আমার প্রিয় পোস্ট

ট্রুথ নট সেইড টুডে, কুড টার্ন টু আ লাই টুমোরো

মনের বাঘ যখন ঘরে- আমাদের "ভারতীয় কৃতজ্ঞতাবোধ সিন্ড্রম" ও চতুষ্পদীয় রচনাসমগ্র

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৭

শেয়ারঃ
0 18 0

ভারত- বাংলদেশ দ্বিপাক্ষীক বৈঠক, তার ফলাফল আর যৌধ বিবৃতির আলোচনায় সুসপষ্ট বিপরীত দুই পক্ষ দেখা গেল। পেপার-পত্রিকা, টক শো, ব্লগ সবখানে। সমস্যাটা হইল ভারত ইস্যুতে দুই পক্ষ আগেই হয়া ছিল। একদল কোন ভাবেই ভারতের সাথে কোন কিসিমের চুক্তি করতে রাজি না। বরং দেশ উলু ধ্বনিতে ভইরা যাবে,বিক্রি হইয়া যাবে, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বরবাদ হইয়া যাবে, এইরকম একটা ধারনা প্রচারে সচেষ্ট। আরে মিয়া, তোমার তিন দিকে ভারত। দরজা বন্ধ কইরা কয় দিন থাকবা? ম্যাপটা দেখো। ডানে বামে ব্যবসা বাণিজ্যের বাজারটা দেখ। আর হিন্দু ধর্মপ্রচারে ভারত সরকারের কোন আগ্রহ নাই। যার সাথে দেন দরবারে বসতেছেন...তার আগ্রহ কোথায় সেইটা জানা জরুরী। উনাদের আগ্রহ বিদ্যুত, পেট্রোলিয়াম(মানে তেল-গ্যাস), ট্রানজিট, ব্যবসায়িক প্রভাব বিস্তার, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পারমানেন্ট মেম্বারশিপ পাওয়া...এইসবে।

আরেক দল আছে,৭১ এর কৃতজ্ঞতাবোধ সিন্ড্রমে আক্রান্ত। ৭১ এর কৃতজ্ঞতা আইজো তাদের ভাষণের আগা পিছায় ঝইড়া পড়ে। তাই ভারতীয় কূটনীতিকরা আমাদের দালাল, চোর, জঙ্গি যা খুশি তাই বলার এখতিয়ার রাখেন। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রি চুপ থাকেন। ৭১ এর কৃতজ্ঞতা দেখানি ভদ্রতা অনেক হইছে। আমেরিকা যেমন সোভিয়েত মারতে আফগানদের বিলিয়ন ডলারের যুদ্ধাস্ত্র দিছে, সেরম সোভিয়েতরাও ভিয়েতনামিজদের সাহায্য দিয়া আমেরিকাকে শায়েস্তা করছে। কৈ...আফগানিস্তান বা ভিয়েতনামকে এত কৃতজ্ঞতায় গদগদ করতে দেখি না। বাস্তবতা বুঝেন। ভারত কোন দিনই আমাদের সাহায্য করতো না, যদি আমাদের "কমন" শত্রু পাকিস্তান না হইত। সহজ স্ট্যাটেজিক্যাল হিসাব। ব্যবসা-বাণিজ্যের মধ্যে এইসব টাইনা ভারতরে আপার হ্যান্ড দেয়ার কোন মানে নাই।

যাহোক ভারত- বাংলদেশ দ্বিপাক্ষীক যৌধ বিবৃতির আলোচনায় ১০ এর একটা স্কেলের উপরে মার্কিং করতেছি সব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। যাতে ভারত- বাংলদেশ কার স্বার্থ কিরম রক্ষিত হইল তা পরিস্কার বুঝা যায়। আজকাল হুমায়ূন আহমেদ থিকা শুরু কইরা প্রথম আলোর মতিউর রহমান সবাই চতুষ্পদীয় রচনা লিখতেছেন এইবিষয়ে...তাই আমি একটু অংকের সাহায্য নিলাম।

১। ট্রানজিটঃ অনুচ্ছেদ ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ৩৩, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯। ট্রানজিট জিনিসটা বুঝার আগে ম্যাপটা দেখেন। বাংলাদেশের একদিকে ভারতের সাতটা স্টেট আছে, যাদের বলে Seven Sister States। মূল ভারতের সাথে এদের যোগাযোগ শিলিগুড়ি করিডোর দিয়ে। এই চিকন শিলিগুড়ি করিডোর নেপাল আর বাংলাদেশের ফাকে। তাই এই ভৌগলিক সুবিধাকে কাজে লাগায়ে আমরা ভারতের কাছে স্থল ও জলবন্দর ব্যবহার করতে দিয়ে ভাল মুনাফা নিতে পারি। বিনিময়ে নেপাল, ভূটানে আমাদের পণ্য পরিবহনে সুবিধা চাইতে পারি। আবার ন্যায্য পানির হিস্যাও, শূন্য শুল্ক-সুবিধাও আদায় করা যেতে পারত। কিন্তু কি পাইলাম? নেপাল ভূটানে পণ্য নেয়ার সুসপষ্ট কোন পয়েন্ট দেখলাম না। কিন্তু ভারত ঠিকি মংলা, চট্রগ্রাম বন্দর, to and from India through road and rail পণ্য পরিবহনে ইজাজত লেখায়ে পড়ায়ে নিল। ২৩ নং পয়েন্টটা পড়লে ভারতের আনকম্প্রমাজিং মনোভাব সুস্পষ্ট হয়।
"23. It was agreed that Bangladesh will allow use of Mongla and Chittagong sea ports for movement of goods to and from India through road and rail. Bangladesh also conveyed their intention to give Nepal and Bhutan access to Mongla and Chittagong ports." প্রথম লাইনে "was agreed" বলে মংলা ও চট্রগ্রাম বন্দর ব্যবহারে বাংলাদেশের সম্মতি নেয়া হল। দ্বিতীয় লাইনে নেপাল ভূটানের বেলায় শুধু জানানো হইল "intention to give". নেপাল ভূটানে বিষয়ে একি কিসিমের ধোয়াশা রাখা হইছে ২৬ ও ৩৮ নং এ। আমরা এখনো দুইপাতা ইংরাজী পইড়া স্বাক্ষর দিবার মত লায়েক হইয়া উঠতে পারি নাই। স্বীকার করেন?

তাছাড়া একি সাথে জল ও স্থল ট্রানজিট দেবার মতো মেচিউরিটি কি এই প্রতিনিধি দলের ছিল? কোন এসেসমেন্ট করা হয়েছে কি? আমাদের অর্থনীতিতে এর প্রভাব কিরম পড়বে? আমাদের ইনফারস্ট্রাকচার (রাস্তা, কাষ্টমস, নৌবন্দর) কতটা ক্যাপাবল এই বিশাল ট্রাফিক সামলাইতে? কিছুই করা হয় নাই!
বাংলাদেশ- ২, ভারত- ৮

২। ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণঃ যদিও এইটাকে প্রধানমন্ত্রী "সবচেয়ে বড় সাফল্য" হিসাবে প্রচার করতেছেন, তারপরেও আমি এইখানে বাংলাদেশ- ০, ভারত- ১০ পয়েন্ট দিব। আমরা কোন ঋণ সুবিধা নেয়ার জন্য আমরা ভারতে যাই নাই। বরং ভারত এইটা আমাদের গিলায়ে দিছে। কারন এইটার সুদের হার ১.৭%। অন্যদিকে বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এই ঋণ দিলে সার্ভিস চার্জ দিতে হইত ০.৭৫%। তার উপরে এইটা ক্রেডিটরস লোন। মানে বাংলাদেশ রেলের ইঞ্জিন-বগি, সৈয়দপুর রেলওয়ে ওয়ার্কশপের উন্নয়ন, বাস ক্রয় এবং ড্রেজিং প্রকল্পের জন্যই শুধু এই ঋণের টাকা ব্যবহার করা যাবে। হয়ত শুধু ভারতীয় বাস, বগি, মেশিনারীই কেনার শর্ত দেয়া হবে। আগ বাড়ায়ে এরম একটা ফান্দে পা দেয়ার কোন মানে খুইজা পাচ্ছি না।
বাংলাদেশ-০, ভারত- ১০

৩। তেল গ্যাস সমুদ্র সীমানাঃ সীমানা নির্ধারন নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয় নাই। জাতিসংঘে এইটার মীমাংসা হবে। এইটা ভাল হইছে।
বাংলাদেশ- ৫, ভারত- ৫

৪। টিপাইমুখ বাঁধ ও নিষ্ফলা পানি চুক্তি সমূহঃ টিপাইমুখ বাধ বন্ধের কোন দাবিই জানায় নাই আমাদের প্রধানমন্ত্রী। টিপাইমুখ বাধের পক্ষে সাফাই গাইতে গাইতে তিনি দেশে আসছেন...আর আগের করা তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টনের সমস্যাগুলান নিয়া হাসিনা সরকারের কোন মাথাব্যথা নাই বইলা মনে হইল।
বাংলাদেশ- ০, ভারত- ১০

৫। আতংকবাদঃ সন্ত্রাসী ধরতে দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে আমার কোন আপত্তি নাই। কিন্তু ভারতীয় সরকার ও মিডিয়া যে কথায় কথায় বাংলাদেশকে "আতংকবাদীদের আতুড়ঘর" প্রমাণে উইঠা পইড়া লাগছে...সেইখানে আমার আপত্তি। আমরা আমাদের সবচেয়ে বড় জঙ্গিগুলানরে ধরছি, ফাসিও দিছি। ইন্ডিয়া কয়টা পারছে? বরং উনাদের জঙ্গিরাই আমাদের মাটিতে ঢুকছে... ধরাও পড়ছে।"আতংকবাদীদের আতুঁড়ঘর" দায়টা উনাদেরই দেশি, আমাদের না।
বাংলাদেশ- ৫, ভারত- ৫

৬। জাতিসংঘ ও অন্যান্যঃ সুকৌশলে জাতিসংঘে ভেটো পাওয়ার হবার জন্য ভারত আমাদের দলে টানছে ৪৮ নং অনুচ্ছেদে। আমরাও বেকুবের মত কোন শর্ত না দিয়া "জ্বী হুজুর, সঙ্গেই আছি" জানায়া দিলাম। পানিবন্টন, সমুদ্র সীমানা ছিটমহল, বর্ডারে শতশত খুন...এত ঝামেলা যার সাথে তারে বিশ্বমোড়ল বানাইতে হাসিনা সরকারের এত আগ্রহের হেতু বুঝলাম না।
বাংলাদেশ- ০, ভারত- ১০

৭। ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুতঃ ভারত নিজেই চরম বিদ্যুত সংকটে আছে। ইন্টারন্যাশাল এনার্জি এজেন্সীর হিসাব মতে, ২০৩০ সালে বিশ্বের মোট এনার্জি ডিমান্ডের ৫০% এর বেশি অংশ ভারত ও চীনের থাকবে। সুতরাং ২৫০মেগাওয়াট, যা কিনা আমাদের বিদ্যুত ঘাটতির খুবি ছোট্ট একটা অংশ, ভারত আদৌ কেনার মতো দামে ছাড়বে কিনা সন্দেহ আছে। মানে দাড়াইলো, পুরাটাই ব্লাফ।
বাংলাদেশ- ০, ভারত- ০

৮। শূন্য শুল্ক-সুবিধাঃ এইটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট। অনেক দিন থিকাই এই মূলা আমাদের নাকের সামনে ঝুলতেছে, কিন্তু ক্যান জানি খাইতে পারতেছি না। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আওতায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) জন্য বাজার খুলে দিতে হচ্ছে। গত নভেম্বরে জেনেভায় জানুয়ারি ২০১০ থেকে বাজার খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ব্রাজিল। ভারতকেও একই ধরনের ঘোষণা দিতে হবে। কিন্তু দিল কৈ?
বাংলাদেশ- ০, ভারত- ১০

৯। বৃত্তিঃ ভারত সরকার আমাদের সরকারী চাকুরেদের কিছু বৃত্তি দিতে চেয়েছেন। নিঃসন্দেহে তা কিছুটা হইলেও বাংলাদেশের অর্জন।
বাংলাদেশ- ১০, ভারত- ০

১০। ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কারঃ বাংলাদেশের পক্ষে টিপসই দেয়ার জন্য এটা মুটামুটই ভাল একটা পুরস্কার। কি বলেন? যৌধ ঘোষণায় এইটা থাকলে আরো মজাক পাইতাম।
অনেকেই ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে যাবে, ট্রাকের ড্রাইভারদের জন্য রাস্তার দুপাশে আমরা চটপটি বিক্রি কইরা অনেক পাইসা কামাব...এইরম সুখচিন্তায় জনগণরে অস্থির কইরা ফেলাইতেছেন। আবার মতিউর রহমান, হুমায়ূন আহমেদরা মনের বাঘ শিকার করতে কলম হাতে নামছেন। এদিকে "মনের বাঘ যে ঘরে" ঢুইকা গেছে সেদিকে খেয়াল নাই।

বাংলাদেশের পক্ষে আলোচনায় অংশগ্রহনকারী দলটি দেশ ছাড়ার আগে কি কি ইস্যুতে বাংলাদেশ দেনদরবার করবে...তা কি প্রকাশ করেছিল?---না
ব্যবসায়ী, ডিফেন্স স্পেশালিস্ট, পাওয়ার সেক্টরের কনসাল্টেন্ট ইঞ্জিনিয়ার কি প্রধানমন্ত্রীকে বিফিং করেছিলেন-?-- না
সরকারের বিগত ১ বছরে ট্রানজিট বিষয়ে কোন মন্ত্রাণালয় কি কোন রকমের নিরিক্ষা চালিয়েছে?--- না
এর মানে বাংলাদেশের স্বার্থ সম্পর্কে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ওয়াকিবহাল ছিলেন না। চুক্তির প্রতিটি লাইন ভারতের লিখা এবং পূর্ব নির্ধারিত। হয়তো ব্যাপারটা ইলেকশনের পূর্বেই মীমাংসা হয়েছিল। বর্তমানে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগের প্রবল জনপ্রিয়তার পূর্ণ স্বদব্যবহার করল ভারতের কূটনিতীকরা। দূর্দান্ত মাস্টার প্লান।

মোট ফলাফলঃ বাংলাদেশ- ২২, ভারত - ৫৮

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
The Daily Star: 2010-01-13. Full text of jt communiqué
শওকত হোসেন মাসুমঃ ভারত থেকে ঋণ নয়, বাণিজ্য সুবিধা পাওয়া বেশি প্রয়োজন
মতিউর রহমান | তারিখ: ২২-০১-২০১০। মনের বাঘ তাড়াতে হবে
ব্লগারঃ একান্ত কথা"কৃতজ্ঞতাবোধ সিনড্রম" ও বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা
ব্লগারঃ পি মুন্সি হাসিনার ভারত সফর: যৌথ ঘোষণার সুক্ষ কারচুপি

 

সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: লেখা ঠিক আছে। প্লাস।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১০

লেখক বলেছেন: থাঙ্কু।

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্যার

৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
রাজিয়েল বলেছেন: ভাল লিখসেন। আমি বিএনপির ভারতীয় জুজু প্রচারনার চরম বিরোধী। আবার শেখ হাসিনার মত অতিরিক্ত তেলবাজীও পছন্দ করি না। শেখ মুজিব ছিলেন এই দিক দিয়ে আমাদের আদর্শ নেতা। দেশের স্বার্থের ব্যাপারে কারো সাথে কোন আপোষ করেন নাই। ++++++++++
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০০

লেখক বলেছেন: শেখ মুজিব কিন্তু ভার তের সৈন্য ফেরত যেতে বলতে ভয় পান নাই...কি ছিল তার তখন? না ছিল আন্তর্জাতিক মিত্র, না ছিল একটা সুগঠিত সেনাবাহিনী। তারপরেও তিনি পারছেন। কারণ উনার একটা কলিজা ছিল দেশের জন্য, যেইটা উনার মেয়ের নাই। আফসোস।

৪. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৭
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: বাংলাদেশ ২২, ভারত ৫৮ এইটা মানতে পারলাম না। বড়জোর, বাংলাদেশ ৫ , ভারত ৯৫। শিক্ষাবৃত্তি কোনভাবেই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য কোন অর্জন হতে পারেনা।

এই বিষয়ে অনেক মন্তব্য করলেও গুছিয়ে কোন পোষ্ট দেয়া হয়নি।যদি সচলায়তনে পড়তে অ্যালার্জি না থাকে, তবে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক চুক্তি এই পোষ্টে অর্থনৈতিক বিবেচনায় বেশ ভালো আলোচনা হয়েছে।

আপনার পোষ্টে ভাসাভাসা আলোচনা।সুনির্দিষ্টভাবে, আপনি বন্দর ব্যবহার করতে দেয়ার পক্ষে কিনা, কিংবা হলেও ঠিক কি শর্তে, আদৌ কোন বাণিজ্যিক অগ্রগতি হয়েছে কিনা, এসব বিষয় ডিটেইলস অনুপস্থিত।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৫

লেখক বলেছেন: কথা সত্য। সিপ্লিসিটি আনতে সবগুলা পয়েন্টে সমান (১০) গুরত্ব দেয়া হইছে। যদিও শূন্য শুল্ক-সুবিধা আর শিক্ষাবৃত্তি কোন ভাবেই জাতীয় অর্জনের ক্ষেত্রে সমান হইতে পারে না।এই ফিসিবিলিটী এনালাইসিস হিসাবটা আর কম্পলেক্স তাই প্রশ্ন রেখেছিঃ সরকারের বিগত ১ বছরে ট্রানজিট বিষয়ে কোন মন্ত্রাণালয় কি কোন রকমের নিরিক্ষা চালিয়েছে?

লেখার আকার কমানোর জন্যই হয়তো একটু ঝাপসা লাগতেছে। তবে মূল উদ্দেশ্য ছিল আম পাঠককে এই শুভংকরের ফাকিগুলান বুঝানো।

বাণিজ্যের স্বার্থে বন্দর ব্যবহারের বিপক্ষে যাবার কোন কারণ দেখি না।কিন্তু এটাই যেহেতু আমাদের এক্মাত্র ট্রাম্পকার্ড, তাই এর বিনিময়ে পুরানা পানি চুক্তি, বাধ, শূন্য শুল্ক-সুবিধা, নেপাল, ভুটানের সাথে ট্রাঞ্জিট আদায়ের পক্ষপাতি। তাই চোখ বন্ধ করে হাসিনা সরকারের টিপসইয়ের বিপক্ষে আমার অবস্থান।

লিঙ্ক শেয়ারের জন্য ও পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫১
রাজিব খান০০৭ বলেছেন: দারুন বিশ্লেষণ +
৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৯
জাতীয়তাবাদী শুভ বলেছেন: অনেক শুভংকরের ফাঁকীর এনালিটিকাল বিস্লেষন। অনেকের জন্যেই এই চুক্তির একটা সুন্দর অবয়ব। তারপরও আহসান হাবিব শিমুলের মত আমারও প্রশ্ন- বন্দর ব্যবহার দেবার পক্ষে কি আপনি কিম্বা ট্রানজ়িটের সুবিধা নিয়ে যে তারা সেভেন সিস্টার্সের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমন করার কাজে ব্যবহার করা সংক্রান্ত আপনার মতামতটা জানতে পারলে ভালো হত।
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ক্রসোভার ঠেকাতে "আতংকবাদবিরোধী"চুক্তি করা হয়েছে। সেই চুক্তির দলিল পাওয়া যায়নি এখনো। সেখানে যদি বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে ভারতীয় সেনাদের আতংকবাদবিরোধী অভিযানের সুবিধা দেয়া থাকে , তাহলে তা কোন ভাবেই মানা যায় না।আর বন্দর ব্যবহার প্রশ্নে আহসান হাবিব শিমুলকে উত্তর দেয়েছি, দেখুন ৪। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫১

লেখক বলেছেন: বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ক্রসোভার ঠেকাতে "আতংকবাদবিরোধী"চুক্তি করা হয়েছে। সেই চুক্তির দলিল পাওয়া যায়নি এখনো। সেখানে যদি বাংলাদেশের ভূখন্ড ব্যবহার করে ভারতীয় সেনাদের আতংকবাদবিরোধী অভিযানের সুবিধা দেয়া থাকে , তাহলে তা কোন ভাবেই মানা যায় না।আর বন্দর ব্যবহার প্রশ্নে আহসান হাবিব শিমুলকে উত্তর দেয়েছি, দেখুন ৪। পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এক স্কলারশীপ ছাড়া আর সবটাতেই তো ২ কম এক ডজন গোল খাইয়া হাইরা গেলাম!
:(
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৩১

লেখক বলেছেন: হুম...।ফুটবল, ক্রিকেট, ব্যবসা...সবখানে ধরা খাইলাম। কোথায় জানি লেখছিলাম "জাতি হিসেবে বাঙ্গালির মতো নিঃসার্থ বোধ করি আর কেহই নহে!"

৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৫৪
মুকুট বলেছেন: জোশ বিশ্লেষন!
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৩১

লেখক বলেছেন: শেয়ার মোবারক

৯. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১০
যুদ্ধবাজ বলেছেন: "এক স্কলারশীপ ছাড়া আর সবটাতেই তো ২ কম এক ডজন গোল খাইয়া হাইরা গেলাম!" - স্কলারশিপও কি মামা হুদাই দিছে? দেখেন গিয়া এর মইধ্যেও বহুত ক্যারফা আচে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: যেই ক্যারফা দেখা যাইতেছে না...সেইটারে হিসাবের বাইরে রাইখাই হিসাব করলাম। তাওতো ইন্ডীয়া ৭৩%। :(

১০. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১১
যুদ্ধবাজ বলেছেন: "ভারত সরকার আমাদের সরকারী চাকুরেদের কিছু বৃত্তি দিতে চেয়েছেন। " - ছাত্রদের না। কেন? কারন ভবিষ্যতে যাহারা আমলা-সচীব হৈবেন তাহাদের একটু হৈলেও কৃতজ্ঞতার দায়ে আবদ্ধ করা উচিত।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

লেখক বলেছেন: হতে পারে

১২. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৯
স্বপ্নরাজ বলেছেন: ভাল বিশ্লেষণ। তবে সেই রাখাল বালকের কথা মনে পড়ে। বিএনপি এতোদিন খামাখা বাঘের ভয় দেখালেও এবার মনে হয় সত্যিই বাঘ ঢুকে গেছে।
১৩. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৯
ধীবর বলেছেন: আপনার শেষের দিকের মন্তব্যটিই এই বৈষম্যের ব্যাখা দেবার জন্য যথেষ্ঠ। নির্বাচনের আগে একে ওকে দেয়া প্রতিশ্রুতি পুরণের জন্যই হাসিনার এই দেশ বিরোধী উদ্যোগ। ++
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৬

লেখক বলেছেন: হুম...।চাইলের দাম দেখলেই বুঝা যায়...

১৫. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৩
নীল লাল সবুজ বলেছেন: ভারতীয় ট্রাক বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে যাবে, ট্রাকের ড্রাইভারদের জন্য রাস্তার দুপাশে আমরা চটপটি বিক্রি কইরা অনেক পাইসা কামাব..
১৬. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪
শুভ৭৭ বলেছেন: নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গিতে দারুন একটা বিশ্লেষণ।
+ ও প্রিয়তে।
০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৩

লেখক বলেছেন: স্পেকুলেশনগুলান এড়াবার চেষ্টা করলাম... যদিও সন্দেহ প্রকট।ধন্যবাদ।

১৭. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১
রেদওয়ান রহমান বলেছেন: অসাধারান লিখেছেন!!
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: শুক্রিয়া

১৮. ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৬
হাজ্জাজ-বিন-ইউসুফ বলেছেন: আমরা এখনো দুইপাতা ইংরাজী পইড়া স্বাক্ষর দিবার মত লায়েক হইয়া উঠতে পারি নাই। স্বীকার করেন

ডক্ট্ররেট পাওয়ার লাইগা ইংরেজী জানা লাগে না জানেন না।

একজন কয় চটপটি বিক্রি কইরা আমরা ধনী হয়া যামু আরেকজন কয় পেট্রোল বিক্রি কইরা আমরা ধনী হয়া যামু। আর কত কি?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: হুম

১৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৬
মতিউর রহমান চরিয়া বলেছেন: "আমরা এখনো দুইপাতা ইংরাজী পইড়া স্বাক্ষর দিবার মত লায়েক হইয়া উঠতে পারি নাই।"

- তাই প্রমাণ হলো হাসিনার চুক্তি-স্বাক্ষরে।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:২৬

লেখক বলেছেন: এরম আরো অনেক প্রমাণ পাবেন... মডেল পিএসসি ২০০৮ পড়েন।

২০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:৪৫
ব্যতিক্রমী বলেছেন: দারুণ বাঙ্গাল। আমাদের দেশের জন্য কলিজা নাই। কলিজা হইলো ঠোঁটে...
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:১৮

লেখক বলেছেন: হুম

২১. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ইবনে বতুতা বলেছেন: চমৎকার কিছু বিষয় সন্নিবেশ করার জন্য ধন্যবাদ। লেখাটি ভালো লেগেছে। ১০ টি সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রত্যেকটি বিষয়ের নিশ্চয় ভালো একটি সমাধান রয়েছে। লেখকের কাছে বিনীত প্রত্যাশা, ক্রমানুযায়ী আপনার মতে সমাধান কী কী? দয়া করে জানাবেন কি? ভারতের সঙ্গে পররাষ্ট্র, সামাজিক, দ্বিপাক্ষিক, অর্থনৈতিক স্বর্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আর কোন কোন পদ্মতিতে বিষয়গুলি ট্যাকল করা যেত বলে আপনি মনে করেন?

ক্রমানুযায়ী সমস্যাগুলির ব্যাখ্যা দিয়ে বাধিত করবেন।

১. বিষয় ২. সমস্যা ৩. সমাধান

সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত ব্যাখ্যা আশা করছি।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ভারতের সাথে বাণিজ্য পিছায়ে থাকলেও ট্রানজিট ইস্যুতে ভারতের প্রয়োজনটাই বেশি...আমাদের কম। তাই ট্রানজিটকে পুজি করে আমাদের অন্যান্য দাবি গুলা আদায় করা উচিত...যেমন পানি।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে পানির হিস্যা...আমাদের অধিকার...এটা যেন লেনদেনের আওতায় না পড়ে। লেনদেনে আনতে হবে ভূটান আর নেপালে ট্রানজিটকে। আর এইক্ষেত্রে নিজের বাজার আগে খুলে দিয়ে (যেমন ভূটান থেকে পণ্য আসা শুরু হয়ে গেছে) তারপর ট্রাঞ্জিট চাইবার চরমবিরোধী। এত বড় অর্থনৈতিক পাওয়ার হয়ে ভার ত যেখানে তার বাজার খুলে দিতে চাইছে না...সেখানে আমাদের খুদ্র বাজার উন্মুক্ত করে দিলে...দেশীও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবেই।

ভারতের জাতিসংঘে ভেটো পাওয়ার হবার খায়েশকে পুজি করে আরো কিছু আদায় করা যেত... যেমন বিবাদমান জায়গা জমি আর বিএসেফের সাথে ঠান্ডা লড়াই।

সমুদ্র সীমানা নিয়ে কোন রকমের ছাড় দেয়া যাবে না।

ভারতের সাথে সম্পর্ক আন্তরিক করার চেয়ে ব্যবসায়িক করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২২. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:০৪
মৃত৬৬৬ বলেছেন: শুনলাম, দেখলাম,বুঝলাম মাগার কোন প্রভাব দেখলাম না। আমাগোর আরো শিক্ষিত হওয়া লাগব।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২১

লেখক বলেছেন: ুম

২৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:২৩
ত্রিভুজ বলেছেন: দেরিতে পড়লাম। ভাল বিশ্লেষণ.. তবে প্রাসঙ্গিক আরো কিছু বলতে চাচ্ছিলাম। টাইপ করতে ইচ্ছে করছে না...

প্রিয় পোস্টে থাকলো।
০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:১১

লেখক বলেছেন: শুক্রিয়া

২৪. ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:২৬
সবুজ-ভাই বলেছেন: দুঃখ জনক যে এসব লেখা খুজে পড়তে হয়। +++
মনে মনে এটাই খুজতে ছিলাম। ব্লগে যাত্রা শুরু করেছি , শেষ হবার আগে একটা মতামত পেলে খুশি হব।


Click This Link
১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৯:০৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২৫. ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
অসময়ের আমি বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম..................+++++++
২৭. ১৩ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:০৩
অবাঞ্চিত বলেছেন: আমরা এখনো দুইপাতা ইংরাজী পইড়া স্বাক্ষর দিবার মত লায়েক হইয়া উঠতে পারি নাই। স্বীকার করেন

সহমত
১৩ ই জুন, ২০১০ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: ধ ন্য বাদ

২৯. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:১৮
বাঙ্গাল বলেছেন: ঋণের ১০০ কোটি ডলারের পণ্য ও সেবা ভারতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিনতে হবে। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশ পণ্য সরাসরি ভারতের কাছ থেকে কিনতে হবে, আর অবশিষ্ট ১৫ শতাংশ কিনতে হবে ভারতীয় ঠিকাদারের পরামর্শে।দরপত্রে যেসব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে, সেগুলো ভারতে নিবন্ধিত, প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বত্বাধিকারীরাও হবেন ভারতীয় নাগরিক এবং ৫১ শতাংশ...মালিকানা হবে ভারতীয় -প্রথম আলো
Click This Link

 

মোট সময় লেগেছে ২.১৭৫৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমি একজন ঘবেষক..চিন্তা করাই আমার কাজ...চিন্তিত ভাই ব্রাদারদের আমার পেজে স্বাগতম।
troublekid09@gmail.com
http://www.amarblog.com/bangal/
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই