শামসুন নাহার হলের সামনে সেই চায়ের দোকানে।
বন্ধর গাওয়া অদ্ভুত সেই গানে ঘুম ভেঙে যায়।
""খাইলা না খাইলা না বন্ধু পান খাইলা না।
এক বালিশে দুইটা মাথা।
ছোট করে কেনো কওনাগো কথা!"
স্বপ্নলোকে লুকিয়ে থাকা নীল নীল ঘুমছায়া।
মনে পড়ে কতদিন !
কত সকল সন্ধ্যা শুধু পথে পথে ঘুরে ফেরা!
একদিন রোদ্দুর হলে।
অন্যদিন বৃষ্টি।
অথবা কোন মেঘলা দিনে আকাশের মেঘেদের সাথে
......................আমাদের লুকোচুরি খেলা।
রেলগাড়ির শব্দের সাথে আমাদের মেলানো ছড়া বলা ক্ষন!
"এই চানাচুর।বাদাম নেবেন বাদাম।
এই জাম লাগবে জাম।"
শব্দরা সব মিছিল হয়ে যায়।
ময়মনসিংহ শহরটা ছুঁতেই সবুজ সারি সারি গাছ।
কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পার হয়ে যায়।
দুর থেকে দেখা সেই নদীর সাঁকো!
তোর চুলে কে জানে সত্যি সত্যি আজ কতগুলো রুপালী ঝিলিক দিয়ে যায়!
মিছামিছি চুল বেছে কত গল্প কথার ঝুড়ির সেই দিন গুলো।
সব কথা মনে পড়ে অনুপমা!
বহুদিন কেউ তো শোনায় নি আর ,"মনে পড়ে রুবী রায়।
কবিতায় তোমাকে একদিন কত করে ডেকেছি।"
এখনো কোনদিন সেই সুর কানে এলে,
চোখের শান্ত নদীতে ভীষন বৃষ্টি আসে!
টি এস সির সেই বিকেলগুলো।
কবিতাপাঠের আয়োজনে ব্যস্ত যখন সবাই।
দেয়ালে পিঠ ঠেকিয়ে বসে আমার লেখা কবিতা শুনতি তুই।
বলতি ,"দেখিস একদিন তোর লেখায় সুর হবে।
গান হবে।"
হাসতে হাসতে কান্না চলে আসতো আমার!
অনুপমা
তুই কোথায় থাকিস ?
ঠিকানাটা খুব জানতে ইচ্ছে করে।
অথবা মুঠোফোন এর নম্বর !
আবার যদি আসি।
সেই প্রিয় বাংলাদেশ।
তোকে খুঁজে নেবো বন্ধু আমার....
কালীশংকর গুহ রোড এর অনুপমা
তোর চুলের বেনীতে এখনো কি বেলীফুলের সুবাস?
তোর সাথে বসে করা সেই যে কীং লিয়ারের নোট।
সবই স্মৃতি হয়ে রয়ে গেলো .....
শুধু অনেকগুলো দিন পার হয়ে গেলো
তোকে জানা হয়নি আর।
আজ অনেকদিন পর তোর জন্য আমার পুরাতন অনুভবের
শুভ্রতা মাখানো ভালোবাসা দিলাম।
কিছু ভালোবাসা এমনই।
আজীবন স্মৃতির গন্ধ ছড়ায়......
বই এর পাতার ভাজে জমানো ফুলের পাঁপড়িদের মতন !
মাঝে মাঝে বেদনা বিধুর হলেই
ফিরে পাই....
আমাদের সেইসব দিন....
অনুপমা মনে ভাবি চোখের বর্ষাকাল কি বারোমাসী হয়ে গেলো নাকি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

