কৃষিক্ষেত্রে স্বাবলম্বী হওয়া যে আমদানীকৃত সার দ্বারা সম্ভব নয়, তা আমাদের কোনো সরকারকেই বোঝানো যাচ্ছিল না। আগে কৃষি উপকরণে স্বাবলম্বী হতে হবে তবেই যে খাদ্য ঘাটতি থেকে চিরতরে মুক্তি।
আশার কথা হলো, গতকাল বিসিআইসি এর সাথে শিল্পমন্ত্রীর বৈঠকে নতুন দুইটি ইউরিয়া সার কারখানা তৈরির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই দুইটি শিল্প কারখানা স্থাপনে সরকারের ব্যায় হবে ১০ হাজার কোটি(১০ বিলিয়ন) টাকা।
বাংলাদেশের বড় কোনো শিল্প খাত বলতে সার কারখানাকেই বুঝানো হয়। এ ধরণের শিল্পে বিশ্বব্যাংক থেকে শুরু করে বড় সব অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানই অনীহা প্রদর্শন করে(এর অর্থ এরা চায় সরকার যেন বিদেশ থেকেই সার কেনে!)। তবে এবার সরকারের এই উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার একটি তে অর্থায়ন করবে চীনের একটি ব্যাংক। সেটি স্থাপিত হবে সিরাজগঞ্জে, অন্যটি হবে সিলেটে।
সরকার আরো সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমানে চালু সবগুলো সার কারখানার overhauling করা হবে, এতে এই পুরাতন প্লান্ট গুলো ডিজাইন ভেল্যুর ৯০% পর্যন্ত উৎপাদনে যেতে পারবে ( প্রায় নতুনের মতো আরকি!)। এই পরিকল্পনার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ। এখন দেখার বিষয় কত দ্রুত তারা এই প্রজেক্ট দুইটি শেষ করে।
ছবিঃ উইকিপিডিয়া (যদিও এটা সার কারখানার ছবি নয়!)
খবরের সূত্রঃ bdnews24
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




