২৪ শে অগাস্ট ব্লগার কালবেলা আর প্রত্যুৎপন্নমতিত্বর শুভ জন্মদিন
এক সময় কালবেলার কিছু অবসরে মাঝে মাঝে লেখা দিয়ে যেতো এই ব্লগে। এখন ও দেয় তবে খুবই কম। ওর জন্মদিনে অনেক অনেক শুভকামনা । ওর দিন গুলো চাওয়ার মত সুন্দর কাটুক।
(অনেক ভালো থাকিস। দিন গুলো কাটুক তোর ইচ্ছেতে সাজিয়ে।
মনে আছে আমার জন্মদিনে তুই একটা পোষ্ট দিয়েছিলি বারোটা বাজার ঠিক এক মিনিট আগে।আমি প্রায় ৩৫ মিনিট আগে পোষ্ট করলাম। দেখতে পাচ্ছি তুই অন লাইনে। যদি চলে যাস তাই। )
জন্মদিন প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব'র ও.....।যার লেখা," আমার মায়ের সাতটি মিথ্যা কথা" সবার মনে আছে। টুটুলকে বলছি, লেখা গুলোতে আমাদের ও অধিকার ছিলো। অনেক শুভেচ্ছা থাকলো টুটুল।
কালবেলার লেখা আমার একটা খুব প্রিয় কবিতা দিলাম।
বাড়ির নাম ‘কালবেলা’
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৩৩
মনের মাধুরি মিশিয়ে
চোখের সাধ্ মিটিয়ে
বুকের কাব্য জড়িয়ে
মেঘের বৃষ্টি ঝরিয়ে
শিউলির গন্ধ ছড়িয়ে
স্মৃতির নুপুর পড়িয়ে
আমি বানাবো সে বাড়ি।
আসবে কখনও?
সহসা চিনবে না জানি।
তোমার ইদানীংকালের চেনাজানা হাটা পথেই পড়বে বাড়িটা
বিনে পয়সায় পেয়েগেছি জায়গাটা।
অনেকেই এসে বসত করছে সেখানে
না না ঘর হয়ত বাঁধছে না
তবে থেকে যাচ্ছে বা রেখে যাচ্ছে একটা বাংলো বাগান বাড়ি
মাঝে মাঝে এসে হাফ ছেড়ে যায়।
আমি সেখানেই আছি
এসব জায়গায় যদি কোনদিন এসেই পড়
যদি কোন দিন ঢুকেই পড় সেই বাড়িতে
অবাক হবে তুমি !
দেখবে কত কি দিয়ে সাজিয়েছি আমি!
না বলে দিলেও
ড্রয়িং রুমে দেখতে পাবে সেই গাছটা
আজো অমলিন
যার নিচে বসা তোমার আমার ছবি তুলে দিয়েছিল রাখাল ছেলেটা?
কোন দিন ক্যামেরা ধরেনি
ডিজিটাল ক্যামেরাটা ধরতে তার কত আপত্তি!!
তবুও ছবিটা কত মিষ্টি উঠেছিল না?
ঐ দেখ, ঐ দিকে দেখ-
না না এক্যুরিয়াম নয়
ওটা সেই নদীটা
দুজন নৌকা ভ্রমন? হা…হা……মাঝিটাও বেস রসিক ছিল।
নদীতে যে পানি দেখছ- ওগুলো তোমার কান্না,
হুঁ হুঁ গত পাঁচটা বছর ধরে ঘুরে ঘুরে কুড়িয়ে এনেছি!
এদিকে এসো , দেখো-বুক শেলফ জুড়ে
তোমার অভিমানগুলো,
তোমার আদরগুলো
তোমার ভালোবাসাগুলো
তোমার অপেক্ষাগুলো
তোমার বিনীদ্র প্রহরগুলো
তোমার চিঠিগুলো
তোমার হাসিগুলো
তোমার ছোঁয়াগুলো
তোমার আব্দারগুলো
তোমার বাক্যগুলো,শব্দগুলো
সময়গুলো,বকুনিগুলো…………আরো কত কি!
উপরে তাকাও- না না ফ্যান নয়
ওগুলো তোমার ওড়না নয়ত আঁচল
যে ঘরে যেটা ম্যাচ করেছে আর কি!
যাই হোক, কেমন হচ্ছে বলো ?
সবটা নিজে নিজে ঘুরে ঘুরে দেখো কিন্তু।যদিও এখনো অনেক কিছুই বাকি।
এখনো ইলেক্ট্রিসিটি নেই নি
বলবে চলছি কি দিয়ে?
এদিকে এস্,ঐ যে দেখ
তোমার ফেলে আসা চোখ দুটো
কুড়িয়ে এনেছি,
যখন সূর্য ডুবে নামে সন্ধ্যা
সন্ধ্যা ঘনিয়ে বসে প্রহর
প্রহর পেরিয়ে চলে সুব্হেসা’দেক ,
অথবা অমাবস্যার ঘুটঘুট্টি অন্ধকার
ঘন দেয়া বরষায় চারিদিক ছাই
শৈত্য প্রাবাহের সূর্যহীন দিন
অনাবিল
ঐ দুটো চোখ,
আমায় আলো দিয়ে যায়
নিরন্তর………।বাড়ির নাম ‘কালবেলা’।
(পুনশ্চঃ মিলটন আর ইমন জন্মদিনের পোষ্ট গুলো দিয়ে কি যে দারুণ একটা কাজ করে আসছে। আজ আমি দিলাম । এই দুই জন আসে না তাই শুভেচ্ছা জানাতে ইচ্ছা করলো। )
আজকাল

আজকাল আমার মনে হয় -
আমাকে কেউ পছন্দ করে না,
কারো কাছে গেলে, সে বিরক্ত হয়।
পোশাক অগোছালো, এলোমেলো চুল,
চোখের দৃষ্টি কেমন ঘোলাটে!
বীরত্ব দেখানোর কিছু নেই।
চতুর পুরুষ স্ত্রীর... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে ৯টি বছরঃ একজন লিলিপুটিয়ান থেকে সত্যিকার ব্লগার হয়ে উঠার গল্প
আজ আমার ৩য় বইয়ের জন্য চুক্তি করতে প্রকাশক আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। প্রকাশনা সংস্থা 'উত্তরণ'-এর মাসুদ ভাইয়ের বাংলাবাজারের অফিসে ঘণ্টাখানেক ছিলাম। তাঁর সাথে কথা বলতে বলতেই আমার মনে একটি বোধোদয় আসে! আমি... ...বাকিটুকু পড়ুন
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।