আমার প্রিয় পোস্ট

সত্য সমাগত, মিথ্যা অপসৃত...............।

ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ বিষয়ক ক্যাঁচালে আমা কর্তৃক কিঞ্চিৎ মধুবর্ষণ

০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0

গতকাল ব্লগার নুরুজ্জামান০৮ ইসলামের সাথে জাতীয়তাবাদের সম্পর্ক নিয়ে একটি পোষ্ট দেন। যদি আমি ভুল না করে থাকি তবে, মূল বিষয়টি তিনি সম্ভবতঃ মাওলানা মওদূদীর "ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ" গ্রন্থ হতেই ধার নিয়েছেন; যদিও লেখায় তা স্বীকার করেন নি। যাই হোক, বিষয়টি এত বেশী বিস্তৃত আলোচনার দাবী রাখে যে, সেটি কখনোই ঐ ছোট্ট পোষ্টে বোঝানো সম্ভব নয়। ফলে ইসলামকে নিয়ে অনেকগুলো অপ্রীতিকর প্রশ্ন উঠে আসে। এর উপর ভিত্তি করেই শামীম ভাই (প্রিয় ব্লগার লেখাজোকা শামীম) বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সহকারে একটি যুক্তিভিত্তিক কাউন্টার পোষ্ট দেন। পোষ্টটি পাবেন এখানে।

আমি আশায় ছিলাম, কেউ হয়তো এসবের সন্তোষজনক উত্তর দেবেন (তথাকথিত ইসলামপ্রিয়দের তো কোনকালেই কোন অভাব ছিলো না এই ব্লগে!)। যাই হোক, কেউ এগিয়ে এলেন না। অতএব, এই অভাজন তায়েফ নিজের ছোট্ট মাথায় যা ধরে তাই নিয়ে দু'টি কথা বলার চেষ্টা করলো।

প্রথমেই বলে রাখি, এটি একটি কাউন্টার পোষ্ট। এর আগে আমি কখনোই কাউন্টার পোষ্ট দিই নি। কেননা, এতে কথার চাইতে অ-কথাই বেশী হয়। কিন্তু, শামীম ভাইকে যথেষ্ট যুক্তিবাদী বলে মনে হওয়ায় সাহস করে পোষ্টটা দিয়ে ফেললাম। স্বীকার করছি, সবগুলো প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর আমার জানা নেই। যতদুর বুঝি, ততদুরই বলার চেষ্টা করেছি।

প্রথমেই জাতীয়তাবাদ প্রসঙ্গ। আমি যেটা বুঝি, আমাদের সমস্যা হচ্ছে, আমরা জাতীয়তাবোধ (Nationality) আর জাতীয়তাবাদ (Nationalism)- এই দুই প্রকার চেতনার মধ্যে পার্থক্য করতে পারছি না। আমি যদি আমার জন্মভূমিকে ভালোবাসি আর Robert Browning এর মত বলি,"Open my heart and you will see/Graved inside it Italy", তবে সেটি জাতীয়তাবোধ। অপরপক্ষে, যদি বিশ্বাস করি, "My country is my country, Right or wrong", তবে সেটা জাতীয়তাবাদ। ইসলাম প্রথমোক্ত চেতনাকে উদ্বুদ্ধ করে আর দ্বিতীয়োক্তটিকে করে নিরুৎসাহিত। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকুক কিংবা আরবীয়-ভারতীয়-চৈনিক-হাবশী যে জাতিরই অন্তর্গত হোক, একজন মানুষ যখন ইসলামে প্রবেশ করে তখন সে বিশ্বব্যাপী ইসলামী ভ্রাতৃত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশরূপে গণ্য হয়। কিন্তু তাই বলে ইসলাম তার জাতিগত পরিচয়কে মুছিয়ে দেয় না বরং তাকে সংরক্ষণ করতে বলে। আরো ভালোভাবে বোঝাতে গেলে হিজরতের সময় মক্কার দিকে ফিরে মহানবীর(স) মর্মস্পর্শী কথাগুলো পড়ে দেখতে হয়। নাড়ীছেঁড়া বেদনা বুকে নিয়ে তিনি মক্কা ত্যাগ করেন, মক্কার প্রতি ভালোবাসা তাঁর সারাজীবনই ছিল। কিন্তু, মক্কা বিজয়ের পরেও তিনি সেখানে আর কখনোই থাকেন নি, মদীনাই হয় তাঁর শেষ ঠিকানা। বিদায় হজ্জের ভাষনকে সামনে রাখুন। "কোন আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই অনারবের উপর"। বেলাল(রা), উসামা বিন জায়িদ(রা) কিংবা সালমান ফারসী(রা) আরব ছিলেন না।

এরপরে আসি আসি মাযহাব (Schools of Thought) প্রসঙ্গে। শুধু ৪টি মাযহাবই নয়; আহলে হাদীস, শিয়া সহ আরো কয়েকটি উপদল ও রয়েছে। তবে, মাযহাব মানেই কিন্তু বিভক্তি নয়। মনে রাখতে হবে, মানবসমাজ একটি গতিশীল প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে, ইসলাম নিজেকে সকল সময়ের জন্য মানবজীবনের পথপ্রদর্শক হিসেবে উপস্থাপন করে। এমতাবস্থায়, খুঁটিনাটি বিষয়ে মতপার্থক্য থাকাটাই স্বাভাবিক এবং ইসলাম একে উৎসাহিতও করে। খেয়াল করলে দেখা যায় যে, মূল বিষয়ে কোন মতানৈক্য নেই, মতদ্বৈত্যতা ছোটখাট বিষয়ে এবং এতে একপক্ষ আরেক পক্ষকে ভুল বলে না। যেমন- নামায কত ওয়াক্ত পড়তে হবে, সেখানে কত রাকাআত ফরয তা নিয়ে সকলেই একমত, মতানৈক্য হল, হাত কোথায় বাঁধবো বুকে না পেটে-এই রকমের। আরেকটা ব্যাপার না বললেই নয়। ইসলাম যে বিশাল পরিধি নিয়ে কাজ করে তাতে শতাধিক দল-উপদল তৈরী হয়ে যাবার কথা । কিন্তু, মজার ব্যাপার হলো, সব মিলিয়ে এরকম ১০টাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

এবার, কুরআনের ভাষা আরবী হওয়া নিয়ে দু'টি কথা। পৃথিবীর সব ধর্মগ্রন্থই স্ব স্ব প্রচারকের মাতৃভাষায় রচিত হয়েছে। এতে এর অনুসারীদের পথনির্দেশিকা হৃদয়ঙ্গম করতে ভাষাগত সমস্যায় পড়তে হোত না। সমস্যাটা হলো কুরআনের বিশ্বজনীনতা নিয়ে। একটি আরবী কিতাব কী করে সকল ভাষার মানুষের পথপ্র দর্শক হয়?! যেটুকু বুঝেছি, তা হলো, কুরআন এক মহান বিপ্লবের ঘোষনা নিয়ে এসেছিলো আর সেজন্য প্রয়োজন ছিল একদল একনিষ্ঠ কর্মী। চুড়ান্ততম বর্বর ঐ জাতিকে পথনির্দেশ দিতে গেলে তাদের মাতৃভাষাতেই দিতে হবে। যতদুর জানি, কোন ম্যানুয়েল একাধিক ভাষায় অনূদিত হলে সমস্যা নিরসনে যে কোন একটি ভাষাকে মূল পাঠ হিসেবে রাখা হয় এবং যে কোন রকমের বিরোধে ঐ পাঠটিকেই আদর্শ বলে মানা হয়। (যেমন- বাঙলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫৩ অনু্যায়ী এ সংবিধান পাঠের ক্ষেত্রে বাঙলাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে)। কুরআনের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। অন্য সকল ভাষার উপরে আরবীকে (সুনির্দিষ্টভাবে বললে কুরাইশ পঠনরীতি) প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। অন্যথায়, পরিভাষাগত সমস্যা সামলিয়ে একতাবদ্ধ থাকাটা সম্ভব হোত না! এর বাইরে পৃথিবীর প্রায় সকল প্রধান-অপ্রধান ভাষায় কুরআনের অনুবাদ হয়েছে। তাফসীরেরও অভাব নেই। এতে কুরআন বোঝার প্রতিবন্ধকতা অনেকাংশেই দুর হয়েছে। প্রশ্ন হতে পারে, সহজে যদি বোঝা যাবেই তাহলে এত এত তাফসীরের কী দরকার? রবীন্দ্রনাথের "শেষের কবিতা" কে নিয়ে শত শত রিভিউ লেখা হয়েছে; তার মানে এই নয় যে, শেষের কবিতা কেউ বোঝে না। বরং এত এত রিভিউ উপন্যাসটির বহুল পঠন ও তুমুল জনপ্রিয়তার পরিচায়ক। আর সত্যি কথা বলতে কি, এক আরবী ভাষাতেই কুরআনের যতগুলো তাফসীর আছে, অন্য সব ভাষা মিলিয়ে ও এতগুলো লিখিত হয়েছে কীনা আমার সন্দেহ।

অনেক লিখে ফেলেছি। পাঠকের ধৈর্য্য ফুরিয়ে যাবার আগেই তাই ক্ষান্ত দিলাম। শামীম ভাই সহ অন্যান্য সহব্লগারদের মতামত আশা করছি।

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ৩:৫৯
শুভ৭৭ বলেছেন: ++। এসব নিয়ে লিখতে অনেক সময় লাগে।
০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: আবার জিগায়?

২. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ৭:২৮
সিন-লাম-মীম বলেছেন: সামন্ত ব্যবস্থা ভেঙে শ্রমিকদের শ্রমশক্তিকে মুক্ত করে আনবার জন্য বুর্জোয়াদের প্রয়োজন ছিল রাজন্য'র চেয়েও ব্যাপ্ত কোন ধারণা। তারাই আমদানি করেন জাতীয়তার ধারণা, উপস্থাপন করেন পবিত্র, মহান ইত্যাদি তক্মা লাগিয়ে। ইসলাম সেই বুর্জোয়া রাজনৈতিক মতবাদের একটি সাম্রাজ্যবাদী অপভ্রংশ মাত্র। মানব ইতিহাসের নিরিখে না দেখে নিজ বা পরের ধর্মীয় দৃষ্টি দেখলে জাতীয়তাবাদ বিষয়ক আলোচনা ব্যর্থ হতে বাধ্য। তারপরও আলোচনায় প্লাস।
০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪১

লেখক বলেছেন: মানব ইতিহাসের বিগত ছয় হাজার বছরের ইতিহাসকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোন হতে আলাদা করে দেখার সুযোগ আছে কি? মানুষের জীবনে ও রাষ্ট্রে ধর্মের রাশ আলগা হয়েছে মাত্র দুই শতাব্দী হলো!
আর কেবলমাত্র সাম্যবাদী দৃষ্টিকোন হতে দেখতে গেলে ধর্মকে আফিম ছাড়া কিছুই তো মনে হয় না!
প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।

০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, ভালো লাগার জন্য।

০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

লেখক বলেছেন: তাই নাকি?
শুনে খুশী হলাম।
ভালো আছো?

৫. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:৫৫
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনার ব্যাখ্যাটা ভালো লেগেছে। কিন্তু সম্প্রসারণবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কে তো একটা লাইনও লিখলেন না।
০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, শামীম ভাই।
আগেই বলেছি, আমার পড়াশুনা কম।
সম্প্রসারণবাদ ও সম্রাজ্যবাদ নিয়ে লিখতে গেলে পড়াশুনা এবং গ্রে ম্যাটার দুইটাই প্রচুর থাকতে হয়।
আর লেখার কলেবর ও বেড়ে যাচ্ছিল।
দেখি আরেকটা পোষ্ট দেয়ার চেষ্টা থাকবে।

০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৫

লেখক বলেছেন: Thanku.Thanku.

৭. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩
অলস ছেলে বলেছেন: ভালো। ভালো লেগেছে। তেমন বেশি কিছু বুঝিনাতো, তাই অন্য লেখাগুলো পড়লেও বোকার মত আর মন্তব্য করিনি। তবে মনে হয়, বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ, আর সময়ের সাথে দিনকে দিন এর গুরুত্ব আরও বাড়ছে। আল্লাহ তৌফিক দিন। ধন্যবাদ।
০৬ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: ইটস্‌ ওকে।
আল্লাহ তৌফিক দিন।

৮. ০৬ ই জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
শুভ৭৭ বলেছেন: টিপাই মুখ বাঁধের বিরুদ্ধে কারা আছেন? আওয়াজ তুলেন। আর চুপ থাকা নয়। শুরু হোক জোরালো প্রতিবাদ।
Click This Link
০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: আছি আমি।

৯. ০৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩০
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: @ শুভ ৭৭: আমি আছি টিপাই মুখ বাঁধের বিরুদ্ধে। আওয়াজ তুল্লাম।

@ তায়েফ: আপনি তো বলেছেন আমি নাকি কোনো ক্যাতা পোস্টে কমেন্ট করি না। তাই কোনো কমেন্ট করলাম না। হে হে ...... ;)
০৭ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১০:২৬

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা!
বুঝলাম।

১০. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:২৮
সিংহ বলেছেন: U didn't explain the reason why we pray using arabic verses. Why can't we pray in Bangla? I think that would have been more fruitful than murmuring some foreign language of some barbaric people. Especially considering the fact that we cannot relate ourselves and cannot understand satisfactorily unless we speak our mothertongue
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৫

লেখক বলেছেন: I think I am failed to make you realize or you did not read the last paragraph carefully. There I explained the reason of Quran being Arabic and remain in Arabic. And its true that we recite that Quran in our prayers.

১১. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
সিংহ বলেছেন: I did not ask the reason behind Quran being written in Arabic. That's not my Question at all.

You are blaming me for not being thorough while you failed to understand the basic Question that I asked. Or maybe my word selection was wrong. If that is so I am sorry. I am trying to rephrase my question

"Why can't we recite translation of Quaranic verses while we pray."

Now if you want to argue that translation cannot be reliably used since exact meaning of quranic verses cannot be translated with 100% accuracy, then I'll say this same argument can be used to say Quran and Islam is only meant to be written for the Arabs by the Arabs. Think about it.

I tried to talk about introducing translated verses of Quran while praying with couple of Imams. Most of them thought I was joking. Some reacted angrily.

Also another thing that I marked about non-Arab muslims. Everytime they are questioned or cornered by Agnostics or atheists they almost always use this excuse (Translation barrier) as a last weapon. They say the opponents are misled by the inaccuracies that are caused due to wrong translation. What they don't realize is that this argument actually works against Islam and does not potray Islam as a religion for mankind overall.

Take care
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫২

লেখক বলেছেন: আপনার কথাগুলো ভাবিয়ে তুলল।
কয়েকটা ব্যাপারে আপনার ভুল ধারনা থাকলেও মূল ধারনাটা ইতিবাচক এবং এ নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার দাবী রাখে। কিছু পড়াশোনা ও দরকার।
একটা পোষ্ট আকারে এ নিয়ে আলোচনা করার ইচ্ছে আছে। তখন পর্যন্ত.......

১২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:২৫
সিংহ বলেছেন: You are welcome to detect and correct my wrong ideas.
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৩. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭
সিংহ বলেছেন: Found something interesting. U may have a look if you already didn't . Read the comment section.
http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=1814
০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: না পোষ্টটা দেখা হয় নি।
আসলে মুক্ত-মনা ব্লগে অনেকদিন পরেই গেলাম।
পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ।
পড়ছি।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯১১৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ঘুমাতে অত্যন্ত ভালোবাসি। আর ভালোবাসি পড়তে।
স্বপ্ন দেখি একটি স্বপ্নীল পৃথিবীর।
সত্যকে ভালোবাসি, হোক তা নিজের মতের বিপরীত।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই