ঘুমালে স্বপ্নরা আসে আর
স্বপ্ন এলে ঝুমতলি।
আজ অনেকদিন পর ওর সাথে দেখা।
পরনে বেগুনী রঙ টাঙ্গাইল শাড়ী।
সাদা ব্লাউজ।
চুলের বিনুনীতে কৃষ্ণচূড়া।
গলায় হাতির দাঁতের মালা।
ও আসতেই কৃষ্ণচূড়ার সৌরভে ভরে যায় চারিদিক।
ঝুমতলির বড় বাস ষ্টপেজটায় এসে বসে থাকি ফজর থেকেই।
বৈশাখের ভোর ।
তবু দুরের মাঠগুলোতে কুয়াশার চাদর।
যত দুরে তাকাই মনে হয় আকাশের মেঘগুলো সাড়ি সাড়ি বয়ে যায়
দুর থেকে দুরে।
প্রথম বাসটা থেকে নামে ও।
আমার পাশে এসে বসে পড়ে।
আমার খেতে থাকা চায়ের কাপটা নিয়ে চুমুক দেয়।
যেনো কতকাল এই ভাগের জীবন যাপন।
আশেপাশের বাড়ীগুলো থেকে
মানুষের টুকটাক কথোপকথনের শব্দ।
ওর চায়ের চুমুকের শব্দ কান পেতে শুনি।
পূর্বাকাশে সূর্যটা মেঘ সরিয়ে উঁকি দিতে থাকে।
সূর্যকে বলি আজ না হয় মেঘলা সকাল হলো
আজ তুমি উঠোনা।
বেগুনীকে বলি
খুব কাছে এসে বসো।
বুকের পরম আদরে চুপ বসে থাকো।
আমি কৃষ্ণচূড়ার গন্ধে মাতাল হই।
হাতের দু'মুঠোয় সূর্যকে বন্দী করি।
ও আমার অস্তিত্বের খুব গভীরে পৌছুতে থাকে।
ওকে পাশেপেয়ে আমি রাজা গিলগামেশ হই।
কতদিন কেটে যায়।
কত সুরভিত সকালের অপেক্ষায় ওকে খুঁজে ফেরা।
শুধু এই ঝুমতলিতেই কত স্বপ্ন সকাল ওকে ঘিরে ঘিরে।
মাঠের দিকে হাঁটতে শুরু করি।
বেগুনী আমার সাথে আসে।
আমরা কথাহীন স্বপ্বলোকের পথ পাড়ি দিতে দিতে
এক বৈশাখে উষ্ণ শালিক হই।
এক জোড়া ভালোবাসার শালিক !
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


