আমার প্রিয় পোস্ট

© ২০০৬ - ২০১১ ত্রিভুজ

প্রসঙ্গ নাস্তিকতা: নাস্তিকরাও তাহলে ঈমানদার বান্দা?

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৩৭

শেয়ারঃ
0 0 0

মূল আলোচনাটা ব্লগার রাসেল( .......) এর 'আস্তিক ভাইদের জন্য- আসুন জ্ঞানালোচনা করি' শিরোনামে করা পোস্টে মন্তব্য আকারে শুরু হয়েছিলো। মূল পোস্টের জিজ্ঞাসায় প্রাসঙ্গিক থাকার জন্য সেখানে আলোচনাটা না করে আলাদা পোস্টে শুরু করলাম।

---

আমার মূল প্রশ্ন খুব সহজ এবং ছোট। তার আগে দু'টো বিষয় পরিষ্কার করে নেই-

আস্তিকদের 'দাবীগুলো' যুক্তি ও প্রমাণ নির্ভর নয়। ইসলামে সৃষ্টিকর্তার প্রমাণ না পেয়ে বা সৃষ্টিকর্তাকে না দেখে বিশ্বাস করার নামই ঈমান।

নাস্তিকরা প্রমাণ ব্যতিত তারা কোন কিছু মেনে নিতে রাজী নয়। সবকিছু বিজ্ঞান ও যুক্তির নিরিখে যাচাই করেই তারা কোন কিছুকে সত্য বলে স্বীকার করতে চায়। এক কথায় নাস্তিকদের 'দাবীগুলো' যুক্তি ও প্রমাণ নির্ভর।

এখন লক্ষনীয় বিষয় হচ্ছে,
আস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা আছে'।
নাস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা নাই'।

উল্লেখ্য সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি। যা প্রমাণ সাপেক্ষ বিষয় নয়, তা মেনে নেয়া মানে না জেনে মেনে নেয়া। আর কোন বিষয়কে না জেনে না দেখে মেনে নেয়াকেই বিশ্বাস বা ঈমান বলা হয়।

তাহলে নাস্তিকরাও কি ঈমানদার বান্দা?


---
ইসলাম গ্রুপে প্রকাশিত।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): নাস্তিকতাআস্তিকতাবিশ্বাস ;
প্রকাশ করা হয়েছে: চিন্তা ভাবনাধর্ম ও জীবন  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:০৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৪
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আমি যদি বলি "নাস্তিকতা" এখনকার যুগে একটা বিজনেস।
২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫১
ত্রিভুজ বলেছেন: নাস্তিকরা যেহেতু সবকিছু লজিক্যাল ভিত্তিতে মানতে চায়, সেহেতু সৃষ্টিকর্তা নেই এটা প্রমাণের দায়ভার তাদের উপর এসে যায়। কিন্তু তারা এটা প্রমাণ করতে ব্যার্থ। আর এই ব্যার্থতাই তাদের স্ববিরোধী চরিত্র ফুটিয়ে তোলে। তারা নিজেরাও কি এই স্ববিরোধীতা টের পায় না? অবশ্যই পায়, তাহলে স্বীকার করে না কেন?

হয়তো তোমার কথাই ঠিক, "বিজনেস"।
৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৫৮
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: স্ববিরোধিতার প্রমান?

যাদের আপনি নাস্তিক বলে জানেন তারা কি আসলেই নাস্তিক?

এখনকার যুগে যারা নাস্তিক বলে পরিচয় দিচ্ছেন তাদের কয়জন আসলেই নাস্তিক? যদি আসলেই নাস্তিক কেউ থেকে থাকেন তাহলে উনি আসুক, আর আমাদের বোঝাক নাস্তিকতার মূল ব্যাপারটা কি (অবশ্যই কপি পেস্ট ছাড়া)।
৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৫
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ইদানিং একটা ব্যাপার উপলব্ধি করছি যে, আসলে নাস্তিকতাও একটা ধর্ম। এদের মাঝে কেউ কেউ আবার নাস্তিকতা ধর্মে ধর্মান্ধ।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এখন পর্যন্ত (আমার চিন্তাধারা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হয়, কালকে অন্য কিছুও ভাবতে পারি) এটাই ভাবি যে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।

এগুলো নিয়ে আলোচনা, চিন্তা ভাবনা হতে পারে। তবে আস্তিক, নাস্তিক সবাইকে বলি যাই করুন, দুষ্টলোকের ধর্মকথা হতে সাবধান
৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:০৬
মুনিয়া বলেছেন: ব্লগে কঠিন ডিসকাশণ চলছে দেখি!
৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১১
ত্রিভুজ বলেছেন:
@নাহিদ মাহমুদ
খুব অভিজ্ঞ এবং রিয়েল নাস্তিকের দেখা পেয়েছি বেশ কয়েকজনই। লোক দেখানো নাস্তিক ছিলেন না তারা। এই প্রশ্নের উত্তরটা অবশ্য তারা কেউ দিতে পারেননি। দেখা যাক ব্লগের কোন নাস্তিক বা ভেকধারী নাস্তিক এর উত্তর জানেন কিনা।


@বিবর্তনবাদী
ধর্ম বলতে আসলে যা বুঝায় সেই হিসাবে নাস্তিকতা যে ধর্ম তাতে কোন সন্দেহ নাই। তবে ধর্মের অন্যরকম ব্যাখ্যা দিয়ে নাস্তিকতাকে ধর্ম থেকে আলাদা করার চেষ্টা করেন কেউ কেউ।

আপনি সম্ভবত লিংকটা দিয়েত একটু ভুল করেছেন।


@মুনিয়া
ডিসকাশনের জন্যইতো এখানে আসা.. সবার কাছ থেকে নতুন কিছু জানার চেষ্টা... এই তো!

৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমি ইদানিং একটা ব্যাপার উপলব্ধি করছি যে, আসলে নাস্তিকতাও একটা ধর্ম। এদের মাঝে কেউ কেউ আবার নাস্তিকতা ধর্মে ধর্মান্ধ।

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এখন পর্যন্ত (আমার চিন্তাধারা প্রতিনিয়ত বিবর্তিত হয়, কালকে অন্য কিছুও ভাবতে পারি) এটাই ভাবি যে, সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।

এগুলো নিয়ে আলোচনা, চিন্তা ভাবনা হতে পারে। তবে আস্তিক, নাস্তিক সবাইকে বলি যাই করুন, দুষ্টলোকের ধর্মকথা হতে সাবধান

(আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে আমার আগের কমেন্টে দেওয়া লিংক আমার নিজের পোস্টের বদলে রাসেলের পোস্টের দেওয়া হয়েগেছে। ঠিক করে দিলাম); ত্রিভুজ ভাই, অনুগ্রহ করে আমার প্রথম মন্তব্য মুছে দিন, লোকে ভুল বুঝত পারে।
৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৪
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: বিবর্তনবাদী বলেছেন, ................ সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের মানুষের চেষ্টা আর পিঁপড়ার নিজেকে মানুষের চাইতে উন্নত প্রানী প্রমানের চেষ্টা সমার্থক। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমানের আগে ধরে নিতে হবে তিনি মানুষে চাইতে অনেক অনেক গুন উপরে, আর তখনই সেই পরীক্ষার চেষ্টা বৃথা হয়ে পড়ে।
৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:১৬
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন: নাস্তিদের কাছে আমারও একটা প্রশ্ন আছে। আস্তিকরা পাপাচার করতে ভয় পায় কেননা তাদের বিশ্বাস তাদেরকে পাপ থেকে দূরে রাখে। তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ বা কিছু একটা তাদের এই বিষয়ে নিষেধ করে। যদিও হাজার লক্ষ আস্তিক আছে যারা এমন পাপকর্ম নেই যা করছে না। কিন্তু তবুও তাদেরকে কোন একটা বিষয় বা বস্তু পাপাচারে বাধা দিচ্ছে। মানা না মানা হয়ত তাদের ব্যাক্তিগত ব্যাপার।

কিন্তু নাস্তিকরা কি আদও পাপাচার কিংবা অন্যায় আত্যাচার হতে নিজেদের বিরত রেখেছে? আর রাখলেই বা কেন? কোন ধরনের বিশ্বাসে তারা তো বিশ্বাসী নয়। আসলে কোন বস্তু তাদেরকে ভাল এবং মহান কাজে উৎসাহিত করে? আসলে এই বিষয়ে আনেকেই জানতে চায়।

আর মন্দ কাজের কথা বললে, মানুষ যে বিষয়ে আনন্দ পায় তা করার জন্য তাকে দেখিয়ে দিতে হয় না।

আর নাস্তিদের ভাল কাজ করার পেছনে যদি কেউ বিবেকের তারনার কথা বলেন তবে প্রশ্ন থেকে যায়। আচ্ছা বিবেকের আস্তিত্বের কথা কোন বিজ্ঞানী প্রমাণ করতে পেরেছেন কি?

পরিশেষে সহজ বাংলা ভাষায় নাস্তিকদের কাছে একটি দাবী তুলে যাচ্ছি " আমি বিবেক দেখবার চাই ;)"




১০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২১
মানুষ বলেছেন: আসলে আপনার যুক্তিকে মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।

স্পষ্টতই পৃথিবীতে ভূত প্রেতের অস্তিত্ব নেই তার পরেও অহরহ ভূতের গল্প লেখা হচ্ছে। এখন আমি যদি বলি ভূত নেই এটা প্রমাণ করে দেখান, অবশ্যই সেটা আয়াস সাধ্য হবে।

কিছু কিছু ব্যাপার শুধু উপলব্ধিতেই অনুভুত হয়। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বও সে ধরণের কিছু হয়তো; অন্তত এখন পর্যন্ত।

উল্লেখ্য ব্যক্তিগত জীবনে আমি আস্তিক তবে ধর্মিয় দৃষ্টিভঙ্গি হয়তো আপনার মতো নয়।
০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৯

লেখক বলেছেন: বিশ্বাসের ভেতরে যুক্তি খোঁজাটা আসলে আস্তিকদের কাজ নয়। বিশ্বাসকে যেধরনের যুক্তির নিরিখে যাচাই করার চেষ্টা করা হয়, আমার যুক্তিটাও সেই টাইপের। আর এই পদ্ধতিটা ভুল। কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার মত বিষয়...

সৃষ্টিকর্তাকে সত্যিকার ভাবে যারা বিশ্বাস করে, তারা উপলদ্ধি করতে পারে। সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব যারা টের পায় না, তাদেরকে কোন ভাবেই সেটা বুঝানো সম্ভব নয়।


ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গী না বলে আপনি লাইফ স্টাইল বলতে পারেন। আমার কাছে জীবন আর ধর্ম আলাদা কিছু নয়।

১১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২১
বিবর্তনবাদী বলেছেন: @মৃত হাসানের প্রেতাত্মা:

আমার দেখা কিছু নাস্তিকতা ধর্মে অন্ধ নাস্তিক ধর্ম ব্যবসায়ী ছাড়া, বাকি নাস্তিকেরা অন এভারেজ আস্তিকদের চাইতে পাপ কম করে।
১২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৪
অ্যামাটার বলেছেন: আপাতত ঘুমতে গেলাম...কাল একটা দীর্ঘ মন্তব্য করার আশা রাখি;)
১৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:২৭
নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: ব্লগের প্রতিষ্ঠিত নাস্তিকদের কাছে থেকে কিছু শুনতে পারলে খুব ভালো লাগতো।
(অবশ্য কপি পেস্টিং এর লিংক গুলো এখন সবার হাতে হাতে, ধরা খাওয়ার সম্ভবন্ শতভাগ)।
১৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
নাজমুল। বলেছেন: @ নাহিদ মাহমুদ এর সাথে সহমত।
১৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩০
বিবেক সত্যি বলেছেন: দুষ্টলোকের ধর্মকথারে ফোন লাগানো হইছে @ নাহিদ মাহমুদ.... সে তার বোল্ড-ইটালিক - আর আন্ডারলাইন করা কপিপেষ্টগুলো নিয়ে হয়তোবা অতিশীঘ্রী হাজির হয়ে যাবে...
১৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৪৪
মৃত হাসানের প্রেতাত্মা বলেছেন:
মানুষ বলেছেন: আসলে ........অবশ্যই সেটা আয়াস সাধ্য হবে।

@মানুষ, (যদি আমাকে বলে থাকেন) আসলে প্রশ্নটা নাস্তিদের কাছে ছিল। "ভূত প্রেতের অস্তিত্ব নেই" এটা আসলে মোটামুটি প্রমাণিত। আর সৃষ্টিকর্তার আস্তিত্ব নিয়ে আমি আতটা সন্ধিহান নয়ই।

বিবর্তনবাদী বলেছেন: আমার দেখা কিছু ........................চাইতে পাপ কম করে।

@বিবর্তনবাদী, নাস্তিকরা ধর্ম ব্যবসায়ী কিনা আমার জনা নেই। তবে হলেও আমি কিছুই করতে পারব না। আর প্রচুর আস্তিক আছে যারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে। নাস্তিকরা করলে আমি আর কি করব বলেন?

আচ্ছা ঠিক আছে নাস্তিকরা, আস্তিকদের চেয়ে পাপ কম করে। এতে আমার কোন সমস্যা নেই। বরং পাপাচারী কম থাকা দেশ ও দশের জন্য ভাল। আমার প্রশ্ন কিন্তু কেন? কেন তারা পাপ কম করে? কোন আস্তিককে আপনি দুস্থকে খাবার দিতে দেখলে যদি জিজ্ঞেস করেন এটা সে কেন করছে? সে উত্তরে বলবে আমার ধর্ম আমাকে শিখিয়েছ। কিন্তু আস্তিকরা কি বলবে?

১৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:০৩
ভাইটামিন বদি বলেছেন: আলোচনা টা তো ভালই জমছে.....

এটলিস্ট গালিবাজ এবং গলাবাজরা দুরে আছে....

এভাবে চললে অনেক কিছুই জানা যাবে...

আপনার মৌলিক যুক্তির সাথে একমত।।।
১৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৬
মুনিয়া বলেছেন: ডিসকাশন তো চলছে ভালোই....
১৯. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:৩০
বিবেক সত্যি বলেছেন: "যেটা প্রমান করা যাবে, সেটা বিশ্বাস করবো..." এই কনসেপ্টটা একটা ভুল কনসেপ্ট... আমি মনে করি, যেটা প্রমান হয়ে যায়, সেটা বিশ্বাস করার কোন মানে নেই । বিশ্বাস সেটাকেই করতে হয়, যেখানে প্রমানের অবকাশ নাই... প্রমান হয়ে গেলে সেটাকে বিশ্বাস করা না করায় কি আসে যায়.. !

কাকে যেন বলতে শুনেছি, নাস্তিক হতে হলে নাকি বুকে পাটা লাগে.. ! :-) আমার তো মনে হচ্ছে ব্যাপারটা উল্টো... নাস্তিকদের যে হারে দাবী দাওয়ার কথা শোনা যায়, সেটা ভীতু মানসিকতারই প্রতিফলন... বরং একটা না দেখা অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে পারে যে আস্তিকেরা, তারাই অনেক বেশি সাহসী ...
২০. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:১১
আওরঙ্গজেব বলেছেন: নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: আমি যদি বলি "নাস্তিকতা" এখনকার যুগে একটা বিজনেস।

ভাই, নাস্তিকতা, মুনাফেকী, সেক্যুলারিজম, আস্তিকতা সবই ব্যবসা। কেউ দুনিয়া পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে, কেউ আখিরাত পাওয়ার জন্য ব্যবসা করে। আস্তিকরা শেষেরটির জন্য করে।
২১. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৬:৩৭
ভূপর্যটক বলেছেন: ধর্ম বলতে আস্তিক নাস্তিকের মামলা মনে করা খুবই নিচু মানের চৈতন্য লক্ষণ; কোন ধর্মই আল্লা, গড, ঈশ্বর বলতে একে বস্তু জ্ঞান করার মত সস্তা ধারণা দেয় নাই। নিচু চৈতন্য বললাম একারণে,

১। সাধারণভাবে ধর্ম কী, মানুষের চিন্তা ও দর্শনের সাথে এর সম্পর্ক কী তা না জেনেই এরা একটা তর্ক শুরু করে।
২। দেখা ভিত্তিক বস্তু সংক্রান্ত "বিজ্ঞানের" একটা প্রভাব থেকে এরা আল্লা, গড, ঈশ্বর ইত্যাদি বলতে ধারণাগুলোকে প্রথমে বস্তু জ্ঞান করে নামিয়ে আনে। পরে এই পূর্বানুমানকে সহজেই বস্তু সংক্রান্ত যাবতীয় "বিজ্ঞানের" ধারণা দিয়ে ধরাশায়ী করে বিজয়ের হাসি হাসে। আল্লাকে বস্তু-জ্ঞান করা - এই পূর্বানুমানের উপর দাঁড়িয়ে এযেন বাতাসে তলোয়ার চালানো।
৩। আল্লা, গড, ঈশ্বর ইত্যাদি বলতে ধারণাগুলোকে আপাত এক মনে হলেও এর ব্যাখ্যায় আকাশ পাতাল ফারাক আছে বটে, তবে তা এখন প্রাসঙ্গিক নয়। কথা আপাতত আল্লায় সীমাবদ্ধ রাখি। ইসলাম আল্লা ধারণায় আরও বেশী সর্তক। আল্লাকে বস্তু-জ্ঞান করে "আছে" বলা ইসলামের মূল দার্শনিক ভাবনার থেকে সরে যাওয়া। ধর্মীয় উপলব্দিতে যাকে শেরেকী বলা হয়ে থাকে। দর্শনের পর্যালোচনার দিক থেকে যা ভূল চিন্তা, ইসলামের দার্শনিক কৃতিত্ত্ব উপলব্দি করার ব্যর্থতা। শেরেকী বলাতে কারও মার মার কাটকাট হবার দরকার নাই। ঐ শ্রমটা শেরেকী কেন বলছে তা বুঝার কাজে ব্যয় করতে হবে। আমরা ইসলাম মানি না মানি, কেন বলেছে এটা জানতে তো অসুবিধা নাই। জানলে মানা না মানা সবার পরস্পরকে বুঝতে সুবিধা হবে। যেটা এখন সবচেয়ে বেশী দরকার, আস্তিক নাস্তিকের হালকা কূটতর্ক থেকে সবার বের হয়ে আসার পথ।
৪। আস্তিক নাস্তিকের কথার পিঠে "বিশ্বাস" খুবই চালু শব্দের একটা। প্রচলিত অর্থে আমরা আল্লায় বিশ্বাস করার কথা শুনি বটে; তবে ইসলাম ধর্মপ্রাণদের আল্লায় "ঈমান' আনতে বলেছেন। বিশ্বাসে ইসলামের আগ্রহ নাই কেন, সেটার দার্শনিক ভুমিকা ও তাৎপর্য আমরা ইসলাম মানি না মানি, বুঝতে পারলে ধর্মপ্রাণ বা সাধারণ মানুষকে বুঝার সুবিধা পাব। যে ধর্মপ্রাণ আর যার ধর্মে আস্হা নাই উভয়েই কাছে আসতে পারবে। মাঝখানে ধর্মের ব্যবসায়ী কেউ থাকলে তাঁর ভাত মরবে।

আমার আকুতিটা হলো, আস্তিক নাস্তিকের কুতর্ক থেকে আমরা সবাই বের হয়ে আসি। ধর্ম নিয়ে একটা সুস্হ ডায়লগের, ডিসকোর্সের ধর্মীয় নয়, দার্শনিক-রাজনৈতিক শক্তিশালী জায়গা বের করি।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: "এরা" বলতে কাদেরকে বুঝিয়েছেন? আপনি পোস্ট পড়ে মন্তব্য করেছেন?

২২. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:০১
নিরক্ষর বলেছেন: নাস্তিকতাও একটা ধর্ম কিন্তু তারা তা স্বীকার করতে চায় না।

২৩. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩১
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: ঠিক। নাস্তিকতারই বা কি প্রমান। পুরোটাই তো বিশ্বাস।
২৪. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
উম্মু আবদুল্লাহ বলেছেন: তবে আমি ইসলামকে জেনে বুঝেই বিশ্বাস করেছি। ইসলাম সত্য ধর্ম তার প্রমান হল কোরানের বিশুদ্ধতা আর তার সমকক্ষ কোন আয়াত রচনায় মানুষের ব্যর্থতা।
২৫. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৭:৩৪
ভাইপার বলেছেন: পোস্ট পর্যবেক্ষনে রাখলাম। ধর্মকথা ভাই মনে হয় এখনো খবর পায় নাই।
২৬. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
ক্রিকেট ফ্যান বলেছেন: বস জব্বর হইছে। আমার আংকেলরে দেখাইলাম। তিনি আবার নাস্তিক। আমারে বলছে পড়ালেখা রাইখা এইসবে সময় নষ্ট না করতে। :D
২৭. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
লুলুপাগলা বলেছেন: অনেকের কাছে নাস্তিকতা হইল যুগের ফ্যাশন। নাস্তিক না হইতে পারলে ব্যাকডেটেড হইয়া যাইবার সম্ভাবনা থাকে। কারন ধর্মবিশ্বাসী লোকজনকেতো ব্যাকডেটেড বলা হয়।
২৮. ০৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৮:১৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: আস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা আছে'।
নাস্তিকরা দাবী করে 'সৃষ্টিকর্তা নাই'।
---------------------

সৃষ্টিকর্তা আছে কি নাই তা শক্তিশালী কোন যুক্তি বা বিজ্ঞান দিয়ে কখনো প্রমাণ করা যায়নি।
----------------------------------------------

মূল প্রশ্ন ইশ্বরের অস্তিত্বের প্রশ্ন, ইশ্বর আছেন কি নেই এই বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পন্থা আদতে কি হতে পারে? অনেক ভাবেই আলোচনা শুরু করা যায়। অনেক ডালপালা মেলবে আলোচনা, যৌক্তিকতার ভিত্তিতে আলোচনার অবসানে আমার নিজস্ব অভিমত তোমার আদর্শিক এবং বিশ্বাসের অবস্থান পরিবর্তন হবে না। তবে মূলত তোমাকে অভিভুত করবার জন্য যুক্তি সাজানো নয়- মূলত আলোচনা করবো বলেই আলোচনা করা-

------------------------------------

ঈমানের শর্ত আছে কিছু- আস্তিকতার শর্ত ইশ্বরের অস্তিত্বে নিঃশর্ত বিশ্বাস স্থাপন। সেই সূত্রেই ইশ্বরের কারসাজি এবং কারিগরির উপরেও বিশ্বাস স্থাপন করাটা আস্তিকতার একটা শর্ত হয়ে দাঁড়ায় ।

ইহুদী, খ্রীস্টান কিংবা ইসলাম সব ধর্মেই নিশ্চিত করে বলা হয়েছে ইশ্বরই এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি করেছেন, নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে, নির্দিষ্ট কয়েকটি উদ্দেশ্যেই এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে।

আপাতত এখানে দাঁড়িয়ে আলোচনা করা যায়, মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং একে পরিচালনা এবং একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যমুখী করবার জন্য কোনো ইশ্বরের প্রয়োজন রয়েছে কি না?

যদিও এটা ইশ্বরের অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রশ্নকে মহাবিশ্বের সূচনার পূর্বের বিষয় বলেই ধরে নেবে। অর্থ্যাৎ একবার সৃষ্টি হয়ে যাওয়ার পরে মহাবিশ্বের অভ্যন্তরে ইশ্বরের কোনো প্রভাব নেই। মহাবিশ্বের ভেতরে ইশ্বর লুকিয়ে আছেন- ইশ্বর লুকিয়ে আছেন তার সৃষ্টির ভেতরে জাতীয় মতবাদ অখন্ড ইশ্বরের ধারণাকে ব্যহত করে বলেই পরিত্যাজ্য।[ যদি তোমার নিজের বিভাজিত ইশ্বরের অস্তিত্বকে মেনে নিতে আগ্রহ থাকে তবে আস্তিকতার যুক্তি অনুযায়ী বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই বলতে পারো ইশ্বর নিজেই বিভাজিত হয়ে বিভিন্ন শক্তিরূপ ধারণ করে মহাবিশ্বের ভেতরেই সমাহিত রয়েছেন]

ইশ্বরের অস্তিত্ব তার সংবেদন, তার অনুভুতি- আমরা যেভাবে নিজস্ব পরিমন্ডলে অনুভব , প্রতিক্রিয়া ,সংবেদন নামক বিষয়গুলোকে বৈজ্ঞানিক ভাবে চিহ্নিত করি সেই পর্যায়ে আলোচিত হওয়ার যোগ্যতা রাখে না। ইশ্বরের সংবেদনশীলতার অন্য কোনো পরিমাপ হয়তো বিদ্যমান যা বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় অনুভুত হয় না।

যদিও অস্তিত্বের প্রমাণ কিভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব এ নিয়ে একটা আলোচনা করা যায়।
দৃশ্যমান হওয়ার অন্য একটি শর্ত হচ্ছে তাকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে হবে, ইশ্বরের ক্রোধের প্রতিক্রিয়ায় যেভাবে ধর্মগ্রন্থে বর্ণিত আছে বিভিন্ন জনপদ ধ্বংস হয়েছে। সুতরাং ইশ্বরের অস্তিত্ব একটা সময় পর্যন্ত ছিলো। বইয়ের বক্তব্য সত্য মেনে নিলে এমনটাই ধরে নিতে হয়।

পুঁথির বক্তব্য ধরে নিলে এটাও ধরে নিতে হয় ইউনুস নবী সরাসরিই বেহেশতে গিয়েচিলেন আজরাইলের সাথে বন্ধুতার কারণে। এবং এখানেই আদতে অস্তিত্ব এবং অনস্তিত্বের প্রমাণের জায়গাটা চলে আসে।

পূঁথি নির্ভরতায় আমি নিশ্চিত বলতে পারি, পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি হওয়ার আগেই বেহেশত দোজখ নির্মিত হয়েছে, ইডেনে ইশ্বরের বাসস্থান।সুতরাং ইশ্বরকে খুঁজে পাওয়া না গেলেও তার বাসস্থান খুঁজে পাওয়ার একটা সম্ভবনা থেকেই যেতো।

আপাতত বেহেশত দোজখের অস্তিত্ব কিংবা এমন কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নয়। যতটুকু হাবল দেখে তার পরিসীমায় এমন কোনো স্থাপনা নেই যা পূঁথি বর্ণিত বেহেশত দোজখের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করে।

------------------------------------------------------------------

মূলত আলোচনা তুমি কোন খাতে নিয়ে যাবে আমি জানি না। তোমার মতো আমিও সারসংক্ষেপ করি-

বর্তমান মহাবিশ্ব পরিচালনা করা কিংবা এটার সৃষ্টির পেছনে ইশ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নেই। মহাবিশ্ব প্রসারিত এবং বিকশিত হওয়ার কোনো পর্যায়েই ইশ্বর কোনো ভুমিকা রাখতে পারেন না। ইশ্বর প্রাকৃতিক নিয়মের দাসত্বশৃঙ্খলে বন্দী। তার কোনো কিছু পরিবর্তন করতে চাওয়ার বিষয়টাও প্রাকৃতিক জগতে চিহ্ন রেখে যাবে যা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।

মুলত মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করে এখনও বেহেশত দোজখ নামক ইশ্বর ও ফেরেশতাদের আবাসস্থলের খোঁজ পাওয়া যায় নি। সুতরাং এই মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণসীমা যেখান থেকে আলোর গতিতে আসলেও ২০০০ বছরের ভেতরে পৃথিবীতে পৌঁছানো সম্ভব এমন নিকট দুরত্ব থাকা আমাদের মিল্কি ওয়েতে কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।

-----------------------------------------
২৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১২:২৯
আবু সালেহ বলেছেন:

নাস্তিকতা বর্তমান যুগের ফ্যাশন....নাস্তিক না হলে যে নিজেকে যুগের সাথে আপডেট করা যাবে না...


সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখায় অনেক ভালো লেগেছে...
৩০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ২:৪৯
ত্রিভুজ বলেছেন:


@রাসেল ( ........)
বিশাল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত মূল আলোচনা থেকে ছিটকে সরে গিয়েছেন বা যেতে চান। আপনার বক্তব্যের বটম লাইন কিন্তু মূল যুক্তিটিকে নাকচ করে দিতে সক্ষম হয়নি।

যাই হোক,
মূল আলোচনা থেকে সরে গিয়েও আপনি যেসব কথা বলেছেন সেগুলো নিয়েই কিছু প্রশ্ন জাগলো মনে-


১) আপনি বলেছেন-
"মুলত মহাবিশ্বকে পর্যবেক্ষণ করে এখনও বেহেশত দোজখ নামক ইশ্বর ও ফেরেশতাদের আবাসস্থলের খোঁজ পাওয়া যায় নি।"

প্রশ্ন: বেহশত, দোজখ এই মহাবিশ্বের ভেতরেই অবস্থিত এই তথ্য কোথায় পেয়েছেন?



২) আপনি বলেছেন-
"বর্তমান মহাবিশ্ব পরিচালনা করা কিংবা এটার সৃষ্টির পেছনে ইশ্বরের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ প্রভাব নেই। "

প্রশ্ন: কিভাবে নিশ্চিত হলেন? কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দিয়ে প্রামাণ করা সম্ভব হয়েছে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে কেউ নেই (কেউ যে আছে সেটাও প্রমাণীত সত্য নয় আগেই স্বীকার করে নিলাম)।


৩) আপনি বলেছেন-
ইশ্বর প্রাকৃতিক নিয়মের দাসত্বশৃঙ্খলে বন্দী।

প্রশ্ন: কিভাবে? আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করুন।


৪) আপনি বলেছেন-
"আপাতত বেহেশত দোজখের অস্তিত্ব কিংবা এমন কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নয়।"

প্রশ্ন: বিজ্ঞান কি নিশ্চয়তা দিতে পারে যে বেহেশত বা দোযখ বলে কিছুর অস্তিত্ব (মহাবিশ্ব বা এর বাইরে) কোথাও নেই?


৫) আপনি বলেছেন-
"এই মহাবিশ্বে আমাদের পর্যবেক্ষণসীমা যেখান থেকে আলোর গতিতে আসলেও ২০০০ বছরের ভেতরে পৃথিবীতে পৌঁছানো সম্ভব এমন নিকট দুরত্ব থাকা আমাদের মিল্কি ওয়েতে কোনো স্থাপনার অস্তিত্ব পাওয়া যায় নি।"

প্রশ্ন: সিস্টেমের ভেতরে বসে সিস্টেমের ক্রিয়েটরকে বুঝার চেষ্টাটা কতটুকু যুক্তিযু্ক্ত? সিস্টেমের প‌্যারামিটারগুলো কি এর ক্রিয়েটরের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে?


আরো অনেক প্রশ্নই করা যায় আপনার মন্তব্য থেকে.. তবে বটম লাইন হলো মূল পোস্টে দেয়া যুক্তিটি অচল করার মত কিছু আপনি বলতে পারেননি। পাশ কাটিয়ে গিয়ে যা বলেছেন, সেগুলোর উপরেই প্রশ্ন করলাম, আলোচনার খাতিরে।
৩১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ ভোর ৪:১৯
ঠাকুর বলেছেন: আপনি ১০০ টা গডে অবিশ্বাস করেন, আর কেবল ১ টা গডে বিশ্বাস করেন ।
আমি ১০১ টা গডে অবিশ্বাস করি ।
যে ১০০ টা গডে আপনি অবিশ্বাস করেন, তাদেরকে অবিশ্বাস করার কারন যদি আপনার কাছে যুক্তিসংগত হয়, তাহলে আমি কেন আপনার ১ টা গডে অবিশ্বাস করি তার কারনও যুক্তিসংগত ।

৩২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্ন: বেহশত, দোজখ এই মহাবিশ্বের ভেতরেই অবস্থিত এই তথ্য কোথায় পেয়েছেন?
---------------
প্রশ্নটা আকর্ষণীয়, তবে বুদ্ধিদৃপ্ত নয়। পূঁথির বিষয়টাতেই মনোযোগ দেই। বিশেষত প্রাকটিসিং মুসলিম হিসেবে তোমার এই বিষয়গুলোতে বিশ্বাস স্থাপন অবশ্য পালনীয় কর্তব্যাদির একটা।
বেহেশত- দোযখ বিষয়টা মহাবিশ্বের ভেতরে না থাকলে ঠিক কোথায় থাকলে সুবিধা হতো তোমার? কারণ এই প্রশ্নের উত্তরটা সহজ ভাষায় দেওয়া সম্ভব হবে না।

ধরা যাক মহাবিশ্বের ব্যপ্তির বিষয়টা- এটার ব্যপ্তি আলো ১০০০ কোটি বছরে যতটুকু পথ অতিক্রম করে ঠিক ততটাই। অন্তত আমাদের বোধগম্যতার জগতে এটা সসীম এবং সীমাবদ্ধ।
যুক্তির খাতিরে ধরে নিচ্ছি ইউনুস সাহেব আজরাইলের পাখনা ধরে মহাবিশ্বের সীমানা অতিক্রম করে চলে গিয়েছিলো।

পরবর্তীতে মুহাম্মদ মি'রাজে গেলো, সেখানে গিয়ে সকল নবীদের সাথে নামাজ পড়লো। সুতরাং এই মহাবিশ্বকে অতিক্রম করতে তার যেই সময়টুকু লাগতো সেইটুকু অন্তত তাকে দিতে হয়েছে। সময় যতটাই স্থিমিত হয়ে যাক না কেনো যেকোনো বস্তু যার সামান্য পরিমাণে ভর আছে সে আলোর কাছাকাছি গতিবেগ অর্জন করলেও সামান্য সময়ের পার্থক্য রয়েই যাবে।

সেটা আলোর গতিবেগের তুলনায় ১ মিটার প্রতি সেকেন্ডে কম হলেও, এই সময়টুকুর ঘাটতি তাকে পুরণ করতে হবে। সুতরাং ১০০০ কোটি মিটার অন্তত পিছিয়ে তাকে যাত্রা করে পুনরায় ফিরে আসতে হবে। আলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ২ লক্ষ মাইল ধরে নিলেও অন্তত ১ লক্ষ সেকেন্ড লাগবে তার এই পথটুকু অতিক্রম করতে। ১ লক্ষ সেকেন্ড অর্থ একটা সম্পূর্ণ দিনেরও বেশী। অন্য কোনো গাণিতিক বিবেচনা না করে শুধু এইটুকুই আমলে আনলেও সময়ের ফারাকটা বিশাল।

---------------------------------------------------------------------------
৩৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৮
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্ন: কিভাবে নিশ্চিত হলেন? কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দিয়ে প্রামাণ করা সম্ভব হয়েছে মহাবিশ্ব সৃষ্টির পেছনে কেউ নেই (কেউ যে আছে সেটাও প্রমাণীত সত্য নয় আগেই স্বীকার করে নিলাম)।
--------------

বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব আদতে কি করে এই বিষয়টা সম্পর্কে ধারণা না থাকলে বিষয়টা উপলব্ধি করাটা একটু কঠিন হবে।

ধরা যাক আমাদের পর্যবেক্ষণ কি বলছে মহাবিশ্ব সম্পর্কে- আমাদের পর্যবেক্ষণ বলছে অন্তত ১০০০ কোটি বছর আগে মহাবিশ্বের সূচনা হয়েছিলো। এরপর থেকেই এটা প্রসারিত হচ্ছে। এবং প্রসারিত হচ্ছে। আমদের পর্যবেক্ষণলব্ধ ফলাফল বলছে এই প্রসারণ আমাদের দৃশ্যমান নক্ষত্রের ভর দিয়ে স্থগিত করে পুনরায় সংকোচন পর্যায়ে নিয়ে আসবার জন্য যথেষ্ট নয়।

প্রসারণ ঘটছে এবং এটা ঘটছে প্রাকৃতিক নিয়মানুসারে। মূলত বিস্ফোরণের পর থেকেই সীমিত মহাকর্ষের প্রভাব ব্যতিত এই প্রসারণের উপরে অন্য কোনো প্রভাবকের ভূমিকা তেমন নেই। বিশাল ব্যপ্তিতে শুধুমাত্র মহাকর্ষই ক্রিয়া করছে। এবং এই ক্রিয়ার প্রভাবে মহাবিশ্বের ভবিষ্যত কেমন হওয়া উচিত এটা বিষয়ে একটা বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যখ্যা রয়েছে। এই প্রসারণের বিষয়টাতে ইশ্বরের কোনো প্রভাব নেই। ইশ্বর নিরপেক্ষ ভাবেই এটা প্রসারিত হতে থাকবে।

সুতরাং এই মহাবিশ্ব এবং এর ভেতরে যা যা ঘটছে তা ব্যখ্যা করার জন্য কিংবা এই মহাবিশ্বে যেসব পরিবর্তন ঘটছে সেসব ব্যখ্যা করবার জন্য ইশ্বরের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় নয়। এমন কিছু এখানে ঘটছে না যা অলৌকিক এবং আমাদের জ্ঞাত সূত্রগুলোর বিপরীতে ঘটছে।

তারা জন্ম নিচ্ছে এবং নক্ষত্রের মৃত্যু ঘটছে। নক্ষত্রের মৃত্যুর পরে সেগুলো কোন অবস্থায় যাবে সেটাও অংক কষে বলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
আমাদের গ্রহের গতিপথ। আমাদের সূর্য্যের গতিপথ, আমাদের চাঁদের গতিপথ আমরা অবলীলায় গণনা করতে পারছি এবং এই কক্ষপথগুলো পরিবর্তিত হওয়ার কারণগুলোও আমরা জানি। সুতরাং অবধারিত পরিবর্তনের কারণগুলোও যখন জানা তখন অন্তত অঙ্ক কষে আমরা নিশ্চিত হয়েই বলতে পারবো চাঁদের পরণতি আদতে কি হবে। আর ৫০০ কোটি বছর পরে সূর্য্যের পরিণতি কি হবে সেটাও আমরা অঙ্ক কষে বলে দিতে পারি এবং তুমি যদি কোনো উপায়ে ৫০০ কোটি বছর জীবিত থাকো তাহলে বিজ্ঞানের এই ভবিষ্যত বানীর যথার্থতা দেখে যেতে পারবে।

এইখানে য কিছু ঘটে তার জন্য ইশ্বর অপ্রয়োজনীয়। তার হস্তক্ষেপ অপ্রয়োজনীয়। সৃষ্টির আদি মুহূর্তে আদতে কি ঘটেছিলো, এটা নিয়ে গবেষণাগারে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। সুতরাং বিজ্ঞানীরা বিষয়টাকে যেভাবে ব্যখ্যা করছেন তা পর্যবেক্ষণ করবার প্রক্রিয়া এখানেই শুরু হয়ে গিয়েছে। অপেক্ষা করলে আগামী ২ বছরের ভেতরে সামান্য আলোকপাত করা সম্ভব আদতে কি ঘটেছিলো মহাবিশ্বের সূচনা লগ্নে।
-------------------------
৩৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৯
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্ন: কিভাবে? আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করুন।

----------------------------------------

ধরা যাক আমি একটা ইট উপরে ছুঁড়ে মারলাম, আমার সর্বোচ্চ শক্তিতেই, সেটা অবধারিত ভাবে পৃথিবীতেই ফেরত আসবে।
ধরা যাক আমি ১০০ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করলাম, সেটা দিয়ে আমি ১১০ ইউনিট বিদ্যুৎএর সমপরিমাণ শক্তি পাবো না। সর্বোচ্চ ১০০ ইউনিটই পাবো বড়জোর। ইশ্বর তার সমস্ত ক্ষমতা ব্যয় করেও এই বিষয়গুলোকে বদলাতে পারবে না।

ধরা যাক আমি চাঁদ থেকে একটা টর্চ জ্বালিয়ে পৃথিবীতে আলো দিলাম, সেই আলো পৃথিবীতে আসলে অন্তত ২ সেকেন্ড সময় লাগবে। এই সময়টা কমিয়ে আনা ইশ্বরের পক্ষে সম্ভব নয়। ইশ্বর হাজার চেষ্টা করলেও পানি ভেঙে হাইড্রোজেন অক্সিজেন ব্যতিত অন্য কিছু বের করতে পারবে না।

প্রকৃতিতে যেসব নিয়ম আমরা নিশ্চিত ভাবেই জানি, এইসব নিয়মকে মেনেই ইশ্বরকে জীবনধারণ করতে হবে। ধরা যাক চাঁদ ২৭ দিনে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। ইশ্বর চাইলেও এই ২৭ দিনের পরিভ্রমনকালকে সংক্ষিপ্ত কিংবা প্রলম্বিত করতে পারবে না।

যদি এই মহাবিশ্বের যেকোনো পরিবর্তনের কথা আলোচনা করি আমি, সেগুলো ঘটবে বিজ্ঞানের নির্ধারিত নিয়মেই, ইশ্বর ঠুঁটে জগন্নাথ। তিনি শুধুমাত্র দেখে যেতে পারবেন, মানুষ কেনো সামান্য একটা পাথরকেও স্থানান্তরিত করবার ক্ষমতা তার নেই।

যদি ইশ্বর পাথরকে গতিশীল করবার বাসনা করেন তবে তাকে বৈজ্ঞানিক পন্থায় স্বীকৃত নিয়মগুলোর কোনো একটা দিয়েই পাথরের গতিশক্তিকে পরিবর্তিত করতে হবে। শক্তি আদান-প্রদানের যেকোনো অলৌকিক ঘটনাই আমরা পর্যবেক্ষণ করে ইশ্বরের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারি।

এমন ঘটনা পূর্বে ঘটেছে এমনও নজির নেই। ভবিষ্যতে ঘটবার সম্ভাবনাও নেই। যদি এমনটা ঘটে তবে ইশ্বরের অস্তিত্ব প্রমানিত হয়ে যাওয়ার একটা সমুহ সম্ভবনা আছে।
৩৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৬
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্ন: বিজ্ঞান কি নিশ্চয়তা দিতে পারে যে বেহেশত বা দোযখ বলে কিছুর অস্তিত্ব (মহাবিশ্ব বা এর বাইরে) কোথাও নেই?
--------------

অন্তত আমাদের দৃশ্যমান জগতে এটার অস্তিত্ব নেই এটা নিশ্চিত করেই বলা যায়। অন্য কোনো মহাবিশ্বে এটা অবস্থিত হলেও সেই মহাবিশ্বের অস্তিত্ব অন্তত এ মহাবিশ্বের পরিবর্তন দেখে যাচাই করা সম্ভব। দুটো তারা কিংবা একটি তারা এবং একটি কৃষ্ণগহ্বর যদি কাছাকাছি থাকে তবে যেকোনো একটিকে পর্যবেক্ষণ করে অন্যটির উপস্থিতি, ভর এবং উত্তাপ ও শক্তি সম্পর্কিত তথ্যগুলো জানা সম্ভব, জানা সম্ভব এই বস্তুগুলোর ভেতরে স্থানিক দুরত্ব কতটুকু।

যদি ২টা মহাবিশ্ব থাকে এবং তারা যদি পরস্পরকে কোনোভাবেই উপলব্ধি করতে না পারে তবে অন্যটির অস্তিত্ব অর্থহীন, সেটা আমাদের মহাবিশ্বে কোনো পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে না।

সুতরাং যদি মৃত্যুর পরপরই অন্য কোনো মহাবিশ্বে আমাদের পরকাল শুরু হয়, কিংবা ইউনুসের মতো স্বশরীরেই যদি কেউ বেহেশতে চলে যায় তবে সেটা মোটেও সম্ভব হবে না। অন্তত এই মহাবিশ্বে কোনো প্রভাব না রেখে এখান থেকে কোনো শক্তিই অন্য কোথাও চলে যেতে পারবে না। সেটা একটা কণাপরিমাণ হলেও সেই হিসাবটা মহাবিশ্বে থেকে যাবে এবং সেটা পর্যবেক্ষণযোগ্য।
---------------------------
৩৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৭
রাসেল ( ........) বলেছেন: প্রশ্ন: সিস্টেমের ভেতরে বসে সিস্টেমের ক্রিয়েটরকে বুঝার চেষ্টাটা কতটুকু যুক্তিযু্ক্ত? সিস্টেমের প‌্যারামিটারগুলো কি এর ক্রিয়েটরের জন্য প্রযোজ্য হতে পারে?
---------------------------------------------

প্রাকৃতিক ব্যবস্থা হলে সিস্টেমের ভেতরে থেকেই সিস্টেমের পরিবর্তনগুলো অনুধাবনযোগ্য। এবং সিস্টেমের প্যারামিটারগুলোও সিস্টেমের ক্রিয়েটরকে মেনে চলতে হবে।

তুমি প্রোগ্রামিং করার সময় লাইব্রেরি এস্যাইন না করে অন্য কোনো ফাংশনকে একটিভ করতে পারবে না। সব কিছুরই একটা নির্দিষ্ট গতিপথ এবং নিয়ম রয়েছে। পরিবর্তনগুলোও এই নির্দিষ্ট নিয়মগুলোকে অনুসরণ করেই ঘটবে। বালির ঘর তৈরি করে তুমি যখন তার উপরে বসবে তখন বালির ঘরের ভেতরে যাই রাখো না কেনো সেটা তোমার উপস্থিতি উপলব্ধি করতে পারবে না এমনটা হয় না।

আমার নির্মিত যন্ত্র যদি তার নিজস্ব কেতায় আমার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণের ক্ষমতা রাখে তবে সে আমার উপস্থিতি দেখতে পারবে। আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স অনেক বেশী ইমপ্রুভ করছে ইদানিং, যন্ত্র নিজেই সীমিত ভাবে নিজের সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারছে। পথের মাঝে কোনো বাধা আসলে সেটাকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারছে। এই অগ্রগতি ধরে রাখতে পারলে একদিন যন্ত্রও তার স্রষ্টার মতোই ভাবতে শিখবে।

এবং এই ভাবনার পদ্ধতিটুকু জানতে পারলে সে ক্রিয়েটরকে অনুকরণ করে নিজের বিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে।

ইশ্বরের জন্য আলাদা নিয়ম অন্তত আমাদের মহাবিশ্বে প্রযোজ্য না। তিনি আমাদের সংবাদ না দিয়ে, আমাদের কোনো সংবেদ গ্রহন না করে এখানে কোনো কারিগরি ফলাতে পারবেন না।
৩৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৯
রাসেল ( ........) বলেছেন: আর কতটুকু যৌক্তিক এই প্রশ্নের অপেক্ষা না রেখেই আমরা যাচাই শুরু করেছি, ছেলেমানুষি যুক্তিগুলো নিজের খাঁচায় ভরে রেখে আলোচনা করো।

তোমার প্রথম দাবিটি ছিলো আমি মূল প্রশ্নকে পাশ কাটিয়ে গেছি, মূলত পাশ কাটিয়ে যাওয়া নয়, বরং ইশ্বর আছে কি নেই এই প্রশ্নের উত্তরটা খুঁজছি বিজ্ঞানের মাধ্যমে। যৌক্তিক ধাপগুলো কি হতে পারে?

ইশ্বর অবশ্যই আছেন। আমাদের ইশ্বরের উপস্থিতি থাকলে, পূঁথি বর্ণিত স্বর্গ নকর ফেরেশতা এবং তাদের জপ-তপ আমাদের দেখতে পাওয়ার একটা সম্ভবনা আছে।

যদি সেটা পর্যবেক্ষণ করা না যায় তবে সেগুলো অদৃশ্য- অদৃশ্য অবকাঠামোতে কোনো ব্যক্তি মানুষ কিংবা বস্তুর উপস্থিতি সম্ভব না। সুতরাং অদৃশ্য বেহেশত দোযখও অসম্ভব। পূঁথিকে বিশ্বাস করেই আমাদের ঈমানের অঙ্গ হিসেবে এসবের অস্তিত্বকে মেনে নিতে হবে।

দ্বীতিয় একটা অবস্থা হতে পারে এই মহাবিশ্বের সীমানায় বেহেশত দোযখ নেই- অন্য কোনো মহাবিশ্বে এটা অবস্থিত। সেখান থেকে এই পৃথিবীতে আদমকে টুপ করে ফেলে দেওয়া সম্ভব হলো। কিভাবে সম্ভব হলো এটাও একটা বিশাল মাপের প্রশ্ন- ২০০০ বছর আগেও যেমন ঘন ঘন ইশ্বর এবং তার অনুগত চরেরা পৃথিবী দাঁপিয়ে বেড়াতো, সেটা অন্য কোনো মহাবিশ্বের অবস্থিত হলে সম্ভব নয়। যদি আলোর গতিতেও কেউ ছুটে আসে মহাবিশ্বের কোনো এক পরিধি থেকে তবে তার এই পৃথবীতে পৌঁছাতে লাগবে ১০০০ কোটি বছর, ফেরত গিয়ে আবার ফিরে আসতে আসতে অনেক কিছুই ঘটে যাবে।

মোহাম্মদ মি'রাজে গিয়ে অন্য কোনো মহাবিশ্বে অবস্থিত বেহেশত দোযখে নবীদের ইমামতি করে ফেরত আসলে তার ১০০০ কোটি বছর এবং ১ দিন সময় লাগবে। এমনটা কি ঘটেছে?


যুক্তিগুলো উপস্থিত এখানেই, শেষ পর্যন্ত সংশয় বিষয়টা বজায় রাখা সম্ভব। কোনো যুক্তিকেই যুক্তি গ্রাহ্য না করাও সম্ভব। মূলত ইশ্বরের অনস্তিত্বের প্রমাণ বেহেশত দোযখের অনুপস্থিতি এবং অন্য কোনো মহাবিশ্বে এসবের উপস্থিতি থাকবার সম্ভবনা অতীব ক্ষীণ। সেটা অন্য কোনো মহাবিশ্বে থাকলেও অন্তত অনেকগুলো মিথ্যা দাবির উপরে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে সত্য ধর্মকে।


৩৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:২৬
মাহমুদ রহমান বলেছেন: আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে মনে হয়, সৃষ্টি হিসাবে মানুষের পক্ষে স্রষ্টাকে আবিস্কার করা কখনই সম্ভব নয়। নিঃসন্দেহে মানুষের জ্ঞান সীমার অনেক অনেক বাইরে স্রষ্টার অবস্হান। মানুষ কেবল এতটুকু উপলব্ধি করতে পারে স্রষ্টা থাকা উচিত। স্রষ্টা ব্যতিত সৃষ্টির ব্যাখ্যা দেয়া যায় না, সব কিছু অনর্থক মনে হয়। আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্য যে, স্রষ্টা নিজেই তাঁর অস্তিত্বের কথা জানিয়েছেন, তাঁর এট্রিবিউট আমাদেরকে জানিয়েছেন। কেন তিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন তাও আমরা তাঁর মাধ্যমে জানি।

প্রকৃতপক্ষে আমরা এই যে দেখি, শুনি এর জন্য মূলত চোখ বা কান দায়ী নয়। এগুলি সহায়ক শক্তি মাত্র। মুল ফাংশন ব্রেনের। বাইরের দুনিয়া সম্পর্কে ব্রেন আমাদেরকে যেভাবে পারসেপশন দিচ্ছে আমরা সেভাবেই দেখি বা শুনি। যেগুলিকে আমরা বাস্তব বলছি বাস্তবে সেগুলি সেরকম নাও হতে পারে যেগুলি আমাদের এই পারসেপশনে ধরা পড়বে না। আমরা যখন স্বপ্ন দেখি আমাদের চোখ কান ফাংশন করে না। স্বপ্ন দেখি ব্রেনের ফাংশনে। আমরা এটাকে তখনই স্বপ্ন বলি যখন এই পারসেপশন ভেঙ্গে যায়, আমরা 'রিয়েল' ওয়াল্র্ডে ফিরে আসি।

স্রষ্টা যেভাবে তাঁর ধারণা আমাকে দিয়েছেন তাতে তাঁর বলা কথাগুলি আমি মোটেও মিথ্যা পাইনা। তাঁর দেখানো পদ্ধতিগুলি সকল ব্যাপারে উৎকৃষ্ট সমাধান দিয়ে থাকে। স্রষ্টা বলছেন, এই বর্তমান দুনিয়াটা রিয়েল ওয়াল্র্ডে প্রবেশের জন্য টেস্ট। স্রষ্টাকে যদি মানুষ দেখেই ফেলে বা নিজের সরাসরি পারসেপশনে বুঝেই ফেলে যেখানে বিশ্বাসের প্রশ্ন অবান্তর, তাহলে আর এই দুনিয়া টেস্টের বিষয় থাকে না।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: সেটাই।

মন্তব্যের জবাব অনেক দেরিতে দেয়ার জন্য দুঃখিত। রাসেল(......) এর হাস্যকর সব কথাবার্তা শুনে বিরক্ত হয়ে মন্তব্য পড়া বাদ দিয়েছিলাম।

৩৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৪
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: নাস্তিক ও আস্তিক উভয়েই মৌলবাদী হতে পারে, বিশেষ করে যখন দুই পক্ষ হয়ে দাঁড়িয়ে যায়, অবশ্য তাতে ধর্মগুলির লাভ ঈশ্বরের চেয়ে, কারণ এদের জন্যেই ধর্মগুলি টিকে আছে
৪০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৮ রাত ১১:৪৬
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: @ ত্রিভুজ ভাই,

নাস্তিকদের ১০০০ টা ফ্যালাসী থাকলে, আস্তিকেরাও সেগুলাকে উলটে ব্যবহার করলেই পারে, আপনি তো তাই করলেন। ফ্যলাসী না করে যুক্তি সৃষ্টি করুন,

নইলে নতুন ফ্যালাসী, যাতে বিভ্রান্ত হওয়া যায়
৪১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ সকাল ৯:১২
মনজু মজুমদার বলেছেন: For rasel(.......)
Qur’an says in several places including the last verse of the Embryological stages, that is Surah Muminun, Ch. No. 23, V. No. 14, that… ‘Allah is the best to create’. Can we prove it scientifically that Allah is the Creator? Qur’an gives the answer… Qur’an gives the answer in Surat Tur, Ch. No. 52, V. No. 35. It poses a question – ‘that were you created from nothing?’ It poses a question – ‘that were you created from nothing?’ See… the Arabic word used for ‘Creator’, in all the verses of the Qur’an, is ‘Khaliq’… is derived from the Arabic word ‘Khalaqa’. Arabic word ‘Khalaqa’ has got four meanings. One meaning is ‘to create some thing from nothing’… without any previous example. That is only possible for Allah. Second meaning of ‘Khalaqa’ is… ‘to create some thing new from pre-existing material’. The third meaning is of ‘Khalaqa’ – ‘Programming’ or ‘Planning’. And the last meaning is, ‘to make smooth’. So Qur’an poses the question in Surah Tur, Ch. No. 52, V.No. 35, that… ‘Were you created from nothing?’ But natural the answer is negative… No - Human beings are not created from nothing. They pose the next question – ‘Were you the Creators, or We the Creator ?’ We know very well, that man cannot create another man. If he could do that, the moment he died he would have created himself back. If his relatives would have died, he would have got them back to life. Human beings cannot even create living creature as such as fly, leave aside human being. Neither can you attribute the organs of the body , say… the reproductive organs, like testes or ovaries - that they are the cause for our creation. Because if you say that the testes, the uterus, etc., are the cause, then you have to include your ancestors - their reproductive systems, their ancestors, their ancestors, all are responsible. So the answer is negative. Qur’an poses the next question in Surah Waqiah, Ch. 56, V. No. 58 and 59… ‘that do you not look at the sperm you have emitted. Were you the Creator or we the Creator?’ And but natural all these questions that Qur’an poses the answer is negative. Some people can say… ‘it is by chance’ – ‘By chance we were created’. They say… ‘Nature… Nature… Natural things’ - It happened by chance.
Let us analyse scientifically, whether the human beings can be created by chance. The protein molecule is a very important structure of the living cell -Very important part in the living structure of the cell. The protein molecule consists of five elements - the Carbon, Nitrogen, Oxygen, Hydrogen and Sulphur. And there are tens and thousands of Atoms required to make one Molecule. One Atom has five elements - Carbon, Nitrogen, Oxygen, Hydrogen and Sulphur. There are tens of thousands of Atoms, which make one Protein Molecule - And there are approximately 92 free elements. The chances that out of these 92, the five will form an Atom… and these atoms will form tens and thousands of Atom, to form one Protein Molecule was calculated by Frank Alien . And he said… ‘the chances are 1/10 raised to 160’. You know what is the meaning of 1/10 raised to 160? If I say 1/10 raised to two, ten raise to two means, one zero zero zero. One in hundred - Chance is one percent. If I say 1/10 raised to three, it means one in a thousand – That is 1 percent. If I say 1/10 raise to four it means one in ten thousand - Means point 0.01%. So when the calculation was made, (1/10) raised to 160. It means point zero zero zero zero zero hundred and fifty seven zeros, then one. And mathematics tells, ‘anything 1/10 raised to fifty, is counted as zero’. Further more, this is talking about one molecule. And the substance required to form this one molecule of protein was calculated by another person Charles Guy - that it will require millions of times of substance as huge as our Galaxy. Millions of galaxies will be required to form this one molecule of protein. And the time was calculated by Charles Guy - the time taken for one protein molecule to be formed, will be ten raised to 263 years. You know what is that? One zero zero zero zero zero zero, 263 zeros, it will take to form one protein molecule. And do you know there are how many protein molecule in one cell ? And do you know how many other molecules are there in the cell ? And how many cells are there in the human being ? There are more than six billion molecules when a child is born. That is what doctors tell us today, six billion. One protein molecule takes 1/10 raise to 160 chances. Time taken is ten raise to two hundred and forty three years. To take six billion for one baby imagine. And how many women are pregnant ? There are millions of women pregnant at a time - And it takes only 9 months. ‘The chances’… Science tells us, ‘is zero zero zero, no chance at all’. These things cannot take by chance - they have to be programmed by Someone.So you can say ‘There has to be Someone , some Supernatural force’.





৪৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৮ দুপুর ১:২৪
মনজু মজুমদার বলেছেন: in Surah Isra, Ch. No. 17, V. No. 81 to 82

When truth is hurled against falsehood, falsehood perishes
for falsehood, is by its nature, bound to perish'.
৪৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
দ্বীপবালক বলেছেন: ঐটা ধর্ম না শুধু, কঠিন ধর্ম।
৪৫. ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৫
নির্বাসন বলেছেন: @ রাসেল
ধরা যাক আমি চাঁদ থেকে একটা টর্চ জ্বালিয়ে পৃথিবীতে আলো দিলাম, সেই আলো পৃথিবীতে আসলে অন্তত ২ সেকেন্ড সময় লাগবে। এই সময়টা কমিয়ে আনা ইশ্বরের পক্ষে সম্ভব নয়। ইশ্বর হাজার চেষ্টা করলেও পানি ভেঙে হাইড্রোজেন অক্সিজেন ব্যতিত অন্য কিছু বের করতে পারবে না।

প্রকৃতিতে যেসব নিয়ম আমরা নিশ্চিত ভাবেই জানি, এইসব নিয়মকে মেনেই ইশ্বরকে জীবনধারণ করতে হবে। ধরা যাক চাঁদ ২৭ দিনে পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে। ইশ্বর চাইলেও এই ২৭ দিনের পরিভ্রমনকালকে সংক্ষিপ্ত কিংবা প্রলম্বিত করতে পারবে না।




এর থেকে ফালতু কিছু আমি আমার জীবনে শুনিনি...
চিন্তার কতটা অগভীরতা থাকলে হলে মানুষ এমন বলতে পারে...
৪৬. ২৬ শে নভেম্বর, ২০০৮ ভোর ৫:৫৫
ধূসড় পৃথিবী বলেছেন: যারা কোন যুক্তি ছারা বিশ্বাসকেই ধর্ম বলে দাবি করছে , তাদেরকে যুক্তি দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা বৃথা। অন্ধবিশ্বাসকে অন্ধ বলে মানতেই যারা আগ্রহী নয়, তাদের সত্যের সন্ধানে আগ্রহ না থাকাই স্বাভাবিক।
জানতে হলে , জানিনা আগে মানতে হয়। নাস্তিক তা মানে।

কিছু মানুষ বিশ্বাস ছাড়া চলতে পারেনা। সেই বিশ্বাস বিজ্ঞানের দ্বারা এখন অবধি প্রতিষ্ঠিত না হয়ে থাকলে তারা পুরোনো অন্ধবিশ্বাস আকড়ে বাঁচতে রাজি। আধা বিজ্ঞান ,আধা অন্ধবিশ্বাস ,আজব মিশ্রন এদের জীবনে সূত্রের।এদের আসলে নিজেদের তেই বিশ্বাসের অভাব।অজানা সত্য প্রতিষ্ঠার পর ঠিকই দলবদল করে।নাহলে আজকের সভ্যতাকে অস্বীকার করে বিজ্ঞানেবর্জিত জীবন কাটাত তারা। আমি বিজ্ঞানের ও অন্ধবিশ্বাসী নই, যে যাই বলবে চির সত্য মেনে নিব। কিন্তু এটা আমাদের চেষ্টার ফল,সত্যকে জানা... এইটুকু তো মানতে পারি।

৪৭. ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৪
রিসাত বলেছেন: বুঝতে পারলা???
০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: কাকে কী বুঝতে বললেন? বুঝার মত কিছু এখনো কেউ বলতে পারেনি.. রাসেল(......) সাহেব ট্রাই করেছিলেন.. কিন্তু তিনি কী বলে গিয়েছেন নিজেও সম্ভবত বুঝেননি...

৪৮. ০৫ ই মার্চ, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
শীমুলতা বলেছেন: নাস্তিকতা একটা অসুস্থতা।
+
৪৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫
হা...হা...হা... বলেছেন: চমৎকার লেখা। পড়ে মুগ্ধ হলাম।

শীমুলতা বলেছেন: নাস্তিকতা একটা অসুস্থতা।
+


সহমত।
৫০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৪
বিপদতাড়িনী বলেছেন: রহিম মানবিক বিভাগ থেকে এস.এস.সি. পাস করেছে তাই সে ক্যলকুলাস বুঝেনা আর রাশেদ প্রাইমারী স্কুল পার হতে পারে নাই তাই সে ক্যলকুলাস বুঝেনা; এরা উভয়েই কি সমান জ্ঞানের অধিকারী?
৫১. ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:১৩
বিপদতাড়িনী বলেছেন: নৈতিকতা নিরলম্ব কিছু নয়। এর অবশ্যই মাপকাঠি আছে। তবে সবকিছু মাপার জন্য আলাদা আলাদা মাপকাঠি আছে। নৈতিকতা মাপার মাপকাঠি হচ্ছে সমাজ বিকাশের ধারা বাহিকতা। সমাজ কিভাবে অতীতে বিকশিত হয়েছে বা আগামীতে কিভাবে হবে তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ জীবনাচরনই নৈতিকতা। আর তা না হলে হয় তা পশ্চাৎপদতা না হয় উচ্ছৃঙ্খলতা। এর কোনটাই উন্নত রুচি সংস্কৃতির ধারক হতে পারে না। আর নাস্তিক বা আস্তিক মানেই যে উন্নত রুচির হবে তা নয়। এটা নির্ভর করে কোন ব্যক্তি সমাজের প্রচলিত আন্যায়ের সঙ্গে নিজেকে কি পরিমানে দ্বদ্বে লিপ্ত করতে পেরেছে। যার সংগ্রাম যত তীব্র তার নৈতিকতার ভিত তত শক্ত। আশাকরি বুঝতে পেরেছেন।
৫২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২২
ভদ্র বলেছেন: যুক্তি দ্বারা ঈশ্বরের কাছে পৌছানো যাবে না। তবে ঈশ্বরের অস্তিত্ব বোঝা যাবে। ঈশ্বর হলেন এমন এক সত্ত্বা যিনি আমাদের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য সবকিছু সৃষ্টি করেছেন। এবং একটি উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করেছেন। কোরআন পড়লে এ কথাটিই স্পষ্ট হয়ে উঠে যে, এসব কথা সে সত্ত্বার পক্ষ থেকে আগত। এছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে প্রকৃতিতে আল্লাহ লিখা থাকার ঘটনা সম্পর্কে মানুষ অবগত। জার্মানিতে একবার গাছের শাখা প্রশাখা এমনভাবে গড়ে উঠল যে, তা আরবি হরফে 'আল্লাহ' লিখার ধারণ করল। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ফলের অভ্যন্তরে, মেঘে, মাছের শরীরে আরবী হরফে আল্লাহ লিখা অবস্থায় পাওয়া যায়। এসব কি করে সম্ভব হল। ফেইসবুকে এসব নিদর্শনের একটি ভিডিও দেখেছিলাম। লিংকটি পরে দেব। কেউ যদি দেখে থাকেন। জানিয়ে দেবেন।
৫৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:০৩
ভদ্র বলেছেন: এই লিংকে যান। আপনার আলোচনা কেমন হল বুঝতে পারবেন

Click This Link
৫৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:১৯
সংগ্রামী অলস বলেছেন: নাস্তিকরা কতটা মৌলবাদী তা খুব তারাতারি বুঝা যাবে।
৫৫. ১১ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:৫৯
সংবাদ বলেছেন: নাস্তিতকা এবং আস্তিকাত নিয়ে অনেকে অনেক ধরনের মন্তব্য করেছেন আমি যাহা বুঝি তাহা হচ্ছে দুটোর মূলে কিন্তু রয়েছে বিশ্বাস আস্তিক যারা তারা সৃষ্টিকর্তার অস্তিতে বিশ্বাস করে আর নাস্তিকতা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার অনস্তিত্তে বিশ্বাস আস্তিকতার প্রমান আছে কিন্তু কোন নাস্তিক তার বিশ্বাসের প্রমান দিতে পারেনি কিন্তু তারা যা করে তা হচ্ছে ধর্মগ্রন্ত বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের পবিত্র ধর্ম গ্রন্হ থেকে কিছু আয়াতের সমালোচনা বা কেন এটা করা হলোনা টাইপের তাদের মনগড়া যুক্তিদিয়ে বিচার বিশ্লেষন করা। আমি বলতে চাই বিশ্বাসই যেখানে স্রষ্টার অস্তিত্ত এবঙ অনস্তিত্তের ভিত্তি সেকানে কি এটা প্রতিয়মান নয় যে নাস্তিকরাও তাদের যুক্তিতে বিশ্বাসি এবঙ তাদের সেই বিশ্বাসই তাদের স্রষ্টা
৫৬. ০৬ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৪:৪২
জেবাল বলেছেন: নাস্তিকতা এখনকার যুগের একটা ব্যাবসা। প্রথম কমেন্ট কারীর উপরে আমার সহমত।
৫৭. ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯
আমি তুমি আমরা বলেছেন: শীমুলতা বলেছেন: নাস্তিকতা একটা অসুস্থতা।
৫৯. ২১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:২৪
সুরক্ষিত জঞ্জাল বলেছেন: ইকটু খবর রাখলেই চলবো.....দেইখেন

রাসেল সাহেব ক্যান্সার বা এইডস ধরা পড়লে আজান দিয়া তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া শুরু করবো। বাঙ্গালীর তো নাস্তিক হওয়ার যোগ্যতাই নাই।

বদলার মতো কতা কয়!
৬০. ২১ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ৮:৩২
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: কপাল ভালো ফিজিক্স নিয়া লেখেন নাই, তাইলে মান ইজ্জত আর থাকতো না!

যাই হোউক, দুইখান কথা কই, এখন তো মোটামোটি লয়াবে বিসা পরমান করন যায় জীবন তৈরী করতে ঈশ্বরের দরকার নাই। ফিজিক্স সম্পর্কে থোড়া বেসিক থাকলে তাইলে এইটাও হয়তো জানার কথা পার্টিক্যালের তৈরী সব স্বতঃস্åহূর্ত আবার ভ্যাকুয়ামের এক্সপেরিমেন্টে দেখা যায় ম্যাটার এন্ট ম্যাটারের উদ্ভব যা দিয়া অসম্পূর্ন স্ট্রিং থিওরী। তাইলে কেন এইটা নিয়া হুদাি হুম গিরী?এনসার আছে নাকি সবকিছু না জাইনাই ঘোষনা দেয়া আস্তিকরা আসলেই জ্ঞানী?

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৩৬৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
trivuz@gmail.com
http://trivuz.com
নেতাদের দেশপ্রেমিক হওয়ার আগে দেশের জনগনের দেশপ্রেমিক হওয়া জরুরী। যে দেশের নাগরিকদের দেশের প্রতি কোন রকম দায়বদ্ধতা নাই, দেশের প্রতি...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ