বড়পুকুরিয়া যাওনটা বাতিল করতে হইলো বড় বোনের জামাই অসুস্থ হওয়াতে। তবে রবিবারে যাওয়ার চেষ্টা করুম আবার। কিন্তু আজকে মনটা ভালো ছিলো অনেক্ষণ। সন্ধ্যেটা কাটিয়ে দিলাম ফ্লিকার ফটোগ্রাফারদের আড্ডায়। যদিও রাত যতোই বাড়ে আমার অস্থিরতাও সমানুপাতিক হয়। আমি ক্রমশঃ আবারো ঘরের আয়তক্ষেত্রে বন্দি হই। মেঝেতে কান পেতে শুনি শো শো শব্দ।
আমার জীবনে শব্দ এখন গুরুত্ববহ হয়। আমি কী-বোর্ডের ঠকঠকানি ভালোবাসি, আমি এখন সারাদিনরাত কোমল গান শুনি বাংলা-ইংরেজী। আজকে অভীক চইলা যাইতেছে মালয়শিয়াতে। ৬ মাসের জন্য। আমার একটা খুব খারাপ সময়ে ক্যানো জানি না অভীক অনেক কাছের বন্ধু হইয়া গেলো। এখন আমি যে আবার অন্ততঃ সতেজ চোখে ঘুরিফিরি...তার জন্য অভীকের অবদান অনেক্ষানি।
বন্ধুত্ব বিষয়টা উদ্ভট লাগে আমার ধীরে ধীরে। আসলেই মানুষের কাছে আমার গ্রহণীয়তা নিজের কাছেই উদ্ভট লাগে। এতোদিন আমার ধারণা জন্মাইছিলো সবাই আমারে এড়াইয়া চলার চেষ্টা করে...মিডিওক্রিসি কে ভালোবাসবো কও! যেমন মেলায় বয়োজ্যেষ্ঠ ব্লগার তীরন্দাজ আমার পরিচয় পাওনের পর যখন জড়াইয়া ধরলেন, আমি সত্যিই অভিভূত হই। আমি অভিভূত হই যখন অনেক দূরবর্তী বন্ধুরা আমার বিষন্নতার পাশে এসে দাঁড়ায়...তারা উদ্দীপ্ত করনের জন্য উদ্যোগ নেয় কোন কারণ ছাড়াই...আমি সত্যিই আবেগের দোলাচলে ভাসি।
কয়দিন আসলে নিপাট বক্তব্য লিখতেছি। কাব্যময়তা হারায় চিন্তার অভাবে। আহা, আমি তারে বিসর্জন দিতে উন্মুখ থাকি। আমি কেবল ডুবে যেতে চাই নিজের মধ্যে...কেবল ভাবি দায়বদ্ধতায় জীবনেরে আর কখনো বাঁধা যাইবো না...

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

