আমার প্রিয় পোস্ট

সাব্বির ভাইয়ের জন্য আরো দশ লাখ টাকা দরকার। মানবতার দিকে তাকিয়ে আছি।

এসো রাজনীতি করি

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৫

শেয়ারঃ
0 0 0

(কথ্য-প্রমিত মিশ্রণ-মার্জনা কাম্য)

আমার এই লেখার উদ্দেশ্য হইলো সক্রিয় রাজনীতিতে আসার যৌক্তিকতা আর উপায় নিয়া প্রবাসী একটা ক্ষুদ্র অংশের ভাবনা তুইলা ধরা। একইসাথে বিভিন্ন ঘরানার ব্লগারদের ভাবনাগুলা জাইনা নেয়া। আমি বিভিন্ন সময় ইনায়া বিনায়া একটা কথা কইতে চাইছি যে, বাংলাদেশের বর্তমান ব্লগ প্রজন্মের (সাইনের ব্লগারদের দেখে আমি যেটা বিশ্বাস করি) মেধা, যোগ্যতা, পারদর্শিতা, দেশপ্রেম, মনোবল দেইখা আমি প্রতিনিয়ত এদের প্রেমে পড়ি। একেকটা সোনার ছেলে, মেয়ে। এরা দেশরে আমূল বদলায়া ফেলতে পারি- এইটা আমার একেবারে বিশ্বাসের কথা। ব্লগে যে পরিমাণ ধী-শক্তির পরিচয় আমি এদের পাই, এই আশা করতে আমার একটুও ভুল হয়না। আমি খুব করে চাই যে এখান থেকে অনেকগুলা ছেলেমেয়ে (বয়স ১৮-৮০ যাই হোক) ক্ষমতার বলয়ে এবং এজন্যে রাজনীতিতে আসুক।

জাপানে এসে ১/১১ এর পর আমি দেশজ রাজনীতি নিয়ে যত আলোচনার সম্মুখীন (সামনে পড়ে যাওয়া আরকি) হইছি, বিগত কোন সরকারের আমলে এতটা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করিনাই। কারণ তখনো আমার বিবাহ হয় নাই আর আমার বরেরও এম.পি. হওয়ার অলীক স্বপ্ন বাস্তবায়নের কোন উপলক্ষ্য তৈয়ার হয়নাই। হালের 'চেঞ্জ' এর নায়ক ব্যাপারটার এক ঘোরতর গতি প্রদান করেছেন। এক ওবামা যদি শূন্য থেকে আইজ রাজার আসনে বসতে পারে তাইলে সেদিনের মাসুম কেনো বাংলাদেশের এমপি, পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট-প্রধান মন্ত্রী হইতে পারবোনা? আমি না-তে নাই, তবে হ্যাঁ তেও নাই তা বলা যায়না। এইখানে ছেলেদের আড্ডায় রাজনীতি ১০০% জায়গা নিয়া আছে, বোধকরি সবখানেই। আমরা ভাবীরা যখন অপি করিমের আসন্ন বিবাহবিচ্ছেদের চিন্তায় চুকচুক শব্দ করতেছি, ক্লোজআপ আর ক্ষুদে গানরাজ নিয়া ঘর ফাটাইতেছি, গোলাপজাম আর প্যাড়া সন্দেশের রেসিপি নিয়া জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় বোতল (বিদেশী কুক)খালি করতেছি, ভাইরা তখন LIVE সংবাদ পর্যালোচনায় রত। ইউনির রিসার্চ ল্যাবে গিয়া প্রোফেসরের চোখ ফাঁকি দিয়া মিনিটে মিনিটে যারা রাজনীতির আপডেট ওয়েবে খোঁজে তারা আমাদেরই জামাই, ভাই-বেরাদর। অধিক বাংগালী পরিবেষ্টিত প্রবাস জীবনে আড্ডাই যেখানে বাঁচার রসদ যোগায়, সেখানে রাজনীতি আসব, এইটা ভাবীকূল মাইনা নিছি।

বুদ্ধদেব কপি মারি, 'দোতলা মাঝে-মাঝে উতলা হয়, একতলা ঘন-ঘন নিঃশ্বাস ফেলে।' আমাদের ড্রইংরুম রাজনৈতিক উত্তাপে তাইতা ওঠে, আমরা বেডরুম থাইকা ‘কী শুরু করলা তোমরা?’ বইলা হাঁক পাড়ি আর স্বজাতির দিকে চোখ টিপ্পা প্রশ্রয়ের আহ্লাদী হাসি দেই। জামাইকূল আমাদের বোঝাইতে সমর্থ হইছে যে, তারা সক্রিয় রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে চরমভাবে চিন্তাভাবনা করতেছে। নাহ, আর হেলাফেলা নয়, নয় খালি ফাঁকা বুলি। উইকএন্ডের আড্ডার সুবাদে আমাদের ঘরে ঘরেই কিছু প্রতিশ্রুতিশীল রাজনীতিকের পয়দা হইতেছে চোখের সামনে দিয়া। লাগাতার আলোচনা পর্যালোচনায় সহস্র ঘন্টা ব্যয় শেষে আমরা একটা উপসংহারেই পৌঁছাইতে পারছি যে, মাঠে নামতে হইব। সোজা বাংলায় ইলেকশন করতে হইব। যত ছাড়ই দেয়া লাগুক, যত বছর পরেই হোক, যত ভোটেই হারার সম্ভাবনা থাকুক, মেইনস্ট্রিম রাজনীতিতে না গেলে হাসিনা-খালেদার গুষ্ঠি উদ্ধার একটা আকেয়ামত ফেনোমেনন হইয়া থাকব। যদি এখনো ‘দেশ নিয়ে ভাবি’ বলার মত ‘পবিত্র ভন্ডামি’টারে ‘বনের মোষ তাড়াইন্না’ শেইপ-এ নেয়ার ন্যূনতম সদিচ্ছাও লালন কইরা থাকি, তাইলে খোলস ছাড়তে হইব। চা-সিংগারা ভক্ষণের সহযোগী না কইরা ‘দেশসেবা’-রে একটা রিয়েল লাইফ প্র্যাকটিসে আনতে হইলে প্রচলিত রাজনীতির ধারায় হাত মিলাইতে হইব। বাংলাদেশের চলমান রাজনীতিরে অচ্ছুত, বিষাক্ত, আবর্জনাময় বইলা নাক সিঁটকানোর ধারণাটারে বদলাইতে হইব।

ওবামা হইতে চাই বললেই তো আর হইলনা। রাস্তা নিয়া ভাবার শুরুতে কিলবিল করে কয়েকটা প্রশ্ন আসে। আমাদের মত ছা-পোষা (ছা নাই; ‘গোবেচারা’ অধিক উপযুক্ত) ছাত্রসমাজ যারা অন্যদেশের দয়ায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাইছে, দেশে যাদের বেশীরভাগেরই কোন চাকরী নাই, পলিটিক্সের সাথে সম্পৃক্ততা নাই, ব্যাংক-ব্যালেন্স নাই যা দিয়া ক্ষমতার মূলধারায় যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিদ্বন্দিতায় অবতীর্ণ হওয়ার সাহস করতে পারে, কিন্তু যারা স্বদেশে ফিরা আসার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ, যারা কোন না কোনভাবে দেশের একটা কিছুতে অবদান রাখতে চায়, যারা বিশ্বাস করে যে কাঠামোর ভিতরে থাইকাই ‘চেঞ্জ’ আনতে হইব - তাদের তবে কী উপায়? প্রথম প্রশ্নটা আসে প্রতিনিধিত্বের ভিত্তি নিয়া। একটা দলে ভিড়তে হইব, নাকি? যদি কোন দলরেই নিজের মতাদর্শের পৃষ্ঠপোষকতা করতে দিতে মন না চায়, তাইলে পাব্লিকের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তৈয়ারের রাস্তাটা কী উপায়ে হইবে? আমজনতা ‘ব্যক্তির চেয়ে দল বড় নয়’ এইটারে মনেপ্রাণে যদি মাইনা নিতে পারে তাইলে এই বিষয়টা আমলে নেয়ার কোন কারণ নাই। কিন্তু সে অবস্থা জোরালোভাবে গ্রহণীয় হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রাথমিক করণীয় তাইলে কী হইব?

ধরে নিলাম প্ল্যাটফর্মের বিষয়টা সুরাহা হইছে। এখন প্রশ্ন আসে, ভুঁইফোড় একজন বিদেশ ফেরত লোকরে মাইনষে কেন প্রতিনিধি রূপে দেখতে চাইবো? ওকে, চাইবো কারণ এই লোক আসলেই এলাকার ভালো চায়। আচ্ছা, তাইলে নিজের পাড়া-মহল্লা-গ্রামে বিশ্বাসযোগ্যতা এবং গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের ইস্যু দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কয়েকটা প্রস্তাব আসছে আমাদের মাঝ থেকেই যার মূল কথা হলো- ডিগ্রী ফিগ্রী নিয়া, কিছু পয়সা কামাইয়া, সিটিজেনশিপ আর ভালো চাকরির লোভ দু’পায়ে দু’হাতে ছুঁইড়া দিয়া এলাকায় ফিরতে হইব সমর্থনের ক্ষেত্রটা তৈরীর জন্য। নিজের অর্থনৈতিক মেরদণ্ড মোটাতাজাকরণ কিন্তু এইখানে বিশাল গুরুত্ব রাখে। কাজেই সে জায়গাটা একেবারে হেলাফেলা করা যাবেনা।

আর লিখতে ইচ্ছা করতাছেনা। আসলে লিখার কিছু নাই। আমি শুধু একটা আলোচনা শুরু কইরা দিতে চাইছিলাম। আশা রাখি নিজের কিছু প্রশ্নের উত্তর জাইনা নিতে পারব কমেন্ট থেকে।

 

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:১৮
নিঃসঙ্গ বলেছেন: এই সব গুরুত্ব পুর্ন আলোচনায় আমি পিছনের বেঞ্চিতে থাকি সব সময় তাই প্লাস দিয়ে পিছনে গিয়ে বসলাম।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩

লেখক বলেছেন: খুব ভালো করে জানি যে রাজনীতি নিয়ে আলাপের আমার কোনপ্রকার যোগ্যতা নাই। তবুও আমি নিজের ভেতরে জমতে থাকা কিছু প্রশ্ন শেয়ার করতে চেয়েছি। আমি একটা যোগ্য, মেধাবী গোষ্ঠীকে নীতি-নির্ধারণে দেখতে চাই। এই প্রক্রিয়া কীভাবে শুরু হতে পারে সেটা জেনে নিতেই এ লেখা।

২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: মানুষে কিছু আসে যায় না। বাংলাদেশে কোথায় কে দাড়ালো সেইটা দেইখা কেউই ভোট দেয় না। কেউ কেউ খেপে যেতে পারেন, সত্যি কথা হইলো নৌকা যেবার জিতবে সেইখানে নৌকা মার্কায় ছাগল দাড়া করালেও জিতবে। ধানেরশীষ যেবার জিতবে সেইখানেও ছাগল দাড়া করালে জিতবে। মানুষ দেখে মার্কা। এইটুক মাথায় রাখলে কিন্তু হাসিনা খালেদা দেশ চালানোর সময় তোয়াজ না কইরা চলতে পারে, যাতে পাবলিক পরেরবার লাত্থি না দিয়া একই মার্কায় সমর্থন বজায় রাখে।

আর আমরা ছা-পোষা মানুষ ড্রইংরুম মাতায় রাখলেই ভালো।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৫

লেখক বলেছেন: এ অবস্থার বিকল্প ভাবতেই যোগ্য লোককে রাজনীতিতে আসার কথা বলছি।

৩. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩০
রোবোট বলেছেন: হুমম, আসেন আমরা হাজী ছেলিম ভাইছাহেব, পিন্টু ভাইছাহেবদেরকে জয়যুক্ত করি (পরের জনকে জিন্দাবাদযুক্তও করতে পারেন)। তেনারা সবসময় এলাকাবাসীর সুক দুসকে সাথে ছিলেন।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন: আমি মনে করি একজন 'রোবোট' অনেক বেশী জনসমর্থন পাবার যোগ্যতা রাখে। কিন্তু, ওই যে, মাঠে নামতে হবে।

৪. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪২
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: আফা, আমি দেশকে ভালবাসি কিন্তু চরিত্রহীন হই কিভাবে???? মিথ্যা বুলি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি করবার পারুম না......মাফ কইরা দেন আফা......
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

লেখক বলেছেন: মিথ্যা বুলি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি আপনাকে মোটেই করতে হবেনা, প্রয়োজনও হবেনা। একঝাঁক শুদ্ধপ্রাণকে শুধু একটু এগোতে হবে।

১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: বোঝার মত তেমন কিছু আসলে লিখি নাই। ধরেন আপনে বিমা নিজের সব সততা আর সৎসাহসরে পুঁজি কইরা ভোটে খাড়াইলেন। আপনেরে দেইখা লক্ষ বিমা জন্ম নিলো। বিধ্বস্ত একটা দেশ যেভাবে অবকাঠামো গড়ে, সেভাবে একটা সুশিক্ষিত বাহিনী নেতৃত্বের সামনের কাতারে আসলো। ভাবতেই মূর্চ্ছা যাচ্ছি!

৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৪৮
দূরন্ত বলেছেন: রাজনীতিতে কবে নামতেছেন?
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩

লেখক বলেছেন: আমার সেরকম কোন যোগ্যতা নাই :(। কিন্তু ব্লগে সেটা অনেকের আছে বলেই আমি বিশ্বাস করি।

৭. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৫
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: তিনি আগেই নামবেন না, মাঠের যে অবস্থা......বাবা (হাসিনা) অথবা জামাই (খালেদা) ছাড়া হয় না.......আগে দুলাভাই নামবো তারপর আল্লাহ্‌ না করুক মারা-টারা গেলে উনাকে পাবেন উত্তরাধিকার সূত্রে......
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: দূরন্তকে যেটা বলেছি, সেটাই।

৮. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০১
শামীম রিয়াজ বলেছেন: আমার মনে হয়...রাজনীতি'র মাঠে না নেমে শুধু ঘরে বা ব্লগে বসে যতই আলোচনা করিনা কেন, এসব প্রশ্ন বা সমস্যা কোনটারি সমাধান আসবে না। পরিবর্তন চাইলে সেই পরিবর্তন এ অংশও নিতে হবে, সময় কম-বেশী যতই লাগুক। আর প্লাটফর্মও আপ্নাআপ্নি তৈয়ারও হবেনা, পরিবর্তনও হবেনা। প্লাটফর্মে নেমেই যা করার করতে হবে।
আর নিজের অবস্থানতো সুদৃড় রাখতে হবেই, সেটা যে কোন ধরনের নুতুন কিছুতে নামতে গেলেই লাগে। এর পাশাপাশি আমার মনে হয় রাজনীতি মনস্ক হওয়া এবং আশপাশের মানুষদের মাঝে সেই বোধটা তৈরী করাটাও দরকার। (আমাদের জেনারেশনের অনেকেই এখন এই বিষয়টাকেই পছন্দ করেনা)। এক্ষেত্রে যেকোন ধরনের মিডিয়াতেই এ বিষয় নিয়ে ব্যাপক অংশগ্রহনও জরুরী।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১

লেখক বলেছেন: আমার কেনো জানি মনে হচ্ছে ব্লগের অনেক যোগ্য লোক মাঠে নামার কথা সিরিয়াসলি ভাবতে শুরু করেছেন। আসতে উনাদেরকে হবেই। এত মেধার ছড়াছড়ি যে জাতিতে, সেখানে মেধাহীন, দেশপ্রেমহীনেরা আর কতদিন রাজত্ব করতে পারে?

৯. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:০২
রাজর্ষী বলেছেন: আলোচনা বা চিন্তাভাবনা খারাপ না। চলতে পারে।
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১০. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৭:৪৫
ভাইরাস! বলেছেন: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বুঝিনাই
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: হুমম।

১১. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭
রাশেদ বলেছেন: ভাইরাস! বলেছেন: বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বুঝিনাই
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: লেখক বলেছেন: হুমম।

১২. ১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
সাইফুর বলেছেন: আপাতত মাথায় ঢুকে নাই :(
১১ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: আইচ্ছা।

১৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
পারভেজ বলেছেন: রাজনীতিতে যে লোকটি ভোটে দাড়ায় তার পেছনে কিছু প্রাথমিক সদস্য সমর্থন প্রয়োজন হয়। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, নেপথ্য রাজনীতিতে যোগ্য লোকদের অংশগ্রহনই যোগ্য প্রার্থীকে নির্বাচনের সুযোগ করে দেয়। আগে নেপথ্য রাজনীতিতে অংশ গ্রহনের জন্য যোগ্য লোকদের এগিয়ে আসতে হবে। সবাই যদি ভেবে নেয় যে, ক্ষমতা পেলেই সব করে ফেলবো; তাহলে সেটা ভুল।
স্বতন্ত্র প্রার্থীর কথা আলাদা; পারিবারিক ঐতিহ্য, ব্যাপক পরিচিতি, আগে থেকেই জণমানুষের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা আছে; এমন কেউ ছাড়া দলের ব্যানারের বাইরে কেউ নির্বাচন করলে তা সফল হবার সম্ভাবনা কম।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: নেপথ্য রাজনীতিতে আসার ব্যাপারটা আমারও কথা। ধন্যবাদ পারভেজ।

১৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৩
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: বহুত বড় একটা পোষ্ট। এখন উড়ু উড়ু মন নিয়ে পড়তে পারছি না। প্রথম তিনচার লাইন পড়ে যা মনে হল, তুমি পোলাপানকে রাজনীতিতে নামতে বলছেো।

আমার কথা হচ্ছে, দেশের মানুষ যে এত বড় বড় কথা বলে মুখ ব্যাথা করছে, কেউ কিন্তু রাজনীতিতে নামছে না। আমাদের সমাজের ভাল মানুষদের সক্রিয় রাজনীতিতে আসা দরকার। একজন ভাল ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার বা যেকেউ একটা দেশের ভাল যতখানি করতে পারে, একজন ভাল রাজনীতিবীদ তার চাইতে বেশি ভাল করতে পারে। কিন্তু যারা রাজনীতির গুনগত মান নিয়ে কথা বলেন তারা কেউই রাজনীতিতে নিজে বা ছেলেমেয়েদের নামতে দিতে চাইবেন না। হাহ হা...ভীষন স্ববিরোধীতা।


এবার থামলাম। কই থাকো ইদানিং?
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৮

লেখক বলেছেন: বাসায় থাকি।

তুমি নামো নানা, আমি ভুট দিমু, দরকার হলে জাল ভুট।

১৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ভাঙা পেন্সিলের মন্তব্য পড়ে কিছু বলতে চাচ্ছি।

মানুষ মার্কা দেখে ভোট দেয় ঠিক কথা।
একটা এলাকা থেকে মার্কা ছাড়া দাড়ালে কিন্তু ভাল রাজনীতিক হলে ৫/১০ হাজার ভোটের আশা করা যায় মোটে, কিন্তু ধানের শীষ বা নৌকা থেকে দাড়ালে একই ব্যক্তির পাস করার সম্ভাবনা থাকে।

কিন্তু ভাই, রাজনীতি করতে গেলেই বিদ্রোহী বা তৃতীয় ধারা বের করতে হবে কেন? ওই দুই দলেই শুরু করেন না। আলীগ বা বিএনপির রাজনীতিতে যোগ দিন, পাড়ার কমিটিতে সদস্য হোন, তারপর আস্তে আস্তে গুনগত পরিবর্তন আনুন। সব ভাল মানুষেরা এ দুটি দলে ঢুকে কাজ করলে তো দল দুটির পরিবর্তন আসার কথা।

কেবল মাত্র জিয়া মুজিবের উত্তরাধিকার ছাড়া দেশের আর সবাই কিন্তু কষ্ট করে, পরিশ্রম করেই রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা লাভ করছে। ব্যবসায়ীদের কথা বাদ দিয়ে বললে।
১৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি নামব বলে ভাবছি।
তবে আগামী ১৫ বছর আমি পারসোনাল লাইফে অনেক বিজি হেহ হে... এরপর নামতে পারি। তবে শেষ পর্যন্ত নামব কিনা জানি না। রাজনীতি অতটা সহজ কাজ না। পারসোনাল লাইফ বলতে কিছু থাকে না। ওতটা উদার হইতে পারতেছি না যে পারসোনাল লাইফ খোয়াইয়া বসিব।

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: মতামতটা প্লিজ...

১৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:৪৩
রাজর্ষী বলেছেন: সিরিয়াসলি কইতাছি। বেশি রাজনীতিও ভালোনা আবার রাজনীতি বিমুখ হওয়াও ভালো না। দেশে এখন একরকম নির্মল হাওয়া বইতাসে।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০১

লেখক বলেছেন: বেশি রাজনীতি ভালো না - তাইলে পরিবর্তন আসবে কার হাত ধরে? :(

১৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৮
অচেনা সৈকত বলেছেন: পারিবারীক রাজনৈতিক ঐতিহ্য আছে অল্পবিস্তর। তাই দেশে ফিরে পাবলিক ইউনিতে ঘাস না কেটে রাজনীতির মাঠে নামারই ইচ্ছা আছে। অন্তত: নিজ জেলার এমপিও যদি হতে পারি তাহলেও কিছু কাজ করে দেখাতে পারব।
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: সেটা নিয়ে কীভাবে এগুবেন ভেবেছেন?

২০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৬
অচেনা সৈকত বলেছেন: ভেবেছি, একটি দলের প্রধানের সাথে দেখা করে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করব। জেলায় পরিচিতি আছে। তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করা যাবে না। ছক কেটে আগাবো। আমার একটা সুবিধা আছে। নিকটাত্নীয়রা সংসদ সদস্য ছিলেন। এই সংসদেও আছেন। তাই অনেক সহজে উচ্চ পর্যায়ের নেতৃত্বের কাছে যেতে পারি। আমার আসল কাজ শুরু হবে দশ বছর পরে। এই দশ বছর আমি ক্ষেত্র প্রস্তুত করব। তারপর দলীয় উপদেষ্টা হিসেবে যোগ দেব। তারপর নমিনেশন পেলে নির্বাচন। সময় বলে দেবে আমি কি হতে পারব। মন্ত্রীত্ব পেলে খুবই ভাল। আমি এযাবত সৎ ছিলাম। উপযুক্ত স্হান পেলে সৎভাবেই দায়িত্ব পালন করব। আমার বক্তব্য হয়ত হাসির খোরাক হবে। তবে এটাই আমার প্ল্যান।
২১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: অচেনা সৈকত ভাই, তৃনমুল পর্যায় থেকে মিশে না আসতে পারলে কিন্তু টেকসই কিছু হতে পারা কঠিন। আপনার ছক ভাল আছে...কিন্তু রিয়েল রাজনীতিবীদ হতে গেলে তৃনমুল পর্যায় থেকেই আসতে হবে, হাইকমান্ড খুব বেশীদুর পর্যন্ত কাউকে টেনে নিতে পারে না।
২২. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩২
জেরী বলেছেন: আপু,আমি ২ বার পড়ে ও বুঝি নাই:(
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন:
বিমা, রাশেদ, ভাইরাস, সাইফুর বলেছেন পোস্টটা বোঝেন নাই। তুমিও বললে। আমি ক্লিয়ার করতে পারলামনা কেন বুঝতে পারছিনা। তাড়াহুড়া করে দায়সারা ভাবে লিখার জন্য এটা হয়েছে। রন্টি আর সৈকতের আলাপ যেভাবে এগুচ্ছে, আমি আসলে এটাই চেয়েছিলাম। সক্রিয় রাজনীতিতে আসার ব্যাপারে ব্লগারদের ব্যক্তিগত অভিমত জেনে নেয়া। পোস্ট না বুঝলেও হয়ত তোমাকে হেল্প করবে ওদের আলোচনা।

রন্টি, সৈকত - ধন্যবাদ।

২৩. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
অচেনা সৈকত বলেছেন: সেটা জানি রন্টি ভাই। কিন্তু ছাত্রজীবনে সক্রিয় রাজনীতি না করে এখন দলের কর্মী হয়ে অর্ধশিক্ষিত নেতার কথা শুনে চলাটা বাস্তবঘেঁষা পথ নয়। রাজনীতিক হতে হলে এখন আমাকে পরিবারের ঐতিহ্যই ব্যবহার করতে হবে, এটাই বাস্তবতা। দেশে রিয়েল রাজনীতিবীদ হবার চাইতে রিয়েল আইন প্রণেতা (দেশের স্বার্থে) হওয়াটাই বেশী গুরুত্বের আমার কাছে। আপনি প্ল্যান বাস্তবায়ন করতে পারবেন না যদি না আপনার হাতে ক্ষমতা থাকে। দেশে লাখ লাখ কর্মী আছে। কিন্তু সবাই আইন প্রণেতা বা মন্ত্রী হন না। যোদ্ধারা দলের শক্তি, কিন্তু দলের নীতি নির্ধারকরাই দলের গতি প্রকৃতি ঠিক করেন। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা, যোদ্ধা নয়, সেনাপতি হতে চাই।
২৪. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হুমম...সেটা ঠিক বলেছেন, আপনি যদি এখন আবার স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের পিছনে থেকে কাজ করতে চান তাহলে মেজাজ খারাপ হবে।

তবে সবচেয়ে ভাল কি, পারিবারিক ব্যাপারটা ব্যবহার করেন, কিন্তু এলাকায় গিয়ে একেবারে আমজনতা নেতার মত আচরন করেন। তাহলে আপনার টাইম কম লাগবে। কেননা, আমি দেখেছি, যারাই এমন পারিবারিক ঐতিহ্য বা হাইকমান্ডের আশির্বাদকে পুজি করে রাজনীতিতে নামেন, তাদের সাধারনত স্থানীয় পর্যায়ের একটিভ নেতাদের প্রতি মুখাপেক্ষী থাকতে হয়। যদিও ওইসব স্থানীয় নেতারা আপনার সম্পর্কে অজ্ঞানই থাকবেন, তবুও এই ব্যবস্থা আপনার জমিন শক্ত হতে দেবে না। তাই আপনাকে হতে হবে মাটির মানুষ। মানুষের কাছাকছি না গেলে আপনি যাই করেন না কেন বেইজ তৈরি করা শক্ত।
২৫. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সেনাপতির ভুমিকাই চাই আপনার কাছ থেকে। তবে, সৈনিক হতে গেলে সেনাপতির গুন আবশ্যক না হলেও সেনাপতি হতে গেলে সৈনিকের গুনও থাকা চাই।
২৬. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫২
অচেনা সৈকত বলেছেন: এবার আপনার পয়েন্টটা বুঝেছি। এটা একেবারেই ঠিক বলেছেন। সে ভয় নেই, আমি মাটির কাছেরই মানুষ। আপনি আমার বাড়ির লোকদের দেখলেও অবাক হবেন। আমার আত্নীয়রা যখন সংসদে ছিলেন নিজের গাড়ি ছিল না। সবার সাথে বাসেই যাতায়াত করতেন। শুল্কমুক্ত গাড়ি কিনতেও কিন্তু বেশ পয়সা লাগে। সেটাও কেনেন নি। সিএনজিতে বা রিক্সায় চড়তেন। তাদের সাথে থেকে মাটির মানুষ হবার শিক্ষা ভালই হয়েছে। এখন আমি উচ্চশিক্ষায় ব্যস্ত। এটা শেষ হলেই দেশের কাজ শুরু হবে। দোয়া করবেন।
২৭. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০১
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: তাহলে চমৎকার।
ভাল প্ল্যানার যদি রাজনীতিতে আসে তাহলে তা দেশের জন্য অনেক ভাল।
আমাদের প্রচুর ভাল রাজনীতিবীদ চাই। নোংরা বলে দুরে থাকলে কিছুই হবে না কাজের কাজ।

আপনার জন্য অপেক্ষা রইল।
২৮. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪৭
রন্টি চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদের জন্য থ্যাংকিউ :)
২৯. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
নিবিড় বলেছেন: @অচেনা সৈকত --- বিদেশে থেকে এখানকার কোন স্হানীয় দল (বাংলাদেশি) এর কাজ করছেন নাকি ?
আরো একটা ব্যাপার কিন্তু সমস্যা সেটা হল বিদেশ থেকে হঠাৎ করে তৃণমূল পযায়ে যাবার ট্রানজিশনটা কিন্তু খুব টাফ।
সেইটা কাটিয়ে উঠাই কঠিন ব্যপার না প্রাইমারি কনসার্ন।আবার দেখবেন যারা দূর গ্রামের প্রতিনিধিত্ব করে তারা কিন্তু ঢাকা কেন্দ্রীক রাজনীতি করে ।এক্ষেত্রে কেন্দ্রবিমুখী কাজে কোন পরিকল্পনা আছে নাকি ?

৩০. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
রাতুল" বলেছেন: ছুড মানুষ, কঠিন কথা বুঝি না। তয় ভালা লাগছে +
১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭

লেখক বলেছেন: কসম খোদার, কঠিন কথা কইতে চাইনাই। কারণ সেটা আমি পারিওনা। পড়ার জন্য ধন্যবাদ রাতুল।

৩১. ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০২
অচেনা সৈকত বলেছেন: নিবিড়@ বিদেশে থেকে স্হানীয় দলের কাজ করার দরকার দেখছি না এখন। আমার পরিকল্পনা একটু ভিন্ন। আমি বিদেশে এসেছি দেড় বছর হল। তার আগে তো এলাকাতেই ছিলাম। মোটামুটি ভালই পরিচিতি আছে। ঢাকা কেন্দ্রিক রাজনীতি বাস্তবতাঘেঁষা হলেও প্রান্তিক উন্নয়নের প্রচেষ্টা সেটাকে ভায়োলেট করে না। সমস্যা হচ্ছে, দুষিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি। সশস্ত্র ক্যাডার ছাড়া যদি ভোটযুদ্ধে সফল হওয়া যায় তবে সেটাই একটা বড় পাওয়া। নতুবা আমাকেও প্রচলিত পথে এগুতে হবে। সেটা কাঙ্খিত না।
৩২. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০২
কালপুরুষ বলেছেন: লেখাটা অফিসে বসেই পড়েছিলাম। মন্তব্য করতে পারিনি। খুব ভাল লাগলো লেখাটা। সহজ সরল দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সাবলীল ঢঙ্গে লেখা তাই সুখপাঠ্য হয়েছে। রাজনীতি না করলেও তুমি ভাল সংগঠক গতে পারবে বলে আমার ধারণা। শুভ কামনা রইলো।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: আর কবে হবো? সেরকম কিছুই তো হতে পারলামনা এখনো।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: হা!

৩৪. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
স্বজন বলেছেন: প্রথমেই এধরনের উচ্চমার্গীয় পোষ্টে আলোচনার অযোগ্যতা স্বীকার করে নিচ্ছি। তাজীন আপুকে ধন্যবাদ এরকম গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ করে দেবার জন্য।
আমার ধারনা আমরা সমালোচনা প্রবল জাতি। যে কোন ইস্যুতে আমাদের সমালোচনা খুবই ক্ষুরধার হয়ে থাকে। এবং সেটা শুধুই সমালোচনাতে সীমাবদ্ধ থাকে। বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার পত্রিকার পাতায় চোখ বুলালেই দেখতে পাবেন আমাদের জাতির বিবেক শিক্ষিত তথা সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের জ্ঞানগর্ভ আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।এসব আলোচনার এজেন্ডা ছিল কিভাবে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আনতে হবে।আমুল পরিবর্তন ঘটানোর জন্য কি করতে হবে ইত্যাদী ইত্যাদী। কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধার মুল কাজটি করতে কেউই আগ্রহী না।সবাই নিজেকে সুশীল সমাজের মোড়কে আবদ্ধ রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পরিবর্তন আনতে চাইলে সর্বপ্রথম যে কাজ করতে হবে তা হল রাজনীতিতে ভাল এবং শিক্ষিত মানুষের উল্লেখযোগ্যহারে যোগদান। কিন্তু তা কি হচ্ছে? বড় দুটি পার্টির দিকে থাকান, দেখবেন হাতেগোনা কয়েকজন বাদে সলিমুদ্দি কলিমুদ্দিরা নেতৃত্বের আসন দখল করে বসে আছে।
অচেনা সৈকত ভাইকে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাই। যখন আমরা বড় দল দুটির দিকে তাকালে এধরনের মন-মানসিকতা সম্পন্ন মানুষের সংখ্যাধিক্য দেখব সেদিন আমাদের দেশ সোনার বাংলায় পরিণত হবেই হবে।
৩৫. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
রুখসানা তাজীন বলেছেন: ধন্যবাদ স্বজন। চলেন আমরা ব্লগের যোগ্য কয়েকজনের নাম প্রস্তাব করি, তাদের নিরন্তর সমর্থন জানিয়ে যাই যাতে ২০১৩ অথবা ১৮ এ অন্তত পাঁচজন দেশপ্রেমিক ব্লগার প্রতিনিধিত্বের লড়াইয়ে নামেন।

আমি এ মুহূর্তে একজনের নাম প্রস্তাব করছিঃ রাগিব।
৩৬. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৯
স্বজন বলেছেন: আমি ব্লগে নতুন, সবাইকে চিনিনা। আপনার প্রস্তাবে সমর্থন শতভাগ। এই তালিকায় আমি আপনাকেও রাখছি। কারন এই পোষ্টই বলে দিচ্ছে দেশপ্রেম এবং দেশকে কিছু দেয়ার চিন্তা অন্তত করেন। আর সেহেতু দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করা সমীচিন নয়।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

লেখক বলেছেন:
নতুন তো তাই আমার প্রতিভা সম্পর্কে কম জানেন :)। জানলে এই ভুল করতেননা।

৩৭. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: পোস্টে দেখি মাসুম নাম আছে, ভাবতাছি প্রিয়তে রাখুম কীনা :P
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: কেনো আমি কি আপনার প্রিয়তে ছিলামনা এতদিন? :(

৩৮. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২২
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আছেন তো আপু। তয় প্রিয়তে রাখতে চাইছিলাম এই পোস্টটা।
১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৬

লেখক বলেছেন: ওহ আমি ভাবছিলাম, আমাকে প্রিয় বলছেন :(

৩৯. ১৩ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: মনে কনো সন্দেহ রাইখেন না, আপনারেও কইছি।
৪০. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০৭
মজিদ বিশ্বাস বলেছেন: ভালো লাগলো পোস্ট টি। কিন্তু রাজনীতি বলে কথা! আমেরিকা আর বালাদেশ একনা। দুই জাতি দুই রকমের চোরা ব্রেইন। কোন দলে যোগ দিব? সব দলেরই ভালোর থেকে খারাপ গুন বেশি। আর নতুন দল করবেন? সৈয়দ ইব্রাহীবকে তো দেখলেন। বেচারা সৎ মানুষ। জনগন বোঝে না। তারা বোঝে মার্কা। এখানে মুক্তিযোদ্ধ বা রাজাকারও ফ্যাক্ট না। দেখা গেছে সেক্টর কমানডার হারছে আর কথিত রাজাকার জিতছে। এবারের ভোটে প্রথম আলোসহ সকল বাম ধারার মিডিয়া যেই জামাত নেতাকে নিয়ে ( কামারুজ্জামান) অহরাহ তার বিরুদ্ধে লিখলো তিনিই এবার না জিতলেও তার রেকড তিনি ভঙ্গ করে লাখ খানেক ভোট পেলেন। কিন্তু যখন পত্রিকাগুলো তার বিরুদ্ধে এতা লিখতো না তিনি পঞ্চাশের ঘরেও ভোট পেতেন না।
এসব দেখে মাথায় ডোকে না যে মানুষ কি চায়? কোন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগুলে মানুষ পছন্দ করবে তা বুঝা বড় দায়। তবে আশা আছে। সব দলকেই পর্যবেক্ষন করছি।
৪১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৭
|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

ভালই তো আলোচনা চলছিলো, থেমে গেলো যে হঠাৎ।এই আলোচনাটা মাঝে মাঝে দেখে যেতাম এবং নিজের ভাবনার সাথে মিলিয়ে নিতাম।

যাহোক , অচেনা সৈকত এর আলোচনা পড়ে যার কথা মনে পড়ছে , সে আমাদের ইউনি ক্লাস্মেট আসিফ। ওর জীবনের লক্ষ্য হচ্ছে পেশাগত কাজে একটা সময় পর্যন্ত থেকে আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে তারপর রাজনীতিতে নামবে, ভোটে দাঁড়াবে। রুমে যখন এইসব কথা সে বলত, অনেকেই আমরা তাকে খেপিয়েছি , ও প্রধানমন্ত্রী হলে আমাদের কি কি চাই তাও বলতাম।

আজো যখন আসিফ পাগলা ওই কথা বলে , তখনই যৌক্তিকতাটা বুঝতে পারি। আমরা চিল্লাই রাজনীতিবিদরা অসৎ বলে , কিন্তু কিছু করার চিন্তা আমাদের মাথায় আসে না। আমাদের বোধটাই খুব অদ্ভুতভাবে তৈরী করে দেওয়া হয়েছে যে রাজনীতি খারাপ এর মানুষেরা খারাপ এই ভাবে। অথচ দেশটা আমাদের , আমার নিজের ঘর যেমন আমাকেই চালিয়ে নিতে হয় , মঙ্গলগ্রহ থেকে কোন এলিয়েন এসে এটা করে দিয়ে যাবে না।

আপনার ভাষায় আমাদের মেধাবী এই প্রজন্মটির ভাবনার অনেকটা জুড়েই ব্যাক্তিগত প্রতিষ্টা, ক্যারিয়ার এইসব ভাবনা জুড়েই আছে। রাজনীতিতে নাম্লে সেটা প্রবল্ভাবে এই জীবনকে ব্যাহত করবে, সেটা ব্যাক্তিজীবন কোরবাণী দেবার মতই কাজ। অদ্দুর স্যাক্রিফাইস কি সবাই করতে পারে? বিশেষত কোনো বৈষয়িক লক্ষ্য ছাড়া ? (স্মরন করি, রাজনীতি বাংলাদেশে কিন্তু একটা ভালো পেশা!!) তাই যখন একজন আসিফ বা অচেনা সৈকতের কমিটমেন্ট দেখি , তখন তাদের আমার 'পাগলা' ই মনে হয়, ইতিবাচক অর্থে। যে পাগ্লামী অনেক অনেক পড়ে দেখে আমার মাঝে তৈরী হয়নি এখনো। আমি সেই গোত্রেরই লোক যারা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কমিউনিটি উদ্যোগেই সন্তুষ্ট। হ্যাঁ এগুলোর ও দরকার আছে, কিন্তু খোল-নলচে বদলাতে হলে, আমাদের শুভ ভাবনাগুলোকে বাস্তবে দেখতে হলে আমাদের সেই রাজনীতিতেই যেতে হবে, গ্যালারিতে বসে খেলা দেখলে আর কমেন্ট করলে চলবে না।

দেখি নিজেকে বুঝাতে পারি কিনা!
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: ইয়েস ডীয়াঢ়, পাগলা আসিফ আর সৈকতের কথা শুইনা তাদেরকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার দিন শেষ হয়া আসতেছে। গত প্রায় দুই সপ্তাহের মাঝে আমি ৪/৫ জন উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তির সিরিয়াস রাজনীতিতে আসার প্রত্যয়ের খবর পাইয়া অতিশয় আহ্লাদিত হইয়াছি।

দেখ বুঝাইতে পারছ কিনা :)

৪২. ১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৫৮
গণিত পাগল বলেছেন: "আমরা ভাবীরা যখন অপি করিমের আসন্ন বিবাহবিচ্ছেদের চিন্তায় চুকচুক শব্দ করতেছি, ক্লোজআপ আর ক্ষুদে গানরাজ নিয়া ঘর ফাটাইতেছি, গোলাপজাম আর প্যাড়া সন্দেশের রেসিপি নিয়া জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় বোতল (বিদেশী কুক)খালি করতেছি, ভাইরা তখন LIVE সংবাদ পর্যালোচনায় রত।"

এইটা বেগম রোকেয়া স্টাইল হয়েছে। ক্লাসিক...(কিন্তু এই ক্লাসিক অবস্থার করে পরিবর্তন হবে?:( )

রাজনীতি ব্যাপারটা আসলেই অনেকে গুরুত্বের সাথে ভাবতে শুরু করেছে। আর আমাদের দেশে রাজনীতিতে যে কিছুটা হলেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে এটা এবারের নির্বাচনের পর স্পষ্ট। তাই আসলে আমরা আশাবাদী হতেই পারি। :)
অবশ্য সময়ই বলে দেবে সব...
১৯ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: ওইটা আসছিলো রাজনীতিতে আসার পরিকল্পনার প্রেক্ষাপট বর্ণনায়। আর আমাদের আড্ডার একটু ফ্লেভার দেয়ার জন্য :)। রোকেয়া টাইপের কিছু না।

আমি আশাবাদী।

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৯৬১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
বসতি আবার উঠবে গড়ে
আকাশ আলোয় উঠবে ভরে,
জীর্ণ মতবাদ সব ইতিহাস হবে
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
একদিন ঝড় থেমে যাবে,
পৃথিবী আবার শান্ত হবে।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ