কখনো চাই নাই দূরে থাকি...তবু দূরগুলো বারে বারে আসে...

একজন রবীন্দ্রনাথ আর বিদ্যমান বাস্তবতার বিবরন

০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

শেয়ারঃ
0 0 0

সাহিত্যিকেরা চিন্তাবিদও হয়...তাদের চিন্তা, জীবন-যাপন, বিশ্বাসের উপলক্ষ্য এইসব একটা জাতির দৃষ্টিভঙ্গী কিম্বা উদ্দেশ্যমূখীনতা পাল্টাইয়া দিতে পারে...পরিবর্তনে চাই সামষ্টিক চেতনাগত বিষ্ফোরণ...কিন্তু একজন ব্যক্তির উপলব্ধিও যে পারে একটা জাতিরে দিক নির্দেশনা দিতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর না জন্মাইলে মনে হয় পৃথিবীর সকল জনপদই অজ্ঞ থাকতো, অনাস্থা থাকতো তাগো মূল্যায়নে। রাজনৈতিক বা সামাজিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়া এইরম অনেক ব্যক্তিই হয়তো আসছেন ইতিহাসের ধারাবাহিকতায়...কিন্তু একজন সাহিত্যিকের চিন্তাগত অবস্থান যে এতোখানি নাড়া দিতে সক্ষম, সেইটা আমি নিজেও বুঝতে পারতাম না যদি ইতিহাসের চক বোর্ড থেইকা রবীন্দ্রনাথের নাম মুইছা দেওয়া হইতো...বা যাইতো, কিন্তু শত চেষ্টাতেও রবী ঠাকুরের পরিচয়-অবদান-ইতিহাস মুইছা ফেলা সম্ভবপর হয় না।

এইরম একজন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়োজনীয়তা নিয়া কোন প্রশ্ন তুলন যায় না...ইতিহাসে তিনি থাকেন তার ভুলভ্রান্তি সমেত, ইতিহাসে তিনি আলোকিত থাকেন তার স্মরণীয় সৃষ্টির আলোকবর্তীকায়। এই ২০০৮ সালে আইসাও আমাগো অনেকের কাছেই তারে আধুনিক ঠেকে। মনে হয় আমাগোর প্রানের কথাই তিনি লিখছেন আজ থেইকা একশো ছোঁয়া বছর আগেই! বিস্ময়!

বৃটিশ বেনিয়ারা যখন তাগো ব্যবসার প্রয়োজনে একটা জাতিরে অধস্তনঃ রেপ্লিকা সংস্কৃতিমতো চালাইতে চাইলো...এই দেশের কিছু মানুষ তাগো চামচামি করনের স্বরূপে যখন ইংরেজ আর ইংরেজীরে ঠিক নিয়মমতোন অপভ্রংশ রূপে নিলো, তখন আরেকদল বিদ্রোহে সমর্পিত করলো তাগো প্রাণ। হয় আপোষ নয় বিদ্রোহ এই দুই নীতির বাইরে ভাবতে যেই বুর্জোয়া আধুনিক যূগীয় মূল্যবোধ হয়, বৃটিশ বা পাশ্চাত্যের যেই ব্যক্তিকেন্দ্রীক অনুভব প্রয়োজন হয় তার ছাপ দেখা যায় নাই ইতিহাসে বহুকাল...আচমকা আসলেন রবী ঠাকুর!

তিনি নিজের কথা, নিজের অনুভূতির কথা লিখলেন...

ঈশ্বর আর সমাজ, এই দ্বান্দ্বিক সম্পর্কের ভিন্ন উপলব্ধির পরিসর খুললেন তিনি। ঈশ্বর এইখানে ব্যক্তির নিকটজন হইলেন...ব্যক্তির ভালোবাসা বড় হইলো, প্রতিবাদে ব্যক্তির ভূমিকা প্রধান হইলো, তিনিই প্রথম বাঙালী, যে কেবল অভ্যাসেই বুর্জোয়া হইলেন না, তার চিন্তায়-সাহিত্যে তার প্রতিফলন দেখা দিলো...রবী ঠাকুর বাঙালীরে ব্যক্তিকেন্দ্রীকতা শিখাইলেন...রবী ঠাকুর আইকন হইলেন!

আইকন বিরোধী একটা মানসিকতা এই সময়ে আইসা প্রবল সংশয় তৈরী করছে সামাজিক মানসিকতায়। সংশয় কইতে চাই কারন আইকন নিয়া অবসেস্ড হইতে চায় না এই সময়ের উত্তরাধুনিক মানুষ...কিন্তু প্রায়শঃই পুরানা আইকনিক চরিত্রসমূহের আলোচনায় তাগো পিছুটান দেখি। আর এই পিছুটানের কারনে নতুন আইকনের প্রতি বিরূপ হইলেও পুরান আইকন যেরম, রবী ঠাকুর-ঈশ্বর চন্দ্র-শেখ মুজিব নিয়া যদি কেউ কিছু কয় তাইলে টেম্পারামেন্ট হারানের অবকাশ পায়।

রবী ঠাকুরের যেই ব্যক্তিকেন্দ্রীক চেতনা, সেই চেতনার পরতে পরতে গ্রন্থিত আছে শ্রেণীর মৌতাত...ঔপনিবেশিক বেনিয়াগোত্রের বিরুদ্ধে, সামন্তীয় সংস্কৃতির বিরুদ্ধে যার অবদান অস্বীকার সম্ভব না, তারেই এই সময়ের প্রবাহে প্রশ্নকরনটা জরুরী হয় আমার কাছে। বুর্জোয়া ব্যক্তিকেন্দ্রীকতা সমাহিত হওনের সম্ভাবনা জাগায় শ্রেণী চেতনার পরাকাষ্ঠায়। আইকনিক রাবীন্দ্রিক শুদ্ধবাদী চেতনা যখন শাসকের বা স্বঘোষিত সুপিরিয়র শ্রেণী চেতনায় পর্যবসিত হয় তখন একটু ভাবতে বসি। অন্য সংস্কৃতিরে হেয়করণ বা অপমানের হাতিয়ার হইয়া রবী ঠাকুর যখন জাজ্জ্ব্যল্যমান হ'ন তখন আমার খুব বেশী জুইত লাগেনা।

রবি বাবুর জন্মদিবসের দিনে তাই আমার প্রশ্ন জাগে, বিদ্যমান ক্ষয়াটে বুর্জোয়াতন্ত্রের হাতে তার ব্যবহারিক বাস্তবতা নিয়া। এই প্রশ্ন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুররে অপমান বা বিস্মরণের তাগীদে না...রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপব্যবহারের দৃষ্টান্তে...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): লেখা ;
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৩৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: বস, আপনে এত কঠিন কইরা লেখেন যে আপনের পোস্ট বুজার চেস্টা চালাইতে গেলে আমার যে কয়টা চুল আছে সেই কয়টাও আর থাকবো না :(
লেখা ভালো লাগছে। আপনের লেখার স্টাইল টা আলাদা
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: ভাল লাগাইতে গিয়া কয়টা চুল পরলো?

২. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনে লেখা ভালো আমার সবসময়ই লাগে , তয় বুঝই কম :( এইটাই সমস্যা। সারাদিন খাটাখাটনির পর সন্ধ্যায় যখন ব্লগের সামনে বসি তখন কঠিন লেখাগুলা এড়ায় যাই ইচ্ছা কইরাই। :(

কয়টা চুল পরলো গুনতাছি ;)
৩. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০১
আরিফুর রহমান বলেছেন: সুমনের লেখা ভাল লাগছে (??!!), কিন্তু প্রথম প্লাস আমি দিলাম!
৪. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৩
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: আপনার স্টাইলটা ভিন্ন হলেও পড়তে বাধ্য হই। আর একবার পড়া শুরু করলে মনোযোগ দিতেও বাধ্য হই। পড়লাম। আসলেই রবি ঠাকুর না থাকলে আমাদের যে সব কথা তিনিই আগেই বলে গেছেন সেগুলো তো বুঝতাম না
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: আমি নিজে স্টাইলের ভিন্নতাটা ধরতে পারলাম না এক কবিগুরু'র ভাষা ভঙ্গিটা ছাড়া...

৫. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:০৪
মুকুল বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ একাই বাংলা সাহিত্যরে একশো বছর আগাইয়া দিছে...

*****
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৮

লেখক বলেছেন: হুমম...

৬. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
কৌশিক বলেছেন: অনেক দিনেরমধ্যে একটা ভাল লেখা পড়লাম।
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:২৮

লেখক বলেছেন: আপনে অন্যের লেখা পড়েন না নাকি!?

৭. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:২৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: বসের জন্য একটা ব্লাক লেভেল ;) এইবার বড়টা।
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩২

লেখক বলেছেন: এইটা কি রবী ঠাকুরের কল্যাণে?

৮. ০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৩
মাহবুব সুমন বলেছেন: হইতারে..............সকাতরে আমি মনে মনে বলি বইলা চিয়ার্স ;)
০৮ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

লেখক বলেছেন: আপনের লগে উল্লাস করতে হইবো এইবার...

৯. ০৮ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
ইফতেখার ইনান বলেছেন: ভালো লাগসে... রবিবাবুরে নিয়া তো ব্লগে ভাল ভাল লেখা আছে কয়েকটা.. একটা সংকলন(ই-বুক) হইতে পারতো না?
+
০৮ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৫

লেখক বলেছেন: হুমম...

ই-বুক উদ্যোক্তাগো কাছে বার্তাটা পৌছাইলে ভালো...

১০. ০৮ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯
মাহবুব সুমন বলেছেন: আমি কুক খামু , ঐটা আপনের জন্য ;)
০৮ ই মে, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০২

লেখক বলেছেন: তাইলে চিয়ার্স কমু কার লগে!?

১১. ০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:১৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনে ব্লাক লেভেল, আমি কুক.........চিয়ার্স বলাই হইলো আসল কথা। এইটা আমি রেগুলার করি বস। আমিতো ডিংক করি না কিন্তু যারা করে তাগো লগে সংগতো দেয়া লাগে। এইটা ব্যপার না।
০৮ ই মে, ২০০৮ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: হুমম...

০৯ ই মে, ২০০৮ সকাল ১১:৫০

লেখক বলেছেন: হুমম থ্রী...

১৩. ০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৬
আন্দালীব বলেছেন: ""এইরম একজন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়োজনীয়তা নিয়া কোন প্রশ্ন তুলন যায় না...ইতিহাসে তিনি থাকেন তার ভুলভ্রান্তি সমেত, ইতিহাসে তিনি আলোকিত থাকেন তার স্মরণীয় সৃষ্টির আলোকবর্তীকায়। এই ২০০৮ সালে আইসাও আমাগো অনেকের কাছেই তারে আধুনিক ঠেকে। মনে হয় আমাগোর প্রানের কথাই তিনি লিখছেন আজ থেইকা একশো ছোঁয়া বছর আগেই! বিস্ময়!""

আপনার লেখার এ্যাপ্রোচটা চমৎকার। আপনি রবিঠাকুররে গ্লোরিফাই করেননাই। শুধু একজন "রবীন্দ্রনাথ" হিসাবে রাখছেন। সেভাবেই দেখছেন। এইটা কম লোক পারে! আমাদের খুব ব্যক্তিপুজার অভ্যাস আছে। এই মানসিকতা থেকে দুরে অবস্থান করে রবীন্দ্রনাথকে নিয়া এই লেখাটা ভালো লাগছে তাই।

আপনার এই কথাগুলাও খুব জ্বলজ্বলে-
""আইকনিক রাবীন্দ্রিক শুদ্ধবাদী চেতনা যখন শাসকের বা স্বঘোষিত সুপিরিয়র শ্রেণী চেতনায় পর্যবসিত হয় তখন একটু ভাবতে বসি। অন্য সংস্কৃতিরে হেয়করণ বা অপমানের হাতিয়ার হইয়া রবী ঠাকুর যখন জাজ্জ্ব্যল্যমান হ'ন তখন আমার খুব বেশী জুইত লাগেনা। ""

শুভেচ্ছা আপনেরে। ভালো থাকেন।

০৯ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনেরে...আপনেও ভালো থাইকেন...

১৪. ০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১
যূথচারী বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ নিঃসন্দেহে আইকন। কিন্তু "বিদ্যমান ক্ষয়াটে বুর্জোয়াতন্ত্রের হাতে তার ব্যবহারিক বাস্তবতা নিয়া" যা বললেন, তা পুরোপুরি মেনে নিতে পারছি না। বুর্জোয়াতন্ত্র মোটেই ক্ষয়িষ্ণু না, বরং বিকাশমান। বিশ্বব্যাপী তার রূপ আরো সুদৃঢ় হচ্ছে। পরার্থপরতার অর্থনীতি-টা একটু পড়ে দেখতে পারেন, মজা পাবেন। বাংলাদেশে পুঁজিবাদ ও বুর্জোয়া সংস্কৃতি খুবই জঘন্য অপব্যবহারিক রূপে আছে, তার কারণ আবার এই দেশের জাতীয় চরিত্রের, তার সাথে বিশ্ব পুঁজিবাদের ক্ষয় বা বিকাশ তুলনীয় নয়, যদিও সম্পর্কিত। ব্যবহারিক বাস্তবতা নিয়ে একটু বলি- বাংলাদেশের বুর্জোয়া সংস্কৃতির প্রধান মুখপত্র প্রথম আলো কিন্তু রবীন্দ্রনাথকে তার জন্মদিনেও প্রথম পাতায় জায়গা দেয়নি, শেষ পাতায় সংস্কৃতি সংবাদ শিরোনামে এক বক্সে দুই নিউজ ছাপছে; প্রথম আলোর প্রথম পাতার ১০ টা নিউজের ৬ টা রাজনীতিবিদদের দুর্নীতি ও সন্ত্রাস, ১ টা করে প্রধান উপদেষ্টা, ডায়রিয়া, ত্রাণ ও আমলাতান্ত্রিকতা নিউজ। চরিত্রটা কি বোঝা যাচ্ছে না?
সুতরাং রবীন্দ্রনাথ আইকন হওয়া সত্ত্বেও আইকনিক ব্যবহার থেকে বহু দূরে। এই দেশের বুর্জোয়ারা রবীন্দ্রনাথকে সেলফবন্দী করেছে। ধূলিধূসরিত রবীন্দ্রনাথ মাঝে মাঝে সামনে আসে, নিত্যদিন না। এমনকি সাহিত্য ও বুদ্ধিজীবীতায়ও না। রাবীন্দ্রিক শুদ্ধবাদী চেতনা এতোই ক্ষীণ যে সংস্কৃতিতে তা ধর্তব্য না।
রবীন্দ্র রচনা ও তার চিন্তা নিয়ে আমি দ্বিধান্বিত, আমার মনে হয়, রবীন্দ্রনাথ নিজেও তা-ই ছিলেন। কারণ পরস্পরবিরোধিতাই আসলে জীবনের বৈশিষ্ট্য। ধর্মপ্রচারকরাও এমন ছিলেন, প্রায় প্রতিটি ধর্মগ্রন্থই পরস্পরবিরোধী মন্তব্যে ভরপুর। রবীন্দ্রনাথকে তার থেকে বাইরে ভাবা ঠিক হবে না। এই সব বিরোধিতা সঙ্গে করেই রবীন্দ্রনাথ আইকন, যদিও তার আইকনের ভালো ব্যবহার বাঙালি (বাংলাদেশী বাঙালি) করতে পারলো না। আফসোস!
০৯ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: বহুদিন পর তোমারে সামহোয়্যারে দেইকা ভালোই লাগতেছে...লেখার যেই বিষয় নিয়া তুমি প্রশ্ন তুলছো তারে ভ্যালিডই মনে হয়...তয় আমি একটু অন্যভাবে দেখনের পক্ষপাতি...বুর্জোয়াতন্ত্ররে আমি নেতিবাচক দেখতে চাইনা...তারে তার স্বরূপেই বিচার করতে চাই।

বুর্জোয়াতন্ত্রের উন্মেষকালে তার যেই পরিবর্তনের অঙ্গীকার ছিলো সেইসবরে ধর্তব্য মনে করি একটা আলোচনায়। কিন্তু তার পরবর্তী প্রসারণে ব্যক্তিকেন্দ্রীকতা, ব্যক্তির অধিকার এইসব ঠেকছে গিয়া ভোক্তাকেন্দ্রীকতা আর ভোক্তার অধিকার এই সব নামাঙ্করণে...

ভোক্তার সম্প্রসারণ বা ভোক্তার বর্ধন যখন একটা তন্ত্রের উদ্দেশ্যমূখীনতা হয় তখন তারে তার প্রথম মতাদর্শিক অবস্থান থেইকা বিচ্যূতই মনে হয় আমার কাছে...কারন ভোক্তা সৃষ্টির প্রক্রিয়া সময়হ আমার কাছে অনৈতিক লাগে বুর্জোয়া মূল্যবোধের জায়গা থেইকাই। আর তাই আমি লিখি ক্ষয়াটে বুর্জোয়াতন্ত্র।

বাংলাদেশের জাতীয় চরিত্র নিয়া প্রশ্ন তুলছো...বিষয়টা আরেকটু বুঝতে চাই...

রবীন্দ্রনাথরে আইকন মানতে আমি খুব বেশী আগ্রহী না...তারে মানদন্ড হিসাবে আমি ধরতে খুব বেশী আগ্রহী না...কারন আমি রাবীন্দ্রিক সাহিত্য বা দৃষ্টিভঙ্গীর বাইরের দৃষ্টিভঙ্গী বা সাহিত্যরেও গুরুত্বপূর্ণ মনে করি একটা সময়ের অগ্রগমণে...

১৫. ১০ ই মে, ২০০৮ দুপুর ১:১৮
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: চমৎকার!!!!!!!!!!
ভালো লাগলো
শুভেচ্ছা রইল।
১০ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:২৬

লেখক বলেছেন: আপনারেও ধন্যবাদ...

১৬. ১১ ই মে, ২০০৮ দুপুর ২:১২
জুবেরী বলেছেন:
বেচারা রবীন্দ্রনাথ !

সারা জীবন সাহিত্য সাধনা করে বাংলা ভাষার একটা প্রমিথমান রীতি সৃষ্টি করছিলেন।
কিছু ঢাকাইয়া ভাষী বল্গার এর দাপটে তার প্রমিথমান বাংলা ভাষা যে কি হাল তাই দেখার বিষয় ।

রবীন্দ্র মৌলবাদীদের মত করে বলা হয়ে গেল ?

রবীন্দ্র মৌলবাদী আথবা তাকে বুর্জোয়া আপোষকামী গাল দিয়ে দুরে সরিয়ে দেয়া অতিবাম মতামত কোনটাই না করে যা আলোচনা করছেন তার সাথে একমত না হবার কোন কারণ নাই ।
১১ ই মে, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: রবীন্দ্রনাথ মনে হয় না কোন প্রমিত ভাষা সৃষ্টি করছিলেন...তিনি বরং তৎকালীন প্রমিতত্বরে নাকচ কইরা নিজের ভাষায় লিখছিলেন...আমাগো পশ্চিমবঙ্গীয় শিক্ষকেরা তারে প্রমিত হিসাবে পিক করছিলেন...

১৭. ১১ ই মে, ২০০৮ রাত ১১:৩৮
নাজিম উদদীন বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন। বড় কাউকে দেবতার আসন দেয়া আমাদের স্বভাব তারাও যে মানুষ ছিল তা আমরা মনে রাখি না।

স্ববিরোধীতা থাকলেও রবিঠাকুর বাঙালীর জীবনে আরও অনেককাল বেঁচে থাকবে।
১৮. ১২ ই মে, ২০০৮ রাত ১০:৪৬
অমলকান্তি বলেছেন: বেঁচে থাকুক রবিঠাকুর তার স্বরুপেই।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯১১২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না পাওয়ার সম্ভাবনায় শৈশবে কোন চাওয়া ছিলো না আমার...মধ্যবয়সে এসে অনেক পাল্টে গেছি...এখন আমি চাইতে শিখেছি...কেবল না পাওয়ার সম্ভাবনাটা গেছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ