আমার প্রিয় পোস্ট

এহহামিদা'র ব্লগ!!

পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে মুজিবের সীমাহীন ডিগবাজী!! বিচার না করেই শেষ পর্যন্ত ছেড়ে দেয়া হয়েছিল ১৯৫ পাকি যুদ্ধাপরাধীকে!!

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৫

শেয়ারঃ
0 2 2

ব্লগে প্রায়ই দেখা যায় কেউ কেউ মুজিবের ১৯৭৩ এর ৩০ শে নভেম্বরের আগের বিভিন্ন বক্তব্য নিয়া হাজির হয় আর প্রমান করার চেষ্টা করে যে মুজিব সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্তদের সাধারন ক্ষমায় ক্ষমা করে নাই!! যদিও তাদেরকে দেখিয়ে দেয়া হয়েছিল যে যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত মালিক ও তার মন্ত্রীসভার সদস্য ও অন্যান্যদের মুজিব সাধারন ক্ষমার মাধ্যমেই মুক্তি দেয়!!

যাক সেসব কথা!! আজকে সকলের সামনে পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে স্বাধীনতার পরবর্তীকালে মুজিবের কিছু বক্তব্য তুলে ধরার আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস!! সেই সাথে মুজিবের আগের কথা ও পরের কাজের ব্যাপারে ধারনা পাওয়া যাবে!!!
*******************************************************************
According to another joint declaration issued today, the Indian government has apparently agreed to hand over Pakistan soldiers, officers and civil servants who are wanted for alleged war crimes in Bangladesh. The document says that " the Government of India will fully cooperate with the Government of Bangladesh in bringing those guilty person to justice".

The Prime Ministers have agreed that the seriously ill and wounded prisoners of war who are not guily of war crimes will be repatriated to Pakistan as a matter of priority by mutual consent.
********************************************************************
Mrs Gandhi signs defence pact with Bangladesh and agrees to hand over "war criminals". Peter Hazelhurst, Pg 6, The Times, Monday, March 20, 1972.

এই ঘটনাটা ঘটেছিল ভারত-বাংলাদেশ ২৫ বছরের চুক্তি সাক্ষরের সময়ে!! আলাদা একটা জয়েন্ট ডিক্লারেসনের মাধ্যমে ঘোষনা দেয়া হয়েছিল ভারত পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধীদেরকে বিচারের জন্য বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করবে!!

১৯৭২ সালের ২৫ শে এপ্রিল কুলদিপ নায়ার মুজিবের সাথে তার সাক্ষাতকারের একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে!!

*******************************************************************
On the eve of talk between India and Pakistan at Murree, Shekh Mujibur Rahman, The Prime Minister of Bangladesh, said that india "will not and can not negotiate" any settlement concerning prisoners of war without the agreement of Bangladesh.
৮০ মিনিটের এই সাক্ষাতকারে মুজিব জানায় যে বন্দীরা ভারত বাংলাদেশ মিত্রবাহিনীর কাছে আত্নসমর্পন করে সুতরাং দিল্লী একা কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
On the question of trial of war criminals, Sheikh Mujib was unequivocal: he could not understand how the prisoners who committed "genocide" could be allowed to go free. .....
When told that the Pakistan Government had offered to try the criminals itself, Sheikh Mujib said "What has Pakistan to do with it? Crimes were committed in Bangladesh, not in Pakistan."
********************************************************************
Source: Bangladesh warning over fate of prisoners, Kuldip Nayar, Pg 7, The Times, Wednesday, April 26, 1972.
এই সাক্ষাতকারে মুজিব জানিয়ে দেয় যে পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই বাংলাদেশের মাটিতে!! পাকিস্থান নিজেই বিচার করবে বলাতে তিনি জানিয়ে দেন যে ক্রাইম যেহেতু বাংলাদেশেই হয়েছে সেহেতু বাংলাদেশই বিচার করবে এবং পাকিস্থানের এই ক্ষেত্রে কিছু করার থাকতে পারে না!!

১৯৭২ সালেই ইন্দিরা-ভুট্টো বৈঠকের প্রাক্কালে মুজিব আরেক সাক্ষাতে বলে যে বাংলাদেশে ১৫০০ পাকি যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবেই!!
********************************************************************
Asked if there was any question of abandoning the trials, Sheikh Mujib said "How can you expect it? Three million people were cold-bloodedly murdered. Two hundred thousand girls have been raped by the Pakistan Army. Ten million people had to migrate to India and another fifteen million people moved from place to place out of fear. The world should know what had happened."
*******************************************************************
Source: Shaikh Mujibur Rahman affirms intention to try 1,500 soldiers for alleged war crimes, Pg 5, The Times, Wednesday, JUNE 21, 1972
মুজিব এক কথা জানিয়ে দিলেন ৩০ লক্ষ মানুষ কে যারা হত্যা করেছে, ২ লক্ষ মেয়েকে যারা ধর্ষন করেছে, যাদের কারনে এক কোটি মানুষকে ভারতে আশ্রয় নিতে হয়ে ছিল, দেড় কোটি মানুষকে বাংলাদেশের ভিতরেই পালিয়ে বেড়াতে হয়েছিল তাদের বিচার হবেই বাংলাদেশে!!
পুরা ১৯৭২ সাল জুইড়া মুজিব এত এত কড়া কথার পরে যা হইল তা পুরাপুরী ভ্যাবাছ্যাকা খাওয়াইয়া দেয়ার মত!!
১৫০০ পাকি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বললেও শেষ পর্যন্ত তা মাত্র ১৯৫ জনে ঠেকল!! সেই প্রেক্ষিতে ১৯৭৩ সালে ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার ক্রাইমস ট্রাইব্যুনাল ১৯৭৩ পাশ করা হইল এদের বিচারের জন্য!!
তারপরেই ঘটা শুরু করল জঘন্য ঘটনা গুলো!! যার মাশুল আজকেও গুনতে হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষকে!! কুলাংগারদের বিচার হয় নি শেষ পর্যন্ত!!

এইবার শুনুন এবং জানুন মুজিব এক সাক্ষাতকারে কুলদিপ নায়ারকে কি বলেছিল যা প্রকাশিত হয়েছিল দ্যা টাইমসে ২৮ শে ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪ সালে!! কতটা জঘন্য শুনাচ্ছিল তার উক্তিগুলো!!

********************************************************************
The Shaikh, who gave me an hour interview, was quiet indulgent towards Pakistanis, particularly President Bhutto. This was in sharp constrast to his observations during an interview with me in the middle of 1972......

"I am impressed by Bhutto's sincerity", the Shaikh said this time. "I am overwhelmed by the love and affection shown by the people of Pakistan. Thousands of them lined the route from the airport to the venue of the Islamic summit. They called me by my name Mujib. They- boys and girls also- lustily cheered me when they saw familiar kurta-pyjama clad figure among them.
When I interrupted him to remind him of the atrocities and destruction that Pakistan had committed in Bangladesh and the instances which he had cited last time, he said "I want to forget all those. I want my people to forget those. We have to start afresh." after a pause he added: "You know that people's memory is short."
Again, reverting to Mr. Bhutto, he said, " I want to help him. He is an old friend."
*******************************************************************
Source: Shaikh Mujib willing to help India and Pakistan resolve their differences and live as neighbours, Kuldip Nayar, Pg 10, The Times, Thursday, February 28, 1974.

এখানে দেখা গেল মুজিব পাকিদের ভালবাসায় মুগ্ধ হয়ে সব ভুলে গেলেন, ভুলে যেতে বললেন, ক্ষমা করে দিলেন!! এইবার তিনি ৩০ লক্ষ শহীদের কথা ভুলে গেলেন!! তাজ্জব আর সব দোষ মাইনষের!! এরপরই ১৯৭৪ সালের ৯ই এপ্রিল ১৯৭৪ সালে ঠিক একই ভাবে forgive and forget এর কথা বলে ত্রিদেশীয় চুক্তি এর মাধ্যমে সর্বশেষ ১৯৫ পাকিস্থানী যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করে পাকিস্থানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হল!!
*******************************************************************
Mujibur: It has only gone up 10-12%.

We won a majority in Pakistan. We are doing our best to be friends with them. Though millions were killed, or jailed or exiled, we want to forget. We released the Pakistani prisoners, including 195 war criminals.*******************************************************************
Click This Link
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফোর্ডের সাথে সাক্ষাতকারেও মুজিব ১৯৫ জনরে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে বিচার না করেই!!

এই হচ্ছে মুজিব যার সকালের কথার সাথে বিকালের কথার মিল নাই!! সে আগে যা বলে তার পরের কর্মকান্ডের মিল নেই!! যার সীমাহীন ডিগবাজির মাশুল দিতে হয় সবাইকে!!

 

বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২
িসপাহী বলেছেন: আর তার মেয়ে যুদ্ধাপারাধী দলের লোক নিয়ে বিদেশ সফরে যায়।

Click This Link

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩২

লেখক বলেছেন: এই মহিলা নিজামীর সাথেও বৈঠক করছিল নিচের ঘটনার পরে!!!!
Summary of two investigations into activities of sixteen war criminals and
collaborators of Pakistan military junta during the
Bangladesh liberation war of 1971 published on 26 March 1994

Click This Link

২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৬
শাহিনুর বলেছেন: চাষা ও তার গরু
এক ছিল চাষা। থুক্কু, এক ছিল রাখাল। মনে হয় চাষাই ছিল। তবে যাই হোক, আর যে-ই হোক, তার ছিল এক গরু। গরু চাষারও থাকতে পারে আবার রাখালেরও থাকতে পারে। তবে মনে হয় ওটা চাষাই ছিল। প্রতিদিন সকাল হলে ওই চাষার সাথে গরুটা মাঠে যেত। কেন যেত? নাহ্! জমি চাষ করার জন্য নয়। ঘাস খাওয়ার জন্য। প্রতিদিনই চাষা গরুটাকে এত্ত এত্ত ঘাস খাওয়াত, খড় খাওয়াত, মাটির বড় হাঁড়িতে লবণ দিয়ে ভাতের মাড় খাওয়াত। তবু দিন দিন গরুটা শুকিয়ে যাচ্ছিল।

এখানে একটা কথা বলে রাখি, গরুটা কিন্তু কথাও বলতে পারত। তবে এটা চাষা ছাড়া আর কেউ জানতে না। মানে গরুটাই আর কাউকে জানাতে মানা করে দিয়েছিল। একেবারে গভীর রাতে, সবাই যখন বিছানায় নাক ডাকত, তখন গরু আর চাষা গোয়ালঘরে বসে বসে সুখ-দুঃখের আলাপ করত।
চাষা বলত, কাল উত্তর দিকের বড় জমি লাঙ্গল দিতে যাবো। যাবি?
গরু বলত, এত বড় জমি আমি লাঙ্গল দিতে পারবো না। এমনিতেই তো শুকিয়ে যাচ্ছি। ওই জমি লাঙ্গল দিলে মরেই যাবো।
চাষা বলত, তুই আসলেই একটা গরু। তোকে দিয়ে কখনো লাঙ্গল টানিয়েছি? তুই ভুলে যাচ্ছিস আমার একটা ট্রাক্টর আছে। ওটাই লাঙ্গল দেবে। তুই তো যাবি কেবল ঘাস খেতে। আমি জমিতে ট্রাক্টর চালাবো আর তুই জমির আইল থেকে কেবল ঘাস খাবি। ওখানে বেশ সুন্দর ঘাস হয়েছে। ঘাস খেতে খেতে আমার সাথে গল্প করবি।

ভীষণ খুশি হল গরু। গল্প করতে খুব ভালো লাগে ওর। কিন' রাত ছাড়া তো গল্প করতে পারে না। রাতের বেলা গোয়ালে এসে গল্প করে তাতেও শান্তি নেই। কোনো কোনো দিন চাষাবউ ঘুম থেকে উঠে চলে আসে। চাষাকে খুঁজতে চলে আসে সোজা গোয়ালঘরে। প্রথম প্রথম খুঁজে পেত না। পরে দু-তিনবার চাষাকে গোয়াল ঘরে খুঁজে পেয়েই বুঝে গিয়েছে, চাষা আর কোথাও যায়নি। গোয়াল ঘরে বসে একা একা বিড় বিড় করছে।
কতদিন চাষার ইচ্ছে হয়েছে বউকে সবকিছু খুলে বলে। কিন্তু গরু ওকে সাবধান করে দিয়ে বলেছে, খবরদার! ভুলেও চাষাবউ যেন না জানে তুমি আমার সাথে গল্প কর।
চাষা জানতে চায়, জানলে কী হবে?
গরু বলেছিল, জানলে পুরো দুনিয়া জেনে যাবে আমি কথা বলতে পারি। তখন চেয়ারম্যান সাহেব এসে আমাকে জোর করে নিয়ে যাবে। তখন তুমি কার সাথে কথা বলবে? সুখ-দুঃখের আলাপ করবে? আমাকে তখন পেট মোটা চেয়ারম্যানের সাথে আলাপ করতে হবে। তাকে আমি দেখতে পারি না।
চাষা বলল, ঠিকই বলেছিস। ঠিক আছে কাউকেই বলবো না।

সত্যি সত্যি চাষা কাউকে বলেনি। কিন্তু চাষার চিন্তা তা-ও গেল না। গরুটা দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। এত খাওয়াচ্ছে, তবু শুকোচ্ছে। হাড়-গোড় সব বেরিয়ে এসেছে। এখনতো তাও চামড়ার ভিতরে আছে, মনে হচ্ছে কদিন বাদে চামড়ার বাইরে চলে আসবে সব। কী করা যায় ভাবতে থাকে চাষা।

একদিন ওই গ্রামে এলেন এক পশুডাক্তার। সেই পশুডাক্তারের কাছে গরুটাকে নিয়ে গেল চাষা। অনেক খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলেন ডাক্তার। কী কী খেতে দেয়া হয় সেটাও জানতে চাইলেন। সব শুনে বললেন, গরুটার ভয়াবহ রোগ হয়েছে।
চাষা বুক ধক করে ওঠল। ভয়ানক রোগ! জানতে চাইল, কী রোগ? এ রোগের ওষুধ আছে তো?
ডাক্তার হাসতে হাসতে বললেন, গাছে চড়া রোগ হয়েছে গরুটার। ও গাছে চড়তে চায়। প্রতিদিন একবার দুবার গাছে চড়লেই রোগ ভালো হয়ে যাবে।
সে রাতে গোয়ালঘরে গিয়ে চাষা বলল, তোর গাছে চড়তে ইচ্ছে করে বললেই পারতিস আমাকে।
গরু বলল, কিন্তু এমন ইচ্ছে তো আমার কখনো করেনি।
চাষা বলল, ডাক্তার যে বলল।
গরু বলল, কেন বলেছে কে জানে?
চাষা বলল, তা চেষ্টা করে দেখবি নাকি?
গরু জানতে চাইল, কী?
চাষা বলল, গাছে চড়া।
গরু বলল, ধ্যাৎ। কোনো গরুকে কখনো গাছে চড়তে দেখেছ, নাকি শুনেছ?
চাষা বলল, আমি ছাড়া আর কেউ কোনো গরুকে কথা বলতে দেখেছে নাকি শুনেছে? চেষ্টা করলে তুই গাছেও চড়তে পারবি। করবি নাকি চেষ্টা? চেষ্টা করে যদি গাছে চড়তে পারিস, আর কিছু না হোক তোর রোগ তো ভালো হবে।
গরু বলল, ঠিকই বলেছ। ঠিক আছে তোমার ইচ্ছেই আমার ইচ্ছে।

পরদিন ভোর বেলা গরু নিয়ে একটা নারকেল গাছের সামনে এসে দাঁড়াল চাষা। গাছটা দেখিয়ে গরুকে বলল, এই গাছের নাম তো জানিস?
গরু বলল, জানি। এটা ডাব গাছ। আচ্ছা এক গাছে দুটো জিনিস ধরে কেন?
চাষা বলল, কোথায় দুটো জিনিস ধরে?
গরু বলল, এই যে ডাব গাছে, ডাবও হয় আবার নারকেলও হয়।
চাষা বলল, তুই আসলেই একটা গরু বুঝলি? ডাব পাকলেই তো নারকেল হয়। দুটো জিনিস হলো কই?
গরু বলল, বা রে! ডাব আর নারকেল কি এক জিনিস হল?
চাষা আবার বোঝাতে চাইল, তুই আসলে বুঝতে পারছিস না। গাছে থাকতে থাকতে ডাব একসময় নারকেল হয়ে যায়।
গরু বলল, সেই তো একই কথা হল। ডাব একসময় নারকেল হয়ে যায়। নারকেলটাই পাকা নারকেল হতে পারে না? কিংবা ডাবটাই পাকা ডাব হতে পারে না?
চাষা বোঝাতে চাইল, তুই আসলে বুঝতে পারছিস না। আচ্ছা তোকে আম দিয়েই বোঝাই। প্রথমে থাকে কাঁচা আম। সবুজ সবুজ। তারপর গাছে থেকেই আম পেকে যায়। ডাবও তেমনি।
গরু বলল, সব আমই কি গাছে থেকে পাকে? সবুজ আম ঘরে নিয়ে রাখলে একসময় পেকে যায় না?
চাষা বলল, তা যায়।
গরু বলল, কিন্তু ডাব ঘরে নিয়ে রাখলে কি নারকেল হবে?
চাষা বলল, তা হবে না। কিন্তু তাই বলে একই গাছে দুটো ফল ধরবে এমন কথা বলতে পারিস না। আম গাছে আমই ধরে, কাঁঠাল গাছে কাঁঠাল। আর ডাব গাছে ডাব।
গরু বলল, তাহলে নারকেল ধরে কোন গাছে?
চাষা এবার রেগে গিয়ে বলল, গরু কথা বলতে জানলেই সমস্যা। এখানে এসেছি তোকে গাছে চড়া শেখাবো বলে। তুই কিনা ডাব আর নারকেল নিয়ে তর্ক জুড়ে দিয়েছিস।
গরু বলল, তুমি অন্য গাছ থাকতে আমাকে ডাব গাছের সামনে আনলে কেন?
চাষা বলল, ডাব গাছে চড়া শিখলে সব গাছে চড়তে পারবি তুই। বুঝেছিস? গাধা কোথাকার?
গরু বলল, এই যে তুমি আবার ভুল কথা বললে। আমি কিন্তু ডাব নই। ডাব থেকে নারকেল হতে পারে। কিন্তু গরু থেকে গাধা হওয়ার কোনো নজির নেই। কেউ হয়ও না। কোনো গরুকে গাধা হতে দেখেছ?
চাষা দাঁতে দাঁত চেপে জবাব দিল, চোখের সামনেই তো দেখতে পাচ্ছি। এবার কথা না বাড়িয়ে গাছে ওঠ।

চাষাকে অবাক করে দিয়ে এক নিমিষেই ডাবগাছের মাথায় উঠে গেল গরু। গরুটা যখন ডাবগাছের মাথায় ঠিক তক্ষুণি চেয়ারম্যান যাচ্ছিলেন ও পথ দিয়ে। চাষা অবাক। এত সকাল সকাল কই যায় চেয়ারম্যান? বলেই বসল সে, কই যান চেয়ারম্যান সাব?
পেট নিয়ে হাঁটতে খুব কষ্ট হচ্ছে তার। সাথে কেউ নেই। একা। চেয়ারম্যানকে কখনো এমন একা হাঁটতে দেখেনি চাষা। সাথে আটদশজন তো থাকেই। চেয়ারম্যান বললেন, যাবো আর কোথায়? চেয়ার ঠিক ঠাক করতে যাই। তা তুই এখানে কী করছিস?
চাষা বলল, গরুকে গাছে চড়া শেখাচ্ছি।
চাষার কথা শুনে ভিরমি খেলেন চেয়ারম্যান। পান চিবুচ্ছিলেন তিনি। সেই পান আটকে গেল তার শ্বাসনালিতে। তিনি কাশতে শুরু করলেন। কাশতে কাশতে চোখমুখ লাল হয়ে গেল। কোনো রকমে কাশি থামিয়ে বললেন, কী বললি?
চাষা নির্বিকার জবাব দিল আবার, গরুকে গাছে চড়া শেখাচ্ছি।
খেপে গেলেন চেয়ারম্যান। ইয়ার্কি তিনি মোটেই সইতে পারেন না। চোখ মুখ নাক আরো লাল করে বললেন, ইয়ার্কি করছিস আমার সাথে? আমার পেছনে করিস ভালো কথা। আমি শুনেও না শোনার ভান করে থাকি। তাই বলে একেবারে সামনাসামনি করবি? কাজটা কি ঠিক হচ্ছে? তোর তিনটা জমি কিন্তু আমার কাছে বাঁধা আছে, মনে রাখিস। ইয়ার্কির ফল কখনো ভালো হয় না।
চাষা বলল, আপনি মান্যি গণ্যি মানুষ। আপনার সাথে ইয়ার্কি করা আমার মানায় না। ওই যে দ্যাখেন।
বলে গাছের দিকে দেখাল চাষা। সত্যি একটা গরু ডাব গাছের একেবারে মাথায়। চারপা দিয়ে গাছটাকে আঁকড়ে ধরে আছে।
দেখে তো চেয়ারম্যানের চক্ষুচড়ক গাছ। বেশ ঘামতে শুরু করলেন তিনি। এমন অবাক করা দৃশ্য বাপের জন্মেও দেখেননি। এবং তিনি নিশ্চিত দুনিয়ার আর কোনো মানুষ দেখেনি। কেবল চাষা আর তিনিই দেখেছেন।
চেয়ারম্যান বললেন, তুই জাদু-টোনা শিখলি কবে থেকে?
চাষা অবাক হয়ে বলল, মানে?
চেয়ারম্যান বললেন, মানে আর কী। এটা তুই আমাকে বিশ্বাস করতে বলিস? তাই বলছি জাদু টোনা শিখছিস কতদিন ধরে?
চাষা বলল, নিজের চোখে দেখে বলছেন এটা জাদু টোনা?
চেয়ারম্যান বললেন, আচ্ছা ঠিক আছে। গরুটা আমার কাছে দুদিন থাক। দেখি নিজে নিজে গাছে চড়তে পারে কি না। যদি চড়তে পারে, তাহলেই বুঝব জাদু টোনা নয়।
চাষা বুঝল জমির মতো ওর গরু হজম করার বুদ্ধি এঁটেছে চেয়ারম্যান। গরুর দিকে তাকিয়ে নিচ থেকে হাঁক দিল, নেমে আয়।
কিন্তু গরুটা নামছে না। আরো কয়েকবার হাঁক দিল। তাও নামল না গরু। এবার চেয়ারম্যান নিজেই হম্বি তম্বি শুরু করলেন, নেমে আয় বলছি। আমাকে তো চিনিস না। আমি এ এলাকার চেয়ারম্যান। চারবার চেয়ারম্যান হয়েছি। চারবারের চেয়ারম্যান বলছি, নেমে আয়।

কিন্তু যতই হম্বি তম্বি করা হোক, গাছ থেকে নামতে রাজি নয় গরু। এবার কয়েকটা মাটির ঢেলা জোগাড় করলেন চেয়ারম্যান। তারপর সেগুলো ছুঁড়ে মারতে লাগলেন গরুর দিকে। চাষার দিকে তাকিয়ে বলতে লাগলেন, ইটা মার। ইটা মার। বড় লাঠি জোগাড় কর। লাঠি দিয়ে খোঁচা মার গরুর লেজে। এমনিতেই নামবে।
চাষা বলল, গরুর গায়ে আমি হাত তুলি না।
চেয়ারম্যান বললেন, আবার জাদু কর। জাদু দিয়ে নিচে নামা। নাকি ভুলে গেছিস জাদু মন্ত্র? যে মন্ত্র পড়ে গাছে তুলেছিস, মন্ত্রটা উল্টো করে পড়। গাছ থেকে নেমে যাবে।
চাষা আবারও বলল, গরু একা একাই গাছে উঠেছে।
চেয়ারম্যান রাগে গজ গজ করতে করতে বললেন, আহাম্মক। সব ক’টা আহাম্মক। গাছে উঠেছে এখন নামতে পারছে না।
চাষা বলল, আপনার সামনে নামতে সাহস পাচ্ছে না। মনে হয় আপনি চলে গেলে নামবে।
চেয়ারম্যান আরও খেপে গেলেন। বললেন, আমার সামনে নামতে পারবে না কেন? আমি কি বাঘ না ভালুক?
চাষা বলল, গরুটা মনে হয় আপনাকে শেয়াল মনে করে। ও শেয়াল দেখলে খুব ভয় পায়।
এবার আর কথা বাড়ালেন না চেয়ারম্যান। উল্টো পথে হাঁটা শুরু করলেন। মনে কোথায় যাবেন, ভুলে গেছেন।
চেয়ারম্যান চলে যেতেই চাষা ফিস ফিস করে গরুকে বলল, এবার নেমে আয় তো গাছ থেকে। অনেক হয়েছে। আর কেউ তোকে গাছে দেখে ফেলার আগেই নেমে পড়।
গরু বলল, কিন্তু আমি যে নামতে পারছি না।
চাষার মাথায় যেন বাজ পড়ল। বলছে কী গরুটা? উঠতে পারল, আর নামতে পারবে না? তা কি হয়?
চাষা বুদ্ধি দিতে লাগল, যেভাবে উঠেছিস, ঠিক সেভাবে নেমে আয়।
গরু চেষ্টা করল। কিন্তু নামতে পারছে না মোটেই। বলল, পারছি না। লাফ দেই?
চাষা হইহই করে ওঠল। খবরদার, লাফ-ঝাঁপ দিস না। একেবারে গুঁড়ো হয়ে যাবি। এ গ্রামে কোনো পশু হাসপাতাল নেই। আশপাশের কোনো গ্রামেও নেই। যেতে হবে শহরে। তোকে নিয়ে শহরে যাবে কে?
গরু বলল, তাহলে কী করবো?

চাষার তো মাথায় হাত। কোনো উপায়ই যে পাচ্ছে না। মাথায় হাত দিয়ে বসে রইল ডাব আর নারকেল গাছের তলায়। মাথা থেকে তার হাতই সরছে না। ওভাবেই বসে রইল।
কতদিন?
অনেক অনেকদিন। কারণ গল্পের গরুকে গাছে তোলা সহজ, গাছ থেকে নামানো কিন্তু সহজ নয়। আর সহজ নয় বলেই এখনও সেই চাষা গাছের তলায় মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে তো আছেই। ওই গাছে কত ডাব হচ্ছে, কত ডাব নারকেল হয়ে যাচ্ছে, তবু গাছ আঁকড়ে আছে গরুটা। কতদিন থাকবে কে জানে?
৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২৮
রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: টিংটিং অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এতে ইয়াবাসেবী আওয়ামী ঐতিহাসিক টমি মিয়াদের যদি একটু বোধোদয় হয়।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: সত্য স্বীকার করে বিচার করলেই হয়!!

জাহানারা ইমাম কে যেই ভাবে অপমান করেছিল নিজামীরর সাথে লিয়াজো কমিটি ও বৈঠক করে তার পুনরাবৃত্তি না হইলেই হয়!!

এখন দেখবেন কিছু দালাল এসে বলবে মুজিবের আর কোন উপায় ছিল না!!

৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪১
আসাদ /পারেভজ বলেছেন: সম্ভবত আপনি পাকিস্হানে আটক বাংলাদেশী বন্দীদের কথা ভুলে গেছেন। সেই সাথে বাংলাদেশী বন্দীদের হত্যা করার ভুট্টোর সেই হুমকীর কথাও..।
একটু জেনে ভেবে বললে খুশী হতাম।
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১১

লেখক বলেছেন: আপনি জেনে খুশী হবেন যে,

Repatriation Is Completed For Bangladesh Nationals
$3.95 - New York Times - Mar 25, 1974
KARACHI, Pakistan, March 24 (Reuters)-The repatriation of Bangladesh nationals from Pakistan was completed today when a final group of 206 left Karachi ... Related web pages

১৯৭৪ সালের মার্চের ২৫ তারিখের মধ্যেই সকল বাংলাদেশীকে ফেরত আনা শেষ হয়েছিল!!

মুজিব এই ১৯৫ পাকি যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেয় এর ও পরে ত্রিদেশীয় চুক্তির মাধ্যমে!!
এই ত্রিদেশীয় চুক্তি সাক্ষর হয় ১৯৭৪ সালের ৯ ই এপ্রিল!!

৫. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: What a valid documents with proper references!!! Unfortunately, all AL's ears n hearts are sealed as mentioned in Sura Al-Bakara. However, I will expect you to post this at 'Sachalayatan' blog, the open court who are frequently judging 'war-criminals' and blame only BNP for affiliation with 'rajakars' .
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: সচলায়তনে একাউন্ট নাই!! আপনার থাকলে আমার হয়ে দিয়ে দিতে পারেন!!
সাথে নিচের অংশটি এ্যাড করে দিতে পারেন
Repatriation Is Completed For Bangladesh Nationals
$3.95 - New York Times - Mar 25, 1974
KARACHI, Pakistan, March 24 (Reuters)-The repatriation of Bangladesh nationals from Pakistan was completed today when a final group of 206 left Karachi ... Related web pages

১৯৭৪ সালের মার্চের ২৫ তারিখের মধ্যেই সকল বাংলাদেশীকে ফেরত আনা শেষ হয়েছিল!!

মুজিব এই ১৯৫ পাকি যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেয় এর ও পরে ত্রিদেশীয় চুক্তির মাধ্যমে!!
এই ত্রিদেশীয় চুক্তি সাক্ষর হয় ১৯৭৪ সালের ৯ ই এপ্রিল!!

৬. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
কিরিটি রায় বলেছেন: রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: টিংটিং অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এতে ইয়াবাসেবী আওয়ামী ঐতিহাসিক টমি মিয়াদের যদি একটু বোধোদয় হয়।

সত্যকে মেনে সত্যে চললে আর এত ঝকমারী সইতে হয় না।

কিন্তু সত্য যে তেতো!! তাই বুঝী সবাই মিথ্যের মূখোসে ঢাকে মূখ।
৭. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
নিউজকাস্টার বলেছেন: দলিল হিসেবে প্রিয়তে রেখে দিলাম।
মূল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করে তাদের সাহায্যকারী অর্থাৎ রাজাকারদের বিচার করলেই কি শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে? তাছাড়া বিচার কি স্বচ্ছ হবে? যারা পাকি যুদ্ধাপরাধীদের রাজনৈতিক কারণে ছেড়ে দিয়েছে তাদের বিচার হওয়া উচিত নয় কি?
৮. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:২৫
একজন আমি বলেছেন: নিউজকাস্টার বলেছেন: দলিল হিসেবে প্রিয়তে রেখে দিলাম।


"ইয়াবাসেবীরা" এখন কি বলে দেখা যাক

++++++
৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৩৭
জেনারেশন৭৫ বলেছেন: কিরিটি রায় বলেছেন: রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: টিংটিং অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এতে ইয়াবাসেবী আওয়ামী ঐতিহাসিক টমি মিয়াদের যদি একটু বোধোদয় হয়।

সত্যকে মেনে সত্যে চললে আর এত ঝকমারী সইতে হয় না।

কিন্তু সত্য যে তেতো!! তাই বুঝী সবাই মিথ্যের মূখোসে ঢাকে মূখ।
১০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১
ও.জামান বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো। কপি করে রাখলাম। কাজে লাগতে পারে। ইয়াবাসেবীরা চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে কেটে পড়ছে।
১১. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:১১
ও.জামান বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো। কপি করে রাখলাম। কাজে লাগতে পারে। ইয়াবাসেবীরা চুপি চুপি মাইনাস দিয়ে কেটে পড়ছে।
১২. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২০
ইরফান আহেমদ বলেছেন: জেনারেশন৭৫ বলেছেন: কিরিটি রায় বলেছেন: রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: টিংটিং অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এতে ইয়াবাসেবী আওয়ামী ঐতিহাসিক টমি মিয়াদের যদি একটু বোধোদয় হয়।
১৩. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১০
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: ভিন্ন ব্যাখ্যাটাও জেনে রাখা ভালঃ

Click This Link
১৪. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৯
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: লেখক বলেছেন, "১৯৭৪ সালের মার্চের ২৫ তারিখের মধ্যেই সকল বাংলাদেশীকে ফেরত আনা শেষ হয়েছিল!!"
ফেরত আনা হয়েছিল, আর্মি অফিসারসহ পাকিস্তানে অবস্থানরত কিছু নাগরিক। কিন্তু পাকিস্তান আর্মি যেসব নারীদের ধরে নিয়ে গিয়েছিল ফুর্তি করার জন্য, তাদের কোন হদিশ পাওয়া যায় নি এবং পাকিস্তান এখনও তা স্বীকার করে না।

হাসান শহীদ ফেরদৌস: ধন্যবাদ ভিন্ন ব্যাখ্যাটা তুলে ধরার জন্য। এসব রাজাকারের দল মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মুজিবের দোষত্রুটি ধরতেই জীবন পার করে দেবে।
১৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:৫৩
লুৎফুল কাদের বলেছেন: ইরফান আহেমদ বলেছেন: জেনারেশন৭৫ বলেছেন: কিরিটি রায় বলেছেন: রঙ্গভরা বঙ্গদেশী বলেছেন: টিংটিং অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। এতে ইয়াবাসেবী আওয়ামী ঐতিহাসিক টমি মিয়াদের যদি একটু বোধোদয় হয়।
১৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫৫
টিংটিং বলেছেন: 8 November 1973
NOTE OF A MEETING BETWEEN THE SECRETARY -GENERAL,
MR. FAKHRUDDIN AHMED, MR. KARIM AND SIR ROBERT JACKSON
ON 1 NOVEMBER 1973

..........
.........।
.........।
Mr. Fakhruddin Ahmed then said he wished to deliver a verbal
message to the Secretary-General from the Prime Minister. He said
that in the Delhi Agreement provision is made for Bangladesh, India
and Pakistan to "discuss and settle the question of 195 prisoners-of-war"
either on completion of the repatriation of Pakistani prisoners-of-war
and civilian internees in India, Bengalees in Pakistan and Pakistanis
in Bangladesh, or "earlier if so desired".

The substance of Mr. Ahmed's verbal message was that the Prime Minister believes that the talks between Bangladesh, India and Pakistan should preferably take place "earlier" rather than on the completion of the repatriation of prisoners-of-war and civilians.
However, at all times, Mr. Ahmed referred to these discussions taking
place on the basis of "sovereign equality".


পাকিস্থান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৪এর ফেব্রুয়ারীর ২২ তারিখে!!
Click This Link

মুজিব আগে থেইকাই ডিসিশন নিয়া রাখছিল যে মুজিব এই ১৯৫ জনরে ক্ষমা করে দিবে এবং শেষ পর্যন্ত দেয়ও!! যদিওমুজিব ১৯৭২ সালে বলছিল,
Asked if there was any question of abandoning the trials, Sheikh Mujib said "How can you expect it? Three million people were cold-bloodedly murdered. Two hundred thousand girls have been raped by the Pakistan Army. Ten million people had to migrate to India and another fifteen million people moved from place to place out of fear. The world should know what had happened."
*******************************************************************
Source: Shaikh Mujibur Rahman affirms intention to try 1,500 soldiers for alleged war crimes, Pg 5, The Times, Wednesday, JUNE 21, 1972

এত ধানাই পানাই না করে বলা উচিত মুজিব যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করেছিল!! মুজিব এর দায় এড়াতে পারে না!!
১৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:৪১
দূর আকাশের নীল তারা বলেছেন: @টিংটং: আর জিয়া রাজাকারদের পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত করে।
১৮. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ দুপুর ১:৫৭
কিরিটি রায় বলেছেন:
১৯৭৪ সালের মার্চের ২৫ তারিখের মধ্যেই সকল বাংলাদেশীকে ফেরত আনা শেষ হয়েছিল!!

মুজিব এই ১৯৫ পাকি যুদ্ধাপরাধীকে ছেড়ে দেয় এর ও পরে ত্রিদেশীয় চুক্তির মাধ্যমে!!
এই ত্রিদেশীয় চুক্তি সাক্ষর হয় ১৯৭৪ সালের ৯ ই এপ্রিল!


আরে এত আইন বোঝ হেন বোঝ তেন বোঝ...

এই ইস্যুতে ঐ সময়ের সিমলা চুক্স্বাতিতে স্বাক্ষর দাতা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড ডট কামালরে জিগাওনা কেন!!!!! থলের বিলাই বাইরাই যাইব???????

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭১১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই