের নামের নীচে শহর আর পাড়ার নাম থাকলে ভালো হতো।
শহর শেষ হতে না হতেই হাতের ডানে অনেকগুলো ফলের দোকান(অস্হায়ী)। গাড়ী থামিয়ে ওখান থেকে এক ঝুড়ি ফল কিনলাম।ফ্রেস সবজী,ফল সব। নানান বাহারী ফল । এক ঝুড়ি পাঁচ ডলার।


এরপর ফল খেতে খেতে ,গান গাইতে গাইতে পৌছে গেলাম নায়েগ্রা সিটি তে। একটা গান খুব মনে পড়ছিলো,"বেলা বয়ে যায় ,ছোট্ট মোদের পানসী তরী সংগে কে কে যাবি আয়।"


গত বছর যখন নায়েগ্রাতে এসেছিলাম ,ভাইজান দেশ থেকে আসছিলো। আরো অনেকেই সাথে ছিলো। এইবার আমরা ৪ জন শুধু।এবার কার বেড়ানো টা অন্যরকম আনন্দের। এই সব জায়গায় দলবল মিলে আসলে অবশ্য বেশী মজা হয়। ভাইজান এত আনন্দ পেয়েছিলো। হয়তোবা সেই ভ্রমন কাহিনী লিখে থাকবে লালমনিরহাট বার্তায়। ভাইজান যেখানেই যেতো সাথে একটা নোট বুক। আমিও নেই।এইবার আমি ব্যাগ গুছাই নি। টরন্টো পৌছে দেখি রাশীকের বাবা ঠিকই আমার সবুজ খাতাটা নিয়ে এসেছে। যদিও সময় করে আর তাৎক্ষনিক কিছু লেখা হলো না।



মঙ্গলবার ।কাজের দিন। অথচ নায়েগ্রার সামনে মানুষের ঢল।নায়েগ্রার পানির যেমন শেষ নাই। এখানে যতবার এলাম ...একই রকম।মানুষ আর মানুষ।কত বিচিত্র রকমের মানুষ যে। সবাই হাসছে,কথা বলছে।ছবি তুলছে। ছবি তোলার কোন শেষ নাই। আমি যেখানেই যাই , মানুষ দেখি।মানুষের আচরণ। কথাবলা।

নায়েগ্রার দারুণ এক আকর্ষণ মেরীন ল্যান্ড।ওখানে এবার যাচ্ছি না।
ওখানে যেতে হলে অনেক সকালে আসতে হবে।ডলফিনের নাচ হলো ওখানকার আকর্ষণ।এ ছাড়া অনেক অনেক রাইডস আছে। রাশীক কে নিয়ে এসেছিলাম কয়েক বছর আগে। রাইয়ান কে নিয়ে আসা হয়নি। আগামি বছর আসবো আশাকরি।



সত্যিই নায়েগ্রার একটা ভীষণ টান আছে। যে কোন সুন্দর মানুষকে টানে।আর পানির সৌন্দর্য্য বলে কথা! নায়েগ্রা আসলে প্রথমবার এখানে আসবার কথা মনে পড়ে। এত ভালো লেগেছিলো। আনন্দে কেঁদে দিয়েছিলাম।আসলেই যে কোন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য কেমন বিবশ করে দেয়।


নদী,সমুদ্র,জলপ্রপাত.......সব কিছুই। এই সব সুন্দরের কাছে গেলে বুকের মধ্যে কেমন যেনো লাগে। এই সব বিশালতার কাছে আসলে নিজেকে খুব তুচ্ছ মনে হয়। অনেকক্ষন দাঁড়িয়ে বাতাস এ ভেসে আসা জলপ্রপাত এর পানিতে ভিজলাম.............রাইয়ান বলছিলো মাম্‌মা বৃষ্টি।
ও হা করে পানিগুলো খেতে চেষ্টা করছিলো।


জলপ্রপাতের উপরের রংধনুটা খুব সুন্দর লাগছিলো। আকাশের রংধনু আর এইটার অনেক পার্থক্য। ছবি তুললাম।


রাশীক,রাশীকের বাবা ২ জন ই যত ছবি তোলে আর বলে সাম হোয়ার ইন এ দিও। আমি হাসলাম ওদের কথা শুনে.......। আমার লেখালেখির জীবনেও এ ওরা এভাবে মিশে আছে।


গত বছর মেইড অব দ্য মিস্ট এ গেছিলাম তাই এবার আর গেলাম না। দুর থেকে জাহাজের মানুষ গুলোকে দেখলাম। আমি আগে থেকেই ভেবেছিলাম এবার বাটার ফ্লাই কনজাভেটরীতে যাবো। প্রজাপতি দেখতে।
প্রজাপতির মেলায় হারিয়ে গেছিলাম।এত অজস্র প্রজাপতি কখনো দেখি নাই একসাথে....।কি যে দারুণ যে লেগেছিলো দেখতে।



কিছুক্ষন ঘুরে ওখানে রওনা দিলাম। প্রজাপতির সেই গল্প আর একদিন।

 

 

  • ১৩৮ টি মন্তব্য
  • ৬৯৯ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩১ জনের ভাল লেগেছে, ১ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৮
comment by: বিডি আইডল বলেছেন: মেনি থ্যাংকস সাজিপু

২৩ তারিখ যাচ্ছি আশা করি...আপনার টিপস গুলো নোটে এ রেখেছি
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১১

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ..........
হালকা জ্যাকেট নিতে ভুলবেন না..........সন্ধ্যার পর ঠান্ডা লাগে।
বেড়ানো ভালো হোক।শুভেচ্ছা।

২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:১৩
comment by: নাঈম বলেছেন: অসাধারণ কিছু ছবি আর অসাধারণ বর্ণনার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু। আসলে সাগরপাড়ে গেলে নিজেকে আসলেই অনেক তুচ্ছ মনে হয়, আমি নিজেও সাগরপাড়ের শহরে বড় হয়েছি, অনেকবার গিয়েছি সাগরপাড়ে। সাগরের বিশাল জলরাশি, ঢেউ সবকিছু আমাকে খুবই টানে।


আবারো অনেক ধন্যবাদ আপু । শুভেচ্ছা রইল নিরন্তর।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: সাগরপারে বড় হওয়া তো বিশাল ব্যাপার।
জলপ্রপাত এর সৌন্দর্য্য অন্যরকম.............
ভালো থেকো নাইম।
অনেক শুভেচ্ছা তোমাকেও।

৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩০
comment by: মুহিব বলেছেন: পড়ে যেমন ভাল লাগে আবার আফসোসও লাগে। একদিন হয়ত .................

অফটপিক : দাড়ির (।) পর স্পেস দিয়েন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৬

লেখক বলেছেন: একদিন হয়তো.......ইনশাল্লাহ্‌।
স্বপ্ন পূরণ হোক।

হুমম্‌ দিলাম.......লেখাগুলো খুব পাশাপাশি মনে হচ্ছিল।:)
ধন্যবাদ মুহিব।
শুভেচ্ছা।

৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৩৮
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: হেভী লাগল ঘুরতে, আপনার জন্যই সম্ভব হল।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ......।ভালো মত লিখতে পারলাম কই!
তবু ঘুরাতে পারলাম জেনে ভালো লাগলো........।

শুভেচ্ছা থাকলো।

৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:৪৪
comment by: আজনবী বলেছেন: ষ্টার প্লাস দিয়ে রাখলাম, ভাল পোষ্ট। আপনার চোখ দিয়ে আমিও দেখবো, আরো লিখুন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ............।
শুভেচ্ছা থাকলো।
লিখবো আশাকরি।

৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০০
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: বিরাট মজা করলেন।
রংধনুটা দারুণ।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: হুমম্‌ মজা তো হলো..........
রংধনুটা আসলেই দারুণ ছিলো।

বুঝলা সামার টা এত দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে।মনটাই খারাপ।
শীতটা খুব ডিপ্রেসিং লাগে।

গতকাল মন্ট্রিয়েলের বোটানিক্যাল গার্ডেনে গেছিলাম।এতই সুন্দর।
আসতে ইচ্ছা করতেছিলো না।লিখবো আশাকরি।লেখার তো তেমন কিছু নাই........।ছবিগুলো পোস্ট করবো।

অনেক ভালো থেকো।

৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:০৯
comment by: তুষ।র বলেছেন: রংধনুটা দারুণ। এই জিনিসটা আসলেই কেমন জানি মন আওলা জাওলা করে দেয়। ভালো লাগল।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: :)
শুভেচ্ছা।

৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:১০
comment by: রেটিং বলেছেন: আপা আবারও লোভ লাগে....।
কবে যে যাব...
তবে আমি একবার যাবই..এত গল্প শুনেছি.।ছবি দেখেছি...ঘুরতে চাই।
আরো দেন, আরো লোভ বাড়ান :)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আসবা ইনশাল্লাহ.......।

আমি চাই সবাই আসো।:)
অনেক ভালো থেকো।শুভকামনা তোমাদের জন্য।

৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৬
comment by: পারভেজ বলেছেন: ছবি আর বর্ণনা, দুটি একেবারে সিন্ক্রোনাইজ থাকায়, পড়ে খুব মজা পেলাম!! রংধনুটা আসলেই অপার্থিব লাগলো!!
অনেক ধন্যবাদ!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ..........।
জলপ্রপাত এর সামনে রংধনুটা আসলেই অসাধারণ লাগে...........।
ভালো থাকবেন।
শুভেচ্ছা।

১০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৪৮
comment by: কৌশিক বলেছেন: +
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন:
রংধনু রং শুভেচ্ছা।

১১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫২
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: খালি ছবি দেখে গেলাম, পরে পড়ে নেবো :)
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে...........।
ভালো থেকো।

১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০১
comment by: মমমম১২ বলেছেন: খুব সুন্দর।এখনই যেতে ইচ্ছে করছে আমার।ধন্যবাদ সুন্দর ছবি গুলোর জন্য।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: :)
ছবি দেখে আমি ছোটবেলা জার্মানী ঘুরেছি........
আমার ছোরমামা ভিউকার্ড পাঠাতো।আর সারাডিন সেই সব ছবি দেখতাম..........।
আমার জার্মানী দেখা ছবিতেই এখন পর্যন্ত.........।

ইচ্ছা পূরণ হোক....
অনেক শুভেচ্ছা থাকলো।

১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০২
comment by: কৌশিক বলেছেন: রঙধনু কি ওইখানে সবসময় দেখা যায়?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৯

লেখক বলেছেন: নাহ মনে হয়........তাপমাত্রার সাথে রিলেটেড মনে হয় রংধনুর ব্যাপারটা............
গত দুই বছরই যাওয়া হয়েছিলো......একবার মনে হয় দেখেছিলাম।আগের ছবিগুলো চেক করবো।
আর ব্যাপারটা জেনে জানাবো(রংধনু সবসময় দেখা যায় কিনা)।
ভালো থাকবেন।

১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৩
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: পেলাচ
১৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৪
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: ভালানি?
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:১০

লেখক বলেছেন: ভালো আছি ..:) আপনি কেমন?
শুভেচ্ছা থাকলো।

১৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
comment by: সুরভিছায়া বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকেও পড়বার জন্য...........
ভালো থাকবেন।শুভেচ্ছা।

১৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৪১
comment by: ফরিদুল ইসলাম শাওন বলেছেন: আপনার লেখায় নায়েগ্রা ঘুরে আসলাম
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩

লেখক বলেছেন: ঘুরাতে কি পারলাম?
অনেক ধন্যবাদ...।শুভেচ্ছা।

১৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
comment by: হুমায়ুন বলেছেন: স্বাদ থাকলেও সাধ্য নাই। পৃথিবীর সুন্দর্য্য দেখার বড় ইচ্ছে। হয়ত একদিন দেখবো.....
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৮

লেখক বলেছেন: পৃথিবীর অনেক সৌন্দর্য্য তো আমরা বড় বড় কবি সাহিত্যিক দের চোখে দেখেছি........।তাদের লেখার বর্ণনায়। এখন তো প্রযুক্তির কারণে কত ছবিও দেখা যায়।
ইছ্ছা পূরণ হোক।
শুভেচ্ছা।

১৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: নুশেরা বলেছেন: সুন্দর লেখা ও ছবির জন্য ধন্যবাদ। শুভকামনা।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ নুশেরা।
শুভেচ্ছা থাকলো।

২০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৩
comment by: মানবী বলেছেন: টরেন্টো থেকে নায়াগ্রা ফলসের সম্পূর্ণ ভিঊ পাওয়া যায়, আমেরিকায় ফলটি থাকায় যেন আড় চোখে দেখা হয়!
পরবর্তীতে কানাডা থেকে নায়াগ্রা দেখার ইচ্ছে আছে।

তবে ছবি দেখে নায়াগ্রা ফলের চেয়ে যে জিনিসটির ব্যপারে বেশি কৌতুহল হচ্ছে তা হলো- "ডানডাস্ ক্যাকটাস ফেস্টীভেল"! নিশ্চয় খুব ইন্টারেস্টিং ছিলো এই উৎসবের মেলা।


ভালো লেগেছে বর্ণনা পড়ে, ধন্যবাদ সুলতানা শিরীন সাজি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬

লেখক বলেছেন: ছবিগুলো তো এপারের ই।
বাফেলো থেকে মনে হয় একটা অংশ দেখা যায়।
নিমন্ত্রন থাকলো কানাডায় আসার।

ডানডাস ক্যাকটাস ফেষ্টিভ্যাল টা দেখতে পারলে আমার ও ভালো লাগতো।আমি ছবিটা দিয়েছি ডানডাস শহর টা একটু দেখাবার জন্য।
আমার বড় ভাই দেশে থাকেন। অথচ কত জায়গা ঘুরে নানান রকম ক্যাকটাস সংগ্রহ করেন।ওখানে গেলে অন্ততঃ ভাইজানের জন্য কিছু ছবি তো তুলতে পারতাম!

তবে এর পরে একটা পোষ্ট দেবো প্রজাপতি নিয়ে.......।
কি যে দারুণ কেটেছিলো সময়।অজস্র ছবি আর ছবি।

ভালো থাকবেন মানবী।সুন্দর ছুঁয়ে থাক।

২১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:২৫
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: লেখা আরও ডিটেইল হইলে ভাল হইতো।
ছবি সুন্দর।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৮

লেখক বলেছেন: হুমম্‌ ..........।কিছুটা বাড়ালাম।
আমি তো খাতায় লিখেছি বড় করে।টাইপ করতে গিয়ে কমালাম। যেনো বোর না লাগে।:)
ধন্যবাদ মাহবুব।
শুভেচ্ছা।

২২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
comment by: রুধীণ বলেছেন: মন্তব্যে আমি আমার ভালো লাগার কথা জানিয়ে গেলাম:)

যাইতে পারলে ভালো হইতো!!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ..........

নিশ্চয়ই সুযোগ হলে আসবেন ।
ভালো লাগা উৎসাহিত করলো।
শুভেচ্ছা।

২৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:১৪
comment by: রেটিং বলেছেন: আবার পড়লাম। রাশীকের জন্য ভালবাসা রইল।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২

লেখক বলেছেন: ঠিকাছে...........।
রাইয়ান এর কথা ভুলে গেছো?
একদম উপরের ছবিতে কিন্তু রাইয়ান......।
নায়েগ্রা টাওয়ার এর দিকে তাকিয়ে।
রাশীক কে ভালো বাসা পৌছে দেবো.......
ভালো থেকো।


২৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:১১
comment by: ফেরারী পাখি বলেছেন: ৩৩ বছর কাঠি গেল, এখনও যে কত কিছু দেখলাম না। কবতে নিয়ে

আর বেশী দূর এগোন যাচ্ছে না। কারণ একদিন আমিও এর বদলে

আপনার সাথেই ঘুরে এলাম অদ্দেক টা।

ধন্যবাদ ভাই, থুক্কি আপু।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৪

লেখক বলেছেন: :)
ভালো থাকবেন........।
ঘুরে এলেন অর্ধেকটা......।অর্ধেক কেনো?
ছবি দেখে তাই?

ভালো থাকবেন।শুভকামনা।

২৫. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৮
comment by: সুতরাং বলেছেন: লেখাটি ভালো লেগেছে। আশাকরি আগামীতে লেখাটি আরও বড় করবেন। তখন পুরোপুরি ভ্রমণের স্বাদ পাওয়া যাবে। আর ছবিগুলোর কথা আলাদা করে বলতে হয়- অসাধারণ! রাশিক ও তার বাবাকে আমাদের অভিনন্দন!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর দেখলাম।কি খবর?

লেখাটা ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।
আরো বড় করে লেখা যেতো।ভাবছিলাম একঘেয়ে না লাগে! ঠিক আছে এর পর আরো বড় করে লিখবো।
ছবি গুলো আমাদের তিনজনের তোলা।
ওদের কে জানালাম অভিনন্দন.........

শুভেচ্ছা থাকলো।

২৬. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৬
comment by: বিল্লাল মেহদী বলেছেন: নদী, সমুদ্র, জলপ্রপাত.......

আহ... স্বপ্ন.....

চমৎকার পোস্ট।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ.........
অনেক অনেক শুভেচ্ছা।

২৭. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: আপা নতুন কবিতা দিয়েছি ঘুরে যাবেন।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩১

লেখক বলেছেন: আসতেছি।

২৮. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫২
comment by: র‌্যাভেন বলেছেন:
শুন্ছি এসিয়ান লুকরাই নাকি শুদু নায়াগ্রা দেকতে যাই, অন্যদের নায়াগ্রা নিয়া কুনো ইন্টারেস নাই নাকি।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৭

লেখক বলেছেন: কথাটা ঠিক না মনে হয়.............
এই দেশীরা ও যায়। পরে কিছু ছবি দেবো.........

ভালো থাকবেন,শুভেচ্ছা।

২৯. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৮:১৬
comment by: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: যাইতে মন চায় .... :(

(তোমার জন্য গান দিলাম .. তুমি দেখি আর আমার বাসায় আসোই না ) :|
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৯

লেখক বলেছেন: চলে আসো.........
তোমার ব্লগ বাড়ী ঘুরে আসলাম।
অনেক থ্যাংকস তোমাকে।গানটার জন্য।

অনেক অনেক ভালো থাকো।
শুভকামনা

৩০. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৬
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: সামনের মাসে ভাইয়া আর ভাবী যাবে!
তার আগে আমি আপনার মারফত আগেই ঘুরে আসলাম!
থ্যান্কস আপু!
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪১

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?
তোমার ভাইয়া ভাবী কোথায় থাকেন?

সামনের মাসে হালকা ঠান্ডা পড়ে যাবে।
ভালো থেকো।শুভেচ্ছা নাও।

৩১. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৭
comment by: অক্ষর বলেছেন: নায়েগ্রা ঝর্ণার পাশে বইসা একটা হাচি দেওয়ার অনেক খায়েশ
১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৩

লেখক বলেছেন: কোন লাভ নাই.............।জলপ্রপাতের যা শব্দ.........:)

ভালো থাকবেন।

৩২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
comment by: আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: মন্ট্রিল থাকে আপু!
১৯ শে আগস্ট, ২০০