নোয়া সাহেবের নৌকা আর একটি গর্দভের বেদনার ইতিহাস...
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
এক.
নোয়া সাহেব খবর পাইছেন প্লাবন আসতেছে। যদিও তারে ঈশ্বর মহোদয় সমাধান বাতলাইয়া দিছেন। এক অতিকায় নৌকা বানাইতে হইবো। যেই নৌকায় সকল প্রজাতির প্রাণীকূল থাকতে হইবো জোড়ায় জোড়ায়। গরু-গাধা-কাঠবেড়ালী-সাপ-বেজী-খচ্চর...আহা! কতোনা জাত-বিজাতের প্রাণী আছে তাঁর দুনিয়ায়। ঈশ্বরের এই বিশাল দায়িত্বের ভারে নোয়ার খানিকটা শারিরীক কষ্ট হইলেও, তার বুক ফুইলা উঠতে লাগলো আটলান্টিক সাগরের মতোন। এদিক প্লাবনও ফুসে। এতো বড় দায়িত্ব এর আগে মানবজাতির আর কে কখনো পাইছে! নোয়া সাহেব টের পাইলেন তার পায়া খানিকটা ভারী হইয়া গেছে। আর তাই তিনি নৌকার পাশাপাশি একটা আরাম কেদারাও বানানের অর্ডার দিলেন তার নিযূক্ত গৃহস্থালি কাঠমিস্ত্রীগণরে।
ঐ দিকে প্লাবনের জল তো দিগ্বিদিক থেইকা বাড়তেছে। জীব-জগতের সকলেই দিশাহারা হইয়া গেলো। সকলের মধ্যে হাহাকার। দূরে তখন নোয়া সাহেবের জাহাজ খানা প্রায় সমাপ্তির পথে। গৃহস্থালি কাঠমিস্ত্রীরা হালের মেজারমেন্ট পরীক্ষা করতেছেন কেবল। দূর হইতেই তার কাঠামো দৃশ্যমান হয়। সকল প্রাণীকূল সেই নৌকার দিকে ছুট লাগাইলো প্রাণে বাঁচবার আশায়। কিন্তু ভাগ্যের একী নির্মম পরিহাস! বিপদে পর্যূদস্ত প্রাণীকূল দেখে নোয়া সাহেব জাহাজে উঠনের সিঁড়ির সামনে একটা চৌকিদারের লাঠি নিয়া দাঁড়াইয়া আছেন।
তিনি এই বিপদের মধ্যেও হাসিমুখ। সকলের বহুত কাকুতি মিনতিতেও তিনি অবিচল। ঈশ্বরের আদেশমতোন তিনি কোন প্রজাতির প্রাণীরেই একজোড়ার বেশি জাহাজে উঠনের অনুমোদন দিবেন না। এই দিকে পৃথিবীর বাকীসব ধ্বংসের পথে। লাখে লাখে মানুষ প্লাবনের স্রোতে ভাইসা যায়...তাগো আর্তনাদে আকাশ-বাতাস, এমনকী ঈশ্বরের আরশও কাইপা উঠে! যেহেতু ঈশ্বর তার নিজের সিদ্ধান্তই ঠিক প্রমাণে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ সকল সময়...তাই তিনি পুরা শক্তিতে আরশ চাইপা রাখনের ব্রতে এই বেলাটা অতিবাহিত করলেন। অন্য দিকে নোয়া সাহেব তখন নিজেরে নিবেদিত করলেন ঈশ্বরের আদেশ পালনে...তিনি যে ঈশ্বরের ঘরের লোক! ঈশ্বরের রেসিডেন্সে তিনি অচীরেই প্রবেশাধিকার পাইবেন যে কোনরম অনুমতি ব্যতিরেকে। পেয়ারা বান্দা হওনের মজাই আলাদা...
দুই.
ক্ষমতা মানুষরে আসলে ভিন্ন উচ্চতায় আসীন করে। এইটাই সামাজিক বাস্তবতা। পৃথিবীর তাবৎ প্রাণীকূলের চোখের জল যখন প্লাবনের জলের লগে মিশা স্রোতধারারে আরো গতিশীল করলো, নোয়া সাহেবের নৌকা তখন সেই স্রোতের টানে ভাইসা চলে আরো মসৃন। নোয়া সাহেব তার গৃহস্থালি কাঠমিস্ত্রীগো বানানো আরাম কেদারাটা নৌকার গলুইয়ের কাছাকাছি নিয়া বসেন। প্লাবনের ঢেউ গুনতেও তখন তার ভালো লাগে। তিনি মুক্ত স্বাধীন! তিনি ঈশ্বর প্রেরিত! ঈশ্বররে তার প্রায়শঃই বন্ধুবৎ মনে হয়। আর তাই মনে মনে তিনি ঈশ্বরের লগে কথা ক'ন। তারে বিড় বিড় করতে দেইখা আশ্রিত ডোডো পাখি জোড়ার একজন আইসা জিগায়
: নোয়া সাহেব কী হইলো আপনের!? মাথা খারাপ হইলো নাকি জনাব? চিন্তা কইরেন না আবার আমরা বংশ বিস্তার কইরা পৃথিবীর পবিত্র ভূমিরে প্রাণচঞ্চল কইরা তুলুম।
নোয়া সাহেব চোখ গরম কইরা তার দিকে তাকান। তারে ডান হাতে ধইরা বাম হাতে গলায় মোচর দিয়া ঘার ভাইঙ্গা প্লাবনের জলে ছুইড়া ফেলেন। আবারও যথাবিহিত বিড়বিড় অব্যাহত রাখেন। নৌকায় মনোবিদ ছিলেন যেই জোড়া, তাগো একজন আইসা তারে পর্যবেক্ষণ করে দূর থেইকা। নোয়া সাহেবের ঘোর লাগা চোখ দেইখা তিনি বুইঝা ফেলেন এরে কয় হিস্টেরিয়া। এইটা একরম সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার। কিন্তু তিনি কিছু কওনের সাহস পান না। এই পরিত্রাতা যদি তার ঘারও ডোডো পাখির ন্যায় স্থানচ্যূত করেন...
প্লাবনের জলের লগে আসা বাতাস নোয়া সাহেবের বড় হইতে থাকা চুল ওড়ায়...তিনি উপভোগ করেন এই বাতাসের খেলা...বেশ রোমান্টিক লাগে তার। তিনি সিদ্ধান্ত নেন এইবার যখন আবার পৃথিবীর বুকে তিনি নতুন কইরা বসতি স্থাপন করবেন তার কেশরাজি তখন বড় রাখবেন। এই চিন্তা আসা মাত্র একজন গৃহস্থালী গর্দভরে আদেশ করেন নাপিত কূলের দুই জনরেই ডাকতে।
নাপিত জোড়া তার সামনে আইসা দাঁড়ানো মাত্রই তার তরবারী বাইর কইরা তাগো শিরোচ্ছেদ কইরা বান্দর জোড়ারে আদেশ করেন লাশ প্লাবনের জলে ভাসাইয়া দিতে। প্লাবনের জলে এইবার মনুষ্য রক্ত মিশে...
তিন.
নোয়া সাহেবের নৌকায় আশ্রিত বিভিন্ন প্রাণীকূল, শ্রেণী পেশার মানুষের চিত্তে তখন ভয়। তারা নত শির কইরা থাকে প্রতিনিয়তঃ। তাগো মাথায় প্রায়শঃ চিন্তা আসে এই ফ্যাসিবাদী নোয়ারে সরাইয়া দিলে কিরম হয়...কিন্তু ঈশ্বর স্বয়ং আছেন তার সাথে। কয়েক বিকালে ঈশ্বর নোয়া সাহেবের লগে চা পানের তরে নাইমা আসছেন প্রবাসী সুরতে। ঈশ্বরের চেহারা দেইখা সকলেই আরো ভীত। নোয়া সাহেবের কোনরূপ বিপর্যয়ে যদি ঈশ্বর তাগোর উপরে লানত জারী করেন...
নোয়া সাহেব তার সাইকোলজিক্যাল ডিজ অর্ডারের মধ্যেও টের পান ক্ষমতা অসীম হইয়া উঠতেছে। ইতোমধ্যে প্লাবনের জলও যাইতেছে সইরা। নৌকার তলানি মাঝে মাঝেই চরে ঠেকনের মতোন পরিস্থিতি হয়।
এতোদিন প্লাবনের টেনশনে নোয়া অনেক কিছুই ভাবতে পারেন নাই বা অনেক কিছুই বাদ দিয়া দিয়া ভাবছেন। কিন্তু যখন আবার নতুন বসতি তৈরীর স্বপ্ন মাত্র কয়েক হাত দূরে...তখন তার মাথায় চিন্তা আসে বহুকাল তিনি সঙ্গমরহিত আছেন...এইভাবে আরামকেদারায় তো আজীবন কাটাইয়া দেওন যাইবো না। তারও তো শিশ্ন উত্থিত হয়...
টেনশনের চোটে উত্থানের বিষয়টা তার মাথায় তেমন প্রকট ভাবে আসেই নাই। কিন্তু এক রাতে যখন একবার নৌকা একটা বেলাভূমিতে আটকাইলো তখন ভূমির চিন্তা তার মাথায় শিহরণ তোলার পাশাপাশি, শিশ্নরেও উত্থিত কইরা ফেললো। তিনি কী করবেন! কী করবেন! কোন কূল পাইলেন না। খুব ধীরে নিজেরে আরাম কেদারা থেইকা তুললেন। তার চারপাশে তখন কেবল নিরীহ প্রাণীকূল, (বুদ্ধিমানেরা যেহেতু দূরে দূরে থাকে)...যারা তারে ভয়ের লগে একটু শ্রদ্ধাও করে...যাগো মাথায় কখনোই তার ফ্যাসিবাদী আচরনরে অন্যায় লাগে না...প্রথমেই তাগো একজনের গায় তিনি প্রায় হোচট খাইতে গেলেন...
তিনি অনুভব করলেন এই প্রাণী একখানা গর্দভ। যার পেছন দিকটা তারে যেনো হাতছানি দিয়া ডাকতেছে...
চার.
ফ্যাসিবাদের জন্ম মানুষের মাথায় হইলেও...তার বংশ বিস্তার হইছে গর্দভের জড়ায়ু মারফত। এই সত্য তাবৎ বুদ্ধিমানেরা জানে...যারা নোয়া সাহেবের নৌকায় মাথা নত কইরা ছিলো প্রাণের তাগীদে...কিন্তু দূরে দূরে থাকনের বুদ্ধিতে নিজেগো ধরটারে বাঁচাইতে পারছিলো শেষ পর্যন্ত...
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
কৌশিক বলেছেন:
কিছু কিছু অভিজ্ঞতা আসলে অন্য কেউ চাইলেও অর্জন করতে পারে না। অনেকদিন পরে মিথোলজিকাল ড্রায়াগ্রামে একটা পরিচিত ঘটনা দেখলাম।
লেখক বলেছেন: এই ঘটনাতো আমাগো সকলেরই পরিচিত...প্রতিদিন সুশীলবেশী ক্ষমতার নোংরা মানুষগো বহিঃপ্রকাশ...
লেখক বলেছেন: আপনে উষ্ট্র ভাইবা পড়েন তাইলে...
মহানাম বলেছেন:
যাই হোক না কেন, এমনিভাবে বহু উপাখ্যান হিন্দু পুরাণ থেকে ধার করে নেওয়া হয়েছে।
লেখক বলেছেন: তাই নাকি?
তৈলে অথর্ব বেদ কোত্থেকে ধার নেওয়া হৈছে? ঐখানে তো আল্লা রছুলের নাম আছে শুনা যায়।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
ওইটা তো নৌকা না, পৃথিবীর প্রথম সাম্রাজ্য।
লেখক বলেছেন: হ...
রোহান বলেছেন:
+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
বহুদিন পর চরম একখান লেখা পাইলাম, থ্যাঙ্কু।অফটপিক : নোয়া সাবে যদ্দূর জানি প্লাবনের অনেক আগেই একেক জোড়া প্রজাতি নিয়া নৌকা ভাসাইছিলো (কিংবা নৌকায় জড়ো করছিলো)। প্লাবন পর্যন্ত অপেক্ষা করেন নাই।
লেখক বলেছেন: আপনেরেও বহুদিন পর পাঠক হিসাবে পাইয়া কৃতার্থ হইলাম পিয়াল ভাই...
"এই সত্য তাবৎ বুদ্ধিমানেরা জানে...যারা নোয়া সাহেবের নৌকায় মাথা নত কইরা ছিলো প্রাণের তাগীদে...কিন্তু দূরে দূরে থাকনের বুদ্ধিতে নিজেগো ধরটারে বাঁচাইতে পারছিলো শেষ পর্যন্ত..."
নোয়া সাহেবের নৌকা আর একটি গর্দভের বেদনার ইতিহাস...এটাকি আত্ম জৈবনিক গ্রুপে পড়ে???
আমরা আধুনিক হতে গিয়ে মিথোলজির নামে সকল ইতিহাসকে যেভাবে কলুষিত করছি আমরাই কি বুঝতে পারছি এর শেষ কোথায়?
নবী বা রাসূল কিংবা অবতার?? তারা কে ছিলেন? যার যার সময়ের আধুনিক তম সমাজ সংস্কারক।
আজকে হয়তো আমাদের অনেক কিছূ বুঝে না এসে অদ্ভূত ঠেকছে... তাতেতো সব মিথ্যে হয়ে যাচ্ছে না।.. তাই না?
আজকে আমরা যারা আতেলীয় সমানাধিকার আর মানবাধিকারের প্রশ্নে শিশ্ন উথ্থিত করে নাস্তিক হয়ে আহামরি বিজয়ের হাসি হাসছি... কাল যখন এই দেহ মাটিতে বিলিন হয়ে যাবে... আর ইতিহাসে যখন এই সময়ের বিচার হবে তখন আমাদের অবস্থান কোথায় কিরুপ নির্ণিত হবে????
আসলে নিজের কূপমন্ডুকতাকে না ছেড়ে, টপকে না গিয়ে কর্পোরেট টাইপ আত্ম তৃপ্তির এই যে পথ - সবকে তুচ্ছ করে... নিজের আহামরিত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্ঠা.. এও এক সময় মিলিয়ে যাবে।
আজকে আমরা সমাজ সংস্কারের নামে যারা মূখে ফেনা তুলছি তারা কতটুকু পেরেছি পারছি... ধর্ম , গোত্র, দেশ কালের উদ্ধে উঠে মানবতার কোন কলাটা মূলোটা ছিড়তে পেরেছি?????
পারিনি.. কিন্তু তাতে কি? লেজকাটা শিয়ালের মতো মাথায় আছে কূটবৃদ্দি.. আছে আত্ম অহমিকার প্ররোচনা... আছে বাজিমাত করার অবদমিত আকাঙ্খা... আর বিখ্যাত কারও নামের উপর যদি এই মই চাপানো যায়.. ব্যাস কেল্লা ফতে!!!!!!!!!!!!!!!
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
ফ্যাসিবাদের জন্ম আম্রাই দিছি, যুগ যুগ ধইরা। মাথা নিচু না করলে কল্লা নাই হইয়া যাইব। নৌকায় ভিক্ষা না চাইলে ডুবতে হইব।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
''ফ্যাসিবাদের জন্ম মানুষের মাথায় হইলেও...তার বংশ বিস্তার হইছে গর্দভের জড়ায়ু মারফত।''দারুণ একটা লেখা পড়লাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাসুম ভাই...
মানুষ বলেছেন:
তার মানে কি মাথা নিচু কইরা রাখাটাই বুদ্ধিমানের কাজ?
লেখক বলেছেন: সামাজিক অর্থে এরে বুদ্ধির পরিচায়ক ধরা হয়...তাইতো বহুত মানুষ মাথা নীচু কইরা প্রতিবাদহীন পইড়া থাকে...বাঁইচা থাকনের লেইগাও নতমাথা থাকতে হয় এই সমাজে...
নিঝুম মজুমদার বলেছেন:
ভাষ্করদা, জবাব ঠিকাছে লেখক বলেছেন: নোয়া সাহেব তো দীর্ঘ চুল রাখনের সিদ্ধান্ত নিছিলেনই...
তয় আপনের পরের কথাগুলিরে ঠিক নিতে পারলাম না নিঝুম। কারো গায়ের রং কালা বইলা তারে অপছন্দ করনের কোন কারন আমি দেখি না...তার আদর্শিক অবস্থান আমার কাছে বেশি বিবেচ্য।
বিঃদ্রঃ আমার গায়ের রংও কম কালা না।
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন:
নিঝুম এইটা কি কইলা?
ভালো-মানুষ বলেছেন:
সোজা প্রিয় পোস্টে নিলাম! ঝাক্কাস একটা লেখা পড়লাম বহুতদিন বাদে!
@কিরিটি...+++++++++++++++++
মানুষকে সচেতন করার জন্য মিথ্যা ঘটনার কোন দরকার আছে কি?
অথবা, এ লেখা কে কি উপমা বলা যায়?
তবে, লেখার জন্য ++
নিঝুম মজুমদার বলেছেন:
@অমি ভাই, শানে নজুল পড়লে বুঝবেন ।
লেখক বলেছেন: আরবী ভাষাটা ভালোমতো শিখেন নাই তার মানে...নিজের দলের লোকরে চিনতে পারেন না...
মাহবুব সুমন বলেছেন:
দারুন
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
বস লেখা...
নিঝুম মজুমদার বলেছেন:
ভাষ্করদা, কথা ঠিকাছে । বেচারারে ব্যাক্তিগত চাপ আর না দেই । চিন্তায় আরো অমাবশ্যা ঘনাবে । কথা হইলো তার লেখা নিয়া । আপ্নে যে আদর্শিক অবস্থানের কথা , যার সাথে বলেন , সে কি লিখছে আপ্নে দেখেন নাই ? পুরা লেখাটাই ব্যাক্তি আক্রমনে ভরা । ওরে তো আমার একেবারে অসুস্থ পার্ভার্ট লাগে । আবার লাস্ট কমেন্টে কি লিখছে দেখেন । আসল কথা হইলো, নোয়া মিয়া নৌকাতে কয়েকটা চামচা বেষ্টিত হয়ে আসলে ঠিক জুত করে উঠতে পারছে না । এই দশ -বারো জনের মুখ আর কত ভাল্লাগে বলেন ।
প্রশ্নোত্তর বলেছেন:
লেখা ভাল্লাগছে, বরাবরের মত। তয় পলিটিক্সটা মিস করছি। (ইদানিং আমার ব্লগ-হাজিরা কইমা গেছে)
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

















