somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আকাশ বাড়ির জীবন যেমন, স্বপ্নমাখা ছবির মতন...............

১৯ শে জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার ঘরের জানালায় একটা মেঘরং পর্দা ঝুলানো।জানালার কার্ণিশে কয়েকটা মোমবাতি।
আমার বিছানার শিয়রের পাশে একটা বই এর শেলফ।
একটা ফ্লোরল্যাম্প এর নুয়ে থাকা আলো পড়ে একরাশ ফুলের মাঝ থেকে।
এক একটা এক এক রং এর ফুল।

আজকাল আমি সারারাত জেগে থাকি।
প্রিয় বই এর পাতা উল্টাই।ঘুম আসেনা চোখের পাতায়।
ওকে খুব মনে পড়ে।যার জন্য বুকের মাঝে কাঁকড়া বিছার কষ্ট যত!

বিছানায় পড়ে থাকে ল্যাপটপ।একটা বিশ্বজগত ওই জানালাতেই।
জানালার ওপারে আকাশবাড়িতে ওর ঘর।
ওর ঘরের জানালায় কত মেঘ জমা থাকে।ওর ঘরের বেলকনিতে বাহারী সব ক্যাকটাস!
ওর বাগানের ঘাসে অনেকগুলো খরগোস খেলা করে।আমি ওদের কাছে গেলেই ওরা ছুটতে থাকে দূ্র থেকে দূরে।

আমি প্রতিদিন বহুবার ওর ঘরে যাই।ওর ঘরের জানালার পাশে বসে মেঘ দেখি।ক্যাকটাসে পানি দেই।
মেঝেতে ওর বিছানা পাতা।আমি সেখানে বসে থাকি।
ও ওর পড়ার টেবিলে বসে লেখালেখিতে মগ্ন থাকে।
মাঝে মাঝে পিয়ানো বাজায়।রিচির হ্যালো গানটা ওর ও খুব পছন্দ।আমি চুপ বসে ওর পিয়ানো শুনি।
ঝোলানো ব্যাগ থেকে নেইল পলিশ বের করি।মেহেদি পাতা রং বেছে পায়ের নখ সাজাই।
ও আমাকে দেখতে পারেনা।
আমি ছায়ার মত ঘুরে বেড়াই ওর আশেপাশে।ও আমাকে ছুঁতে পারেনা।আমি রোদ হয়ে, ওকে ছুঁয়ে থাকি অনায়াসে।

ওর আকাশ বাড়ির দরজায় ঝুলন্ত উইন্ডচাইম।আমি টুংটাং শব্দমূর্ছণায় ডুবে থাকি।
ও খুব ঘুমবিলাসী। ঘুমিয়ে গেলে আমি ওর ঘুমচোখে স্বপ্ন বিলাই।
ও হাত বাড়িয়ে আমাকে ছুঁতে চায়।ওর হাতে আমি একগোছা সাদা লাইলাক দেই। ও সেই ফুলের সুরভীটুকু সাথে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে!

ও বেড়াতে ভালবাসে খুব।
ওর সাথে এক এক দিন এক এক জায়গায় ঘুরে বেড়াই।
কোনদিন নেপালের পোখারা'র লেকের ধার,
কোনদিন মিশরের পিরামিড।
একবার বেতবুনিয়ায় পাহাড় দেখতেও যাই।
এমনকি কুমিল্লার ময়নামতি!

বেড়াবার সময় আমি সারাক্ষন ওর হাত ধরে রাখি।
এভাবেই আমি ওর পাশাপাশি থাকি।
ছুঁয়ে ছুঁয়ে থাকি।
স্বপ্ন দেখি!
স্বপ্ন দেখাই!


(স্বপ্নচারী মানুষদের জন্য।)
ছবির লিংক:
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১০ রাত ১১:৪৭
৬৯টি মন্তব্য ৬৮টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×