উদভ্রান্ত দু'চোখ চেয়ে থাকে দুরে।
মনে হয় পথগুলো দুর থেকে দুরে ভেসে গেছে।
বিশ্বচরাচরের পরম একা হওয়া বোধ হৃদয়ের বনভূমে।
কবিকে মনে পড়ে।
প্রিয় কবিতাকে ঘিরে সাজে নতুন সকাল।
নিজের বাগানে ফোঁটা ফুলের সমাহারে নিজের সুগন্ধ খুঁজে ফিরি।
এভাবেই বেলা বয়ে যায়।
একাকি!
একটা গাছের বাকলে দেখি কত শত নাম।
নিজেকে খুঁজতে থাকি।ঘাসফুলের মত খুব ছোট্ট মনে হয় নিজেকে.......
মনেহয় মিশে গেছি পথের ধূলায় ।
জগতের সবচেয়ে পুরাতন বোধ বুঝি প্রেম!
নাকি অন্যকিছু?
একটা বৃষ্টি সকালের বৃষ্টিতে ভিজে সেই প্রেমে
অভিলাষী মেঘ হই।
কবিরা সবাই গাছের মতন।
ওদের শেকড় বাকড়ে চলতে থাকে স্মৃতির রেলগাড়ি।
একদিন এক রেলগাড়ির কামরায় কবির সাথে আমার দেখা হয়।
খুশিতে ময়ূর নাচে মনবনে।
আনন্দে দু'চোখে নদী হয়।
কত ভাটফুল
কত নদী
কত কাশবন
কত আকাশ এর পর আকাশ........
আলেকজান্ডার পুশকিনের এর ফেয়ালওয়েল কবিতা নিয়ে কথা হয়।
এমনকি নক্ষত্রের কবির আকাশলীনা।
আরো কত কথা।
মেহেদিপাতার মত রং ছড়ানো সব ।
এভাবেই কতদিন কখনো ঘুমে
কখনো আধেক ঘুমে
কখনো ষ্টেশনে,
কখনোবা রেলগাড়ির কামরায়
.............আমাদের দেখা হয়।
কবি এবং পাঠকের এমন দেখা হওয়াটুকু রং ছড়ায় আজীবন।
এক একটা কবিতার পিছনে জমা হতে থেকে এক একটা জীবনের পান্ডুলিপি।
কোনটা প্রকাশিত!
কোনটা অপ্রকাশিত!
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১০ রাত ৯:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


