কখনো চাই নাই দূরে থাকি...তবু দূরগুলো বারে বারে আসে...

আসুন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলতে একসাথে মিলিত হই

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩

শেয়ারঃ
0 4 0

সামহোয়্যার ইন ব্লগের ব্লগারগো তিন বছরের ইতিহাসে একতাবদ্ধ হইয়া ইতিবাচক সংগ্রামে থাকনের অভিজ্ঞতা অনেক...ব্লগারগো মিলিত শক্তিতে আমরা সামাজিক অনেক ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হইছি। এইবার নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামি লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের জয়লাভের পর যখন যুদ্ধাপরাধীগো আইনী বিচারের মাধ্যমে নির্মূলের দাবী জনতার প্রধান দাবী হইয়া উঠছে, সেরম একটা সময়ে দাঁড়াইয়া আমরাও কি চুপ থাকতে পারি!

যুদ্ধাপরাধের বিচারের দাবীতে আমাদের পক্ষে যার যার অবস্থান থেইকা যতোদূর সম্ভব গণ সাক্ষর সংগ্রহ, পরবর্তীতে সকল ব্লগারের সংগৃহীত সাক্ষর একত্রিত কইরা নবম জাতীয় সংসদেরই প্রথম অধিবেশনে আমরা প্রধানমন্ত্রী বরাবর পৌছাইয়া জানাইয়া দিতে চাই এ দেশের জনগণ যুদ্ধাপরাধীগো কেবল নির্বাচনী ম্যান্ডেটেই পরাজিত করে নাই, উপরন্তু তারা সকল যুদ্ধাপরাধের বিচার চায়!

সকল ব্লগারের সুচিন্তিত মতামত এবং পরিকল্পনার মধ্য দিয়াই এই প্রক্রিয়ার সঠিক বাস্তবায়ন সম্ভব। আর সেই লক্ষ্যেই আমরা একত্রিত হইতে চাই আগামী শনিবার, ৩ জানুয়ারি, বিকাল ৫টায়, শাহবাগস্থ ছবির হাটে।আসুন এই সম্মিলনিতে যোগ দেই, সোচ্চার হই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে!

সম্মিলনীতে আলোচনার এজেন্ডা হইতে পারে নিম্নরূপ:
১. গণসাক্ষর সংগ্রহের ফর্মটা ফাইনালি কেরম হইবো সেইটা।
২.ফর্মটা কিভাবে বিতরণ করা হবে
৩. কিভাবে সাক্ষর সংগ্রহ করা হবে মানে অনলাইন ও বাস্তব মুড কি হবে
৪. যদি কেউ হার্ডকপি পাঠাতে চায় সেক্ষেত্রে একটা পোস্টাল এড্রেস
৫. অনলাইনে এই ফর্ম ফিলাপের জন্য কি কি অসুবিধা ও তার সমাধান
৬. নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ধাবন
৭. একটা ডেডিকেটেড গ্রুপ - যারা তাদের একটা ভাল সময় এর জন্য ব্যয় করতে পারবে
৮. শামীমের প্রস্তাব অনুযায়ী শেখ হাসিনার ভাষন ও ৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট একটা ভাষন ও অন্যান্য নথিপত্র অনুযায়ী একটা বুকলেট তৈরী...

আশা করতেছি সর্বোচ্চ সংখ্যক ব্লগার উপস্থিত থাকবেন আন্দোলনের মাঠে...


 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): রাজনীতি ;
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বস শুক্রবারে করলে কেমন হয়? একটা পিকনিক টাইপ করতে চাইতেসিলাম হের লগে এই দাবী যুক্ত হৈলো?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪০

লেখক বলেছেন: শনিবারটা আসলে আমি একেবারেই ব্যক্তিগত কারনে ঠিক করছিলাম বস...যদি শুক্রবারে বেশি ব্লগারের সমাবেশ সম্ভব হয় তাইলে সেইদিনেই হওয়া উচিত। তারপরেও সকলের মতামতের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেই চলেন। পোস্টে এই দুইদিন বিষয়েও মতামত নেই তাইলে...

২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৪৯
কৌশিক বলেছেন: শনিবার পিকনিকই থাকুক। তখন এ বিষয়ে আলাপ করা যাইতেই পারে। তবে যেহেতু সবাই একটু আনন্দমুখর থাকতে চাইবে, এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে আর বেশি না জরানোই ভাল। পিকনিকের দিন আমরা যা করতে চাই তার একটা প্রাথমিক পরিচিতি দেয়া যাইতে পারে। এবং বলা যাইতে পারে শনিবার বিকালে আমরা কেবল যুদ্ধাপরাধীদের বিষয় নিয়ে বসুম।

লক্ষ্য স্থির, সুনির্দিষ্ট এবং প্রত্যয়ী থাকার জন্য শনিবার বিকালকে সমর্থন করছি।
৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৫
কৌশিক বলেছেন: আমি একটা ড্রাফট ফর্ম তৈরী করলাম। এমন একটা ফর্মের সাক্ষর সংগ্রহ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট যেসমস্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার -

১. ফর্মটা কিভাবে বিতরণ করা হবে
২. কিভাবে সাক্ষর সংগ্রহ করা হবে মানে অনলাইন ও বাস্তব মুড কি হবে
৩. যদি কেউ হার্ডকপি পাঠাতে চায় সেক্ষেত্রে একটা পোস্টাল এড্রেস
৪. অনলাইনে এই ফর্ম ফিলাপের জন্য কি কি অসুবিধা ও তার সমাধান
৫. নতুন কোন পদ্ধতি উদ্ধাবন
৬. একটা ডেডিকেটেড গ্রুপ - যারা তাদের একটা ভাল সময় এর জন্য ব্যয় করতে পারবে
৭. শামীমের প্রস্তাব অনুযায়ী শেখ হাসিনার ভাষন ও ৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট একটা ভাষন ও অন্যান্য নথিপত্র অনুযায়ী একটা বুকলেট তৈরী...
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭

লেখক বলেছেন: আলোচনার এজেন্ডাগুলি পোস্টে আপডেইট কইরা দিলাম...

৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:০৪
সুহেল রাজজ বলেছেন: ভাইয়া আপনার সাথে আছি।

৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:২৫
যীশূ বলেছেন: শনিবারই হোক। থাকবো।

কৌশিকের আলোচনার বিষয়গুলো নিয়ে প্রস্তাবের জন্য কিছু চিন্তা ভাবনা করে আসতে অনুরোধ রইলো সবার কাছে।
১২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ দুপুর ২:৫১
অমিত বলেছেন: দাবীতে সহমত জানায় গেলাম।

কৌশিক বলেছেন:

তবে যেহেতু সবাই একটু আনন্দমুখর থাকতে চাইবে, এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে আর বেশি না জরানোই ভাল।

.................................................................................................

এইরম মন্তব্যে আসলে ব্যাপক ভরসা পাই। তাইলে ব্যাপারটা এখন স্পর্শকাতর ?
১৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
জামাল ভাস্কর বলেছেন: দিন তারিখ নিয়া ব্লগারদের মতামত প্রত্যাশা করতেছি...এখন পর্যন্ত শনিবারের পাল্লা ভারী...
১৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:০৮
কৌশিক বলেছেন: আমাদের কাছে স্পর্শকাতর তো বটেই। এটার সাথে ভোগ/উপভোগ জরানো যায় না।
১৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১০
কৌশিক বলেছেন: আমারও তাই মনে হইতেছে। শনিবার বিকালে ছবির হাটে করা যাইতে পারে। কিন্তু ঠান্ডায় পাবলিক জমাট হইয়া যাইবে না তো? তাছাড়া আমার মনে হয় কিছু কাগজ পত্র লইয়া বসাও উচিত হবে। এজন্য কোন আচ্ছাদন যুক্ত জায়গা হইলে ভাল হইতে। নিদেনপক্ষে টেবিল-চেয়ার।
১৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:১৫
জামাল ভাস্কর বলেছেন: ছবির হাটে মিলিত হইয়া আমরা কোথাও যাইতে পারি...মিলিত হওনটা জরুরী...
১৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সবার মন্তব্য আশা করছি ; যারা এই ব্লগে মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুগুলোতে সব সময় সোচ্চার থাকেন তারা মতামত দিন ...
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৩

লেখক বলেছেন: প্রয়োজনে একই আহ্বান নিয়া পোস্ট দিতে পারেন...সকলের অংশগ্রহণ চাই এই কার্য্যক্রমে...

১৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
হাসিব বলেছেন: মূল পোস্টের ৮ নাম্বার এ্যাজেন্ডা/৪ নাম্বার মন্তব্যের ৭ নাম্বার পয়েন্ট পুরো ব্যাপারটারে একটা পার্টিজান সাব-মুভমেন্টে রূপ দিতে পারে ।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন: আপনের মতামতের জন্য ধন্যবাদ...এমএসএনে আপনের লগে যোগাযোগ রাখুম আমরা যারা দেশে আছি।

এই এজেন্ডার পুরাটাই কেবল প্রস্তাবনা...সকলের মতামত নিয়া আলোচনার ভিত্তিতেই পুরা কর্ম পদ্ধতি নির্ধারনের পক্ষে আমি। আপাততঃ আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসাবে গণসাক্ষর সংগ্রহটারে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতেছি। সুদূর জার্মান এবং সকল ইউরোপস্থ বাংলাদেশিগো কাছ থেইকাই আমরা সাক্ষর সংগ্রহ করতে চাই...সকলের অংশগ্রহণ চাই...

১৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩২
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: শুক্রবার, শনিবার, রবিবার যেদিনই করেন কোনো সমস্যা নাই। আমি আছি আপনাদের সঙ্গে
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিয়াল ভাই...দেখা হবে রাজপথে, কথা হবে শ্লোগানে।

২০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৯
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: শনিবার সরকারী অফিস ছাড়া বেশির ভাগ খোলা, অফিস শেষ করে এসময় খূব কম লোক আসবে। আর ছবির হাটে তো বসতে হবে মাটিতে, এই শীতের দিনে এই কষ্টটা দিয়েন না। পাবলিক লাইব্রেরীর সিড়িটা বসার জন্য অনেক আরামদায়ক।
২১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৭
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: ৮. শামীমের প্রস্তাব অনুযায়ী শেখ হাসিনার ভাষন ও ৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট একটা ভাষন ও অন্যান্য নথিপত্র অনুযায়ী একটা বুকলেট তৈরী...

@ হাসিব এইটা হঠাৎ শুনলে সেরকমই মনে হয় বটে, তবে এটার মূল উদ্দেশ্য তাদের বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে তাদেরই উপর চাপ সৃষ্টি করা।
২২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫২
চাণক্য বলেছেন: বালক এত প্রচারণা করিয়া দলকে ক্ষমতায় বসাইবার পরে আবারো সেই সাক্ষরতা অভিযান???

জনগনকে পাগল পাইয়াছ কি? এখন যাহা করিবার সরকারেরই করিতে হইবে। জনগনের যতটুকু করিবার ছিল তাহার চাইতে অনেক বেশি করিয়াছে তাহারা।
২৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
কৌশিক বলেছেন: চাণক্য, ভুল বকিতেছো বালক..জনগণ পরিবর্তনের জন্য এবং অন্য কোন বিকল্প নাই বলিয়া দিয়াছে ব্যাপক মাত্রায়...তাহারা ইহাও জানে আওয়ামীলীগের চরিত্রও বিশেষ সুবিধার নয়....সুতরাং আনন্দে বগল দাবাইবার কোনই কারণ নাই...নাকে তেল দিয়া ঘুমাইলে জনগণের পশ্চাতদেশে আবারও নিজামীরা ঢুকে যাবে...
২৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:০৬
মাহবুব সুমন বলেছেন: অস্ট্রেলিয়ার শহরগুলোতে সাক্ষর সংগ্রহ করতে চাই। বিভিন্ন শহরগুলোতে যারা আছে তারা শহরভিত্তিক ভাগ করে দিতে হবে।

আমি ক্যানবেরা দেখবো।

অন্যান্য শহরে যারা আছে তারা আওয়াজ দেন জলদি।
২৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১০
বৃত্তবন্দী বলেছেন: বস, কি ডিসিশন হৈলো?
শুক্রবার চড়ইভাতি আর প্রাথমিক আলোচনা,
শনিবার ফাইনাল আলোচনার জন্য যতজন পারে ছবির হাট বা পাবলিক লাইব্রেরীর সিঁড়িতে?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১২

লেখক বলেছেন: এইটা হইলেতো খারাপ হয় না...

২৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৮
মুকুট বলেছেন: সাথে আছি, আপডেটের অপেক্ষায়। ওয়েবে সিগনেচার কালেক্ট করুন, এরপর হার্ড কপি হিসাবে জমা দিন। ফলে আমরা প্রবাসীরা অংশগ্রহন করতে পারব। ধন্যবাদ উদ্যোগের জন্য!
২৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:১৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পর পর দু'দিনের অনুষ্ঠান ...এতে কি পর পর দু'দিন একই সংখ্যক ব্লগার জমায়েত হবেন ?

পিকনিক এবং আলোচনা - এ দুটো উপলক্ষ্য মিলিয়ে যদি এক দিনেই বেশী মানুষ জমায়েত হয় , তবে মন্দ কি ?

দেখা গেল, এক দিন পিকনিকের পর তারা আবার অন্য কাজের কারণে পরদিন আসলেন না; সবারই অফিস কিনবা ব্যক্তিগত সুবিধা-অসুবিধা থাকবেই ...

কারণ, এ বিষয়টা তো এক দিনেই শেষ হবে না; সিরিয়াসলি এগিয়ে নিয়ে গেলে, আরো অনেক আলোচনার আহবান আসবে ...

তাই সবাই যাতে ঠিক মত সময় দিয়ে আসতে পারে, সেভাবেই আহ্বান দিতে হবে ।


এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত; তবে যদি কারো অসুবিধা না থাকে তাহলে যেভাবে বলা হয়েছে সেভাবেই থাক ।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:২৩

লেখক বলেছেন: শনিবারেই আসেন তাইলে...আপাততঃ মিলন ভেন্যু ছবির হাট...পরে পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়া বসা যাইতে পারে...

২৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:২০
বটগাছ বলেছেন: কৌশিক বলেছেন: নাকে তেল দিয়া ঘুমাইলে জনগণের পশ্চাতদেশে আবারও নিজামীরা ঢুকে যাবে..

+
২৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩১
বর্তমানবাংলা বলেছেন: যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই
৩০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৫
মাহমুদ৬৯ বলেছেন: সাথে ছিলাম, আছি এবং থাকবো।
৩১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৭
সুখী মানুষ বলেছেন: সাথে আছি।

কিন্তু একটা কাজে সিলেট যাচ্ছি আগামী দিন, ফিরবো রবি বার :(। পরে স্বাক্ষর করলে হবে?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪২

লেখক বলেছেন: অবশ্যই হবে...এই কর্মসূচী'র ব্যাপারে আমার অভিমত হইলো দীর্ঘমেয়াদে পরিচালনা করা...মিনিমাম একমাস...

৩২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৫
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
তৈলে এক কাজ করি পিকনিকটা ১৬ তারিখ পিছায়া নিয়া যাই।

আর শনিবারে যতজন আসেন সবাই মিলে বইসা স্বাক্ষর প্লাস পিকনিক বিষয়েও আলোচনা করা যাক?
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: ওকে বস...আমি পোস্টে শনিবার ফিক্সড কইরা দিতেছি...

৩৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৪৮
কৌশিক বলেছেন: বৃত্ত সেক্ষেত্রে পিকনিকের জন্য একটা বড়সড় আয়োজনই করতে পারেন। বাইরে, ভেনু ভাড়া কইরা।
৩৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৩
বৃত্তবন্দী বলেছেন: হ সেটাই চিন্তা করতাছি@কৌশিকদা
৩৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৫
ইমির বলেছেন: রাজাকারদের বিচার চাই
৩৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৪৯
নামহীন মানব বলেছেন: সাথে আছি। ইতিমধ্যে এই ডাক দিয়েছি। পোষ্টটি আপনি দেখেছেন কিনা জানি না।
Click This Link

সাথে বিশ্বব্যাপী জনমত গঠনের লক্ষ্যে ফেইসবুকে একটা গ্রুপ করেছি। সারা পাচ্ছি ভালই। তবে তার কতজন একটিভ থাকবে তা নিয়ে সন্দেহ আছে। মুখে সবাই চাই কিন্তু সময়মত কয়জনকে পাওয়া যায়?
৩৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫২
নামহীন মানব বলেছেন: দিন তারিখ আমার জন্য ঠিকই আছে।
যতরকম টেকনিক্যাল সাহায্য প্রয়োজন আমার সাধ্যমত দিতে রাজী আছি। ব্যক্তিগতভাবে ভাস্করদা হয়তো জানেন এই ব্যাপারে আমার সদিচ্ছার অভাব নেই।
৩৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
সত্যান্বেষী বলেছেন:
এই প্রথম আমি কোন পোস্ট স্টিকি করায় সত্যিকারের আনন্দ অনুভব করছি।


আ. লীগ এমনি এমনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে না। কিন্তু আমাদের কাজ হবে এদেরকে বাধ্য করা।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই। এবং দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে।
৪০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ বিকাল ৫:৫৩
সেলটিক সাগর বলেছেন:
সফল হোক এই উদ্যোগ।
৪২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৪
স্বজন বলেছেন: সাথে আছি। তবে দেশের বাইরে থাকায় কোন সম্মিলনে স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবনা।
৪৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১১
পারভেজ রবিন বলেছেন: আমি ঢাকার বাইরে থাকি তাই হয়তো যাওয়া হবে না।

@ চাণক্য, সরকার কে মনে করিয়ে দয়ার দরকার আছে। নতুন সরকার যুদ্ধঅপরাধীদের বিচার করবে না। সেই ইচ্ছা থাকলে আগের আমলেই করতে পারত। তখন জনকন্ঠের মত আওয়ামী ঘরনার পত্রিকাগুলোও জোরেসোরে দাবী করে নি। কারন নির্বাচনে এই প্রসঙ্গ তুলে বহু ফয়দা হাসিল করা যায়। সরকার এবারও চেষ্টা করবে ইস্যুটিকে জিইয়ে রাখার। তাই সরকারকে এই বিষয়ে একটি সুষ্ঠ সমাপ্তিতে আসার জন্য তাগিদ দেয়ার দরকার। আর সরকারের প্রথম পদক্ষেপ হবে এই বিচার শুরু করার আইনগত বাধা অপসারণ করা। যুদ্ধ অপরাধীদের যে সাধারন ক্ষমা ঘোষণা করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করতে হবে।
৪৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১২
সাদাসিধা বলেছেন: সম্মিলিত প্রয়াসে সফলতা আসুক-এটাই কাম্য। লক্ষ রাখছি, সংগে আছি।
৪৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:১৪
মেহেরুল হাসান সুজন বলেছেন: ইচ্ছে থাকলেও উপায় নেই। কারণ, আমি ঢাকার বাইরের লোক। তবে আছি আপনাদের সঙ্গে। এবার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতেই হবে আ.লীগকে।
৪৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: শুধু জার্মান আর ইউরোপের বাংলাদেশীগো সাক্ষর লাগবো ! আচ্ছা, ঠিকাছে।
৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

লেখক বলেছেন: মাইন্ড খাইয়েন না বস...ঐটা হাসিবের গন্ডীতে আছে বইলা কইছি...আপনে তো ক্যানবেরার দায়িত্ব নিজে আগেই নিয়া নিছেন...যদিও আপনে নিখিল অস্ট্রেলিয়ার দায়িত্ব নিতে চাইবেন বইলা ভাবছিলাম...

৪৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:২৯
স্কাই বলেছেন: চলছে মিছিল চলুক মিছিল
নাইরে সময় নাই
ঘাতক তোদের রক্ষা যে নাই
এবার ফাঁসি চাই....................
৪৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪০
অরণ্যচারী বলেছেন: সব সময় সাথে আছি। +++++++++++++
৪৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৮
মাহবুব সুমন বলেছেন: :) আছি বস। সব কয়টা শহরে কাজ ভাগ কইরা দেয়া হবে, ইনশাল্লাহ। সাধ্যের পুরাটা দিমু।
৫০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫১
এরশাদ বাদশা বলেছেন: অতি চমৎকার প্রস্তাব। চানক্যের মন্তব্যের জবাবে কৌশিকদার মন্তব্যটা সমর্থন করছি। শেখ হাসিনা যদি শায়খুল হাদিসের মতো আত্মস্বীকৃত রাজাকারের সাথে জোট বাঁধার মতো গর্হিত কাজও করতে পারে, তাহলে ওয়াদা ভুলে যাওয়াটা বিচিত্র কি? হাসিনাকে দৌড়ের উর্পে রাখতে হবে; পিছন থেকে সম্মিলিত ধ্বনিটা সবসময় তার কানে পৌছাতে হবে। তবেই যদি কিছু হয়।

সা,ইন ভার্চূয়াল জগতটাকে একটা ধাক্কা দিয়েছে। সা,ইনের পাতায় যেভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে প্রচারনা চলেছে, (মডুরাও শেষমেষ বাধ্য হয়েছে ব্যানার লাগাতে) তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। এবার আসল কাজে হাত দিতে হবে। সবার আগে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই।
৫১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
এরশাদ বাদশা বলেছেন: ওয়েবে কি ভাবে স্বাক্ষরটা কালেক্ট করা হবে একটু প্ল্যানটা বলবেন। আমি দেশের বাইরে.....
৫২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৫৪
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন: শনিবার, একফাঁকে চলে আসবো। এই যুদ্ধে থাকতেই হবে।
৫৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৩
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: এমন একটি কাজে থাকবো না এটা হতে পারে না। যতটুকু সম্ভব করার চেষ্টা করবো।
৫৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: খবরে দেখলাম এ টি এন বাংলার চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারী বানিয়েছেন ... ওটা কতটা কাজে লাগতে পারে কেউ বলতে পারবেন কি ? আমাদের আন্দোলনে ওটা ব্যবহার করলে এ টি এন হতে পারে আমাদের মিডিয়া প্লাটফর্ম ...

কোন ফর্মের উপরে স্বাক্ষর করতে হবে সেটা ফাইনাল করে দিন ... হাসিব ভাই এর প্রতিবেশী দেশ থেকে যত বেশী সম্ভব স্বাক্ষর করাবো ...
৫৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
পুরানপাগল বলেছেন: এরশাদ বাদশা বলেছেন: ওয়েবে কি ভাবে স্বাক্ষরটা কালেক্ট করা হবে একটু প্ল্যানটা বলবেন। আমি দেশের বাইরে.....


দুবাই থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহের দায়িত্ব আমি নিলাম।

অবশ্যই এই যুদ্ধে সাথে আছি এবং থাকব। অঙ্গীকার করলাম।

৫৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:০৭
আমি ও আমরা বলেছেন: এবারে নির্বাচন হচ্ছে জনগনের একটা রায়, যেখানে জনগন মৌলবাদ ও স্বাধিনতা বিরোধীদের জুতা মেরে দিছে। এটা দরকার ছিল।
এখন দেখা যাক উনি কি করেন। জনগন একটা দল কে ভোট দিলেই এই না যে জনগন সেই দল্টাকে চাইল, এর অর্থ হচ্ছে---জনগন একটা কিছু চাচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নের জন্য একটা পথ বেছে নিল একটা দলের উপর দায়িত্ব দিল। এখন আমাদের সুনির্দিষ্ট ভাবে নতুন সরকারকে বুঝাতে হবে তার দায়িত্ব। এই পদক্ষেপ্টা সফল হোক।
প্রবাস থেকে যতদূর পারবো করে যাবো। আছি আমি।

অনলাইনে একটা ফরম পুরোনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
৫৭. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১১
আরিল বলেছেন: kowshiks comment made me revisit the good site: http://www.genocidebangladesh.org

i also would like to share rezwans article on this for those of you who dont know:
Click This Link

this is the right time to press forward the public demand!
৫৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:১৪
আমি ও আমরা বলেছেন: সাঃহোঃইন এ একটা অনলাইন স্বাক্ষর ফরম ষ্টিকি করা যেতে পারে। প্রবাসীরা দ্রুত তাদের স্বাক্ষর দিতে পারবেন। যে কজন ই হোক অল্প হোক কিন্তু আন্দোলন টা এখান থেকেই শুরু হোক
৫৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:২৩
ওয়ার হিরো বলেছেন: হ, আসতাছি।
সাধ্যে যা কুলায় সব করমু।
৬১. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৪৪
অমিত আহমেদ বলেছেন: সাথে আছি।

আমার সাজেশন - দেশ ও শহর ধরে কমিটি তৈরি করে ফেলা হোক, যারা টার্গেট মনে রেখে স্বাক্ষর কালেক্ট করবেন। বিশেষ করে যেসব দেশে বাংলাদেশী বেশি। যেমন - আমেরিকা, ইউকে, সৌদি, ইউএই, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মান ও ইইউ এর অন্য দেশ...
৬২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫০
সহণ বলেছেন: এই অধম আপনাদের মাঝে নতুন, দায়িত্ব দিয়ে ভরসা পাবেন কিনা জানিনা। উপস্থিত থাকতে মন চায়, কিন্তু করার কিছু নাই, প্রবাশে পেটের দায়ে।

অনুমতি দিলে আবুধাবী'র দায়িত্ব আমি বহন করতে প্রস্তুত আছি।
আর আমার .
if possible please send me through my mail id-




আর U,A,E তে অবস্থানরত ভায়েরা আসুন আমরা একেঅপরকে সাহাজ্য কৈ এই শুভ উদ্যোগে।
৬৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫১
বিপ্লব কান্তি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী বা যে কোন অপরাধির বিচার হোক হইজগতে সেটাই চাওয়া।

কিন্তু বাংলাদেশের কোন সরকার ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে না। ১৪ দলীয় জোট ও পারবে না।

সংগ্রাম করেন, স্বাক্ষর, টিপসই সংগ্রহ করেন, বিচার না হলে নাখোশ হইয়েন না।

নিজের উপর সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন এই ভেবে যে, আমরা বিচার চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি।

৬৪. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ সন্ধ্যা ৭:৫৬
'লেনিন' বলেছেন: "চাণক্য বলেছেন: বালক এত প্রচারণা করিয়া দলকে ক্ষমতায় বসাইবার পরে আবারো সেই সাক্ষরতা অভিযান???

জনগনকে পাগল পাইয়াছ কি? এখন যাহা করিবার সরকারেরই করিতে হইবে। জনগনের যতটুকু করিবার ছিল তাহার চাইতে অনেক বেশি করিয়াছে তাহারা। "

একমত হতে পারলাম না। সরকার জনগণের মনোভাবের প্রতিনিধিত্ব করছে কীনা তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে খুব সপ্রতিভভাবে এই সংক্রান্ত উত্তর দিতে দেখলাম না। কী এতো কাজ ছিলো, এতো সংক্ষিপ্ত করা খুব জরুরী ছিলো কী?
৬৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৮:১২
লাল দরজা বলেছেন: অনেক মন্তব্য, কে কি লিখছে পইড়া দেখি, তবে ছবির হাটে বিকালে একটা মাছের বাজার বসে সেই বাজারে বইসা এই আলাপ সিরিয়ালি হইব না এরচে পাবলিক লাইব্রেরীর সিড়ি অনেক ভালো্। পরে এই বারতা সব হাটে মাঠে পেীছানো যাবে।

আর পিকনিক কই হইতাছে! আজিব ব্যাপার কোনো খবর পাইলাম না? :(
৬৯. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:১৫
লিপিকার বলেছেন:

চমৎকার উদ্যোগ......

যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই
৭০. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:২৩
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
হাসিব বলেছেন: মূল পোস্টের ৮ নাম্বার এ্যাজেন্ডা/৪ নাম্বার মন্তব্যের ৭ নাম্বার পয়েন্ট পুরো ব্যাপারটারে একটা পার্টিজান সাব-মুভমেন্টে রূপ দিতে পারে ।

@ হাসিব ভাই,
মনে হচ্ছে আপনি ভুল বুঝে এমন কমেন্ট করেছেন। অথবা এটা হতে পারে প্রস্তাব উপস্থাপনার ভুল বোঝাবুঝি।

আমি যে প্রস্তাবটি রেখেছিলাম তার প্রেক্ষাপটটি বলি। অমি রহমান পিয়াল ভাই যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে সংসদে দেওয়া শেখ হাসিনার একটি ভাষণ পোস্ট করেন। তার প্রেক্ষিতে ব্লগার হট্টগোল একটি পোস্ট দেন। যার শিরোনাম- "হাসিনার যুদ্ধাপরাধী বিষয়ক ভাষণটি পোস্টার হিসেবে ছাপা হোক। খরচ আমার।"

সেই পোস্টে কমেন্ট করতে গিয়ে আমি বিকল্প একটি প্রস্তাব দেই। সেটি এখানে হুবহু তুলে দিচ্ছি।

"৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:৫৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ভাই, আমি বিকল্প একটা প্রস্তাব দেই। ভেবে দেখতে পারেন।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য বাংলাদেশে সবচেয়ে ভালো ভাষণ ১৯৭৩ সালে দিয়েছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর। সেই ভাষণে তিনি বিস্তরিত ব্যাখ্যা করে বিচারের আইনী ভিত্তি দাড় করিয়েছিলেন।

তাছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম (ট্রাইবুন্যাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর সহজ বাংলা নেই। ইংরেজিতে মুল আইনটা আছে। মূলত এই আইনটি দিয়েই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কর সম্ভব। এই আইনের ১৯ ধারায় বলা হয়েছে কিভাবে ট্রাইবুনালে লোকজন নিউজপেপার কাটিং কে এভিডেন্স হিসাবে উপস্থিত করতে পারবেন। যারাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাচ্ছেন তাদের এই আইনটা সমন্ধে ধারণা থাকলে ভালো হয়। তাহলে বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হবে।

মনোরঞ্জন ধরের ভাষণ, আইনটির বাংলা ভার্সন এবং শেখ হাসিনার ভাষণ - এই তিনটিকে একসাথে এনে ছোট বুকলেট আকারে প্রকাশ করে সাধারণ লোকজনের কাছে পৌছাতে পারলে বিষয়টি আরো ফলপ্রসু হবে বলে আমার কাছে মনে হয়।"

এখন আপনি কোনটাকে পার্টিজান সাব মুভমেন্টের নিয়ামক বলছেন আমার কাছে তা বোধগম্য নয়। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম (ট্রাইবুন্যাল) অ্যাক্ট ১৯৭৩ এর সহজ বাংলা ? আইনটির ইংরেজি ভার্সন বাংলায় ভাষান্তর করে বুকলেট করলে লোকজন অধিক সচেতন হতে পারবে বলে আমার মনে হয়েছে।

মনোরঞ্জন ধরের ১৯৭৩ সালের ভাষণ? এই ভাষনটিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আইনগত ভিত্তির সুন্দর বর্ণনা রয়েছে। এই ভাষণটির ব্যাপারে জানতে পারলে লোকজন আরো সচেতন হবে।

শেখ হাসিনার ভাষণ? এ ব্যাপারটিতে আমারো কিছুটা অন্যমত রয়েছে। তবে এটা যদি এমনটা হয় যে শেখ হাসিনার কথা তাকে মনে করিয়ে দেওয়া তাহলে অবশ্য ঠিক আছে।

আপনার মত জানতে পারলে ভালো লাগতো।
৭২. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪২
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: দারুন উদ্যোগ....সর্বদা সাথে আছি....আমার আগামীকাল সিলেটে যাবার সম্ভাবনা....ঢাকায় থাকলে অবশ্যই দেখা হবে শনিবার।

যেহেতু ঢাকায় ব্লগার সংখ্যা বেশী, কাজেই এখানে এলাকাভিত্তিক ভাবে সাক্ষর সংগ্রহের আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিলে ভাল হয়। উত্তরাতে আমি আছি। অন্যান্য এলাকায় যারা যারা থাকেন তারা এগিয়ে আসবেন দয়া করে। বাদবাকী শহরগুলোতেও ব্লগাররা কম থাকেন না। কাজেই পূর্ন জনমত পাওয়া যাবে।

বুকলেট তৈরী তো খুব কঠিন হবেনা। ব্লগেই অনেক তথ্যপ্রমানাদি ছড়ানো আছে। সেখান থেকে সংগ্রহ করা যেতে পারে। তবে সরকারী দলের বক্তব্যধর্মী প্রমানাদি বেশী রাখলেই ভাল। এতে তাদের উপর চাপ সৃষ্টি হবে।
৭৩. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ৯:৪৫
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ১৯৭৩ সালে দেয়া মনোরন্জন ধরের ভাসনের কি কোন ওয়েব লিংক আছে?@শামীম
৭৫. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:০৯
মনির হাসান বলেছেন: খাড়ান .... খালি সাক্ষরতা না ... এই সব সাক্ষর মাক্ষর পুরান হয়া গ্যাছে ... হার্ডকোর একশন চাই ... আরেকটু জোরালো কিছু ...

আমরা ফেইসবুকের গ্রুপ থেকে ভাবতেছি প্রথম অধিবেশনের দিন ...
সংসদ ভবনের আশেপাশে বা যে রাস্তা দিয়ে সাংসদ'রা ঢুকবে ... সে সব রাস্তার ফুটপাথে ... বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, পোস্টার হাতে দাড়ায় থাকব ...

এখনও প্ল্যানিং হয় নাই ... ব্লগারস্‌ এবং ফেইসবুক ইউজারদের একসাথে করলে বিশাল একটা সংখ্যা পাওয়া যাবে ...
সামনা সামনি আলাপ করতে হবে ...

যাই হোক সাক্ষর গ্রহনের লগে আছি ....
নেক্সট শনিবার বিকাল ৩ টায় আস্তেছি ...

পারলে আমাদের আগের "আকাম"টা দেইখেন ...

Click This Link
৭৬. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:১২
একরামুল হক শামীম বলেছেন: ওয়েবলিংক আমার জানামতে নাই। @ সামী ভাই।
৭৮. ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০০৮ রাত ১০:২৮
জানা বলেছেন:

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকরের দাবিতে আহত হয়ে একজন মাইনাস দিয়ে দিয়ে গেছে চুপিসারে। :-*
৮১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: আপনাদের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
৮২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: জানা বলেছেন:

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কার্যকরের দাবিতে আহত হয়ে একজন মাইনাস দিয়ে দিয়ে গেছে চুপিসারে। :-*

==========

উনাকেও মাইনাস ফর্মূলায় ফেলে দিলে কেমন হয় ? :)
৮৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭
মরুবিজয় বলেছেন: শিক্ষা - মুক্ত চিন্তা চেতনা - বাঙ্গালী ঐতিহ্য - ইতিহাস - সাংস্কৃতি - নারী স্বাধীনতা - ধর্মনিরপেক্ষতা - জাতীয়তাবাদ - সার্বভোত্ব - সভ্যতা - দেশপ্রেম

---------- ওরা এই সবকিছুর শত্রু - ওদের বিচারে সরকারের অনিহা থাকলে - তখন আমাদেরই এর ব্যবস্থা নিতে হবে - আর এর জন্য চাই আমাদের ঐক্য - প্রয়োজনে পথে ঘাটে যেখানেই দেখা হবে - শ্লোগান হবে "তুই রাজাকার" - তারপর জুতা নিক্ষেপ - তারপর ......... বলবো না

শুনেছি এই সরকার জাতিসংঘের অনুমোদিত সুনির্দিষ্ট আইনী পন্থায় যুদ্ধাপরাধী বিচারের ব্যবস্থা করছেন - কিন্তু আমরা চাই সকল এর বাস্তবায়ন - যেহেতু দলমত নির্বিশেষে দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে - কোন হেলাফেলা আর বরদাস্ত করবে না প্রজন্ম
৮৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আলোচনা'র তারিখে কি কোন পরিবর্তন হচ্ছে, নাকি এটাই নির্ধারিত থাকছে ?
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: শনিবার দিনেই সম্মিলনী হইবো বইলা ধার্য্য করা হইছে...

৮৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০৬
নূহান বলেছেন: অবশ্যই সাথে আছি
৮৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৫
শামীম রিয়াজ বলেছেন: ভাস্করদা আশা করি ফর্মটার একটা ফাইনাল ফর্মেট এই পোস্টেই পাব। আমিও দেশের বাইরে থেকে কিছু সাইন কালেক্ট করে কন্ট্রিবিউট করতে চাই।
ধন্যবাদ এবং নতুন বছরের শুভকামনা
৮৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৭
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: + ও - কোনটাই না। সবাই শুধু এ দেশীয় ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায়। কেউই জীবিত পাকি যুদ্ধাপরাধী সৈন্যদের যুদ্ধ দ্বাবী করে না কেন? মূল হুকুমের আসামী ছাড়া কি সুবিচার হবে?
৮৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪
একজন সুখীমানুষ বলেছেন: শনিবারে অবশ্যই থাকবো। আমরা ৫০জনের মত ছাত্র NAPE এর একটা প্রজেক্টে দেশের বেশীরভাগ জেলার কতগুলি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভিজিট করব। সে সময় আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে পারি।
৯০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৭
পথিক!!!!!!! বলেছেন: সমর্থন ...দিলাম


কিন্তু শুক্রবার বিকালে হলে ভালো হয়..
পিকনিক এর মধ্যে আইলো কেমনে?

পিকনিকের দিন শুধুই পিকনিক হলে ভালো...

দিন নির্দিষ্ট করে বলে দেন...প্লিজ
৯২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫০
রায়হান(তন্ময়) বলেছেন: শনিবার আমি থাকতে পারুম না :( । শুক্রবার ছাড়া টাইম নাই। :(
৯৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২০
পথিক!!!!!!! বলেছেন: ৫০ তম + টি আমার দেয়া
৯৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২২
সাদাকালোরঙিন বলেছেন: প্রবাস জীবন থেকে এমন উদ্যোগে শামিল হলাম।
৯৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২৪
এস্কিমো বলেছেন: সমর্থন দিয়ে গেলাম।
৯৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৪৬
অরণ্য আনাম বলেছেন:

۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥۩ ♥۩ ♥
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
**************“|||| H A P P Y NEW YEAR |||||”****************
***************!!!!.........শুভ ইংরেজি নববর্ষ……!!!!*****************
______________╔══╦══╦══╦══╗_________________
______________╚═╗║╔╗║╔╗║╔╗║_________________
______________╔═╝║║║║║║║╚╝║_________________
______________║╔═╣║║║║║╠═╗║_________________
______________║╚═╣╚╝║╚╝╠═╝║_________________
______________╚══╩══╩══╩══╝_________________
|*************************````~~~~~~~````**********************|
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥ ۩ ♥۩ ♥۩ ♥
৯৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২৯
নুশেরা বলেছেন: সর্বান্ত:করণে এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি।
৯৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০০
মুনীর উদ্দীন শামীম বলেছেন: একটি কার্যকর উদ্যোগ। আ লীগ তার নির্বাচনী মেনিফেস্টোতে বিষয়টি অন্তর্ভূক্ত করেছে। এখন প্রয়োজন চাপ সৃষ্টি। বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন এঙ্গেলে। এ চাপগুলোই সম্মিলিত শক্তিতে পরিণত হবে।
ব্লগার কৌশিকের ফরমেটটি পছন্দ হয়েছে। এটি সার্কুলেট করা যেতে পারে।
ব্লগাররা বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। দেশের ভেতরে এবং বাইরে। ফলে আমার মনে হয় কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা যেতে পারে। যারা এ উদ্যোগটিতে সমন্বয় করবেন। আর স্বাক্ষরের ফরমেটটি চুড়ান্ত হয়ে গেলে এটি আগ্রহী ব্লগারদের কাছে পাঠানো যেতে পারে। ই-মেইলে পাঠালে চলবে। সংশ্লিষ্ট ব্লগার প্রিন্ট করে তার নিজস্ব যে পরিমন্ডল আছে সেখান থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন। জনমত তৈরি করবেন। তারপর কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির কাছে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দিবেন।
এ কাজটি করার জন্য একটি আলাদা ই-মেইলও খোলা যেতে পারে। কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি/বর্গ যেটি মেইনটেইন করবেন।
.............................................................................................
দাপ্তরিক কারণে আমি এ সপ্তাহে ঢাকার বাইরে। তবে কাজটির সাথে যুক্ত হতে চাই।
১০০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১২
মীতু বলেছেন: এই যুদ্ধে আমিও শরিক হতে চাই ।
১০১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:২৮
মুকুল বলেছেন: সাথে আছি কমরেড। এটা জনগণের প্রাণের দাবী।
১০২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩০
িশপু বলেছেন: যত তাড়াতাড়ি সমভব.....আছি আমিও....
++++++++++++++++++++
১০৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫
কলুর বলদ বলেছেন: শনিবার ঢাকায় থাকার সম্ভাবনা ৫০-৫০...থাকলে অবশ্যই আসব.....+++
১০৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩৬
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
সাথে আছি।
শনিবার দেখা হবে ছবির হাটে।
১০৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪১
অন্তিম বলেছেন: এটাই এতদিন ধরে চেয়েছিলাম।

নিশ্চই শনিবারে দেখা হবে।
ভাল উদ্যেগ।
১০৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৪
নয়া বোকাই বলেছেন: তাইলে কি শনিবার
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: শনিবার...

১০৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২১
ইমন ০০৭ বলেছেন: সর্বান্ত:করণে এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি।
১০৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
সামী মিয়াদাদ বলেছেন: সিলেটে যাবোনা.....শনিবার অবশ্যই থাকবো.....এই মহতী উদ্যোগকে সবাই মিলে সফল করতেই হবে
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সামী...

১০৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
নয়া বোকাই বলেছেন: অবশ্যই আসবো ......
১১০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
দিকভ্রান্ত উন্নাসিক বলেছেন: ভাই আমি আছি ... যদি ও শরীরটা ভাল না ... তবু ও আমি আসব ।
১১১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২১
মুহম্মদ জায়েদুল আলম বলেছেন: সাথে আছি। ওইদিন ঢাকার বাইরে থাকবো, আমার সাক্ষরটা কিভাবে পাঠানো যায়?
১১২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৯
হুমায়ুন কবির হাকিম বলেছেন: বিপ্লব কান্তি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধী বা যে কোন অপরাধির বিচার হোক হইজগতে সেটাই চাওয়া।

কিন্তু বাংলাদেশের কোন সরকার ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পারবে না। ১৪ দলীয় জোট ও পারবে না।

সংগ্রাম করেন, স্বাক্ষর, টিপসই সংগ্রহ করেন, বিচার না হলে নাখোশ হইয়েন না।

নিজের উপর সন্তুষ্ট থাকতে পারবেন এই ভেবে যে, আমরা বিচার চেয়েছিলাম, কিন্তু পাইনি।

কান্তি, ১৪ দলীয় জোটও পারবে না কেন???? নাকি করবে না ??? আর বিচার না পেলে নাখোশ হব না কেন???? তুমি কি আগেই জানো যে বিচার হবে না???? একটু বুঝাইয়া বলো বাচ্চু......

এনিওয়ে সাথে আছি.......
১১৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৫০
তৌহিদ* বলেছেন: সীমান্ত ও এয়ারপোর্ট এ পাহারা বসাইতে হবে যাতে কোন রাজাকার পালাইতে না পারে। ঢাকার বাইরে থাকলেও আছি সবার সাথে।
১১৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:১৬
নাফিস ইফতেখার বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীর সপক্ষে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে........
১১৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

সমর্থন থাকলো ।

আপডেট দিয়েন ।
১১৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
খালেদা আকতার বলেছেন: সর্বান্ত:করণে এই উদ্যোগের সাফল্য কামনা করি।
১১৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪
সেকেতুরে বলেছেন: এই উদ্যেগ কে বাস্তবে পরিনত করতে হবে। সাথে আছি।
১২১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আজন্ম সমর্থন আমার। ভেন্যু ব্যাপক পছন্দ হইছে। এই ছবির হাটের সাথে শুরু থেকেই জড়িত আমি। সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিন আমরা এখানে আড্ডা দেই। ছবির হাটের পাঁচ বছর চলছে...জয় হোক মানবতার। ধ্বংস হোক মৌলবাদ। যুদ্ধাপরাধীরা নিপাত যাক...শনিবার দেখা হচ্ছে...
১২২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৫
উন্মোচক বলেছেন: নির্বাচনের ফলাফলে সন্দেহের উদ্রেক ঘটায় যেসব ব্যাপার

২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোটের নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিনের অগণতান্ত্রিক শাসন থেকে গণতন্ত্র হত্যাকারীদের শাসনে পদার্পণ করেছে। এ নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে নানারকম হিসেব নিকেশ চলছে, চলবে। বিগত নির্বাচনগুলোর ভোটের হিসাবের সাথে এবারের নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ হওয়াতেই এসব জল্পনা-কল্পনা। অন্যদিকে মাঠপর্যায়ের জরিপগুলোর সাথেও তেমন কোনো মিল নেই এ ফলাফলের। যদিও আপাত দৃষ্টিতে নির্বাচন সুষ্ঠূ হয়েছে এবং বিভিন্ন নির্বাচন পর্যবেক্ষকদল তার সার্টিফিকেটও দিয়েছেন, তা সত্ত্বেও এবারের নির্বাচনে এমন কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়েছে যা এধরনের একপেশে ফলাফলকে সন্দেহবিদ্ধ করার জন্যে যথেষ্ট।
১/১১ এর পটপরিবর্তনের পর সুশীল-সামরিক জোট সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই সেই সরকারের আওয়ামীপ্রীতি জনগণের দৃষ্টিগোচর হতে থাকে। দুর্নীতির নামে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢালাও গ্রেফতারের মাধ্যমে এই পক্ষপাতিত্বের সূত্রপাত। আওয়ামী আমলে দুর্নীতির হার কয়েকগুণ বেশি হওয়া সত্ত্বেও আশ্চর্যজনকভাবে আওয়ামী নেতাকর্মীদের ধরপাকড় তুলনামূলক কম করা হয়। ৭ নভেম্বরের জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ছুটিকে বাতিল করা এবং ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করায় সরকারের একতরফা আচরণের প্রকাশ ঘটে। এছাড়াও বিএনপির সংস্কারপন্থী বিদ্রোহী নেতাদের প্রতি সরকার তথা সিইসির পক্ষপাতমূলক আচরণ বিএনপি ভাঙনে সরকারের দুরভিসন্ধির বহিঃপ্রকাশ ছাড়া আর কিছু ছিল না। নানা অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতে কখনো মাইনাস টু ফর্মুলা কখনো চাপানো সংস্কার আবার কখনোবা জাতীয় ঐক্যমতের সরকার গঠনের আইডিয়া প্রকাশ হতে থাকে। এর সবই জনগণ একে একে প্রত্যাখ্যান করতে থাকলে অবশেষে সরকার নিরুপায় হয়ে টালবাহানাসুলভ আচরণ ত্যাগ করে নির্বাচনের ব্যাপারে জনগণকে আশ্বস্ত করে। এরই মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে চরম ধস নামে। অগণতান্ত্রিক সরকারের কারণে দেশ ২০ বছর পিছিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেন বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে যে দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার বাহানায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করেছিল তার সামান্যই বাস্তবায়িত হয় এ আমলে। টিআইবির রিপোর্টে ধরা পড়ে যে, বড় দুর্নীতিগুলোর ক্ষেত্রে একটা ধাক্কা এলেও ছোট দুর্নীতিগুলো বহুগুণে বেড়ে যায় এ সময়।
সব মিলিয়ে কিছু সাফল্য সত্ত্বেও অসাংবিধানিক সরকারের ব্যর্থতার খতিয়ানটিই নিঃসন্দেহে বড় হয়ে পড়েছিল। সুতরাং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্যে পরবর্তী সরকার এমনটি হওয়া আবশ্যক হয়ে পড়ে যারা তাদের সব কাজের বৈধতা দান করে তাদের রেহাই দেবেন। সেই সময় শেখ হাসিনাই এগিয়ে আসেন তাদের উদ্ধারে। ঘোষণা দেন নির্বাচিত হলে তাদের সব কাজের বৈধতা দেবেন। ফলে আ’লীগ স্বাভাবিকভাবেই পরিণত হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রিয়ভাজনে।
এমতাবস্থায় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে থাকে সরকার। এ লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপে সিইসির পক্ষপাতিত্ব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগের সাথে সংলাপে সিইসি শেখ মুজিবুর রহমানের ভূয়সী প্রশংসা এবং মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদানকে অকুণ্ঠচিত্তে স্মরণ করলেও বিএনপির সাথে সংলাপে এধরনের সৌজন্য দেখান নি। নির্বাচনের পূর্বে সিইসি এবারের নির্বাচনকে ৭০’র নির্বাচনের মতো করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। যার প্রতিফলন আমরা বাস্তবেই পেয়েছি এবারের নির্বাচনে।
নির্বাচনী প্রচারণার শুরুতেই আওয়ামী লীগের অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী মনোভাব ধরা পড়ে। এর আগে শেখ হাসিনার দীর্ঘ বিদেশে অবস্থান এ আত্মবিশ্বাসের গোপন নিয়ামক শক্তি হতে পারে। সাথে সাথে এতদিনের পক্ষপাতমূলক অবস্থান থেকে সরে এসে সিইসিও নিরপেক্ষ আচরণ শুরু করেন। অপর দিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে নির্বাচন প্রস্তুতিকালীন এমন আত্মবিশ্বাস দেখা যায়, যা সচেতন মহলের মনে সংশয় সৃষ্টি করে। বিশেষত আওয়ামী লীগের ভিশন-২০২১ এবং শেখ হাসিনার রাষ্ট্রপ্রধানসূলভ ভাব নিয়ে দেশের রাঘববোয়ালদের সাথে একাধিক মতবিনিময় সংশয়কে আরো বৃদ্ধি করে। তাদের আত্মবিশ্বাস এবং চরিত্রের অবিশ্বাস্য ইতিবাচক পরিবর্তন দেখে এক গল্পের কথা মনে পড়ছিল। যেখানে গ্রামের এক গবেট ছাত্র পরীক্ষার আগে কোনো এক ফকিরের তাবিজ পেয়ে পড়াশোনা ছাড়াই পরীক্ষায় খুব ভালো করার ব্যাপারে চরম আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে এবং সহপাঠীদের সাথে পড়াশোনার প্রসঙ্গ উঠলে পড়াশোনাকে খুব সহজ ব্যাপার হিসেবে চালিয়ে দেয় এবং গর্বভরে বলে, “এতদিন পড়াশুনা করি নি বলে কিছু পারতাম না, এখন বই-পুস্তক ধরে দেখছি এতদিন অযথাই ভয় করেছি ওসব। পড়লে সবকিছুই খুব সহজ।”
তবে গল্পের এই গবেট ছাত্রটির সাথে আ’লীগের নেতাকর্মীদের আত্মবিশ্বাসের পার্থক্যটা হলো, ফকিরের তাবিজ সেই ছাত্রটিকে সাফল্য দিতে পারে নি কিন্তু আ’লীগকে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী সেই অদৃশ্য শক্তিটি বিজয়ী করতে সক্ষম হয়েছে।
নির্বাচনে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন জরিপ প্রতিষ্ঠানের জরিপে আ’লীগের এমন একচেটিয়অ বিজয়ের আভাস তো ছিলই না বরং অনেকক্ষেত্রে চারদলের বিজয়ের সম্ভাবনাই ছিল উজ্জ্বল। অন্ততপক্ষে একটি ভালো প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করা হয়েছিল নির্বাচনে। উপরন্তু মাঠে-ময়দানে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরন্তর প্রচেষ্টার তুলনায় শেখ হাসিনার প্রচেষ্টা কম দৃষ্টিগোচর হওয়া সত্ত্বেও এই নির্বাচনে বিএনপিসহ চারদলীয় জোটের নজিরবিহীন পরাজয় স্বাভাবিকভাবেই অনেক প্রশ্নের জন্ম দেয়।
নির্বাচনে আপাত দৃষ্টিতে কারচুপির কোনো ঘটনা ধরা না পড়লেও জনগণকে যে বড় কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা করা হয়েছে তা নির্বাচনের ফলাফলে ধরা পড়ে। এ ধরনের ফলাফলের জন্যে ময়দানে জয়ী দলটির পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হতে হয়। এবারের নির্বাচনে সেই ধরনের একচেটিয়া গণজোয়ার দেখা যায় নি। বরঞ্চ একাধিক আসনে ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণে যা দেখেছি তাতে চারদলের পক্ষে গণজোয়ার থাকা সত্ত্বেও সেখানে তাদের পরাজিত হতে হয়েছে।
এ পরাজয়ের পেছনে কোন কোন ব্যাপার কাজ করেছে সে ব্যাপারে বিভিন্নজন যা বলছেন, সেসব কেবলই বলার জন্যে বলা। প্রকৃতপক্ষে এর পেছনে এমন কোনো সূক্ষ্ম প্রতারণা কাজ করেছে যা এই মুহূর্তে নির্দিষ্ট করে না বলা গেলেও ভবিষ্যতে কখনো না কখনো তা উদঘাটিত হবে। তবে যে বিষয়গুলো ভেবে দেখবার মতো তার ক’টি আমি উল্লেখ করছি।
প্রথমত, নির্বাচনের অনেক আগেই সিইসি বলেছিলেন, এবারের নির্বাচন হবে ৭০’র নির্বাচনের মতো। কার্যতই ফলাফলে তেমনটিই দেখা গেল। এধরনের ভবিষ্যদ্বাণী কিভাবে করলেন তিনি? সিইসি কি তাহলে গণনা জানেন?
দ্বিতীয়ত, আওয়ামী লীগকে কখনোই নির্বাচনের সময় এতটা নমনীয় দেখা যায় নি যতটা নমনীয় তারা এবার ছিল। রাতারাতি আওয়ামী চরিত্র যদি তারা বদলে ফেলে তবে ভালো কথা, তবে ২০০ আসনের বেশি সিট পাবার ব্যাপারে তাদের এবং ৩০ সিট পাবার ব্যাপারে নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এরশাদের দৃঢ় আশাবাদ সেই সময় অনেকটা হাস্যকর শোনা গেলেও পরবর্তীতে সেটিই সত্য হয়েছিল। এভাবে মিলে যাওয়াটা কি অবিশ্বাস্য নয়?
তৃতীয়ত, নির্বাচনের দিন ভোর থেকেই আওয়ামী ঘরানার ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো চারদলীয় ঐক্যজোটের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলতে থাকে যে, বিভিন্ন স্থানে চারদলের প্রার্থীরা টাকা বিতরণ করতে গিয়ে আটক হয়েছেন (সন্ধ্যায় বিজয় নিশ্চিত বুঝতে পেরে পরে তারা আর এই অভিযোগ করে নি) অথচ মহাজোটের প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে টাকা বিতরণের সময় হাতেনাতে ধরা পড়ার খবর (নীলফামারী- ৩ আসনে মহাজোটের প্রার্থী কাজী ফারুক কাদের) কিংবা দেশের নানা জায়গায় চারদলের নেতাকর্মীদের হয়রানির খবর সুস্পষ্ট প্রমাণসহ পাওয়া গেলেও তারা তা প্রচারিত না করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করেছে।
চতুর্থত, আমার ব্যক্তিগত পর্যালোচনায় মনে হয়েছে এবারের নির্বাচনে সুকৌশলে একটি সাজানো নাটক মঞ্চস্থ হয়েছে। আওয়ামী লীগ এবার মহাজোটে জাতীয় পার্টিকে রেখেছে নিজেদের পূর্ণ স্বার্থ সংরক্ষিত রেখে। নির্বাচনের আগে জাতীয় পার্টি তাদের আসনগুলোতে আ’লীগ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দাবিতে মহাজোট ত্যাগ করে। পরবর্তীতে তাদের সে দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদের মহাজোটে নিয়ে আসা হলেও কার্যত আ’লীগের নেতারা জাতীয় পার্টির আসনগুলোতে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেনি। বরং নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে এবং আশ্চর্যজনকভাবে যে আসনগুলোতে নৌকা ও লাঙ্গল উভয় প্রতীকই ছিল সেখানে নৌকার প্রার্থীরাই জয়ী হয়েছে। বৃহত্তর রংপুরের আসনগুলোতে যা অনেকটাই অসম্ভব। এতে বোঝা গেল আ’লীগ তাদের প্রার্থীদের ঠিকই জয়ী করে এনেছে। আর এরশাদকে কলা দেখিয়ে তারা তাকে মহাজোটে রেখেছে ‘মহাজোট’ নামটির স্বার্থকতা অর্জনের উদ্দেশ্যে মাত্র। অথবা নির্বাচনের পর জনগণকে এ কথা বোঝাবার জন্যে যে, চারদলীয় জোটের বিরুদ্ধে সব রাজনৈতিক দল আ’লীগের নেতৃত্বে একতাবদ্ধ, আর এজন্যেই তাদের এই পরাজয়।
পঞ্চমত, বিভিন্ন আসনে মহাজোটের প্রার্থীর পক্ষে গণজোয়ার থাকাতো দূরের কথা, জনতা ছিল তাদের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত। তাসত্ত্বেও এসব আসনে তারা জয়ী হয়েছে এবং নির্বাচনের আগে তারা তাদের জয়ের ব্যাপারে ঘোষণা দিয়েছে এই বলে যে, তিনটি ভোট পেলেও জয়ী হবেন তারাই। গাইবান্ধা-১ আসনে এমনটি ঘটেছে।
ষষ্ঠত, আ’লীগের পক্ষ থেকে বড় গলায় বলা হচ্ছে, দুর্নীতি ও যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে এটি গণরায়। যদি তাই হয়ে থাকে, তবে বিএনপির এমন অনেক ভিআইপি প্রথম সারির প্রার্থী যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি কিংবা যুদ্ধাপরাধের প্রশ্ন নেই তারা কী করে পরাজিত হলেন? অন্যদিকে শহীদ জিয়ার হত্যাকারী কিংবা এরশাদের মতো সর্বজনস্বীকৃত স্বৈরাচার ও দুর্নীতিবাজ নির্বাচিত হলেন কী করে?
সপ্তমত, আ’লীগের সব সিনিয়র নেতাই এবারের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন কিন্তু বিএনপির সিনিয়র নেতাদের তিনজন ছাড়া সকলেই পরাজিত হয়েছেন। পরাজিত এসব বিএনপি নেতাদের কারো কারো বিরুদ্ধে যেমন দুর্নীতির মামলা রয়েছে তেমনি মামলা রয়েছে আ’লীগের জয়ী সেসব প্রার্থীদের অনেকের বিরুদ্ধেও। সত্যি যদি জনগণ এবারের নির্বাচনে বিবেচনা প্রয়োগ করে থাকে তবে তারা কি আ’লীগের ব্যাপারে বিবেচনা খাটায় নি?
অষ্টমত, যেসব আসনে চারদলের প্রার্থীদের বিজয় ছিল সুনিশ্চিত সেসব আসনের অধিকাংশ কেন্দ্রগুলোতে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল আ’লীগ সমর্থন করেন এমন লোকদের। এ ব্যাপারে যথেষ্ট প্রমাণও দেয়া যেতে পারে। এছাড়া ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্দিষ্টসংখ্যক বুথের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যালট বক্স এবং নির্দিষ্ট ভোটারের পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সের দোহাই দিয়ে নির্বাচনকে যত স্বচ্ছই বলুক নির্বাচন কমিশন, অতিরিক্ত এই ব্যালট বক্স এবং ব্যালট পেপার পাঠানোর উদ্দেশ্য যে অস্বচ্ছ ছিল তা অচিরেই প্রমাণিত হবে ইনশাআল্লাহ।
নবমত, নির্বাচনের আগের দিন আ’লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি’র কো-চেয়ারম্যান এইচ টি ইমাম হঠাৎ করেই দৈনিক আমার দেশ পাবলিকেশন্সের চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে এক আজব অভিযোগ উত্থাপন করেন। সরকারি বিজি প্রেসের এক কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে তিনি নাকি প্রচুর পরিমাণ ব্যালট ছাপিয়ে নিয়েছেন এবং এই ব্যালট কিভাবে বাক্সবন্দী করতে হয় তার প্রশিক্ষণও দিয়েছেন বাছাইকৃত কর্মীদের। মাহমুদুর রহমান এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করে এইচ টি ইমামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে এইচ টি ইমাম এই অভিযোগ আর উত্থাপন করেন নি। এখন প্রশ্ন হলো এরকম একটি গুরুতর অভিযোগ মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে করার পূর্বে তিনি কি সত্যি নিশ্চিত হয়েছিলেন নাকি নিছক সন্দেহের বশেই এমনটি বলেছেন? কোনো নিশ্চিত প্রমাণের ভিত্তিতে যে অভিযোগটি ছিল না তা স্পষ্ট হয়েছে পরবর্তীতে এ সম্পর্কে আ’লীগের পক্ষ থেকে উচ্চবাচ্য না করা থেকে। কিন্তু সন্দেহের বশে এত বড় কথা তখনই কেউ বলতে পারে যখন এধরনের আইডিয়া তার নিজের মাথায় থাকে। নির্বাচনের ফলাফলে অকল্পনীয় ওলট-পালটগুলো সচেতন মহলের কাছে এই সন্দেহের উদ্রেক করেছে যে, এইচ টি ইমাম যে অভিযোগটি উত্থাপন করেছেন, সে অপরাধে তারা নিজেরাই আবার জড়িয়ে পড়েন নি তো?
নির্বাচনের আগে ২৭ অক্টোবর দৈনিক নয়াদিগন্তে প্রকাশিত ফরহাদ মজহারের কলাম পড়েই এবারের নির্বাচনে যে একটি কারিশমা দেখে যেতে পারে তা আঁচ করা গিয়েছিল। সেখানে তিনি বাংলাদেশে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসনের ব্যাপারে লিখতে গিয়ে দেখিয়েছিলেন যে, এবারের নির্বাচনে পরাশক্তি স্বাভাবিকভাবেই জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির উত্থান আশা করে না। কেননা, জাতীয়তাবাদী-ইসলামীশক্তি এদেশে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। পক্ষান্তরে আ’লীগকে এক্ষেত্রে তারা তাদের বিশ্বস্ত সহযোগী ভাবতে পারে। এবারের নির্বাচনে ফরহাদ মজহারের সেই অনুমান সঠিক ছিল বলে আমার বিশ্বাস। বাংলাদেশে এবারের নির্বাচনে অকল্পনীয়ভাবে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির চরম পরাজয় এবং ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের নিরঙ্কুশ বিজয়ে তাদেরও পরোক্ষ মদদ ছিল নিশ্চয়ই। অগণতান্ত্রিক ও অসাংবিধানিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ঘাড়ে সওয়ার হয়েই তারা এই দুরভিসন্ধির বাস্তবায়ন ঘটিয়েছে হয়তো। একাজে প্রশাসনকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সাজানো হয়েছে এবং এনজিওগুলোকে সুকৌশলে ব্যবহার করা হয়েছে। লক্ষ্য একটাই, বাংলাদেশকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে পূর্ণ শাসনাধীন রাখা এবং এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সংবিধানসহ সকল ক্ষেত্রে ইচ্ছেমতো সংস্কার সাধন করা।
এবারের নির্বাচনের ফলাফল যদি সত্যিই গণরায় হয়ে থাকে তবে তাতে কোনো অসুবিধে থাকার কথা নয়। সরকারের কর্মকাণ্ডের সুফল-কুফল জনগণই ভোগ করবে। কিন্তু জনগণকে যদি ধোঁকা দেয়া হয়ে থাকে তবে ধোঁকার সেই তত্ত্ব নিশ্চয়ই আ’লীগ পরের নির্বাচনেও প্রয়োগ করবে। ২০২১ সাল পর্যন্ত আ’লীগের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দীর্ঘমেয়াদে তাদের ক্ষমতায় থাকার ইঙ্গিত বহন করে।
যেসব অসঙ্গতিপূর্ণ ব্যাপার ধরা পড়েছে এই নির্বাচনে তাতে কোনোদিন যদি বেরিয়ে পড়ে যে, নীতির মুখোশ পরে জনগণকে চরম প্রতারণা করা হয়েছে, তবে জনগণ নিশ্চয়ই তা মেনে নেবে না। আমার বিশ্বাস, তাদের সেই প্রতারণা অতি সূক্ষ্ম হলেও প্রকৃত সত্য একদিন নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবে। আর প্রতারণার ফলাফলকে গণরায় হিসেবে চালিয়ে দেয়ার ফলও একদিন পেতে হবে সংশ্লিষ্টদের, কোনো সন্দেহ নেই।
১২৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৩
থার্ড নয়ন বলেছেন: এগুলি আওয়ামীলিগের চাল। পাব্লিক কে বুঝাচ্ছে তারা যুদ্ধাপরাধীদের শায়েস্তা করবে। ছয় মাস , একবছর এভাবে তারা পাচ বছর পার করে দিবে। তারপর বলবে আসলে দেশ গড়ার কাজ এ ব্যস্ত থাকায় পারিনি। এইবার ভোট দেন অবশ্য ই করবো। যুদ্ধাপরাধী ইস্যুটি আওয়ামীলীগের একটা অস্ত্র। এই অস্ত্র ব্যবহার করে তারা নিজেদের অবস্থান কে সুসংহত করার কাজে। এই অস্ত্র কে তারা নস্ট হতে দিবেনা। বিচার করলেই তো ইস্যুটা ফিনিশ হয়ে যাবে।
১২৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
আবুল বাহার বলেছেন: Click This Link ব্লগার ইরতেজা প্রধান উপদেষ্টার কাছে অন লাইন পিটিশানের একটা পোষ্ট দিয়েছিলেন কিছুদিন আগে সেখানে ৪৩৫০টি সাইন আছে। যা প্রধান উপদেষ্টার বরাবর পাঠানো হয়েছে । শুবিধার জন্য সেটি দেখতে পারেন ।

পিটিশানটি Click This Link দেখু যদি কাজে লাগে ।


অনলাইন পিটিশানের ব্যাবস্হা থাকলে অনেক বেশী সাইন সংগ্রহ করা সম্ভব ।


যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে যে কোন উদ্দোগের সথে থাকতে চাই । প্রবাসে থাকি বলে স্বশরীরে থাকা সম্ভব নয় ।তাই শুভ কামনা রইলো উদ্দোগের প্রতি ।


উপরে উম্মোচক নামক শুয়রের বাচ্ছাটার কমেন্ট মুছে দিন , ধান ভানতে শিবের গিত গাইবার জায়গা এটা না ।
১২৬. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
কঁাকন বলেছেন: sorbattok safollo kamona kori
১২৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩
কঁাকন বলেছেন: sorbattok safollo kamona kori
১২৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৫:১৪
নীতিশ বৈরাগী বলেছেন: দেখা যাচ্ছে ৩ জনের ভালো লাগেনি। এরা কারা?
১৩০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০১
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
+++++
মাঠে থাকার কোন বিকল্প নেই......
১৩১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২১
সত্যান্বেষী বলেছেন:
ব্যপক জনগনকে এর সাথে সম্পৃক্ত করার মধ্য দিয়ে আ.লীগকে বাধ্য করতে হবে।

আমার জানা মতে জাহানারা ইমামের নেতৃত্বাধীন আন্দোলনটি আ.লীগের অসহযোগিতা/অনিহাই দায়ী। তৎকালীন সময়ে গোলাম আযমের সাথে হাসিনার ছবিটি সবার মনে থাকার কথা। কিন্তু যেহেতু তারা তাদের নির্বাচনী ওয়াদায় বিচারের কথা বলেছে, আমাদের একটি সুযোগ রয়েছে তাদেরকে বাধ্য করানোর।

আর আ. লীগ যদি প্রচলিত আইনের মাধ্যমে তাদের বিচারের কথা বলে তা হবে খুবই হাস্যকর।
১৩২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৪
সংসপ্তক আকাশ বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই ।
১৩৩. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫০
সৈয়দা তাহমিনা বেগম সীমা বলেছেন: '৭১-এর যুদ্ধাপরাধী-রাজাকার-ঘাতক জামায়াতীদের বিচার চাই ।
১৩৪. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫
ভূজ বলেছেন: সঙ্গে আছি। আওয়াজ দিলাম। তবে সমন্বয় কারী কে তার সেল নাম্বার দেওয়া হউক আমি ঢাকার কাছাকাছি থাকি আসার ফুল চেষ্টা করব।
১৩৫. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৬
রাকিব খান বলেছেন: দুই যুদ্ধাপরাধী নির্বাচিত। দেখুন Click This Link
১৩৭. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:২৫
কৌশিক বলেছেন: কিঞ্চিত মডিফাইড


১৩৮. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:১২
সম্ভব,অসম্ভব বলেছেন: খুব মন থেকে চাই বিষয়টা আমি বেচে থাকতে যেন হয়, আছি আপনাদের সাথে।
১৩৯. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৩
ফাহমিদুল হক বলেছেন: বিদেশ থেকে কীভাবে এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া যায়, আপনারা মিটিং করে জানান। সাথে আছি।
১৪০. ০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:১৭
নারিকেল-জিন্জিরা বলেছেন: '৭১ এর এই নরঘাতকদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হউন।
সঙ্গে আছি।
১৪২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৬
কালপুরুষ বলেছেন: সাথে আছি। আইতাছি। পিকনিকে দূরে গেলে রাজউক-এর বাস আগে থিকা বুকিং দিতে হইবো- নাইলে ঝামেলা হইতে পারে। পিকনিকের তারিখ ফিক্স করা জরুরী।
১৪৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
অারাফাত বলেছেন: ভাইয়া আপনা কে অসংখ্য ধন্যবাদ এমন একটি প্রস্তাব প্রস্তাবনা করার জন্য। সেই সাথে কৌশিক ভাইয়া কে ধন্যবাদ তার কর্ম তৎপরতার জন্য এবং সকল ব্লগারদের কে যারা এই গন আনন্দোলনের সংগে একাৎতা প্রকাশ করেছেন এবং সংগে থাকবেন।

আমি আছি আপনাদের সাথে এবং থাকব।

বাংলার মাটিতে রাজাকারদের বিচার হবেই এবং আমরা করবই।
১৪৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৪
কামরুল হাসান বাপপী বলেছেন: ফর্মটা ডাউনলোডের অপশন দিন, প্লিজ। তাহলে তৈরী করতে সুবিধা হবে। আমি শুনলাম ট্রেন্ডজ ব্রান্ডের একটি টিশার্ট বের হয়েছে এই লোকগুলোর নাম নিয়ে। http://www.khola-janala.com এটির মাধ্যমে ফাইলটি ছড়িয়ে দিন। কাজে লাগবে।
১৪৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২০
আনিস সিজার বলেছেন: সাথে আছি.

কিন্তু আমি ছবির হাট চিনিনা.

দয়া করে পূর্ন ঠিকানাটা দিন.

সাহাবাগ লিখেছেন.

এটা সাহাবাগের কোন জায়গায় দয়াকরে পুরো ঠিকানাটা দিন


১৪৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
কৌশিক বলেছেন: আনিস সিজার - চারুকলার ঠিক অপজিটি, সরোয়াদীর একটা গেট আছে। ছবি হাটটা ওখানে।
১৪৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৩০
আনিস সিজার বলেছেন: কোশেক ভাই
আপনাকে ধন্যবাদ

আমি অবশ্যই আসব.
১৪৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭
প্রচেত্য বলেছেন: প্রশংসনীয় উদ্যোগ
১৫০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৩
আরিফুর রহমান বলেছেন: তিন্তারিক্বিকাল্পাঁচ্টায়?
১৫১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:২৭
পাগল রাজা বলেছেন: আছি ভাস্করদা।

ছাগাফুর কেমুন আচো বেশ্যার পো ?
১৫২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
আরিফুর রহমান বলেছেন: আর কেমন, তোর মা বড় জ্বালায় ইদানীং!
১৫৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১
দ্বিধান্বিত বলেছেন: সময়টা আমার জন্য সমস্যা।
শুক্রবার ছাড়া অন্যান্যদিন সন্ধ্যা সাতটার আগে সম্ভব না।
তাও,
এগিয়ে যান, সাথে থাকবো, যতটুকু পারি।
১৫৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০১
অকাটমুর্খ বলেছেন: ধন্যবাদ...ভালো লাগলো ..সাথে আছি
১৫৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১১
কৌশিক বলেছেন: পাগল রাজা, যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক পোস্ট দেখলাম কয়েকটা আপনার। নিঃসন্দেহে ভালো কাজ। আরিফ বেশ দীর্ঘ সময় যাবতই এই কাজটা করে আসছে। এমন একটা প্লাটফর্মে যুদ্ধাপরাধীদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া আমাদের সর্বাগ্রে প্রয়োজন। আর এমন একটা সময়ে আপনার ব্যক্তিগত ঝামেলাকে এমন অশ্লীলভাবে উপস্থাপনে হতবাক...আরিফ তার ব্যক্তিগত দৃষ্টিভংগীর জন্য আপনার পছন্দ নয় হয়তো, কিন্তু সম্বোধনে আপনি অসম্মান জানিয়েছেন নিজেকেই..একটু সেন্সিবল হওয়া জরুরী মনে হয়।
১৫৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
শফিকুল বলেছেন:
সাথে আছি।
১৫৯. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৯
দৌড় বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই
১৬০. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
রুপার পালকি বলেছেন: সালাম সহ সমর্থন । সোকেসে রাখলাম ।
১৬১. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
তাপস ঘোষ বলেছেন: সাথে আছি ১০০ভাগ থকব সব সময়.....। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এমন ভাবে করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কোন যুদ্ধাপরাধীর সৃষ্টি না হয় এধরনের দৃষ্টান্ত তৈরি করতে হবে......।

উদ্দ্যেগকে স্বগত জানাই...................
১৬২. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৪
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: সমর্থন রইলো । আমার শহরে আমিই একমাত্র বাঙালী .. নইলে স্বাক্ষর সংগ্রহে নাইমা পড়তাম ।
১৬৩. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২২
সহেলী বলেছেন: সহমত । শুভেচ্ছা রেখে যাই।
১৬৪. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৩৭
মামু বলেছেন: প্রচ্ন হইল নেত্রী যদি এই ব্যপারে আগ্রহ হারাইয়া ফেলায়, তাইলে আপনারা আমজনতা কি করিবেন?

-------------------------------------------------------------------
ইতি মদ্যে নেত্রীর চোক আন্য দিকে ফিরাইয়া রাকার লক্ষন দেকা যাইতেচে...
১৬৫. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৮
বাপ্পাদিত্য বলেছেন: "আমরা সবাই তোমায় ভালো করেই চিনি
তুমি নুনের সাথে মিশিয়ে দাও চিনি
তোমার চেহারাতে কী নূরানী ছাপ
তুমি কায়দা বুঝে জোরসে মারো লাফ
ছিলে একাত্তরে বুদ্ধিজীবীর খুনী
এখন ধর্মে কর্মে তুমিই মহান গুণী।
তুমি ঝোপ বুঝে কোপ মারতে ভীষণ পাকা
এবং উল্টিয়ে দাও ইতিহাসের চাকা,
তুমি নিজকে নিজে চালাকা ভাবো অতি
এবং নিজের সভায় নিজেই সভাপতি
তুমি চোখ রাঙিয়ে আর দিও না গালি
তোমার সভাপতির আসন হবে খালি।"

....................

এই দাবী বাংলাদেশের সকল জনতার। সাথে আছি, থাকবো।
উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
১৬৬. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:০০
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: মামুর নেত্রি কয়টা ?
আমি তো জন্তাম খাল্দাজিয়া অকন দেখতাছি বাতাস বুইঝা হাছিনারেও নেত্রি বানায় পেলছে !
১৬৭. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:২৩
মিশু মিলন বলেছেন: আসবো যথা সময়ে।
১৬৮. ০২ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৮
সরকার মারুফ বলেছেন: গতকাল সুশাসনের জন্যে নাগরিক (সুজন) আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এবারের জাতীয় সংসদের প্রার্থীদের ওপর এক বিশেষ তথ্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। নবম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত সাংসদদের কতজন কোটিপতি কতজন যুদ্ধাপরাধী ইত্যাকার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে। সুজনের মতে, এবারের সংসদে দু'জন যুদ্ধাপরাধী সাংসদ রয়েছেন। এর একজন আ'লীগের ড. আনোয়ার হোসেন অপরজন বিএনপির সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী। আশ্চর্যজনকভাবে যুদ্ধাপরাধীদের সেই তালিকায় জামাতের দু'জন সংসদ সদস্যের নাম নেই।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যাপারে আ'লীগের যে কমিটমেন্ট তা বাস্তবায়নে এই প্রতিবেদন সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে বলে আমার মনে হয়। যুদ্ধাপরাধীদের বিপক্ষে জনমত তৈরিতে সাধারণত একটি দল তথা জামাতকেই ফলাও করা হয়। এর যৌক্তিক কারণও নিশ্চয় রয়েছে। তবে যুদ্ধাপরাধীদের তালিকা প্রণয়ন করতে গিয়ে আ'লীগের কোনো নেতাকর্মীর নাম যদি চলে আসে তবে আ'লীগ সরকারের মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবার ব্যাপারে আশঙ্কা থেকে যায়। আর সুজনের গতকালের প্রতিবেদনে খোদ আ'লীগেও যুদ্ধাপরাধী থাকার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। অবশ্য ঐ প্রতিবেদনে জামাতের দু'জন এমপিকে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে গণ্য করা হলো না কেন- তা বোধগম্য নয়।

গতকালের সুজনের সেই প্রতিবেদনটি সত্যিই যদি নিরপেক্ষ ও যথার্থ হয়ে থাকে, তবে স্বীকার করতে হবে যে, জামাত নেতাদেরও অনেকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ থেকে মুক্ত এবং যুদ্ধাপরাধী কেবল জামাত নয় বরং অন্যান্য দলের মাঝেও ঘাপটি মেরে রয়েছে এবং নানারকম সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। সেই সংখ্যা যত নগণ্যই হোক না কেন।

সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে যে তালিকা প্রণয়ন করা হবে সেটি নিরপেক্ষভাবে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে করা উচিত। জামাত এ ব্যাপারে বহু আগ থেকেই অভিযুক্ত বলে সুবিধাবাদী অনেক যুদ্ধাপরাধী অন্যান্য দলেও ঘাপটি মেরে বসে থাকতে পারে বলে আমার মনে হয়। অন্তত সুজনের গতকালের প্রতিবেদন সেটিই বলে।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এখন একটি গণদাবি। এ দাবি বাস্তবায়নে আ'লীগ যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সেটি তাদের রক্ষা করতে হবে। তবে বিচারকার্যে নিজ দলের যুদ্ধাপরাধীদের অন্তর্ভূক্ত করা না হলে কিংবা অন্য কোনোভাবে তাদের রেহাই দেয়া হলে তা হবে নীতিগর্হিত।

যুদ্ধাপরাধ জাতির বিরুদ্ধে এক অমার্জনীয় অপরাধ। কোনো দলের আশ্রয়েই যেন এই অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।
১৭০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৯
মাহমুদুল হাসান রুবেল বলেছেন: সাক্ষর সংগ্রহে আমাকে সব সময় পাবেন । আমি সিলেট ছাড়াও ঢাকার বিভিন্ন কলেজ-ভার্সিটি থেকে সাক্ষর গ্রহণে সহযোগীতা করতে পারবো । শনিবারের সভায় উপস্থিত থাকতে পারবো না তবে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ।
১৭১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২১
মোসতাকিম রাহী বলেছেন: এই দাবি, এই আন্দোলন যেন কিছুদিন পরে স্তিমিত হয়ে না যায়। বিচার প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে আন্দোলন চালিয়ে যেতে হবে। সাথে আছি সবসময়।

প্রবাস থেকে আমরা কী ভাবে আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে পারি, সেটারও একটা রাস্তা বের করা হোক!

১৭২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:২৭
কৌশিক বলেছেন: ৯. সংবিধান ও আইনগত দিকগুলা সাধারন্যে প্রচার ও অবহিতকরণ
১৭৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩১
তৃষ্ণার্ত বলেছেন: আমার সমর্থন রইলো।
১৭৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৪
মাহবুব সুমন বলেছেন: বস, মিটিং এ কি স্বীদ্ধান্ত হইলো সেইটা নিয়া একটা ডিটেইলস আপডেইট দিয়েন প্লিজ।

আপনের পর ভরসা আছে। স্টেপ বাই স্টেপ কাজ চালাতে হবে। তবে সব স্টেপের জন্যই একটা টাইম ফ্রেম বাইন্ধা দিতে হবে, সাথে সাথে কিছু নির্দিস্ট মানুষকে দ্বায়িত্ব দিলে ভালো হয় যাতে সমন্বয় করা যায়।
১৭৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:২৮
ডার্কলর্ড বলেছেন: আর আমি মনেকরি শুধু পিটিশন সাইন করে কাজ হবেনা আমাদের রাজপথে নামতে হবে কারন বিএনপি স্বভাবত ই এটিকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে এটিকে দমানোর চেষ্টা করবে। যদিও এতে কাজ হবে বলে মনে হয়না আর আমরা ব্লগ এবং ফোরামের মাধ্যমে এত বড় কমিউনিটি বানিয়েছি তাই আমাদের ও উচিত এতে এগিয়ে আসা
১৭৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩১
ইরতেজা বলেছেন: সমর্থন রইল
১৭৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:০০
ডার্কলর্ড বলেছেন: Click This Link

আমি এব্যাপারে সহায়তা চাচ্ছি কিভাবে আমি মুক্তি যোদ্ধাদের তালিকা এবং যোগাযোগের ঠিকানা পেতে পারি। এব্যাপারে আপনাদের পরামর্শ চাচ্ছি
১৭৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
ঝামেলা বলেছেন: সহমত

আপনাদরে সাথে আছি

ভাই কোন রাজাকারের বাচ্চা জানি মইনাস দিছে..


১৮০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
সুরধ্বনি বলেছেন: যুদ্ধাপরাধীদের আইনী বিচার কি বা কেমন হতে পারে এ ব্যাপারে সুচিন্তিত মতামত প্রয়োজন।
১৮১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১:৫৪
শিলু বলেছেন:
ভাইরে মুইও আইসপার নাইগচং ।
১৮২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২০
প্রচেত্য বলেছেন: কিছু প্রস্তাবনা :

*অনলাইন প্রক্রিয়া হলে প্রচার সহজসাধ্য এবং স্বাক্ষর গ্রহণে সুবিধাযোগ্য হবে বলে মনে করি।

*বিশেষত যেসব স্থান সমূহে লোকসমাগম বেশী হয়, যেমন শপিং মল, সেখানকার সম্মুখের কোন গেইটে স্পেশাল ইভেন্ট বুথ বা ভিতরেও স্থাপন করা যেতে পারে যেখানে নির্দিষ্ট ফরম থাকবে, আমন্ত্রণ জানানো যেতে পারে স্বাক্ষরের জন্য

* ডেডিকেটেড টিমের যে সকল সদস্য থাকবে, তারা যদি কষ্ট করে বড় বড় কর্পোরেট হাউস গুলোতে যেতে পারে তাহলে কাজটি আরো সুবিধা হবে। সেক্ষেত্রে যে কাজটা করা যেতে পারে, স্বাক্ষর সম্বলিত পাতাটি বই আকারে প্রিন্ট করে কর্পোরেট হাউসগুলোর দায়িত্বশীল কাউকে দিয়ে আসতে হবে, এবং নির্দিষ্ট সময় পর সে বইগুলো সংগ্রহ করতে হবে নিজ দায়িত্বে, এভাবেও অল্প সময়ে স্বাক্ষর গ্রহণ করা সম্ভব।

প্রথমেই আপনাদের মিটিং সার্থক হোক সে কামনাই করি এবং উদ্দেশ্য যথার্থ লক্ষে পৌছতে সমর্থ হবে সেটাই প্রত্যাশা করি।
এখানে কিছু প্রস্তাবনা দেয়া হল আরও কিছু দেবার আশা রাখি ....

পেট চো চো করছে, ওদিকে ডাইনিং টেবিল ডাকছেন, সুতরাং বুঝতেই পারছেন আগে পেটটাকে ঠান্ডা করে আসি
১৮৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
মহাকালর্ষি বলেছেন: আসতে পারছি না, তবে মনে-প্রাণে সাফল্য চাইছি। সাথেই আছি।
১৮৪. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
ইউনুস খান বলেছেন: সাথে আছি সবসময়
১৮৫. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৪
সোমেশ্বর অলি বলেছেন: সঙ্গে ছিলাম, আছি ,থাকবো...
১৮৬. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১০
ইরতেজা বলেছেন: ভালো উদ্যোগ। কিন্তু খালি ঢাকাতে নিলেই হবে না, বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানের ব্লগাররা এক হয়ে সাক্ষর সংগ্রহ করে জনমত গ্রহন করুন। আমি কর্মসুত্রে প্রবাসে আছি।

মেলবোর্ন থেকে কেউ আছেন নাকি। আসেন আমরাও এমন কিছু একটা করে ফেলি। সেদিন দেখলাম ফেডারেশন স্কোয়ারে দেখলাম তিব্বতীদের জন্য পিটিশন করছে। কিছুদিন আগে ফিলিস্তিনিদের জন্যও দেখলাম। আমরা চাইলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়েও এমন কিছু করতে পারি। ক্যানবেরার মত ছোট্ট শহরে করতে পারলে আমরা এত থেকে ১০ গুন বড় করে করতে পারব।
১৮৭. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
আমি ডাইরেক্ট বলেছেন: সাতে আচি । যুদ্ধপরাধী সবগুলার ফাঁসি চাই। নইলে হাসিনার ফাঁসি চাই।
১৮৮. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২২
জোবায়ের আসাদ বলেছেন: ভাই এসব করে লাভ নাই।
আওয়ামিলিগ রাজনীতি করার জন্যই এই ইস্যু জিইয়ে রাখবে। যুগ যুগ ধরে এই ইস্যু নিয়ে রাজনীতি করতে চায় তারা। জাতিকে বিভক্ত করে কোনদিন উন্নয়নের রাজনীনি সম্ভব নয়।
১৮৯. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৫
সংসপ্তক আকাশ বলেছেন: এই লিংক ‍(Click This Link) এর তথ্য আমাদের কাজে লাগতে পারে।
১৯০. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৫০
সংসপ্তক আকাশ বলেছেন: Any volunteer from London, who can coordinate such type of activities in London or in UK?
১৯১. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:১৮
কৌশিক বলেছেন: আওয়ামী লীগের ১৮ পৃষ্ঠার মেনিফেস্টের ষষ্ঠ পৃষ্ঠায় রয়েছে


"৫. সুশাসন প্রতিষ্ঠা :
৫.১ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ শক্ত হাতে দমন করা হবে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ব্যবস্থা
করা হবে।"
১৯২. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৪১
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: মিটিং এর আপডেট জানানোর জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি ....
১৯৩. ০৩ রা জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫৫
ত্রিশোনকু বলেছেন: সময়এখন অন্যরকম।

শেখ হাসিনা নিজের নিরাপত্তার জন্যই জামাতকে নিরমুল করবেন।একান্ত ভাগ্যের জোরে গ্রেনেড হামলায় প্রানে বেঁচেছেন।
এ বিচার না করলে তার অস্তিত্ব থাকবেনা।





ছবির হাটে হলোটা কি?
১৯৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:৪৭
মাহবুব সুমন বলেছেন: একটা আপডেটও নাই !!!!!!!!!!!!!!
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: আপডেট আসতেছে মা.সু.। আমরা একটু গুছাইয়াই আপডেট দিতেছি...

১৯৫. ০৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬
আমি ও আমরা বলেছেন: ফর্ম কবে নাগাদ পাঠাতে হবে। কোরিয়া থেকে আমি কালেক্ট করা শুরু করেছি। কিছু টাইম লাগবে।
১৯৬. ০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:১৯
আমি ও আমরা বলেছেন: আমি সাক্ষর কালেক্ট করতে গিয়ে কিছু সমস্যায় পরছি। আপনি আমাকে কিছু প্রশ্নের জবাব দিলে আমার কাজের সুবিধা হবে।

এখানে যে প্রশ্ন গুলো মুখোমুখী আমি হচ্ছি তা হচ্ছে।

ক) কারা ডিল করছে
খ) কি উদ্দেশ্য
গ) মিস ইউজ হবে কিনা
ঘ) এটা পলিটিক্যাল ইউজ হবে কিনা, যদিও পলিটিক্যাল ডিসিসন ইনভল্ভ।
এবং
আইন কি বলছে।

এই প্রশ্ন গুলো কে ভেবে যদি একটা সুন্দর পোষ্ট দেন তাহলে আরো অনেক সাক্ষর আমি কোরিয়া থেকে কালেক্ট করতে পারবো।

কারন এখানে অনেকেই ভাবছেন মিস ইউজের ব্যাপারটা।


ব্যাপারটা ভেবে আজ কালের মধ্যে একটা পোষ্ট পেলে আমি মুভ করতে পারছি ভালো ভাবে।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১৫৭২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
না পাওয়ার সম্ভাবনায় শৈশবে কোন চাওয়া ছিলো না আমার...মধ্যবয়সে এসে অনেক পাল্টে গেছি...এখন আমি চাইতে শিখেছি...কেবল না পাওয়ার সম্ভাবনাটা গেছে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ