somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাইরী ৩৯

৩১ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


চোখের ডাক্তার দেখাইয়া বিপদেই পড়লাম। নতুন চশমা দিছে। বাল্যকালের সকল সমস্যা নাকি আবার ফিরা আসছে। এক্সিসে সমস্যা। মাইওপিয়া হইছে দ্বিগুণের বেশী। চশমার সিলিন্ড্রিক্যাল কাঁচের অনভ্যস্ততায় পড়ছি। তয় চশমার দোকানে গিয়া ছোটকালের সেই শিয়াল পন্ডিত ফ্রেমটা কিনতে ইচ্ছা করতেছিলো বহুত। কিন্তু কি ভাইবা জানি কিনি নাই।

আগে এইরম সিদ্ধান্ত নেওনের ক্ষেত্রে দ্বিতীয়বার ভাবতাম না। এখন কেনো যে ভাবি ক্যান জানি। ভাবাভাবির জায়গা থেইকা বাইর হইয়া নিজের মতোন হওনের সিদ্ধান্তটাই নিতে চাই আবার। সেই বাল্যকালের মতোন। যা ইচ্ছা করবো তাই করুম।

শবে বরাতের রাইতে মরিচ বাতি বানানের লেইগা পটাশিয়াম নাইট্রেট, সালফার আর গরুর ঝিল্লি লইয়া ধরা খাইলাম পুলিশের হাতে। ঘটনাক্রমে একমাস হাজতবাস। বাপে তখন ভারতবাসী। সে ফিরা আসছে একমাস পর হাতে একগাদা পুজাবার্ষিকী আর একটা এসএস ম্যাচ ব্যাট। আইসা খুশিতে যখন গদগদ, তখন মা হাসতে হাসতে কইলো পোলায় তো তোমার শ্বশুড়বাড়ি ঘুইরা আইছে। সে কিছু না ভাইবাই চড় মারলো।

আর আমি কিছু না ভাইবা পলাইলাম বাড়ি থেইকা। ২০০ টাকা পকেটে লইয়া সীমান্তবর্তী শহর রুহিয়ায় চইলা গেলাম। আজকাল সেইসব দিনের মতোন বাধাহীন হইতেই ইচ্ছা করে আবার। নিজেরে কেরম আটকা আটকা লাগে।

আমার পুরানা স্বভাবে ফিরা যাইতে ফিরা যাইতে পারতেছি মনে হয়। চোখের ডাক্তার থেইকা চইলা আসছি আটকা লাগনের অনুভূতিতে...আসলেই শৈশব-কৈশোরের সেইসব স্বাধীনতারে আবার ফিরা পাইতে ইচ্ছা করতেছে বহুত...দায়বদ্ধ থাকনের দায় দিয়া কিছু হয় না মনে হয়। থাকতে হয় আস্থা। আমরা কেউ আস্থাশীল না হইয়াই অবদমনের খেলা খেলতে শুরু করি।

আর অবদমন নয় এইরম জায়গা থেইকাই আবার নিজের পৃথিবীটারে সিলিন্ড্রিক্যাল কাঁচের এই পাশ থেইকা দেখতে ইচ্ছা করতেছে আজকাল...
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×