somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আওয়ামি লীগ: একটি ট্রাজেডির নাম!

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





আজকের লেখার শুরুতেই ক’টি বিচ্ছিন্ন ঘটনা তুলে ধরব। পত্রিকার পাতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মিডয়ায় প্রকাশিত ও প্রচারিত ক’টি ঘটনা তুলে ধরে এরই আলোচনা আর তার ধারাবাহিকতায় এই লেখাটা শেষ করব।
সিরাজগঞ্জ এর চৌহালী উপজেলায় ম্ঞিাপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা চত্বরে হবার কথা ছিল আল কুরআন এর একটা তাফসির মাহফিল। সেখানে স্থানীয় আওয়ামি লীগের নেতা আলহাজ্জ আবু বক্কার সিদ্দিক’কে প্রধান অতিথি না করায় আওয়ামি লীগ উক্ত তাফসির মাহফিলই বন্ধ করে দিয়েছে! আর এর প্রতিশোধ হিসেবে মাদ্রাসর শিক্ষক হাফেজ নুরুল আলমকে জে এম বি’র সদস্য আখ্যা দিয়ে পুলিশকে নির্দেশ দেয় ধরতে। আওয়ামি ফুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সরকারি বেতনভূক্ত কর্মচারি, পুলিশও যথারীতি হাফেজ সাহেবকে ধরে নিয়ে থানায় আটকে রাখে!
এর পরে বিকেলে মাদ্রাসার শিক্ষকরা মিলে উক্ত আওয়ামি নেতার কাছে করজোড়ে ওয়াদা করেন যে, তাঁরা আর তাফসির মাহফিল করবেন না! এমন একটা প্রতিশ্রতী দিলে সদয়(!) হয়ে উক্ত আওয়ামি লীগ নেতা, আলহাজ্জ আবু বক্কর সাহেব থানাকে নির্দেশ দেন হাফেজ সাহেবকে ছেড়ে দিতে!
আর কি অবাক করা বিষয়, বাংলাদেশ সরকারের কোন কোর্ট এর আদেশ নয়, বরং সরকার দলীয় একজন পাতি নেতার আদেশ পেয়ে পুলিশও নিজেদের আওয়ামি লীগ দলীয় দাসানুদাস প্রমান করে উক্ত নেতার নির্দেশ পালন করে! বিশ্বাস করা যায় এ ঘটনাটা?
আরও শুনবেন? বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এর হত্যাকারীদের ফাঁসি কার্যকর হবার পরে তাদের লাশবাহী গাড়ীতে যে ভাবে ছাত্রলীগ যুবলীগ এর ছেলেরা থুতু নিক্ষেপ করেছে, যে ভাবে তাদের গাড়িতে জুতা নিক্ষেপ করেছে, তা দেখে হতবাক হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।
এ কোন বর্বরতা? এ কোন ধরণের হিংস্রতা? একজন মানুষ, হত্যা মামলার আসামী ছিলেন, বিচার হয়েছে, তিনি তার শাস্তিও পেয়েছেন। সকল প্রকার বাদানূবাদ এর উর্ধে উঠে গেছেন তিনি। কিন্তু তাই বলে তার মৌলিক মানবাধিকার এবং একজন মানুষ হিসেবে প্রাপ্য সম্মানটুকুতো শেষ হয়ে যায়নি। বিশেষ করে, শাস্তি কার্যকর হবার পরেতো তার উপরে আর কারো কোন ক্ষোভ, ঘৃনা থাকার কথা নয়।্ তার পরেও এ ধরনের হিংস্রতা কোন মানুষের পক্ষে সম্ভব? অন্তত এই আলোকিত একবিংশ শতাব্দীতে! সেটা বিশ্বাস করাটা সত্যি কষ্টকর চোখে না দেখলে।
মানিকগঞ্জের ঘিওরে এরাই ঐ একই মামলার অন্যতম আসামী আজিজ পাশা, যিনি জিম্বাবুই এ রাষ্ট্রদূত থাকাবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন, তার বাড়ী, তার ভাই এর বাড়ীতে হামলা করে ভাং-চূর করেছে, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে! কোন অপরাধে? কোন বিবেক এ? এ কোন ধরণের বর্বরতা?
আর এক আসামী, যাঁর ফাঁসিও কার্যকর হয়েছে, সেই কর্নেল শাহরীয়ার এর জানাজার নামাজ এ অংশ নিয়েছেন কসবা উপজেলা ছাত্রলীগ এর দু জন ছাত্রনেতা। এই অপরাধে ( একজন মৃত মুসলমান এর নামাজ এ জানাজায় অংশ নেওয়াটাও এদের কাছে শাস্তিযোগ্য অপরাধ!) স্থানীয় ছাত্রলীগ ৈেবঠক করে তাদের দুজনকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করেছে! তা আবার তারা নিজেরাই প্রেস রিলিজ করে পেপার পত্রিকায় জানানও দিয়েছে!
হবিগঞ্জ জেলা শহরের সিনেমা হল বাজার জামে মসজিদের জমি জোর করে দখল করে নিয়ে শেষ পর্যন্ত সেই মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে আওয়ামি লীগ এর অংগ সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর নেতা কর্মীরা। সেদিন অর্থাৎ গত ৩রা ফেব্র“য়ারী উক্ত মসজিদে কেউ জোহরের নামাজ আদায় করতে পারেনি। শতকরা পঁচাশি ভাগ মুসলিম অধ্যূষিত বাংলাদেশে এভাবে প্রকাশে মসজিদ এ তালা ঝুলিয়ে দেবে আওয়মি লীগ, নামাজ বন্ধ করে দেবে এটাও কি বিশ্বাস করতে হবে?
আর এই তো সেদিন, মাত্র দিন চারেক আগেকার ঘটনা। ‘সকালের খবর’ নামক এক পত্রিকার সাংবাদিক আওয়ামি লীগ এর বিবাদমান দুই দলের বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন সংবাদ সংগ্রহের জন্য। আর তাঁর অপরাধ তিনি তার টেপ রেকর্ডারে বৈঠকের সংবাদ রেকর্ড করছিলেন। আর এতেই আওয়ামি সোনার ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। উক্ত সাংবাদিক আরাফাতুজ্জামন বাবু কে স্থানীয় আওয়ামি লীগ নেতার বাসভবনে ধরে উত্তম মধ্যম দিয়েছে। ধোলাই এর পরিমানটা এত বেশী হয়েছে যে, বেচারা সাংবাদিককে শেষ পর্যন্ত হাঁসপাতালেই ভর্তি হতে হয়েছে!
ক’দিন আগে রাজশাহি বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষককে ধরে ধোলাই দিয়েছে ছাত্র লীগের সোনার ছেলেরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ এর স্থপতিরা! শিক্ষক ধোলাই দেবার ঘটনা ইতিমধ্যেই দেশের বেশ ক’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ঘটেছে। সম্মানিত শিক্ষকরা মান সম্মান এর ভয়ে মুখ খুলছেন না। আবার এই নিগ্রহকে মেনে নিতেও পারছেন না। নিজের সন্তানসম ছাত্রের হাতে উত্তম মাধ্যম খেতে হবে! এমনটা বোধ হয় কোন দিনও কেউ কল্পনা করেন নি। কিন্ত ‘দিন বদলের দিন’ এ আজ সেটাই ঘটছে অহরহ!
সাভারে আনসার সদস্যদের উপরে হামলা চালিয়ে অস্ত্র লুট করে নেবার সময় পাঁচজন যুকলীগ কর্মীকে আটক করে র‌্যাব। ওদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্র“পের মধ্যে সারা রাত ধরে গোলাগুলি চলে। ইতোপূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‘সন্ত্রাসীরা যে দলেরই হোকনা কেন, রেহাই দেয়া হবেনা’ মর্মে সেই হাস্যকর ঘোষনাকে বৃদ্ধঙ্গুলী দেখিয়ে লীগের সোনার ছেলেরা নিজেদের মধ্যে মহাযুদ্ধ চালিয়ে যায়!
আর এরই একটা পর্যায়ে হলের এক নিরীহ ও মেধাবী ছাত্র, আবু বক্কর এর মাথায় আঘাত লাগে, হাঁসপাতালে অচেতনাবস্থায় নেয়া হয় তাকে। ডাক্তারদের সকল প্রচেষ্টাকে ক্ষান্ত দিয়ে উক্ত আহত ছাত্র মৃত্যুবরণ করে। ঝরে যায় একটা নিরীহ প্রান, ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের তান্ডবে! সেই সুদুর টাঙ্গাইল থেকে দিন মজুর এর সন্তান মেধাবী ছাত্র ঢাকায় পড়তে আসা আবু বক্কর বাড়ী ফিরল লাশ হয়ে!
ঢাকা কলেজ এ ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে ছাত্রলীগ এর নেতা কর্মীরা। দাবী হলো, নিজেদের পছন্দমত ছাত্রকে ভর্তি করতে হবে। আর এই সব ছাত্রকে ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা বিভিন্ন অংকের টাকার বিনিময়ে ভর্তি করবে। তাদের এই দাবী না মেনে কলেজ কর্তৃপক্ষ নিয়মমাফিক যথারীতি পরীক্ষার মাধ্যমে মেধা যাচাই করে ভর্তির উদ্যোগ নিলে লীগেÍ সোনার ছেলেরা ক্ষিপ্ত হয়। আর শেষ পর্যন্ত কলেজের শিক্ষকদেরই ধরে ধোলাই দেয়!
ওদিকে আনন্দমহোন কলেজের শতবর্ষ বার্ষিকি উদযাপন অনুষ্ঠানে লীগের সোনার ছেলেরা যে কান্ড ঘটিয়েছে, তা যে কোন বিবেকবান মানুষকেই লজ্জায় মুখ ঢাঁকতে বাধ্য করবে।
আর সেই ভয়াল আঠাশে অক্টোবর, যে দিনটায় প্রকাশে দিবালোকে লগী বৈঠা এনে ঢাকার রাস্তায় পশু পেটানোর মত করে পিটিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারা হলো! আর সেই মৃতদেহের উপরে লাফিয়ে লাফিয়ে পৈশাচিক কায়দায় বিভৎস উল্লাসও প্রকাশ করা হলো। সেই দিনটার কথা কি কেউ কোনদিন ভূলতে পারবেন? দেশের কেনা জানে যে, সেই বিভৎস কান্ডটা ঘটিয়েছিল লীগের সোনার ছেলেরা, তার ভিডিও প্রমান আছে। আছে স্টীল ছবিও। কারবালার পরে বোধ হয় সেটাই ছিল কোন মানব গোষ্ঠির হাতে ঘটিত সবচেয়ে পৈশাচিক বিভৎসতা।
কেবল মাত্র ছাত্রদের কথাই বা বলি কেন। আওয়ামি লীগের যাঁরা কেন্দ্রিয় নেতা নেত্রী, তাদের কারো কারো কথা বার্তা শুনে ’থ বনে যেতে হয়। ভাবতে বাধ্য হতে হয়, এঁরা কি সত্যিই এই কথাগুলো বলেছেন? কোন মানুষ কি এরকম হীন, নীচ, হতে পারেন? এরকম অশ্লীল মন্তব্য করতে পারেন? কোন বিবেকবান মানুষের পক্ষে কি এটাও সম্ভব?
দু একটা উদাহারণ না দিলে পুরো বিষয়টা একপেশে বলে মনে হতে পারে। এই ধরুণ, ক’দিন আগে সংসদে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রশ্ন তুলেছেন এই বলে যে, শহীদ জিয়ার কবরে তাঁর লাশ সত্যিই আছে কিনা? সে বিষয়ে।
তারই রেশ ধরে আওয়ামি লীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিমও একই সংসদে প্রশ্ন তুলেছেন আজ থেকে মাত্র ক’দিন আগে। তিনি আরও এক ধাপ এগিয়ে ডি এন এ টেষ্ট এর কথা বলেছেন। সবচেয়ে বিষ্ময়ের ব্যাপার হলো তিনি জিয়ার মাজার থেকে তার কফিনটা তুলে সমুদ্রে ফেলে দেবার কথাও বলেছেন!
আমরা হতভম্ব। পুরো জাতিই হতভম্ব স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী, তার ফুপাতো ভাই, তাঁরই দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিম এর এমন ভালগার দেখে! অথচ পুরো দেশবাসীর মতই এঁরা দুজনেও দেখেছেন বাস্তবতা। শহীদ জিয়ার মৃত্যুকে ঘিরে সেদিনের বাস্তবতা পুরো বাংলাদেশই দেখেছে।
মরহুম প্রেসিডন্ট জিয়ার লাশ দেখার জন্য, তাঁর লাশ এর প্রতি একটু শ্রদ্ধা দেখানোর জন্য মানিক মিঞা এভিনিউতে লক্ষ লক্ষ নারী পুরুষের ঢল নেমেছিল। সারা দিন রাত ধরে সেখানে শোকে মুহ্যমান মানুষ লাশ এর কফিনের পাশে দাঁড়িয়েছেন, দোওয়াও করেছেন। আজ সেই লাশ নিয়ে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের লাশ নিয়ে এ ভাবে অশ্লীল বক্তব্য প্রদান করাটা আর কিছুই নয়, বরং নিজেদেরই কুৎসিত মানসিকতাকে জাতির সামনে তুলে ধরা!
নিজের কুৎসিত মানসিকতাকে কেবল এঁরাই তুলে ধরছেন না জাতির সামনে। তুলে ধরেছেন এই আওয়াুিম লীগেরই আরও এক নেতা, কেন্দ্রীয় নেতা, দলটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ সাহেবও। তিনি স¤প্রতি ঢাকার এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেছেন ‘দেশের দুই নেত্রীর একজন মানুষ আর একজন অমানুষ’। স্পষ্টতই আশরাফ সাহেব এ কথা বলার মাধ্যমে নিজের নেত্রী শেখ হাসিনাকে মানুষ, আর বিরোধি দলীয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অমানুষ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সরকারের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী, একজন রাজনীতিবিদ কি করে দেশের তিন তিনবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর ব্যাপারে এমন অশোভন কথা বলতে পারেন? কি করে তিনি এমন একটা কথা তার মুখে উচ্চারণ করতে পারেন? সে বিষয়টা কোন মতেই মাথায় আসেনা। কোন মতেই যেন বুঝে উঠতে পারিনা।
ঘটনার এখানেই শেষ নয়। আরও আছে। মাত্র দিন তিনেক আগে সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা বিবি’কে সাংবাদিকরা সারা দেশে ছাত্রলীগের নেতা কর্মীরা যে ভর্তি বানিজ্য, টেন্ডাবাজীতে নেমেছে, এ নিয়ে নিজেদের মধ্যেই সন্ত্রাস আর দ্বন্দে জড়িয়ে পড়ছে, এর রেশ ধরে খুন খারাবীও করছে, সে ব্যাপারে কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন করলে সাহারা বিবি সংাবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন ‘এটা কোন ব্যাপার না, এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা’!
ধরনী দ্বিধা হও! এই কি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য? এমনটাও কি হতে পারে? এটা কোন ধরনের বর্বরতা! যেখানে পুরা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই কেবল নয়, বরং পুরো দেশই লীগের সোনার ছেলেদের চাঁদাবাজী আর সন্ত্রাসের কারণে জিম্মি হয়ে আছে, সেখানে স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীই কিনা বলেন ‘এটা কোন ব্যপার না’! দেশের অসহায় মানুষ, যারা নিত্যই এইসব সোনার ছেলেদের হাতে নিগৃহিত হচ্ছেন, যে নিরীহ আবু বক্কর ঢাকা ভার্সিটিতে নিজের প্রান দিল এদেরই কারণে, তাঁদের সকলের প্রতি কি এটা এক করুণ পরিহাস আর অবজ্ঞা নয়?
প্রশ্ন হলো আওয়ামি লীগের নেতা কর্মীরা এভাবে মানুষের প্রতি, নৈতিকতার প্রতি, মানবতার প্রতি, অবজ্ঞা প্রদর্শন করতে পারে কি ভাবে? উত্তর কেবল একটাই হতে পারে। তাহলো, শহীদ সোহরোওয়ার্দি আর মওলানা ভাসানীর আওয়ামি লীগ আর সেই আওয়ামি লীগ নেই। আজকের আওয়ামি লীগ বর্বরতা, বিভৎসতা, আর কদর্যতার প্রতীক হয়ে গেছে।
সেদিন আর দুরে নয় যে দনি সাধরণ মানুষ একজন খূনী, উৎপীড়ক, ধর্ষক, লম্পট, মিথ্যুক, প্রতারক’কে বোঝাতে ‘আওয়ামি লীগার’ শব্দটি ব্যবহার করবে। আর এটাই হবে স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দান করার মত গৌরবের অধিকারী এই দলটির জন্য সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি।


৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×