আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০০৮ ত্রিভুজ

প্রসঙ্গ নাস্তিকতা: নাস্তিকরাও তাহলে ঈমানদার বান্দা?

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৩৭

শেয়ার করুন:                   Facebook

মূল আলোচনাটা ব্লগার রাসেল( .......) এর 'আস্তিক ভাইদের জন্য- আসুন জ্ঞানালোচনা করি' শিরোনামে করা পোস্টে মন্তব্য আকারে শুরু হয়েছিলো। মূল পোস্টের জিজ্ঞাসায় প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য সেখানে আলোচনাটা না করে আলাদা পোস্টে শুরু করলাম।

---

আমার মূল প্রশ্ন খুব সহজ এবং ছোট। তার আগে দু'টো বিষয় পরিষ্কার করে নেই-

আস্তিকদের 'দাবীগুলো' যুক্তি ও প্রমাণ নির্ভর নয়। ইসলামে সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ না পেয়ে বা সৃষ্টিকর্তাকে না দেখে বিশ্বাস করার নামই ঈমান।

নাস্তিকরা প্রমাণ ব্যতিত তারা কোন কিছু মেনে নিতে রাজী নয়। সবকিছু বিজ্ঞান ও যুক্তির নিরিখে যাচাই করেই তারা কোন কিছুকে সত্য বলে স্বীকার করতে চায়। এক কথায় নাস্তিকদের 'দাবীগুলো' যুক্তি ও প্রমাণ নির্ভর।

এখন লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে,
আস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা আছে'।
নাস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা নাই'।

উল্লেখ্য সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি। যা প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয় নয়, তা মেনে নেয়া মানে না জেনে মেনে নেয়া। আর কোন বিষয়কে না জেনে না দেখে মেনে নেয়াকেই বিশ্বাস বা ঈমান বলা হয়।

তাহলে নাস্তিকরাও কি ঈমানদার বান্দা?


---
ইসলাম গ্রুপে প্রকাশিত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নাস্তিকতাআস্তিকতাবিশ্বাস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: চিন্তা ভাবনাধর্ম ও জীবন  বিভাগে ।

 

  • ৪৮ টি মন্তব্য
  • ৬৬১ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩০ জনের ভাল লেগেছে, ১০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৪
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আমি যদি বলি "নাস্তিকতা" এখনকার যুগে একটা বিজনেস।
২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন: নাস্তিকরা যেহেতু সবকিছু লজিক্যাল ভিত্তিতে মানতে চায়, সেহেতু সৃষ্টিকর্তা নেই এটা প্রমাণের দায়ভার তাদের উপর এসে যায়। কিন্তু তারা এটা প্রমাণ করতে ব্যার্থ। আর এই ব্যার্থতাই তাদের স্ববিরোধী চরিত্র ফুটিয়ে তোলে। তারা নিজেরাও কি এই স্ববিরোধীতা টের পায় না? অবশ্যই পায়, তাহলে স্বীকার করে না কেন?

হয়তো তোমার কথাই ঠিক, "বিজনেস"।
৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: স্ববিরোধিতার প্রমান?

যাদের আপনি নাস্তিক বলে জানেন তারা কি আসলেই নাস্তিক?

এখনকার যুগে যারা নাস্তিক বলে পরিচয় দিচ্ছেন তাদের কয়জন আসলেই নাস্তিক? যদি আসলেই নাস্তিক কেউ থেকে থাকেন তাহলে উনি আসুক, আর আমাদের বোঝাক নাস্তিকতার মূল ব্যাপারটা কি (অবশ্যই কপি পেস্ট ছাড়া)।
৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৫
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ইদানিং একটা ব্যাপার উপলব্ধি করছি যে, আসলে নাস্তিকতাও একটা ধর্ম। এদের মাঝে কেউ কেউ আবার নাস্তিকতা ধর্মে ধর্মান্ধ।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এখন পর্যন্ত (আমার চিন্তাধারা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হয়, কালকে অন্য কিছুও ভাবতে পারি) এটাই ভাবি যে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।

এগুলো নিয়ে আলোচনা, চিন্তা ভাবনা হতে পারে। তবে আস্তিক, নাস্তিক সবাইকে বলি যাই করুন, দুষ্টলোকের ধর্মকথা হতে সাবধান
৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৬
comment by: মুনিয়া বলেছেন: ব্লগে কঠিন ডিসকাশণ চলছে দেখি!
৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১১
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:
@নাহিদ মাহমুদ
খুব অভিজ্ঞ এবং রিয়েল নাস্তিকের দেখা পেয়েছি বেশ কয়েকজনই। লোক দেখানো নাস্তিক ছিলেন না তারা। এই প্রশ্নের উত্তরটা অবশ্য তারা কেউ দিতে পারেননি। দেখা যাক ব্লগের কোন নাস্তিক বা ভেকধারী নাস্তিক এর উত্তর জানেন কিনা।


@বিবর্তনবাদী
ধর্ম বলতে আসলে যা বুঝায় সেই হিসাবে নাস্তিকতা যে ধর্ম তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে ধর্মের অন্যরকম ব্যাখ্যা দিয়ে নাস্তিকতাকে ধর্ম থেকে আলাদা করার চেষ্টা করেন কেউ কেউ।

আপনি সম্ভবত লিংকটা দিয়েত একটু ভুল করেছেন।


@মুনিয়া
ডিসকাশনের জন্যইতো এখানে আসা.. সবার কাছ থেকে নতুন কিছু জানার চেষ্টা... এই তো!

৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ইদানিং একটা ব্যাপার উপলব্ধি করছি যে, আসলে নাস্তিকতাও একটা ধর্ম। এদের মাঝে কেউ কেউ আবার নাস্তিকতা ধর্মে ধর্মান্ধ।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এখন পর্যন্ত (আমার চিন্তাধারা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হয়, কালকে অন্য কিছুও ভাবতে পারি) এটাই ভাবি যে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।

এগুলো নিয়ে আলোচনা, চিন্তা ভাবনা হতে পারে। তবে আস্তিক, নাস্তিক সবাইকে বলি যাই করুন, দুষ্টলোকের ধর্মকথা হতে সাবধান

(আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে আমার আগের কমেন্টে দেওয়া লিংক আমার নিজের পোস্টের বদলে রাসেলের পোস্টের দেওয়া হয়েগেছে। ঠিক করে দিলাম); ত্রিভুজ ভাই, অনুগ্রহ করে আমার প্রথম মন্তব্য মুছে দিন, লোকে ভুল বুঝত পারে।
৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: বিবর্তনবাদী বলেছেন, ................ সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।
৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
comment by: মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: নাস্তিদের কাছে আমারও একটা প্রশ্ন আছে। আস্তিকরা পাপাচার করতে ভয় পায় কেননা তাদের বিশ্বাস তাদেরকে পাপ থেকে দূরে রাখে। তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ বা কিছু একটা তাদের এই বিষয়ে নিষেধ করে। যদিও হাজার লক্ষ আস্তিক আছে যারা এমন পাপকর্ম নেই যা করছে না। কিন্তু তবুও তাদেরকে কোন একটা বিষয় বা বস্তু পাপাচারে বাধা দিচ্ছে। মানা না মানা হয়ত তাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার।

কিন্তু নাস্তিকরা কি আদও পাপাচার কিংবা অন্যায় আত্যাচার হতে নিজেদের বিরত রেখেছে? আর রাখলেই বা কেন? কোন ধরনের বিশ্বাসে তারা তো বিশ্বাসী নয়। আসলে কোন বস্তু তাদেরকে ভাল এবং মহান কাজে উৎসাহিত করে? আসলে এই বিষয়ে আনেকেই জানতে চায়।

আর মন্দ কাজের কথা বললে, মানুষ যে বিষয়ে আনন্দ পায় তা করার জন্য তাকে দেখিয়ে দিতে হয় না।

আর নাস্তিদের ভাল কাজ করার পেছনে যদি কেউ বিবেকের তারনার কথা বলেন তবে প্রশ্ন থেকে যায়। আচ্ছা বিবেকের আস্তিত্বের কথা কোন বিজ্ঞানী প্রমাণ করতে পেরেছেন কি?

পরিশেষে সহজ বাংলা ভাষায় নাস্তিকদের কাছে একটি দাবী তুলে যাচ্ছি " আমি বিবেক দেখবার চাই ;)"




১০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২১
comment by: মানুষ বলেছেন: আসলে আপনার যুক্তিকে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।

স্পষ্টতই পৃথিবীতে ভূত প্রেতের অস্তিত্ব নেই তার পরেও অহরহ ভূতের গল্প লেখা হচ্ছে। এখন আমি যদি বলি ভূত নেই এটা প্রমাণ করে দেখান, অবশ্যই সেটা আয়াস সাধ্য হবে।

কিছু কিছু ব্যাপার শুধু উপলব্ধিতেই অনুভুত হয়। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বও সে ধরণের কিছু হয়তো; অন্তত এখন পর্যন্ত।

উল্লেখ্য ব্যক্তিগত জীবনে আমি আস্তিক তবে ধর্মিয় দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো আপনার মতো নয়।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: বিশ্বাসের ভেতরে যুক্তি খোঁজাটা আসলে আস্তিকদের কাজ নয়। বিশ্বাসকে যেধরনের যুক্তির নিরিখে যাচাই করার চেষ্টা করা হয়, আমার যুক্তিটাও সেই টাইপের। আর এই পদ্ধতিটা ভুল। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মত বিষয়...

সৃষ্টিকর্তাকে সত্যিকার ভাবে যারা বিশ্বাস করে, তারা উপলদ্ধি করতে পারে। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব যারা টের পায় না, তাদেরকে কোন ভাবেই সেটা বুঝানো সম্ভব নয়।


ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী না বলে আপনি লাইফ স্টাইল বলতে পারেন। আমার কাছে জীবন আর ধর্ম আলাদা কিছু নয়।

১১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২১
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: @মৃত হাসানের প্রেতাত্মা:

আমার দেখা কিছু নাস্তিকতা ধর্মে অন্ধ নাস্তিক ধর্ম ব্যবসায়ী ছাড়া, বাকি নাস্তিকেরা অন এভারেজ আস্তিকদের চাইতে পাপ কম করে।
১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৪
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: আপাতত ঘুমতে গেলাম...কাল একটা দীর্ঘ মন্তব্য করার আশা রাখি;)
১৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৭
comment by: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: ব্লগের প্রতিষ্ঠিত নাস্তিকদের কাছে থেকে কিছু শুনতে পারলে খুব ভালো লাগতো।
(অবশ্য কপি পেস্টিং এর লিংক গুলো এখন সবার হাতে হাতে, ধরা খাওয়ার সম্ভবন্ শতভাগ)।
১৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
comment by: নাজমুল। বলেছেন: @ নাহিদ মাহমুদ এর সাথে সহমত।
১৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: দুষ্টলোকের ধর্মকথারে ফোন লাগানো হইছে @ নাহিদ মাহমুদ.... সে তার বোল্ড-ইটালিক - আর আন্ডারলাইন করা কপিপেষ্টগুলো নিয়ে হয়তোবা অতিশীঘ্রী হাজির হয়ে যাবে...
১৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৪
comment by: মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
মানুষ বলেছেন: আসলে ........অবশ্যই সেটা আয়াস সাধ্য হবে।

@মানুষ, (যদি আমাকে বলে থাকেন) আসলে প্রশ্নটা নাস্তিদের কাছে ছিল। "ভূত প্রেতের অস্তিত্ব নেই" এটা আসলে মোটামুটি প্রমাণিত। আর সৃষ্টিকর্তার আস্তিত্ব নিয়ে আমি আতটা সন্ধিহান নয়ই।

বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমার দেখা কিছু ........................চাইতে পাপ কম করে।

@বিবর্তনবাদী, নাস্তিকরা ধর্ম ব্যবসায়ী কিনা আমার জনা নেই। তবে হলেও আমি কিছুই করতে পারব না। আর প্রচুর আস্তিক আছে যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে। নাস্তিকরা করলে আমি আর কি করব বলেন?

আচ্ছা ঠিক আছে নাস্তিকরা, আস্তিকদের চেয়ে পাপ কম করে। এতে আমার কোন সমস্যা নেই। বরং পাপাচারী কম থাকা দেশ ও দশের জন্য ভাল। আমার প্রশ্ন কিন্তু কেন? কেন তারা পাপ কম করে? কোন আস্তিককে আপনি দুস্থকে খাবার দিতে দেখলে যদি জিজ্ঞেস করেন এটা সে কেন করছে? সে উত্তরে বলবে আমার ধর্ম আমাকে শিখিয়েছ। কিন্তু আস্তিকরা কি বলবে?

১৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
comment by: ভাইটামিন বদি বলেছেন: আলোচনা টা তো ভালই জমছে.....

এটলিস্ট গালিবাজ এবং গলাবাজরা দুরে আছে....

এভাবে চললে অনেক কিছুই জানা যাবে...

আপনার মৌলিক যুক্তির সাথে একমত।।।
১৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
comment by: মুনিয়া বলেছেন: ডিসকাশন তো চলছে ভালোই....
১৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
comment by: বিবেক সত্যি বলেছেন: "যেটা প্রমান করা যাবে, সেটা বিশ্বাস করবো..." এই কনসেপ্টটা একটা ভুল কনসেপ্ট... আমি মনে করি, যেটা প্রমান হয়ে যায়, সেটা বিশ্বাস করার কোন মানে নেই । বিশ্বাস সেটাকেই করতে হয়, যেখানে প্রমানের অবকাশ নাই... প্রমান হয়ে গেলে সেটাকে বিশ্বাস করা না করায় কি আসে যায়.. !

কাকে যেন বলতে শুনেছি, নাস্তিক হতে হলে নাকি বুকে পাটা লাগে.. ! :-) আমার তো মনে হচ্ছে ব্যাপারটা উল্টো... নাস্তিকদের যে হারে দাবী দাওয়ার কথা শোনা যায়, সেটা ভীতু মানসিকতারই প্রতিফলন... বরং একটা না দেখা অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে যে আস্তিকেরা, তারাই অনেক বেশি সাহসী ...
২০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:১১
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আমি যদি বলি "নাস্তিকতা" এখনকার যুগে একটা বিজনেস।

ভাই, নাস্তিকতা, মুনাফেকী, সেক্যুলারিজম, আস্তিকতা সবই ব্যবসা। কেউ দুনিয়া পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে, কেউ আখিরাত পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে। আস্তিকরা শেষেরটির জন্য করে।
২১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
comment by: ভূপর্যটক বলেছেন: ধর্ম বলতে আস্তিক নাস্তিকের মামলা মনে করা খুবই নিচু মানের চৈতন্য লক্ষণ; কোন ধর্মই আল্লা, গড, ঈশ্বর বলতে একে বস্তু জ্ঞান করার মত সস্তা ধারণা দেয় নাই। নিচু চৈতন্য বললাম একারণে,

১। সাধারণভাবে ধর্ম কী, মানুষের চিন্তা ও দর্শনের সাথে এর সম্পর্ক কী তা না জেনেই এরা একটা তর্ক শুরু করে।
২। দেখা ভিত্তিক বস্তু সংক্রান্ত "বিজ্ঞানের" একটা প্রভাব থেকে এরা আল্লা, গড, ঈশ্বর ইত্যাদি বলতে ধারণাগুলোকে প্রথমে বস্তু জ্ঞান করে নামিয়ে আনে। পরে এই পূর্বানুমানকে সহজেই বস্তু সংক্রান্ত যাবতীয় "বিজ্ঞানের" ধারণা দিয়ে ধরাশায়ী করে বিজয়ের হাসি হাসে। আল্লাকে বস্তু-জ্ঞান করা - এই পূর্বানুমানের উপর দাঁড়িয়ে এযেন বাতাসে তলোয়ার চালানো।
৩। আল্লা, গড, ঈশ্বর ইত্যাদি বলতে ধারণাগুলোকে আপাত এক মনে হলেও এর ব্যাখ্যায় আকাশ পাতাল ফারাক আছে বটে, তবে তা এখন প্রাসঙ্গিক নয়। কথা আপাতত আল্লায় সীমাবদ্ধ রাখি। ইসলাম আল্লা ধারণায় আরও বেশী সর্তক। আল্লাকে বস্তু-জ্ঞান করে "আছে" বলা ইসলামের মূল দার্শনিক ভাবনার থেকে সরে যাওয়া। ধর্মীয় উপলব্দিতে যাকে শেরেকী বলা হয়ে থাকে। দর্শনের পর্যালোচনার দিক থেকে যা ভূল চিন্তা, ইসলামের দার্শনিক কৃতিত্ত্ব উপলব্দি করার ব্যর্থতা। শেরেকী বলাতে কারও মার মার কাটকাট হবার দরকার নাই। ঐ শ্রমটা শেরেকী কেন বলছে তা বুঝার কাজে ব্যয় করতে হবে। আমরা ইসলাম মানি না মানি, কেন বলেছে এটা জানতে তো অসুবিধা নাই। জানলে মানা না মানা সবার পরস্পরকে বুঝতে সুবিধা হবে। যেটা এখন সবচেয়ে বেশী দরকার, আস্তিক নাস্তিকের হালকা কূটতর্ক থেকে সবার বের হয়ে আসার পথ।
৪। আস্তিক নাস্তিকের কথার পিঠে "বিশ্বাস" খুবই চালু শব্দের একটা। প্রচলিত অর্থে আমরা আল্লায় বিশ্বাস করার কথা শুনি বটে; তবে ইসলাম ধর্মপ্রাণদের আল্লায় "ঈমান' আনতে বলেছেন। বিশ্বাসে ইসলামের আগ্রহ নাই কেন, সেটার দার্শনিক ভুমিকা ও তাৎপর্য আমরা ইসলাম মানি না মানি, বুঝতে পারলে ধর্মপ্রাণ বা সাধারণ মানুষকে বুঝার সুবিধা পাব। যে ধর্মপ্রাণ আর যার ধর্মে আস্হা নাই উভয়েই কাছে আসতে পারবে। মাঝখানে ধর্মের ব্যবসায়ী কেউ থাকলে তাঁর ভাত মরবে।

আমার আকুতিটা হলো, আস্তিক নাস্তিকের কুতর্ক থেকে আমরা সবাই বের হয়ে আসি। ধর্ম নিয়ে একটা সুস্হ ডায়লগের, ডিসকোর্সের ধর্মীয় নয়, দার্শনিক-রাজনৈতিক শক্তিশালী জায়গা বের করি।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: "এরা" বলতে কাদেরকে বুঝিয়েছেন? আপনি পোস্ট পড়ে মন্তব্য করেছেন?

২২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:০১
comment by: নিরক্ষর বলেছেন: নাস্তিকতাও একটা ধর্ম কিন্তু তারা তা স্বীকার করতে চায় না।

২৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩১
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ঠিক। নাস্তিকতারই বা কি প্রমান। পুরোটাই তো বিশ্বাস।
২৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
comment by: উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: তবে আমি ইসলামকে জেনে বুঝেই বিশ্বাস করেছি। ইসলাম সত্য ধর্ম তার প্রমান হল কোরানের বিশুদ্ধতা আর তার সমকক্ষ কোন আয়াত রচনায় মানুষের ব্যর্থতা।
২৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
comment by: ভাইপার বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখলাম। ধর্মকথা ভাই মনে হয় এখনো খবর পায় নাই।
২৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
comment by: ক্রিকেট ফ্যান বলেছেন: বস জব্বর হইছে। আমার আংকেলরে দেখাইলাম। তিনি আবার নাস্তিক। আমারে বলছে পড়ালেখা রাইখা এইসবে সময় নষ্ট না করতে। :D
২৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
comment by: লুলুপাগলা বলেছেন: অনেকের কাছে নাস্তিকতা হইল যুগের ফ্যাশন। নাস্তিক না হইতে পারলে ব্যাকডেটেড হইয়া যাইবার সম্ভাবনা থাকে। কারন ধর্মবিশ্বাসী লোকজনকেতো ব্যাকডেটেড বলা হয়।
২৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৬
comment by: রাসেল ( ........) বলেছেন: আস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা আছে'।
নাস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা নাই'।
---------------------

সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি।
----------------------------------------------

মূল প্রশ্ন ইশ্বরের অস্তিত্বের প্রশ্ন, ইশ্বর আছেন কি নেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পন্থা আদতে কি হতে পারে? অনেক ভাবেই আলোচনা শুরু করা যায়। অনেক ডালপালা মেলবে আলোচনা, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে আলোচনার অবসানে আমার নিজস্ব অভিমত তোমার আদর্শিক এবং বিশ্বাসের অবস্থান পরিবর্তন হবে না। তবে মূলত তোমাকে অভিভুত করবার জন্য যুক্তি সাজানো নয়- মূলত আলোচনা করবো বলেই আলোচনা করা-

------------------------------------

ঈমানের শর্ত আছে কিছু- আস্তিকতার শর্ত ইশ্বরের অস্তিত্বে নিঃশর্ত বিশ্বাস স্থাপন। সেই সূত্রেই ইশ্বরের কারসাজি এবং কারিগরির উপরেও বিশ্বাস স্থাপন করাটা আস্তিকতার একটা শর্ত হয়ে দাঁড়ায় ।

ইহুদী, খ্রীস্টান কিংবা ইসলাম সব ধর্মেই নিশ্চিত করে বলা হয়েছে ইশ্বরই এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে, নির্দিষ্ট কয়েকটি উদ্দেশ্যেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

আপাতত এখানে দাঁড়িয়ে আলোচনা করা যায়, মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং একে পরিচালনা এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমুখী করবার জন্য কোনো ইশ্বরের প্রয়োজন রয়েছে কি না?

যদিও এটা ইশ্বরের অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রশ্নকে মহাবিশ্বের সূচনার পূর্বের বিষয় বলেই ধরে নেবে। অর্থ্যাৎ একবার সৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পরে মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে ইশ্বরের কোনো প্রভাব নেই। মহাবিশ্বের ভেতরে ইশ্বর লুকিয়ে আছেন- ইশ্বর লুকিয়ে আছেন তার সৃষ্টির ভেতরে জাতীয় মতবাদ অখন্ড ইশ্বরের ধারণাকে ব্যহত করে বলেই পরিত্যাজ্য।[ যদি তোমার নিজের বিভাজিত ইশ্বরের অস্তিত্বকে মেনে নিতে আগ্রহ থাকে তবে আস্তিকতার যুক্তি অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বলতে পারো ইশ্বর নিজেই বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন শক্তিরূপ ধারণ করে মহাবিশ্বের ভেতরেই সমাহিত রয়েছেন]

ইশ্বরের অস্তিত্ব তার সংবেদন, তার অনুভুতি- আমরা যেভাবে নিজস্ব পরিমন্ডলে অনুভব , প্রতিক্রিয়া ,সংবেদন নামক বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক ভাবে চিহ্নিত করি সেই পর্যায়ে আলোচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। ইশ্বরের সংবেদনশীলতার অন্য কোনো পরিমাপ হয়তো বিদ্যমান যা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় অনুভুত হয় না।

যদিও অস্তিত্বের প্রমাণ কিভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব এ নিয়ে একটা আলোচনা করা যায়।
দৃশ্যমান হওয়ার অন্য একটি শর্ত হচ্ছে তাকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে, ইশ্বরের ক্রোধের প্রতিক্রিয়ায় যেভাবে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আছে বিভিন্ন জনপদ ধ্বংস হয়েছে। সুতরাং ইশ্বরের অস্তিত্ব একটা সময় পর্যন্ত ছিলো। বইয়ের বক্তব্য সত্য মেনে নিলে এমনটাই ধরে নিতে হয়।

পুঁথির বক্তব্য ধরে নিলে এটাও ধরে নিতে হয় ইউনুস নবী সরাসরিই বেহেশতে গিয়েচিলেন আজরাইলের সাথে বন্ধুতার কারণে। এবং এখানেই আদতে অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রমাণের জায়গাটা চলে আসে।

পূঁথি নির্ভরতায় আমি নিশ্চিত বলতে পারি, পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই বেহেশত দোজখ নির্মিত হয়েছে, ইডেনে ইশ্বরের বাসস্থান।সুতরাং ইশ্বরকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও তার বাসস্থান খুঁজে পাওয়ার একটা সম্ভবনা থেকেই যেতো।

আপাতত বেহেশত দোজখের অস্তিত্ব কিংবা এমন কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নয়। যতটুকু হাবল দেখে তার পরিসীমায় এমন কোনো স্থাপনা নেই যা পূঁথি বর্ণিত বেহেশত দোজখের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করে।

------------------------------------------------------------------

মূলত আলোচনা তুমি কোন খাতে নিয়ে যাবে আমি জানি না। তোমার মতো আমিও সারসংক্ষেপ করি-

বর্তমান মহাবিশ্ব পরিচালনা করা কিংবা এটার সৃষ্টির পেছনে ইশ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নেই। মহাবিশ্ব প্রসারিত এবং বিকশিত হওয়ার কোনো পর্যায়েই ইশ্বর কোনো ভুমিকা রাখতে পারেন না। ইশ্বর প্রাকৃতিক নিয়মের দাসত্বশৃঙ্খলে বন্দী। তার কোনো কিছু পরিবর্তন করতে চাওয়ার বিষয়টাও প্রাকৃতিক জগতে চিহ্ন রেখে যাবে যা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

মুলত মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করে এখনও বেহেশত দোজখ নামক ইশ্বর ও ফেরেশতাদের আবাসস্থলের খোঁজ পাওয়া যায় নি। সুতরাং এই মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণসীমা যেখান থেকে আলোর গতিতে আসলেও ২০০০ বছরের ভেতরে পৃথিবীতে পৌঁছানো সম্ভব এমন নিকট দুরত্ব থাকা আমাদের মিল্কি ওয়েতে কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।

-----------------------------------------
২৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
comment by: আবু সালেহ বলেছেন:

নাস্তিকতা বর্তমান যুগের ফ্যাশন....নাস্তিক না হলে যে নিজেকে যুগের সাথে আপডেট করা যাবে না...


সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখায় অনেক ভালো লেগেছে...
৩০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৯
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:


@রাসেল ( ........)
বিশাল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত মূল আলোচনা থেকে ছিটকে সরে গিয়েছেন বা যেতে চান। আপনার বক্তব্যের বটম লাইন কিন্তু মূল যুক্তিটিকে নাকচ করে দিতে সক্ষম হয়নি।

যাই হোক,
মূল আলোচনা থেকে সরে গিয়েও আপনি যেসব কথা বলেছেন সেগুলো নিয়েই কিছু প্রশ্ন জাগলো মনে-


১) আপনি বলেছেন-
"মুলত মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করে এখনও বেহেশত দোজখ নামক ইশ্বর ও ফেরেশতাদের আবাসস্থলের খোঁজ পাওয়া যায় নি।"

প্রশ্ন: বেহশত, দোজখ এই মহাবিশ্বের ভেতরেই অবস্থিত এই তথ্য কোথায় পেয়েছেন?



২) আপনি বলেছেন-
"বর্তমান মহাবিশ্ব পরিচালনা করা কিংবা এটার সৃষ্টির পেছনে ইশ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নেই। "

প্রশ্ন: কিভাবে নিশ্চিত হলেন? কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দিয়ে প্রামাণ করা সম্ভব হয়েছে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে কেউ নেই (কেউ যে আছে সেটাও প্রমাণীত সত্য নয় আগেই স্বীকার করে নিলাম)।


৩) আপনি বলেছেন-
ইশ্বর প্রাকৃতিক নিয়মের দাসত্বশৃঙ্খলে বন্দী।

প্রশ্ন: কিভাবে? আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করুন।


৪) আপনি বলেছেন-
"আপাতত বেহেশত দোজখের অস্তিত্ব কিংবা এমন কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নয়।"

প্রশ্ন: বিজ্ঞান কি নিশ্চয়তা দিতে পারে যে বেহেশত বা দোযখ বলে কিছুর অস্তিত্ব (মহাবিশ্ব বা এর বাইরে) কোথাও নেই?


৫) আপনি বলেছেন-
"এই মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণসীমা যেখান থেকে আলোর গতিতে আসলেও ২০০০ বছরের ভেতরে পৃথিবীতে পৌঁছানো সম্ভব এমন নিকট দুরত্ব থাকা আমাদের মিল্কি ওয়েতে কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।"

প্রশ্ন: সিস্টেমের ভেতরে বসে সিস্টেমের ক্রিয়েটরকে বুঝার চেষ্টাটা কতটুকু যুক্তিযু্ক্ত? সিস্টেমের প‌্যারামিটারগুলো কি এর ক্রিয়েটরের জন্য প্রযো