পেছনের সমান্তরাল পথটুকুও আজ আর ফিরে দেখি না..।

দ্বীচারিনী একজন....... [দ্বিতীয়]

১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩২

শেয়ারঃ
0 2 0

ঘুম ভেঙে চোখ খুলেই দেখলাম বিছানার সাথের জানালাটার পাশে রাখা ছবির স্ট্যান্ডটায় পর্দার ফাঁক দিয়ে সকালের নরম আলো এসে পড়ছে।বেশ কদিন পর সূর্যের দেখা মিললো আজ। দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেলো।বেড সাইড টেবিলের ড্রয়ার থেকে বালা দুটো আর বিয়ের আংটি টা বের করে পরলাম, মন ভালো একটা অনুভূতি নিয়ে শুরু হলো আমার আজকের দিনটি।
ওনার জন্যে গার্লিক ব্রেড টোস্টে এ দিলাম কিচেন এ গিয়ে সেই সাথে গরম করলাম এক বাটি বেক্‌ড বীন্‌স।নিজের জন্যে করলাম ধোঁয়া ওঠা গরম এক মগ কফি।এক টুকরো গার্লিক ব্রেড ছিড়ে মুখে দিয়ে কফির মগটা নিয়ে চলে এলাম নিজের পড়ার টেবিলটায়।পড়ার এই যায়গাটা একান্তই আমার নিঃযস্ব যায়গা।আমি এখানে থাকলে উনি খুব একটা বিরক্তও করতে আসেন না।যদিও উনি কখনোই আমাকে বিরক্ত করতে আসেন বললেই ভুল বলা হবে।মনে হলো ওঘরে যেনো খুট খাট আওয়াজ হচ্ছে কোন? উনি বোধহয় উঠলেন।ওনার নাস্তার সবকিছু ঠিকমতো টেবিলে দেয়া হয়েছে কিনা এটা একবার ভেবে নিয়ে আমি মনযোগ দিলাম নিজের কাজে।খুব দ্রুতো হাতে কিছু জিনিষ টুকে নিচ্ছিলাম একটা নোট বুকে।বেশ কয়েকটা বই খুজতে হবে আমাকে,,দেখি সময় পেলে লাইব্রেরীটা একটু ঢু মারবো আজকে ক্লাস শেষে।আজ শহরেও যেতে হবে একবার।
লিখতে লিখতে নিজের চিন্তায় কখন যে ডুবে গিয়েছিলাম টেরই পাইনি। হঠাৎই বোধ ফিরলো।মনে হলো নাহ্‌ দেরি হয়ে যাচ্ছে।তাড়াতাড়ি উঠে দাড়ালাম ভাবলাম,,এক্ষুণি বাড়ি থেকে না বেরোতে পারলে ভার্সিটিতে গিয়ে তোমার গোমড়া মুখ দেখতে হবে।তুমি যে কেনো ভোর বেলা ক্লাস নিতে গেলে তা তুমিই জানো,,আট টার মধ্যে ক্যামপাসে না থাকলেই তোমার মুখ কালো হয়ে যায়।নাহ্‌ তুমিটা একদমই যাচ্ছেতাই সেচ্ছাচারী।
কিন্তু তোমার ঐ শান্ত চাহুনিটাই,,,
থমকে গেলাম আমি,, কি ভাবছি এগুলো? আমিতো!! আমিতো আমার চেনা শহর আর তুমি থেকে হাজারো মাইল দূরে আজ।কতোকাল হলো তোমায় ছেড়ে এসেছি,,কতোকাল হল নিজেকে ছেড়ে এসেছি,,সে কতকাল হল.....।
ভেতরটা আমার হুহু করে উঠলো।আমি আবার
বসে পরলাম।
মনে আছে প্রায় বছর চারেক আগে যখন দুজনে একই ডিপার্টমেন্টে পড়তাম তখন ভোর বেলা ক্লাস করা নিয়ে তোমার সাথে খুব লাগতো আমার।তুমি বলতে ঘুম ঘুম চোখে ক্যামপাসে এসে আমায় দেখাতেই তোমার আনন্দ। আমাকে ঘিরে কতো তুচ্ছ ব্যাপারেও যে তুমি আনন্দ পেতে আমি এখনো ভেবে অবাক হই!!
ভাবতে ভাবত কেমন যেনো অস্থীর হয়ে গেলাম আমি।সেই কতবছর আগেকার কথা অথচ এখনো আমার মনে হয় তুমি অপেক্ষা করে আছো আমার জন্যে।এখনো চার বছর পুরোনো আমিটা আমার সামনে এসে দাড়ায় আমার অজান্তেই।নিজেকে খুব অসহায় লাগতে থাকে আমার।
মনের ভেতর থমথমে একটা ভাব নিয়েই বাড়ি থেকে বের হলাম।বরের সাথে ঠিকমতো কথা বলতেও যেনো ভুলে গেলাম।দুপুরে ক্লাস শেষে যখন শহর এর জন্যে রওনা হলাম বাসে।ওনার ফোন এলো।আমি বললাম,
-আমিতো রওনা হয়ে গেছি।
ওনাকে এটা বলতেই উনি যেনো কিছুটা অবাক হলেন,,হয়তো ভাবলেন উনি গাড়িতে করে নামিয়ে দিতে চাইলেও কেনো আমি কিছু না জানিয়েই রওনা হয়ে গেলাম।তাড়াহুড়া করে অগোছালো একটা জবাব দিয়ে ফোনটা কেটে দিলাম।আসলে কিছুই ভালো লাগছে না।বারবারই মনে পরে যাচ্ছে সকালের ঘটনাটা।গত তিনটা বছর ধরেই আমি চেষ্টা করে যাচ্ছি নিজেকে তোমার থেকে আলাদা করতে।চেষ্টা করছি পেছনে ফেলে আসা অতীত থেকে নিজেকে নিয়ে আসতে আজকের বর্তমানে।নিজের সাথে এই যুদ্ধে আমি ক্লান্ত।তবুও তোমার স্মৃতি থেকে নিজেকে এতটুকুন ও আলাদা করতে পারি না।ভেতরে ভেতরে আমি জানি এ ভীষণ অন্যায়।যে জীবন আমি বেছে নিয়েছি তা নিয়েছি নিজের ইচ্ছাতেই তাহলে সেখানে তোমার অবস্থান থাকা কোনভাবেই উচিত নয়।
বাইরে ভীষণ ঠান্ডা আজ।শীতের এই দুপুরটা ও কেমন ধোয়াঁটে অন্ধকার হয়ে আছে।সকালের মিষ্টি রোদটা কোথায় উধাও হয়ে গেছে যেনো এখন।বাসের ভেতর হিটার অন করা থাকলেও বাইরের শীতলতা আমার ভেতরকে ছুঁয়ে রয়েছে।আমি গলার স্কার্ফটা হাত দিয়ে আরেকটু উচু করে নিজেকে ডুবিয়ে দিলাম পুরোনো দিনগুলিতে।চোখ বন্ধ করতেই সামনে এক এক করে ভেসে উঠলো ফেলে আসা কষ্টের ছবিগুলো।
তখন আমি আমার বরের রেষ্টুরেন্টে কাজ করি পার্ট টাইমার হিসেবে।সারাদিন ক্লাস করে এসে সন্ধ্যে থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত বারে দাড়িয়ে ড্রিঙ্ক সার্ভ করি।কালো জিন্সের সাথে সাদা শার্ট পরে বারের পেছনটায় দাড়াতাম। টেবিলগুলো থেকে একের পর এক অর্ডার আসতো আর আমি বিভিন্ন সাইজের গ্লাসে সাজিয়ে দিতাম নানান রকম সোনালি তরল।মাঝে মাঝে গ্লাসের সেই সোনালি ঝিকিমিকির মোধ্য দিয়ে হঠাৎ চোখে পরতো টেবিলগুলোয় বসে থাকা ছেলেমেয়েগুলোর খুনসুটি, আমার তখন মনে হতো তোমার কথা।মনে পরে যেত রোকেয়া হলের সামনে দাড়িয়ে তোমার ডাবের শাস খাওয়া নিয়ে পাগলামি করা কিংবা ঝুম বৃষ্টিতে সংসদের পেছন থেকে কারণ ছাড়াই বিশাল তোড়া গন্ধরাজ বেশি দামে কিনে আমায় দেয়ার সময় তোমার গজগজ করতে থাকা আবার নিজেই হেসে ফেলা।অজান্তেই চোখ দিয়ে গড়িয়ে পরতো মুক্তোর কণা।
তবু ঐ সময় বারের কাজটা আমার ভালোই লাগতো।কাজের পুরোটা সময় বেশ হইচই এর মধ্যে থাকা যেত। আর তাছাড়া সেই সময়টায় ঐ কাজটাই ছিলো আমার একমাত্র সম্বল।দিনের বেলায় ক্লাস করতে হত বলে কোথাও কাজ করার কথা ভাবতাম না।আর এই দেশের নিয়ম অনুযায়ী সন্ধ্যায় সব দোকান পাট বন্ধ হয়ে যায় তাই চাইলেও রেষ্টুরেন্ট ছাড়া সন্ধ্যায় অন্য কোথাও কাজ করার উপায় ও ছিলোনা তখন।স্কলারশীপ এর কারণে ইউনিভার্সিটির ফী দিতে না হলেও বেঁচে থাকার জন্যে তখন একটা কাজের খুব দরকার ছিলো আমার।
আচ্ছা তোমার মনে আছে,, একমুঠো বেলী আমার হাতে দিয়ে বলেছিলে
তোমাকে আমার বাসরে নীমন্ত্রন।আমি কিন্তু তখন বুঝতেও পারিনি যে তুমি কোন প্ল্যান করেছ।হটাৎই ফোন করে বললে যেনো দু ঘন্টার মধ্যে দেখা করি।ভাবলাম,,তোমার কত যে পাগলামী।কার্জন হলের লাল ইটে হেলান দিয়ে যখন মিটি মিটি হাসছিলে তখনো বুঝিনি ব্যাপারটা।পকেটের কয়েকটা পাঁচশ টাকার নোট দেখিয়ে যখন বললে,,সব মিলিয়ে এই ই আছে বিয়ে করতে চাই যাবা কিনা বল? তখনও কিন্তু আমি তোমার পাগলামিই ভেবেছিলাম।তাই তো সাথে সাথেই হেসে হ্যাঁ ও বলেছিলাম।সেদিনই আমরা বিয়ে করলাম।
কাজী অফীসে যখন সীগনেচার করার জন্যে খাতাটা আমার দিকে এগিয়ে দেয়া হলো, কাঁপছিলাম আমি।কাজী সাহেব স্নেহ্‌ মাখা সুরে বলেছিলেন, "মাগো আল্লাহর নাম নিয়ে লিখেন, ইনশাল্লাহ উনি সব ঠিক করে দিবেন" ঐ সময়টায় ভয়ের সাথে সাথে কি প্রচন্ড আনন্দ ও যে হচ্ছিল আমার তা আমি তোমাকে কখনোই জানাতে পারিনি।জানাতে পারিনি,, কাজী অফীস থেকে বের হয়ে রাস্তায় যখন হাটছিলাম দুজন তখন খুব ইচ্ছে করছিলো তোমায় বলতে,,,,,,,,ভালোবাসি।অন্য যেকোনো সময় হলে হয়তো এক মূহুর্তেই বলে ফেলতাম কিন্তু সেদিনটা যেনো খুব বেশি অন্যরকম ছিলো।তুমি আমার এতো কাছে ছিলে তবু তোমায় দেখতেও লজ্জা লাগছিলো আমার।ভাবছিলাম তোমায় কি বলবো।এই তোমায় কি বলা যায়।কিন্তু তুমিই প্রথম বললে।বললে,, নতুন বউ দাড়াওতো একটা রিকশা ঠিক করি,,তোমাকে নিয়ে আজকে রিকশা ভ্রমণ করবো।আমি দেখছিলাম।দেখছিলাম সাইন্সল্যাব এর ঐ পুলিশ বক্সটার সামনে দাড়িয়ে খুব খুশি খুশি গলায় তুমি কোনো রিকশাওয়ালাকে কিছু বলছো আর তখনই তোমার একটা ফোন আসলো।তুমি ফোন কানে ঠেকিয়ে কথা বলতে বলতেই আমার দিকে তাকিয়ে দুষ্টুমির হাসি দিচ্ছিলে,,আমি তাকিয়েই ছিলাম।কি যেনো একটা ভাবছিলাম আমি।তোমার পান্জাবির কথা ভাবছিলাম বোধহয়।ঐ সবুজ ডোরা পান্জাবিতে তোমায় এতো সুন্দর কেন লাগছে তাই ভাবছিলাম আমি।তখন কি যেন একটা হলো হঠাৎ।আমি আবছা চোখে দেখলাম তুমি খুব মনযোগ দিয়ে ফোনে কথা বলেই যাচ্ছ আর রাস্তার মাঝখান থেকে একটা ট্রাক বিচ্ছিরি ভাবে তোমার দিকে এগিয়ে আসছে।আমি চিৎকার করে তোমায় বলতে চাইলাম কিছু একটা,,কিন্তু তার আগেই তুমি,,,,,,,,,,
বাসের টিকেট চেকার এসে বললো,,ক্যান আই সি ইওর ওয়েস্টার কার্ড প্লিজ।আমি চমকে উঠলাম।চোখ খুলে লোকটার দিকে অবাক চোখে তাকালাম।








ক্রমশ......।









 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পগল্প ;
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ১০:২৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: আপাতত প্লাস, একটু পরে দুই পার্ট একসাথে পরবো ... :) :) :)
২. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪১
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: অসাধারন ... যেন ডুবে গেছিলাম গল্পটার মধ্যে ... খুব ভাল হচ্ছে ... পরের পর্বের অপেক্ষায় ...
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: বলছেন ভালো লেগেছে?
আমার নিজের কিন্তু প্রথমটা লিখে যতটা মোন টেনেছিলো এটাতে ঠিক যেনো ততটা গোছাতে পারিনি।আমি আরো বেশি বর্তমানের বিবরন দিয়ে সামনে যেতে চেয়েছিলাম কিন্তু সময় কম আর অত তাড়াতাড়ি লিখতেও পারি না।
পড়ার সময় কি লেখার তাড়াহুড়াটা বোঝা যায়?

৩. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
নাঈম বলেছেন: মন খারাপ করা লেখা, তবে জীবনের রুঢ় বাস্তবতার ছোঁয়া পাওয়া যাচ্ছে........
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮

লেখক বলেছেন: আমার নিজেরই মেয়েটার জন্যে খুব বেশি খারাপ লাগছিলো লিখার সময়।মনে হচ্ছিলো মেয়েটাকে এত কষ্ট দেয়াটা কি আমার ঠিক হচ্ছে।

৪. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০১
পারভেজ বলেছেন: ছোট ছোট খুটিনাটি অনুভবগুলি গল্পটাকে আকর্ষনীয় করে রেখেছে।
যেমন-
"আমাকে ঘিরে কতো তুচ্ছ বেপারেও যে তুমি আনন্দ পেতে আমি এখনো ভেবে অবাক হই!!"
বানান ভুল সামনে আরো কমবে আশা করি :)
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

লেখক বলেছেন: আসলে আমার কোন লিখা তখনই খুব ভালো লাগে যখন চোখের সামনে গল্পের দৃশ্যগুলো ছবি হয়ে ধরা দেয়।
আর ছোটছোট ঐসব খুটিনাটি কথাগুলো সেই ছবি তৈরি করার একমাত্র উপায় বোধহয়।
বানান ভুল কমাতে কিভাবে চেষ্টা করব বুঝতে পারছি না।

৫. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
নির্ভয় নির্ঝর বলেছেন: বাকিটুকুর অপেক্ষায় থাকলাম। সবগুলো মিলে একসাথে মন্তব্য করব।

এখন একটু করলাম, খুঊঊঊব ভালো লেগেছে। বাস্তব জীবনের সাথে অন্যরকম একটা মিল পেলাম।
ভালো থাকবেন।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

লেখক বলেছেন: হুমম সবটুকু মিলিয়ে কেমন হল তা জানালে ভালো লাগবে।ধন্যবাদ।

৬. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৩
অপ্‌সরা বলেছেন: মাই গড!!

এমন একটা লেখা তুমি কি করে লিখে ফেললে আপুনি!!
অনেক ভালো হয়েছে।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অপ্‌সরা।আমি নিজেও বুঝতে পারছিনা কিভাবে লিখলাম।

৭. ১৫ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: একটা কথা বলি। একটা উচ্ছ্বাস নিয়ে গল্পটা শুরু। আমার এক বন্ধু, প্রানের টইটম্বুর বললে কম হবে ওর মধ্যে। এসএসসি টা দেবার পর ২ বছর লাপাত্তা। আসলে আমিই লাপাত্তা ছিলাম। যাই হোউক ফরিদপুরে গিয়ে শুনি ও নাকি বিয়ে করে ফেলেছে তাও আবার একজনকে ভাগায় নিয়া। কোলের ৬ মাসের একটা মেয়ে!

আমি বললাম পড়া শুনা ছাড়লি কেন? বললো স্বাধীন হইয়া কিছু করতে চায়। আমি যাবার ঠিক পরের মাসেই ওর বাবা হার্ট এ্যাটাক করে। ওর সামনে আস্তে আস্তে বাস্তবতা এসে দাড়ায়। টানাটানি লাগবার আগেই বাইরে চলে যায়। যাবার আগে দেখা হলো, কিন্তু ওর চোখের সেই উচ্ছ্বাস গুলো ছিলো না আর। ও চলে যাবার কয়েকমাস পর শুনি পর সেই মেয়েটা কোনো একটা সামান্য অসুখে মারা গেছে। শুনে খুব দুঃখ লাগলো। জানি না কিভাবে সামান্য জ্বরে একটা শিশু মারা যায়। আমি ওকে চিঠি লিখে বলেছিলাম ছুটি নিয়ে আসবি না? ও কোনো জবাব দেয় নাই। ২-৩ বছর আগে একটা আননৌন নাম্বার থেকে কল আসে। ও মালয়েশিয়া থেকে ফিরেছে বললো।

আমি তেমন ভাসা ভাসা তেমন কিছু জানি না, তবে শুনলাম ওর মেয়ে মারা যাবার পর ওর স্ত্রীর সাথে ডিভোর্স হয়ে যায়। মেয়েটা আরো বড়লোক কাউকে বিয়ে করে। নিজেও আর বিয়ে করতে পারেনি কারন কন্যার শোক তখনও ভুলতে পারি নাই!

আমি বললাম জীবনের সবকিছুই কি প্রেডিক্টেবল হয়? যদি সেই সংসার ওর জন্য এখনও অপেক্ষা করতো আর ও যদি এই সংসারের মায়ায় এখনও পড়ে থাকতো তাহলেও কি সুখ নামের বস্তুটি পেতো? ও আমাকে পারলে চড় মারে!

আমি মনে হয় একটু কড়া কথাই বলেছিলাম। কিন্তু আমি যেনো কেমন জানি সবকিছুই খোদার হাতেই ছেরে দিয়েছি। কালকে যদি এমন হয় আমি নিজেই মরে গেলাম, তবুও মনে হবে খোদা নিশ্চয়ই ভালোর জন্যই করেছেন। আমি জানি না তখন আমার বাবা মা বা বোনের কি হবে, তবে এটা জানি খোদার দুনিয়ায় অবিচার হয় না!

যেখানে আমাদের সব প্রশ্ন মূল্যহীন হয়ে যায়, তখন শুধু এটা নিয়েই বেচে থাকতে হয়!

খুবই সুন্দর লেখা এবং প্রিয়তে!
৮. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:০৮
ত্রেয়া বলেছেন: আপনার বন্ধুর কথা শুনে খুব খারাপ লাগলো।এমন অনেক কিছুই হয় যা আমরা আটকাতে পারিনা।কিন্তু মেনেও নিতে পারিনা।
তবে আমিও আপনার মত আল্লাহর কথাটা চিন্তা করি যে আমি কোনকিছুর জন্যে সত কেঁদেও কিছু হবে না যদিনা উনি চান।
আমি নিজে কিন্তু ভালো থাকতে জানি খুব বেশি।সে যত কিছুই হোক না কেন,,যত ঝামেলা বা সমস্যা আমি জানি কিভাবে ভালো থাকতে হয়।তাই কোনকিছু নিয়েই খুব একটা মাথা ঘামাই না।কি হবে চিন্তা করে জীবন যেমন চলার তেমনি চলবেই।তাইনা।
৯. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
পেন্সিল বলেছেন: সাবাস...বানান ভুল ছাড়া তেমন কোন দোষ ধরা যাচ্ছে না...+
১০. ১৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
ত্রেয়া বলেছেন: হাহাহাহা,, সাবাস!!
কেন,, দোষ হওয়ার কথা ছিলো নাকি!!
ধন্যবাদ প্লাসের জন্যে।
১১. ১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৩
_তানজীর_ বলেছেন: ভয় পাইছি! অনেক সুন্দর লেখা! কিছু কারণে পড়ার সময়ে মনে হচ্ছিল আমার চেনা কিছু মানুষের গল্প পড়ছি। যাই হোক, পরের পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম। গল্পটা অনেক চেনা চেনা লাগল।

বানান ভুলের সাথে একমত। অনেক জায়গায় অপ্রয়োজনীয় ো-কার আছে। যেমন: মোন, কোখোন... তবে প্রথম পর্বের চেয়ে এই পর্বটায় এরকম ভুল অনেক কম। লেখা ভাল হচ্ছে। শুভেচ্ছা রইল।
১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৬

লেখক বলেছেন: আমিও ভয় পেয়েছি।গল্পটা আপনার পরিচিত শুনে।গল্প চেনা চেনা কিভাবে হয়!!!
আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভালো লাগল।
বানান ভুল :(
কি করবো বুঝতে পারছি না।আমি রিভাইজ দিতে পারি না আর লিখার সময় খুব কনফিউজড হয়ে যাই।অতটা খেয়াল ও করতে পারিনা কি বানান লিখছি।
বুঝতে পারছি সবার জন্যেই ব্যাপারটা খুব ইরিটেটিং।তবে আমি চেষ্টা করছি।আপনি ভাল থাকবেন।আর ধন্যবাদ আপনাকে।

১২. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:৩৪
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন:
''ভেতরে আমার
বাঁশিটা বাজেনা আর
ওড়ে না পাখির
আঁকা বাঁকা রঙিন আচড়
ভেতরে আমার
ভেঙ্গে পড়ে শুধু পাড়
আর নদীর জলে
ঢেউগুলি নির্বাক.........।''

লেখাটি কী আপনার দিদি? যদি আপনার হয় তাহলে বলবো- গদ্যের পাশাপাশি মাঝে মাঝে কবিতা লিখলে মন্দ হতো না।
১৩. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯
ত্রেয়া বলেছেন: জি লেখাটি আমারই।
আমি কবিতা লিখায় খুব একটা ভালো না তবে চেষ্টা করবো।
ভাল থাকবেন।
১৪. ১৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: আপনার লেখার মধ্যে আমার কিছু কল্পনা আর লেখার খুব মিল খুজে পাচ্ছি ... হয়ত সে জন্যই যতই পড়ছি ততই মুগ্ধ হচ্ছি ... পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ....
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: তাই,,অবাক বেপার তো।তবে এমন যে একেবারেই হয়না তাও না।কল্পনা মিলে যেতেও পারে,,হয়তো।কি জানি!!

১৫. ২০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
আবিদ২০০৯ বলেছেন: আপু, আমার "জীবনের কীর্তি ও একটি মেয়ের সত্য কিন্তু লজ্জাকর ঘটনা" এ স্বাগতম।
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার কথা আমি ঠিক বুঝতে পারিনি ভাই।

২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ভয় পাইসি।

১৭. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৬
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: হুম ... ভয় দেখানোর জন্যই দিছি। এখন তারাতারি নতুন পর্ব লেখেন /:)
১৮. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:১৮
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: "জীবনের কীর্তি ও একটি মেয়ের সত্য কিন্তু লজ্জাকর ঘটনা" আবিদ২০০৯'এর নতুন ব্লগের টাইটেল ... আপনারে পইড়া আসার দাওয়াত দিছে :P
২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: ওহহো,,এই হলো ঘটনা।হুমম বুঝলাম।আপনাকে থ্যঙ্কস বুঝিয়ে দেয়ার জন্যে।নইলে আমি জীবনেও এই কথার মর্ম উদ্ধার করতে পারতাম না।

১৯. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩২
কঁাকন বলেছেন: কতোকাল হলো তোমায় ছেড়ে এসেছি,,কতোকাল হল নিজেকে ছেড়ে এসেছি,,সে কতকাল হল.....।
২০. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৩৮
ত্রেয়া বলেছেন: তারপর সময়তো থেমে যায়নি,,
তোমায় ফেলে আসা পেছনে আর আমার মৃত্যু
একই সাথে ঘটেছিলো যেদিন
আমার দ্বিতীয় জীবন,, অথবা আমি এক জীবন্ত লাশ।
এই যে আমি হেটে চলছি একা বহু পথ
কতকাল হল,,নিজেকে ছেড়ে এসেছি সে কতকাল হল.........
২১. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪২
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন: অনুভুতিগুলো খুব স্পষ্ট, ছুঁয়ে যায় ...
২২ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: চেষ্টা করেছি এমনটাই যেন হয়।যেনে ভালো লাগছে কিছুটা হলেও পেরেছি।

২২. ২১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
এন এইচ আর বলেছেন: আপনার এই লেখা আর পড়া হবে না কেননা আমি জানতে চাইনা কি এর শেষ।

তবে আপনি লিখেছেন খুব ভালো। মনের খুব গহীনে ছুয়ে যায় কথা গুলো।
২৩. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫২
ত্রেয়া বলেছেন: শেষটা কি আমরা চাইলেও জানতে পারি,,বা আমি কি আসলেই শেষটা আপনাদের জানাতে পারবো,,আমি জানিনা।
আচ্ছা মোন ভালো করা কিছু লিখলে আপনাকে ডেকে নিয়ে আসবো।তখন কিন্তু পড়তে হবে।
২৪. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭
শাম্মা বলেছেন: পরের পার্টটা পড়তে যাই। এক কথায় অসাধারণ আপু
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: তোমাকে ধন্যবাদ আপু।

২৫. ২২ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৪০
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+

থমকে গেলাম আমি,, কি ভাবছি এগুলো? আমিতো!! আমিতো আমার চেনা শহর আর তুমি থেকে হাজারো মাইল দূরে আজ।কতোকাল হলো তোমায় ছেড়ে এসেছি,,কতোকাল হল নিজেকে ছেড়ে এসেছি,,সে কতকাল হল.....।
ভেতরটা আমার হুহু করে উঠলো।আমি আবার
বসে পরলাম।
/////////////////////////////////////////////////////////////////////////////////দারুন।

উপস্থাপনা অসাধারণ হয়েছে। যদিও আজকাল গল্প পড়িনা! কিন্তু আজ আপনার গল্পই বলি আর অনুভূতির প্রকাশই বলিনা কেন দাুন লেগেছে।


ভালো থাকুন।
শুভেচ্ছা আপনায়।
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
আপনিও ভালো থাকুন।

২৬. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
আবদুর রহমান (রোমাস) বলেছেন: ঘটনার আবহ এমনভাবে পরবর্তী লাইন জানার জন্য ইচ্ছা সৃষ্টি করর্তেছে.......... মনে হচ্ছে ঘটনার মধ্যে ডুবে যাচ্ছি!! +++++
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৬

লেখক বলেছেন: কি ভাবছেন??

২৮. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:৪৫
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: দ্বীচারিনীগুলা পড়লাম...দআরুন সাবলীল...মুগ্ধতা ...
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৯. ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
ইমতিয়াজ জামিল বলেছেন: পরেরটায় যাই...মন খারাপ হয়ে যাচ্ছে...যদি নিজের কথাগুলো এত সুন্দর করে লিখতে পারতাম :(
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি এর চেয়ে কত সুন্দর লেখেন আবার এ কথা বলছেন।ঠিক না একদম ঠিক না কিন্তু।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৩১. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
ফেরারী পাখি বলেছেন: সত্যি ভালো লেগেছে। ঘটনার পরম্পরা গুলো ধরে রাখতে পেরেছেন।

তবে কিছু সাধারণ বানান শুধরে নিলে পড়তে আরও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবো।

মোন> মন
বেপার> ব্যাপার

এরকম আর কি?
৩২. ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪২
ত্রেয়া বলেছেন: চোখে যখন ভুল বানান ধরা পরে, পড়তে যে খুবি বিরক্ত লাগে তা আমি নিজেও জানি।
আমি খুবি লজ্জিত।
৩৩. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৩৪
মে ঘ দূ ত বলেছেন: আগেরটার মতোই চমৎকার লাগছিল কিন্তু শেষের লাইন কটায় এসে মনে হল যেন যে সুরটা এতক্ষণ ধরে ধীরে ধীরে আবেশিত করে রাখছিল সে সুরটা কেটে গেছে।

যাক পরের পর্বে যাই।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৬

লেখক বলেছেন: আপনার বলার ভঙ্গিতে মনে হল লেখাটার ধারাবাহিকতাটা বোধহয় ধরে রাখতে পেরেছি।
ভালো লাগল।
ধন্যবাদ।

৩৪. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৩৬
ফারহান দাউদ বলেছেন: পড়ছি। দ্বীচারিণী= দ্বিচারিণী হবে। শিরোনামটা একটু কষ্ট করে ঠিক করে নিন।
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

লেখক বলেছেন: আয় হায়,,,গল্পের নামের বানানও ভুল।আমাকে দিয়ে আসলেই কিচ্ছু হবে না :(
এখন কি করি?
ভাল লজ্জাতেই পরলাম দেখি :(

৩৫. ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৭
kazibondhu বলেছেন: ডেভেলপমেন্ট টা সুন্দর হয়েছে। পর্ব থেকে পর্বে স্থানান্তর টা ও অপুর্ব। পরের গুলো পরে ও গুলো তে লিখবো। খুব ই সুন্দর হয়েছে
০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাজি ভাই :)

৩৬. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভেবেছিলাম একসাথে পড়ে ফেলব সবগুলো পর্ব ।

গতকাল শুরু করেছি , আজ এখানে এসে থামতেই হল ....

লেখাটা খুব বেশি জীবন্ত হয়ে যাচ্ছে , জানিনা সামনের পর্বগুলোতে কি হবে । কিন্তু আমি এর মাঝেই লেখায় আঁকা ছবিটায় গভীর বেদনাভরে মিশে গিয়েছি ।

অসাধারণ লেখেন
৩৭. ০৩ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭
ত্রেয়া বলেছেন: মেহরাব আপনি তো মনটাই খারাপ করে দিলেন,,এমন যদি আর না লিখতে পারি তবে এত সুন্দর সুন্দর মন্তব্য কই পাব?
খুব ভালো লাগল।
আপনাকে ধন্যবাদ।
৩৮. ০৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৭
তারিক মাহমুদ (তারিক) বলেছেন: হু!!! প্রথম পর্বটা পড়ি নাই। তারপরেও কিছু কইতে চাই। প্রথমে কই একটা গল্প। যদিও সময়টা অল্প। হা হা হা।

পৃথিবীতে আর কোন নতুন গল্প লেখা হইবে না। পৃথিবীর সব গল্প লেখা হইয়া গেছে। কথা সত্যি এবং মু. জাফর ইকবাল না কি একবার গনিত দিয়া এইটা প্রমান করার চেষ্টা করছিলো। এবং পরে নিজেই স্বীকার করছে সাহিত্যে গানিতের হাতুড়ি দিয়া পেরেক মারার কোন মানে নাই। তাই, আমি বলতে চাই গল্পটা আমার চেনা-শোনা। এইরকম গল্প হয়তো খুজলেই পাওয়া যাইবো। তয় যেইডা পাওয়া যাইবো না হেইডা হইলো 'ভাষা'। মানে এই গল্পটাই যদি আমি লেখি তয় তার বর্ণনার ভাষার বিন্যাস হইবো আমার মত। যেমন এইহানে আপনার মত। এই আর কি? ওই যে কইছিলাম না, ভাষার ভেতরে বসবাস করার কাহিনী। ওই আর কি। তয় পুরাডা লেইখালান, তারপর একটা শক্ত কইরা বান (কমেন্ট) মারমুনে। আমারো কামে লাগবো, আপনারো।

অপেক্ষায় রইলাম। এবং ধন্যবাদ।
৩৯. ০৬ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:১৪
শ্রাবণ নজরুল বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন । মনের গহীনে ছুয়ে যায় .......

 

মোট সময় লেগেছে ১.০২২০ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ভেতরে আমার
বাশীঁটা বাজেনা আর
ওড়ে না পাখির
আঁকা বাঁকা রঙিন আঁচড়
ভেতরে আমার
ভেঙ্গে পড়ে শুধু পাড়
আর নদির জলে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই