দেয়ালের যেহেতু কান নাই, তাই দেয়াল হলাম...

ইউনুস সাহেব আর মূদ্রার অন্য পিঠ

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ১:৩৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

অনেক বিতর্ক চলতাছে ব্লগে। আমি নিজেও এই বিতর্কে অংশ নিছি চরম। কিন্তু রাইতে ঘুম দিয়া সকালে উইঠা হঠাৎ একটা বিষয় মনে হইলো...ইউনুস সাহেব যদি শান্তিতে নোবেল না পাইয়া অর্থনীতিতে পাইতেন তাইলে কি হইতো? অর্থনীতি বিষয়ে নোবেল প্রাইজ সেই 70 দশক থেইকাই পুরাপুরি পুঁজিবাদীগো মনপসন্দ হইয়া গেছে। আর ইউনুস সাহেব যা করছেন তা তৃতীয় বিশ্বের বাজার কেন্দ্রীক অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখছে। আগে যারা আছিলো ভাসমান না খাইতে পাওয়া জনগোষ্ঠী তাগো সে কর্পোরেট পুঁজির ছাতার নীচে লইয়া আইছেন, তার গ্রামীণ ব্যাংক আর যাই করুক না করুক কিছু মানুষরে ভোক্তা লেভেলে প্রোমোশন দিছে (যদিও অনেকে নিঃস্ব থেইকা নিঃস্বতর হইছে, পুঁজিবাদে উন্নতির ধাপে এইরম বিপরীত ফলরে ইগনোর করার কথা এমনেই বলা হয়) ।
এখন এইটারে তো নোবেল কমিটি কিম্বা তার মূল নিয়ন্ত্রক মার্কিণীরা স্বীকৃতি দিতে ই পারে। তাতে হয়তো আমি এতো বিরোধীতা কইরা কোন খানেই লিখতাম না,লিখনের সুযোগই পাইতাম না। যদিও আমি জাতীয়তাবাদী হিসাবে খুব নীচুমানের, এক্কেরে প্রতিনিধিত্বশীল না হইলে ঠিক শিহরণ বোধ করি না। কিন্তু আমি প্রবাসী বন্ধুদের অন্তরটা ঠিকই টের পাইতেছি। ইউনুস সাহেব তাগো কয়দিনের লেইগা দেশের আর আত্মপরিচয়ের নতুন খোঁজ দিছে...এইটারে অসম্মান করুম সেই হিম্মত আমার নাই।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরি  বিভাগে ।

 

  • ২৭ টি মন্তব্য
  • ১৯৮৭ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৮
comment by: হযবরল বলেছেন: আসল কথা একদম কম কথায় কয়া দিলেন ভাস্কর দা। আগে ঘরের পিছনের কচু ঘেচু দিয়া যারা দেড় বেলা খাইতো , এখনো সেটাই হয়, কিন্তু এরা এখন ভোক্তা শ্রেনী হিসেবে দেড় বেলা কিনা খায়। লোন এর এই ভিসিয়াস সাইকেল এরা ভাংতে পারে না। আর প্রান্তিক সীমার মানুষ যখন ভোক্তা হয় , মৌলিক অধিকারের জন্য রাস্তায় নামার মানুষ থাকে না। হেইল ইউনুস , হেইল মারকেট, হেইল ট্রেডিং , নিপাত যাক প্রোডাকশন।
২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৩
comment by: হাবিবমহাজন বলেছেন: খবরঃ আদার ব্যাপারী জাহাজ চালনায় পুরষ্কৃত।
৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:০০
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাস্কর,
স্বয়ং জিবরাইল ফেরেশতাও যদি পুঁজিবাদী রাষ্ট্রেদারিদ্র বিমোচন কর্মসূচি হাতে লয় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র কমতে থাকে হেরা কি কর্পোরেট পুঁজির ছাতার নিচে গিয়া খাড়াইব না? তাইলে কি যাতে কপের্ারেট পুঁিজ ফায়দা করতে না পারে হের লাইগা গরিবরে গরিব রাখনের পরামর্শই আপনে দেন।

ইউনুস সাহেব খালি আপনের প্রবাসী বন্ধুদের মর্যাদা উত্তোলন করেন নাই, অধিক সুদ গ্রহণ ও অন্যান্য শোষণের মারফতে দারিদ্রও কমাইছেন। নিঃস্বতরর কথা যেইটা কইলেন সেইটা আরেকটু বিস্তারিত কইরেন।
৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:১৭
comment by: অতিথি বলেছেন: আপনের করিমন বেওয়ার দুঃখের কাহিনী পড়লাম। ওইটায় দুঃখ ও উদ্্বেগ আছে, কিন্তু নিঃস্বতর হওয়ার কাহিনী নাই।
৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৩১
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: ড. ইউনুসের নোবেল পাওয়ায় আমি খুশি হয়েছি কারণ এটা বাংলা দেশের পাওয়া।
তবে তার প্রতিষ্টান গ্রামীন ব্যাংক এর কার্য ব্যাবস্তা সম্পর্কে কেউ যদি কোন পোস্ট করতেন ভাল হতো।
৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: নতুন বর্গী পুরস্কৃত হয়েছেন এবং উল্লসিত হয়েছেন, স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু পুরষ্কার যে মানুষ আর কর্মের চেয়ে বড় তা ইউনুস সাহেব এত বাঁধভাঙ্গা স্বরে সবাইকে জানানো শুরু করলেন সেটির সুদূর প্রসারী প্রভাব বাংলাদেশের জন্য কি খুব সম্মানজনক হবে? লেটা আস সি।
৭. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১১:৩১
comment by: রাকিব হাসনাত সুমন বলেছেন: ইউনুস সাহেব তো দেশের নামটা বিশ্বের সামনে তুলে ধরছে। আর ওই বদমাইশ আমলা.. ব্যবসায়ীরা শুধু তো লুইট্টা নিলো ... কিছুই দিলোনা..
৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ বিকাল ৪:১৬
comment by: অতিথি বলেছেন: রাইসু
আমি আমার এই লেখাটা লেখছিলামই পুঁজিবাদী ব্যবস্থার কথা ভাইবা। আগের লেখার কিছু সীমাবদ্ধতার কারনেই আমার এই কনফেশান টাইপ লিখনের প্রয়োজনিয়তা তৈরী হইছিলো। আর তাই পুঁজিবাদী ব্যবস্থার মধ্যে তার অবদানের কথা আবার স্মরণ করতে বাধ্য হইছিলাম। আমি কখনোই মনে করি না এই পুঁজিবাদী ব্যবস্থা ধ্রুব কোন সামাজিক পর্যা য়, এইটার পরিবর্তন হইবোই, যেইখানে একটা বড় ভূমিকা রাখনের দরকার আছে ঐ গরীব মানুষগো। কিন্তু কর্পোরেট ছাতার তলে, আর সুদের বেড়াজালে আটকাইয়া ঐ পরিবর্তনের পক্ষে দাঁড়ানের কথা ভাবনের সুযোগ কই তাগো ক'ন!
আর গ্রামীণ ব্যাংকের একটা 56%-এর হিসাব আছে, ইউনুস সাহেব নিজেও এইটা বহুবার দিছেন পত্র-পত্রিকায়। এইটার ফাঁকটা ধরতে পারেন? 100 জন দারিদ্র সীমার নীচে থাকা মানুষের 44 জন কই যায়? এই কিছুদিন আগেও গ্রামীণ ব্যাংকের লোন শোধ দেওনের ভয়ে ভিটা মাটি বিক্রি কইরা গ্রাম ছাড়া মানুষ ঢাকায় আইসা রিকসা চালাইতো...আর যেই লোকের সম্পত্তির দামের চেয়ে সুদের হার বেশি তারে আপনে কি কইবেন? সে তো নিঃস্বতরই কি ক'ন? নাকি আপনের অন্য কোন সংজ্ঞা জানা আছে?
৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাস্কর, আপনে আমার কথার উত্তর দেন নাই।

আবার প্রশ্ন করি:
1. দরিদ্র জনগোষ্ঠীর দারিদ্র কমতে থাকলে হেরা যে কপের্ারেট পুঁজির ছাতার নিচে জড়ো হইব এইটা কি কেবলই ইউনুস নির্ভর? যদি এইটা সব পুঁিজবাদী সমাজ কাঠামোর সব প্রেক্ষিতেই সত্য হয় তাইলে ইউনুসরে কটাক্ষ করা কেন? বাম আন্দোলনের ডাক দিলেই পারেন। সে ক্ষেত্রে আপনের মাথার উপরের কপের্ারেট ছাতাটা সরাইতে হইব প্রথমে।
2. কপের্ারেট পুঁজির অভিশাপ যাতে গরীবের শরীরে না পড়ে হের লাইগা কি গরীবরে গরীব থাকনের পরামর্শ দেন আপনে? যাতে বামপন্থা কায়েম হইলেই কেবল গরীব কপের্ারেট পুঁিজর ছাতার বাইরে বামাবর্তে জড়ো হইতে পারে।
3. রিকশা চালাইলে ইনকাম মুরগী র (অল্প) ডিম বেচনের চেয়ে বেশি; সেই কারণেই গ্রামীণ ব্যাংক মেইনলি মহিলাদের ঋণ দেয়। সম্ভাব্য রিকশা চালকগো দেয় না।
4. সম্পত্তির দামের চেয়ে সুদের হার বেশি, কারণ গ্রামীণ ব্যাংক সম্পত্তি আদৌ নাই এই রকম প্রচুর (মেয়ে) লোকরে ঋণ দেয়, তাগো নাই সম্পত্তির চেয়ে সুদের হার বেশি হইলেই তারা নিঃস্বতর হইয়া গেল এমন কওয়া যায় না।
১০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:১৫
comment by: অতিথি বলেছেন: রাইসু
আমি বাম আন্দোলনের ডাক দিমু কি দিমু না এইটা দিয়া যদি একটা শোষনরে জাস্টিফাই করি তাইলে কেমন হয়। আমি গরীবরে আরো গরীব দেখতে চাই কি না সেইটা ভিন্ন বিষয় কিন্তু একটা ঋণ নির্ভর জাতি হওনের সম্ভাবনাটা আমার কাছে সুবিধার মনে হয় না। আর এইটা আরো সমস্যার মনে হয় তখন যখন ইউনুসের লোকেরা বা ইউনুস সাহেব নিজেও দাবী করেন এই টাকা গরীব মানুষগোই মানে তাগো কথিত স্টেক হোলডারগো। আমি তো কইছিই যে পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় ইউনুস সাহেব যা করছেন তা ঠিক ই আছে। কিন্তু এইটারে আমি ঠিক মনে করি না, কারন আমি মনে করি না যে এই সমাজ ব্যবস্থা অসীম সময়ের লেইগা, ঐ গরীব মানুষেরা যারা এখন কর্পোরেট ছাতার তলে আইতাছে তাগো নিজেগো মধ্যেই যেই ক্ষোভ আছে ইউনুস সাহেবগো এই লোন ব্যবস্থা লইয়া সেই ক্ষোভ যাতে অব্যাহত থাকে সেই সময়ের হাতছানি পর্যন্ত, আমি সেইটাই চাই।
ইউনুস সাহেবের এই নোবেল প্রাইজ কৃতিত্ব তারে মোটামুটি চাঙ্গে তুইলা দিবো জানা কথা। তার সমালোচনা করাতে আমাগো বিভিন্ন ভাইয়েরা এই ব্লগেই যেই ভাষায় গালাগালি শুরু করছেন, এইরম অবস্থা চলতে থাকলে তিনি নবী রাসুল সমমর্যাদার ধারক হইয়া যাইতে পারেন।
আপনের 1ম আর 2য় প্রশ্নের উত্তর আমি অন্যভাবেই দিলাম। নিজের সীমাবদ্ধতার কারনেই হয়তো এই প্রায় এড়াইয়া যাওয়া উত্তর। কিন্তু আমি যেই রিকসা আলাগাে কথা কইছিলাম তাগো বউয়েরাই লোন নিছিলো, আর তারা ঢাকায় বাসা বাড়িতে কাজ করে।
ঋণ আর সুদ মাথায় নিয়া হয়তো আমি একটু মধ্যবিত্ত মতো মাথা ঘামাইেতেছি রাইসু। মাথায় ঋণের বোঝা লইয়া থাকা বেক্সিমকোর সালমান রহমানের কাছে, যাগো কিছু নাই তাগো কাছেও নিঃস্বতর অবস্থান হয়তো না, কিন্তু আমার কাছে তাই-ই সত্য।
১১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:২৬
comment by: অতিথি বলেছেন: ভাস্কর,
আপনের উত্তরে আমি দক্ষিণ হইলাম। ইউনূস সাহেব কেমনে শোষণ করতেছে আর ওই শোষণরে কিভাবে জাস্টিফাই করা যায়...আমার প্রশ্নগুলা এর বাইরে আপনের ত্যাগ করা বাক্যের মইধ্যেই ছিল। আপনের উত্তর যথার্থই মধ্যবিত্ত হইছে।
১২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৫
comment by: অতিথি বলেছেন: সব দরিদ্র মানুষ কি মনে করেন সুযোগ পেলে, সাহায্য পেলে উন্নতীর সিড়ি বেয়ে তড়বড়িয়ে উপরে উঠে যাবে? কেউ কেউ চোর হবে, ডাকাত হবে, ছিনতাইকারী হবে। কেউ ঢাকায় এসে রিকশা চালাবে। দরিদ্র শ্রেণীর কথা বলছেন কিন্তু তাদের সাইকোলজিকাল বিভিন্ন অবস্থানের সাথে সম্ভবত আপনি পরিচিত নন। সেখানে এই ঝড়ে পড়া অংশটা অনেক সময় নিজেদের কারণে দায়ী। তবে গ্রামীন স্ট্রাফদের সেক্ষেত্রে মনিটরিং ও মটিভেশনের অমনযোগিতা থাকতই পারে। যে সমস্ত লোকজন অর্গানাইজার হিসাবে সরকারী গ্রামে কাজ করে বা এদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে থাকে তাদের বেশীর ভাগই সুশিক্ষিত নয়, মটিভেটর তো নয়ই, তারা কেবল সিম্পল একজন একাউন্টেন্টের মতই খাতাপত্রে এন্ট্রি দেয়। যে বিশাল জনগোষ্ঠী গ্রামীনের সাথে সরাসরি ইন্টারএ্যাকটেড তাদের সে মাত্রায় মটিভেটেড করা গেলে এই বাকী অংশটার চিত্রটা এত প্রকট থাকতো না।

যতই সমালোচনা করুন না কেন এটা কে স্পষ্টকরণ করেই একমাত্র দারিদ্রতার বিরুদ্ধে লড়তে পারেন, সে সুযোগে এখানে থাকছে, কিন্তু এটাকে বাদ দিয়ে কোন একটা আলাদা সমীকরণ যদি দেখাতে পারেন তাহলে আমরা বুঝতে পারবো হয়তো যে সমালোচনা লক্ষ্য পেয়েছে!
১৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৬
comment by: অতিথি বলেছেন: সরকারী গ্রাম নয় সরাসরি গ্রামে হবে, হা অদৃষ্ট! এত বানান ভুল!
১৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: একদম ই দায় এড়াইছি আমি, তা সত্য। কিন্তু আমি ডাক দিতে পারি আর না পারি প্রত্যাশা করি কেউ তাগো ডাকুক। ঐ ডাকে কর্পোরেট ছাতার তল থেইকা যাতে লাফাইয়া বাইর হইতে পারে ঐ মানুষেরা আর তখন আমিও নিশ্চিত!
আপনে ডাক দেন আছি আমি। মধ্যবিত্ত আছি আমি তা ঠিক কিন্তু তাই বইলা শোষণরে শোষণই বলি উন্নয়ণ বলি না।
১৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৭
comment by: অতিথি বলেছেন: কৌশিক এইরম ক্ষুদ্রঋণ ব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার নির্মাণের পর্যায়েও থাকতে পারে বইলা আমি মনে করি। কিন্তু সেইটার উদ্দেশ্য আর গ্রামীণ ব্যাংকেরটার কিম্বা আরো যা যা আছে সেইগুলির উদ্দেশ্য এক কিনা তা নিয়া আমার কোন প্রশ্ন নাই। একটা আসলেই পরিবর্তনের লেইগা আরেকটা ব্যবসার মধ্য দিয়া উন্নয়ণ। পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ভেতরে হয়তো এইটারেই উন্নয়ণ কয় কিন্তু আমি আঙুল দিয়া দেখাইতে চাই ঐটা যে এইটাও অসম্পূর্ণ!
১৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৪৮
comment by: অতিথি বলেছেন: শোষণরে কি আমি উন্নয়ন বলছি? আপনি নির্দিষ্ট প্রশ্নের উত্তররে মধ্যবিত্ত ভাবাবেগ দোষে দুষ্ট করছেন। এই দোষ শোষণরে শোষণ বললেই কাটবে না।
১৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: রাইসু আমি আপনের কথা কইনাই। আমি আমার কথাই কইছি বস। মধ্যবিত্ত- এই দায় স্বীকার করনের বেলায় কইছি বস।
১৮. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৭:৫৫
comment by: অতিথি বলেছেন: অসম্পূর্ণ বৈকি। কিন্তু সম্পূর্ণ হবার জন্য ইনডিকেটর তো ধনাত্মক বর্ধনশীল।
১৯. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৮:১২
comment by: অতিথি বলেছেন: ইনডিকেটর নাই বস। আমার একটা লেখায় কইছি বস, ক্ষুদ্র ঋণ এখন গ্রামে বহু মধ্যবিত্ত পরিবারের ব্যবসায় পরিনত হইছে। 2/3 বছর ব্র্যাক, টিএমএস এস, আশা এই গুলিতে চাকরী কইরা একটা জমি বেইচা রেজিস্ট্রেশান করে এনজিও বু্যরোতে, তারপর নিজেই গ্রামে 2টা গ্রুপ বানাইয়া ব্যবসায়ী। যেই ব্যবসায় ট্যাক্স দিতে হয় না। বস আমি নিজে চিনি এইরম বেশ কিছু লোকরে। তারা নিজেরাই আমারে কইছে গ্রামের লোকেরা এখন কিছু করে না এই ঋণ নিয়া ঐ ঋণ শোধ করে। এসডিএফ একটা এককালীন টাকা দিছে ইকছু এলাকায়। ঐটা দিয়া ঋণ শোধকরা হইছে বেশ কিছু জায়গায়। দেশের প্রত্যেক স্তরে এখন দূর্নীতি এনজি ও ভলান্টিয়াররা কি করবো? কেন্দ্রীয় বিসিসি যদি টাকা খাইতে পারে মনিটরিং ম্যানেজার যদি টাকা খাইতে পারে, ফিলডের লোক কেনো কাজে ফাঁকি দিবো না!? এইটাইতো অবক্ষয়ী পুঁজিবাদের সমস্যা বস।
২০. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:১৪
comment by: অতিথি বলেছেন: অনেকগুলো ধারাবাহিক অঘটনবিহীন ঘটনা ঘটার সাম্ভাব্যতা এবং একজন প্রান্তিক মানুষের দারিদ্্র রেখার এ পাশে চলে আসা, এই হলো সমীকরন আমাদের হাতে।
মাইক্রোক্রেডিটের আইডিয়ার দারিদ্্রবিমোচন তাই বলছে, গ্রামীন ব্যাংক কিছু এন জি ওর মাধ্যমে লোন বিতরন করছে, আদতে একটা ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠান এইটা। এর কর্মচারি আছে, এদের জন্য যে বেতন আসে তা অনুদান থেকে আসে না, আসে এর ভোক্তাদের টাকায়,
তবে কিছু প্রশ্ন সামনে আনা যায়-
19000 কোটি টাকা ঋন দেওয়া হয়েছে 30 লক্ষ পরিবারকে। এই পরিবারগুলো পক্ষান্তরে গ্রামীন ব্যাংকে 1000 কোটি টাকা জমা রেখেছে। গ্রামীন ব্যাংক একটা সনির্ভর প্রতিষ্ঠান, তবে এই 18000 কোটি টাকা বিতরিত ঋন তবে কার কাছে রয়ে গেছে। এবং এই বড় অংকের ঋন উত্তোলনের প্রক্রিয়াই বা কি রকম হবে,
সমাধান দেওয়া আছে, ইউনুস বলছেন এর 98% শতাংশ ফেরত পাওয়া যায়।
এন জি ও গুলো এক একটা প্রকল্প সামনে নিয়ে আসছে- একটা উদাহরন ধরে নেওয়া যাক আসলে এমন কোনো একটা উদাহরন ধরে না নিলে আলোচনা করা যাবে না, বোঝা যাবে না কেনো আসলে ঋনফেরারি মানুষের কথা বলা হচ্ছে, কেনো বলা হচ্ছে ঋনের আঘাতে কুত্তাপাগল মানুষগুলো সর্বহারা হয়ে যাচ্ছে।
ঋন দেওয়ার পরই 15 দিন অন্তর অন্তর একটা ইনসটলমেন্ট দিতে হবে গ্রহীতাকে- এমন কোন উৎপাদন ব্যাবস্থা আছে যা 15 দিনে উপার্জনের নিশ্চয়তা দেয়, আছে কিছু কিছু, তাঁতশিল্প আছে, আছে পোশাক তৈরির শিল্প, তবে সবাই এই কাজের সাথে জড়িত নয়, এমন ক্ষুদ্্র শিল্পভিত্তিক ঋনব্যাবস্থা গ্রামীনের কাজ না, আমরা একজন হসনু বেগমকে ধরলাম, তার জন্য বরাদ্দকৃত পেশা মুরগি পালন,
তাকে 3000 টাকা লোন দেওয়া হলো, এইটাকার কিছু অংশ দিয়ে সে মুরগির ছানা কিনে আনবে, তাদের খাবার কিনে আনবে, এই মুরগিগুলো বড় হবে ডিম পাড়বে আমাদের হাসনু বেগম স্বাবলম্বি হবে। এই স্বপ্নই গ্রামীন দেখাচ্ছে।
তবে মুরগিগুলোর শতকরা মৃতু্যর হার 20টা। 100টা মুরগি কিনলে সেখান থেকে 80টা বাঁচলেই সেটা সফল খামারির কাজ। যদি কোনো অঘটনে এই 100টা মুরগির 80টা মরে যায়, ( এটাও একটা সম্ভবনা) তাহলে হাসনু বেগমের কি হবে? এই আঘাতের সাথে সাথে পক্ষকাল যেতে না যেতে ঋনের প্রথম কিস্তির টাকা শুধতে হবে তাকে। মুরগি বড় হয়ে উঠার সময় দিতে হবে, এই প্রসেসিং টাইমেও তাকে কিস্তি দিতে হচ্ছে ঋনের কিস্তি।
এই অবস্থায় 20টা মুরগি দিয়ে তার ঋনের কিস্তি শোধ হলো না, তার অভিজ্ঞতা হলো এবং সে আরও 6000 টাকা ধার নিলো গ্রামীন ব্যাংক থেকে, তবে তার আগের ঋনের অংশ কেটে রাখা হলো।
এর পর যদি আরও একটা সমায়তনের দুর্ঘহটনা ঘটে তাহলে তার ঋনের কিস্তি বাড়লেও তার উপার্জন বাড়লো না।
এই আমাদের হাসনু বেগমকে ঋনের কিস্তি শুধে যেতেই হবে, একটা পর্যায়ে ব্যার্থ হবে সে, এই সামান্য ব্যার্থতার জায়গাটাকে সামাল দিবে কিভাবে সে?
২১. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:২৫
comment by: অতিথি বলেছেন: ধরা যাক জয়তুন বিবির কথা,তার ঋনের কিস্তির টাকা যত সেইটুকুই তার উপার্জন হয়, সে খামারের কাজে লাগিয়েছে তার 2 ছেলেকে, সার্বক্ষনিক দেখাশোনা করতে হয়, ছেলেদের শিক্ষার জন্য ব্রাকের ইস্কুল আছে, সেখানের দিদিমনিরা স্বরে অ স্বরে আ পড়ায়, অবৈতনিক শিক্ষার বাইরে এই ছেলেগুলোর শিক্ষাব্যায় মেটানোর টাকা আসবে কোথা থেকে জয়তুন বিবির হাতে? মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো এমন একটা ব্যাবসায়িক ব্যাবস্থায় দলিত মথিত হচ্ছে, এই ব্যাবস্থার 22 বছর হয়ে গেলো, ইউনুস সাহেব 32 বছর এই কাজ করছেন, এত দিনে তার মনে হয়েছে 46 শতাংশ মানুষ দদ্্রিদ্্র রেখা পার হয়েছে, র্যানডম স্ট্যাটিসটিকস নয় এটা, এটা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে নেওয়া উপাত্ত, এরা 20 বছর ধরে ঋনের সাথে পাল্লা দিয়ে সামনে এগিয়েছে, তবে 54% মানুষ যারা 20 বছরের প্রচেষ্টায় দারিদ্্র রেখা পার হতে পারলো না তাদের কতজন ঋনের চাপে আত্মহত্যা করেছে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হোক। ইউনুস সাহেবের নোবেল পাওয়া বড় একটা ঘটনা, বাংলাদেশের মুখ উজ্জল হয়েছে নিঃসন্দেহে, তবে এই একই মানুষের প্রতিষ্ঠান একদল মানুষকে ধারাবাহিক মৃতু্যর দিকে ঠেলে দিচ্ছে এটাও একটা বাস্তবতা। এই বাস্তবতার কথা বলা হলে, তার পলিসির দুর্বলতা আলোচিত হলে সেটা ইউনুসের মহান হোগা মারা কার্যক্রম কেনো হয়ে যায় আমি বুঝি না।
আর এটা যদি মানবউন্নয়নের প্রতিষ্ঠানই হয় তবে কেনো 15% থেকে 25% সুদের ঋন দেওয়া, তাদের কিছু পরিমান টাকা দেওয়া হোক যেটা তারা সুদ ছাড়াই ফেরত দিবে, তাদের এই সুযোগটা দেওয়া হোক তাহলে, মানবতার কথা চোদায়া মহাজনি ব্যাবসা করার মানে হয় না কোনো।
মিছরির ছুড়ি দিয়া জবাই করলেও লাগে, এমনি ছুড়ি দিয়া কাটলেও লাগে। গ্রামীন মিছরির ছুড়ি দিয়া মানুষ কাটতাছে এইটা দেখে যদি কেউ আনন্দ পায় তাহলে সেই ব্যাটাই অসুস্থ, একটা প্রতিষ্ঠানের পলিসির কারনে যদি একটা মানুষও ক্ষতিগ্রস্থ হয় সেটা কোম্পানির ব্যার্থতা, বাংলাদেশের একটা মানুষ যখন খুন হচ্ছে র্যাবের হাতে তখনও আমরা মানবাধিকার নিয়ে ফালাফালি করতেছি, এখন গ্রামীনের হাতে নিমখুন হইতাছে যেইসব মানুষ তাদের কথা কইতে গেলে সবাই পরশ্র ীকাতরতা খুইজ্যা পায় কেনো?
আমাদের নতুন ইশ্বর এসেছে বলেই তার পলিসিকে প্রশ্ন করা যাবে না এমন কোনো ঐশ্বরিক বিধান তৈরি হয়েছে নাকি?
২২. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: ভালো হইছে
২৩. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৩৭
comment by: অতিথি বলেছেন: 28100 কোটি টাকা অনাদায়ি দেনা নিয়ে ঘুরছে 51 লক্ষ পরিবার, পরিবার প্রতি দেনার পরিমান 56000 টাকা, যদি শতকরা 20% হারে সুদ দিতে হয় এবং দেনা শুধতে হয় তাহলে, তকে প্রতি সপ্তাহে 212 টাকা সুদ দিতে হবে গ্রামীন কে, সাথে আসলের খানিকটা অংশ, তবে গ্রামীন মানবিক প্রতিষ্ঠান, সুদের পরিমান যখন আসলের সমান হয়ে যায় তখন তার দেনার পরিমান 2 গুন হয় তবে কখনই দেনার পরিমান এর বেশী হবে না। সুতরাং একজন যদি 56000 টাকা পরিশোধে ব্যার্থ হয় তাহলে একটা পর্যায়ে তার দেনার পরিমান হবে 112 হাজার টাকা, এবং এটা হওয়ার জন্য খুব বেশী সময়ের প্রয়োজন হবে না।
২৪. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৪০
comment by: অতিথি বলেছেন: Every year GB staff evaluate their work and check whether the socio-economic situation of GB members is improving. GB evaluates poverty level of the borrowers using ten indicators.

A member is considered to have moved out of poverty if her family fulfills the following criteria:
1. The family lives in a house worth at least Tk. 25,000 (twenty five thousand) or a house with a tin roof, and each member of the family is able to sleep on bed instead of on the floor.
2. Family members drink pure water of tube-wells, boiled water or water purified by using alum, arsenic-free, purifying tablets or pitcher filters.

3. All children in the family over six years of age are all going to school or finished primary school.

4. Minimum weekly loan installment of the borrower is Tk. 200 or more.

5. Family uses sanitary latrine.

6. Family members have adequate clothing for every day use, warm clothing for winter, such as shawls, sweaters, blankets, etc, and mosquito-nets to protect themselves from mosquitoes.

7. Family has sources of additional income, such as vegetable garden, fruit-bearing trees, etc, so that they are able to fall back on these sources of income when they need additional money.

8. The borrower maintains an average annual balance of Tk. 5,000 in her savings accounts.
9. Family experiences no difficulty in having three square meals a day throughout the year, i. e. no member of the family goes hungry any time of the year.

10. Family can take care of the health. If any member of the family falls ill, family can afford to take all necessary steps to seek adequate healthcare.

এই হইলো গ্রামীন ব্যাংকের চোখে দারিদ্্র রেখা পার হওয়া লক্ষন, সাপ্তাহিক দেনা শোধের পরিমান 200টাকার উপরে হইতে হবে, হা হা হা হা
২৫. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ৯:৪৫
comment by: ষড়ভূজ বলেছেন: চমৎকার। আর আমরা হুজুগে বাংগালীরা না বুইঝাই লাফাই।ভাবখানা যেন কি না কি পেয়ে গেছি।
২৬. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১০:৪৫
comment by: অতিথি বলেছেন: পশ্চাতপদ জনগনের দৃষ্টিতে বিশ্বকে দেখার সময় শেষ। অশিক্ষিত, কনজার্ভেটিভ আমেকিকান, ইউরোপিয়ান আর বাংলাদেশী তাহারা সবাই একই জিনিসই। এখন তাদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য অর্থনীতি পরিচালিত করতে হবে। পূজিবাদ কোন ধর্মগ্রন্থ নয় বা এটা মানুষের উপরে চাপিয়ে দেয়া নয়, মানুষ পুঁজি পছন্দ করে, পুঁজি সংগ্রহ করে, পুঁজি ব্যবহার করে, পুঁজির পাহাড় গড়ে তোলে। আপনি সাদা বলছেন আর তারা কালা বলছে, এতে সমস্যা আর সমাধান স্পষ্ট হয় না। ডমিনেশনের বিষয়টা ক্ষমতার সূত্র ধরে আসে, আপনি ক্ষমতাপ্রাপ্ত হতে চান তা কিন্তু ওদের ফলো করাকরির বিষয় নয়, অনেক গবেষণা করে যা বের করবেন তাই সই, এখন পুজিঁবাদ বলেন আর সমাজতান্ত্রিক বলেন তাতে কিছু যায় আসে না। দরকার মানুষের হাতে টাকা পৌছানো, সেটা কেউ দেয় না বাড়ি গাড়ি বন্ধক রাখা ছাড়া। এখন একজন মানুষ কিভাবে তা ব্যয় করছেন তার জন্য দরকার ডঃ ইউনুস সহ আপনারা যারা ভাবছেন তাদের দক্ষতা দেখানো। রেস এর ক্রমবিকাশ যদি দেখেন তাহলে সেই মিডলইস্টে ৫-১০ হাজার বছর আগেও সবচেয়ে জনবসতিপূর্ণ ছিল - জ্ঞান বিজ্ঞান বিকশিত হয়ে এ গোলার্ধে এসে পৌচেছে সেদিক থেকে। ইউরোপেও গিয়েছে সেদিকে থেকে। এখন সে দিন শেষ হয়েছে। এখন আমি যা ভাববো তাই বিশ্বকে ভাবতে হবে, বিশ্বকে আমি দেব, আমার ক্ষুদ্রতা, দীনতা, বন্যা, দারিদ্রের মধ্যে থেকে বিশ্বকে দেখার ও সমাধান দেয়ার যে সক্ষমতা তৈরী হয়েছে তা অন্য কোথাও হবে না। আমরা নিঃসন্দেহে গর্বিত ও সংশয় মুক্ত থাকতে পারি নোবেল জয়ে ডঃ ইউনুসের কৃতিত্ব নিয়ে। কিছু বিচ্ছিন্ন উদ্ধৃতিচারণকে ডঃ ইউনুস ও তার শূভ্যাধুনায়ীরা সিস্টেম লস বলে এড়িয়ে যান বলে কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন - কিন্তু বিষয়টাকে গোচরীভূত করা নিরর্থক নয় কি! কত পার্সেন্ট মানুষকে আপনি হাতে তুলে টাকা দিতে পারছেন সেটাই মূখ্য। যারা ঋণখেলাপী হওয়াতে অত্যাচারিত হয়েছে তাদের পক্ষে সরকারকে দাড়াতে হবে, জনগনকে এগিয়ে আসতে হবে, সে ডঃ ইউনুস হোক আর ব্রাক হোক। কিন্তু আমরাতো সেখানে নিশ্চুপ থাকি? নেতারা তো কিছু করেন না। যে টাকা উদ্বৃত্ত ব্যাংকে থাকছে - সেটাকা দিয়ে কি হবে - সেটার জন্য সরকারের স্পষ্ট নীতিমালা থাকা উচিত। সুদ কমানোর জন্য সরকার বাধ্য করতে পারে গ্রামীন ব্যাংককে, যা সিস্টেমটার আরো যৌক্তিকতা বৃদ্ধি করবে।

তবে ডঃ ইউনুস নোবেল প্রাপ্তির পরে সবচেয়ে বেশী সমালোচনা সম্ভবত বাংলাদেশে এই ব্লগেই হয়েছে। এর জন্য যারা ভাবছেন বাঙালী ভালো জিনিস সহ্য করতে পারে না বা এতে দেশের ক্ষতি হবে, এ জন্যই দেশের উন্নতি হয় না - তাদেরক উন্নতি দেখার চোখে গলদ আছে বলতে পারি। মত প্রকাশের স্বাধীনতা বা বিপক্ষ মত যে এত উচ্চস্বরে প্রকাশিত হতে পারছে এটা আমাদের সবচেয়ে বড় একটা উন্নয়ন, আমাদের মননের, আমাদের চিন্তার, আমাদের ডাইভার্সিটির এবং আমাদের উৎকর্ষতার। মনে হয় বিশ্বের অনেক দেশই এমন হয়তো করতে পারতো না। সেজন্য যারা ডঃ ইউনুসের নোবেল প্রাপ্তির মত বিষয়টিতেও সমালোচনা করেছেন তাদেরকে আমি অকুণ্ঠচিত্তে আমার শ্রদ্ধা জানাই।
২৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৬ সকাল ১১:০১
comment by: মদন বলেছেন: আমার পরিচিত একজন আছেন-
তার পাশের বাসা যখন 3 তলা করলো তখন তিনি বললেন অবৈধ টাকা দিয়ে 3তলাতো করাই যায়। নিজে যখন 3তলা করলেন তখন আমি জানতে চাইলে বললেন আমার অনেক কষ্টের টাকা দিয়ে বাড়ি করলাম।
যে এপার্টমেন্টে অফিস তার মালিকের বড় ছেলে দেখি আরেক জনরে গালি দিতেছে অবৈধ আয়কারী বা এই জাতীয় বলে। পরে জানলাম ঐ লোকের বাসায় সুইমিং পুল আছে আর আমাদের বাড়ির মালেকের নাই তাই এই আক্ষেপ।

 



 


স্বপ্ন দেখতে দেখতে কাটাইছি কৈশোর তক, স্বপ্ন ভাঙতে ভাঙতে গ্যাছে তারুণ্য, এখন মধ্যবয়সে আবার শৈশবের স্বপ্ন দেখি!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৭৮৪৫৫