আমার প্রিয় পোস্ট
- ইউকে জামাতের প্রধান এবং নিজামীর জামাতার স্বীকারোক্তি...অবশেষে... - নিঝুম মজুমদার
- শিক্ষকদের যৌন নির্যাতন - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- একটি গ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রামিং কনটেস্ট - মুনির হাসান
- জাগো গো ভগিনী। - জিকসেস
- আয় কে আমাদের পিটাবি? (আমি একজন ভিকি বলছি) - অগ্নিলা
- আপনি কি সদ্য ডাক্তারী পাশ করেছেন? তাহলে আপনাকেই বলছি!!! - পয়গম্বর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- কুরআনে শব্দ খোজার জন্য ব্যবহার করুন “জিকর” নামের অসাধারণ সফটওয়্যার - কর্ণেল সামুরাই
- আড়িয়াল বিলের কান্না শুনুন ।। ১০ লক্ষ মানুষ বনাম সরকার - আমি রোদের ছেলে
- অনলাইনে সবচেয়ে সহজ Data এন্ট্রি জব Microworkers নিয়ে বিস্তারিত পোস্টমর্টেম


- টিপস ম্যান
- চমকে দিন সবাইকেঃ মাত্র ৩ মিনিটে কেক বানান আপনার কফি মগটিতে!!!
- তেলাপোকার ডানায়
- ·٠•●♥ •●♥ •♫♫♫♫♫ কালেকশনে রাখুন উপমহাদেশের সেরা কিছু ইনস্ট্রুমেন্টাল এ্যালবাম - আমার আপলোড করা ♫♫♫·٠ -•●♥ ♫♫♫·٠ - কবির চৌধুরী
- বাংলাব্লগের লিংক খুঁজছেন?? এই নিন বাংলা ব্লগের লিংক; আর মজা করে ব্লগিং করুন। - আজাদ আল্-আমীন
- নির্ধারক শিক্ষিত মধ্যবিত্ত মনের গতিপ্রকৃতি - পি মুন্সী
- ১৬৫৬ সালের স্থাপনা: নলডাঙ্গা, ঝিনাইদহ - উড়নচণ্ডী
- ছন্দের যাদুকরদের ছন্দময় প্রিয় কবিতারা - শায়মা
- খলিল আল্টিমেটাম (খলিল সিরিজ-১০) - জিকসেস
- দ্য কিউরিয়াস কেইস অফ বাংলা কী-বোর্ড - আইরিন সুলতানা
- যেসব সহজ-বানান আমরা খুব সহজে ভুল করি-- ১ম পর্ব - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- আপনার হাতেই যখন প্রমাণ, গোলাম আযমকে কেনো ছাড়া হবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী? - কানু
- একাত্তরে সংগঠিত যুদ্ধাপরাধঃ হামূদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট - শেখ আমিনুল ইসলাম
- বিদেশী পত্রিকায় আমাদের মুক্তিযুদ্ধ (রি পোস্ট) - নুর মোহাম
- অফেন্ডিং জিয়া ১ : স্বাধীনতার ঘোষণা পর্ব - নুরুজ্জামান মানিক
- ছড়াপ্রস্তুত কারখানা : দলে দলে যোগ দিন - সবুজ অঙ্গন
- এবার প্রেসের কাজে বাংলা লিখুন ইউনিকোডেই একদম সরাসরি ফটোশপ (মেহেদী ভাইয়ের নতুন পোস্ট) - টেকি মামুন
- কঠিন পৃথিবী এবং অমায়িক ফেসবুক - হাসান মাহবুব
- যুদ্ধ শিশু '৭১ : স্বাধীনতার এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা-১ - আলী
- জামাতের নেতারা বলে কি আর করে কি !? (শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জামাতি ভন্ডামির চালচিত্র
) - সেলটিক সাগর
- সবুজ অঙ্গন ব্লগীয় কবিতাসংকলনে যাঁদের লেখা আসছে - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- প্রসঙ্গ ৭ ই নভেম্বর: জিয়া ভার্সাস কর্ণেল তাহের --- যে বিষয়গুলোতে যুক্তি খুঁজে পাইনা - জ্বিনের বাদশা
- ভাষা আর সংস্কৃতির ক্ষমতা: ক্ষুদ্র জাতিসত্তা প্রসঙ্গে - ফয়েজ আলম - পারভেজ আলম
- পাহাড়ে সমতলীর বসবাসের অধিকার ও CHT কমিশনের মতলব - পি মুন্সী
- দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট ও লন্ড-ভন্ড শহীদ মিনার - টিংকু ট্রাভেলার
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৬ঃ আন্ধাকানুন - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৫ঃ অপেশাদার কূটনীতি - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৪ঃহরেক রকম অবৈধ ব্যবসা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-৩ঃকিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-২ঃঅপপ্রচার - টুটুল বরকত
- সৌদি আরবে বাংগালীদের দুর্দশার কারন-১ঃআদম ব্যবসায়ী - টুটুল বরকত
- যুদ্ধাপরাধের বিচার: রাষ্ট্র কার বিচার করে - পি মুন্সী
- ডেসটিনির গাছে সোনার কাঁঠাল এবং আবুল ভাইয়ের তৈলাক্ত গোঁফ্ - স্তব্ধতা'
- স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস না ভ্যালেন্টাইনস ডে? - দিবস বাণিজ্যে বিবশ তারুণ্য ! - দিনমজুর
- ** জ্যোতির্ময় বচন * * ( এক রূপবতীর সাথে কথোপকথন
, হাল্কা ১৮+ ) - বোহেমিয়ান কথকতা
- বহু বিবাহ : প্রয়োজন, লোভ ও ভীমরতি - মোহাম্মদ লোমান
- মহীনের ঘোড়াগুলি - দুঃখবিলাস
- একটি ভ্রুনহত্যার গল্প এবং আমার নিজের প্রতি ঘৃণাবোধ...(কাল রাতে করা এই পোস্টটি সামুর বাগে খেয়ে ফেলায় আবার রিপোস্ট করতে হলো) - ড়ৎশড়
- বাজার অথবা পাত্র পাত্রী বিষয়ক কথোপকথন [*গল্প*] - বোহেমিয়ান কথকতা
- পথশিশুদের মাঝে নতুন জামা বিতরন --- ছবিসহ শেষ আপডেট। - নিশ্চুপ নিরবতা
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা
- সহি টিপাইনামা ৪ : বন্যা নিয়ন্ত্রণের ভুলের খেসারত - ফারুক ওয়াসিফ
- শূয়োরের বাচ্চা ফ্লু, ফ্যাকটরী ফার্মিং এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দাবী - দিনমজুর
- রাগের নাম: ইমন - ইমন জুবায়ের
- অ্যাপোক্যালিপস ফিলিস্তিন - ফারহান দাউদ
- সশস্ত্র বাহিনীতে গণহত্যা (১৯৭৫-১৯৮১) একটি প্রামাণ্য দলিল - শওকত হোসেন মাসুম
- ১৪ই ডিসেম্বর আমরা যা করেছিলাম [হয়তো আরেকটা ব্যর্থ উদ্যোগ] এবং একটা শুরু । - মনির হাসান
- আমার বামহাতটা কব্জির নীচ থেকে উড়ে গিয়েছিলো ............... - হনলুলু
- বৈশ্বিক খাদ্যসংকট: ভুখা বাঙালির ভাতের কষ্ট বনাম শতাব্দীর বৃহত্তম জোচ্চুরির ইতিহাস - ফারুক ওয়াসিফ
- নবীনদের জন্য - নাদান
- স্যুটকেস চুরির প্রধান প্রধান বিপত্তি এবং ... পরিত্রাণ - মানস চৌধুরী
- আজ কি আমার বিকেলগুলো, অন্য কারো? - সুনীল সমুদ্র
- আমার হাতে এক পেয়ালা দেবদারুর ছায়া - বিষাক্ত মানুষ
- সারা দেশে জামাতের শিক্ষা বাণিজ্য নেটওয়ার্ক এবং দেশদ্রোহীতার একটি সাম্প্রতিক দলীল - আদৃতা আবৃত্তি
- এসো , বর্নমালা শিখি - আস্তপ্রেমিক
- একটি নিরীহ প্রশ্ন - নাদান
- এক অখ্যাত কবির পোস্টমর্টেম - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- কাদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'র কবি মাহবুবুল আলম চৌধুরী মারা গেলেন। - শওকত হোসেন মাসুম
- ধান্দাবাতি,বজাসহ সব রাজাকার ছানারা দ্যাখতো সিগনেচারটা চিন্তে পারছ নাকি? - লাল মিয়া
- এই সময়ের শ্রেষ্ঠ কবিতা - মুকুল
- ভুলে যাওয়া আকাশ - নাদান
- কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!! - চে
- একটা কবিতা লিখতে চাই - ফারহান দাউদ
- উদাসীর দেখা এক পরাজিত মানুষের সুইসাইড নোট! - উদাসী স্বপ্ন
- যাত্রা শুরুর ইশতেহার (হোসেইনের কবিতাঞ্জাল) - হোসেইন
- জোড়া দেয়া কবিতা,তোমার জন্য - ফারহান দাউদ
- পথ আগলে থাকা কোন এক নারীকে (সূফীর কবিতাঞ্জাল) - সূফি
- যখন আমি মারা যাই - অন্যমনস্ক শরৎ
- পৃথিবীটা নাকি ছোটো হতে হতে ----- [ মহীনের ঘোড়াগুলি ] - বিষাক্ত মানুষ
- অভিবাসীদের দেশ কানাডা - পর্ব ২.২ (অভিবাসনের বিপক্ষে সিদ্ধান্ত) - এস্কিমো
- খোকাবাবু মূল : আনটোয়ানী ডে সা এক্সউপেরী - পুতুল
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- ঝামেলামানুষ-২; ভ্যলেরি টেইলর, আপনাকে - জানালা
- জামাতের আমলনামা: - আড্ডাবাজ
- স্বপ্নবাজি - কিংকর্তব্যবিমূঢ়
- আজ তোমার মেঘে মেঘে রংধনু- - কনফুসিয়াস
- নীরবে কাদে ইতিহাস - ১ - পদ্মা মেঘনা যমুনা
- আমার কোনদিন দুধ চা খাওয়া হবেনা - নজমুল আলবাব
- গোপালিও কবিতা - 1 Day in Jungle - গোপাল ভাঁড়
- গোপালের প্রথম কবিতা - তোমাকে নিয়া কি লিখবো ভেবে পাই না. - গোপাল ভাঁড়
- এক টাহার লাইগ্গা ... - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- আমি তো পঙ্গু, আমি অভিশপ্ত (300 তম পোস্ট) - মোঃ সাকিব আল মাহমুদ
- ::বউ, বাটা, বল সাবান:: - নজমুল আলবাব
- কইন্যা গিরির উপাখ্যান - হযবরল
লাক্স এর চামড়া ব্যবসা , দর্শকের দেহ কামনা আর ব্লগে ধর্ষকামী ভূতের আছর- শেষ পর্ব
২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:৪৯
১ম পর্ব
২য় পর্ব
৩য় পর্ব
আগের পর্ব গুলা থেকে আপনাকে মনে রাখতে হবে যে,
১। যেই কর্পোরেট বাণিজ্য গুলাকে আমরা ভিন্ন ভিন্ন সেক্টর , ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসা বলে মানি , সেই গুলো হতেই পারে একই বাণিজ্যিক মালিকের ভিন্ন ভিন্ন ব্যবসা (গরু কাহিনী)। আর যদি তা নাও হয় , তারপরেও তারা একই প্রোডাকশন লাইনের ( এন্টারটেইন্মেন্ট মিডিয়া) বিভিন্ন পর্যায়ে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত এবং সার্ভাইভালের জন্য একে অপরের প্রতি নির্ভরশীল। অর্থাৎ , মিমির কাপড়ের ব্যবসা সুবর্ণার নাটকের উপর , সুবর্নার নাটক হকের লেখার উপর, হকের নাটকের প্রচার ইউনিলিভারের বিজ্ঞাপনের উপর, ইউনিলিভারের বিজ্ঞাপন ফুয়াদের জিঙ্গেলের উপর , ফুয়াদের জিঙ্গেল পণ্যের মডেলের উপর এবং পণ্যের মডেল দর্শকের সেক্স ও সেক্সুয়ালিটির উপরে নির্ভরশীল। এই সম্পর্কটি লিনিয়ার নয় বরং মাকড়সার জালের মত ইন্টারকানেক্টেড।
২। এনটারটেইনমেন্ট মিডিয়ার কর্পোরেট দুনিয়া নিজেদের এবং পৃষ্ঠপোষক ( এবং শোষক) ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লাভের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিনয়ত এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলার সুবিধা ও লাভ অনুযায়ী আমাদের ভ্যালু সিস্টেম ( জীবনের কোন জিনিস, কোন শিক্ষা , কোন অনুভূতি সবচেয়ে মূল্যবান , তুলনামূলক ভাবে কিসের মূল্য কত টুকু) , আমাদের কালচার, আমাদের জীবন দর্শনকে বদলে দেওয়ার চেষ্টা করে। যা কিছু ব্যবসার সহায়ক তাকে উৎসাহ আর যা কিছু ব্যবসার পথে প্রতিবন্ধক তাকে খারাপ বলে শিক্ষা ব্রেইন ওয়াশ করতে থাকে।
৩। এইটা করাটা খুব বেশি জরুরী কারন মানুষ যুক্তি বুদ্ধি দিয়ে চিন্তা করা শুরু করলেই এই দানব মাল্টিন্যাশনাল গুলা হুড়মুড় করে ভেঙ্গে পড়বে ।
গরু কাহিনীতে ফেরত যাই । মনে করুন, হঠাৎ একদিন আপনার প্রতিবেশীরা ঘুম থেকে জেগেই উপলব্ধি করলেন , তাদের গরুগুলো ( উৎপাদনের যন্ত্র ) যেদিন থেকে হাতছাড়া হয়েছে , সেদিন থেকেই তারা আমার দাসানুদাস হতে শুরু করেছেন। এই উপলব্ধি হলে তারা কি আমাকে ছেড়ে কথা বলবেন ? আন্দোলন করে ফাটিয়ে দেবেন না ?
নাহ ।
ভুলে গেছেন , আমার কাছে গরু বেচতে আমি বলিনি , বলেছেন আপনি ! একটু অনুসন্ধান করে এই সত্যও বের করা কঠিন না যে নিজের দুধের বিক্রি বাড়ানোর জন্যই আপনি এই ছলের আশ্রয় নিয়েছিলেন । ফলে মানুষ লাঠি নিয়ে পিটা লাগাবে আপনাকে । আর আমি? আমার কিছুই হবে না । এলাকায় স্কুল, হাসপাতাল, ব্যাংক প্রতিষ্ঠাকারী আমি প্রেস কনফারেন্স করবো , " এই দেশের কোন এবিলিটি নাই। পলিটিকাল স্ট্যাবিলিটি নাই। আমি চললাম মালয়শিয়া , ওরা আমার মুসলিম ভাই !" দেশের একজন বিশিষ্ট ইনভেস্টরকে তাড়ানোর জন্য আপনি ও আপনার প্রতিবেশীরা পিটা খাবেন এরপর । দয়া পরবশ হয়ে আমি ব্যবসা গুটিয়ে ( বিক্রি করে) চলে যাওয়ার আগে সেই বুড়া গরুগুলিকে
১০ গুণ দামে আপনাদের কাছেই বিক্রি করে দিব , আন্দোলন থেমে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে । আমি মহান রয়ে যাব। ( গরুর জায়গায় কৃষি জমি কিংবা অন্য যে কোন উৎপাদন্মুখী খাতকে বসিয়ে নিতে পারেন। )
এখন কথা হইলো , এই হঠাৎ করে জাগার কারন কি? মালয়শিয়া যদি বুঝে আপনারে খেপাইলে ব্যবসা তার দ্বারে যাবে তাইলে মালয়রা নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে আপনার জ্ঞানচক্ষু খুলার জন্য " দা ইভিল অফ ক্যাপিটালিজম" ক্লাস নিবে। তবে , আপনি আমার কাছে গরু বিক্রির আগে না , অবশ্যই পরে।
যে সময়টা জেগে উঠলে আপনার লাভ , সেই সময়ে চক্ষু খুলার একটাই উপায়, তা হলো শিক্ষা ও জ্ঞানের চর্চা। সারা দুনিয়া জুড়ে কে কি কেন করছে , সেই পলিটিকাল জ্ঞান থাকা। স্বচ্ছ ও অবাধ তথ্যের আদান প্রদান ও সেই তথ্যের মিনিং বুঝার জ্ঞান । আমেরিকা ইরাক আক্রমন করেছে - এইটা তথ্য । আমেরিকা ইরাক থেকে তেল নিবে বলে আক্রমন করেছে হইলো জ্ঞান । আর তেলের পাইপ লাইন টানার জন্য আমেরিকা মধ্যপ্রাচ্যে ডিক্টেটরশীপ গুলাকে পয়সা দিয়ে পালছে- এইটা হইলো মিনিং । আমি মালয়শিয়া পালানোর আগেই আমাকে ধরতে হলে কিংবা ঠেকাতে হলে এই মিনিংটা বুঝতে হবে ।
লাল সালুর আক্রমনের টার্গেট মেয়ে গুলা , বড় জোর বিচারক । তার পিছনে চ্যানেল আই না । চ্যানেল আই এর পিছনে লাক্স না। লাক্সের পিছনে ইউনিলিভার না। আগেই বলেছি , লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার জাতীয় প্রতিযোগিতা গুলো সেক্সের ডিমান্ড তৈরী করে না । যে ডিমান্ড সমাজে তৈরী হয়েই আছে , অত্যন্ত সুস্থ এবং স্বাভাবিক জৈব চাহিদা হিসেবেই আছে , তাকে ব্যবসার খাতিরে ব্যবহার করে, উস্কে দেয় । ছেলেদের ধরে ধরে সুড়সুড়ি দেওয়াই যে এর মূল উদ্দেশ্য ঠিক তা না , তবে অস্থির করলে এই বেনিয়াদেরই লাভ। পণ্য বিক্রি ও পণ্যের বিপণণ আসল উদ্দেশ্য হইলেও সমাজকে বিশেষ করে তরুন সমাজকে অস্থির করে রাখলে এই বেনিয়াদের যেই লাভটা হয় তা হলো , অস্থির মানুষ চিন্তা ভাবনা করে কম। ক্রিয়া করে কম, করলেও সেইটা রতিক্রিয়াই হবে, তবে রতিক্রিয়ার চেয়েও অনেক বেশি করে প্রতিক্রিয়া। কোন কিছু নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করতে চাইলে চাই শান্ত মন। সুস্থির বিবেক। চাই যুক্তি ও জ্ঞানের সঠিক সম্মেলন। কিন্তু এই সুড়সুড়ি মার্কা প্রতিযোগিতাতে অস্থির যুবকরা অস্থির হয়ে উঠে তাদের প্রতিবাদের ভদ্র ভাষাটাও ভুলে যায় । লাল সালুর ব্লগ পোস্টে তার স্পষ্ট প্রমান আছে । অস্থির , অসংলগ্ন মানুষকে প্রভাবিত করা বা ব্রেইন ওয়াশ করা অনেক সোজা। সুতরাং তুমি লাক্স কেনো আর নাই কেনো , মানুষ যত অস্থির , তত প্রতিক্রিয়াশীল, যত প্রতিক্রিয়াশীল তত দুর্বল , যত দুর্বল ততই সহজ তার কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রন করা ।
এই জন্যই সুস্থির , চিন্তাশীল সমাজ ও সামাজিক জীবন পুঁজিবাদের পছন্দ না । পুঁজিবাদের চাই অস্থির গতি , আরো আরো আরো গতি ! মানুষ সারাক্ষণ ছুটবে । হয় রোজগার নেই বলে ছুটবে , নয়ত রোজগার আছে বলে ছুটবে। আর খাবে । কামাবে আর খরচ করবে। মুখ দিয়ে খাবে । চোখ দিয়ে খাবে । মন দিয়ে খাবে। স্পর্শে খাবে, গন্ধে খাবে , চিন্তা চেতনায় খাবে । এই গ্রহন গুলো থেকে সে কিছু অর্জন করবে না , স্রেফ হজম করবে । কিছুই চিন্তা করবে না , পাগলের মত চ্যানেল ঘুরাবে , ছাগলের মত ফাস্ট ফুড চিবাবে , উঠতে বসতে ছটফট করে বেড়াবে - তাইলেই লাভ, লাভই লাভ!
চিন্তাশীল মানুষ নিজের বিপদ টের পায় সবার আগে । অস্থির মানুষ টের পায় দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর। এখন তাই ফাস্ট এর জয় জয়কার সারা মিডিয়া জুড়ে । শিল্পী ( স্লো পদ্ধতি ) চাই না, স্টার (ফাস্ট) চাই। ফাস্ট ফুড , ফাস্ট সেক্স , ফাস্ট লাইফ !
কারন যেই মুহুর্তে আপনি চিন্তা করতে শুরু করবেন , আরেকটা সিম কেন কিনবো? কি লাভ? আরেকটা গাড়ি কেন লাগবে? ইষানা কেন, কুলসুমও তো সুন্দরী ! ৮০০ টাকা দিয়ে চিকেন ফ্রাই কেন খাব , বাসাতে ১২০ টাকা দিয়ে নিজেই বানাতে পারি তো! ক্যাটস আই এর শার্ট লাগবে কেন? শার্ট তো শার্টই ! - সেই মুহুর্ত থেকে আপনি পুঁজিবাদের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠলেন ।
পুঁজিবাদ চিন্তাবিদ চায় না। চায় ক্রেতা । যে খালি কিনবে আর কিনবে । আসলেই দরকার আছে না নাই, এই সব ভাববে না । তাকে শেখানো যাবে - বিজ্ঞাপন বলেছে দরকার , তাই দরকার!
পুঁজিবাদের সবচাইতে বড় শত্রু তাই কমিউনিজম নয় , সোসালিজম নয় । পুঁজিবাদের সবচেয়ে বড় শত্রু সচেতন , চিন্তাশীল মানুষ যা তাকে যুক্তিবাদ ও র্যাশনাল কেনা বেচা লেন দেন শিখায় । পুঁজিবাদের বড় শত্রু প্রাচ্যের জীবন দর্শন যা মানুষকে নির্লোভ ও আত্মত্যাগী ও সংযম শিক্ষা দেয় । যা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় , অন্যের ক্ষতি করে নিজে লাভবান হওয়াটা লাভ নয়, ক্ষতি । ঠিক একই কারণে পুঁজিবাদ এর বড় শত্রু ইসলাম । কারন, ইসলাম বলে দুনিয়াতে এত কেনাকাটার দরকার নাই , আখিরাতেই সব কিছু পাবা । ( আরব আমিরাতের ইসলাম না , আমাদের উপমহাদেশের সুফিবাদী , আত্মত্যাগী , নির্লোভ ও অল্পে সন্তুষ্ট জীবন দর্শন ধারী ইসলাম যেই দর্শনের দেখা পাওয়া যায় উপমহাদেশের হিন্দু ও বৌদ্ধ বিশ্বাসেও। ) পরকালের সুখের জন্য ইহকালে ত্যাগী জীবনযাপন করাটা পুঁজিবাদী বাণিজ্যের জন্য বিশেষ অপকারী ।
ঠিক এই কারণেই বাংলাদেশে ইদানিং মিডিয়া বিস্ফোরন ঘটেছে । একের পর এক প্রিন্ট , টিভি মিডিয়া আসছে । জনগণের উন্নতির জন্য আসছে ? নাহ । বাংলাদেশ, ইন্ডিয়া তথা উপমহাদেশের জীবন দর্শন , যাতে ভোগের বদলে ত্যাগ , উপভোগের বদলে উপলব্ধি আর ইন্দ্রিয় সুখের বদলে ইবাদতের কথা বলা হয়েছে । এই দেড় বিলিওন ক্রেতার মন মানসিকতা চেঞ্জ করে পুঁজিবাদ নামক নতুন ধর্ম শিক্ষা দেওয়ার জন্যই এই মিডিয়া এসেছে এবং মাল্টিন্যাশনাল গুলা এদের পেছনে এত টাকা ঢালছে । কালচারাল ও পলিটিকাল মূল্যবোধ , ধ্যান ধারনা বদলে মুনাফালোভী করে তোলা , পণ্যের প্রচার ও নতুন ধর্মে ( পুঁজিবাদ) দীক্ষা দেওয়ার জন্য এই এনটারটেইনমেন্ট মিডিয়ার কোন জুড়ি নেই। আমেরিকা , ইউরোপ জয় করে পরীক্ষীত ও সফল অস্ত্র হিসেবে এটি প্রচার হচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশে । সুন্দরী প্রতিযোগিতা , ফুয়াদের সেক্সি গান আর লস প্রজেক্ট মার্কা ফারুকী বর্জ্য এই বিপুল " ব্রেইন ওয়াশ " কার্যক্রমের অংশ মাত্র!
অস্থির করার পাশাপাশি ছেলেদের মনের ভিতর কিছু নির্দিষ্ট ইমেজ তৈরী করাটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ ব্রেইন ওয়াশ । আমরা বুঝি আর নাই বুঝি , অবচেতন মনে আমরা প্রতিনিয়ত শিখছি , সুন্দর মানে মেহজাবিন। সুন্দর মানে ইষানা। সুন্দর মানে অর্ষা । আমরা যখন সুন্দরকে খুঁজবো , এই রকমই খুঁজবো। পার্থক্য শুধু তারা আমার সামনে ছাড়া আর কারো সামনে কাপড় খুলবে না । ওরাও মডেলই হবে , ভদ্র মডেল ।
এইটা আরো ভয়ংকর। ভয়ংকর এই কারণে যে একটি নির্দিষ্ট মাপ কাঠির বাইরের সবাইকে আমরা " অনাকর্ষনীয় " আখ্যা দিয়ে ফেলছি। আমরা নারী মাত্রেই শরীর বানিয়ে ফেলছি। নারীও মানুষ, অনুভূতি, মগজ সম্পন্ন - সেই বোধ হারিয়ে যাচ্ছে । আমরা বিদূষী বাদ দিয়ে বিদিশা খুঁজছি এখন ক্রমাগত । মানুষ হয়ে যাচ্ছে পদার্থ ।
এই পরিবর্তন , এই ব্রেইন ওয়াশ কতখানি সফল তার একটা উদাহরণ দেই -
প্রথম দিকের কোন পর্বে একটা মেয়ে দুর্দান্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইলো , অথচ এই মেয়েদের কোন ট্যালেন্ট পর্ব আমি পাইনি খুঁজে। নিশ্চয়ই অন্য মেয়েরাও এই রকম কিছু না কিছু প্রতিভা নিয়ে এসেছিলো , কিন্তু মাংসের কারবারী ঐদিকে নজর দেয় নাই। যেই মেয়েটা " সবাই ভালো বলেছে তাই আমি কিনেছি" ধরনের প্যাসিভ বক্তব্য দিয়েছিলো , সে বাদ পড়েছে । এইটা একটা ভালো দিক যে একটা মানুষ যার নিজস্ব মতামত বলতে কিছু নাই , তাকে সাথে সাথে বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট বাজেট ও সময়ে কি করে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হয় , এইটা আমাদের সরকারী প্রোকিউরমেন্টের লোক জনও জানে না । জানাটা জরুরী । কিভাবে ক্লু দেখে রহস্যভেদ করতে হয় , কি ভাবে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে হয় - এই গুলা খুবই জরুরী গুণ । আমি নিশ্চিত ভাবেই বলতে পারি , ট্রেনিং ক্যাম্পের শিক্ষা গুলা যদি বাদ পড়া মেয়েরা নিজেদের জীবনে ধরে রাখতে পারে ( ভোর পাঁচটায় উঠে শরীর চর্চা আমারে দিয়াও হয় না) তাহলে তাদের উপকারই হবে । সঠিক নিউট্রিশন এবং ফিটনেস মানুষের অনেক বড় সম্পদ । এতগুলা ভালো ভালো দিক চোখে পড়ার পরেও আমি এই প্রতিযোগিতার পক্ষ নিতে পারছি না ।
কেন?
কারণ, সহজাত ভাবেই এই প্রতিযোগিতা যেই কর্পোরেট পুঁজিবাদিতার মন মানসিকতাকে উৎসাহ দেয় , যেভাবে একটা মানুষকে মানুষ থেকে বদলে শরীর সর্বস্ব অব্জেক্ট বানায় , যেভাবে শেখায় তারা ছাড়া বাকি সব অসুন্দর , সুপারস্টার না হলে জীবন ব্যর্থ - এই সব ঘৃণ্য শিক্ষা , মূল্যবোধের অবক্ষয় আর মানুষ না হয়ে ক্রেতা হওয়ার এই ইঁদুর দৌড়কে কোন ভাবেই সমর্থন করা যায় না ।
লাক্স প্রতিযোগিতায় অনেক কিছুই ছিলো , কিন্তু সব কিছু ছাপিয়ে শরীরটাকেই ফোকাসে রাখা হয়েছে , সব সময় ।
সবচাইতে বড় কারন ঃ
কর্পোরেট পুঁজিবাদিতার সব কিছুই ভন্ডামি আর মিথ্যাচারে ভরপুর
কি ভাবে কর্পোরেট পুঁজিবাদ আপনাকে ঘোরের ভিতরে আচ্ছন্ন করে রাখে? তাদের এই শরীর পূজাও এক বিশাল ফাঁকি !
জেনেটিক সাইন্স বলে একটা মানুষ কতটুকু লম্বা , মোটা কিংবা সুন্দর হবে তা নির্ভর করে জেনেটিক্স এর উপর । ক্রিম , সাবান , লতা পাতা ঘষে এইটার খুব একটা পরিবর্তন করা যায় না। ত্বক ফর্সা করার প্রতিটা ক্রিম ভুয়া । স্রেফ মিথ্যা । ত্বকের মেলানিন বেশি হলে আপনি কালো হবেন , মেলানিন কম হলে ফর্সা হবেন । ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে ভয়াবহ ক্ষতিকারক কেমিকেলস থাকে।
সুন্দর ফিগারের একমাত্র উপায় হইলো খাদ্যাভাস আর শরীর চর্চা। তারপরেও মানুষের শরীর এর মাপ তিন রকম। তবে কাটায় কাটায় তিন আলাদা রকম না । মিক্সড ও আছে । তবে মোটামুটি এপেল , পিয়ার কিংবা দোহারা গড়নই বেশি। মেয়েদের বেলায় যেই আওয়ার গ্লাস ফিগারকে বিশ্ব ব্যাপী আদর্শ বানানো হয়েছে সেই মাপের দেহ পেতে পারবেন কেবল মাত্র ৫% মহিলা । বাকিদের কেউ কেউ সার্জারী করে পারবেন , তারপরেও বেশির ভাগই পাবেন না ।
তার মানে কি দাঁড়াইলো ?
প্রতি ১০০ জন নারীর মধ্যে ৫ জনের মত হওয়ার জন্য বাকি ৯৫ জন ক্রমাগত ক্রিম ঘষবেন, জিমে যাবেন, ডায়েট করবেন, বিশেষ ধরনের পোশাক পরবেন , কাড়ি কাড়ি টাকা খরচ করে সার্জারী করাবেন। কিন্তু কেন?
কারণ , মিডিয়া আপনাকে শেখাবে , তোমার মডেল , তোমার আদর্শ হইলো আওয়ার গ্লাস । এইটা হইলো এমন এক খেলা যাতে মাঠে নামার আগেই আপনি হেরে বসে আছেন কিন্তু আপনাকে প্রতিনিয়তই ব্রেইন ওয়াশ করা হচ্ছে যে , আপনি জিতে যাবেন , আর একটা কিছু কিনলেই!
হু দা হেল আর দে টু টিচ আস হোয়াট ইজ , হু ইস বিউটিফুল? হু ইজ নট?
বাঙালী কয়টা ছেলের সিক্স প্যাক থাকে? সিক্স প্যাক না থাকলেই অন্য কারো গলায় ঝুলে পড়তে হবে? ব্লিঙ ব্লিঙ ডায়মন্ড রিং দিতে না পারলে রাস্তা মাপো ?
আওয়ার গ্লাস না হলে ভালোবাসা যাবে না?
এই প্রশ্ন গুলা আপনি তখন করবেন যখন আপনি একজন মুক্ত চিন্তার, যুক্তিবাদি , স্বাধীন মতের মানুষ হবেন । বিজ্ঞাপনের চটকে বিভ্রান্ত হবেন না । আমরা কয়জন তা পারি?
মানুষের সব চাইতে বড় সৌন্দর্য তার বৈচিত্র । বিচিত্র মানুষ তার বিচিত্র শরীর নিয়ে প্রেম , ভালোবাসা, সেক্স নিয়ে সুখে থাকুক। এইটাই হওয়া উচিত ।
কিন্তু মিডিয়া মোঘলরা , ফ্যাশন এন্ড কসমেটিকদের সাথে হাত মিলিয়ে আমাদের ব্রেইনে সুন্দরের একটা ফিক্সড ইমেজ গেঁথে দিতে বদ্ধ পরিকর । তাও আবার সেইটা শরীর এবং শরীর এর পূজারী।
-----------------------------------------------------
এই ধরনের বিজ্ঞাপন কি আসলেই মানুষকে অন্ধ করতে পারে ?
পারে । গবেষনায় দেখা গেছে একটা সৌন্দর্য পণ্য আদৌ কাজ করে কি করে না তা জানার দরকার নাই । ক্রেতা যদি বিশ্বাস করে যে পণ্যটা কাজ করলেও করতে পারে , তাহলেই চলবে । মানুষের কল্পনা ও সহজাত প্রবৃত্তি এর জন্য দায়ী। খুব ইমেডিয়েট , ক্ষুদ্র সাফল্যকে আমরা বড় করে দেখি । এবং ক্ষুদ্র সাফল্যের উপরে বেস করে বড় বড় রিস্ক নেই । এইটা একটা গেম অফ চান্স ।
লাস ভেগাসে ৯৮% ক্ষেত্রে জুয়াড়িদের জিততে দেওয়া হয় । মাত্র ২% লাভ করা হয় । আর এই মাত্র ২% লাভ দিয়েই মিলিওন মিলিওন ডলারের ব্যবসা চলে । কারন, মানুষ যতক্ষণ বিশ্বাস করবে , " আর একবার খেললেই সে জিতবে " - ততদিন লাস ভেগাসের ব্যবসা সেইফ । আর এক টিউব ফেয়ার এন্ড লাভলী মাখলেই আপনি ফর্সা হবেন ( পাঁচ মিনিটের জন্য হলেও) , ইউনি লিভারের ব্যবসা সেইফ । স্রেফ হাওয়ার উপরে, মিথ্যার উপরে, ছলনার উপরে সাজানো এই ট্রিলিওন ট্রিলিওন ডলারের প্রসাধন ব্যবসা।
ক্রিম ঘষে আর সার্জারী করেই যদি এনজেলিনা জোলি হওয়া যেত, খোদ হলিউডেই প্রতিদিন ১০টা করে এনজেলিনা পয়দা হইত না?
----------------------------------
শেষের অংশটুকু আসলে লাল সালুর পোস্টে বলা হয়ে গেছে । সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়ে কামার্ত ব্লগাররা যেই হারে তাদের আদিরসাত্মক ফান করলেন আর দেশের ১০ হাজার " সম্ভাব্য পণ্য বিক্রেতাকে" বেশ্যা বানিয়ে ফেললেন , সেইটা আমার কাছে সেই ১৯৭১ এর ধর্ষকামী ভূতের আছর মনে হয়েছে। একটা মানুষের উপর চড়াও হওয়া তখনই সম্ভব যখন কোন ভাবে সবাইকে কনভিন্স করা সম্ভব যে তারা মানুষ নয় , আমাদের সমান নয়।
The first step towards the most horrific atrocities against human kind is to establish that they are "less than human" , less than what you are .
This happened with black slaves in Africa, this happened with the witch hunt in Europe, this happened with Jews in the holocaust, this happened exactly with 30 lakh people and 2 lakh women in the 1971 genocide in Bangladesh.
Not because they were black.
Not because they were witches.
Not because they were Jews.
Not because they were Bangali.
Because , they were less than human to their oppressors.
পূর্ব পাকিস্তানের মেয়েরা মানুষ নয় । ওরা হিন্দু। ওরা হিন্দুয়ানী ভাষায় কথা বলে। হিন্দুয়ানী পোশাক (শাড়ি) পরে । হিন্দু আচার সংস্কৃতি পালন করে । ওরা মুসল্মান নয় । সুতরাং উহারা মানবেতর ( মানুষের চেয়ে ইতর) প্রাণী ।
অতএব , পূর্ব পাকিস্থানী হিন্দু মেয়েদের খান সেনাদের খাট কাঁপানোর জন্য দিয়ে দেওয়া হউক।
-----------------------
লাক্স সুন্দরীরা বাঙ্গালী নয় । ওরা পশ্চিমা । ওরা বাংলা বলতে পারে না, ওরা খোলামেলা পোশাক পরে , ওরা পশ্চিমা আচার সংস্কৃতিতে অভ্যস্ত । ওরা মুসলমান নয় । সুতরাং উহারা মানবেতর ( মানুষের চেয়ে ইতর ) প্রানী ।
সুতরাং , ইহাদের দিয়ে খাট কাঁপানো হউক।
-----------------------------------
দুইটা গল্পে আমি কোন পার্থক্য পাই না ।
প্রথম গল্পে পাকিস্তানী জোশে জোশিলা রাজাকার ।
দ্বিতীয় গল্পে পাকিস্তানী জোশে জোশিলা বাঙ্গালী ।
সন্দেহ নাই , এই ধরনের প্রতিযোগিতাকে আমি সমর্থন করি না । কিন্তু প্রতিবাদ কিংবা ফানের নামে প্রতিযোগিনীদের সম্ভাব্য বেশ্যা বলে অপমান করাটা কিছুতেই সহ্য করা উচিত না । যেই ১০ হাজার মেয়ে অংশ নিয়েছে তারাও মানুষ । তাদের লাইফ চয়েস নিয়ে আমাদের আপত্তি থাকতে পারে , তার মানে এই না যে আমরা যাচ্ছেতাই ভাবে তাদের হেয় করবো, অবমাননা করবো।
-----------------------------------------------------
সুন্দরী প্রতিযোগিতা কিংবা কর্পোরেট পুঁজিবাদ কেবল নারী নয় , সবাইকেই পণ্য বানায় , ক্রেতা বানায় । হয় তুমি বিক্রি করবে নয় তুমি বিক্রি হবে । কারন এই মতবাদের মূলে আছে শুধুই লাভ , কেবল সাপ্লাই আর ডিমান্ড ।
কিন্তু মানুষের সবচেয়ে বড় যেই ডিমান্ড ,
ভালোবাসা । আধ্যাত্মিক বা স্পিরিচুয়াল নিড । মূল্য পাওয়া বা মূল্য দেওয়া । সম্মান ও সাফল্যের ভিতরে প্রচ্যের যেই দর্শন রয়েছে , সেই দর্শনকে পুঁজিবাদ ধ্বংস করতে চায় ।
আমরা যে বিশ্বাস করি , এই জীবনটাই সব নয় , এইখানে সব কিছু পাওয়ার নেশায় আশে পাশের সবাইকে, ন্যায় - নীতি - মূল্যবোধকে পায়ে দলে যাবার দরকার নেই ! সব কিছু খুবলে খাওয়া নয় , যা আছে - সেই সামান্যটুকুই সবাই মিলে ভাগ করে খাওয়ার ভেতরে আনন্দ অনেক বেশি - এই সব পুঁজিবাদ বুঝে না ।
পুঁজিবাদ হলো সেই আগুন যা খেতে খেতে বড় হয় । যারা উচ্ছিষ্টটুকু পায়, তারা এর নানান গুণাগুণ বর্ননা করে । ইনোভেশন , ক্রিয়েটিভিটি, ডিস্কভারি , ব্লাহ ব্লাহ ।
কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে , কিসের মূল্যে ? এট দা কস্ট অফ হোয়াট?
------------------------------------------
আজকের যুগে আপনার বউ এর পেটে যেই ভ্রুণটা আছে সেইটাকে বের করে একজন ক্যান্সার রোগী , একজন হার্টের রোগী কিংবা একজন কিডনীর রোগীকে বাঁচানো সম্ভব।
এখন এই টেকনোলজিটাকে যদি কর্পোরেট পুঁজিবাদের সাথে তুলনা করি তাহলে , আপনি এই ধরনের পুঁজিবাদ ও অর্থনীতিকে সমর্থন করবেন কিনা তা নির্ভর করবে আপনি কি সেই
১। মা?
২। ভ্রুণ ?
৩। সার্জন ?
নাকি ,
৪। মৃত্যু পথযাত্রী রোগী?
লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার কারো কারো জন্য কিছু কিছু উপকার বয়ে আনবে এইটা সত্য। কিন্তু , প্রশ্ন সেই একটাই , কিসের বিনিময়ে? কতখানি মূল্যে?
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): পুঁজিবাদ, নারী, পণ্য, লাক্স, চ্যানেল আই, মিডিয়া, ব্লগ, ফাকিস্তান ;
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:০৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সাদাকালোরঙিন বলেছেন:
শেষ হইয়াও হইল না শেষ। ঠিক যেভাবে শুরু করেছিলেন সেইভাবে শেষ হয়নি বলে মনে হলো। শেষের দিকে ব্যাখ্যাগুলো একটু অগোছালো লেগেছে। আমার অনুরোধ থাকবে দরকার হলে "শেষেরও পরে" শিরোনামে আরেকটি লেখা লিখে শেষ করুন। আপনার আগের অসাধারন পর্বগুলোই শেষ পর্বে প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। লেখক বলেছেন: একেবারে সত্যি কথা । আর পারছিলাম না আসলে , লাইনে লাইনে ভুল দেখে বুঝতে পারছি কতটা ক্লান্ত হয়ে লিখেছি । এই পর্বটাকে এডিট করে কিংবা আপনি যেমন বললেন , আরেকটু লেখার চেষ্টা করবো । কিন্তু আবার কবে বসতে পারবো জানি না আসলে !
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: "অস্থির মানুষ চিন্তা ভাবনা করে কম। ক্রিয়া করে কম, করলেও সেইটা রতিক্রিয়াই হবে, তবে রতিক্রিয়ার চেয়েও অনেক বেশি করে প্রতিক্রিয়া।"সাধু, সাধু!
লেখক বলেছেন: দিন দিন ব্রেইন ওয়াশড রোবট হয়ে যাচ্ছি সবাই , মতি - গতি সবই মিডিয়ার নিয়ন্ত্রনে ।
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
পুরোটা পড়লাম।সাধু, সাধু!
এই পোস্ট পড়ার পর সামুতে বহুত ালছাল পোস্ট পড়া এখন সার্থক মনে হইতেছে। কঠিন সহমত জানায়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
পরের লাইনের মানে বুঝি নাই!
বিডি আইডল বলেছেন:
আপনারে এই ইস্যুতে অতি উত্তেজিত মনে হলো উত্তেজনা স্ব্যাস্হের জন্য ভালো না এটা তো আমার চেয়ে আপনার ভালো জানার কথা...
এই সিরিজটা পুরো পড়ে নেই...অনেক কিছু লিখেছেন দেখছি
লেখক বলেছেন: উত্তেজনা ভালো কিছুর জন্ম দিলে সমস্যা কি?
খারেজি বলেছেন:
সিম্পলি মুগ্ধ। অনেক ধন্যবাদ। প্রতিক্রিয়াশীলতার সবগুলো দিকই আপনি কাভার করেছেন। পুরো সিরিজটা এক নিশ্বাসে পর্লাম।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক দিন পরে দেখলাম। কেমন আছেন ?
নিজের বিষয় না , তাও চেষ্টা করেছি । শেষের দিকে এসে অগোছালো হয়ে গেছে অনেকটা । বেশি লম্বা হয়ে যাচ্ছে দেখ কোন মতে শেষ করে দিলাম।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
ঘোর বলেছেন:
লাইক দিলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
অধর বলেছেন:
মানুষের সব চাইতে বড় সৌন্দর্য তার বৈচিত্র । বিচিত্র মানুষ তার বিচিত্র শরীর নিয়ে প্রেম , ভালোবাসা, সেক্স নিয়ে সুখে থাকুক।
লেখক বলেছেন: এই তো, মূল কথা ধরতে পেরেছেন !
kisuna বলেছেন:
আমি মানুষটা সামু ব্লগে পড়ার বেলা খুব বাছাবাছি করি। আপনার লেখা আমার নজরে পড়েছে, কিন্তু মন্তব্য করার সাহস পাইনি। এই সিরিজ এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম। এক কথায় অসাধারণ। ভাল থাকুন আপা। শতম জিবেৎ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই ।
এমন অগোছালো লেখাও ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম, মাফও চাইলাম!
অলস ছেলে বলেছেন:
সারা রাত এই নিয়ে লেখায় ব্যস্ত ছিলেন? ধন্য। ঘুম দিয়ে উঠলাম। কাজ থেকে ফিরে বিকেলে সবগুলো পর্ব পড়ার ইচ্ছে থাকলো।
লেখক বলেছেন: আপনি আসলেই অলস । না পড়েই মন্তব্য দেন তাহলে ।
লেখক বলেছেন: ভাই রে শেষ পর্ব পর্যন্ত আসতে আসতে আবেগ - বেগ সব তাল্গোল পাকিয়ে গেছে । দেখি এডিট করা যায় কিনা!
হুমায়ুন_কবির_হাকিম বলেছেন:
আপনাকে রাগাইয়া আমার যাহা লাভ (ঠিক ওই কর্পোরেটদের মতই) হইয়াছে তাহা হইলঃ আমি কিঞ্চিৎ জ্ঞান বৃদ্ধি ঘটিল। আমি ৪ টা পর্বই পড়লাম। সবগুলো পর্বই অসম্ভব ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: রাগ বিরাগ ব্যাপার না , আপনাকে যদি চিন্তা করতে বাধ্য করে থাকি, আমি সার্থক!
দস্যু বনহুর বলেছেন:
পুরা রাগইমন টাইপ লেখা হৈসে। শোকেইসড।
লেখক বলেছেন: কি বললেন , রাগ ইমন টাইপো !
কি আর করা!
বুল সভই বুল!
লেখক বলেছেন: আমি এখন কই যাই ! ঋণী করে দিচ্ছো হে !
লেখক বলেছেন: ফারহান, অনেক ধন্যবাদ তোমাকে ।
কি করবো বলো ? মন্তব্যের জায়গায় অনেক ভদ্রলোককেও দেখলাম বিনা প্রতিবাদে বরং সমর্থন জানিয়ে চলেছেন ! একি ভয়াবহ অবস্থা ?
সব কিছু কি বিনা প্রতিবাদে ছেড়ে দেওয়া যায়? একজন মেয়ে ব্লগারকেও যখন দেখি " ফান " করে ঐখানে কমেন্ট দিচ্ছে , তখন মনে হয় , এমন ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ইবলিশে পরিণোত হওয়ার চেয়ে একটা ধাক্কা অন্তত খাক।
এত আরামে দোযখে যাওয়া ঠিক না ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
পুরা এক নিঃশ্বাসে পড়লাম।প্রথম পর্ব পড়ার পরে এক বড়োভাইয়ের পোস্টের কথা মনে পড়েছিলো। আমাদের সমাজে এখন আর ধর্মভিত্তিক ঈশ্বর নাই। যেটা আছে সেটা হলো ভোগপ্রিয় ঈশ্বর। শিল্প-বিপ্লবের সময় থেকে ছিলো কর্মপ্রিয় ঈশ্বর। আগে কাজের মাধ্যমে মানুষের সামাজিক অবস্থান নির্ণীত হতো, এখন হয় তার ভোগ করার পরিমাণের ওপরে ভিত্তি করে। যে ব্যক্তি যতো বেশি ভোগী, সে ততো বেশি সামাজিক উচ্চতায় অবস্থান করেন!
আমি বলছি না সমাজে তার আগে ভোগ ছিলো না। এটা মানুষের চিরন্তন প্রকৃতি। কিন্তু এখনকার মতো ভোগই সর্বশক্তিমান ঈশ্বর হয়ে দাঁড়ায়নি এর আগে কখনো।
লোভ লালসা যখন চিন্তাভাবনা দখল করে নেয়, তখন আসলেই মানুষের চিত্ত অস্থির হয়ে যায়- এটা দুর্দান্ত পর্যবেক্ষণ। নির্বাণপ্রাপ্তির খ্যাতা পুড়ি! আরো চাই! আরো!
ফারহানের শেষ কথাগুলোর সাথে একমত। পারভার্টের পরিমাণ এবং তাদের পারভার্শনে ভরা আচরণ অস্বাভাবিক বেড়ে গেছে। এই গুলাকে চিনে রাখেন খালি।
====
অনেকদিন কারো পোস্ট পইড়া "আহা! আমিও যদি এভাবে লিখতে পারতাম!" ভাবি না। আইজকা ভাবলাম।
লেখক বলেছেন: আমাদের সমাজে এখন আর ধর্মভিত্তিক ঈশ্বর নাই। যেটা আছে সেটা হলো ভোগপ্রিয় ঈশ্বর - বড়ই কঠিন সত্য!
-------------------------
অনেকদিন কারো পোস্ট পইড়া "আহা! আমিও যদি এভাবে লিখতে পারতাম!" ভাবি না। আইজকা ভাবলাম। --------- এইবার লগ আউটের সময় হইছে । মানুষ জন শরম দিচ্ছে !
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ওহ, আরেকটা কথা। ফাকিস্তান শব্দটার এমন অভিনব ব্যাখ্যাটার জন্যে স্পেশাল ধইন্যাপাতা! লেখক বলেছেন: মাথায় কাইব্য ভাব বেশি থাকলে এই রকম মনে হয়! স্তব্ধতা ধরায় দেওয়ার পরে মনে হইলো , সকল কবিই পাঠক , সকল পাঠক কবি না!
তাও কেউ একজনের পছন্দ হয়েছে জেনে মজা পেলাম । কেউ কেউ তাহলে আমার মত করেও ভাবে!
খাঁটি সত্য!!! দারুণ সুন্দরভাবে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে প্র্যাকটিকেল উদাহরণসহ যুক্তির অবতারণা করে এরকম একটা জটিল বিষয়ের শক্তিশালী বিশ্লেষণ দিয়েছেন। আরো চাই এরকম লেখা।
লেখক বলেছেন: আপনি এখনো আছেন ? অনেক অনেক ধন্যবাদ । আমি চেষ্টা করেছি , বাকিটা আপনাদের বদান্যতা । খুব খুশি হলাম !
লাল দরজা বলেছেন:
রাতেই দেখছিলাম, পড়লাম। বিষয়টি নিয়ে এগিয়ে এসে লিখবার জন্য ধন্যবাদ।এক শ্রেণী আছেন ধরি মাছ নাছুঁই পানি করে পালিশ লাগাইন্না পুতু পুতু ব্লগিং করেন। আপনি সেই দলে পড়েন না বিধায় রাইত জাইগা ব্লগাইলেন। আপনেরে সালাম।
শুভ ব্লগিং।
লেখক বলেছেন: এক শ্রেণী আছেন ধরি মাছ নাছুঁই পানি করে পালিশ লাগাইন্না পুতু পুতু ব্লগিং করেন। ---- খাইছে , কারে কইলেন ?
হা হা হা হা হা হা হা হা ।
আমি যে রান্না পুস্ট দেই মাঝে মাঝে , ওইটা কি এই শ্রেনীতে পড়বে ?
পড়ার জন্য বিশাল ধইন্যা ।
বিডি আইডল বলেছেন:
পোষ্টের উপরের দুটো লিংক ভুল আছে....এডিট করে দিয়েন
লেখক বলেছেন: আচ্ছা , অনেক ধন্যবাদ ।
এখন খুব ভুল হচ্ছে , টাইপেও । ক্লান্তি ধরে ফেলেছে মনে হয়!
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন:
ভালোই লাগলো। আগের পর্বগুলো পড়া হয়নি। তাই পুরো মতামত জানাতে পারছি না......তবে মনে হয় ব্রেইনওয়াশের ব্যাপারটায় আরেকটু গভীরে যাওয়া উচিত ছিলো। ছেলেদের থেকে মেয়েদের ব্রেইনওয়াশটাই এরা বেশি করে। যে কারণে মেয়েদেরও মাথায় ঢুকে এইরাম সেলিব্রিটি বা স্বল্পবসনা বা নামের সুন্দরী না হতে পারলে জীবন বৃথা
রিয়েল লাইফ এক্সপেরিয়েন্স থেকেই বলছি, মেয়েরাই বেশি প্রভাবিত হয় আর শুধু দেশের বাজার না, বিদেশের বাজার থেকেও যত রকম গাছ পাতা লতা পাতা হার্বাল কেমিক্যাল কিছুই বাদ যায় না রূপচর্চার অংশ থেকে, সাথে থাকে তথাকথিত আধুনিক হবার নামে অপসংস্কৃতি চর্চা
লেখক বলেছেন: বাকি পর্ব গুলা পড়ে দেখুন ভাই , গভীর হয়েছে কিনা ।
রুপ, দেহ, চেহারার বেলায় মেয়েরা টার্গেট ৯০% , ছেলেরা ১০% । ইনপুট যেই খানে বেশি , আউটপুটও সেইখানে বেশিই হওয়ার কথা ।
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
অফটপিকে: যে কোন যুদ্ধ মাঝে মাঝে কেমন বিচিত্র আউটপুট দেয়। বীর যোদ্ধা, নির্যাতিত মানুষ, রক্তপাত আর হত্যা ছাড়াও একাত্তর আমাদের অবিমিশ্র ঘৃণা ও টিটকারি করার জন্যে একটা জাতি দিয়েছে আর স্বজাতির মাঝেও তাদের তাঁবেদার অংশ দিয়েছে। এটাও 'পরম' অর্জন।লেখক বলেছেন: মন্তব্যটা কবিতা হয়ে গেছে ।
অসাধারণ!
তাসনুভা খান বলেছেন:
ভালো লাগল
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
স্তব্ধতা' বলেছেন:
প্রথমত: দ্বিতীয় পর্বে আমার কমেন্ট এর মর্মার্থ বুঝতে পারার জন্য ও টাইটেলে পরিবর্তন আনার জন্য ধন্যবাদ।কারণ, এই ব্লগের কমন একটা আক্রমন হচ্ছে আমি যদি ভারতপন্থী না হই তবে অবশ্যই আমি পাক পন্থী, আমি রাজাকার বিরোধী মানে আমি ভাদা..ইত্যাদি, ইত্যাদি এবং আপনার দ্বিতীয় পর্বে ইতিমধ্যেই একজন আমাকে রাজাকারপন্থী বলার কিঞ্চিত প্রয়াস দেখিয়েছেন।আপনি অন্তত সেটা করেননি।দ্বিতীয়ত: শেষ পর্বের শেষে এসে নিদ্রাদেবীর সঙ্গে আপনার মস্তিষ্কের চরম দ্বান্দ্বিকতার ফসল দেখুন:
''এখন এই টেকনোলজিটাকে যদি কর্পোরেট পুঁজিবাদের সাথে তুলনা করি তাহলে , আপনি এই ধরনের পুঁজিবাদ ও অর্থনীতিকে সমর্থন করবেন কিনা তা নির্ভর করবে আপনি কি সেই ১। মা? ২। ভ্রুণ ? ৩। সার্জন ? নাকি , ৪। মৃত্যু পথযাত্রী রোগী? ''
এখানে কিন্তু আপনি আপেক্ষিকতার বীজটাই আবার বপন করলেন।অর্থ্যা্ৎ যে যেই অবস্থানে আছে, সেই অবস্থানে থেকে তার দৃষ্টিভঙ্গিটাই গ্রহণযোগ্য, এই মতবাদটারই গোড়া পত্তন করলেন।আরও পরিষ্কার ভাবে বললে, একই বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গীর সহাবস্থান এবং সবকয়টি দৃষ্টিভঙ্গীর যৌক্তিকতাকে আপনি আপেক্ষিকতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য করে তুললেন।তাহলে ভুল শুদ্ধ বলে আর কিছু থাকছেনা এবং লালসালুও তার অবস্থান এর একটা যৌক্তিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যাচ্ছে।অথচ আপনার পুরো লেখায় আপনার নিজস্ব এপিষ্টেমোলজিক্যাল (দু:খিত, এই মূহুর্তে শব্দটির বাংলা মনে পড়ছেনা) অবস্থানটা বেশ পরিষ্কার এবং হাজারও মতবাদের অস্তিত্বের ভীড়ে কোনটা আমাদের বেছে নেয়া উচিৎ সেটাও আপনার বক্তব্যে পরিষ্কার এবং সেখানে আপেক্ষিকতার কোন সুযোগ নেই।শেষের এই ছত্রটি দিয়ে পুরো বক্তব্যের সঙ্গে যে ফারাকটা তৈরী হয়েছে তার সংযোগের জন্য একদম শেষের লাইন দু'টি যথেষ্ট বলে মনে হচ্ছেনা।নিদ্রাদেবীর সাথে আপোষ শেষে এ ব্যাপারটা হয়তো আপনার চোখে এমনিতেই পড়তো, আমি মাঝখান থেকে আমার নিদ্রদেবীর সঙ্গে যুদ্ধে অবতীর্ন হলাম।সবশেষে, চমৎকার একটা সিরিজ দেবার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: নাহ, এইটার সাথে নিদ্রাদেবীর কোন সম্পর্ক নেই । আমি এইখানে রায় ঘোষকের ভূমিকা নিতে চাইনি । আমি সরাসরি বলতে পারতাম, ক্যাপিটালিজমকে গ্রহন করা উচিত কি না , এইটা খুবই আপেক্ষিক একটা প্রশ্ন আর উত্তর নির্ভর করছে উত্তরকারীর সাথে ক্যাপিটালিজমের লাভ ক্ষতির সম্পর্কের উপর । আপনি আমি যাই বলি , ডিসিশান মেকাররা কোন ডিসিশন কেন নেয়, সেইটা বুঝা জরুরী । ফুল পিকচারের কতটুকু আমাদের দেখতে দেয় মিডিয়াতে , সেইটা জানা জরুরী ।
সেই সরাসরি না বলে আমি একটা উদাহরণ এর সাহায্য নিলাম। কেন নিলাম?
কারণ , সার্জনের ছুরির মতই প্রতিটা টেকনলজি বা ইজমের কিছু ভালো দিক থাকে , মন্দ দিকও থাকে । এই ভালো মন্দের গ্রহনযোগ্যতা ভীষন ভাবে রিলেটিভ । ট্রুথ ইজ নট রিভিল্ড বাট কন্সট্রাক্টেড - তাই না?
সেই কন্সট্রাক্টেড ট্রুথ এর জটিলতা টুকু তুলে ধরে আমি ছেড়ে দিয়েছি - পাঠক নিজে চিন্তা করে দেখুক- এই কর্পোরেট পুঁজিবাদ তার কাছে গ্রহনযোগ্য কিনা । আমি যেই ভাবে বর্ননা করলাম , তাতে শোষিতের দৃষ্টিভঙ্গী ফুটে উঠেছে । পুঁজিবাদ যে বিশ্বের একটা বড় অংশকে সোসাল ওয়েলফেয়ার স্টেটের খরচ যোগাচ্ছে তাও তো সত্যি ।
কেউ যদি সারভাইভাল অফ দা ফিটেস্টকেই প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়ম বলে মানতে চায়?
কর্পোরেট পুঁজিবাদ সেলফ সাস্টেইনেবল না । আপনি আমি গ্রহন করি আর নাই করি , প্রথমত এইটা আমাদের গ্রাস করবে , আমরা ঠেকাতে পারবো না । আবার এইটা ফল ও করবে , কারন রিসোর্স ইজ লিমিটেড , সো ইজ মার্কেট । ইনফিনিট গ্রোথ তো সম্ভব না ।
সাংঘর্ষিক জায়গা থেকে এর পরে পুঁজিবাদ এর কর্পোরেট সেকটর কই যায় , এইটা আমিও জানি না । তবে আমার শেষ উদাহরণ্টির ব্যাখ্যাটা এইভাবে দিতে পারি ঃ
কর্পোরেট পুঁজিবাদকে কিছু অবস্থান থেকে উপকারী মনে হতে পারে , কিন্তু বিগার পিকচারটা তখনই স্পষ্ট হয়ে যাবে যখন তুমি জিজ্ঞেস করবে , হু ইস গেটিং রিপড অফ হিয়ার?
আমি গ্রহনযোগ্যতা দিতে চাইনি । বরং বলতে চেয়েছি , প্রতিটা সফল সার্জন ও রোগীর পিছনে হয়ত একজন অজ্ঞান মা ও লুট হয়ে যাওয়া ভ্রুণ থাকে ।
অতএব, সাধু সাবধান!
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
সুন্দর মানে মেহজাবিন। সুন্দর মানে ইষানা। সুন্দর মানে অর্ষা । আমরা যখন সুন্দরকে খুঁজবো , এই রকমই খুঁজবো। পার্থক্য শুধু তারা আমার সামনে ছাড়া আর কারো সামনে কাপড় খুলবে না ।আমি বিশ্বাস করি না। এরাইতো আসল দেহব্যাবসায়ী হবে,রেট হবে অনেক চড়া।
ভোরের কুয়াশা...ফয়সাল বলেছেন:
পার্থক্য শুধু তারা আমার সামনে ছাড়া আর কারো সামনে কাপড় খুলবে না ।
লেখক বলেছেন: পড়ে কিছু বুঝেন নাই মনে হইলো । যাক গে , ওয়ান মিস , হতেই পারে !
চাচামিঞা বলেছেন:
মেয়েরা সুন্দর হলে, তাদের ফিগার সুন্দর হলে তাকে ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক......অনেক মেয়েই চায় - অন্যরা তাকে সুন্দরী কিংবা সেক্সি বলুক.....অনেকেই স্টার হতে চায়......তাদেরকে রিয়েল স্টার বানানোর জন্য অনেক বিনিয়োগও করতে হয়। আর যারা বিনিয়োগ করে , সেই বিনিয়োগের বিনিময়ে কিছু চাইবে সেটাই স্বাভাবীক এই পুজীবাদি সমাজে। এটাকে বাঁকা চোখে দেখাটা হাস্যকর (আমার মতে)। আপনার লিখাটা পড়ে একটা প্রবাদই বার বার মনে আসছে - "আংগুর ফল টক............." এরপরেও এই আংগুর অনেকেই খেতে চায়.......অনেকে সেই আংগুর খেতে না পেরে শুধু দেখে আর লোল ফালায়........" সেইদিনও চ্যানেলআইএর সামনে অসংখ্য দর্শক বসেছিলে.......তারা চামড়ার সৌন্দর্য দেখেছেন......আর বলেছেন আস্তাগফেরুল্লা......
লেখক বলেছেন: আপনি কি চারটি পর্ব পড়ে এই মন্তব্য করলেন? নাকি না পড়েই?
শিরোনাম পড়ে মন্তব্য করা ঠিক না ।
অনেক আগে আমি ছোট্র একটি পোস্ট লিখেছিলাম এ প্রতিযোগিতার একটি পর্ব নিয়ে। পড়বার আমন্ত্রণ রইলো
লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় 'ফেমিনিনিটি' উৎপাদন: বাজার- পুরুষতন্ত্রের একটি 'পরিমিত' রূপ
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ।
আপনারটা দেখছি।
দুরের পাখি বলেছেন:
অফিসে ধুন্ধুমার কাজের চাপের মাঝখানে , প্রথম পর্ব পড়া শুরু করছিলাম । থামতে পারলাম না । চাইরপাশে বাঁকা চোখ অগ্রাহ্য কৈরাও পুরাটা পড়লাম । সবগুলাই শোকেইসড । পরে একসময় স্যালুট জানায়া পোস্ট দিবানে ।
লেখক বলেছেন: এই মহাভারত পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
বাঁকা চোখ এর মালিক ললনা হইলে হাসন এর গান উৎসর্গ হইলো !
লেখক বলেছেন: ালো
রোবোট বলেছেন:
কিছু কিছু ব্যাপারে দ্বিমত। সেটা মাইনর। ব্যাকগ্রাউন্ডটা চিন্তা করলে লালসালুর ব্লগের পারভারশন/উন্মত্ততাকে জবাব দেবার জন্য এমন পোস্ট দিয়ে আপনি আমার মত কিছু ব্লগারের আন্তরিক ধন্যবাদ পাবেন। সব মিলিয়ে দারুণ পোস্ট। লেখক বলেছেন: এইটা কাউন্টার পোস্ট না । চারটি পর্ব পড়ুন , তাহলে বুঝবেন , লাল সালুর পোস্টের উল্লেখ থাকলেও এই পোস্টের ফোকাস পুঁজিবাদ । তাও সবটা নয়, বিশেষ এক ধরনের , মানে কর্পোরেট পুঁজিবাদ ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
রোবোট বলেছেন:
কাউন্টার পোস্ট না, কিন্তু এর চেয়ে ভালো কি কাউন্টার পোস্ট হতে পারতো? আমি-আপনি-ফারহান-ছন্নছাড়ার পেনসিল কেউই সুন্দরী প্রতিযোগীতার সমর্থক না, কিন্তু লালসালুর পোস্টের ঐ উন্মত্ততাকে আমরা কেন অপছন্দ করেছি, সেটাতো এ পোস্টেই বুঝিয়েই দিলেন। আপনাকে লালসালুর পোস্টে রুখে দাঁড়াতে দেখে ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ ।
দেখুন সেই গরু কাহিনীর মত শত্রু আছে চার ধাপে ।
১। লাল সালু হয়ত সামনের মেয়েগুলাকেই দেখেছেন ,
২। আমি দেখেছি পিছনের বিচারক,
৩। দেন চ্যানেল আই, তারপর
৪। পিছনের নাটের গুরু ইউনিলিভারকে ।
কেউ যদি ১ম দুই লাইন দেখেই রাগারাগি শুরু করে তাইলে পিছনের গডফাদাররা সহজেই পালাতে পারে আর কি!
লেখক বলেছেন: তুমি আসলেই একটা সুপার্ব জিনিস!
বিশাল ধইন্যা!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
শেষের দিকে ধরতে পারলাম না।মানে, আউলা খেয়ে গেল মাথার ভিতর।
"কিন্তু প্রতিবাদ কিংবা ফানের নামে প্রতিযোগিনীদের সম্ভাব্য বেশ্যা বলে অপমান করাটা কিছুতেই সহ্য করা উচিত না । যেই ১০ হাজার মেয়ে অংশ নিয়েছে তারাও মানুষ । তাদের লাইফ চয়েস নিয়ে আমাদের আপত্তি থাকতে পারে , তার মানে এই না যে আমরা যাচ্ছেতাই ভাবে তাদের হেয় করবো, অবমাননা করবো।"
এই ব্যাপারটা মাথার উপর দিয়ে গেল বস। য়ামি ওদের কাউকে গালি দিতে চাই না। সেটা "আমার পরিচয়ের" জন্য। "ওরা ভাল হইতেও পারে/হয়ত ভাল" এই মেন্টালিটিতে না। আপনি অনেক বড় পোস্ট লিখেছেন, লেখাটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে মোটামুটি। নেকে পড়ে সহমত জানাইছে। সাইকোলজির হিসাবে, আপনাকে আপনার মত থেকে সরানো যাবে না এখন। যদি না আপনি লেভেলের উপরে ইজি মানুষ হয়ে থাকেন।
তাই এত চেষ্টাও করব না।
তবে, "তার ইচ্ছা সে নীল প্যান্ট পড়ছে(তোমার ভাল্লাগছে), আর তার ইচ্ছা সে প্যান্ট পড়ে নাই(তুমি গালি দিসো)। এইটা ঠিক না, তোমার পছন্দ না হইলেও মানুষের ইচ্ছাকে সম্মান করতে হইবে" -- এইটা কিন্তু খুবই সূক্ষ্ম ফ্যালাসী। চাইলেই যুক্তিতে কাটায়ে দেয়া যায়।
সে যেই লাইফ স্টাইল চয়েস করসে, সে ভালই জানে ব্যাপারটা ভাল না খারাপ। যদি নাও জানে, এটা তারই দোষ, কারণ এসব বইয়ে লেখা থাকে না, জীবন থেকে শিখতে হয়। এরা আসছে লোভে। খ্যাতির, প্রতিষ্ঠার। এটার সহজ পথ সামনে পাইছে, ভাল খারাপ চিন্তা না করে ঢুকে গেসে। যদি অন্য পথ সে পাইত, সে কী যাইত না? হয়ত সে সেখানেও আছে বা যাবে।
(এই ক্যাটাগরীর অন্য পথ মানেই হোটেলে দেহ ব্যবসা না,আমার ক্লাসে এক মেয়েকে দেখতাসি।সবচেয়ে ভাল ছাত্রটার সাথে তুমি কইরা কথা বলে, গদগদ আচরণ করে, তারে দেখলাম রাত বিরাতে ফুন দিতাসে। কারণ, ওইটাই, ক্লাসটেস্টে যেন রিস্ক নিয়া পোলা ওরে খাতা দেখায়। আর, চেহারা ভাল হওয়ায়, দামও পাইতাসে।
এই মাইয়ার ড্রেসাপ কিন্তু এক্কেরে ভদ্র। কিন্তু অভদ্র হইল মানসিকতা। এখন আমি আপনার পোস্টে অর কথা লিখলাম, এইটাও কিন্তু ওরে অবমাননা করাই। এই যে সে রূপ দেখায়া গদগদ হইয়া একটা বাড়তি সুবিধা নিতে চাইতাছে, এইটাই কিন্তু উপরে "অন্য পথ" হিসেবে ডিফাইন করসি। এইটা সবচেয়ে হালকা আর ব্যাপক উদাহরণ।
এমন আরও হাজারটা বলা যায়। এই মাইয়াটি বেশ্যা না। একটা দেয়াল এরা অতিক্রম হয়ত করবে না, বা দুই বছর পরে আরও লোভে হয়ত করবেও। কিন্তু সে যাই-ই হোক, তার সফল হবার পদ্ধতি তার পরিচয় প্রকাশ করে।
এখানে সে মেয়ে, মানুষ -- এসব ফ্যাক্ট না। একটা পুলা এই কাম করলেও একই কথা কইতাম। )
আপাতত এটুকুই বলি। আর কষ্ট নাই বা করলাম।
কতটুকু একমত হইলেন, বইলেন।
কিছুটুকু একমত হইলে মনে হয় প্যাচ খাবে। কারণ তাইলে আর পাকিস্তানীদের চোখে বাঙ্গালী আর আমার চোখে লাক্স মডেল এক করতে পারবেন না। পোস্টে হয়ত তখন হালকা এডিটের দরকার হইলেও হইতারে।
আর , একমত না হইলে ত অন্য কথা।
যাই হোক, শুভকামনা রইল। ভাল থাইকেন।
লেখক বলেছেন: হা হা হা , বুঝ এর পরিবর্তন হইলে আমি মত পাল্টানোর সাহস রাখি কিনা এই চ্যালেঞ্জ দিলা নাকি আমি যাই বলি তুমি সেই " সাহস" মরে গেলেও দেখাইবা না কইয়া হুমকি দিলা - কিছুই বুঝলাম না ।
আমি বরং আমি কি বলেছি সেইটা একটু ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করি । আমি বলেছি , একটা মানুষ যতটুকু করেছে , তাকে ততটুকুর জন্যই সমালোচনা করাটা আমার কাছে ন্যায় সঙ্গত । যা সে এখনো করে নাই , সেইটা করিলেও করিতে পারে ভাবে তাকে শাস্তি দেওয়া বা তার বিচার করাটা ঘোরতর অন্যায় ।
যেমন একটা উদাহরণ দেই ।
কিছু কিছু মুক্তিযোদ্ধা স্বাধীনতা পরবর্তীকালে রাজাকারদের সাথে হাত মিলিয়ে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে ( কারন যাই থাক) ।
সুতরাং, ৭১ এর সকল মুক্তিযোদ্ধারই রাজাকারে পরিণত হওয়ার সমান সমান চান্স আছে । এইটুকুর উপরে আমি বাকি সব মুক্তিযোদ্ধাকে ক্রস ফায়ারে দেব কি দেব না?
আমি দেব না। কেউ দিতে চাইলে জান দিয়ে বাধা দেব ।
লাক্স সুন্দরীদের ব্যাপারটাইও তাই ।
মেয়েরা কাঁধ খোলা ব্লাউজে , গাউনে টিভিতে এসেছে , ইভনিং ড্রেস পরেছে , নাভির নিচে শাড়ি পরেছে - সব ঠিক আছে । এইটুকুর জন্য ধিক্কার জানানো ঠিক আছে ।
কিন্তু , প্রতিযোগিতার ড্রেস পরেছে বলে গণহারে " তারা নিশ্চয় বেশ্যা " ধরনের ইঙ্গিত দিয়ে চরম অশালীন , নোংরা নোংরা ছড়া লেখা , তারা কিভাবে কাকে কামের আমন্ত্রন জানাবে , গণমিলনের সুখ দিবে - ধরনের কথা লেখাটা অন্যায় । চরমতম অন্যায় । এইটা অবমাননা , নোংরামি , জঘন্য অপরাধ ।
আর লাল সালুর পোস্টে যেইটা হয়েছে সেইটা সমালোচনা না , সোজা সাপ্টা সফট পর্ণ , ইরোটিক রাইটিং , ইভ টিজিং এর থেকেও নিচে। আমি সেই আচরনের প্রতিবাদ করেছি ।
আমার কাছে , প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে বলেই ঐ ১০ হাজার মেয়ে বেশ্যা হয়ে যায়নি । বেশ্যা গালিটা ওদের প্রাপ্য নয় ।
" ভালো হইলেও হইতে পারে " ধরনের কোন বেনিফিট অফ ডাউট আমি তাদের দিচ্ছি না । তাদের " ভালত্ব" ও " সম্মান" নিয়ে আমার কোন ডাউট নাই । ওরা সম্মানিত এবং আমি ওদের সম্মান করবো ।
এখন তোমার কাছে ওরা হয়ত অলরেডি খারাপ মেয়ে । কেন?
কারন ওরা ঐ রকম পোশাকে টিভিতে এসেছে ।
ফাইন , তুমি ঔটুকুই বলো । যে তোমার বিচারে ভালো মেয়েরা এই কাজ করে না । যারা করে তুমি তাদের ভালো মেয়ে ভাবতে পারো না । এতে আমার কোনই সমস্যা নাই ।
কিন্তু , তুমি যদি পোস্ট দাও , ঐ খারাপ মেয়েগুলাকে কতটাকা দিয়ে তুমি ভোগ করতে পারবা এইটা তোমাকে ভাবাইতেসে , তাহলে আমি সেইটার প্রতিবাদ করবো । কাঁধ খুলে টিভিতে আসা আর নিজের যোনী বিক্রি , দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনা । একটা ঘটেছে বলে , আরেকটা ঘটবেই - এই অপবাদ , গণহারে বেশ্যা বলে গালি তুমি দিতে পার না ।
বোঝাতে পারলাম?
আরেকটা কথা , এত যুদ্ধং দেহী ভাব নিয়ে আমাকে মন্তব্য দিতে হবে না ।
সাধারনত প্রতিষ্ঠিত "ঠিক" গুলাকে ভেঙে চুরে , কেন ঠিক, কিভাবে ঠিক, ঠিক না হইলে কি হইলে কি হইতে পারিত , আসলেই কি ঠিক? - ধরনের বিশ্লেষন করতে আমি খুবই পছন্দ করি । সুতরাং, " প্রতিষ্ঠিত " মতের ভিন্ন বা বিপরীত যুক্তি নিয়ে কথা বলার জন্য আমার ব্লগে " সর্বদা স্বাগতম" ।
ভালো থাকো।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। তবে খুব অল্প সময়ের জন্য।
কালপুরুষ বলেছেন:
পড়লাম। খুব ভাল লিখেছো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ দাদা । কেমন আছেন ?
আবু সালেহ বলেছেন:
পুরো সিরিজটা সময় করে পড়তে হবে....
শিরোনামটাই মনযোগ আকর্ষন করেছে....অনেকটা আমার কথাটাই যেন বলেছেন শিরোনামে.......
লেখক বলেছেন: ুমি আইলসা হয়ে গেসো। এখনো পড় নাই?
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন:
চমৎকার বিশ্লেষন।কর্পরেট প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে আধুনিক যুগের দানব আর তার স্টেক হোল্ডাররা হচ্ছে আধুনিক যুগের দাস বা 'কর্পোরেট স্লেভ'। আচ্ছা 'কর্পোরেট স্লেভ' এর বাংলা কি হতে পারে বলতে পারেন?
লেখক বলেছেন: এই তো ঝামেলায় ফেললেন।
কর্পোরেট এখন আর কো অপারেট করে না , শুধুই অপারেট করে । শৈল্যদাস নামটা কেমন?
লেখক বলেছেন: হোটেল?
বিল কে দিবে?
তোমার নতুন বউরে নিয়ে আইসো, চার জনে খানা পিনা করি।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন:
বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা করলাম লেখাটা বোঝার। পারলাম না। এত কঠিন কঠিন সব কথা! লেখক বলেছেন: ইটা কি কন?
ইন্দুর সমাজে মুক দেকাপেন কি করে?
ঘাতক বলেছেন:
Ek taaney sob kota porbo pore fellam...oshadharon!nijer chinta tuku somoy niye lekhbo boila chinta kortesi...
note: bangla lekha jayna...X-(
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ । অবশ্যই লিখবেন ।
ব্যাপার না , মাঝে মাঝে আমার ও এই রকম হয়, বাংলা আসে না ।
একান্ত কথা বলেছেন:
+++++সিম্পলি মুগ্ধ। অনেক ধন্যবাদ। প্রতিক্রিয়াশীলতার সবগুলো দিকই আপনি কাভার করেছেন।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: ুম
যুদ্ধবাজ বলেছেন:
সমস্যা পরলাম, কিন্তু কোন সমাধান পেলাম না।
লেখক বলেছেন: িজে চিন্তা করে বের করতে হবে সমাধান । পাইলে জানাইয়েন।
অিনেকত বলেছেন:
খুব বড় লেখা, তবে খুব চমতকার এবং রাতমজুর কে ধন্যবাদ পিডিএফ ভার্সান এর জন্য ।
লেখক বলেছেন: পনাকেও ধন্যবাদ
এরপর সমাধান হিসেব ইসলাম আনলেন, তাও শুধু সুফীবাদ..., যারা শুধু নিজেদের আর চারপাশের কোন ক্ষমতা নাই এমন লোকদের উপরই প্রভাবশালী, মানে আপনার গরুর গল্পে গরু বিক্রেতা এবং তার পাড়া-প্রতিবেশীদের এখানে উদাহরণ হিসেবে টানা যায়। এই সূফীদের আদর্শ কেমনে গরুর ক্রেতা ও পুঁজিবাদদের গেলানো যাবে, সে ব্যাপারে যদি আপনার চিন্তা-ভাবনা শেয়ার করতেন, এই পোস্টে না হোক, অন্য আরেক পোস্টে, আমার মতো যারা আরো জানতে চাই তাদের জন্য সুবিধা হতো, যেহেতু অলরেডি কিছু পুঁজিবাদ মালিক আমাদের আছে, তাদের ব্রেইন-ওয়াশ কিভাবে করা যেতে পারে?
আর একরাতে চার পর্ব মিলিয়ে অনেক বিশ্লেষণধর্মী লেখা লিখেছেন, সেজন্য অবশ্যই বড় ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: মালয়শিয়া কি সমাজতান্ত্রিক দেশ ? ওইটা স্রেফ একটা উদাহরণ , মালয়শিয়ার জায়গায় হাইতিও বসাইতে পারেন , ঐটা সমাধান নয় ।
ইসলামকে শত্রু বলেছি , সমাধান বলিনি । ওটা আপনি বলছেন । আপনার যদি মনে হয়ে থাকে ইসলাম সমাধান দিতে পারবে , তাহলে কি ভাবে পারবে সেইটা ব্যাখ্যা করাটা আপনাকেই মানায় ।
আমি বিশ্বাস করি না ইসলাম সমাধান দিতে পারবে । এখন নয় । সুদুর ভবিষ্যতে কি হবে বলতে পারছি না ।
কর্পোরেট পুঁজিবাদ সমগ্র বিশ্বকে গিলে খাওয়ার জন্য ছুটে চলেছে । ওটাকে আপাতত আর কিছুই গেলানো যাবে না ।
একটা সময়ে গিয়ে এই কর্পোরেট পুঁজিবাদ ভেঙে পড়তে শুরু করবে, তখন কিছু করা যাইতে পারে । ঐ পর্যন্ত অপেক্ষা করা ছাড়া আপাতত আমার ধারনায় আর কিছু নাই ।
আপনাকেও পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
সিউল রায়হান বলেছেন:
রিসেন্ট কমেন্ট লিস্টে ৩নাম্বার এপিসোডটা দেখে পড়তে এসে দেখি অনেক লম্বা পোস্ট তাই স্বভাবমত পোস্ট না পড়ে কমেন্ট পড়ে ধারণা নেয়ার চেষ্টা করলাম পোস্টে কি লিখেছেন...... তারপর মনে হল সবগুলি পোস্ট পড়া উচিত তাই একবারে ৪টা পর্ব পড়ে আসলাম।শাহরুখ শহীদ, দেশের নামকরা ডিজাইনারকে ঐ অনুষ্ঠানেই বলতে দেখেছি: "মেয়েদের শরীরে কার্ভ না হলে ভাল লাগে না, তোমার শরীরে কার্ভটা আসছে না....বাকিদের দেখো, ওদের দাঁড়ানোটায় একটা কার্ভ আছে", উত্তর এসেছে: "নেক্সট টাইম ঠিক করে নিব স্যার".......
ঘৃণায় থু থু দিতে ইচ্ছা করছিল ওইসময়.... একটা জাতীয় চ্যানেলে এরকম অনুষ্ঠানতো অনুষ্ঠান, এমন ডায়লগও প্রমোট করা হচ্ছে, পর্ন টিভি দেশে আসতে দেরী নেই বোধহয়
করপোরেট জগতকে ভালমতই তুলে এনেছেন, ৪ স্টেপের ক্লাসিফিকেশনটাও যথেষ্ঠ চমৎকার হয়েছে....... তবে এদের গালি দিয়ে লাভটা কি ?? করপোরেট ওয়ার্ল্ডের কারণে লাখ লাখ মানুষের রুটি-রুজি'র ব্যবস্থা তো হচ্ছে, তাইনা ??? ওখানে চাকুরী করা সবাইকে, তাদের উপর নির্ভরশীল সবাইকেও ক্লাসিফায়েড করা উচিত ছিল বলে মনে হচ্ছে........
কারণ বস দোষী, কর্মকর্তা নির্দোষ এটা হতে পারে না... অন্যকে যিনি বলেন "সিগারেট খেয়ো না", তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো'তে জয়েন করলে সেটা কেমন হয়ে যায় না ??? আপনি কখনোই এভাবে ক্লাসিফিকেশন করে "দোষী"-"নির্দোষ" বাউন্ডারী দিতে পারবেন না
সবশেষে বলব, প্রতিযোগী -> বিচারক -> চ্যানেল আই + ইউনিলিভার এটা যদি আপনার চেইনের এলিমেন্ট হয় তাহলে আমি চেইনটা আরেকটু চেঞ্জ করে দেই:
ইউনিলিভার -> কর্মকর্তা -> কর্মকর্তার উপর নির্ভরশীল/পরিচিত ব্যক্তি -> তাদের সন্তান -> প্রতিযোগী
সার্কেলেই ঘুরছি আমরা, বের হয়ে আসার কোন উপায় নেই.....
লেখক বলেছেন: খুব সুন্দর মন্তব্য ।
চারটা স্তর আসলে যদি " শত্রু ভেবে আক্রমন করি" তাহলে কেমন হবে ধরনের একটা ক্লাসিফিকেশন করে দেখিয়েছি আর কি । সত্যিই কি আর তারা লাইনে লাইনে বিভক্ত? নাহ।
স্রেফ এক ধরনের দৃষ্টিভঙ্গীর উদাহরণ । সত্যিই ক্লাসিফাই করতে গেলে আপনি যা যা বললেন, ঐ রকম অনেক কিছু আসবে , আসা উচিত ।
দোষী - নির্দোষ ধরনের বিচারকের রায় দেওয়াটা মুশকিল । সেইটার ব্যাখ্যা , স্তব্ধতার মন্তব্যে দিয়েছি ।
ব্যাপারটা ঠিক সাদা কালো নয়, ভীষন ভাবে গ্রে!
ইসলামকে সমাধান হিসেবে আপনি বলেননি, এ ব্যাপারে ভুল বোঝার জন্য দুঃখিত।
তবে সংযম, নির্লোভ, আত্মত্যাগী, কিন্তু আবার সন্ন্যাসীও না এটা ইসলামে আসে, হিন্দু বা বৌদ্ধধর্মে সেক্সবিহীন লাইফের দিকে চলে যায়, তাই আমার বোঝায় ভুল হয়েছে।
তবে যেহেতু আমি ইসলামের পক্ষেই কিছু কথা বলি, তাই আমি এখনো তাই বলবো। ইসলামের যে অর্থনৈতিক সিস্টেম আছে, ব্যবসা, কিছু লাভ, দান, যাকাত, ওয়াক্ফ, মানুষকে না ঠকানো, অন্যের হক নষ্ট না করা, পরিমিত জীবনবোধ, পরকালের ভয়, আমার যা কিছু আছে, যা কিছু আমি করছি তার যে পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসেব আমাকে একসময়ে দিতে হবে -- এ কথা খেয়াল রাখা, সর্বোপরি সবার কাজের একটা নির্দিষ্ট ভাল লক্ষ্য থাকা , এ কথা মনে রাখা যে আমি মানুষ খলীফা, আমি আশরাফুল মাখলুকাত, আমাকে আমার যাবতীয় কর্ম সম্বন্ধে জিজ্ঞাসিত হবে---- এ বোধ ছাড়া কোন কিছুতেই সমাধান নেই।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: ইভিল অফ ক্যাপিটালিজমের লাইনটা খেয়াল করুন , বলেছি , মালয়শিয়া যদি বুঝে ব্যবসা তাদের দিকে চলে যাবে - এইটা সারকাস্টিক এনভেলোপিং সেন্টেন্স ছিলো ।
আসল মানে হইলো , " কেউ মুক্তির কথা বলতে এলেই তাকে অন্ধভাবে বিশ্বাস করার কারন নাই, সেখানেও ভেস্টেড ইন্টারেস্ট থাকতে পারে ।"
বিপ্লবও পুঁজিবাদের বহুল ব্যবহৃত অস্ত্র।
প্রাচ্যের দর্শন পুঁজিবাদের প্রসারে বাঁধা , তাই এই দর্শনকে ঝেটিয়ে বিদায়ের চেষ্টা চলছে।
ইসলাম " আইডিয়াল" হিসাবে সমাধান ঠিকই আছে । কিন্তু , রাষ্ট্র ও বিশ্ব প্রেক্ষিতে যেহেতু আইডিয়াল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বা সেই রকম পাওয়ারফুল হয়ে উঠার বাস্তব সম্মত কোন সম্ভাবনা এখনো নাই ( কোন মিরাকল না ঘটলে) , এই জন্য ইসলাম এই দানব এই মুহুর্তে ঠেকাবে বলে মনে হয় না ।
পারভেজ আলম বলেছেন:
শান্তি পাইলাম। গত কয়েকদিন ধইরা এই ব্লগে আজব আজব পোস্ট আর মন্তব্য দেখতাছিলাম। কিছু ব্লগার রে দেখলাম, ধর্ম নিয়া তাগো ব্যাপক বাড়াবাড়ি, আবার নারী বিষয়ক পোস্টে নারী শরীর নিয়া নিন্মরুচির অশ্লিল পোস্ট করতে এদের কোন সমস্যা নাই। এই ধরণের একটা লেখার দরকার ছিলো।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে ।
লেখক বলেছেন: হা হা , মেম্বারশীপ ফি কত ? অনলাইন রেজিঃ করা যাবে?
জাকির হোসেন বিডি বলেছেন:
আমি ভাই খুব অস্থির , খুব প্রতিক্রিয়াশীল, আমাকে একটু নিয়ন্ত্রন করে দেখান তো...! !
লেখক বলেছেন: সরি , আমি তো টিভি চ্যানেল না । এত নিয়ন্ত্রিত মন্তব্য লিখলেন, অস্থির তো বুঝা গেলো না ।
বিলাশ বিডি বলেছেন:
সুপার স্টার প্রতিযোগিতার বিরুদ্ধে বলতে যেয়ে আপনি পুঁজিবাদ এবং কর্পোরেট ব্যবসা বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ঢালাওভাবে বলে ফেলেছেন। আমার মনে হয় আপনি একটু বেশিই বলেছেন।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় পুঁজিবাদী দেশ আমেরিকার অর্থনীতির একটা ক্ষুদ্র অংশ হচ্ছে কসমেটিক্স জাতীয় পন্য (Click This Link)। এবং এটা সব দেশের জন্যই সত্য। কসমেটিক্স এবং সৌন্দর্য ব্যবসা ছাড়াও দুনিয়াতে ইলেক্ট্রনিক্স, কম্পিউটার, উড়োজাহাজ, জাহাজ, রকেট, ইন্টারনেট, কম্পিউটার, তেল, খনি, খাদ্যপন্য, কৃষিপন্য, পরিবহন, সার্ভিস সেকটর, শিক্ষা ইত্যাদি হাজারো খাত আছে যার মাধ্যমে কর্পোরেট কম্পানীগুলো ব্যবসা বানিজ্য করে।
কর্পোরেট জগত ছাড়া সভ্যতা কখনো আগাবেনা। সুফি দর্শন দিয়ে চাঁদে রকেট পাঠানো যাবেনা, গুগল মাইক্রোসফট এর মতো তথ্য প্রযুক্তির সাম্রাজ্য তৈরি করা যাবেনা। অর্থনীতি হচ্ছে মানব সভ্যতার প্রধানতম কর্মকান্ড। আর কর্পোরেট জগত হচ্ছে সেই অর্থনীতির আধুনিক রুপ। কর্পোরেট জগত এর শত দূর্বলতা সত্ত্বেও পৃথিবীর সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
আমাদের উচিত হবে ঢালাওভাবে এর সমালোচনা না করে স্পেসিফিকভাবে অন্যায়/ভুলগুলোর প্রতিবাদ করা। আর "এ সমাজ ভাংতে হবে" বলার সাথে সাথে "কোন সমাজ গড়তে হবে" সেটাও বলা উচিত।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার জন্য এই পোস্টের শেষ অংশটুকু এবং স্তব্ধতার মন্তব্যের উত্তর দ্রষ্টব্য ।
আপনি ভুল করছেন , সুন্দরী প্রতিযোগিতা লিখতে গিয়ে পুঁজিবাদ নিয়ে লিখিনি , পুঁজিবাদ নিয়ে লিখেছি , সাথে সুন্দরী প্রতিযোগিতা নিয়েও লিখেছি , বুঝতে পারেন নাই , তাই কোনটার জন্য কতটুকু পেজ বরাদ্দ করা উচিত ছিলো, এই উপদেশে ভুল হচ্ছে ।
কর্পোরেট পুঁজিবাদ তৈরী হওয়ার আগেও সভ্যতা এগিয়েছে , তবে বিশ্ব বাদ দেই, নিজের দেশেই হাজারো মানুষকে গরীব আর অভুক্ত রেখে স্রেফ রাশিয়াকে এক হাত নেওয়ার জন্য চাঁদে রকেট পাঠানোটা যদি সভ্যতার নিদর্শন হয় , তাহলে ইহাকে " আপনার দৃষ্টিভঙ্গী" বলে শ্রদ্ধা জানাইতে রাজি আছি , একমত হইতে রাজি না ।
তাজমহল ও সভ্যতার নিদর্শন , ২০ হাজার শ্রমিকের জীবন শুষে নিয়ে যা তৈরী হয়েছে । এই রকম ওয়ান্ডার অফ দি ওয়ার্ল্ড তৈরী করতে গিয়ে প্রচুর মূল্য আমাদের দিতে হয় । সেই মূল্য গুলোকে একটু মনে করিয়ে দিয়েছি , মনে রাখলে ছবিটা সম্পূর্ণ হয়।
নাজনীনকে লেখা মন্তব্যটা আপনার পড়া উচিত । সেখানে সমাধান নিয়ে আমার মত দেওয়া আছে।
যীশূ বলেছেন:
অনেক বড় লেখা। সবগুলো পর্ব পড়তে পারিনি। তবে লেখায় আপনার ব্যাখ্যাগুলো ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । পুরাটা পরবেন সময় পেলে ।
রাগ ইমন বলেছেন:
এই অমানবিক ধরনের লম্বা লেখাটা পড়ার জন্য সবাইকে স্পেশাল ধন্যবাদ।
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
পুঁজিবাদের সবচেয়ে বড় শত্রু সচেতন , চিন্তাশীল মানুষ যা তাকে যুক্তিবাদ ও র্যাশনাল কেনা বেচা লেন দেন শিখায় । মহান একটা বানী দিছেন।
মানুষের সব চাইতে বড় সৌন্দর্য তার বৈচিত্র।
কথাটা প্রথম পড়েছিলাম জাফর ইকবালের লেখায়। সেই থেকে মনে গেঁথে আছে।
ইহাদের দিয়ে খাট কাঁপানো হউক।
এইটা ঐ ছড়া থেকে নিছেন নাকি আপনার স্বরচিত? জটিল.........
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নচারী ।
খাট কাঁপানোর লাইনটা আমার না , আমি এই ধরনের কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিতময় লাইন সৃষ্টি করতে ইচ্ছুক নই ।
এইটা লাল সালু নামক ব্লগারের " ফান পোস্টের" অবদান ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
...... আক্রমনের টার্গেট মেয়ে গুলা , বড় জোর বিচারক । তার পিছনে চ্যানেল আই না । চ্যানেল আই এর পিছনে লাক্স না। লাক্সের পিছনে ইউনিলিভার না।-----------
অনেক ব্লগারই এই রকমের আক্রমন করেছে। কেউ ভিন্ন ভিন্ন পোস্টে, কেউ মন্তব্যে। সবাই আক্রমনের জন্য খুব সহজভাবেই বেছে নিয়েছে নারীদের। এবং আক্রমণ যেনো-তেনো ছিল না। লাক্স বা চ্যানেল-আই কিংবা শামসুল হক ধরে নিলাম দূর থেকে ক্যামেরা ফোকাস করেই বা মুখে দুটো বুলি দিয়েই ক্ষান্ত ছিল, কিন্তু যেটুকু ঘাটতি ছিল সেটুকু পুষিয়ে দিতে কোন কোন ব্লগাররা এতো বেশী উদ্যমী ছিল যে কী বলবো !!!!
আসলেই প্রতিযোগীতার চেয়ে কিন্তু প্রতিযোগীদের নিয়েই রসালো আলোচনায় আমোদিত হচ্ছিল আমাদের অনেক স্নেহভাজন, প্রিয়ভাজন, বিজ্ঞ, অভিজ্ঞ ব্লগাররা।
কথায় কথায় বলা হচ্ছিল যে, এরা কারো বউ হবে না, মা হবে না ইত্যাদি ইত্যাদি...হলেও ৪-৫ বছরের সংসার ....ইত্যাদি ইত্যাদি । সংসার টিকে যাওয়ার দুটো প্রেক্ষাপট থাকতে পারে। এক স্বামী-স্ত্রী'র আভ্যন্তরীণ মিল নয়তো কেবল সামাজিকতা রক্ষা করা। তাই কারোটা টিকে গেল বলেই বাহবা দেবো বা কারোটা টিকলো না বলেই মুখ টিপে হাসবো এই মানসিকতা থেকে বার হয়ে আসাটা জরুরী। যারা এই প্রতিযোগীতায় অংশ নেয়নি কেবল তারাই যে সংসারী হয়ে উঠবে তাতো নয় ।
লেখক বলেছেন: এটা আমিও লক্ষ্য করেছি । " হতভাগা মেয়েদের" থাপ্পড় মেরে " মানুষকে" কিছু শেখানোর চেয়ে অই পোস্টটাকে কিছু ব্লগারের " যৌবনজ্বালা " মেটানোর পোস্ট বলেই মনে হয়েছে ।
কিন্তু আমি যেইটাতে সবচেয়ে আশ্চর্য হয়েছি তা হলো , সেই পোস্টে বেশ কিছু চেনা পরিচিত " ভদ্র বলে খ্যাত" ব্লগারের উপস্থিতি । তাদের অকুন্ঠ সমর্থন ও প্রশ্রয় ।
৫৪ টা প্লাস ।
তার বিপরীতে ২-৩ টা মাইনাস আর ৪-৫ জনের মৃদু প্রতিবাদ ।
কালোকে কালো , গুকে গু বলতে মানুষের এতই ভয়?
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
ভাল লেখা, +
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ । লেখার বিষয়ে মতামত জানালে আরো খুশি হতাম ।
রাতমজুর বলেছেন:
প্রতিবাদে উদ্যমী পাওয়া গেল শুধু রাগইমনকে অথচ মরিচ ছিটিয়ে উদ্যমী শব্দ বোল্ডকারীদের দেখা গেল না প্রতিবাদ শুরুর আগে - ভালো।
লেখক বলেছেন: খালি আইরিনকে বলা কি ঠিক হইলো ?
৫৪ টা প্লাস ।
মাত্র ২-৩ টা মাইনাস ।
হাতে গোনা ৪-৫ জনের মৃদু প্রতিবাদ ।
বাকি ভদ্র , দায়িত্বশীল , এক্টিভিস্ট , সচেতন ব্লগাররা কই ছিলো রামু?
পোস্টটা তো শত শত ব্লগারের নাকের ডগায় ঝুলে ছিলো ২-৩ দিন । ৭২ ঘন্টায় কারোরই মেরুদন্ড গজাইলো না?
অপ্সরা বলেছেন:
বাপরে আপুনিমনি!!!!!!এত কঠিন কঠিন কথা মাথায় রেখেছো কি করে ???
যাই বলো কষ্ট করে কঠিন কথাগুলো পড়ে ফেললাম আর জানলাম অনেক কিছু।
লেখক বলেছেন: অপ্সরা , যেইদিন বুঝবে , এইটা আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম, মরণ এসে মাথার পিছনে নিঃশ্বাস ফেলছে , তখন তুমিও এই রকম বুঝতে পারবে। লিখতে পারবে ।
আমরা তো কেউই তোমার মত পরীর রাজ্যে থাকি না । আমাদের জমি, ভিটা , গরু হাতছাড়া হয়ে গেলে আমরা বাঁচার উপায় খুঁজতে , বুঝতে বাধ্য হই ।
নতুন জীবনে ভালো আছো ত? হলুদ সন্ধ্যা পছন্দ হয়েছে । এরপর বিবাহ সন্ধ্যার ছবি দাও, দেখবো ।
আমি এবং আঁধার বলেছেন:
অসাধারণ, সিম্পলি অসাধারণ। পুঁজিবাদের কাছে সবকিছুই পণ্য। আর এর শিকার হচ্ছি আমরা। পোস্টতো অবশ্যই প্রিয়তে। হ্যাটস অফ রাগ ইমন।
লেখক বলেছেন: সেটাই, অনেক ধন্যবাদ ।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আরেকটা কথা , এত যুদ্ধং দেহী ভাব নিয়ে আমাকে মন্তব্য দিতে হবে না । আমি আবার কী করলাম?
আপনি সব কিছুরে এক্সট্রিম পর্যায়ে নেন(যতদূর খেয়াল আছে, গান ছাড়া। যাক ওটা অন্য কেইস ছিল)।
উপরের লাইন হইল সূক্ষ্ম যুদ্ধাংদেহী মনোভাব। এইটাইপ কী আমি আগে দেখাইছি?
যাউক, পটল চোর ঝিঙা চুরি না করলেও আমি জানি, দরকার পড়লে যার পটল চুরিতে বাঁধে না, তার ঝিঙা চুরিতেও বাঁধবে না। এখন পটল চোররা ঝিঙা চুরি করে নাই, এইটা নিয়া কথা বলে লাভ নাই। ঝিঙাওয়ালা ওরে দেখলে গালি দিবেই।
যাউক, আপনি বলছেন, "কাঁধ খুলে টিভিতে আসা আর নিজের যোনী বিক্রি , দুইটা সম্পূর্ণ ভিন্ন ঘটনা ।"
আমি বলছি , "এই ক্যাটাগরীর অন্য পথ মানেই হোটেলে দেহ ব্যবসা না,"
একই ত হইল। তাইলে প্যাচায়া দিলেন কেন?
পটল চোরকে আমি কিন্তু ডাকাত বলি নাই। সে ডাকাত হইতেও পারে, কিন্তু আপাতত তাকে ঝিঙাওয়ালাও গালি দিবে, এটাই বুঝাইছি।
আপনি এক্সট্রিমে চলে গেলেন।
আপনি যা বলছেন(আমার কমেন্টের উত্তরে), আমার কথার অনেকটুকু মিনিং তাই-ত ছিল। আপনি এক্সট্রা বিষয়ে বলছেন, যেমন, লালসালুর পোস্ট।এইটা নিয়া আমি কিছু বলি নাই। আমি আমার কথাই শুধু বলসি। ঐখানে কী হইছে ভাল মত দেখি নাই। তবে, ব্লগে আইসা কেউ গান গাইলেই আপনি বলতে পারেন না, সে মঞ্চেও গান গায়।যাউক, তাদেরটা তাদের। এসব নিয়ে এত সিরিয়াস হবার কিছু নাই।
আমি আমার কমেন্টে যা বলছিলাম(যেটুকুর উত্তর আপনার উত্তরে পাই নাই), তা হইল, আপনি পাকিস্তানীদের চোখে বাঙালী আর আমার চোখে লাক্স মডেলরে এক বলছিলেন। যেটা যৌক্তিক লাগে নাই। আর, এদেরকে দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বানায়া ফেলসেন, যেটা আজব লাগসে।
বাকি কথা আমি যা বলছি, আপনিও সেইটাই উত্তরে বললেন।
যাক, যা বলি যেহেতু বুঝাতে পারি না, তাই আর কমু না।
শুধু এটুকু বলি। টিভিতে যেমনে আসছে, সে এটুকুই দোষ করসে, আর করেনাই, তাই আর বলা যাবে না--এসব চিন্তা হাস্যকর। একটা আলু চুরি করতে দেখছি বইলা, বার বার সে একটা করেই আলু নেয়, ভাবাটা ভুল। সে বস্তা করেও নিছে হয়ত। আমি দেখি নাই, কিন্তু আমি জানি, সে চোর, এইসব করছেই।
যোনী বেঁচার কথা কই নাই(এক্সট্রিমে যাইয়েন না),কিন্তু অন্য পথেও এসব লোভীরা থাকে(অন্য পথ মানে কী তা, আগের কমেন্টে বুঝাইছি)।
যাক, লালসালুর পোস্টের মত এক্সট্রিম ভাবি না, তয় এরা টিভির ভেতরে থাকে না, বাইরেও এদের দেখি। দশ হাজার খারাপ না হয়ত, তবে ৮ হাজারের মনেই ইচ্ছা ছিল এই উপায়ে প্রতিষ্ঠিত হবার।চুরি করে যে প্রতিষ্ঠিত হতে চায়, চুরিতে না পারলেও তাকে বোধহয় মানুষ চোরই বলে(আবার কইতাছি, আমি কিন্তু এক্সট্রিম পর্যায়ে গালি গালাজ দিতাসি না।আমি কইতাসি, মাইয়াডি ভালা না।)।
যাউক, টা টা।
লেখক বলেছেন: আপনি অনেক বড় পোস্ট লিখেছেন, লেখাটা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে মোটামুটি। নেকে পড়ে সহমত জানাইছে। সাইকোলজির হিসাবে, আপনাকে আপনার মত থেকে সরানো যাবে না এখন। যদি না আপনি লেভেলের উপরে ইজি মানুষ হয়ে থাকেন। --
এইটারে "ফান" করে যুদ্ধংদেহী বললাম , তুমি কিন্তু ইজি ভাবে নিতে পারলা না । আমার নামের আগে রাগ শব্দটা আছে আর আমার প্রতি তোমার মনে একটা "ইমেজ" তোইরী হয়ে আছে , ভুল হোক , ঠিক হোক - তুমি ধরেই নিলা আমি রাগ করে বলেছি । তাহলে কে এক্সট্রিমে নিয়ে গেলো আকাশ?
আমার ফান তুমি নিতে পারলা না , এক্সট্রিম হয়ে গেলো আর লাল সালুর পোস্টের এক্সট্রিম কথা গুলাও আমাকে "ফান" হিসেবে নেওয়ার জন্য আকাশ থেকে পাতাল পর্যন্ত অনুরোধ , উপরোধ , হুমকি , ধামকি , চ্যালেঞ্জের বন্যা বয়ে যাচ্ছে । লাল সালুর পোস্ট নিয়ে তুমি কিছু বলো নাই , কিন্তু এই পোস্টের কন্টেন্ট সেই পোস্টের মন মানসিকতা নিয়ে কথা বলেছে , সুতরাং " আমি কিছু বলিনি " বলে এড়ানো সম্ভব না । মানে , আমি এড়াবো না ।
লাল সালুর পোস্ট তুমি ভালো মত দেখো নাই । কিন্তু পাকিস্তানী ধর্ষকামী মনমানসিকতার তুলনামূলক মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছো । মন্তব্যটা ঐ পোস্টে করেছিলাম। এইখানে কপিপেস্ট করেছি । ঐ পোস্টে কি হয়েছে না জানলে তুমি এই পোস্টে কেন বলেছি , বুঝবে কি করে ?
দেখি চেষ্টা করে , বুঝাতে পারি কিনা ।
তুমি বলেছো ,
বুয়েটের পাম পট্টি মারা মেয়ে আর লাক্স এর ৮ হাজার প্রতিযোগী একই ধরনের হইতে বাধ্য । তারা দুই দলই সুবিধাবাদী । সহজ পথে প্রতিষ্ঠা চাইছে ।
যে আলু চুরি করে , সে ঝিঙাও চুরি করবে , পাইলে বস্তাও চুরি করবে । কারন , ব্যাপারটা আলু, পটল, বস্তা না - ব্যাপারটা চুরি করার মন মানসিকতা । যে চোর সে চিরকালই চোর । পার্থক্য শুধু সুযোগ আর পণ্যে ।
আমি কি ঠিক ঠাক মত ধরতে পেরেছি ?
তাহলে , পাকিস্তানী ধর্ষকামী আর বাঙালী ধর্ষকামীর মিলটা তোমারই সবচেয়ে বেশি ভালো করে বুঝতে পারার কথা । উপরের মিল গুলা দেখতে পেলে , আমার উদাহরনের মিলটা দেখতে পাচ্ছ না কেন?
আমি একটা কারন বলতে পারি । যে পাকিস্তানী খান সেনাদের ৭১ এর কর্মকান্ডকে ঘৃণা করে তারপক্ষে তার নিজের আচরন যখন ঐ খান সেনাদের মতন হয়ে যায়, সেইটাকে সে একই আচরন হিসেবে চিনতে বা চিন্তা করতে পারে না । নিজেকে খান সেনাদের ভূমিকায় দেখতে পাওয়াটা যেই মানসিক চাপ, ঐ চাপ কেউ নিজে নিজে নিবে না ।
একটা সত্য ঘটনা বলি । সিনেমা হলে সিনেমা দেখতে বসেছে এলাকা কুখ্যাত টপ টেরর , মাস্তান । বাংলা সিনেমার প্লট অনুযায়ী নায়ক বনাম ভিলেইন লড়াই এ দেখা গেলো সেই টপ টেরর , বেশ খাঁটি আবেগের সাথেই ন্যায়ের প্রতিক , ভালোর প্রতিক নায়ককে সমর্থন করছে । এই সমর্থনে কোন ভন্ডামি নাই । অথচ , আশে পাশের দর্শকের মাথায় ঢুকছে না , ব্যাটা নিজে টপ টেরর হয়ে মাস্তানি , মাস্তানের বিরুদ্ধে কেন?
আর যদি বিরুদ্ধেই হবে , তাহলে নিজে মাস্তানি করে কেন?
লাল সালু পোস্টে যারা এক্সট্রিম , নোংরা , ইরোটিক এবং ভায়োলেন্ট কথা বার্তা বলে ব্লগ ভাসিয়ে দিয়েছেন তাদের জাস্টিফিকেশন ছিলো , " ওরা খারাপ মেয়ে ।" সেই একই অজুহাত তুমিও দিলে । তার মানে কি দাঁড়াইলো ?
তোমার কাছে যেই মেয়ে খারাপ , তার সাথে খারাপ আচরন করাটা জায়েজ ।
১৯৭১ এও আমরা এই একই ধরনের অজুহাত শুনেছিলাম । বাংলাদেশের মেয়েরা খারাপ ( কেন খারাপ সেইটাও বলেছি , হিন্দু ধর্ম, হিন্দু ভাষা , হিন্দু কালচার) । সুতরাং , এই খারাপ মেয়েদের গণিমতের মাল বানানো কিংবা ধর্ষণ করাটা " ঠিক আছে" ।
এখন মিলটা দেখতে পাচ্ছো?
লাক্সের মেয়েরা দেহ বিক্রি করতে আসলেই চায় কিনা সে প্রমান তোমার কাছে নেই । তুমি গ্ল্যামার ওয়ার্ল্ডের দুই একটা হাই সোসাইটি কল গার্লের কথা জানো বলে , গণহারে সব কয়টারে গণীমতের মাল আখ্যা দিলা আর তারপর তাদের ছবি ব্লগ পোস্টের কমেন্টে কমেন্টে বেশ্যার ছবি হিসাবে বিলি করলা , আমি প্রতিবাদ করলাম , আর তারপর আমাকে শুনতে হবে ,
ঠিকই তো আছে । আপনি জানেন না , রাগ ইমন,
" মেয়েগুলা খারাপ"!!!!!!!
আকাশ , মেয়েটা সুবিধাবাদী ( হয় ফার্স্ট বয়ের সাথে প্রেম করে বা টিভিতে মডেলিং করে) , কিন্তু তার সুবিধাবাদকে বেশ্যাবৃত্তি হিসেবে তুমি যদি বিশ্বাস ও করে থাকো , তুমি কি তোমার সহপাঠিনীর ছবি ব্লগার পাতায় বেশ্যার বিজ্ঞাপন হিসেবে দেখতে চাইবে?
তোমার সেই ফার্স্ট বয়ও যদি কালকে এসে বান্ধবীর ছবি পোস্ট করে বলে , এই যে দেখেন , এইটার হাটুর নিচে উঁকি মারেন , এইটারে খাটে তুলেন , দুইটা সাজেশন আর ক্লাসনোট দিলেই গইলা যাইবো ।
তুমি প্রতিবাদ করবা না আকাশ?
টুটুল বরকত বলেছেন:
পুরো ব্যপারটার মুল অপরাধীদের কেউ সনাক্ত করতে পারেননি ।লালসালু যেভাবে প্রতিবাদ করেছে , আপনি ও একটু অন্যভাবে প্রতিবাদ করেছে ।
আপনি আবার লালসালুরও বিরুদ্ধে লিখেছে। কিন্তু এ বাদ প্রতিবাদে
মুল অপরাধিরা বাইরে থেকে যাচ্ছে । তারা লালসালু ও রাগ ইমনের বিতর্কে দূর থেকে বাঁশি বাজাচ্ছে ।
আমি একদম নাম ধরে বলে দিচ্ছি , আপনারা বুজে নেন ।
মুল অপরাধিরা হলো -
১।সংশ্লিষ্ট চ্যানেল
২।সংশ্লিষ্ট পন্য
৩। সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের মালিক
৪। সংশ্লিষ্ট পন্যের বিপনন কর্মকর্তা
পরিশেষে আপনাকে ১টা প্রশ্ন আপনি কি এ নিশ্চয়তা দিতে পারেন যে , আগামিবার থেকে এ ধরনের প্রতিযোগিতা হবে না?
আপনার অনেক কথার পালটা যুক্তি দেয়া যায় । আমি আপনার কাছে জানতে চাইব , এ প্রতিযোগিতা
বন্ধে আপনি কিছু করতে পারবে কিনা ?
যদি হ্যা হয় তাহলে উল্লেখিত ১-৪ নং অপরাধীর শাস্তি প্রাপ্য । এবং আমাদের সমাজ-পরিবর্তনে আপনারও পুরস্কার প্রাপ্য ।
আর যদি না হয় তাহলে লালসালুর পুরস্কার প্রাপ্য ।মাঝখান থেকে আপনার ফাঊ ক্যাচাল তার জন্য বোনাস ।
লেখক বলেছেন: লাল সালুর " অন্যভাবে" প্রতিবাদ করার তরিকাটা খুবই নোংরা , ইরোটিক এবং ভায়োলেন্ট লেগেছে ।
কথাবার্তা শেষ পর্যন্ত পর্ণে পরিণত হয়েছে । মূল উদ্দেশ্য ঠিক থাকেনি ।
এই জন্যই এই " অন্যরকম" প্রতিবাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি । ভবিষ্যতেও দাঁড়াব । প্রতিবাদের তরিকা এই রকম পর্ণ সাহিত্যে পরিণত হইলে তাকে থাপ্পড় মেরেই শেখাতে হবে যে এইটা প্রতিবাদের ভাষা না। ঠিক আছে ?
আমি তো তাও ভদ্র ভাবে প্রতিবাদ করেছি , থাপ্পড় মারিনি । থাপ্পড় মারার পদ্ধতিটা গৌরী সেনদের বেশি পছন্দ ।
আমেরিকাতে , ইউরোপে এক রকম প্রতিবাদ আছে । তিমি হত্যা করবেন না , পরিবেশ রক্ষা করুন , নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট চাই না - এই ধরনের বিষয়াদির প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য প্রতিবাদী গোষ্ঠী প্রকাশ্য দিবালোকে নিজেদের কাপড় চোপড় খুলে সম্পূর্ণ ন্যাংটা হয়ে যায় ।
তারপর ভরা রাস্তায় মাঝখান দিয়ে দৌড়াইতে থাকে ।
একদল লোক ন্যাংটা হয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে দৌড়াচ্ছে কেন , এইটা দেখে সকলেই চমকায় । কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করে , কি ভাই , ল্যাংটা হইয়া লৌড় পাড়েন ক্যালা?
তখন তারা বলে ,
আমরা তিমি হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি । তিমিদের তো ভাষা নেই, তাই ওদের হয়ে আমরাই প্রতিবাদ করছি । আপনি যদি তিমি হত্যার বিরুদ্ধে হোন , আসেন , আমাদের সাথে ন্যাংটা হয়ে দৌড়ান ।
তো, আমাদের লাল সালু ভাইজান খুব সম্ভবত ঐ কনসেপ্টটা খুব পছন্দ করেছেন । তিনিও ন্যাংটা করেছেন । তবে , পার্থক্য হইলো , আমেরিকা , ইউরোপে এক্টীভিস্টরা নিজেদের এবং নিজের মা, বোনদের ন্যাংটা করে ।
লাল সালু , অন্যের বোনকে ন্যাংটা করছেন দেখে আমি একটু বকে দিয়েছি ।
বুঝা গেলো?
আমেরিকা , ইউরোপের এই ন্যাংটা হয়ে প্রতিবাদ করাটাকে আমি খুবই ঘৃণা করি ।
অদৃশ্য আলোক বলেছেন:
চামড়ার ব্যবসা ছিল, থাকবে। বৈধ বা অবৈধ উপায়ে অঢেল অর্থের মালিক পুরুষরা হল চামড়ার প্রধান ক্রেতা। বাকি পুরুষরা হল চামড়ার প্রদর্শনির দর্শক ও হা হুতাশকারি। কিছু পুরুষ ও নারী নারীবাদি নীতিবাক্য রচনা করে যাবে। কোন লাভ নাই। পৃথিবির অধিকাংশ অর্থ ও সুন্দরি নারীদের মালিক মুষ্টিমেয় পুরুষ। এসব অর্থবান ধনবান পুরুষরা মানবতাবাদী নারীবাদীদের মুখ খরিদ করে মুখ বন্ধ করে রাখে।
লেখক বলেছেন: আপনি চুপ চাপ থেকে মরে যেতে চাইলে আপনার আত্মহত্যার প্রতি সমর্থন না থাকলেও শ্রদ্ধা থাকলো । আপনার জীবন, আওপ্নার চয়েস।
মরণ নিঃশব্দ ও নিরাপদ হউক !
গুড লাক আর ঈন্নালিল্লাহ!
টুটুল বরকত বলেছেন:
@অদৃশ্য আলোক বলেছেন:চামড়ার ব্যবসা ছিল, থাকবে। বৈধ বা অবৈধ উপায়ে অঢেল অর্থের মালিক পুরুষরা হল চামড়ার প্রধান ক্রেতা। বাকি পুরুষরা হল চামড়ার প্রদর্শনির দর্শক ও হা হুতাশকারি। কিছু পুরুষ ও নারী নারীবাদি নীতিবাক্য রচনা করে যাবে। কোন লাভ নাই। পৃথিবির অধিকাংশ অর্থ ও সুন্দরি নারীদের মালিক মুষ্টিমেয় পুরুষ। এসব অর্থবান ধনবান পুরুষরা মানবতাবাদী নারীবাদীদের মুখ খরিদ করে মুখ বন্ধ করে রাখে।................................................................................................
সহমত । মাঝখান থেকে ফাঊ প্যাচাল ।
লেখক বলেছেন: আপনি চুপ চাপ থেকে মরে যেতে চাইলে আপনার আত্মহত্যার প্রতি সমর্থন না থাকলেও শ্রদ্ধা থাকলো । আপনার জীবন, আওপ্নার চয়েস।
মরণ নিঃশব্দ ও নিরাপদ হউক !
গুড লাক আর ঈন্নালিল্লাহ!
বলা ভাল, জেগে ছিলাম। কর্পোরেট অফিস কালচারের বলি হয়ে রাত্রিকালীন ডিউটি দিতে হয়েছে অফিসে বসে। কিন্তু, ভোরে আর ঠান্ডা মাথায় বসে উত্তর দেবার অবস্থা ছিল না!
যাই হোক।
লালসালুর পোষ্টে আপনার মন্তব্যগুলোর ব্যাখ্যা হিসেবেই যদি এই পোষ্টের উৎপত্তি হয়,তাহলে বলতে হয় ঐ কথাগুলোকেই উপসঙহারে আনা ঠিক হয় নি।
আর পুঁজিবাদ ক্রেতার ভেতরে অপ্রয়োজনীয় প্রয়োজনের সৃষ্টি করেই পন্যের বিকিকিনি করে এবং এক পর্যায়ে ক্রেতাকেও পন্যে পরিণত করে। এটা নতুন কিছু নয়। তবে, আপনার বিশ্লেষন ভাল হয়েছে।
আমি কালই কার পোষ্টে যেন এ নিয়ে কমেন্ট করেছিলাম মোটামুটি এরকমভাবে, "পুরো বিষয়টাই আমার কাছে সুশিক্ষা আর সচেতনতার অভাব বলে মনে হয়। অর্থলোলুপ মাংসলোভী পুরুষতন্ত্র যখন নারীকে খ্যাতির মায়াজালে আটকাবার হিসেব কষে, তখন ঐ শিক্ষা আর সচেতনতাই তাকে ঐ অসম্মানের পথে পা বাড়াতে বাধা দেয়। আর শালীনতার যে একটা আলাদারকমের এবং উঁচুমাপের আবেদন আছে, সেটা আমরা (নারী-পুরুষ নির্বিশেষে) সকলেই ভুলে যাচ্ছি মনে হয়!"
অনেক কষ্ট করে রাত জেগে তথ্য ও উপমাবহুল একটা লেখা দিয়েছেন। সেজন্য ধন্যবাদ পেতেই পারেন।
লেখক বলেছেন: যাই হোক।
লালসালুর পোষ্টে আপনার মন্তব্যগুলোর ব্যাখ্যা হিসেবেই যদি এই পোষ্টের উৎপত্তি হয়,তাহলে বলতে হয় ঐ কথাগুলোকেই উপসঙহারে আনা ঠিক হয় নি-
ব্যাপারটা তা নয় । লাক্স এবং পুঁজিবাদ নিয়ে লিখতে চাইছিলাম কয়দিন ধরেই । লাল সালুর পোস্টের নোংরামি প্রাসঙ্গিক হলেও একমাত্র অনুঘটক নয় । লেখার তাগিদ বেড়েছে ঐ পোস্টের অসহ্য , অশ্লীল , অন্ধ আঘাত আর তার সমর্থন দেখে ।
আপনার বাকি মন্তব্যের সাথে একমত ।
সমাধান নিয়ে তেমন আলোচনা হয়নি , এইবার তাই নিয়ে লিখবো ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
রাতমজুর বলেছেন: প্রতিবাদে উদ্যমী পাওয়া গেল শুধু রাগইমনকে অথচ মরিচ ছিটিয়ে উদ্যমী শব্দ বোল্ডকারীদের দেখা গেল না প্রতিবাদ শুরুর আগে - ভালো।-----------
রামু, মন্তব্যটা একটু বেশী গায়ে পড়া হয়ে গেল না ? এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই যে, আমাকে রাইট প্লেসে, রাইট টাইমে, রাইট প্রতিবাদটাই করতে হবে। কিংবা প্রতিবাদ করতে আমি বাধ্য।
এবং ইয়েস এতো গায়ে পড়া অতি প্রতিক্রিয়....আসলেই ভালো ।
লেখক বলেছেন: নিজেরা নিজেরা ঝগড়া করলে সেইটারে বলে এল কিউ।
সাধু সাবধান ।
রাতমজুর বলেছেন:
@৭০
চাচীর তরকারীতে সব ঝাল না, যায়গায় যায়গায় ঝাল। (যশোরের দিকে প্রবচনটা চলে বেশ)।
নীতিটা অটল রাখাই ভালো, সুবিধে মত নীতির পরিবর্তনটা কেমন যেনো বেখাপ্পা লাগে।
অবশ্য মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেটদের এইটাই নীতি, সুবিধে দেখলে নাক উঁচু আর গলাবাজী, দায়িত্ব নিয়ে ঝুঁকির রাস্তা চেনেনই না আপনারা।
একা রাগইমনের প্রতিবাদের ইফেক্ট বেশ কম কিন্তু, সাথে ভালো না হোক, চলবে গোছের প্রতিবাদ হলেও আমলে আসতো অন্তত:।
আমি আগেই বলে রাখছি আমার প্রতিবাদ না করবার কারন, ডিমান্ড যতই থাক, সাপ্লাই না থাকলে সে চাহিদাটা দমে যেতে বাধ্য।
লেখক বলেছেন: চেইতো না । কাউরে কাউরে ১ম স্টেপ টা নিতে হয় । আজকে আমি , কালকে তুমি !
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
@ মন্তব্য ৭১ আমার প্রতি হঠাৎ এতো এগ্রেসিভ হওয়ার সুস্পষ্ট কোন কারণ আছে কী? এখানে মন্তব্যে আমার তো মনে হয়না আমি এমন বিশাল কোন নীতি বিসর্জন দিয়েছি। কাহিনীটা কী বুঝলাম নাতো ! হঠাৎ আমাকে নীতি কথা শেখানোর কারণ কী ? আমি কী কোন ক্রেডিট নেয়ার জন্য মন্তব্য দিয়েছি যে হুট করে আমাকে ডিসক্রেডিট দেয়ার জন্য উঠেপড়ে লাগা হলো ??? পাল্টা রিপ্লাইটাও খুব আশ্চর্যজনক । যদি এতই ফিল করা হয় যে প্রতিবাদ জরুরী ছিল তাহলে রাগ ইমনের আগেই তো প্রতিবাদে ঝাঁপায় পড়া দরকার ছিল, সেটা করা হয় নাই কেন ???
আমি লালসালুর পোস্টে প্রতিবাদ করলাম না, আমি রাগ ইমনকে সাথে আছি , পাশে আছি টাইপ মন্তব্যও করলাম না । অথচ রাগ ইমনের পোস্টে আমার মন্তব্য রাগ ইমনের সমর্থনেই যায়।
পোস্টে প্রতিবাদ না করার কারণ দেখিয়ে আমি কোন এক্সকিউজও দিলাম না। দিবও না । বরং আমি না হয় এখন এভাবেই বলি, আমি মন্তব্যগুলো দেখেছি। কিন্তু কিছুই বলিনি। রাগ ইমন আলাদা পোস্ট না দিলে হয়ত আর বলতামও না।
আবার কারো প্রতিবাদ না করা নিয়েও আমি কাউকে চাপ দিলাম না, কেবল যারা অতি উদ্যমী হয়ে লাল সালু'র পোস্টে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তাদের জন্য ইমনের ব্লগে একটা-দুটো কথা বললাম। তো, এতে কোন সমস্যা ?
রাগ ইমন অনেক পুরনো ব্লগার, এরকম অনেক হেভী-ওয়েট যুক্তি-তর্কের মুখোমুখি সে হয়েছে । আমার বা অন্য কারো বাড়তি সমর্থনের আশায় সে মন্তব্য করেনি বা আলাদা পোস্ট দেয়নি ।
আমার মনে হয়, আলাদা কোন ক্ষোভ (!!!!) থেকে থাকলে বা খোঁচা দেয়ার ইচ্ছা থাকলে সেটা একটু সরাসরিই বলা ভাল, খামোকা অন্য ইস্যুর আড়াল না নিলেও চলে।
আর আমার সাথে এই অযাচিত তর্কে না যেয়ে বরং মূল বিষয়ে কথা বললেই ডিমান্ড-সাপ্লাই একটা ইক্যুইলিব্রিয়াম পয়েন্টে আসবে।
লেখক বলেছেন: এইটার দরকার ছিলো না।
রাতমজুর বলেছেন:
@৭২
পয়লা কুয়েচ্চেনেই আমি বোল্ড, কোন জবাব নাই এখন আমার কাছে, কারন আপনে কুয়েচ্চেন করনের আগেই জবাব দিয়া ফেলছি, (৭১ এর শেষ দুই লাইন)।
অবশ্য বোল্ড করি নাই বৈলা আপনার চৌক্ষে নাও বাধতে পারে।আসলে আমাগো লাহান আম পাব্লিকের কথা চৌক্ষে না পড়াই উচিৎ।
আসল পয়েন্টখানই মিস কর্ছেন, আপনারা শক্তিমান ব্লগার, আপনার একপেশে কমেন্ট কিন্তু কোন স্যলুশনের কথা বা ইংগিত দেয় না। আপনে খালি লালসালু আর বাকি পাব্লিকগুলারে ঝাড়লেন, আপনের আর ওদের তফাৎ কি থাকলো?
ওরা ওদের একপাক্ষিক সংকীর্নতা দেখাইছে, আপনে দেখাইলেন ঝাল, সবাই যার যার যায়গায় চরমপন্থী, কেউ ভাইংগা আলোচনা কৈরা সমাধানের পথে দেখায় না। আমরা সাধারন ব্লগারেরা কৈ যাই?
আসলে মনে হচ্ছে দু'পক্ষই সমান।
ঐসব সস্তা পোষ্ট গুলা এত রিপ্লাই কেন আনে?
মার্কেটিং - প্রচারেই প্রসার।
নারীর বিপক্ষে সস্তা পুরুষতান্ত্রিক মনোভাবের পোষ্ট গুলার এক দশমাংশও না সেইগুলারে প্রোটেষ্ট করা পোষ্ট। মানুষের মনে ওদের কথাই বেশি দাগ কাটে, কারন বেশি প্রচারিত সেসব।
চাপ দেন নাই বৈলাই তো ক্ষেপছি, আবারো কৈ, আপনেরা যুক্তি দিয়া লিখতে পারেন, সেই ক্ষমতা খুব কমেরই আছে। ক্ষমতার সাথে সাথেই আসে রেস্পন্সিবিলিটি। আপনি প্রতিবাদ করলেই বরং আপনার গ্রহনযোগ্যতা বাড়তো। পূর্নিমা নিত্যর হাহাকার পোষ্ট আর আপনার পোষ্ট - দুইটার মধ্যে কোনটাকে বেশি বস্তুনিষ্ঠ ধর্তো আম-ব্লগাররা সেইটা একবার ভাবছেন?
রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন - সাধারন কর্পোরেট ট্রিক।
আপনি ওদের যুক্তি দিয়ে ধুয়ে দেন, মতামত দাঁড় করান সস্তা নোংরামীর বিপক্ষে। বদলে দোষী বলে আঙুল তুললে সেটা সমস্যাটাকেই বাড়ায়।
গত একমাসে ব্লগটা দেখেছেন?
বিরক্ত হয়ে গেছি। বিজয়ীনী ভবিষ্যত কর্পোরেট বেশ্যা - এইটাকেই মার্কেট করা হৈছে সব পোষ্টে, রাগ ইমন ঠিক - কেউ পেছনের পর্দাটা তুলে দেখে না পুতুলগুলোকে কে নাচাচ্ছে, বরং হুমড়ি খেয়ে পড়ছে পুতুলগুলোর ওপরেই।
সেটা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে যে লেখার ক্ষমতা দরকার সেটা আপনাদের কজনের আছে, শুধু অভিযোগ আর ব্লগারদের নোংরা উদ্যমকে সামনে তুলে দিলেই সব হয়ে যায় না।
বছর দশেক আগের কথা বোধ হয়, পর্ন ম্যাগাজিনের ছাপা খানায় হানা দিয়ে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিলো প্রেসের মালিক এক মহিলাকে। বিটিভির ক্যামেরার সামনে তার স্রেফ জবাব ছিলো সে ছাপে, ফর প্রফিট, এই সব পর্নের বাজারের ফলে কি হলো না হলো সেটা তার দেখবার কথা নয় - কর্পোরেট মানসিকতার ক্ষুদ্র একমালিকানা উদাহরন হিসাবে ধরি সেটাকে। সো কর্পোরেট নোংরামীর চেহারাটা চিনতে অসুবিধা হয় না।
তবু, যারা পারেন মতবাদ গড়ে তুলতে, তারা দায়সারা গোছের দোষ ধরা কমেন্ট করলে খারাপ লাগে। অথচ আপনি পারতেন এই পোষ্টটাকে আরো গভীর আলোচনায় নিয়ে যেতে।
আরেকটা কথা, আমি ব্লগে ব্লগের বাইরের কিছু টানি না, অনেকগুলো ! চিহ্নের ভুমিকাটা অবান্তর। তাছাড়া, আপনাকে পছন্দই করি, সেটা আপনিও জানেন। আপনার সাথে ব্লগে মতের কোন বিরোধ হলে সেটা ব্লগেই সলভ রা ব্লগার আমি। ব্যাক্তিগত জীবন আর ব্লগ জীবন আলাদা আমার কাছে।
লেখক বলেছেন: এইটার দরকার ছিলো না ।
আইরিন সুলতানা বলেছেন:
রামু, ধন্যবাদ উত্তরের জন্য। তুমি-আমি দীর্ঘদিন ধরেই ব্লগিং করি। ব্যক্তিগত যোগাযোগও আছে বা ছিল । ব্লগ ফলোআপও করি যে যার মত। দু'জনের স্বাধীন চিন্তাভাবনা, হয়তো মিল আছে হয়তো অমিল আছে। এটাই স্বাভাবিক। আমার প্রথম মন্তব্যের প্যাটার্ন দেখো, আমি যদিও তোমার শুরুর মন্তব্যের ধরনে যথেষ্টই অবাক ছিলাম তারপরও খানিকটা হালকা মুড আনার জন্য ইমো দিয়ে উত্তর দিয়েছি।এমনকি শুরুর সম্বোধনও ছিল পুরনো ঢং এ। যদিও পরের বার একটা নতুন ভঙ্গি শিখলাম "@মন্তব্য নং" । হাহাহা
আমার কাছে প্রতিবাদে অংশ গ্রহনের প্রত্যাশা থাকলে বা অংশ গ্রহণ জরুরী মনে হলে সেটা আরো সরাসরি ইন্টারএ্যাক্ট করেই বলা যেতো, তাই না ? ওভাবে বলাটা একেবারেই নিস্প্রয়োজন ছিল এবং তার ফলশ্রুতিতে বাড়ি কিছু মন্তব্য হলো এই পোস্টে যা আসলে হয়ত কেবল নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার জন্য এবং এই পোস্টের ফোকাসের হিসেবে এই কটা মন্তব্য একটু বাড়তি মনে হয় । (রাগ ইমন আশা করি এজন্য বিরক্ত হবেনা আমার আর তোমার উপর
এতোদিন ধরে লেখার পর তোমার বা আমার মধ্যে হেভী-ওয়েট ব্লগারের পার্থক্য করাটা ঠিক না। এমনকি ইমনও সিনিয়রিটি দেখাতে মন্তব্য করেনি, পোস্ট দেয়নি । তবে স্বভাবতাই পুরনো ব্লগার বলে দ্রুতই একটা পোস্টের, মন্তব্যেই গতি-প্রকৃতি বুঝে নিতে পারে, বা অভিজ্ঞতার আলোকে জবাব গোছাতে পারে। তবে লালসালুর পোস্টের প্রতিবাদের জন্য সবারই এতো গোছানো হওয়ার দরকারও নেই। আমি ওই পোস্টটা নিয়ে কোন এক ব্লগারের সাথে কথা বলেছিলাম ব্যক্তিগতভাবে, আমার বক্তব্য ছিল যে ওই লিংকের মূল লেখাটাকে যদি একটু কড়া ফান হিসেবেও ধরে নেই, তবে মন্তব্যের ঘরে গিয়ে এই অভিজ্ঞতা হলো যে অনেক ব্লগার মিলে এক পাল হায়েনা হয়ে উঠলো যেন! আমি এটাকেই এক শব্দে উদ্যমী বলে বোল্ড করেছিলাম।
তুমি আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্য দিয়ে রাখলেও প্রশ্নটা করিই বরং, এখন যদি আমি তোমাকে চাপ দেই, একজন পুরুষ ব্লগার হিসেবে স্ব-গোত্রের এই নীচুতার প্রতিবাদ কেন করলে না ? কেন আমি পুরনো ব্লগার বলে আমার প্রতিই বা আমার মত আরো কারো প্রতি আশান্বিত হয়ে বসে থাকতে হবে ? তুমি যে বিরক্ত হয়ে গেছো, সেই বিরক্তিটা কেবল আমার উপর দিয়েই প্রকাশ হলো কেন ? উত্তর আসলে জরুরী নয়। ধরে নাও লালসালুর পোস্টে আমি প্রতিবাদের সুযোগ করে নিতে পারিনি, ওদের মন্তব্যের ধরন দেখে । তবে ইমন ওখানে একটা ফ্লো তৈরী করেছে। ওটা নিয়ে দীর্ঘ শ্রম দিয়ে সিরিজ পোস্টও দিয়েছে। অনেক ব্লগাররাই নির্দ্বিধায় সমর্থন জানিয়ে গেছে।
আমি রেগে যাইনি, অবাক হয়েছিলাম, দৃষ্টি ভঙ্গির ভিন্নতা আছে কিনা বা মতভেদ নিয়ে আমাকে জিগেষ করা যেতো হয়তোবা অথবা এই মন্তব্যটাই যদি প্রথম চোটেই আমাকে বলতে তাহলেও বেশ হতো। ওভাবে উটকো একটা খোঁচা এবং সেটা জাস্টিফাই করতে তোমার-আমার এই এতো এতো টাইপিং আসলে গ্রহণযোগ্য নয়।
আমরা মূল ফোকাস থেকে সরেই আসছি। হয়ত পোস্টটাকেও মূল ফোকাস থেকে সরিয়ে আনছি সামান্য।
লেখক বলেছেন: আগেই বলছি , এল কিউ এল কিউ লাগে!
শেষে কি হইলো? পুরাই ভুল বুঝাবুঝি।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
আপনার এই সিরিজ পড়ে ভয়াবহ বিস্মিত হয়েছি। কারণ বহুবিধ। যেমন - প্রায় সারা রাত ধরে আপনি এই লেখা নিয়েই ছিলেন। কাল রাতে আমি কেবল দুটো পর্ব পড়ে ঘমাতে গেছি, আজ এসে পড়লাম পরের দুটো এবং দেখলাম - প্রায় পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে এই সিরিজের চারটি লেখা এবং এই বিষয়ে অসংখ্য কমেন্ট ও কমেন্টের প্রতিউত্তর! ধৈর্য দেখেই তো হতবাক হয়ে যেতে হয়! বিস্ময়ের দ্বিতীয় কারণ - বিষয়টিকে এইভাবে বিশ্লেষণ করতে দেখিনি কখনো, কাউকে। এত সহজবোধ্যভাবে, চারপাশে ছড়িয়ে থাকা উদাহরণ সহযোগে, একবারে পাঠকের মনের মধ্যে গেঁথে দেবার এই দুর্দান্ত কৌশল আপনি কবে শিখলেন!? তৃতীয়ত - আপনার এই লেখাটি এর সমস্ত যুক্তিতর্কতথ্য সহই সাংঘাতিক রকমের কমিউনিকেটিভ। বিশেষ করে গদ্যভঙ্গিটি। আমি নিজে বিশ্বাস করি - গদ্যকে অবশ্যই কমিউনিকেটিভ হতে হবে, এর কোনো বিকল্প নেই। এবং বিষয় যতো জটিল হবে তার প্রকাশভঙ্গি ততোটাই সহজ-আকর্ষণীয় ও কমিউনিকেটিভ করে তোলাটাই একজন লেখকের শক্তিমত্তার মূল পরিচায়ক। আপনি কতোটা শক্তিমান তার প্রমাণ দিলেন এই সিরিজে।আপনার কথাগুলোর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করার মতো কিছু পাইনি, তাই ওদিকে আর গেলাম না।
চারটি পর্ব পড়ে আলাদা আলাদাভাবে আমার যে অনুভূতি হলো সেটি বলে বিদায় নিই-
প্রথম পর্ব - সূচনা হিসেবে ভালো, বেশ ভালো।
দ্বিতীয় পর্ব - অসাধারণ। বিশেষ করে গরু-কাহিনী দিয়ে কর্পোরেটকে বোঝানোর ব্যাপারটা।
তৃতীয় পর্ব - অসামান্য। এর কোনো তুলনা হয় না, এবং কোনো বিশেষণকেই যথেষ্ট বলে মনে হচ্ছে না এই লেখাটির জন্য। প্রতিটি লাইনকে মনে হয়েছে কোটেশন হিসেবে বাঁধিয়ে রাখার মতো।
চতুর্থ পর্ব - সমাপ্তি হিসেবে ততোটা ভালো হয়নি। আরেকটু আঁটোসাটো হলে হয়তো ভালো হতো। বিশেষ করে লালসালুর ব্লগে যে কমেন্টগুলো করেছেন, সেগুলো এখানে না তুলে দিলেও এই লেখার কোনো ক্ষতিবৃদ্ধি হতো না, বরং লেখাটির সমাপ্তি হতো আরো আকর্ষণীয়।
সব মিলিয়ে অসাধারণ এক অনুভূতি নিয়ে লেখাটি নিজের প্রিয় পোস্টের তালিকায় সাজিয়ে রাখবার জন্য নিয়ে যাচ্ছি।
আমার অভিবাদন গ্রহণ করুণ প্রিয় রাগ ইমন।
ভালো থাকুন সবসময়।
লেখক বলেছেন: আপনার এই মন্তব্যটা ভাই বাধিয়ে রেখে দেব । খুব খুব খুব ভালো লেগেছে ।
আমি যেই কষ্টটা করেছি তার জন্য আমাকে কি কি লস করতে হয়েছে সেইটা ব্লগে বলা সম্ভব না , তাই বলছি না । কিন্তু যখন দেখছি একে একে মানুষ পড়ছে , চিন্তা করছে , আমার মনে হচ্ছে ব্যক্তিগত ক্ষতি হয়ে গেলেও সেইটা না হয় একটা মূল্য হিসেবে দেওয়াই যায় ।
অনেক ধন্যবাদ । আপনার আপত্ত্রি জায়গাটা বেঠিক বলবো না , তবে , প্রয়োজনে এসেছে । অসুন্দরকে না দেখতে চাইলেও মাঝে মাঝে দেখতে বাধ্য হই । পরের পোস্ট গুলোতে হয়ত একটা ব্যাখ্যা দিতে পারবো।
আপনাকে আবারো ধন্যবাদ , ভীষন উৎসাহ দেওয়ার জন্য ।
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
**গ্রহণ করুণ = গ্রহণ করুন
সিষ্টেম ইন্জিনিয়ার বলেছেন:
লালসালু ব্লগিং ছেড়ে দিয়েছেন !!!!??Click This Link
আপু কি একটু মন্তব্য কবে আসবেন???
লেখক বলেছেন: আমার পরের পোস্টে মন্তব্য আছে । এই জন্য আপনার পোস্টে গেলাম না । একটু কষ্ট করে পরের পোস্টটা দেখুন।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
এ পোস্ট টি আমার ফেভারিটে নিয়ে নিলাম। একটি অসাধারণ সিরিজ পড়লাম অনেকদিন পর। প্রতিটা পর্বই দেবার সাথে সাথেই পড়েছি অফলাইনে। মন্তব্য না করে পারলাম না। হয়তো অল্পকিছু ব্যাপারে দ্বিমত আছে, খুবই মাইনর সেগুলো, অনুল্লেখ্য। তারপরো বলছি অসামান্য অনুভূতি হয়েছে পড়ে।স্যালুট!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে । সমাধান বিষয়ক একটা পোস্ট সিরিজ শুরু করছি । আশা করি আপনাকে পাব।
গৌরী সেন বলেছেন:
মেডাম, আপনে আগেও গিয়ানি আসিলেন এখোন আরো হৈসেন, কুনু সন্দেহ নাই। গিয়ানি এবং ধৈর্য্যশীলা। একটানা আপনের লেখা ৪ টা পর্বই পড়লাম। যা লেখসেন তা সবারই জানা বিষয়, কিন্তু অন্যরে জানানোর মতন মেধা বা ধৈর্য্য হয়তো সবার নাই। আপনি কেন মনে করেন যে লালসালুর লাক্স সুন্দরি বিষয়ক পোস্টগুলি বা তাতে কৃত কমেন্টগুলি শুধুমাত্র ঐ হতভাগা মেয়েগুলির উদদেশ্যে করা হৈসে? এই কথা সবাই বোঝে যে ঐ মেয়েগুলিকে তথা এই সমাজরে পিছন থেইকা পুতুল নাচের মতন সুতা টাইন্যা নাচাইতেসে মাল্টি ন্যাশনালগুলা। তাইলে ক্যান লালসালু মাল্টি ন্যাশনাল / কর্পোরেটগুলারে না টাইনা ঐ মেয়েগুকানরে নিয়া ক্যারিকেচার করলো? এমনকি লালসালুর পোস্টে উৎসাহী "ধর্ষকামি ভূতেরাও" কি কারনে তাদের ব্যাপারে কিসুই কয় নাই? উত্তর হৈল কর্পোরেটগুলার কলার ধইরা ঝাঁকুনি ক্যান, তার আশেপাশে যাইতে হৈলেও আপনের মতন ৪ পর্বের উচ্চমার্গের পোস্ট দিওন লাগবো বেশ কয়েকটা। এরচে' সোজা হৈলগা লালসালু টাইপ পোস্ট বা গৌরী সেনের নোংড়া কমেন্ট যা মানুষরে থাপ্পর মাইরা বোঝায়া দেয় "কর্পোরেটের ফান্দে পারা দিও না"। বোঝা না বোঝা মানুষের মর্জি। করপোরেট বাবাজিরা আপনের আমার চাইতে অনেক বেশি ওর্গানাইজড এবং তাদের সব স্ট্রাটেজি আগে থিকা দক্ষ লোক দ্বারা নির্ধারন করা, এইটা আমার চে' আপনে বেশি জানেন। পারবেন করতে তাগো বিরুদ্ধে যুদ্ধ? এর চে' মনে হয় মানুষরে খোঁচা দিয়া সর্বনাশের আগমন কিছুটা দুরে সরানির চেস্টা অনেক ভালো। সর্বনাশতো আমগো হোইবোই
আর পাকিস্তানিগো লগে তুলনা দেওয়ার ব্যাপারডা অতিরন্জিত মনে হৈল। আপনার মস্তিস্ক একান্ত উর্বর। কাজেই ঐখানে এই পোস্টগুলার মতন উপকারী গাছের সাথে সাথে এইরকম কিছু আগাছাতো জন্মাইবোই। আশা করি নিড়ানি দিবেন
ঠ্যাংকু
লেখক বলেছেন: আমেরিকাতে , ইউরোপে এক রকম প্রতিবাদ আছে । তিমি হত্যা করবেন না , পরিবেশ রক্ষা করুন , নিউক্লিয়ার ওয়েস্ট চাই না - এই ধরনের বিষয়াদির প্রতি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য প্রতিবাদী গোষ্ঠী প্রকাশ্য দিবালোকে নিজেদের কাপড় চোপড় খুলে সম্পূর্ণ ন্যাংটা হয়ে যায় ।
তারপর ভরা রাস্তায় মাঝখান দিয়ে দৌড়াইতে থাকে ।
একদল লোক ন্যাংটা হয়ে রাস্তার মাঝখান দিয়ে দৌড়াচ্ছে কেন , এইটা দেখে সকলেই চমকায় । কৌতুহলী হয়ে জিজ্ঞেস করে , কি ভাই , ল্যাংটা হইয়া লৌড় পাড়েন ক্যালা?
তখন তারা বলে ,
আমরা তিমি হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছি । তিমিদের তো ভাষা নেই, তাই ওদের হয়ে আমরাই প্রতিবাদ করছি । আপনি যদি তিমি হত্যার বিরুদ্ধে হোন , আসেন , আমাদের সাথে ন্যাংটা হয়ে দৌড়ান ।
তো, আমাদের লাল সালু ভাইজান খুব সম্ভবত ঐ কনসেপ্টটা খুব পছন্দ করেছেন । তিনিও ন্যাংটা করেছেন । তবে , পার্থক্য হইলো , আমেরিকা , ইউরোপে এক্টীভিস্টরা নিজেদের এবং নিজের মা, বোনদের ন্যাংটা করে ।
লাল সালু , অন্যের বোনকে ন্যাংটা করছেন দেখে আমি একটু বকে দিয়েছি ।
বুঝা গেলো?
আমেরিকা , ইউরোপের এই ন্যাংটা হয়ে প্রতিবাদ করাটাকে আমি খুবই ঘৃণা করি ।
কাব্য বলেছেন:
লাল সালুর আক্রমনের টার্গেট মেয়ে গুলা , বড় জোর বিচারক । তার পিছনে চ্যানেল আই না । চ্যানেল আই এর পিছনে লাক্স না। লাক্সের পিছনে ইউনিলিভার না।---------------------------------------------------------------------
এতো পোষ্ট,এতো কমেন্টের পর শেষ পর্যন্ত ফলাফল যা আসলো--
ডিম আগে নাকি মুরগী আগে !! তার মানে আমরা আসলে সেই পুরাতন state এই ফিরে গেলাম।আচ্ছা আপু বলতে পারবেন,যেক্ষেত্রে আমাদের নিজস্ব মতামতে কিছু করার থাকে সেগুলোকে কি আমরা দূরে ঠেলে দিতে পারিনা?সুন্দরী প্রতিযোগিতায়তো জোর করে কেউ ধরে নিয়ে যাচ্ছেনা(আমার জানামতে)।তবে কি আমরা এখানে নিজেদের কোনো মতামত দিতে পারতাম না?
আমাদের দেশে শুধু সুন্দরী প্রতিযোগিতাই হয়না, ম্যাথ অলিম্পিয়াড আছে,বাংলা ভাষার উপর একটা প্রতিযোগিতা আছে,প্রোগ্রামিং কনটেস্ট আছে আরো অনেক ভালো ভালো কম্পিটিশন হচ্ছে।এইসব প্রতিযোগিতা(সুন্দরী,গান,নাচ) যতটা নিন্দিত হয় তার ছিটেফোঁটাও কিন্তু ম্যাথ অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ইত্যাদিতে হয় না।মেয়েদের অংশগ্রহন এই ম্যাথ অলিম্পিয়াড, প্রোগ্রামিং কনটেস্ট তুলনামূলক(সুন্দরী,গান,নাচের চেয়ে) কমই বলা চলে!কিন্তু কেনো?
আমরা কি সবসময় অন্যের উপরেই দোষ চাপিয়ে দেব? নাকি নিজেদের যতটুকু সামর্থ্য আছে ততটুকু ব্যবহার করতে পিছুপা হবোনা!
অবশ্যই আমাদের নিজেদেরও কিছু করার আছে আর তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই !
লেখক বলেছেন: সমাধান নিয়ে পোস্ট দিতে যাচ্ছি , আশা করি পড়বেন।
সুবিদ্ বলেছেন:
একবার পড়লাম........আরেকবার না পড়ে কমেন্ট করাটা ঠিক মনে করছিনা
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
তাজা কলম বলেছেন:
লেখাটি আপাতত প্রিয়তে নিলাম। বিশ্লেষণভঙ্গী ভাল লেগেছে। তবে কর্পোরেট পুজিঁর গোলক ধাঁধা থেকে আমাদেরকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং নিতে হবে কার্যকরী পদক্ষেপ।
পরে আরো মন্তব্য করার ইচ্ছে রইল।
লেখক বলেছেন: াশা করি পরের পোস্ট গুলাও পড়বেন। অনেক ধন্যবাদ
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
কোন লেখার প্রতিক্রিয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে লেখা ৪ পর্বের ধারাবাহিক। রাত জেগে লেখা। বিরতিহীন লেখা। লেখার আয়তন বড়। চিন্তা করারও সুযোগ মেলেনি।
আমি হলে পারতাম না। কখনোই পারতাম না। বড় লেখা কখনোবা কিছু লিখেছি কিন্তু সময় নিয়েছি প্রচুর। প্রচুর বইপত্র, নেট ঘেটে কাঁটাছেড়া করতে করতে একসময় একটা লেখা দাড়িয়ে যায়।
কিন্তু আপনার স্ট্যামিনা দেখেই আমি অবিভূত। লেখার কোয়ালিটির প্রশ্ন তো পরে। য?খন কোন কিছু দেখে আমার ভেতর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়,ভাবি কিছু একটা লেখে ফেলি। কিন্তু পরে ভাবি লেখে কি হবে? কোন পরিবর্তন তো হবে না। তাই নিজেকে প্রশমিত করি।
কিন্তু আপনি পেরেছেন। শেষ কয়েকটা দিন সব ব্লগারকেই আপনি চৌম্বকের মতো নিজের পাতায় টেনে এনেছেন এবং সেটা আপনার যোগ্যতা দিয়ে। এত বিরুদ্ধাচারী থাকলে আমি এই কাজটা পারতাম না, আপনার মতো।
লেখা অবশ্যই অসাধারণ। তবে আমার মনে হয় ঈষত সংশোধন করতে পারেন। পরে সময় পেলে আবার এসে আলোচনা করে যাবো।
লেখক বলেছেন: আজকে রাতটাও জেগেই কাটাবো মনে হয় । সমাধানের উপর লেখা দিতে যাইতেছি ।
লেখক বলেছেন: আবার পড়ো ভাইয়া ঠিক আছে , আবার লিখতে বইলো না । প্লিজ!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আমাকে যুদ্ধাংদেহী বলছিলেন বলেই ইজি হতে পারি নাই। এটা আপনার নিকের সাথে সম্পর্কযুক্ত না।আমি বুয়েটের না ভাই। আপনার কেন এ ধারণা হল?
যাই হউক, আমি একবারও ওই মেয়েগুলাকে বেশ্যা বলি নাই, আমি ওদের সুবিধাবাদীই বলছি। আপনিও তাই বলছেন, তাইলে আমার কমেন্ট কে এভাবে নিলেন কেন?!!!
বেশ্যাও সুবিধার জন্যেই আসছে, আর এরা হইতেও পারে, কিন্তু এখনও যেহেতু হয় নাই, তাই এটা নিয়ে বলার কিছু নাই। তবে, বেশ্যাদের আমি খুব একটা খারাপ চোখে দেখি না। অন্তত, যারা অভাবের কারণে আসছে।
মূল ব্যাপারটা হচ্ছে মানসিকতা। শখ করে কোন খারাপ পথে আসলে, তাকে কেন যেন সহজে মেনে নিতে পারি না। যারা শখ করে ফ্যান্টাসীর জন্য হোটেলে যায় এদের মানসিকতাটা এক্সট্রিম। তাদের সাথে লাক্স মডেলদের তুলনা দিচ্ছি না, কিন্তু এখানে এদেরকে কেন যেন ভাল চোখে দেখতে পারি না। যোউনতার প্রতি পুরুষের দুর্বলতাটাই এদের পুঁজি। এক পরিচিতের ভাষায় চামড়া বেঁচে খায়। অভাবে না শখে।
এখন, আমি কিন্তু এদের নিয়ে খাটে শোয়াবো এমন কথা বলি নাই। ওইটুকুই বলছি যে, এদের ভাল চোখে দেখি না। যাই হোক, আপনিও এটাই বলছেন আর আমিও। আর আমাকে শুধু অকারণে অপজিটে দাঁড় করায়া দিসেন।
এখন আসি পাকিস্তানীদের দৃষ্টিভঙ্গীর ব্যাপারে।
আসলে আমরা যা ছিলাম, পাকি রা আমাদের ভুল চোখে দেখছে। এখানে কী একই হল? ভাল খারাপ খুবই আপেক্ষিক, আবার যুক্তিবাদী বিবেকবানের কাছে মোটেও আপেক্ষিক না। লাক্স মডেলরা যা করছে তা কী ঠিক? আমরা পাকিদের মত তাদের ভুল চোখে দেখছি?
আপনার কী ধারণা?
বাঙ্গালী মেয়েরা যা ছিল, সেটাই পাকিরা খারাপ ভাবে নিয়েছে। মডেলরা কী জন্ম থেকে মডেলই ছিল? এটা তার পথ, প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য যা সে নিজে চয়েস করেছে।
কেন আমি পাকিদের দৃষ্টি ভঙ্গী আর আমাদের দৃষ্টিভঙ্গী আলাদা বলেছি, বুঝাতে পারলাম?
আর মানুষ যাদের খারাপ চোখে দেখে, তাদের ব্যাপারে ব্লগে খুব এক্সাইটেড হয়ে যায়, এটাই স্বাভাবিক। আশরাফুল ভাল খেললে পোস্ট আসে "আশরাফুল এখনও সেরা", খারাপ খেললে আসে, "আশ্রাফুলের বেডরুমে হাউন্ড কুত্তা ছাড়া হোক"। পাবলিক যেমনটা বলে আসলে হুবহু সে তেমনটা না। তাইলে আশরাফুল এতদিনে জীবিত থাকত না। আর হাউন্ড কুত্তারও সঙ্গ এক দুইবার পাইত।
তাই এগুলা নিয়ে এত সিরিয়াস হবার কিছু নাই।
যেহেতু, আমি লালসালুর পোস্ট শেষপর্যন্ত কী হইছে দেখি নাই,আর আমি যেটাকে শেষ পোস্ট ভাবছি সেটাই উনার শেষ পোস্ট ছিল কী না সেটাও শিওর না, তাই আর ওকালতি করব না। কিন্তু আমি শুধু আমার মানসিকতাটা বলে গেলাম।
এটুকুই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্যাখ্যার জন্য ।
পাকিস্তানীরা না বুঝে ভুল করে ফেলেছিলো নাকি?
আমি তো জানতাম বুঝে শুনে নিজেদের লালসা চরিতার্থ করার জন্য অই সব অজুহাত খাড়া করেছিলো ।
খারাপ মেয়ে ভেবেছিলাম তাই তার সাথে খারাপ কাজ করেছি - এই কি ধুরনের চরিত্রের ইঙ্গিত দেয় ?
লাল সালুর পোস্টে একটা মন্তব্য করেছিলাম , এখানেও করি ,
" যারা বলে তুমি ভদ্র হইলে আমি ভদ্র হইবো , তারা আদতে ভদ্র না , ভদ্রবেশী শয়তান।"
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
অভিমানী মেঘ বলেছেন:
@ গৌরি সেন, আপনি বলতে চাচ্ছেন - আপনার কমেন্টের মাধ্যমে আপনি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারীদের বিরত করতে চাচ্ছেন।
- হাসি পাচ্ছে, নোংরা কমেন্ট করে কখনও প্রতিবাদ করা যায় না, আরেকটা নোংরামিরই শুধু জন্ম দেয়া যায়। এই বোধটুকু না থাকলে কিছুই করার নেই>
ঐ রকম নোংরা কমেন্ট আমরা চোখে পড়লে আমি আবারও অভিযোগ করব, আর আমি নিজে মনে করি - এই ব্লগে নোংরা কথা বলার কোন স্থান নেই।
অবাকই লাগছে, নোংরামিকেও মানুষ ডিফেন্ড করছে দেখে। এই যদি মানুষের অবস্থা হয়, তাহলে হাসিনা-খালেদোর মত নোংরা নেতৃত্ব মনে হয় জাতি ডিজার্ভই করে।
----
আর এই ক্যাচাল বাদ দিয়ে আরো অনেক ব্যাপার আছে
পারলে এই পোস্টকে স্টিকি করতে মেইল দেন।
Click This Link
লেখক বলেছেন: " যারা বলে , তুমি ভদ্র হইলে আমি ভদ্র হইবো তারা আদতে ভদ্র না , ভদ্রবেশী শয়তান।"
লেখক বলেছেন: " যারা বলে , তুমি ভদ্র হইলে আমি ভদ্র হইবো তারা আদতে ভদ্র না , ভদ্রবেশী শয়তান।"
লেখক বলেছেন: এক্কেবারে মিরপুরি চিকেন ফ্রাই ।
লাক্স চেনেল আইয়ের মতো অনুষ্ঠান গুলোর মাধ্যমে এই কাজটাই করা হচ্ছে। লেখাটা খুবই ভালো লাগলো। তবে শেষ দিকে এসে একটু ঢিলে ভাব এসে গেছে। অবশ্য ফাকিস্তানিদের নিয়ে শেষাংশটুকু ভাল্লাগছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ।
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
রাতমজুরের পিডিএফ ডাউনলোডাইলাম। প্রথম পর্ব পড়া আছে। বাকীগুলো পড়ে নেবো। কি জানি, ততোদিনে এই টপিক হয়তো বাসী হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: ফাঁসির কারণে অলরেডি বাসি হয়ে গেছে ।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ ।
আজাদ আল্-আমীন বলেছেন:
লেখার বক্তব্য স্পষ্ট থাকায় বুঝতে সহজ হয়েছে ।
লেখক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
জানজাবিদ বলেছেন:
আগুন পোস্ট! যদি একটা লাইনের সাথেও একমত না হইতাম তাহলেও পইড়া মজা। তবে সত্যি কথা হইলো দ্বিমত করারও তেমন কিছু পাইলাম না।
জানজাবিদ বলেছেন:
আমি নিজেও এই লাইনে খুব সিম্পল ভাবে একটা লেখা দিছিলাম, সময় থাকলে পড়তে পারেন। Click This Link
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অনেক। আপনার লেখাটা পড়লাম, আপনার সাথে একমত । আপনার উপলব্ধিটা ঠিকই আছে তবে অতিরিক্ত ভোগ আমাদের বাঁচিয়ে রাখছে নাকি সাময়িক " উন্নয়নের ফানুস উড়িয়ে" শেষে বাল বাচ্চা নিয়ে মরণের পথে হাটাচ্ছে - এইটা একটা গবেষনা হইতে পারে ।
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
ভাই আজকে আপনার এই লেখাটা পড়লাম। পড়ে চোখে পানি চলে আসলো ভাই।এ আমরা কোনদিকে যাচ্ছি? আমার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আমি কোন দুনিয়ায় রেখে যাচ্ছি? আমার মনের অনেক কথা আপনি এত সাবলীল ভাবে লিখে ফেলেছেন।
খুব খারাপ লাগে। খুব খারাপ লাগে।
লেখক বলেছেন: কেন্দে কি লাভ হবে?
সচেতন হয়ে একটু কষ্ট করে ঠিক কাজটা করতে হবে । নাইলে কেঁদে কেঁদে মরে যাওয়াই সার!
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ ।
লেখক বলেছেন: আমি না, বুয়া দিয়েছে।
ফিরে এসো চাকা বলেছেন:
তুমুল পড়ার চাপ, তবু উঠতে পারলামনা !পুরো সিরিজ পড়লাম, ভালো লিখেছেন।
ধন্যবাদ প্রান্জল ভাষা প্রয়োগের জন্য।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।
আশা করি পরীক্ষা ভালো হয়েছে ।
কোলাহল বলেছেন:
ভালো একটা লেখা পড়লাম। মনে হচ্ছে আগের পর্বগুলো পড়ে নিতে হবে।
পুজিবাদের দরকার অস্থির মন যারা কোন কিছু ভাবার সময় কিংবা সুযোগ পাবেনা। এখন আমাদের চারপাশে কেবল এরই আয়োজন চলছে।
বাস্তবিক সত্য বলেছেন। লেখার জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন
সজল৯৫ বলেছেন:
আসল উদ্দেশ্য হইলেও সমাজকে বিশেষ করে তরুন সমাজকে অস্থির করে রাখলে এই বেনিয়াদের যেই লাভটা হয় তা হলো , অস্থির মানুষ চিন্তা ভাবনা করে কম। ক্রিয়া করে কম, করলেও সেইটা রতিক্রিয়াই হবে, তবে রতিক্রিয়ার চেয়েও অনেক বেশি করে প্রতিক্রিয়া। কোন কিছু নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করতে চাইলে চাই শান্ত মন। সুস্থির বিবেক। চাই যুক্তি ও জ্ঞানের সঠিক সম্মেলন। কিন্তু এই সুড়সুড়ি মার্কা প্রতিযোগিতাতে অস্থির যুবকরা অস্থির হয়ে উঠে তাদের প্রতিবাদের ভদ্র ভাষাটাও ভুলে যায় অসাধারণ.......+++++
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ । আপনি বুঝতে পেরেছেন।
মৃত৬৬৬ বলেছেন:
হগ্গলটুকুই পড়লাম, প্রত্যেকটা পাবলিকরে(নিজেরে সহ) ধইরা চুবাইতে ইচ্ছা করতেছে। +++
লেখক বলেছেন: রাগ হলো প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের ১ম ধাপ । আশা করি , এর পরের ধাপে প্রতিকারের চিন্তা ধরে এগুবেন।
অনেক ধন্যবাদ।
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
সন্দেহ নাই , এই ধরনের প্রতিযোগিতাকে আমি সমর্থন করি না । কিন্তু প্রতিবাদ কিংবা ফানের নামে প্রতিযোগিনীদের সম্ভাব্য বেশ্যা বলে অপমান করাটা কিছুতেই সহ্য করা উচিত না । যেই ১০ হাজার মেয়ে অংশ নিয়েছে তারাও মানুষ । তাদের লাইফ চয়েস নিয়ে আমাদের আপত্তি থাকতে পারে , তার মানে এই না যে আমরা যাচ্ছেতাই ভাবে তাদের হেয় করবো, অবমাননা করবো। একেবারে আমার মনের কথাটা বলেছেন...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
সুপ্ত সবুজ বলেছেন:
শেষের দিকে অগোছালো মনে হলো। এই বড় লেখার জন্য ধন্যবাদ। তবে যেই ১০ হাজার মেয়েকে যারা বেশ্যা বলেছে, তিতা লাগলেও সত্যি হইল যে, তারা আসলে ভুল বলে নাই। আমি অবশ্য এমন প্রতিযোগিতায় সংশ্লিষ্ট একটি কাজে ঘনিষ্ঠ থাকি, তাই জানি। মেয়েগুলোকে বাজারের পণ্য বললেও আপনার ভুল হবে। ওরা নীতিহীন বেশ্যা হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: তাই যদি হয় তাহলে তো ঐ মেয়েদের নীতিহীন বেশ্যা বানানো এবং তাদের ক্রেতা ও সহযোগী মার্কেট হিসেবে সবার আগে আপনার এবং আপনার আশে পাশের মানুষের দিকেই আঙ্গুল তুলতে হয়, নাকি?
দরজা খোলা না রাখলে যেমন চুরি হয় না , সেই রকম আপনার কাজের সাথে জড়িতদের ডিমান্ড না থাকলে তো দেহ বিক্রি করা সম্ভব না , তাই না?
একলা মেয়ে গুলাকে বেশ্যা বলে গাইল দিচ্ছেন কেন তাহলে? প্রতিযোগিতার সাথে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ( এবং নিজেকেও) বেশ্যার দালাল, ক্রেতা, পিম্প, রক্ষাকারী, লালনকারী হিসেবে গালটা দেন। জেনে শুনে এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছেন মানে আপনি তো সাহায্যই করছেন , তাই না?
জসীম দ্য গ্রেট বলেছেন:
খুব ভালো লেগেছে। প্রিয়তে।++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
প্রতিবাদী কন্ঠস্বর বলেছেন:
দেখিছি আগে, কিন্তু পড়ার সময় হয়ে ওঠছিল না.....লেখার ধরন সুন্দর আর লেখার বিষয় যুক্তিযুক্ত হয়েছে।
প্রথম দিকেরগুলো গুছানো কিন্তু শেষেরটা অগোছালো লেগেছে আমার কাছে।
আর শেষে যে আপনি সিদ্ধান্ত সবার হাতে ছেড়ে দিলেন এটা ভাল লাগে নি আমার কাছে।
আর সমাধানের পথ আপনি কি বলবেন বা পরের ব্লগে কি লিখবেন জানি না, তবে আমি একটাই সমাধান জানি-
দেয়ালে পিঠ ঠেকেছে এবার
লড়বে কিংবা মরবে
আমিও সেটা করেছি বলে
তুমি কি ঠিক করবে
লড়বে কিংবা মরবে।
ধান গিয়েছে বলদ গেছে
হাতের কাস্তেও বৈরী
ভুলেছ ওটা ধানেরও নয়
গলার মাপেও তৈরী
তাই রুটির লড়াই রুজির লড়াই
লড়বে কিংবা মরবে।
(তেভাগা আন্দোলনের একটা গান)
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
লেখার দুর্বলতা স্বীকার করে নিচ্ছি ।
বুঝতে পেরেছেন যখন তখন এই সব নিয়ে পরিচিতদের সাথে আলাপ করা ও তাদের সচেতন করার অনুরোধ করছি।
হিটলারের সাগরেদ বলেছেন:
ভাল লাগল । আপনার উত্তেজনার ফলে আমরা সুন্দর একটি লেখা পেলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
অসাধারণ। অসাধারণ লেখা। পড়লাম এবং নতুনভাবে ভাবতে শুরু করলাম।
লেখক বলেছেন: লজ্জা পাইলাম। অনেক ধন্যবাদ
আরেফিন রাফি বলেছেন:
অসাধারণ একটা পোস্ট। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাদের এই ভালো লাগা প্রেরণা হয়ে রইবে।
তানিয়া মুন বলেছেন:
অস্থির মানুষ চিন্তা ভাবনা করে কম। ক্রিয়া করে কম, করলেও সেইটা রতিক্রিয়াই হবে, তবে রতিক্রিয়ার চেয়েও অনেক বেশি করে প্রতিক্রিয়া। কোন কিছু নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করতে চাইলে চাই শান্ত মন। সুস্থির বিবেক। চাই যুক্তি ও জ্ঞানের সঠিক সম্মেলন। কিন্তু এই সুড়সুড়ি মার্কা প্রতিযোগিতাতে অস্থির যুবকরা অস্থির হয়ে উঠে তাদের প্রতিবাদের ভদ্র ভাষাটাও ভুলে যায় শুধু ভদ্র ভাষা নয়, প্রতিবাদের ভাষাই ভুলে যায়।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছেন
ফয়সল রাব্বী বলেছেন:
পুরোটা পড়ে শেষ করলাম। অসম্ভব ভালো লাগলো পোষ্টটা। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা
কঠিনলজিক বলেছেন:
এত ভাল একটা লেখা এত দেরিতে কেন চোখে পড়ল ? এই রাগেই মাথা ঘুরতাছে।"যেই মুহুর্তে আপনি চিন্তা করতে শুরু করবেন , আরেকটা সিম কেন কিনবো? কি লাভ? আরেকটা গাড়ি কেন লাগবে? ইষানা কেন, কুলসুমও তো সুন্দরী ! ৮০০ টাকা দিয়ে চিকেন ফ্রাই কেন খাব , বাসাতে ১২০ টাকা দিয়ে নিজেই বানাতে পারি তো! ক্যাটস আই এর শার্ট লাগবে কেন? শার্ট তো শার্টই ! - সেই মুহুর্ত থেকে আপনি পুঁজিবাদের জন্য বিপদজনক হয়ে উঠলেন । পুঁজিবাদ চিন্তাবিদ চায় না। চায় ক্রেতা । যে খালি কিনবে আর কিনবে । আসলেই দরকার আছে না নাই, এই সব ভাববে না । তাকে শেখানো যাবে - বিজ্ঞাপন বলেছে দরকার , তাই দরকার! "
লেখার এই অংশ টা আমাদের দেশের জন্য খুব জরুরি ছিল । দ্রব্য মুল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য দায়ী হলো ব্রান্ডিং ৯৫% গরিবের দেশে দ্রব্য মুল্য শত শত পরিবার কে অভাবী করে দিয়েছে।
সব গুলো মন্তব্য পড়লাম অনেক বুঝদার পাঠক আনুসাংগিক বা উদাহরণ হিসাবে লেখা কিছু অংশকে বেশি গুরুত্ত দিয়ে সমলোচনার উৎপত্তি করেছেন । আমার মনে হয় এভাবে মূল বক্তব্য থেকে দৃস্ট সরে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে ।
লেখকের কাছে কৃতগ্য থাকলাম এরকম সুন্দর কস্টসাধ্য লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো আপনার চিন্তাশীল মন্তব্য । আপনি ভাবেন জেনে শক্তি পেলাম।
বাজারের পূজারীরা সামগ্রিক ক্ষতি অনেক সময় দেখতে পায় না । সেই গাছের জন্য জঙ্গল দেখতে না পাওয়ার মতন।
বিওলাট্রাটা বলেছেন:
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: লজ্জা পেলাম। অনেক ধন্যবাদ।
মাহমূদ হাসান বলেছেন:
সময়োপযোগী পোস্ট!
জন্ম থেকে জ্বলছি বলেছেন:
সুন্দর পোষ্ট . পড়ে ভাল লাগল..
মেঘলা আকাশ ও বিষন্ন মন বলেছেন:
অনেক ভালো লিখেছেন। আপনাকে প্লাস।
কাঙাল বলেছেন:
বাপরে বাপ
কাঙাল বলেছেন:
কর্পোরেট বিদ্বেষী কিছু মানুষ থাকবেই। তারা জ্বালাময়ী লেখায় সব উড়িয়ে দিতে চাইবে। বাস্তবতা ভিন্নকর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি বলে যে বিষয়টা তারা প্রাকটিস করছে তা ঘুণাক্ষরেও বলবে না
এক সময় গ্রামীণফোনরে গালি দিতাম। তাদের রেট বেশী।
পরে দেখলাম তারাই ঠিক। সিটিসেল সবচেয়ে কমরেট নেয়। কই, তাদের তো কাস্টমার বেশী না? লুসকান দিতে দিতে জান শেষ
রাগ ইমনকে অনেক ধন্যবাদ অসাধারণ ভাবে বক্তব্যগুলো তুলে ধরবার জন্যে।
কাঠুরিয়া. বলেছেন:
পাথর কে ভাঙ্গা যাবে পাথরেতবুও সে পাথর অজস্র শরীরে
মূঢ়তা এমনই পাথর
নৈঃশব্দ এমনই পাথর
ভেঙ্গে
ভেঙ্গে
ভাঙ্গনের শেষে
তবুও সে পাথর অজস্র শরীরে
--- বাকী ভাই
কর্পোরেট বানিজ্যের খপ্পরে পরে আমাদের যে দুরবস্থা তা বর্তমান মূল্যবোধহীন সমাজ ব্যবস্থাই চোখে আংগুল দিয়ে আমাদের দেখিয়ে দিচ্ছে। নৈতিকতা, মূল্যবোধ এখন মূল্যহীন, যে কোনভাবে টাকা কামা্ও, এটাই আজকের জীবন দশর্ণ । আমাদের তরুনদের শেখানো হচ্ছে হাই লাইফ, সেই হাই লাইফের কোন সীমা নাই, তাই সর্বদাই আমরা উদ্ভ্রান্ত বুভুক্ষের মত ছোটাছুটিতে ব্যস্ত। পরিবারে বাবা মা ভাই বোন আত্মীয়দের সময় না দিয়ে আমরা লেটনাইট পার্টি করছি, বিবাহীত হবার পরও এক্সাইটমেন্টের জন্য এক্সট্রা মেরিটাল এডভেঞ্চার করছি......জীবনের অর্থ ই এখন অর্থহীন কর্মকান্ডে আবর্তীত। আমরা কি আর এই দুষ্ট চক্র থেকে বের হতে পারবো?
কলম.বিডি বলেছেন:
ভালো ভালো ভালো হইছে। আরো চাই। কথাগুলা আমারো মনে আসে কিন্তু এতো অকপটে বলতে পারিনা। এতো ভাষা নাই। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।আমি এখন ফেসবুকে শুধু লিঙ্ক দিয়ে দিব। না বলা কথা বলতে পারার স্বাদ আস্বাদন করছি।
অনিকেত কবি বলেছেন:
অসম্ভব চমঁৎকার লেখা। প্রথম থেকে সবগুলো পর্ব পরলাম। এবং আপনার লেখা আর আশেপাশে'র কর্পোরেটে ওয়াশড হওয়া আমার ব্রেইন কেমন প্যারানয়েড হয়ে যায়!!
মৃতস্বর বলেছেন:
লেখককে ধন্যবাদ, অনেক সময় নিয়ে কয়েকটি পর্বে লেখা দেবার জন্য। একটু হতাস হয়েছি শেষের দিকে এসে। কোন সমাধান নেই। আসলে অনেকেই সমালোচনা করে (সমালোচনা করা উচিৎ) কিন্তু সমাধানের ব্যাপারটিতে কোন সিদ্ধান্তে আসেন না।মোটামুটি নির্ভর করা যায়- মানুষ সম্পর্কে এমন সর্ব-প্রাচীন ইতিহাস দেখলে মৌলিক বিষয়গূলোর খুব বেশী পার্থক্য করতে পারবেন বলে মনে হয়না (আমিও পারিনি)। গূণগত পার্থক্য আছে, মাত্রাগত পার্থক্য আছে।
কোন কোন ক্ষেত্রে মানুষের স্বাধীনতা বেড়েছে, আবার তেমনি পরাধীনতাও বেড়েছে, সেই সাথে বেছেনেবার ক্ষমতাও বেড়েছে। কোন কোন ক্ষেত্রে উঁচু-নিচুর পার্থক্য কমেছে আবার কোন ক্ষেত্রে বেড়েছে বহুগুণে ।
আসলে আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, সহজ ভারসাম্য আগেও ছিলনা, এখনো নেই (ভবিষ্যতে আসবে কিনা- নিশ্চিত করে বলতে পারছিনা)।
আগে যেটা রাজার/দেবতার হাতে ছিলো, এখন তা করপোরেশনে টপ এক্সিকিউটিভদের হাতে। আগামীতে হয়ত নতুন কেঊ ক্ষমতা নিয়ে নেবে আর বাকীরা তাদের অধীন।
ছোটমির্জা বলেছেন:
ক্রিয়া করে কম, করলেও সেইটা রতিক্রিয়াই হবে, তবে রতিক্রিয়ার চেয়েও অনেক বেশি করে প্রতিক্রিয়া।
আমার ভাবনার মাঝে এইরকম একটা লেখা ছিল।
তো আপনিতো ভয়াবহ রকমের ভাল লিখেছেন।
----------কে হতে চায় কোটিপতি?------ আইসে গেছে।
মহারাজা বলেছেন:
এক কথায় অসাধারন লেখা। মন্তব্য করার যোগ্যতা এবং সাহস কোনটাই আমার নেই। কি কর তুমি। একবার ব্লগারদের আড্ডায় গিয়েছিলাম কিন্তু তোমার দেখা পাইনি। কেউ একজন বলেছিল তোমার নাকি জ্বর হয়েছে। কাকতালীয় হলেও সত্যি দুমাসের মধ্যেই আমি মাল্টিন্যাশনাল কম্পানীর মোটামুটি লোভনীয় চাকরিটা ছেড়ে দিচ্ছি। আজ কালের মধ্যেই রেজিগনাশনটা দিয়ে দিব। নিজে কিছু করব ভাবছি। ছোট হোক নীজের কিছু হবে হয়ত। তোমার সাহায্য চাই। ব্যাবসায়িক কিছু উপদেশ তুমি নিশ্চয়ই দিতে পারবে। ভাল থাক।
অন্য কেউ বলেছেন:
আবার পড়লাম। অনন্য! আমার চিন্তাকে শাণিত করতে আপনার লেখাটার ভূমিকা অনেক অনেক বেশি।
খেয়া মেজবা বলেছেন:
আপনার এই অসাধারণ লেখার জন্যে ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...























