আমার প্রিয় পোস্ট
- খুব সহজেই তৈরি করুন আপনার online radio station........( পর্ব১ ) (আপডেট)




- মোঃ ইউসুফ তালুকদার
- সেই সময় বিরোধী দলীয় নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা সংসদে উপস্থিত ছিলেন কিন্তু ঐ বক্তব্যের বিরোধিতা করা তার পক্ষে সম্ভব হয়নি... - জাতীয়তাবাদী শুভ
- মনের বাঘ যখন ঘরে- আমাদের "ভারতীয় কৃতজ্ঞতাবোধ সিন্ড্রম" ও চতুষ্পদীয় রচনাসমগ্র - বাঙ্গাল
- বিদেশী পত্র-পত্রিকায় বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান। - চিন্তিত দার্শনিক
- দিল্লির সাথে শেখ হাসিনার চুক্তি আত্মঘাতী বশ্যতা - জলপাই দেশি
- যে কারণে পাকিস্তান এখনো বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় কল্যাণ চায় না - ফকির ইলিয়াস
- পাঠ্যবইয়ে জাতীয় পতাকার বদলে পাকিস্তানি পতাকা!!! এর নেপথ্যের কাহিনী উদঘাটন জরুরী - রাহা
- ২১আগষ্ট শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে ভারতীয় টিভি তারা বাংলা জড়িত! - আরিফ সিদ্দিকি
- পদ্মা শুকিয়ে মরা খাল : দুই কোটি মানুষ হুমকির মুখে - একলা একজন
- "কৃতজ্ঞতাবোধ সিনড্রম" ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা - একান্ত কথা
- জয়কে দুর্নীতিমুক্ত প্রমাণ করার দায়িত্ব সরকারের - অারমান
- নতুন নাম যা হতে পারে-২


(হাছিনাপুর প্রিয় পোষ্ট) - লালসালু
- বাকশালী দুঃশাসনে লেখা সাংবাদিক আবু সালেহ্ এর ছড়া (এখনো প্রযোজ্য) - ও.জামান
- বাংলাদেশের এক ডালিম কুমার সজীব ওয়াজেদ জয় - আলিফ মাহমুদ
- হাছিনাপু এখন বেলজিয়ামে- এখনই চান্স



- লালসালু
- আমি এভাবেই বাংলাদেশকে আপন করেছি আত্মায় মিলিয়ে.......... - সজল শর্মা
- ১৯৭১-এর ছবি : আমরা ভুলিনি (অধ্যায়-০৫) - হোসাইন১৯৫০
- খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে মার্কিন ও ভারতীয় রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাত্ : সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে ইন্দিরার প্রতিশ্রুতি - সুধাসদন
- বিচার তো হলো, রায়ও বেরোলো, কিন্তু তারপর? - শিরোনামহীন..........
- দি গার্ডিয়ান সহ বিদেশী মিডিয়ার চোখে ১৫ আগষ্ট - তানিয়া কবির লিজা
- প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের প্রাক্কালে যা না বললেই নয় - মেহ্দী
- দর্জি বাবার পদ্মভূষণ পুরস্কার মনে করিয়ে দিলো ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কার! - হরিসূধন
- মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে চাকরি : ৫৫ জনের বয়স একাত্তরে ছিল ১০ বছরের নিচে - সুধাসদন
- জিয়া, ৭ই নভেম্বর ও একান্তই আমার ভাবণা - মুক্ত মানব
- মুভি পাগলেরা সহায়তা করেন...World War II এর উপর নির্মিত মুভি'র নাম জানতে চাই - লুথা
- জনৈক শিশির শীল আর প্রতারণার আন্তর্জাতিক ফ্লেভার - মিনহাজ
- মশকরা আর কাকে বলে? - জিয়াউল হক
- বাংলা ই-বুকের ভান্ডার, ডাউনলোডান ইচ্ছামতো
- ঊনমানুষ
- শতবর্ষ আগের ঢাকার চিত্রকর্ম এবং আমার হাফ সেঞ্চুরী - মামুনুর রহমান খাঁন
- শতবর্ষ আগের ঢাকা - মামুনুর রহমান খাঁন
- হযরত মুহাম্মদ (সঃ) এর ব্যবহৃত ব্যক্তিগত জিনিষপত্র - পিটার প্যান
- পার্বত্য চট্টগ্রাম কি পূর্ব তিমুরের মতো স্বাধীন হতে যাচ্ছে? অভিযোগ কি মিথ্যা? - হরিসূধন
- লাইভ দেখুন। BAN VS. ZIM - বিবয়
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং একটি ফটো ব্লগ - ফয়সাল রকি
- পদ্মা-যমুনা হারিয়ে ২০টি জেলা মরুভূমি হবার আশংকা : গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রে অর্ধশত বাঁধ নির্মাণ করছে ভারত - ইবনে সালাম
- যিনি শহীদ মিনারে যান না.......যার জাতীয় পরিচয়পত্র নেই - সুপান্থ রহমান
- :::: ৪০০ বছরের রাজধানীঃ নারিন্দা আর্মেনীয়ান গোরস্তান :::: - সৌম্য
- টিপাইমুখঃ ভারতের হাইড্রোপলিটিক্সের রেসের ঘোড়া.... নিজের ল্যাজে পা পড়ার পর ভারতও এখন প্রতিবাদী!!! - মনজুরুল হক
- টিপাইমূখ বাধ সংকলিত লিংক সমূহ - কিরিটি রায়
- সহি টিপাইনামা ৩ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের শুভঙ্করি ফাঁকিটি যেখানে - ফারুক ওয়াসিফ
- সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, রুলসঅব বিজনেস অনুযয়ী এটা আমরাকরতেপারি না। মন্ত্রী জবাব দেন, এখানে ‘বিজনেস’
পেলেন কোথায়? - কিরিটি রায়
- আওয়ামী-বাকশালী গংদের নির্লজ্জ মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ও শঠতার জবাব! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- জেএমবির সৃষ্টিকর্তা ভারতকেই আবার এর বিরুদ্ধে একশন নিতে মহাজোট সরকারের অনুরোধ পরিকল্পনা এবং ২০০৫ সালে বিডিআর প্রধানের বক্তব্যে হাসিনার গোস্বা হওয়া! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- অল্প কথা - টিপাইমুখ - মুহাম্মদ হাবিব উল্লাহ
- প্রিমিয়াম একাউন্ট ছারাই ফ্রী Rapidshar,Megaupload থেকে ফ্রী Download করুন - স্স্পরসের বাহিরে
- কৃতজ্ঞতাবোধ সিনড্রম� ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কিছু কথা - আমি বাংলার গান গাই
- টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণ: সম্প্রসারণবাদী ভারতীয় ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে এগিয়ে আসুন! - প্রপদ
- RAW এবং অন্যান্য ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি কে ফাকি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মালদায় জেএমবির ঘাটি! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীর হাতে ছাত্রী লাঞ্চিতঃ তাতে সমস্যা টা কোথায় বুঝলাম না। - আরি০০৯
- সিকিম সিনড্রোম? - েমাহাম্মদ িমজানুর রহমান
- বঙ্গভঙ্গ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট - বিবর্তনবাদী
- পাকিস্তান, তালেবান ও আমাদের খোয়াব ২ : আতর পাহাড়ের জন্ম ও বিলয় কথা - ফারুক ওয়াসিফ
- মার্কিন মিডিয়ার ডাবল স্টান্ডার্ডঃ ইরানের হাতে বন্দী সাংবাদিক রোক্সানা সাবেরি ,আর আমেরিকা হাতে বন্দী সাংবাদিক। - কায়েস মাহমুদ
- বিজয়ী কংগ্রেস, ম্লান বিজেপি, বিলুপ্ত বাম: বাংলাদেশের লাউ বা কদু - পাললিক মন
- কিছু গানের গল্প ও সহেলীর প্রিয় সেই গান... - সুনীল সমুদ্র
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- ভেনিস এর জলপথে... - রাব্বি !
- সোমালিয়ার হতভাগা জলদস্যুরা: ‘তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে!’ - ফারুক ওয়াসিফ
- ব্যানানা বাংলাদেশ-৩ (গডফাদারের স্টিমুলাস মূলা)রিপোষ্ট - বাঙ্গাল
- কোথায় যেন এক ভয়ঙ্কর প্রতিহিংসা - অারমান
- চেতনা বদলের কাল। - সোনার বাংলা
- আবু-উম্মুদের দেশে - জ্বিনের বাদশা
- দেশটার পশ্চাৎদেশে বেশ কটি বাঁশ দিয়ে মা মরা, বাপ হারা ছিন্নমূল বিলুপ্তপ্রায় বাম - পাললিক মন
- একজন জিয়া, স্বাধীনতার ঘোষক কিম্বা পাঠক - মুক্ত মানব
- গ্রানাডা ট্র্যাজেডি : মুসলিম উম্মাহর করণীয় - সততার আলো
- যুক্ত বাংলা পরিকল্পনা ও বাংলার বিভক্তিঃ জিন্নাহ-নেহরুর ভূমিকা - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- কারা এবার ভিসি হলেন ? : সান জোসেপ - যুকরুফা ০৭
- সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের জন্য শুধুই কি মুসলমানেরা দায়ী? - নেক্সাস
- বাংলাদেশী হিন্দু জঙ্গিদের সামরিক স্কুলে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন পুরোহিত - একলা একজন
- আগামীবার যখন উইন্ডোজ নতুন করে সেটআপ দেবেন....... - নাফিস ইফতেখার
- ফটোশপ টিউটোরিয়ালঃ এনিমেটেড পিকচার - বৃহস্পতি
- প্রণবের ঔদ্ধত্য আর পুতুলনাচের ইতিকথা - ব১কলম
টিপাইমুখি বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হোন
১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
কয়েকজন সচেতন ব্লগারের ধারাবাহিক লেখার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে, টিপাইমুখি বাঁধের বিরুদ্ধে লেখাটি পুনঃ প্রকাশিত হল। চলুন দল মত নির্বিশেষে আমরা সবাই এই বাধ নির্মানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। কারণ এটা আমাদের বাঁচা মরার লড়াই। দেশের প্রাণ এই সব নদী বাঁচলে আমরাও বেঁচে থাকবো। সার্থক হবে আমাদের পুর্বপুরুষদের স্বাধীনতার জন্য আত্মদান।
এমন একটি দৃশ্যের কথা কল্পনা করুন তো, যেখানে খালেদা জিয়াকে ঘাড় ধরে তার সেনানিবাসের বাসা থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে। অথবা হাসিনাকে কিছু সন্ত্রাসি জোর করে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করেছে। কি হতে পারে ফলাফল? জানি, সবার উত্তর প্রায় একই রকম হবে। এর বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীরা তৎক্ষনাৎ জঙ্গি আন্দোলনে নেমে পড়বে। চারিদিক মার মার কাট কাট রবে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে পড়বে। আগুণে পোড়ানো হবে যানবাহন, সরকারি অফিস আদালত। আক্রান্ত হবে সাধারণ মানুষ। জীবিত অবস্থায় অনেকেরই আর বাড়ি ফেরা হবে না। মোদ্দা কথা, এক ভয়াবহ অরাজকতা আর বিশৃংখলার সৃস্টি হবে।
কিন্ত কেন? কেননা শত নিন্দা আর অপবাদ সত্ত্বেও এই দুজনই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জীবিত দুই কিংবদন্তি। যাদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক ধারাকে কোন মতেই প্রবাহিত করা সম্ভব না। যত দোষেই দুস্ট হন না কেন, ঘুরে ফিরে দেশের মানুষ এ দুজনকেই তাদের নেত্রি হিসেবে স্বীকার করে, শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে।
আবার যদি বাংলাদেশের বৃহত্তর স্বার্থের সাথে আর খালেদা বা হাসিনাকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দেয়া যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোনদিকে ঝুকবে? যারা মনে করছেন, বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতি সমর্থনের পাল্লাটাই বেশি ভারি হবে, তাদের উপলব্ধি দেশপ্রেম প্রসুত হলেও, বাস্তবের সাথে সাংঘর্ষিক বটে। এই উপসংহারে পৌছানোর পেছনে যে যুক্তি কাজ করেছে, সে সমন্ধে একটু পরে আসছি।
ফারাক্কা বাঁধ সমন্ধে কম বেশি আমরা সবাই অবগত আছি। কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষার জন্য মাত্র ৪০ দিনের অনুমতি নিয়ে এই বাধ চালু করা হয়েছিল, সে খবরটাও পুরানো। এই বাঁধ, বাংলাদেশ তো ভালো, ওপারে আমাদের স্বজাতিয়দের জন্যও গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে, সেকথা বলাই বাহুল্য। তবে ফারাক্কার মরণছোবল থেকে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে রক্ষার তেমন কোন উদ্যোগই নেয়া হয় না। শুধু সময় সুযোগ বুঝে সস্তা ভারত বিরোধিতা করার জন্য নির্বাচনের আগে এই ইস্যুটি মাঠ গরমের হাতিয়ার বানানো হয়। তবে এই ইস্যুটি জাতিসংঘে তোলার 'অপরাধে' তৎকালিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রি, তৎকালিন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু পরোয়ানায় সই পর্যন্ত করেছিলেন।
সম্ভবত প্রাণের ভয়ে এরশাদ-খালেদা-হাসিনা কেউই আর দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বাইরে যাবার দুঃসাহস দেখাননি। আর এই তথাকথিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার নামে ভারত শুধু প্রহসন আর কালক্ষেপন করে চলেছে। আর ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফিরলে, আঃ লিগের আমলে একটা দয়াপরবশত পানি চুক্তি করেছে, সেখানে আবার কোন পানি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা ছিল না। এ নিয়ে মহা গর্বে হাসিনা, কবি গুরুর কবিতার দুটি লাইন " আমাদের ছোট নদী চলে বাকে বাকে, বৈশাখ মাসে তার হাটু জল থাকে" বলে দেশবাসিকে সান্তনা দিয়েছিলেন। ফারাক্কা নিয়ে আর সাতকাহন নয়। শুধু এতটুকু বলে রাখা ভালো যে, ফারাক্কার কারণে ফি বছর বাংলাদেশকে ৪ বিলিয়ান মার্কিন ডলারের ক্ষতি সহ্য করতে হচ্ছে।
এর পরেও আমাদের বিকার নেই।
অধুনা ভারত , বরাক নদীর টিপাই মুখে আরেকটি বাঁধ দিতে যাচ্ছে। যার ফলে আমাদের বৃত্তর সিলেট অঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারা এবং তৎসংলগ্ন হাওড় বাওড় খাল বিল হতভাগ্যা পদ্মা নদীর ভাগ্য বরণ করবে। সবচেয়ে বিপদজনক খবর হলো আমাদের মেঘনা নদী তখন বাস্তবিকেই ধীরে বইবে। সামাজিক-অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগতভাবে এর পরিনাম যে কি ভয়াবহ হতে পারে, সেটাকে একমাত্র দুঃস্বপ্নের আরেক নাম বলা যায়।
এই বাঁধ তৈরির কি অজুহাত হিসেবে বলা হচ্ছে, আসামের বন্যা নিয়ন্ত্রন এবং জল বিদ্যুত উৎপাদন করে, উঃ পুর্ব ভারতের মানুষদের প্রভুত কল্যাণে এই বাধ নির্মিত হবে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, আন্তর্জাতিক পানি আইন অনুসারে, ভাটির দেশের পুর্ণ সম্মতি ছাড়া এবং পরিবেশের ক্ষতি করে কোন দেশই একতরফাভাবে নদী শাসন করতে পারবে না। তবে পরিতাপের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক আইন মানতে কোন দেশ বাধ্য নয়। এখানে জোর যার মুল্লুক তার হিসেবেই এই আইন প্রযোজ্য। ভারতের তুলনায় আমাদের অর্থনৈতিক-সামরিক বা খুটির জোর অল্প বলে, আমাদের মার খেয়ে যেতেই হচ্ছে।
উঃ পুর্ব ভারতের অধিবাসিদের নাকের সামনে টিপাইমুখি বাধের মুলো ঝুলিয়ে রাখা হলেও, তারা পঃ বঙ্গের অধিবাসিদের মত ভোলেননি। তাই এই বাধের বিরুদ্ধে সেখানে তীব্র প্রতিবাদ হচ্ছে। মনিপুরের ২০টি প্রভাবশালি সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন, "একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম" এর ব্যানারে রাজপথে নেমেছেন। কারণ এতে উঃপুর্ব ভারতের লাভের চেয়ে লোকসানটাই বেশি হবে। আর প্রভুত ক্ষতি হবে পরিবেশের। বিস্তারিত লিখছি না, তবে মনিপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুতত্ত্ববিজ্ঞানের অধ্যাপক সইবাম ইবোতম্বির মন্তব্যে প্রণিধানযোগ্য
"Tipaimukh Dam Is A Geo-tectonic Blunder Of International Dimensions"
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
Click This Link
আর একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম এর আন্দোলন নিয়ে পড়ুন এখানেঃ
Click This Link
ফিরে আসছি পুরানো প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের স্বার্থের বিপরীতে যদি খালেদা বা হাসিনাকে দাড় করানো যায় তবে জনসমর্থনের পাল্লাটা খালেদা-হাসিনার দিকেই বেশি ঝুকবে। তা না হলে, খালেদা হাসিনার কিছু হলে যদি আমরা মারমুখি প্রতিবাদি হতে দ্বিধা না করি, তাহলে বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য এত বড় প্রত্যক্ষ হুমকি মোকাবেলায় আমরা এমন নিস্পৃহ কেন?
না, আমি মোটেও বলছি না, যে ফারাক্কা বা টিপাইমুখ বাধের প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাংদেহি মনোভাব দেখাতে হবে। কিন্তু বর্তমান সরকারের রহস্যজনক নিরবতাকেও তো সমর্থন করা যায় না। আর পররাস্ট্রমন্ত্রি কিংবা পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রির আচার আচরনে মোটেও বুঝবার উপায় নেই, যে তারা স্বাধীন বাংলাদেশের কেউ।
তাহলে আমাদের করনীয় কি? আন্তর্জাতিক আইন মানতে ভারত বাধ্য নয়। ওদিকে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তির চোখের মণিও ভারত। তাই এব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ্যে বিশ্ব মোড়লের সমর্থন পাওয়াও সম্ভব নয়। যুদ্ধ করার মত শক্তি আমাদের নেই। তাহলে কি বসে বসে দেশের এই সর্বনাশ চেয়ে চেয়ে দেখাটাই আমাদের নিয়তি?
আমি লক্ষ্য করেছি, নবীণ প্রবীণ মিলিয়ে এই ব্লগে প্রচুর মেধাবি এবং ধীমান ব্লগার আছেন। তাদেরকে অনুরোধ করবো, এই সর্বনাশ রোধে আমাদের করনীয় নিয়ে কিছু কথা বলতে। কেননা এক ফারাক্কার কারণে আমাদের যা সর্বনাশ হয়েছে, তার কুফল কিন্ত আস্তিক-নাস্তিক, কিংবা আঃলিগ বি এন পি, কেউকেই বাছবিচার করেনি। টিপাইমুখে বাধ নির্মিত হলে, সেই কুফল আপামর জনগণকেই ভুগতে হবে।
এব্যাপারে আমার মত হলো, আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলা। এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদি আন্দোলনে, এই ইস্যুটি সম্পৃক্ত করা। সেই সাথে পঃ বংগ এবং উঃ পুর্ব ভারতের সাধারণ মানুষকে এই আন্দোলনে যুক্ত করা। এর বাইরে কোন ফলপ্রসু উপায়, আমার এই সাধারণ বুদ্ধিতে কুলাচ্ছে না। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮
বিডি আইডল বলেছেন:
ধীবর ভাই লিংক গুলো ঠিক করে দিন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভুল্টা ধরিয়ে দেবার জন্য। এডিট করছি।
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই।
লেখক বলেছেন: লিংকটার জন্য অনেক ধন্যবাদ। সরকারের ভরসায় বসে থাকলে সমুহ বিপদ।
শেখ মিলন বলেছেন:
আমিও আছি আপনাদের সাথে। সবাই সোচ্চার হউন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সঙ্গি হবার জন্য মিলন ভাই। দল মত নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে সোচ্চার হতে হবে। যার যার অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করুন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
জনগণের কথা কে ভাবে? এই লেজুরবৃত্তির যুগে কেউ আপনার সাথে আসবে না। সবাই নিজের আখের গুছাতে ব্যস্ত!
লেখক বলেছেন: বাংলাদেশের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে যুগে যুগে লেজুরবিদদের অভাব নেই। এর পরেও বৃহত্তর জনগণ তাদের নিজেদের স্বার্থেই যুগে যুগে জেগে উঠেছে। আমাদের দেশের এর চুড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে, ১৯৭১ সালে। আমরা সেই শহিদদের রক্ত শরিরে ধারণ করে আছি বলেই, যে কোন অন্যায়ের প্রতিবাদে মুখর হই। জনগণ তো আমরাই ত্রিভুজ ভাই। যদি আমরা নিজেরা একতাবদ্ধ হই, তবে কেরো সাহস হবে না, এই আন্দোলনের বিরুদ্ধাচারণ করতে।
আপনি নিজেও অনেক পুরানো ব্লগার। আপনার সক্রিয় অংশ গ্রহন আশা করছি।
লেখক বলেছেন: দেশের জন্য কাজ করা লোকের অভাব হয় না, ঠিকই বলেছেন। এখন তাদের সাথে সম্পৃক্ত হলেই সেই কাজে গতি আসে।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চমৎকার লেখার জন্য ধীবর ভাই কে অনেক ধন্যবাদ। চট্টগ্রাম সুমদ্র বন্দর হতে জ্বালানি তেল, সিমেন্ট, গম সহ নানাবিধ পণ্য ২০০০-৫০০০ পর্যন্ত কার্গো জাহাজ নারায়াণগঞ্জের বন্দরে নিয়ে আসে যা শত শত বা হাজার ট্রাকের সড়কের পরিবহন খরচের বিশাল অংক বাচিয়ে দেয়। এটা কিন্তু সারা বছরই চলে এমনকি শুস্ক মৌসুমেও। যদি টিপাই মুখী বাধ চালু হয় তবে মেঘনা নদীতে প্রয়োজনীয় পানি হবে না এবং ভীষণ নাব্যতার সংকট হবে ফলে ৫০০ টনের কার্গো জাহাজের পক্ষেও ভরা বর্ষাকাল ছাড়া নারায়গঞ্জে আসা সম্ভব হবে না। এক সময় রাজশাহী, পাবনার বাঘাবাড়ী বন্দরে ২০০০-৫০০০ টনের কার্গো জাহাজ যেতে পারত কিন্তু সর্বনাশা ফারাক্কার কুপ্রভাবে পদ্মা নদীকে শুস্ক মৌসুমে আক্ষরিক অর্থে মরুভুমি বানিয়ে দেয়। তাই মাত্র ভরা বর্ষা মৌসুমে বছরের ২/৩ মাস বেশী বহন ক্ষমতা সম্পন্ন কার্গো সেখানে পৌছুতে পারে। যে দেশে মইন ইউ আহমেদের মতন মির্জা জাফর থাকে সেখানে রমেশ চন্দ্র সেন জাতীয় ভারতীয় তাবেদার পানি সম্পদ মন্ত্রী হতে পারে। এ এবং দীপু মনি তারা কি টিপাই মুখী বাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে..........এমন আশা করাটাই চরম বোকামী। ইতিমধ্যে রমেশ চন্দ্র বলেছে আগে টিপাই মুখী বাধ হউক পরে দেখা যাবে। তাই বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক ও সচেতন জনগণের তীব্র গণ-আন্দোলন ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কারণ এই মহাজোট সরকার আসলে ডিজিটাল নয় চিরস্থায়ী ভারতীয় বেড়াজালে বাংলাদেশ কে আবদ্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে।
লেখক বলেছেন: তথ্যবহুল মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশ জিন্দাবাদ ভাই। এ নিয়ে আলাদা পোস্ট দিলে অনেক ভালো হয়। সাথে ওই ছবিটাও দিয়ে দিন। আমাদের সবার অংশগ্রহনে বাংলাদেশ এবং পরিবেশ বিরোধি এই সর্বনাশা খেলার ইতি ঘটুক।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
আমাদের ভারতপ্রেমী পানি সম্পদ মন্ত্রী তো বলেছেন, ভারত আগে বাঁধ নির্মাণ করুক, তারপর দেখা যাবে! এর আগে তিনি বলেছিলেন, ভারত দয়াকরে যতটুকু পানি দেয়-তাতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। পানি মন্ত্রীর জানা উচিত, ভারত ফারাক্কা বাঁধও চালু করেছিল পরীক্ষামূলকভাবে। কিন্তু তা আর ঠেকানো যায়নি। টিপাই মুখ বাঁধ নির্মাণ শেষ হলে তা ঠেকাবেন কিভাবে? আওয়ামী লীগকে ভারতের দালাল হিসেবে বাংলাদেশের সবাই জানে। কিন্তু পানি মন্ত্রীর দালালী সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে!
লেখক বলেছেন: ফারাক্কা বাধের কারণে বাংলাদেশের পরিবেশ তো বটেইও প্রতি বছর বাংলাদেশকে ৪ বিলিয়ান ডলার ক্ষতি সহ্য করতে হচ্ছে। এ সত্যটা রমেশ বাবুর মত জ্ঞান পাপিরা জানেন নাএটা বিশ্বাস হয় না। শ্রেফ ভারতের কুমতলব চরিতার্থের জন্য এরা পারে না এহেন কাজ নেই। এরাও রাজাকার। পুরানো গুলির সাথে সাথে এগুলোরও বিচার হয়া জরুরি। আপনার সুচিন্তিত মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ধীবর ভাই। প্রথম অফিসের ব্যবস্তার কারনে অনেক সময়ই মন্তব্যের জবাব দেওয়া হয় না। টিপাইমুখ নিয়ে আমরা পোষ্ট চালিয়ে যাব আশা করি যতক্ষন না কোন পোষ্ট ষ্টিকি করা হচ্ছে।
ধীবর বলেছেন:
বাবু ভাই, আপনার শুরু করা লেখা থেকেই আমার পুরানো লেখা ফিরিয়ে আনার প্রেরণা পেয়েছি। সে জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কথা দিচ্ছি এই আন্দোলনে পাশে থাকবো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ব্লগের সচেতন অংশের অনেকের সমর্থন পাওয়া যাবে। চলুন সবাই এক হই।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
সামু কর্তৃপক্ষের কাছে এই পোষ্ট টি কে ষ্টিকি করার দ্বাবী জানাই।
লেখক বলেছেন: এসংক্রান্ত বেশ কয়েক্টি লেখা এসেছে। অন্তত তার একটিকে স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ আপ্নাকে।
শুভ৭৭ বলেছেন:
পোষ্টটি ষ্টিকি করা হঊক।
লেখক বলেছেন: এসংক্রান্ত বেশ কয়েক্টি লেখা এসেছে। অন্তত তার একটিকে স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ আপ্নাকে
কালপুরুষ বলেছেন:
সহমত। সাম.ব্লগ কর্তৃপক্ষের নিকট পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ রইলো।
লেখক বলেছেন: কালপুরুষ ভাই, আপনি নিজেও একজন সুলেখক, এবং পুরানো ব্লগার। দেশের প্রয়োজনে আপনাদের মত লেখকদের কলম গর্জে উঠবে, এটাই আমরা সবাই আশা করি। তাছাড়া পরিচয়ের সুত্র ধরে যদি কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের এই অনুরোধ তুলে ধরেন তাহলে অনেকের কাছে এই আবেদন পৌছাতে পারবে। আপনার সহযোগিতা পাওয়া যাবেই বলে বিশ্বাস করি।
লেখক বলেছেন: সহমত। এসংক্রান্ত বেশ কয়েক্টি লেখা এসেছে। অন্তত তার একটিকে স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ আপ্নাকে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আতিক ভাই। আপনারা নিজেরাও লিখুন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিবাদ করুন এই বাধের বিরুদ্ধে।
লেখক বলেছেন: এসংক্রান্ত বেশ কয়েক্টি লেখা এসেছে। অন্তত তার একটিকে স্টিকি করা হোক। ধন্যবাদ আপনাকে।
লেখক বলেছেন: আপ্নার আইডিয়াটা চমৎকার। চেস্টা করছি, সব গুলি লিংক খুজে পেতে। আলাদা পোস্টেও দেব ভাবছি।
তরু বলেছেন:
ভালো লেগেছে লেখা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তরু।
শূন্য আরণ্যক বলেছেন:
এই সব প্রতিবাদ করে লাভ হবে নাতারচে টিপাই মুখী বাধে মংগলদীপ জ্বেলে দিয়ে আসি চলেন।
আর মন্ত্রীদের দোষ দিয়ে লাভ কি ? ওরা তো ম্যান্ডেট দিয়ে এসেছে। এখন ট্যা ফো করলে তো সমস্যা।
ভারতের কিল গুতা খাওয়াই যখন নিয়তি তখন আর উচ্চবাচ্য করে মানসুলাইয়মান না হারানোই বেটার।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শুন্য অরণ্যক ভাই। জানি অনেক কস্ট নিয়েই কথাগুলি বলেছেন। কস্টটা আমারো।
শূন্য আরণ্যক বলেছেন:
দাদাবাবু রা আমাদের বাশ দিবেন বলে যখন মনস্থির করেছেন তখন চিল্লাচিল্লি করে কোনো কাজ হবে না ।
খামোখা লোক জানা জানি করে লাভ কি।
ফারাক্কার অভিশাপ নিয়েই তো মানুষ বেচে আছে।
বরং যারা ভারতের প্রতি সফট তাদের মন মানসিকতা আয়ত্ব করতে চেষ্টা করুন কাজে দিবে।
দাদারা আমাদের মানচিত্র দিয়েছেন
ধারাপাত সন তারিখ দিয়েছেন
আমাদের বাগানটা ইজরা নিলে
প্রনাম করি শতবার।
লেখক বলেছেন: দেখে শুনে মনে হচ্ছে, আপনার রাস্তাটাই ধরতে হবে। কিন্ত কি করবো? পোড়া বিবেক কিছুতেই সায় দেয় না। কি করে ৫২ আর ৭১ এর শহিদদের আত্মত্যাগের বিরুদ্ধে আপোস করি? যে কস্টে কথাগুলি লিখেছেন, সে কস্টগুলি দেশের প্রতি মায়া আছে, তাদের সবারই। অনেক ধন্যবাদ।
বিডি আইডল বলেছেন:
dhibor vai...ei lekha ta first page e abar din...tipai mukh dam er bishoy te harie jete dewa jai na
লেখক বলেছেন: ওকে বিডি আইডল ভাই। আপনার অনুরোধ রক্ষা করবো।
তানহা তাবাসসুম বলেছেন:
+++++++++++++
লেখক বলেছেন: আবারও অনেক ধন্যবাদ তানহা। চলুন নিজ নিজ অবস্থান থেকে টিপাইমুখের বিরুদ্ধে অবস্থান নেই।





















