কখনো চাই নাই দূরে থাকি...তবু দূরগুলো বারে বারে আসে...

পর্নগ্রাফি, একজন অমি পিয়াল আর যুদ্ধাপরাধীর বিচার প্রসঙ্গে...

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:০৭

শেয়ারঃ
0 0 0


এক.
পর্নগ্রাফির নিষিদ্ধ জগতের প্রতি দুর্বার আগ্রহ ছিলো এইরম না ব্যাপারটা, কিন্তু এক্কেরেই শহুইরা সংস্কৃতির ঝোকে পরিকল্পনা কইরা নীলছবি দেখছি সেই স্কুল বয়সে। বন্ধু-বান্ধব যখন চুরি কইরা নগ্ন নারী দেহের ছবিআলা বই নিয়া আসতো স্কুলে হুমড়ি খাইয়া পরা অনেক মাথার একটা আমিও ছিলাম। বিশুদ্ধ ধ্রূপদী সাহিত্যের পাশাপাশি মাসুদ রানা সিরিজের বই পড়ছি ক্লাস ফাইভে থাকতেই...বইয়ের প্রথম দিককার সিরিজগুলিতে মীরা দত্তের স্ট্রিপ নাচের শারিরীক বর্ণনা পড়নের টাইমে ভিজ্যুয়ালি ফ্যান্টাসাইজ করতে কখনো দ্বিধা করি নাই...হয়তো নিজের পুরুষ হইয়া উঠনের চর্চামতোই পোষাক পরা নারীদেহ দেখলে সবসময় না হইলেও প্রায়শঃ তার নগ্ন দেহের দৃশ্যায়ন করি নাই কখনো এইরম কথা হলফ কইরা কইতে পারুম না। কিন্তু বয়স যতো গেছে পর্নের প্রতি আগ্রহ অবক্ষয়িত হইছে...শুণ্যের কোঠায় না হইলেও অন্ততঃ তদ্দূর গেছে, যদ্দূর গেলে নারীর প্রতি অসম্মানের প্রসঙ্গ উত্থাপিত হইবো না। কোন মেয়ের প্রতারিত হওনের যৌনদৃশ্য দেখনের লেইগা পাগল হই নাই...

ইন্টারনেটের লগে পরিচয় আমার বয়সকালে...মধ্যবয়সে...৯৯ সালে ঘন্টায় ৩০ টাকা দিয়া সাইবার ক্যাফে। মেইল এড্রেস খোলা, তাতে প্রবাসী বন্ধুগো মেইল চেক করা...গুগল সার্চ দিয়া কনফিউশন কমানোর পাশাপাশি ইয়াহু চ্যাট করতাম তখন। মাঝে সাঝে পর্নসাইটে ভিজিট করি নাই কইলে মিথ্যার দায় নিতে হইবো...তয় একটা কথা কইতে পারি পর্নসাইট দেখনের লেইগাই কেবল ঐ ৩০ টাকা খরচ করছি এইরম হয় নাই কখনো। বাংলাদেশের পর্ন ফোরাম যৌবনজ্বালার নাম শুনছি ২০০৫-এর মাঝামাঝি... কিন্তু তাগো জটিল রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া উৎরাইয়া গিয়া পর্ন দেখার বাসনা আমার হয় নাই। এই সময়টায় দিনে প্রায় ১০/১২ ঘন্টা অনলাইন থাকতাম, কিন্তু পর্ন সাইটে গিয়া ডাউনলোড করাটারে খুব দরকারী বোধ করি নাই। বিশ্লেষণে সাফাই গাওনের টোন থাকলেও আসলে তা নয়...আমি যেকোন সাধারন বাঙালির মতোই প্রায়শঃ পর্নগ্রাফি প্রীতি দেখাইছি, পর্ন ফ্রিক কোনদিন ছিলাম না কইতে পারি...

পর্নগ্রাফি'র রাজনৈতিক প্রবনতাটারে আমার চিরকালই, মানে যখন থেইকা বুঝনের আক্কেল হইছে তখন থেইকাই পুরুষতান্ত্রিক একটা অ্যাপ্রোচ মনে হয়। আর পুরুষতান্ত্রিকতার যেই ক্ষমতা চর্চার প্রবনতা আছে, সেইটারে আমি অপছন্দ করি। আমার সিনেমা গুরু রম্য রহিম একবার কইছিলেন, অনেক কম ব্যাটা ছেলেই নারীদের পোষাক পরা অবস্থায় কল্পনা করে...তার এই বাক্যের আংশিক সত্যতা আমি টের পাই বন্ধু মহলের আলোচনায়...পুরুষের সামাজিকতায়...পর্নগ্রাফিক আলোচনায়...

একটা কনফিউশন অবশ্য তৈরী হয়...পুরুষতান্ত্রিক সমাজে ক্যানো তাইলে এতো পর্নবিরোধী সামাজিক রুচীবোধের খেলা!? এইটা কি হইতে পারে পুরুষতান্ত্রিকতার যেই দখলদারী মনোবৃত্তি তার কোন একটা প্রকাশ? ইতিহাসে জানি ক্ষমতাবান পুরুষেরা সেবাদাসী ধরনের নারী সেবক রাখতো দখলে...আর এই সব নারীরা অস্পৃশ্য ছিলো সাধারন পুরুষের কাছে...নিষিদ্ধ এই বোধ থেইকাই কি সমাজের নিজস্ব প্রতিরোধী আচরনের শুরু? নাকি সমাজে শুভবোধটাও ছিলো? আমি খানিকটা সংশয়ি হই এই প্রসঙ্গে...অনেক ধর্মেও তো দাসীর সাথে সঙ্গমরে জায়েজ করা হইছে! তবে!?

পর্নগ্রাফির ইফেক্ট নিয়া অনেক বিশ্লেষণি গবেষণা হইছে জানি। পুরুষের শারিরীক সমস্যার কথা প্রচার করা হইছে মিডিয়ায় এইসব গবেষণার উদাহরন দিয়া...পুঁজির চালকেরা নারীর ছদ্ম ক্ষমতায়নের কথা প্রচার করেন, আবার তারাই নারীরে পণ্য বানাইয়া ব্যবসা করেন...কোনটায় আস্থা থাকবো তাইলে সমাজের? বিভ্রান্ত সময়ের যাত্রী হইতে বাধ্য হই আমরা। পর্ন সাইটে ভ্রমণ বিষয়টা আমাগো কাছে আনন্দের হইলেও তার প্রবণতা আমাগো কাছে হয় নিষিদ্ধ...এ এক অদ্ভুত ডিলেমা!

দুই.
অমি রহমান পিয়াল পর্ন সাইটে যখন ভ্রমণ করতেন তার ইতিহাস আমি জানি না, জানি না তিনি পুরুষতান্ত্রিক আচরনে কদ্দূর হ্যারাসমেন্টে নামতে পারেন...কিন্তু যৌবনজ্বালা ফোরামের খোঁজখবর যখন উনি করতেছিলেন তখন এই বিষয়টা উনি শিশুসুলভ আতিশয্যে আমারেও শুনাইছিলেন...তার ভিডিও এডিটিং শিক্ষা দিয়া জম্পেশ ভিডিও বানানের গল্পও শুনাইছেন আমারে...আগ্রহহীনতার কারনে হয়তো পরবর্তীতে এই বিষয়ে আলোচনা হইছে কম বা এক্কেরেই হয় নাই...যতোটা তিনি আমার সাথে শেয়ার করছেন জন্মযুদ্ধের সংগঠনে তার তুলনায়তো বিষয়টা শুণ্যের হার...কিন্তু তিনি সেইখানে যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের দাবীতে সচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে সেই ব্যাপারটা কখনোই জানান নাই...নিভৃতে-নীরবে তিনি সেইখানেও চটিলেখক হইছেন জানলাম বহুকাল পর অন্য এক ব্লগে লেখা এক পোস্ট থেইকা...তার ঐ পোস্টের আলোকে আমার দুইটা চিন্তা মাথায় আসছে...একটা হইলো, ক্যানো এই অপ্রয়োজনীয় কাজ নিয়া লোকটা সময়ক্ষেপন করতেছে, ঐ সময়টাতো তিনি জন্মযুদ্ধের পুনরুত্থানে দিলেই বেশী ভালো হইতো! আর দ্বিতীয়টা হইলো, সম্ভবতঃ এই কারনেই তিনি আমারে কন নাই, কারন আমারে জিগাইলে আমি তারে নিরুৎসাহিত করতাম...

আমি এখনো এর কার্য্যকারীতা নিয়া সংশয়ি। যৌ্বনজ্বালা কিম্বা যৌবন যাত্রা যাই হোক না ক্যানো, দুইটারই সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা শুণ্যের কোঠায় থাকবো। যেই লোক ঐ ফোরামে গিয়া সাক্ষর দিতাছে, সেই এই কার্য্যক্রমের কথা লোকসমক্ষে কতোটা প্রাঞ্জল ভাবে কইতে পারবো তা নিয়া আমার সন্দেহ আছে। আর আদালতে যদি যৌবন যাত্রা ফোরামের উদ্যোগ হিসাবে তার সাক্ষর সংগ্রহের নমূনা দেওয়া হয় তার আবেদন হাস্যকরও হইতে পারে...আমার নাগরিক সুশীল আত্মা এই সংশয়ে পইড়া ব্লগীয় তুমুল যুদ্ধেও দুইদিন নিশ্চিপ থাকে অতএব...কিন্তু হঠাৎ আমার মনে হয় অমি পিয়ালের উপলব্ধির শিশুসুলভ আনন্দের কথা! সমাজের সকল বাধা তার কাছে ক্ষুদ্র হইয়া যায়! তিনি যুদ্ধাপরাধীদের দাবী তথাকথিত অসামাজিক সার্কেলে তুমুল জনপ্রিয় কইরা তুলতে পাইরাও কেরম স্বর্গীয় শান্তি পাইতেছেন! এই লোকের সকল শান্তি কি মুক্তিযুদ্ধের চেতনাতে সমর্পিত!?

আমি জানি না অমি পিয়াল আসলে কোন মোড়কে তৈরী। তার সমাজ ভাঙা বেপরোয়াপনায় আমার নিজের অনেক প্রশ্ন থাকলেও যুদ্ধাপরাধীগো বিরুদ্ধে তার সকল প্রকাশ আমারে আবেগী করে! তিনি তার জীবনের ট্রেডমার্ক সম কইরা ফেলছেন এই এক বিষয়রে...তার একাডেমিক জীবনের ফেনসিডিল খাওনের গল্পেও মুক্তিযুদ্ধ থাকে...তার প্রেম ভালোবাসার বর্ণনাতেও স্বাধীনতার চেতনা...পর্নগ্রাফির চর্চাতেও তিনি মুক্তিযুদ্ধের ভাবনারে বিসর্জন দিতে পারেন না।

তিন.
যৌবন যাত্রার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা নিয়া আমার প্রশ্ন আছে...প্রচারের-অপপ্রচারের সম্ভাবনায় আমি এক্কেরেই সন্দিহান না। আমারে দুইটা অপশন দিলে আমি অবশ্যই এই আন্দোলনরে জন্মযুদ্ধের আন্দোলন হিসাবে দেখতে উদ্যোগী হমু। আর তাই জন্মযুদ্ধের পুনরুত্থান নিয়া তার কাছে আবেদন জানাই...জন্মযুদ্ধ যদি হ্যাকারের আক্রমণে হারাইয়া যায় তাইলে তার এই আন্দোলনের সাইবার চত্বর হিসাবে দেখতে চাই সামহোয়্যার ইন ব্লগরে...এই প্রাঙ্গনে আমরা কমতো লড়াই করি নাই পাশাপাশি..সামহোয়্যার ইন ব্লগের কর্তৃপক্ষ আমাগো যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের দাবীতে সাথে থাকবো তাগো সামর্থ্য অনুযায়ি...অতীতে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ব্লগারগো যেমনে তারা হটাইছে, সেরম কইরা এই বার সকলের সাথে গলা মিলাইবো...কেবল ব্যানার ঝুলানোতেই থাইমা থাকবো না তাগো ইনিশিয়েটিভ...

আমরা আওয়ামি লীগের মিথ্যা আশ্বাসের প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না...আমরা বিএনপি'র সুবিধাবাদী অবস্থানের ভয়ে ভীত না...বাস্তবিকই আমরা চাই যুদ্ধাপরাধীগো বিচার বাংলার মাটিতেই! তার জন্য যা করতে হয় আমি নিশ্চিত আছি তার লগেই...মনে হয় সকল সচেতন নাগরিকই থাকবো...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৪
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: আমরা আওয়ামি লীগের মিথ্যা আশ্বাসের প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না...আমরা বিএনপি'র সুবিধাবাদী অবস্থানের ভয়ে ভীত না...বাস্তবিকই আমরা চাই যুদ্ধাপরাধীগো বিচার বাংলার মাটিতেই! তার জন্য যা করতে হয় আমি নিশ্চিত আছি তার লগেই...মনে হয় সকল সচেতন নাগরিকই থাকবো...
২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬
ফাঁকি বাজ বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন .......।
লাস্টের প্যারাটা মনের কথা ......।++
৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২২
স্ট্যানলি কুবরিক বলেছেন: ভালো কৈছেন কাকা, সবই হইবো, অপেক্ষা করেন
৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৪
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একের পর এক পোষ্ট পড়ছে, অমি রহমান পিয়ালের জেজের ব্যানারে চেতনার পক্ষে।

আমার বোধটুকুন আমি শেয়ার করার বাসনায় লিখতে বাধ্য হলাম।
পতিতালয়ে ধরা খেয়ে সাধু সাধার চেষ্টার গল্প বহু পুরানো। কোন জামাতী যদি ঐ রুপ ক্ষেত্রে বলে যে আমি তাদের ঈমানের পথে আনতে এখানে এসেছি তা বিশ্বাস করা যতটা অবিশ্বাস্য, তারচে বেশি বৈ কম নয় চেতানর নামের এই দাবী।

কেউ কেউ বলছেন যৌনতা বাস্তব। তাই রাখডাকের প্রয়োজন নেই!!!
তবে কি তিনি জঙ্গল আইনে চলতে চান? সভ্য মানুষ এ জন্যেই সভ্য যে সত্য হলেও বিবেক জ্ঞান লাজ লজ্জ্বার আবরনে সুস্থ সুন্দর হয়ে চলতে পারে। প্রাণী মাত্রই যৌনতা সংশ্লিষ্ট। তাই কি সারমেয়দের মতো স্বাধীনতার নামে পথে নেমে পড়তে চান বহুরুপি চেতনার নামে?

আমরা সবাই জানি সন্তান কিভাবে হয়। তাই আপনার ২/৩ বছরের শিশুটি যখন বলে আব্বু আমি কিভাবে এলাম? তখন কি সুস্থ কোন মানুষ তার সবিস্তার বর্ণনা দেন? দেন না-এটাই সভ্যতা।
এখানেই বিবেক, রুচি, মানসম্পন্নতা, সুস্থতা,সামাজিকতা গড়ে উঠে।

আর যারা জেজের নামে বৈধতা দিতে চাচ্ছেন তাদের দশা ঐ লেজ কাটা শিয়ালের গল্পের মতো। যে ফাঁদে পড়ে লেজ হারিয়ে অন্য সব শিয়ালকে নিয়ে মিটিং করে বোঝায়- দেখ লেজ একটা অপ্রয়োজনীয় অংশ আমরা কেন এইটা বহন করছি চলো কেটে ফেলি টাইপের।
কারণ যৌনতা যেমন নিত্য। তেমনি তার সুস্থতাও নিত্য বটে। যৌনতার অসুস্থরাই জেজে টাইপে বিকাশ এবং বিস্তারে সহায়ক। সুস্থ যৌনতা স্বাভাবিকও বটে। তা ধৈর্যশীল। তা শান্ত। তা সমাজের ৮০ ভাগে বিরাজমান। ২০ % অসুস্থ যৌনতার চেতনাতো কোন মাপকাঠি হতে পারে না।

তার উপরে তাতে চড়িয়েছ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা।!!!!!!!

সত্যি বিস্ময়কর সব অসম্ভবের এই দেশ! বিস্ময়কর তার সন্তানেরা।






৫. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করলেন ভাস্কর সাহেব
৬. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩১
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: ভাল বিশ্লেষন ++। পিয়ালের সততা ও অকপটতাকে আবারো স্যালুট জানিয়ে গেলাম।
৭. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৪
লুকার বলেছেন:
পিয়াল এত ভাল গবেষণা করেন, মুক্তিযুদ্ধ আর যুদ্ধাপরাধী নিয়া লেখেন, কিন্তু তার এই উদ্যোগ আমার মনে হইছে তিনি আন্দোলনে গু মাখাইয়া দিছেন।

জন্মযুদ্ধ হ্যাক হৈছে, এইটা তিনি কন নাই, বোধ হয় উদ্ধারের চেষ্টাও করেন নাই। যৌবনজ্বালা বা যৌবন যাত্রার পার্ভার্টেড ইউজারদের তিনি একটা ভাল উদ্যোগে শামিল করতে চান, বেশ, সেইটা তিনি সেখানে একটা ভাল পোস্টে যুক্তিপূর্ণ আবেদন রাখলেই পারতেন যে, ভাইয়েরা, পর্ণ দেখা ছাড়াও আরো জরুরী কাজ আছে। তা না কইরা পার্ভার্টদের কাতারে শামিল হৈয়া তিনি তাদের মধ্যে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরী করছেন আগে।

একাত্তরের ধর্ষিতা নারীদের চিত্রও এই সাইটে খুব পপুলার হৈত মনে হয়।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: আপনের মনে হওয়া বাস্তবতা নিয়া আমার কোন অশ্রদ্ধা নাই...কিন্তু পার্ভাটগো মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের কথা কইবেন না. যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের দাবীতে তাগো সরব করবেন না এই বিষয়টা কেরম লাগে!?

আমি ব্যক্তিগত ভাবে এইটা করতাম না মানি, কিন্তু পিয়াল করলে তারে মহান ব্রত না ভাবলেও আন্দোলনে গু মাখানের মতোন কাজ বইলাও ভাবতেছি না।

আপনে একটা একাত্তরের ধর্ষিতা নারীর চিত্র ঐখানে দিয়া দেখেন তারা এখন ঐটারে কিভাবে নেয়...

৮. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৬
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: আমরা আওয়ামি লীগের মিথ্যা আশ্বাসের প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না...আমরা বিএনপি'র সুবিধাবাদী অবস্থানের ভয়ে ভীত না...বাস্তবিকই আমরা চাই যুদ্ধাপরাধীগো বিচার বাংলার মাটিতেই! তার জন্য যা করতে হয় আমি নিশ্চিত আছি তার লগেই...মনে হয় সকল সচেতন নাগরিকই থাকবো

এইটাই হইলো আসল কতা, মনের কতা। আছি মানে ? জীবনের শেষ দিন তক আছি...
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫৪

লেখক বলেছেন: জীবনের শেষদিন পর্যন্ত যাতে থাকতে না হয়, সেই বাসনা রাখি...

৯. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০০
লুকার বলেছেন:
@পোস্টদাতা

জেজে ইউজারদের মধ্যে আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার ব্যাপারে আমার আপত্তি নেই, বরং তাদের মোটিভেট করাটা একটা ভাল কাজই হয়েছে। কিন্তু আমার বক্তব্য হলো, এজন্য পিয়ালের নর্দমায় নামার প্রয়োজন ছিল না। নিজের দেশের মেয়েদের বেআব্রু করার ভিডিও উনি কিভাবে সবাইকে উপহার দিলেন, এটা ভাবতেই আমার অবাক লাগছে। উনি কি এভাবে এধরণের সাইটের গ্রহণযোগ্যতা স্বীকার করে নিলেন না? কেমন লাগবে তার যদি কোনদিন নিজের পরিবারের কারো ছবি এখানে দেখেন? এসব ছবির বেশীরভাগই মেয়েদের অজান্তে তোলা, ব্ল্যাকমেইল করে তোলা, জোরপূর্বক তোলা এবং বিনা অনুমতিতে আপলোড করা, আশা করি একমত হবেন।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৫

লেখক বলেছেন: পিয়ালের নর্দমায় নামন বা নামন নিয়া আমার সিদ্ধান্ত দেওনের এখতিয়ার আছে বইলা আমি মনে করি না। আপনে যখন স্বীকার করতেছেন মোটিভেট করনটা ঠিক আছে, তাইলে প্রশ্ন আসে কেউ না কেউ কাজটা করতো...সেইটা পিয়াল করছে।

পিয়ালের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আন্দোলনরে আমি পছন্দ করি, কিন্তু তারে মহান আইকন হিসাবে ভাবি নাই কোন দিন...পিয়ালের যদি যৌবনজ্বালা নিয়া আগ্রহ থাকে সেইটারে আমি নিজের আগ্রহ হিসাবে নিমু না...কিন্তু তারে নিবৃত্ত করুম কি কইরা যখন সমাজে ঐ চিন্তা বিরাজ করে প্রতি পদে পদে?

মেয়েগো অজান্তে তোলা হইলেই খারাপ আর জান্তে তুললে ভালো ব্যাপারটা এইরমও আমি দেখি না...জান্তে তুইলাও তো খুব ঠিক চেতনার প্রকাশ হয় না ব্যাপারটা...আমি বড়জোর কইতে পারি পর্নগ্রাফি বিষয়টা এই মুখাপেক্ষি বৈষম্যমূলক সমাজের উপজাত...

১০. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
নোমান মীর বলেছেন: পরে পড়ব। তুলে রাখলাম
১১. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: আওয়ামীলীগের মিথ্যা আশ্বাস এ আমি ভুলতে চাই না।কিন্তু বাস্তবতা এটা যে ৪ দল কোন ভাবেই এই বিচার করবে না।কিছুটা সম্ভাবনা থাকে মহা জোটের বেলায়।তাই তারা জয়ি হলে এই আমরা তাদের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারব।কারন এই কাজ টি করলে যে কোন সরকার কে দেশের ভিতর ও বাইরেও অনেক চাপে পরতে হবে।তাই আমাদের দাবী তখন জোরালো ভাবে উপস্থাপন করলে তা সরকারকে সেই চাপ মোকাবেলায় সহায়তা করবে।

আর আওমীলীগ যদি বিচার না করে,আর কোন দিন তারা এই দাবী তুলতে পারবে না...আর সেটাই হবে তাদের পরাজয়




২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

লেখক বলেছেন: ১৯৯৬ সালেও আওয়ামি লীগ এই দাবীতে ভোট নিয়া জনগণের সাথে বেঈমানি করছে এই খবরটা মাথায় রাইখেন তাইলেই চলবো...

যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের দাবীতে আহ্বানের লগে আওয়ামি লীগরে ভোট দেওনের দাবীরে এক কইরা দেখনের পক্ষপাতি আমি না...

১২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: ৯৬ এর অবস্থা আর ২০০৮ এর অবস্থা এক না।আর আপনি আমাকে বুঝিয়ে বলুন,৪ দল কি কোন ভাবে এই বিচার করবে?????তবে আপনি আর কার উপর নির্ভর করবেন?



২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:৩৪

লেখক বলেছেন: আন্দোলন যদি সংগঠিত করতে পারেন ঠিক মতোন তাইলে কোন দল বিচার করবো না, বিচার করতে বাধ্য হইবো...

আমি যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীরে জোরালো করতে আগ্রহী প্রয়োজনে না ভোট দিমু...

১৩. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৫
আগুন পাখি বলেছেন: রাজাকারদের বিচার করবো বিএনপি!!!!

আজব স্বপ্ন দেখা বাদ দেন।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৭

লেখক বলেছেন: বিএনপি যুদ্ধাপরাধের বিচার করবো এইরম কিছু আমি কই নাই মনে হয়...কইছি জনগণের মিলিত শক্তি শাসকরে বিচার করতে বাধ্য করবো...

আজব স্বপ্ন দেখি না ভাই, দুঃস্বপ্নের মধ্যেই আছি...

১৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১৯
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: আমরা আওয়ামি লীগের মিথ্যা আশ্বাসের প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত না...আমরা বিএনপি'র সুবিধাবাদী অবস্থানের ভয়ে ভীত না...বাস্তবিকই আমরা চাই যুদ্ধাপরাধীগো বিচার বাংলার মাটিতেই! তার জন্য যা করতে হয় আমি নিশ্চিত আছি তার লগেই...মনে হয় সকল সচেতন নাগরিকই থাকবো
১৬. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৪৪
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ নির্ভর বর্ণনায় বিষয়ের গভীরতাকে ছোঁয়া এবং নিজের অবস্থানকে সুস্পষ্ট করা-দু'টোই ভাল লেগেছে। এ বিষয়ে মন্তব্য হিসেবে দু'একটি কথা বলার সুযোগ নেই..
প্রথমত: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্তরিক এবং সোচ্চার যেকোন কন্ঠকে শ্রদ্ধা জানাই। তাদের সকলের প্রতি অভিনন্দন। তবে এ অভিনন্দন এবং শ্রদ্ধা থাকার পরও পর্ণো সাইটে এ ধরনের সামাজিক মোবিলাইজেশনকে আমি অসমর্থন করি। কারণ
১. সামাজিক বাস্তবতা এবং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর চর্চিত জীবনবোধ ও প্রত্যাশার কারণে এ ধরনের প্রক্রিয়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবির মতো বিষয়টিকে হালকা করে তুলতে পারে, তুলবে। যেটি কাম্য নয়।
২. যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিটি মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাগুলোর সাথে সম্পর্কিত। একটি নিপীড়নমুক্ত রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ নিঃসন্দেহে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম চেতনা। আমি মনে করি এ চেতনাটি যেকোন পর্ণো সাইটের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান লক্ষ্যের সাথে বিরোধমূলক। কারণ পর্ণোগ্রাফির ভাষা ও পরিবেশন শতভাগ পুরুষতান্ত্রিক। নারী এখানে মুনাফার উপায়। আর মুনাফা যেখানে দেবতা সেখানে নারী বিষয় নয়, কেবল বস্তু। বস্তু বলে নারীর মর্যাদা, সম্মান এখানে বিবেচ্য বিষয় নয়। নারীকে অযাচিতভাবে উপস্থাপনা করে বেশি বেশি মুনাফা লাভ। সব চেয়ে বড় কথা যে কথিত সাইটের/সাইটগুলোর কারণে ব্যক্তিগত সম্পর্কে প্রতারিত হয়ে সে প্রতারণা পুনর্বাজারজাত হয়ে একজন নারীর নিপড়ীক হওয়ার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়াগুলো উন্মুক্ত থাকে, যেটি আপনিও বলেছেন।
আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। পোস্টে +
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫২

লেখক বলেছেন: আপনে মূল্যবান সংযোজনের জন্য ধন্যবাদ...

১৭. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ভাস্করদা, পিয়াল ভাইয়ের বক্তব্যে আমি কনট্রাডিকশন দেখতে পাই।

উনি ব্লগের আপাতভাবে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির ত্রিভুজকে স্বাধীনতাবিরোধী'র পাশাপাশি অ্যাডাল্ট সাইটের মডারেটর হিসেবে ট্যাগিং করেন।একটু খুটিয়ে দেখলে দেখা যায়, উনি রাজাকার প্রতি উনার যেমন তীব্র শ্লেষ,তেমনি অ্যাডাল্ট সাইটের মডারেটর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত কাউকে সামাজিকভাবে হেয় জ্ঞ্যান করেন।অ্যাডাল্ট সাইটের মডারেটর নীচু মানসিকতার কোন লোক।

সেই পিয়াল ভাই, যখন অ্যাডাল্ট সাইটে তার ধ্যান-জ্ঞ্যান মুক্তিযুদ্ধের আর্কাইভ সংরক্ষণ করেন,তখন তাঁরই দৃষ্টভংগিতে নীচু মানসিকতার কাজকে প্রোমোট করা হয়। এইটা কি স্ববিরোধিতা নয়?
২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: পিয়াল ভাই যখন ত্রিভুজ বা অন্য কাউরে ট্যাগিং করে পর্ন সাইট মডারেটর হিসাবে তখন সে মনে হয় ত্রিভুজের মতাদর্শিক মকারি নিয়া শ্লেষ করেন...সে নিজে মনে হয় না পর্নসাইট নিয়া খুব দ্বিধাগ্রস্ত মানুষ।

আর পিয়াল ভাইয়ের স্ববিরোধ নিয়া আমি আদৌ ভাবিত না...যৌবনজ্বালার সদস্যগো মোটিভেইট করা নিয়া আমি উল্লসিত হওনের কোন উপলক্ষ্য পাই না...আবার তারে নেতিবাচক মনে কইরা নাকচও করনের পক্ষপাতি না।

তার আর্কাইভ যদি আমার যৌবনযাত্রায় গিয়া খুঁজতে হয়, তাতে আমি আনন্দিত না হইলেও উন্নাসিক হমু না মনে হয়...

১৮. ২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪২
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: আমি যে কাজ করেন, সেই একই কাজ অন্যকরলে সেইটারে নিয়ে মকারি করার অধিকার বোধ কিভাবে থাকে?

আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হইলে আমার চটি লিখা যায়েজ আর তুমি জামায়াতীই বইল্যাই সেটা না যায়েজ-এইটাকেই আপনার স্ববিরোধীতা মনে না হইলে আমার কিছু বলার নাই।

মাঝের প্যারাটায় আপনার বক্তব্য আমার কাছে খুব অস্পষ্ট মনে হইলো।এখন ইবনে সিনা যদি মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে চায়, সেইটা নি আমি আনন্দিত না হইলেই উন্নাসিক হবোনা!

২১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ধরেন আমি যদি ত্রিভুজরে পর্নসাইটের মডারেটর হিসাবে খেপাই তাইলে কি ব্যাপারটা জায়েজ হয়? আমি তো পর্ন সাইটে যাই না বা সেইখানকার অ্যাডমিন হওনের বাসনা আমার নাই...হয় না।

পিয়ালরে যদি ত্রিভুজ রাজাকার কয় তাইলে সেইটা পিয়ালরে টিটকারী করা হইবো, ত্রিভুজের স্ববিরোধ না...আমি বুঝাইতে না পারলে ক্ষমাপ্রার্থী...

পিয়ালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়া ইমোশনরে আমি শ্রদ্ধা করি, কিন্তু সেইটা নিয়া তারে কখনোই আইকন বানানের কথা ভাবি না। তারে আইকন বানাইয়া ফেলনের প্রবনতাটাই এই ক্ষেত্রে কাল হইছে...পিয়ালের কাজে পারফেকশন খুঁজনের ব্যাপারটা আমার কাছে সেইরমই মনে হয়, যেইখানে পিয়ালরে প্রায় শেখ মুজিব সমপর্যায়ভূক্ত বানানের চেষ্টা আছে...

ইবনে সিনা'র মুক্তিযোদ্ধাগো সেবা দিতে চাওনের ধান্দা আর পর্ন সাইটভূক্ত আর্কাইভ আমি একরম দেখি না...ব্যাপারটা হইলো ২৫% কম খরচে সিটিস্ক্যান করাইতে আমি পপুলার ছাইড়া ইবনে সিনায় যামু কিনা তার লগে সম্পর্কীত...

১৯. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:

ভালো লাগছে, পোস্ট এবং মন্তব্যের আলোচনা উভয়ই....
২০. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২০
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++

"জনগণের মিলিত শক্তি শাসকরে বিচার করতে বাধ্য করবো " -একমত
২১. ২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৩
জামাল ভাস্কর বলেছেন: ধন্যবাদ সকলরে এই পোস্টে মন্তব্য দিয়া আমারে উৎসাহিত করার জন্য...যুদ্ধাপরাধীগো বিচারের দাবীতে আমরা কিভাবে সোচ্চার হইতে পারি...একটা জাতীয় দাবীর লগে ঐকমত্য জানাইতে পারি সেই বিষয়ে আগ্রহ পাইতেছি...
২৩. ২৮ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:১০
নিকো৮১২৩ বলেছেন: ভাল লেগেছে। অনেকগুলো + ++ ++++
২৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
বাদল চৌধুরী বলেছেন: ৪ দল বিচার করবে নাকি আওয়ামী লীগ বিচার করবে- এই দুই অপশনের মধ্যে চিন্তা সীমাবদ্ধ থাকাটাই হল সমস্যা। এটা প্রতিষ্ঠিত যে- ক্ষমতার প্রয়োজন ছাড়া তারা কিছুই করবে না। তাদের ঔদ্ধত্য প্রশ্রয় পায় রাজনীতিতে সাধারণের নিষ্ক্রিয়তায়।
২৫. ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
মুকুল বলেছেন: এইটা মিস কর্ছিলাম। +++++
২৬. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১:৫৮
আলিফ মাহমুদ বলেছেন: বহুদ্দিন বাদে পাইলাম।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৫৯১ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না পাওয়ার সম্ভাবনায় শৈশবে কোন চাওয়া ছিলো না আমার...মধ্যবয়সে এসে অনেক পাল্টে গেছি...এখন আমি চাইতে শিখেছি...কেবল না পাওয়ার সম্ভাবনাটা গেছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ