তাকিয়ে দেখবে মুঠো ভরে পড়ে আছে ছাই।
ধূসর রঙা কাকের চোখের মতন তিলক চোখে
অবিরাম শ্রাবণ ধারার মতন কিছু জল।
ধূলার আস্তরণে পড়ে থাকা গানের বই।
একেকটা পাতায় জমে থাকা সময়ের শীতল সন্তরণ!
কিভাবে যেনো সকাল থেকে বিকাল
এবং
বিকাল থেকে সন্ধ্যা হয়ে যাবে।
দুর থেকে ভেসে আসা অচেনা গানের সুর।
স্মৃতি জাগানিয়া দুঃখ বিলাপের ফাঁকে
মনে পড়বে
ধূধূ বালুচর।
লাল রঙের অচীন ষ্টেশন।
দুরে চলে যাওয়া রেললাইন
আর কাঠের ব্রীজ!
কথা হবে পাশের বাড়ির লম্বা চুলের নীরু ভাবীকে নিয়ে।
যার চোখের মনিটায় কালোর চেয়ে সাদাই ছিলো বেশি।
জানালার ঘুলঘুলি দিয়ে যেই দুটো চোখ
অজস্র বিকালে আমাদের ছুঁয়েছে।
যে যুদ্ধ আমাদের সবাইকে দিয়েছিলো
সবুজের বুকে লাল পতাকার দেশ।
সেই যুদ্ধে নীরু ভাবী হারিয়েছিলো তার লাল শাড়ি আর আলতার শিশি!
বহুদিন পর আজ যদি লিখি কোন কবিতা।
চেয়ে দেখি একেকটা অক্ষরে ভীড় করে আছে
সেইসব ধূসর বিকেলের সূর্য রঙ ছবি।
নিজেকে একটা নিঃসঙ্গ বালিহাস মনে হতে থাকে,
শীতার্ত বালিহাসের ডানায় যতটুকু ওড়ার সাধ
তার সবটুকু জুড়ে সবুজ ঘাসের এক দেশ।
চোখ বুঁজে থাকা স্বপ্ন প্রহর পার করে একদিন
কোনদিন
বালিহাসের দলের সাথে মিশে ঠিক পৌছে যাবো জেনো
ধান সিঁড়ি নদীর তীরে
সেই বাংলায়
নীরু ভাবীর জানালায় চোখ রেখে
ছাইরঙা বিকাল দেখবো।
যেই অভিমানে মুঠো ভরে ছাই পড়ে থাকে।
একদিন সেখানেই ,
আকাশ ভরা তারার মেলায় মিশে
তারার হাসি হবো!
দেখে নিও!
জেনে নিও!
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০১২ সকাল ১১:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


