somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মানবাধিকারের তীর্থ ঘুড়ে এসে, নতুন দীক্ষায় আইনমন্ত্রি ! শেষ রক্ষা হবে তো?

১৭ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




বেশ কয়েক বছর আগে একটা লাইভ ফোন ইন অনুষ্ঠান দেখেছিলাম। অতিথি ছিলেন কন্ঠ শিল্পি উমা খান। সেখানে এক দর্শক বেমাক্কা প্রশ্ন ছুড়ে দেন তার প্রতি। প্রশ্নটা ছিল, "আপনি কোন ধর্ম পালন করেন?" চরম বিব্রত উমা খান শুধু বলেছিলেন, আমি মানব ধর্মে বিশ্বাস করি।

অনেকেই উমা খানকে চেনেন। কণ্ঠশিল্পি কল্যাণি ঘোষ এবং প্রবাল চৌধুরির অনুজা তিনি। নিঃসন্দেহে প্রশ্নকর্তার ওই প্রশ্নটি সুরুচির পরিচায়ক ছিল না। তবে সেই প্রশ্নের সুত্রে নতুন ধর্ম সম্বন্ধে জানা গেলো, যার নাম মানব ধর্ম।

মানব ধর্ম নামে এই ধর্মটি সার্বজনিন না হলেও, এই ধর্মানুলম্বি মানুষদের দেশ ভেদে প্রায় একই রকম আচরন করতে দেখা যায়। সম্ভবত এই মানব ধর্মকে মহান করার প্রয়াশেই আরেকটা শব্দ বিশ্বখ্যাতি লাভ করেছে। যার নাম হলো, মানবতা।



২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর। আমেরিকার ইতিহাসের এক ঘণ কৃষ্ণ দিবস। পারলে ওই ঘটনার আগেই একটি বিশেষ ধর্মানুলম্বিদের দোষারোপ করা হতো। কিন্ত ওকলাহোমা শহরে জঙ্গি আবিস্কারে কট্টর ক্রিস্টানবাদিদের অস্তিত্ব প্রকাশ হয়ে পড়ায়, সেই ঝুকি উনারা নেয়নি। পশ্চিমা বিশ্বে তখন কান্নার মাতম। দুঃখে সবার বুক ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে ঘর পোড়ার মধ্যে আলু পোড়ার চেস্টায়, পুরানো ভি ডিও ক্লিপ প্রচার করে, এই ঘটনার সাথে ফিলিস্তিনিদের যোগসুত্র স্থাপনের অপচেস্টা করা হলো।

উগ্রপন্থি নিও কন আর জায়নবাদিদের বৃহস্পতি তখন তুঙ্গে। হান্টিংটনের তত্ত্বের বাস্তব প্রয়োগ ঘটিয়ে এক কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যাবস্থা বন্দোবস্ত পাকা করতে ইরাক আর আফগানিস্তানে লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষের রক্ত ঝরানো হলো।

তবে শুধু মারণাস্ত্র নয়, মিডিয়া নামের ব্রক্ষ্মাস্র দিয়েই "বিশ্ববাসি"কে বুঝিয়ে দেয়া হলো যে, তেনাদের পক্ষ্যে থাকলেই মানবতাবাদি। আর অন্য পক্ষ্যের সবাই শয়তানের অক্ষশক্তির অন্তর্গত। বর্বর শক্তির কাছে এভাবেই বিশ্ব বিবেককে পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়েছিল।

অবশ্য সত্য প্রকাশ হতে দেরি হয়নি। কিন্তু এর পরেও নিজদের হীন স্বার্থে এই সাড়ে তিন হাজার নিরপরাধ মার্কিনিদের হত্যাকারি নাটের গুরুদের কেশাগ্রও কেউ স্পর্শ করেনি বা করতে পারেনি।

প্রমান দেখুন
Click This Link

অথচ এরাই মানবতার একক ধব্জাধারি বলে পুজিত হচ্ছে। তবে মানব ধর্ম পালনে ইনারা আপন ধর্মকে লালন পালন তোষন ও প্রচারকেই বোঝেন। খালি একটি বিশেষ ধর্ম পালন না করলেই হলো।

আমাদের দেশে ১/১১ এর পেছনের কুশিলবরাও আমাদের মানব ধর্মে দীক্ষা দেবার জন্য দুই বছর বিশ্বব্যাঙ্কের কেরানী আর রহস্যময় সুত্রে ধনী সেনাপ্রধানকে দিয়ে বাংলাদেশ শাসন করেছে। যদিও কোন দেশে গণতন্ত্রের পান থেকে চুন খসলে ইনারা ফোঁস করে উঠেন। কিন্ত কোন মন্ত্রে জানি না, ১/১১ এর পরের অগণতান্ত্রিক ভাবে দুই বছর কাটালেও মইন ফকরুকে অকৃপণ সাহায্য সহযোগিতা করে গিয়েছে।



তবে আমাদের জাতিয় আপা তার ক্ষুরধার বুদ্ধি দিয়ে ঠিকই আখের গুছিয়ে ফেলেছিলেন। মুখে অনেক কথা বললেও, প্রায় অন্ধ চোখ এবং বয়রা হয়ে যাওয়া কান নিয়েও, তিনি ঠিকই যেখানে যেখানে তেল মর্দন দরকার, সবই করেছিলেন। তবে, যতই ডক্টরেট ডিগ্রি থাক, সম্রাটের কাছে আর্জি পৌছানোর জন্যও আমর্ত্যের সাহায্য তো লাগেই।

আপার কপাল ভালো। ততদিনে সোভিয়েটের কোল ত্যাগ করে আপার আম্মাজানের দেশটি তেনাদের কোলে চড়ে বসেছে। কিন্তু যতই আম্মাজান আর আব্বাজান করে আপা চোখের পানি নাকের পানি এক করুন না কেন, আমত্যের মন কি এত সহজে গলে? অবশেষ টিপাইমুখ বাধ, জল স্থল সমুদ্র অন্তরীক্ষে অবাধ চলাচল, সীমান্তে এলাকা দখল এবং বি এস এফকে চাদমারির জন্য বাংলাদেশের নাগরিকদের অবাধ ব্যাবহার, পররাস্ট্র নীতিতে জ্বি হুজুর করা, ইত্যাদি নানা সুবিধার দেয়ার অঙ্গিকার করার পরেই আমত্যের সাহায্য আপার ফরিয়াদ সম্রাটের দরবারে পৌছালোও, এবং অনুমোদনও পেলো।

এর পর ড্যাং ড্যাং করে এক লাফে আপা আর তার সাঙ্গপাঙ্গদের একচ্ছত্র ক্ষমতা লাভ এবং তার উপযুক্ত প্রয়োগ। যার ফলাফল কি হচ্ছে, এটা মানুষ হাড়ে হাড়েই টের পাচ্ছে। এতদিন পেট জ্বলছিল, মাথার উপরের ছাদটুকু হারাতে হচ্ছিল, এখন সম্ভ্রম নিয়েও টানাটানি পড়েছে।


Prof. Samuel Huntington

হান্টিংটনের চরম উগ্র হিটলারীয় তত্ত্বকে মানবতার চাদরে ঢেকে পরিবেশন করা হচ্ছে। অনেকেই অনন্যোপায় হয়ে সেটা খাচ্ছে। আবার অনেকে ক্ষমতার লোভে চেয়ে চিনতে হলেও আয়েশ করে খাচ্ছে।

আমাদের আপা অবশ্য দ্বিতীয় দলভুক্ত। আর সেই কুখাদ্য ভক্ষণের আসর গিয়ে পড়েছে, আপার প্রবাসি সুপন্ডিত সুপুত্রের উপর। বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের জুজু আবিস্কার করতে, বোরখার বিক্রি বেড়ে যাওয়াকে উপাত্ত ধরে নিয়ে জাতিয় ভাগিনা রীতিমত রিসার্চ পেপার লিখে ফেলেছিল।

এমন উদ্ভট তত্ত্ব প্রমান দিয়ে কোন রচনা লিখলে, এমন কি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অখ্যাত কোন স্কুল কলেজে পর্যন্ত ভাগিনাকে কান ধরে মাঠে দাড় করিয়ে রাখা হতো। কিন্ত অবাক কান্ড হলো, সেই কুখাদ্যকে ওই মানববতার রাংতায় মুড়িয়ে এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশনিতে স্থান দেয়া হলো, যাদের একাডেমিক হিসেবে খ্যাতি রয়েছে বিশ্বজোড়া।

পুত্র করে যত আম্মা হুজুর করেন তার শতভাগ, আর তস্য চ্যালা চামুন্ডারা করেন তার চেয়েও বেশি। ফলে "মানবতাবাদিদের" চক্ষুশুল ধর্ম আর ধর্মানুলম্বিদের প্রতি আপার বেশ নেক নজর রয়েছে। এখন শুনি, তার চ্যালা চামুন্ডারা মসজিদের লোকজনের আনা গোনা বেশি বেড়ে গিয়েছে বলে হুংকার ছাড়ছেন। আগে তো ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠদের আচার অনুসরণ করা প্রগতিশীল মানবতাবাদিরা দাড়ি টুপি মাত্রেই রাজাকার বলে অনেকদিন প্রচারণা চালিয়েছিল। সাধারণ মানুষের ধাতানির কারণে কিছুদিন সেগুলি বন্ধও ছিল।

কিন্ত নব্য মানবতাবাদিদের আশির্বাদ ধন্য হয়ে তারা এখন আরো উৎসাহে মাঠে নেমেছে। আগে তো ছিল রাজাকার, এখন তার সাথে দাড়ি টুপিওয়ালাদের জে এম বি, হরকাতুল জেহাদ, লস্কর এ তোইয়বা এমনকি আল কায়েদার সাথেও সংক্লিষ্ট করতে ছাড়ছে না।

মোদ্দা কথা, হান্টিংটন সাহেবের আদর্শে উজ্জিবিত উগ্র ধর্মান্ধ পশু শক্তির সাথে এরা হাত মিলিয়েছে। যদিও এরা ধর্মের নাম ব্যাবহার করে, বিয়ে শাদি এমন কি শেষ কৃত্যটিও ধর্মানুযায়ি করে থাকে, এর পরেও ওই ধর্মের প্রতিই ক্রোধটাই বেশি। সাথে প্রতিহিংসাপরানতা তো আছেই।

এখানেও এমন কয়েকটি চরিত্রের সন্ধান পেয়েছি। যারা অন্য ধর্মের পোষ্টে প্রশংসার বন্যা বইয়ে দেন। অথচ স্বীয় ধর্মের পোষ্টে লেখককে সাম্প্রদায়িক এমনকি রাজাকার অথবা জে এম বি অপবাদ দিতেও কুন্ঠিত হন না। এরা অবশ্য চেতনাধারি বর্মে নিজেদের সুরক্ষার কাজটি কৌশলে সেরে রেখেছে, যাতে আসল মুখোশটুকু উন্মোচিত না হয়। এরকমই একজন, বোম্বের সালমান আর আধা ফিরিঙ্গি ক্যাটরিনার গণেশ পুজো উদযাপনের ছবি দেখে বলেছিল, এভাবেই যেন আশা ও আয়েশারা বেড়ে উঠে।

পাছে মানির মানে আঘাত লাগে, এই ভদ্রতায় কেউ জিজ্ঞেস করেনি এভাবে কেন আয়েশারা বেড়ে উঠবে? আশার ধর্ম আশা পালন করবে, আয়েশা তার নিজেরটা। একে অপরের ধর্মকে শ্রদ্ধা করবে। ধর্মীয় অনুষ্ঠাঙ্গুলিতে একে অপরের সাথে আনন্দ বিনিময় করবে।

নিজ ধর্ম ত্যাগ করে আয়েশারা আশার ধর্ম পালন করবে, এমন দাবি কিন্ত ভারতের বি জে পি, আর এস এস, আর শিবসেনাদের। মানবতাবাদি প্রগতিশীলদের সাথে উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দু দলের মতের এই মিলের উৎস সন্ধান করলেই অনেকের মুখোশ খসে পড়বে।

মানবতাবাদিদের আবার অনেকগুলি লেজও আছে। বিশ্ব বানিজ্যে তারাই হর্তা কর্তা, আবার মানবতার নামে গরিব অসহায় দেশগুলির উপর ছড়ি ঘোরানোর জন্যই মানবাধিকার সংস্থাও আছে। এমন কি নারী অধিকার সমিতিও আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে যে, শ্রেফ মুনাফার জন্য নারী মুক্তি নামে পর্ণের মাধ্যমে নারীকে শ্রেফ যৌন দাসি বানানোর বিরুদ্ধে একদম মুখ চুপ করে থাকে।

বাংলাদেশে হাজার হাজার নারীর সম্ভ্রম লুট হলেও কোন প্রতিক্রিয়া নেই। পথে ঘাটে সন্ত্রাসিদের হাতে অকালে মারা পড়লেও বিকার নেই। এমন কি ছাত্রিদের জোর করে পতিতাবৃত্তিতে নিয়োজিত করা নিয়েও এরা উৎকন্ঠিত নয়। সীমান্তে ভারতীয়রা পাখির মত গুলি করে বাংলাদেশিদের হত্যা করছে, কিন্ত কোন প্রতিবাদ নেই।

অথচ ধর্ষক সন্ত্রাসি যদি ক্রসফায়ারে মারা যায়, তাহলে দেশি বিদেশি এই মানবাধিকারের ধব্জা তোলাদের তর্জন গর্জন কে দেখে? এই মানবাধিকারের ধোয়া তুলেই তো, চরম হিন্দুত্ববাদিদের থাবার আড়ালে থাকা বিমল ভিক্ষুরা পার্বত্য চট্টগ্রামে "ইসলামি মৌলবাদিদের" অস্তিত্ব আবিস্কার করলেও, ওদিকে যে দারিদ্রের সুযোগ নিয়ে ক্রিস্টান বানানোর চলছে, তার বিরুদ্ধে কিচ্ছু বলছে না। আর প্রকাশ্যে এই বিচ্ছিন্নবাদি সন্ত্রাসিদের যারা সমর্থন করছে, তারা সবাই বাংলাদেশে মানবতাবাদি প্রগতিশীল নামে কুখ্যাত।

৯/১১ এর পর সেই মানবতার তীর্থস্থান হয়ে উঠা সম্রাটদের দেশ নতুন দীক্ষা নিয়ে ফিরেছে আমাদের আইন মন্ত্রি। আইনের যে পরাকাষ্ঠা তিনি এ পর্যন্ত দেখিয়ে এসেছে ( আপা আর তার সাঙ্গপাঙ্গদের নামে মামলা গুলি প্রভাব খাটিয়ে ডিসমিস করে দেয়া, এমনকি ১৮ বছরের সাজাপ্রাপ্তকেও আত্মসমর্পন ছাড়াই বেকসুর খালাস দেয়া, ৫ম সংশোধনি বাতিল করে বাকশাল পুনরপ্রতিষ্ঠা), তাতে তিনি আইন নয়, বে-আইনি মন্ত্রি হিসেবেই কুখ্যাত হয়ে থাকবেন।

সম্রাট বা তার এই উপমহাদেশিয় আমত্যের আশির্বাদ যতই থাক, লোক দেখানো কিছু ভোট পাবার জন্যও তো ইস্যু লাগে। তাই ক্ষমতায় যেয়ে যুদ্ধপরাধীদের বিচার করবো বলে গলা ফাটিয়ে কিছু ভোট টানতে পেরেছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে আঃলিগের দশা হয়েছে সাপের ছুচো গিলার মত। কেননা মানবতাবাদি সম্রাট আগেই যুদ্ধপরাধীদের পক্ষ্যে সমর্থন দিয়ে রেখেছে। এখন শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থায় তাই মন্ত্রিকে ছুটতে হয়েছে সেই মুল্লুকে।

এখন তিনি সুর পাল্টে বলছেন, যুদ্ধাপরাধী নয়, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধীদের বিচার করা হবে। এপর্যন্ত যা দেখা গেছে, তাতে এই মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনাকারিদের হাতে যাদের প্রাণ গিয়েছে, তারা সবাই একটি বিশেষ ধর্মের অনুসারি এবং তাদের সবাই যে ধর্মপ্রাণ এমনও নয়। যেমন সাদ্দাম হোসেনকে তার পুত্র এমন কি নাবালক নাতিটিকেও এই মিথ্যা অপবাদের বলি হয়ে প্রাণ দিতে হয়েছে।

বোধ করি, বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসা সম্রাটের প্রতিনিধি দলটিও একই পথে হাটবে। অন্য জাতির কথা জানি না, তবে আমাদের রক্তে আছে অন্যায়ের বিরুদ্ধে ফুসে উঠার স্পৃহা। সাথে প্রেরণা হিসেবে আছে ৭১ এ আমাদের পুর্বসুরিদের বীরত্বের ইতিহাস। সেদিনের প্রতিপক্ষ বর্তমানেরও। শুধু ওদের দাসত্ব করা দলটির বদল হয়েছে।


মানব ধর্ম পালনের নামে একটি বিশেষ ধর্মকে শুধু হেয় না, নির্মুল করার ফ্যাসিস্ট প্রতিযোগিতা, মানবতা রক্ষার নামে লাখ লাখ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করে স্বাধীন দুটি দেশকে পরাধীন করে শোষন করা, মুনাফার স্বার্থে সভ্যতা পরিপন্থি জীবনাচারকে সভ্যতার মাপকাঠি নির্ধারণ করে দেয়া, এর বিরুদ্ধবাদিদের সন্ত্রাসি আখ্যা দিয়ে মিডিয়া ও সামরিক কায়দায় নিঃশেষ করে দেয়া, মানবতার তথাকথিত সেই সংজ্ঞা কিংবা তার প্রতি বিশস্ত মানুষদের প্রতি আমার কোন শ্রদ্ধা বা সমর্থন কোনটাই নেই।

তাই উমা খানের মত একনিষ্ঠ সংস্কৃতি চর্চাকারিদের নির্দোষ মানব ধর্ম পালনকারিদের ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা শুনলেও সন্দেহ জাগে। একটি বিশেষ ধর্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার জন্য, বিশ্বব্যাপি প্রভাব বিস্তারকারি তিনটি ধর্মের উগ্রপন্থিদের মাঝে ঐক্যমত দেখলে সেই সন্দেহটা আরো প্রবল হয়।


১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চলতি পথের গল্পঃ দুই

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২২


‘মরচুয়ারী’ শব্দটার সাথে এর প্রবেশ পথের পেছনের গাছপালাগুলো দেখে শান্ত, নিরবিলি পরিবেশের মিল খুঁজে পেলাম।

এর পূর্বের পর্বটি পড়তে পারবেন এখানেঃ চলতি পথের গল্পঃ এক

‘মরচুয়ারী’র পথে দেখা কিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×