তা কি শুধু শূন্যই আসলে?
দু'চোখের অবসাদ জাগে সকালের স্বপ্ন।
এক একটা রাতের স্বপ্নে গল্প থাকে।
কোন রাতে নদী।
কোন রাতে পাহাড়।
এক রাতে নক্ষত্রের বৃষ্টি দেখেছিলাম ।
ছুটে যাওয়া তারার দিকে তাকিয়ে
বলতে হয় সংগোপন ইচ্ছে।
তাই হাতজুড়ে প্রার্থনায় সাজাই ইচ্ছেদের।
ছেলেবেলায় এক বাঁশের ঝাঁপিতে জমাতাম পুরানো কলম।
আর চুইংগামের বাহারী কাগজ।
শুকনো পাতারা আমার ডাইরীর পাতায়
ঘুমিয়ে থাকতো।
ওদের শিরায় শিরায়
কত দুঃখ।
কত সুখ জমা থাকতো!
যেখানে লেবুপাতা ছিলো
একটা কালো কাঠবিড়ালী এঁকেছিলাম সেখানে ।
তখনো আমি কোন কাঠবিড়ালী দেখিনি নিজের চোখে!
একবার ময়ূর আঁকতে গিয়ে
এঁকেছিলাম চিল।
উড়তে উড়তে সেই চিল চলে গিয়েছিলো নৈনিতাল!
যেই কাঠের ব্রীজটার উপর দাঁড়িয়ে
হিমালয়ের চূড়া দেখা।
সেখান থেকেই মনে মনে উড়তে শেখা।
বলাইদার দোকানে যেতাম কাঠির লজেন্স আর হজমীদানার লোভে।
ঘুরতে ঘুরতে পৌছে যেতাম
পরিত্যক্ত পুরাতন গির্জার সেলাই ঘর।
মরিয়মের কোলে যীশুর ছবির সামনে গিয়ে রেখে এসেছি
কত ঘাসফুল। আর যীশুর জন্য কাঠি লজেন্স।
কালীবাড়িতে পূজাতে ফ্রকের পকেট ভারী হলে
চলে যেতাম হাসপাতালের মাঠে!
সেখানে বন্ধুদের সাথে হতো বাতাসা ভাগাভাগির দুপুর।
এভাবেই শূন্য
পূর্ণ হয়ে যেতো। আজো হয়।
মা বলেন,"দূর বলে কিছু নেই।
সবটাই কাছের।"
দুচোখ বুঁজে তাই অনায়াসে ঘুরে আসি প্রিয় সব জায়গায়
আর ছুঁয়ে আসি প্রিয় মানুষদের।
নিজের অভ্যাসে!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

