আমার প্রিয় পোস্ট

টাইগার হিলে একদিন।

২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:০০

শেয়ারঃ
0 0 0




টাইগার হিলে সূর্যোদয়ের বর্ণণা অনেক পড়েছি অনেক গল্প উপন্যাসে। দার্জিলিং শহরের ছবিও তেমন করে আঁকা হয়ে গিয়েছিল।
আমি টাইগার হিলে সূর্যোদয় দেখেছি, এত স্পষ্ট দেখেছি তা আমি এখন আর কল্পনাও করতে পারি না। কারণ সবসময় এমন করে সূর্য দেখা দেয় না, আমার সৌভাগ্য আমি দেখতে পেয়েছি।

সূর্য একটু একটু করে উঠতে গিয়ে মনে হল যেন হঠাৎ করে লাফ দিয়ে পরিপূর্ণতা পেল। ঠিক যেন একটা আগুনের বল, কাঁপছিল এলোমেলো ভাবে আর মনে হচ্ছিল যেন কেউ খেলছে আগুনের বল নিয়ে। মনে হচ্ছিল কেউ যেন এটাকে গোল করে আকার দেবার চেষ্টা করছে। সেই আলোর রশ্মির কোমল রূপের কোন তুলনা নেই।

ছবিগুলি ধারাবাহিক ভাবে তোলা হয়েছে, উদয়ের আগে থেকে পরের মুহূর্ত পর্যন্ত। একটা জিনিষ ফ্রেমে ধরা হয় নাই তা হল, অন্য পাশে দেখা যাচ্ছিল কাঞ্ছনজঙ্গা। আর সূর্যের সোনালি আভা এর শিখরে পড়ার পর এর সৌন্দর্য।
সূর্য দেখা দেবার আগের মুহূর্ত ভোলার নয়, সবাই তাকিয়ে আছে আর অপেক্ষা করছে। অলৌকিক ভাবে উঁকি দিল, সেই সময়ের মানুষের অভিব্যক্তির বর্ণনা দেবার ভাষা আমার নেই।


প্রায় সবাই চিৎকার করে উঠল, আমার মত কিছু পাগলের চোখ থেকে টপটপ করে পানি পড়ছিল।
এমন কিছু সুন্দর দেখতে পাওয়াই ভাগ্যের ব্যাপার!

 

সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: সুন্দর দেখতে পাওয়াই ভাগ্যের ব্যাপার!


ছবিগুলো অনেক সুন্দর।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন, তবে আমি সুন্দর করে লিখতে পারি নাই।
শুভেচ্ছা।

২. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১১
ফারহান দাউদ বলেছেন: বর্ণনা আর ছবি ভাল লাগসে,সত্যি বলতে কি,বর্ণনা পড়ে দেখতে ইচ্ছা করছে।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৬

লেখক বলেছেন: যান একবার, অনেক ভাল লাগবে।

৩. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:১৭
প্রীটি সোনিয়া বলেছেন: ছবি গুলো খুবই সুন্দর হয়েছে...আমার ভাগ্য আপনার মত এত ভাল না তাই আমি দেখতে পাইনি সেখানে সূর্য উঠা....আমি যখন গেছিলাম তখন চারিদেকে কুয়াশায় ঢাকা ছিল....কখন যে সূর্য উঠে মাথায় চলে এসেছিল বুঝাই যায়নি...আপনার ছবি গুলো দেখে ভাল লাগলো।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪২

লেখক বলেছেন: আমার খুব ভাল লাগছে আপনার ভাল লাগায়, শুভেচ্ছা।

৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৪:২৩
দূরন্ত বলেছেন: জব্বর ছবি হয়েছে‍। কঠিন অভিজ্ঞতা।
আমি গিয়ে দেখতে পাইনি।
ভালো লাগলো।
শুভেচ্ছা।
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: হ্যা, কঠিন অভিজ্ঞতা। আপনি গিয়েছেন তাই জানেন। আমি অনেক কিছুই লিখতে পারি নাই। ওখানে দাঁড়িয়ে কফি খাওয়া, ফিরে আসার জন্য পাগলের মত গাড়ি খোঁজা, সব গাড়িই দেখতে একরকম... আরও কত কিছু...।

২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন তবে ওখানে দাঁড়িয়ে দেখার অনুভূতি একেবারেই অন্যরকম। কেমন আছেন?

৬. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:২৬
বিবেক সত্যি বলেছেন: আসলেই ভাগ্য আপনার !! আমরা যেবার গেলাম, সূর্য আমাদের ফাঁকি দিলো... দেখতে পারিনি..
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: আবার নিশ্চই দেখবেন, শেষ বলে কিছু নেই ।
শুভকামনা।

২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: হ্যা, আসলেই দারুণ !

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫৩

লেখক বলেছেন: দার্জিলিং শহর থেকে যেতে ১ ঘন্টা লাগে টাইগার হিলে। এটি sea label থেকে ৮ হাজার ফুট উঁচুতে। হাজার হাজার পর্যটক ভীড় করে এখানে।

৯. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:০৮
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর, ভালো লাগল। এই টাইগার হিল কোথায়? বান্দরবন??
২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: এটা দার্জিলিং এ, ধন্যবাদ আপনাকে ।

১০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৩২
নামহীনা বলেছেন: মন খারাপ করাইয়া দিলেন, সাথে অবশ্য দেখতে যাবার ইচ্ছাটাও বাড়াইয়া দিলেন।

@বিডি আইডল: Click This Link
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৯

লেখক বলেছেন: অবশ্যই যাবেন, ভাল লাগবে আপনার।

১১. ২২ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:৩৫
সাইফুর বলেছেন: ছবিগুলো ভয়াবহ সুন্দর..
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২১

লেখক বলেছেন: সময়টা ছিল ভয়াবহ সুন্দর !

১২. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৮
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: বাপস !!!!!!!!!!!
মারাত্মক ছবি !!!!!
হিংসা হৈতাছে ।
২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৪

লেখক বলেছেন: কোথায় আপনি ?
বেশি হিংসা হলে যাবার প্লান কর।

২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:৪৫

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে , ধন্যবাদ।

১৪. ২৩ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন: খুবই সুন্দর ছবিগুলো...........
এই রকম সূর্যোদয় দেখা সত্যি ভাগ্যের ব্যাপার...........।

শুভেচ্ছা।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ভালবাসা।

১৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: সত্যি অবাক করা ছবি!!! দারুন ভাগ্যের ব্যাপার!!
শেয়ার করার জন্য বিনীত ধন্যবাদ।

কেমন আছেন?

শুভেচ্ছা অনেক।
২৪ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:১৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে চিটি। আমি ভাল, আপনি কেমন আছেন ?

১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ২:৫২
লাল পিপড়া বলেছেন: ঐ সময়ে গান গাইসিলেন কি
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: গান নয়, তখন মনে হয়েছে এত সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে কিভাবে থাকব ।

১৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৮ ভোর ৬:০৫
রাশেদ বলেছেন: বাহ, বেশ জটিল হইছে।
২৭ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: জটিল পৃথিবীর সহজ সরল রূপ, জটিল কই ?
শুভেচ্ছা !

১৮. ৩১ শে আগস্ট, ২০০৮ রাত ৯:২৮
বোকামাষ্টার বলেছেন: সৌন্দর্য দেখার জন্য চোখ লাগে। আপনার তা আছে।

খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন: হয়্তোবা, প্রকৃ্তি আমাকে বারবার দাঁড় করিয়েছে ভয়ঙ্কর সৌন্দর্যের সামনে !
অনেক ধন্যবাদ।

১৯. ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১১
উধাও ভাবুক বলেছেন:
ঢাকা থেকে কক্সবাজার, চাটগাঁ থেকে কক্সবাজার যাবার সময় আমি যেতাম নাইটকোচে, যেন ভোরের সুর্যটা পাহরের ফাঁক থেকে দেখা যায়। সাতকানিয়া পার হয়ে যখন চকরিয়ার সীমানায় গাড়ী ঢুকতো পাহারের ফাঁক গলে সুর্য উঁকি দিত তখন মনে হত জার্নিটা সার্থক।

টাইগার হিলে দাঁড়িয়েও সূর্যোদয় দেখেছি বহুবার।
আপনার ব্লগে আসলেই চাটগাঁইয়া আনন্দ পাই আর সেই ফেলে আসা দিনগুলো মনে পড়ে যায়।

ভাল থাকুন সবসময়...
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: প্রকৃ্তির অনেক রূপ, আমরা এর নানা রূপে আকৃ্স্ট হই।
আপনি দাজিলিং অনেকবার গিয়েছেন, নাকি ওখানে পড়েছেন ? কিভাবে টাইগার হিলে অনেকবার সূর্যোদয় দেখার সুযোগ হল ?
শুভেচ্ছা।

২০. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৪
কিংশুক০০৭ বলেছেন:
সবাই এত সুন্দর করে বলে ফেলেছে যে এখন আমি আর ভাষা খুজে পাচ্ছি না । কি করে বলি ছবি কত সুন্দর হয়েছে !
২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৮ রাত ১২:৪১

লেখক বলেছেন: ছবি দেখেছেন এবং ভাল লেগেছে এটাই কমেন্ট, ধন্যবাদ আপনাকে।

২১. ০৭ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৯:৫৫
মুহিব বলেছেন: সুন্দর ছবি তুলেছেন। এত পরিষ্কার আকাশ কোন মাসে পেলেন। অনেকেই যায় কিন্তু কুয়াশার কারনে কিছুই দেখতে পায় না। আপনি লাকি।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২১

লেখক বলেছেন:
:)

২২. ২৭ শে জুন, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: হমম,না দেখলে আসলেই মিস। সামনাসামনি দেখতে ইচ্ছে করছে। অসাধারণ ছবি তুলেছেন, অসাধারণ!
২৩. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:২২
তারার হাসি বলেছেন:
ছবি এর আসল দৃশ্যের কাছে কিছুই না।
২৪. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৩৪
সৌম্য বলেছেন: অতিরিক্ত জোস। ফাট্টাফাট্ট ! !! !!!
বাংলাদেশেও একটা টাইগার হীল আছে। ওখানে সুর্যাস্ত দেখলে মাথা খারাপের মতো লাগে।
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন:
এমনিতেই একটু মাথা খারাপ, আর নতুন করে মাথা খারাপ করতে চাই না। ওটা কি বান্দরবনে, যাচ্ছি অল্প কয়দিন পরেই...

২৫. ২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫০
মে ঘ দূ ত বলেছেন: অসাধারণ! এখুনি উড়ে যেতে মন চাইছে। পাখা থাকলে তাই করতাম :=)
২৭ শে জুন, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন:
আপনি তো মেঘদূত, আপনি চাইলেই পারেন।

২৬. ২৮ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৮:৪৮
সৌম্য বলেছেন: চিটাগাং ক্যান্টে ইবিআরসি হেডকোয়ার্টারে একটা পিচ্চি টাইগার হীল আছে। আবার বান্দারবান শহরের খুবই কাছে শৈলপ্রপাতের পরে মিলনছড়িতে আরেকটা পাহাড় আছে। বছরখানেক আগে ওটাতে উঠা অত্যন্ত আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতার একটা, ১হাজার ফিটের মতো পাহাড়টা তখন টাইগার হীল নামে পরিচিত। পড়ে সরকার ঐখানে রাস্তা বানাইলো এখন সবাই গাড়ি নিয়া উঠে :( :( :( ওটাকে নীলাচল বলে ডাকে। স্থানীয় নামটা মুছে দিছে।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন:
চট্টগ্রমাম ক্যান্টেরটায় গিয়েছি সেভেনে পড়ার সময়, অনেক আগে।
নীলাচল/ নীলগিরি মনে হয় একই পাহাড়ের নাম।

২৭. ২৮ শে জুন, ২০০৯ সকাল ৯:১১
প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ বলেছেন: বান্দরবান এর টাইগার হিলে উঠে সুর্যোদয় দেখেছিলাম একবার। সেটাও অনেক সুন্দর। পাহাড়ে উঠলেই মনে হয় আকাশের অনেক কাছাকাছি চলে গিয়েছি! সূর্যোদয়ের আমেজটাও তাই একদমই অন্যরকম লাগে!......

ছবিগুলো দেখে তো আমার এখনই দার্জিলিং যেতে ইচ্ছে করছে! ...:)
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৩৯

লেখক বলেছেন:
চলে যান প্রজ্ঞা, অনেক ভাল লাগবে।
আমার তো সূর্যোদয় তেমন করে দেখা হয়না কিন্তু সূর্যাস্ত মিস করি না।
:)

২৮. ২৮ শে জুন, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭
সৌম্য বলেছেন: সরকারীভাবে পাহাড়গুলোর নামে বাঙ্গালীয়ান করার নিন্দনীয় সরযন্ত্র চলছে। টাইগার হীলের চাকমা একটা নাম ছিল, এখন এর নাম নিলাচল, থানছি তে আরেকটার নাম দিছে নীলগিরী, আবার তাজিংডং (মারমা ভাষায় ডং মানে পাহাড়, কেওক্রাডং=উচু পাহাড়, তাজিনডং=সুন্দর পাহাড়) এর বাংলা নাম দিছে বিজয় পর্বত।
এদেশে পাহাড় নিয়েও রাজনীতি হয়। হাসিনা সরকার ৯৬এ শান্তিচুক্তির জন্যে প্রাথমিক অবস্থায় উচু এক পাহাড় চুড়ায় করার সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারী চামচারা বাড়াইতে বাড়াইতে তাল সামলাতে না পেরে ঘোষনা করে দিল তাজিনডং বাংলাদেশের উচ্চতম পর্বত (উচ্চতা ২৮০০ফিট মাত্র)। যেখানে তার বহু আগে আবিষ্কৃত কেওক্রাডং এর উচ্চতা ৩১৯৬ফুট।
আমাদের দেশের উচ্চতম চুড়া সাকা হাফং (ত্রিপুরা নাম) বা ক্ল্যান ময় (বম নাম, বম ভাষায় ক্ল্যাং বা তল্যাং মানে পাহাড়) উচ্চতা ৩৪৮৮ফুট। মদক মোয়াল (মোয়াল মানে রেঞ্জ) এ সীমান্ত রেখা বরাবর এটি। এর পরেই আছে রাং তলাং (তল্যাং মানে পাহাড়), মদক রেঞ্জের কয়েকটা চুড়া। সিপ্পি আরসুয়াং (বম ভাষায় আরসুয়াং মানে মোরগের ঝুটি, এটাতে সফল ভাবে আরোহন করা ২য় টিমের একজন সদস্য আমি)। সিপ্পির উচ্চতা ৩০১৭ফুট। আমার দেখা আজ পর্যন্ত সবচাইতে সুন্দর অরন্য সিপ্পির পাদদেশে বাশ বন।
২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৪৭

লেখক বলেছেন:
সৌম্য আপনি খুব ভাল সময়ে তথ্য গুলি দিয়েছন, খুব কাজে লাগবে।
আমি যাচ্ছি, এবং থাকব। ঘুরে ফিরে দেখা যাবে।
বান্দরবন শহরেও আছে লতাপাতায় এক আত্মীয়।
ধন্যবাদ সৌম্য ! :)

২৯ শে জুন, ২০০৯ রাত ১:৫৫

লেখক বলেছেন:
আবারো ! :)

৩০. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
সুবিদ্ বলেছেন: টাইগার হিলে সূর্যোদয় মিস করেছি কুয়াশার জন্য......কাঞ্চণজঙ্ঘা দেখা দিয়েছে কালিম্পংয়ে সূর্যাস্তের একটু আগে......এখনো ভুলতে পারিনা ঐ স্বর্গীয় সৌন্দর্য......

ছবিগুলো অসাধারণ তুলেছেন......
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২৯

লেখক বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ, আমি কিন্তু খুব বৃষ্টির দিনেও কাঞ্চনজঙ্গার দেখা পেয়েছি। নিজেকে এজন্য সৌভাগ্যবান মনে করি, দেখবেন নিশ্চয় সূর্যোদয়...
শুভকামনা।

৩১. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৮
সুবিদ্ বলেছেন: আচ্ছা এই পোষ্টটা ভালো লাগেনাই একজনের........কে সেই বান্দা???
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৩১

লেখক বলেছেন:
হয়তো সূর্যের সাথে তার আড়ি।

৩২. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৯
মে ঘ দূ ত বলেছেন: ছবিগুলো আবার দেখে মনে হচ্ছে ঊষার আকাশটাকে সূর্যিদেবতা সোনা দিয়ে মুড়িয়ে দিয়েছে যেন।

 

লেখক এই পোস্টে কোন মন্তব্য গ্রহণ করবেন না

মোট সময় লেগেছে ০.৯৬২৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার মাঝে লুকিয়ে থাকা এক অন্য আমি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই