পোস্ট আর্কাইভ
- মে,২০১৩(৩)
- এপ্রিল,২০১৩(৪)
- মার্চ,২০১৩(৪)
- ফেব্রুয়ারী,২০১৩(৫)
- জানুয়ারী,২০১৩(৫)
- ডিসেম্বর,২০১২(৪)
- নভেম্বর,২০১২(৩)
- অক্টোবর,২০১২(৮)
- সেপ্টেম্বর,২০১২(৫)
- আগস্ট,২০১২(১১)
- জুলাই,২০১২(৯)
- জুন,২০১২(৬)
- মে,২০১২(৭)
- এপ্রিল,২০১২(৭)
- মার্চ,২০১২(৮)
- ফেব্রুয়ারী,২০১২(৮)
- জানুয়ারী,২০১২(৭)
- ডিসেম্বর,২০১১(৫)
- নভেম্বর,২০১১(৫)
- অক্টোবর,২০১১(৪)
- সেপ্টেম্বর,২০১১(২)
- আগস্ট,২০১১(৭)
- জুলাই,২০১১(৪)
- জুন,২০১১(২)
- মে,২০১১(২)
- এপ্রিল,২০১১(৩)
- মার্চ,২০১১(১)
- ফেব্রুয়ারী,২০১১(২)
- জানুয়ারী,২০১১(৩)
- ডিসেম্বর,২০১০(৪)
- নভেম্বর,২০১০(৫)
- অক্টোবর,২০১০(৩)
- সেপ্টেম্বর,২০১০(৪)
- আগস্ট,২০১০(৬)
- জুলাই,২০১০(৪)
- জুন,২০১০(৩)
- মে,২০১০(৩)
- এপ্রিল,২০১০(২)
- মার্চ,২০১০(৭)
- ফেব্রুয়ারী,২০১০(৭)
- জানুয়ারী,২০১০(৬)
- ডিসেম্বর,২০০৯(৫)
- নভেম্বর,২০০৯(৬)
- অক্টোবর,২০০৯(৮)
- সেপ্টেম্বর,২০০৯(১০)
- আগস্ট,২০০৯(১১)
- জুলাই,২০০৯(১০)
- জুন,২০০৯(১৩)
- মে,২০০৯(১৪)
- এপ্রিল,২০০৯(১৫)
- মার্চ,২০০৯(৭)
- ফেব্রুয়ারী,২০০৯(৭)
- জানুয়ারী,২০০৯(৫)
- ডিসেম্বর,২০০৮(৭)
- নভেম্বর,২০০৮(১৪)
- অক্টোবর,২০০৮(৭)
- সেপ্টেম্বর,২০০৮(৫)
আমার বিভাগ
কোন বিভাগ নেই
আমার প্রিয় পোস্ট
- বাংলাদেশ এখন ধর্মনিরপেক্ষ অস্তিত্বের জন্য লড়ছেঃ RAW এর সাবেক গোয়েন্দা প্রধান! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- খুব নিরবে বাংলাদেশ আর একবার ধর্ষিত হোল। - নষ্ট শয়তান
- এই সাম্প্রদায়িক হিন্দুটারে কি করা উচিৎ !! ভাইয়েরা আপ্নারাই কন


- গেস্টাপো
- বিডিআর বিদ্রোহের না জানা গোপন অধ্যায় এবং অন্তরালের খুনি - দ্রুতগামী উল্কা
- "আমি মেজর জিয়া বলছি" - উত্তাল মার্চ - সপ্তম পর্ব - কান্ডারী অথর্ব
- ভারতীয় HC বিনা সিক্রির কথারই প্রতিধ্বনি দিল্লীস্থ আমাদের HC তারেক করিমঃ বাংলাদেশ পানি ধরে রাখতে পারে না! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- ভারতের র্দূনীতিবাজ সুব্রতর সাহারার কথিত বিনিয়োগ এনটিপিসিকে ট্যাক্স ফ্রিঃ হাসিনা থাকতে চিন্তা কি! - বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
- কিভাবে ধাপে ধাপে হবেন একজন প্রকৃত হাম্বা লীগ সমর্থক । একটি সহি দিক নির্দেশনা । ..........
- দমকল৮৬
- যেভাবে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং সন্ত্রাসী স্বপন এর দোষ বি এন পি এর উপর চাপিয়ে দিতে চায় আওয়ামী লীগ। প্রসঙ্গের বাহিরে কি হইলোর কমেন্ট এবং তার রিপ্লাই আলাদা পোষ্টে দেয়াই উপযুক্ততা প্রমানিত। - ভুল উচ্ছাস
- আওয়ামী লীগের বাম নাস্তিক, শিবসেনা সহবাস অতঃপর পাছার সার্টিফিকেট অর্জন - ধীমান অনাদি
- সেয়ানা বিপ্লবী তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ছায়া নায়কদের অস্পষ্ট কায়া........... - দাসত্ব
- এটি হতে পারে রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়ানোর একটি সহজ এবং কার্যকর উপায়। - তোমোদাচি
- রাসূল (সঃ)এর অবমাননা ও আমাদের করনীয় - - মেলবোর্ন
- ঘুরে এলাম বাংলাদেশের একমাত্র দৈত জলপ্রপাত খুবলং ঝর্ণা বা ডাবল ফলস
ছবি ব্লগ - অওয়াদুদ
- বর্তমান বংলাদেশ ও শেখ মুজিবঃ সিরাজুর রহমানের মূল্যায়ন - নানাভাই
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলো আদিবাসী নয় অভিবাসী - মমতাজ-কলি
- বিশ্ব কবির ছবিব্লগ। প্রয়াণ দিবসে কবির প্রতি জানাই শ্রদ্ধাঞ্জলি। - হা...হা...হা...
- A "দেশপ্রেমিক" In জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট!!! - উটপাখি
- ইভটিজিং বিরোধী গেরিলা বাহিনী ও কিছু কথা.................. - মুখ ও মুখোশ
- ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যটন এলাকার উপর টিংকুর বাংলারপথের ভিডিও - কবিয়াল নূর৮৮
টিপাইমুখি বাঁধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হোন
১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩ |
কয়েকজন সচেতন ব্লগারের ধারাবাহিক লেখার সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে, টিপাইমুখি বাঁধের বিরুদ্ধে লেখাটি পুনঃ প্রকাশিত হল। চলুন দল মত নির্বিশেষে আমরা সবাই এই বাধ নির্মানের বিরুদ্ধে সোচ্চার হই। কারণ এটা আমাদের বাঁচা মরার লড়াই। দেশের প্রাণ এই সব নদী বাঁচলে আমরাও বেঁচে থাকবো। সার্থক হবে আমাদের পুর্বপুরুষদের স্বাধীনতার জন্য আত্মদান।
এমন একটি দৃশ্যের কথা কল্পনা করুন তো, যেখানে খালেদা জিয়াকে ঘাড় ধরে তার সেনানিবাসের বাসা থেকে বের করে দেয়া হচ্ছে। অথবা হাসিনাকে কিছু সন্ত্রাসি জোর করে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করেছে। কি হতে পারে ফলাফল? জানি, সবার উত্তর প্রায় একই রকম হবে। এর বিরুদ্ধে দলীয় নেতাকর্মীরা তৎক্ষনাৎ জঙ্গি আন্দোলনে নেমে পড়বে। চারিদিক মার মার কাট কাট রবে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে পড়বে। আগুণে পোড়ানো হবে যানবাহন, সরকারি অফিস আদালত। আক্রান্ত হবে সাধারণ মানুষ। জীবিত অবস্থায় অনেকেরই আর বাড়ি ফেরা হবে না। মোদ্দা কথা, এক ভয়াবহ অরাজকতা আর বিশৃংখলার সৃস্টি হবে।
কিন্ত কেন? কেননা শত নিন্দা আর অপবাদ সত্ত্বেও এই দুজনই বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জীবিত দুই কিংবদন্তি। যাদের বাদ দিয়ে বাংলাদেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক ধারাকে কোন মতেই প্রবাহিত করা সম্ভব না। যত দোষেই দুস্ট হন না কেন, ঘুরে ফিরে দেশের মানুষ এ দুজনকেই তাদের নেত্রি হিসেবে স্বীকার করে, শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে।
আবার যদি বাংলাদেশের বৃহত্তর স্বার্থের সাথে আর খালেদা বা হাসিনাকে মুখোমুখি দাড় করিয়ে দেয়া যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ কোনদিকে ঝুকবে? যারা মনে করছেন, বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতি সমর্থনের পাল্লাটাই বেশি ভারি হবে, তাদের উপলব্ধি দেশপ্রেম প্রসুত হলেও, বাস্তবের সাথে সাংঘর্ষিক বটে। এই উপসংহারে পৌছানোর পেছনে যে যুক্তি কাজ করেছে, সে সমন্ধে একটু পরে আসছি।
ফারাক্কা বাঁধ সমন্ধে কম বেশি আমরা সবাই অবগত আছি। কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষার জন্য মাত্র ৪০ দিনের অনুমতি নিয়ে এই বাধ চালু করা হয়েছিল, সে খবরটাও পুরানো। এই বাঁধ, বাংলাদেশ তো ভালো, ওপারে আমাদের স্বজাতিয়দের জন্যও গলার কাঁটা হয়ে দাড়িয়েছে, সেকথা বলাই বাহুল্য। তবে ফারাক্কার মরণছোবল থেকে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে রক্ষার তেমন কোন উদ্যোগই নেয়া হয় না। শুধু সময় সুযোগ বুঝে সস্তা ভারত বিরোধিতা করার জন্য নির্বাচনের আগে এই ইস্যুটি মাঠ গরমের হাতিয়ার বানানো হয়। তবে এই ইস্যুটি জাতিসংঘে তোলার 'অপরাধে' তৎকালিন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রি, তৎকালিন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মৃত্যু পরোয়ানায় সই পর্যন্ত করেছিলেন।
সম্ভবত প্রাণের ভয়ে এরশাদ-খালেদা-হাসিনা কেউই আর দ্বিপাক্ষিক আলোচনার বাইরে যাবার দুঃসাহস দেখাননি। আর এই তথাকথিক দ্বিপাক্ষিক আলোচনার নামে ভারত শুধু প্রহসন আর কালক্ষেপন করে চলেছে। আর ২১ বছর পর ক্ষমতায় ফিরলে, আঃ লিগের আমলে একটা দয়াপরবশত পানি চুক্তি করেছে, সেখানে আবার কোন পানি প্রাপ্তির নিশ্চয়তা ছিল না। এ নিয়ে মহা গর্বে হাসিনা, কবি গুরুর কবিতার দুটি লাইন " আমাদের ছোট নদী চলে বাকে বাকে, বৈশাখ মাসে তার হাটু জল থাকে" বলে দেশবাসিকে সান্তনা দিয়েছিলেন। ফারাক্কা নিয়ে আর সাতকাহন নয়। শুধু এতটুকু বলে রাখা ভালো যে, ফারাক্কার কারণে ফি বছর বাংলাদেশকে ৪ বিলিয়ান মার্কিন ডলারের ক্ষতি সহ্য করতে হচ্ছে।
এর পরেও আমাদের বিকার নেই।
অধুনা ভারত , বরাক নদীর টিপাই মুখে আরেকটি বাঁধ দিতে যাচ্ছে। যার ফলে আমাদের বৃত্তর সিলেট অঞ্চলের সুরমা, কুশিয়ারা এবং তৎসংলগ্ন হাওড় বাওড় খাল বিল হতভাগ্যা পদ্মা নদীর ভাগ্য বরণ করবে। সবচেয়ে বিপদজনক খবর হলো আমাদের মেঘনা নদী তখন বাস্তবিকেই ধীরে বইবে। সামাজিক-অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগতভাবে এর পরিনাম যে কি ভয়াবহ হতে পারে, সেটাকে একমাত্র দুঃস্বপ্নের আরেক নাম বলা যায়।
এই বাঁধ তৈরির কি অজুহাত হিসেবে বলা হচ্ছে, আসামের বন্যা নিয়ন্ত্রন এবং জল বিদ্যুত উৎপাদন করে, উঃ পুর্ব ভারতের মানুষদের প্রভুত কল্যাণে এই বাধ নির্মিত হবে। পাঠকদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, আন্তর্জাতিক পানি আইন অনুসারে, ভাটির দেশের পুর্ণ সম্মতি ছাড়া এবং পরিবেশের ক্ষতি করে কোন দেশই একতরফাভাবে নদী শাসন করতে পারবে না। তবে পরিতাপের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক আইন মানতে কোন দেশ বাধ্য নয়। এখানে জোর যার মুল্লুক তার হিসেবেই এই আইন প্রযোজ্য। ভারতের তুলনায় আমাদের অর্থনৈতিক-সামরিক বা খুটির জোর অল্প বলে, আমাদের মার খেয়ে যেতেই হচ্ছে।
উঃ পুর্ব ভারতের অধিবাসিদের নাকের সামনে টিপাইমুখি বাধের মুলো ঝুলিয়ে রাখা হলেও, তারা পঃ বঙ্গের অধিবাসিদের মত ভোলেননি। তাই এই বাধের বিরুদ্ধে সেখানে তীব্র প্রতিবাদ হচ্ছে। মনিপুরের ২০টি প্রভাবশালি সামাজিক রাজনৈতিক সংগঠন, "একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম" এর ব্যানারে রাজপথে নেমেছেন। কারণ এতে উঃপুর্ব ভারতের লাভের চেয়ে লোকসানটাই বেশি হবে। আর প্রভুত ক্ষতি হবে পরিবেশের। বিস্তারিত লিখছি না, তবে মনিপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুতত্ত্ববিজ্ঞানের অধ্যাপক সইবাম ইবোতম্বির মন্তব্যে প্রণিধানযোগ্য
"Tipaimukh Dam Is A Geo-tectonic Blunder Of International Dimensions"
বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
Click This Link
আর একশন কমিটি এগেইনস্ট টিপাইমুখ ড্যাম এর আন্দোলন নিয়ে পড়ুন এখানেঃ
Click This Link
ফিরে আসছি পুরানো প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের স্বার্থের বিপরীতে যদি খালেদা বা হাসিনাকে দাড় করানো যায় তবে জনসমর্থনের পাল্লাটা খালেদা-হাসিনার দিকেই বেশি ঝুকবে। তা না হলে, খালেদা হাসিনার কিছু হলে যদি আমরা মারমুখি প্রতিবাদি হতে দ্বিধা না করি, তাহলে বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য এত বড় প্রত্যক্ষ হুমকি মোকাবেলায় আমরা এমন নিস্পৃহ কেন?
না, আমি মোটেও বলছি না, যে ফারাক্কা বা টিপাইমুখ বাধের প্রতিবাদে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধাংদেহি মনোভাব দেখাতে হবে। কিন্তু বর্তমান সরকারের রহস্যজনক নিরবতাকেও তো সমর্থন করা যায় না। আর পররাস্ট্রমন্ত্রি কিংবা পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রির আচার আচরনে মোটেও বুঝবার উপায় নেই, যে তারা স্বাধীন বাংলাদেশের কেউ।
তাহলে আমাদের করনীয় কি? আন্তর্জাতিক আইন মানতে ভারত বাধ্য নয়। ওদিকে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তির চোখের মণিও ভারত। তাই এব্যাপারে বাংলাদেশের পক্ষ্যে বিশ্ব মোড়লের সমর্থন পাওয়াও সম্ভব নয়। যুদ্ধ করার মত শক্তি আমাদের নেই। তাহলে কি বসে বসে দেশের এই সর্বনাশ চেয়ে চেয়ে দেখাটাই আমাদের নিয়তি?
আমি লক্ষ্য করেছি, নবীণ প্রবীণ মিলিয়ে এই ব্লগে প্রচুর মেধাবি এবং ধীমান ব্লগার আছেন। তাদেরকে অনুরোধ করবো, এই সর্বনাশ রোধে আমাদের করনীয় নিয়ে কিছু কথা বলতে। কেননা এক ফারাক্কার কারণে আমাদের যা সর্বনাশ হয়েছে, তার কুফল কিন্ত আস্তিক-নাস্তিক, কিংবা আঃলিগ বি এন পি, কেউকেই বাছবিচার করেনি। টিপাইমুখে বাধ নির্মিত হলে, সেই কুফল আপামর জনগণকেই ভুগতে হবে।
এব্যাপারে আমার মত হলো, আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলা। এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদি আন্দোলনে, এই ইস্যুটি সম্পৃক্ত করা। সেই সাথে পঃ বংগ এবং উঃ পুর্ব ভারতের সাধারণ মানুষকে এই আন্দোলনে যুক্ত করা। এর বাইরে কোন ফলপ্রসু উপায়, আমার এই সাধারণ বুদ্ধিতে কুলাচ্ছে না। ধন্যবাদ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নীল লাল সবুজ বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ।
শেখ মিলন বলেছেন:
আমিও আছি আপনাদের সাথে। সবাই সোচ্চার হউন।
ত্রিভুজ বলেছেন:
জনগণের কথা কে ভাবে? এই লেজুরবৃত্তির যুগে কেউ আপনার সাথে আসবে না। সবাই নিজের আখের গুছাতে ব্যস্ত!
আপনি নিজেও অনেক পুরানো ব্লগার। আপনার সক্রিয় অংশ গ্রহন আশা করছি।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চমৎকার লেখার জন্য ধীবর ভাই কে অনেক ধন্যবাদ। চট্টগ্রাম সুমদ্র বন্দর হতে জ্বালানি তেল, সিমেন্ট, গম সহ নানাবিধ পণ্য ২০০০-৫০০০ পর্যন্ত কার্গো জাহাজ নারায়াণগঞ্জের বন্দরে নিয়ে আসে যা শত শত বা হাজার ট্রাকের সড়কের পরিবহন খরচের বিশাল অংক বাচিয়ে দেয়। এটা কিন্তু সারা বছরই চলে এমনকি শুস্ক মৌসুমেও। যদি টিপাই মুখী বাধ চালু হয় তবে মেঘনা নদীতে প্রয়োজনীয় পানি হবে না এবং ভীষণ নাব্যতার সংকট হবে ফলে ৫০০ টনের কার্গো জাহাজের পক্ষেও ভরা বর্ষাকাল ছাড়া নারায়গঞ্জে আসা সম্ভব হবে না। এক সময় রাজশাহী, পাবনার বাঘাবাড়ী বন্দরে ২০০০-৫০০০ টনের কার্গো জাহাজ যেতে পারত কিন্তু সর্বনাশা ফারাক্কার কুপ্রভাবে পদ্মা নদীকে শুস্ক মৌসুমে আক্ষরিক অর্থে মরুভুমি বানিয়ে দেয়। তাই মাত্র ভরা বর্ষা মৌসুমে বছরের ২/৩ মাস বেশী বহন ক্ষমতা সম্পন্ন কার্গো সেখানে পৌছুতে পারে। যে দেশে মইন ইউ আহমেদের মতন মির্জা জাফর থাকে সেখানে রমেশ চন্দ্র সেন জাতীয় ভারতীয় তাবেদার পানি সম্পদ মন্ত্রী হতে পারে। এ এবং দীপু মনি তারা কি টিপাই মুখী বাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হবে..........এমন আশা করাটাই চরম বোকামী। ইতিমধ্যে রমেশ চন্দ্র বলেছে আগে টিপাই মুখী বাধ হউক পরে দেখা যাবে। তাই বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক ও সচেতন জনগণের তীব্র গণ-আন্দোলন ছাড়া আর কোন উপায় নেই। কারণ এই মহাজোট সরকার আসলে ডিজিটাল নয় চিরস্থায়ী ভারতীয় বেড়াজালে বাংলাদেশ কে আবদ্ধ করার উদ্দেশ্য নিয়ে ক্ষমতায় আসীন হয়েছে।
আশরাফ রহমান বলেছেন:
আমাদের ভারতপ্রেমী পানি সম্পদ মন্ত্রী তো বলেছেন, ভারত আগে বাঁধ নির্মাণ করুক, তারপর দেখা যাবে! এর আগে তিনি বলেছিলেন, ভারত দয়াকরে যতটুকু পানি দেয়-তাতেই সন্তুষ্ট থাকা উচিত। পানি মন্ত্রীর জানা উচিত, ভারত ফারাক্কা বাঁধও চালু করেছিল পরীক্ষামূলকভাবে। কিন্তু তা আর ঠেকানো যায়নি। টিপাই মুখ বাঁধ নির্মাণ শেষ হলে তা ঠেকাবেন কিভাবে? আওয়ামী লীগকে ভারতের দালাল হিসেবে বাংলাদেশের সবাই জানে। কিন্তু পানি মন্ত্রীর দালালী সকল সীমা ছাড়িয়ে গেছে!
বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন:
অনেক ধন্যবাদ ধীবর ভাই। প্রথম অফিসের ব্যবস্তার কারনে অনেক সময়ই মন্তব্যের জবাব দেওয়া হয় না। টিপাইমুখ নিয়ে আমরা পোষ্ট চালিয়ে যাব আশা করি যতক্ষন না কোন পোষ্ট ষ্টিকি করা হচ্ছে।
ধীবর বলেছেন:
বাবু ভাই, আপনার শুরু করা লেখা থেকেই আমার পুরানো লেখা ফিরিয়ে আনার প্রেরণা পেয়েছি। সে জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কথা দিচ্ছি এই আন্দোলনে পাশে থাকবো। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ব্লগের সচেতন অংশের অনেকের সমর্থন পাওয়া যাবে। চলুন সবাই এক হই।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
সামু কর্তৃপক্ষের কাছে এই পোষ্ট টি কে ষ্টিকি করার দ্বাবী জানাই।
শুভ৭৭ বলেছেন:
পোষ্টটি ষ্টিকি করা হঊক।
কালপুরুষ বলেছেন:
সহমত। সাম.ব্লগ কর্তৃপক্ষের নিকট পোস্টটি স্টিকি করার অনুরোধ রইলো।
তরু বলেছেন:
ভালো লেগেছে লেখা। ধন্যবাদ।
তারচে টিপাই মুখী বাধে মংগলদীপ জ্বেলে দিয়ে আসি চলেন।
আর মন্ত্রীদের দোষ দিয়ে লাভ কি ? ওরা তো ম্যান্ডেট দিয়ে এসেছে। এখন ট্যা ফো করলে তো সমস্যা।
ভারতের কিল গুতা খাওয়াই যখন নিয়তি তখন আর উচ্চবাচ্য করে মানসুলাইয়মান না হারানোই বেটার।
তখন চিল্লাচিল্লি করে কোনো কাজ হবে না ।
খামোখা লোক জানা জানি করে লাভ কি।
ফারাক্কার অভিশাপ নিয়েই তো মানুষ বেচে আছে।
বরং যারা ভারতের প্রতি সফট তাদের মন মানসিকতা আয়ত্ব করতে চেষ্টা করুন কাজে দিবে।
দাদারা আমাদের মানচিত্র দিয়েছেন
ধারাপাত সন তারিখ দিয়েছেন
আমাদের বাগানটা ইজরা নিলে
প্রনাম করি শতবার।
তানহা তাবাসসুম বলেছেন:
+++++++++++++
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফমর্। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















আপনার মন্তব্য লিখতে লগইন করুন ।